কৃষকদের সমৃদ্ধিই সরকারের অগ্রাধিকার : মুখ্যমন্ত্রী
ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন শুক্রবার ঝাড়খণ্ড মন্ত্রালয়ে কৃষি, পশুপালন ও সমবায় দপ্তরের কাজের অগ্রগতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেন। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী শিল্পী নেহা তির্কিও উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, রাজ্য সরকারের কৃষককল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির সুবিধা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
পুরীর রথযাত্রার সময় মৃত্যু এক ভক্তের, আহত বহু; শোকপ্রকাশ নবীন পট্টনায়েকের
সকাল সকাল ডেস্ক ভুবনেশ্বর : বৃহস্পতিবার পুরীতে রথযাত্রার সময় পদপিষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ব্যাপক ভিড়ের চাপে কার্যত পিষে যান বহু পুণ্যার্থী। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ওড়িশা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নবীন পট্টনায়েক। তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলেছেন এবং মৃতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এদিন নবীন পট্টনায়ক বলেন, রথযাত্রায় একজন ভক্তের মৃত্যুর খবরে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং দুর্ঘটনায় আহত পুণ্যার্থীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তিনি এও জানিয়েছেন, এই শোকের সময়ে বিজু জনতা দলের কর্মীরা প্রয়োজনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবেন। তিনি আহতদের এবং তাঁদের পরিজনদের সাহায্য করার জন্য দলের কর্মীদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার পুরীতে জগন্নাথ-বলরাম-শুভদ্রার রথের রশিতে টান দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যেতেই বিপত্তি ঘটে। ভক্তদের মধ্যে ঠেলাঠেলিতে হুড়মুড়িয়ে পড়ে যান অনেকে। ব্যাপক ভিড়ের চাপে কার্যত পিষে যান বহু পুণ্যার্থী। পদপিষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়। ওড়িশার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, অসুস্থ বহু পুণ্যার্থীই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে শুক্রবার এনডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে শুক্রবার জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের শরিক দলগুলির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশন চলাকালীন সরকারের কৌশল, আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার এবং বিরোধীদের বিভিন্ন ইস্যুর মোকাবিলা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে তাঁর সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশনে সরকারের কর্মসূচি চূড়ান্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিল সংসদে উপস্থাপন এবং সেগুলি পাস করানোর রণকৌশলও নির্ধারণ করা হবে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, আইন ও বিচার প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) অর্জুনরাম মেঘওয়াল, অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডুসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের শরিক দলগুলির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আগামী ২০ জুলাই থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সংসদের বাদল অধিবেশন চলবে। এই অধিবেশনে সরকারের আইন প্রণয়নের কর্মসূচি, সংসদের কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনা, বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে সমন্বয় এবং বিরোধীদের সম্ভাব্য কৌশলের মোকাবিলা নিয়েই মূলত শুক্রবারের বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
রথযাত্রা মহোৎসবে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী, জগন্নাথপুর মন্দিরকে পর্যটনের নতুন পরিচয় দেওয়ার ঘোষণা
ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গোয়ার এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বৃহস্পতিবার রাজধানী রাঁচির ঐতিহাসিক জগন্নাথপুর মন্দিরে আয়োজিত রথযাত্রা মহোৎসবে অংশ নেন। তাঁরা ভগবান জগন্নাথ, দেবী সুভদ্রা এবং বলভদ্রের পূজা-অর্চনা করে রাজ্যের মানুষের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করেন। পরে মুখ্যমন্ত্রী প্রথা মেনে রথের দড়ি টেনে রথযাত্রার সূচনা করেন। এসময় ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মন্দির চত্বর।
মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ মিস ইউনিভার্স ঝাড়খণ্ড-২০২৬ বিজয়ী দীপালি রিয়ার
ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাঁচির কাঁকে রোডে অবস্থিত মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মিস ইউনিভার্স ঝাড়খণ্ড-২০২৬-এর বিজয়ী দীপালি রিয়া। এদিন মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান।
ঝাড়খণ্ডের একাধিক জেলায় ১৭ ও ১৮ জুলাই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, বজ্রপাতের সতর্কতা
আগামী কয়েকদিন ঝাড়খণ্ডের আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি)। ১৭ ও ১৮ জুলাই রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ২০ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির আশঙ্কায় হলুদ সতর্কতা (ইয়েলো অ্যালার্ট) জারি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সড়ক, রেল, অর্ধপরিবাহী শিল্প, মোবাইল উৎপাদন এবং ইউরিয়া উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্পে ছাড়পত্র। সকাল সকাল ডেস্ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের পরিকাঠামো, শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বৈঠক-পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সড়ক নির্মাণ, অর্ধপরিবাহী শিল্প, মোবাইল উৎপাদন, রেল অবকাঠামো এবং ইউরিয়া উৎপাদন সংক্রান্ত বড় প্রকল্পগুলিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বারাণসীতে নতুন উড়াল সড়ক নির্মাণে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত-এর মধ্যে অন্যতম হলো উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে জাতীয় সড়ক-উনিশ এবং বারাণসী ঘিরে নির্মিত সড়কপথের মধ্যে ছয় লেনের একটি নতুন উড়াল সড়ক নির্মাণ। ছেচল্লিশ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় হবে চৌদ্দ হাজার চারশো কোটিরও বেশি টাকা। সরকারের আশা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বারাণসীর যানজট অনেকটাই কমবে এবং যাতায়াতের সময় প্রায় এক ঘণ্টা থেকে কমে প্রায় কুড়ি মিনিটে নেমে আসবে। একই সঙ্গে ধর্মীয়, শিক্ষামূলক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন এছাড়া বরুণা নদীর পাশ দিয়ে জাতীয় সড়ক-একত্রিশ এবং বারাণসী ঘিরে নির্মিত সড়কপথকে যুক্ত করতে আরও একটি উড়াল সড়ক নির্মাণেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তেতাল্লিশ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে দশ হাজার নয়শো আটানব্বই কোটিরও বেশি টাকা। অর্ধপরিবাহী শিল্পে নতুন বিনিয়োগ দেশে অর্ধপরিবাহী শিল্পকে শক্তিশালী করতে এক লক্ষ সাতাশ হাজার পাঁচশো কোটি টাকার নতুন কর্মসূচিতে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারের লক্ষ্য, দেশকে বৈশ্বিক অর্ধপরিবাহী উৎপাদন ও নকশা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সরকারের মতে, এই বিনিয়োগের ফলে উন্নত প্রযুক্তি, নতুন শিল্প স্থাপন, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ আরও বাড়বে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত-এর মধ্যে এটিকে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি খাতের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মোবাইল উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে জোর বৈঠকে দেশে মোবাইল উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বাষট্টি হাজার পাঁচশো কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্পেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে বাস্তবায়িত হতে চলা এই প্রকল্পে উৎপাদনের ভিত্তিতে আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকবে। সরকারের আশা, এর মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বৈদেশিক বাজারে ভারতীয় উৎপাদনের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। রেল অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের চারটি জেলাকে যুক্ত করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পেও অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এর আওতায় পারাদ্বীপ–হরিদাসপুর দ্বৈত রেলপথ এবং রাজখারসাওয়ান–ডাঙ্গোয়াপোসি চতুর্থ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন প্রায় তিন হাজার নয়শো সাত কোটি টাকার এই প্রকল্পগুলির কাজ দুই হাজার ত্রিশ-একত্রিশ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পণ্য পরিবহণের গতি বাড়বে এবং শিল্পাঞ্চলের যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। আত্মনির্ভর উৎপাদন, দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে বড় প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত সেই নীতিরই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, প্রযুক্তি শিল্প, উৎপাদন ক্ষেত্র এবং কৃষি অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি ইউরিয়া উৎপাদনে স্বনির্ভরতা বাড়াতে নতুন বিনিয়োগ নীতিও অনুমোদন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্যাসভিত্তিক ইউরিয়া কারখানায় বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সড়ক ও রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যাতায়াত সহজ হবে, পণ্য পরিবহণের সময় কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে। অর্ধপরিবাহী ও মোবাইল উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ইউরিয়া উৎপাদন বৃদ্ধি কৃষকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রযুক্তি শিক্ষার লক্ষ্য শুধু চাকরি নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি— রাজ্যপাল
বিআইটি মেসরাকে গবেষণা, উদ্ভাবন, স্টার্ট-আপ ও সমাজমুখী প্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ারের।
সোনম ওয়াংচুকের অনশন ঘিরে উদ্বেগ, অনশন ভাঙার আবেদন উদ্ধব ঠাকরে ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের
যন্তর মন্তরে টানা ১৭ দিনের অনশনে অনড় সোনম ওয়াংচুক, আলোচনায় বসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ১৭ দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার আবেদন জানিয়েছেন শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী)-র প্রধান উদ্ধব ঠাকরে এবং আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকে সোনম ওয়াংচুক স্পষ্ট জানিয়েছেন, দাবি পূরণে সরকারের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ না হলে তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন না। অনশন ভাঙার আবেদন দুই বিরোধী নেতার আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এবং তাঁর দাবিগুলিকে তাঁরা সমর্থন করেন। তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও তোলেন। পাশাপাশি জানান, বৃহস্পতিবার তিনি যন্তর মন্তরে গিয়ে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং ব্যক্তিগতভাবে অনশন ভাঙার অনুরোধ জানাবেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন অন্যদিকে, উদ্ধব ঠাকরেও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সোনম ওয়াংচুককে স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনা করে অনশন প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহারের আবেদন প্রসঙ্গে সোনম ওয়াংচুক বলেন, তাঁকে অনশন ভাঙতে বলার পরিবর্তে সরকারের কাছে জানতে চাওয়া উচিত কেন তারা আলোচনার টেবিলে বসছে না। তাঁর বক্তব্য, দাবি পূরণের বিষয়ে ইতিবাচক উদ্যোগ না দেখা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সোনম ওয়াংচুকের অনশন এখন শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রতিবাদ নয়, বরং বৃহত্তর গণআন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছে বলে আন্দোলনকারীদের দাবি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন যন্তর মন্তর থেকে সংসদ পর্যন্ত আয়োজিত শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় সমর্থন জানিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। আন্দোলনকারীরা দেশবাসীর কাছে সামাজিক মাধ্যমে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় নেমে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সোনম ওয়াংচুক। সেই দাবিগুলি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার দাবি জানিয়েই তিনি অনশন শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই আন্দোলন জাতীয় স্তরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সাধারণ মানুষের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ অনশনের ফলে সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তিনি এখনও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। রাজনৈতিক মহলের আবেদন, সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের পথ খুঁজে বের করা হোক। অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর: উন্নয়নে কেন্দ্র-রাজ্যের সমন্বয়ে নতুন গতি
বিকশিত ভারতের লক্ষ্য পূরণে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার, কৃষি, আবাসন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা সকাল সকাল ডেস্ক হাওড়ায় কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরে উন্নয়নের নতুন বার্তা সামনে এসেছে। বিকশিত ভারতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করলে কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব হবে। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরে ঘোষিত বিভিন্ন প্রকল্প সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে সমন্বয়ের বার্তা কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক অগ্রগতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন অপরিহার্য। তাঁর মতে, উন্নত, আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী ভারত গড়তে প্রতিটি রাজ্যের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন তিনি জানান, অতীতের তুলনায় বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে গতি এসেছে। আগামী দিনে এই অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে দুই সরকার একসঙ্গে কাজ করবে। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর এই সমন্বয়কে আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে বড় বরাদ্দ বৈঠকে গ্রামীণ উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ৩১ মার্চ গ্রামীণ উন্নয়নভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য ৮,৫০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন গ্রামের রাস্তা, সেচ ব্যবস্থা, জনপরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হলে স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও মজবুত করার ওপর জোর। আবাসন ও সড়ক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, আবাসন প্রকল্পের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এক লক্ষ বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে বহু উপযুক্ত পরিবার দ্রুত সরকারি আবাসনের সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের জন্য এক হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের কথাও জানানো হয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা কৃষি, ব্যবসা, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করবে বলে প্রশাসনের ধারণা। কৃষি ও জেলা ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বৈঠকে কৃষি খাতের উন্নয়ন নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা হয়। বিশেষ করে দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়া জেলায় বিশেষ কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি নির্ভর শিল্প ও স্থানীয় কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগও তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ছাড়া বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব নয়। তাই কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্র সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন মুখ্যমন্ত্রীও জানান, বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। আবাসন, গ্রামীণ সড়ক, কর্মসংস্থান এবং কৃষিভিত্তিক একাধিক প্রকল্প নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী দিনে যৌথভাবে সেগুলির বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর। আবাসন, গ্রামীণ রাস্তা, কর্মসংস্থান এবং কৃষি উন্নয়নের মতো বিষয়গুলি সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে যুক্ত। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা আরও দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাবে। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর তাই শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বৈঠক নয়, বরং ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনার দিকনির্দেশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।