জসপ্রীত বুমরাহ: ৯৬৮ দিন পর ওয়ানডেতে ফিরেই ইতিহাস, ইংল্যান্ডে ভাঙলেন জাদেজার রেকর্ড, পূর্ণ করলেন ১৫০ উইকেট
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডেতে ফিরেই হ্যারি ব্রুককে আউট করে ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হলেন জসপ্রীত বুমরাহ। প্রত্যাবর্তনেই রেকর্ড গড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ প্রায় তিন বছর বা ৯৬৮ দিন পর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এসেই ইতিহাস গড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে হ্যারি ব্রুককে ফিরিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছেন। একই সঙ্গে জসপ্রীত বুমরাহ নিজের আন্তর্জাতিক ওয়ানডে কেরিয়ারের ১৫০তম উইকেটও পূর্ণ করেন। দীর্ঘ বিরতির পরও তাঁর ধার, গতি এবং নিখুঁত লাইন-লেন্থে কোনও ঘাটতি দেখা যায়নি। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই তিনি বুঝিয়ে দিলেন, বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে তাঁর অবস্থান এখনও অটুট। দ্বিতীয় স্পেলেই বদলে গেল ম্যাচের চিত্র টসে জিতে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের অধিনায়ক শুভমন গিল পরে জানান, সুযোগ পেলে তাঁরাও আগে বোলিংই করতেন। নতুন বলে প্রথম স্পেলে চার ওভার বল করলেও উইকেট পাননি জসপ্রীত বুমরাহ। তবে পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় স্পেলের প্রথম বলেই তিনি ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলেন। অফ স্টাম্পের বাইরে নিখুঁত লেংথে করা বলে হ্যারি ব্রুক স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন এবং রোহিত শর্মা সহজ ক্যাচটি তালুবন্দি করেন। এই উইকেটই বুমরাহর জন্য ইতিহাসের দরজা খুলে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ইংল্যান্ডের মাটিতে নতুন ভারতীয় রেকর্ড হ্যারি ব্রুকের উইকেট নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইংল্যান্ডের মাটিতে জসপ্রীত বুমরাহ-র ওয়ানডে উইকেট সংখ্যা দাঁড়ায় ৩১। এর ফলে তিনি রবীন্দ্র জাদেজাকে পিছনে ফেলে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়ে যান। ইংল্যান্ডে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে বুমরাহ কতটা সফল এবং ধারাবাহিক। ১৫০ ওয়ানডে উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ হ্যারি ব্রুকের উইকেটটিই ছিল জসপ্রীত বুমরাহ-র আন্তর্জাতিক ওয়ানডে কেরিয়ারের ১৫০তম শিকার। শুধু তাই নয়, ভারতের হয়ে দ্রুততম ১৫০ ওয়ানডে উইকেট নেওয়ার তালিকায়ও উঠে এলেন তিনি। মাত্র ৪৬০৫ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বুমরাহ, যা ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয় দ্রুততম। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভারতের হয়ে দ্রুততম ১৫০ ওয়ানডে উইকেট (বলের হিসেবে) এই পরিসংখ্যান তাঁর ধারাবাহিকতা এবং কার্যকারিতারই প্রমাণ বহন করে। ভারতের বোলিংয়ে শুরু থেকেই চাপ শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে চাপে রাখেন ভারতীয় বোলাররা। নতুন বল হাতে গুরনুর ব্রার দ্রুত ফিরিয়ে দেন বেন ডাকেট এবং জ্যাকব বেথেলকে। এরপর জসপ্রীত বুমরাহ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে আউট করে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে আরও বড় ধাক্কা দেন। ভারতের পেস আক্রমণের দুরন্ত শুরু স্বাগতিকদের শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলতে বাধ্য করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আগামী দিনের জন্য বড় বার্তা ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামলেন জসপ্রীত বুমরাহ। দীর্ঘ বিরতির পর সাধারণত ছন্দে ফিরতে সময় লাগে, কিন্তু বুমরাহ সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নতুন রেকর্ড গড়া এবং ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করে তিনি আবারও বুঝিয়ে দিলেন, সুস্থ থাকলে বিশ্বের সেরা পেসারদের তালিকায় তাঁর নাম প্রথম সারিতেই থাকবে। ভারতের সামনে বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলি রয়েছে। সেই প্রস্তুতির আগে বুমরাহর এই দুরন্ত প্রত্যাবর্তন দলকে নিঃসন্দেহে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং ধারাবাহিকতা ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
দেব কোয়েল: ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে একফ্রেমে জনপ্রিয় জুটি, বড়পর্দায় ফেরার জল্পনায় উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘদিন পর ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে একসঙ্গে দেখা গেল দেব ও কোয়েল মল্লিককে। ভাইরাল ছবি ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বড়পর্দায় প্রত্যাবর্তনের জল্পনা। ছোটপর্দায় চমক দেখালেন দেব ও কোয়েল টলিউডের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় জুটির নাম উঠলে সবার আগে আসে দেব কোয়েল। ‘প্রেমের কাহিনী’, ‘মন মানে না’, ‘পাগলু’, ‘হিরো’ এবং ‘ককপিট’-এর মতো একাধিক সফল ছবিতে তাঁদের অনবদ্য রসায়ন দর্শকদের মন জয় করেছে। যদিও দীর্ঘদিন বড়পর্দায় এই জুটিকে একসঙ্গে দেখা যায়নি। সেই অপেক্ষার মাঝেই জনপ্রিয় রিয়্যালিটি অনুষ্ঠান ‘দাদাগিরি’র শুটিং সেট থেকে প্রকাশ্যে এসেছে একটি ছবি, যেখানে বহুদিন পর একফ্রেমে ধরা দিয়েছেন দেব কোয়েল। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুরাগীদের মধ্যে শুরু হয় নতুন উচ্ছ্বাস। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভাইরাল ছবিতে ফিরল পুরনো দিনের স্মৃতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানের পরিচিত মঞ্চে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রয়েছেন দেব ও কোয়েল মল্লিক। দেবের পরনে ছিল হালকা রঙের আনুষ্ঠানিক পোশাক, অন্যদিকে কোয়েলকে দেখা যায় লাল শাড়িতে। দু’জনের হাসিমুখের ছবি দেখে অনুরাগীরা আবারও পুরনো দিনের জনপ্রিয় ছবিগুলোর কথা মনে করতে শুরু করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, দেব কোয়েল জুটির মতো স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত রসায়ন বাংলা চলচ্চিত্রে খুব কমই দেখা যায়। ‘দাদাগিরি’র নতুন অধ্যায়ে বিশেষ অতিথি কোয়েল বর্তমান মরসুমে ‘দাদাগিরি’র সঞ্চালকের দায়িত্বে রয়েছেন দেব। নতুন ভূমিকায় তাঁর সহজ উপস্থাপনা ইতিমধ্যেই দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই মরসুমে একাধিক জনপ্রিয় তারকা অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যেই বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন কোয়েল মল্লিক। যদিও সেই পর্ব এখনও সম্প্রচারিত হয়নি, তবে শুটিংয়ের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকদের আগ্রহ কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। অনেকের মতে, ছোটপর্দায় দেব কোয়েল-এর এই পুনর্মিলন অনুষ্ঠানটির অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্বই অন-স্ক্রিন রসায়নের শক্তি দেব একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কোয়েল মল্লিক শুধু তাঁর সহ-অভিনেত্রী নন, বরং ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অভিনেতার কথায়, ব্যক্তিগত নানা বিষয় থেকে শুরু করে কাজের আলোচনা—অনেক কিছুই তিনি কোয়েলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। মজার ছলে তিনি কোয়েলকে নিজের ‘সবচেয়ে ভালো বন্ধু’ এবং ‘গল্পের রানি’ বলেও উল্লেখ করেছেন। ভক্তদের বিশ্বাস, বাস্তব জীবনের এই বন্ধুত্বই দেব কোয়েল জুটির অভিনয়কে আরও স্বাভাবিক এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে। ‘খাদান ২’ ঘিরে জল্পনা বাড়ছে এদিকে নতুন বছরের শুরুতেই দেব তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘খাদান ২’-এর ঘোষণা করেছেন। চলচ্চিত্র মহলে জোর গুঞ্জন, এই ছবিতেই আবার জুটি বাঁধতে পারেন দেব ও কোয়েল মল্লিক। যদিও এই বিষয়ে এখনও নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, তবুও অনুরাগীদের মধ্যে প্রত্যাশা তুঙ্গে। যদি এই খবর সত্যি হয়, তবে ‘ককপিট’-এর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড়পর্দায় দেখা যাবে দেব কোয়েল জুটিকে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, এই জনপ্রিয় জুটির প্রত্যাবর্তন বাংলা সিনেমার জন্য বড় আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অনুরাগীদের অপেক্ষা এখন বড়পর্দার দিকে ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে দেব ও কোয়েলের একসঙ্গে উপস্থিতি শুধু একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মুহূর্ত নয়, বরং তা বহু দর্শকের কাছে নস্টালজিয়ার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। সমাজমাধ্যমেও অনুরাগীরা নতুন ছবিতে এই জুটিকে ফের একসঙ্গে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বাংলা সিনেমার অন্যতম সফল এই জুটি আবারও বড়পর্দায় ফিরলে দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়বে। ছোটপর্দার এই পুনর্মিলন তাই বড়পর্দায় দেব কোয়েল-এর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।
জেসন সঞ্জয়: বাবার সঙ্গে বক্স অফিসে লড়াই নয়, ‘জন নয়গণ’-এর জন্য প্রথম ছবির মুক্তি পিছিয়ে দিলেন বিজয়-পুত্র
সকাল সকাল ডেস্ক থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি মুক্তির এক সপ্তাহ পর আসার কথা ছিল জেসন সঞ্জয়ের পরিচালিত ‘সিগমা’। বক্স অফিসের সংঘাত এড়াতেই বদলে গেল মুক্তির পরিকল্পনা। বাবার ছবির প্রতি সম্মান জানিয়ে বড় সিদ্ধান্ত জেসন সঞ্জয়ের দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অন্যতম বড় তারকা থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি জেসন সঞ্জয়-এর ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ের সঙ্গেই মিলে গিয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘জন নয়গণ’। অন্যদিকে, বিজয়ের ছেলে জেসন সঞ্জয়ও খুব শিগগিরই পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে নিজের নতুন যাত্রা শুরু করতে চলেছেন। তবে বাবার ছবির সঙ্গে বক্স অফিসে কোনও ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চান না তিনি। সেই কারণেই তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবি ‘সিগমা’-র মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণী চলচ্চিত্র মহলে জেসন সঞ্জয়-এর এই পদক্ষেপকে পরিণত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পরিচালনার পর এবার অভিনয়ের মঞ্চে জেসন বিজয়-পুত্র ইতিমধ্যেই পরিচালক হিসেবে নিজের প্রথম ছবি ‘সিগমা’-র কাজ শেষ করেছেন। এবার অভিনেতা হিসেবেও বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেসন সঞ্জয়। শিল্পমহলের বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তাঁর প্রথম অভিনীত ছবির প্রযোজনার দায়িত্ব নিতে পারেন প্রযোজক জিকেএম তামিল কুমারন। যদিও ‘সিগমা’ অন্য একটি প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত হয়েছে, তবুও অভিনয়ের নতুন ছবিটি আলাদা প্রযোজনায় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন পিছিয়ে গেল ‘সিগমা’? প্রথম পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘সিগমা’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ৩১ জুলাই। কিন্তু তার ঠিক এক সপ্তাহ আগে বড় পর্দায় আসছে থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি ‘জন নয়গণ’। নির্মাতাদের মতে, এত কম সময়ের ব্যবধানে দুটি বড় ছবি মুক্তি পেলে দর্শক এবং প্রেক্ষাগৃহ—দু’দিকেই প্রভাব পড়তে পারে। তাই জেসন সঞ্জয়-এর প্রথম পরিচালিত ছবিকে আরও ভালোভাবে দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে মুক্তির তারিখ অগস্ট মাসে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও নতুন মুক্তির দিন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে খুব শিগগিরই তা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। কেমন হতে চলেছে ‘সিগমা’? ‘সিগমা’ একটি অ্যাকশননির্ভর রহস্য ও ডাকাতির কাহিনিভিত্তিক ছবি। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সন্দীপ কিষাণ। ছবির গল্পে রয়েছে রোমাঞ্চ, হাস্যরস, অ্যাকশন এবং গুপ্তধনের রহস্য। তামিলনাড়ু ও থাইল্যান্ডের একাধিক মনোরম স্থানে ছবির শুটিং হয়েছে। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন জনপ্রিয় সুরকার এস থমন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারিয়া আবদুল্লা, রাজু সুন্দরম, সম্পদ রাজ-সহ একাধিক পরিচিত শিল্পী। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ জেসনের কাজের প্রশংসায় সহকর্মীরা মাত্র ২৫ বছর বয়সেই একটি বড় বাজেটের ছবি পরিচালনা করে ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন জেসন সঞ্জয়। ছবির সিনেমাটোগ্রাফার কৃষ্ণন ভাসান এবং অভিনেতা সন্দীপ কিষাণ—দুজনেই তাঁর পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং পেশাদার মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সন্দীপ কিষাণের মতে, শুটিং সেটে জেসনের কাজের ধরণ অনেকটাই তাঁর বাবা বিজয়ের মতো। প্রতিটি দৃশ্য নিয়ে স্পষ্ট ধারণা, শান্ত স্বভাব এবং পুরো ইউনিটকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার দক্ষতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। বাবা-ছেলের নতুন অধ্যায়ে নজর ভক্তদের একদিকে থলপতি বিজয়ের দীর্ঘ অভিনয় জীবনের বিদায়ী ছবি ‘জন নয়গণ’, অন্যদিকে পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে জেসন সঞ্জয়-এর নতুন যাত্রা—দক্ষিণী চলচ্চিত্রে এই দুই ঘটনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। বক্স অফিসে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে বাবার ছবিকে সম্মান জানিয়ে নিজের ছবির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই প্রশংসা পেয়েছেন জেসন। অনেকেই মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত তাঁর পরিণত চিন্তাভাবনার পরিচয় বহন করে। এখন দর্শকদের অপেক্ষা, বিজয়ের বিদায়ী ছবি সাফল্যের পর জেসন সঞ্জয়ও কি নিজের প্রতিভা দিয়ে দক্ষিণী চলচ্চিত্রে আলাদা পরিচয় তৈরি করতে পারবেন। সেই উত্তর দেবে সময়ই।
আলিয়া ভাট শাড়ি লুক: বান্ধবীর বিয়েতে ৩ ভিন্ন সাজে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী, শিখুন নতুন শাড়ি পরার ধরণ
সকাল সকাল ডেস্ক ককটেল, বিয়ে ও সংবর্ধনা—তিন অনুষ্ঠানে তিন ধরনের শাড়ি, তিন আলাদা সাজে নতুন ফ্যাশনের দিশা দেখালেন আলিয়া ভাট। বান্ধবীর বিয়েতে তিন ভিন্ন সাজে মুগ্ধ করলেন আলিয়া ভাট বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর অনন্য পোশাকরুচির জন্যও সমান জনপ্রিয়। সম্প্রতি ছোটবেলার বন্ধু আকাঙ্ক্ষা রঞ্জন ও পরিচালক শরণ শর্মার বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আলিয়া ভাট শাড়ি লুক আবারও ফ্যাশনপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। ককটেল অনুষ্ঠান, বিয়ে এবং সংবর্ধনা—এই তিনটি আয়োজনে তিন ধরনের শাড়ি, তিন ভিন্ন পরার কায়দা এবং আলাদা সাজে তিনি প্রমাণ করেছেন, সামান্য পরিবর্তনেই একই পোশাকে তৈরি করা যায় সম্পূর্ণ নতুন আকর্ষণ। বর্তমানে আলিয়া ভাট শাড়ি লুক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা চলছে। ককটেল অনুষ্ঠানে গাঢ় বেগুনি শাড়িতে রাজকীয় উপস্থিতি ককটেল অনুষ্ঠানের জন্য আলিয়া বেছে নেন গাঢ় বেগুনি রঙের একটি বিশেষ শাড়ি। এই শাড়ির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল এর অভিনব পরার ধরন। প্রচলিত নিয়মের বাইরে বিশেষ কায়দায় পরা এই শাড়িতে ছিল ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সুন্দর মেলবন্ধন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শাড়ির সূক্ষ্ম নকশায় পার্সি সূচিশিল্প, বেনারসি বুনন এবং প্রাচীন সিল্ক রুটের শিল্পরীতির প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন একই রঙের করসেট ধাঁচের রেশমি ব্লাউজ। সাজ ছিল অত্যন্ত পরিমিত। হালকা চোখের সাজ, পরিচ্ছন্ন খোঁপা, সরু সোনার গলার হার এবং ছোট কানের দুলে সম্পূর্ণ হয় আলিয়া ভাট শাড়ি লুক-এর প্রথম অধ্যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে রফেল শাড়ি ও ব্যাকলেস ব্লাউজের চমক মূল বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে দেখা যায় হালকা রঙের রফেল শাড়িতে। তবে এই সাজের প্রধান আকর্ষণ ছিল তাঁর নকশাদার ব্লাউজ। হাতা ছাড়া উঁচু গলার ব্লাউজটির পিছনে ছিল খোলা নকশা, যা পুরো সাজে আধুনিকতার ছোঁয়া এনে দেয়। সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং ঐতিহ্যবাহী বর্ডারের কাজ ব্লাউজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। ব্লাউজের নকশা ভারী হওয়ায় গলায় কোনও হার পরেননি তিনি। পরিবর্তে কপালের বড় টিকলি, লম্বা কানের অলংকার এবং মানানসই ছোট ব্যাগ দিয়ে সাজ সম্পূর্ণ করেন। ছোট্ট টিপ পুরো লুককে আরও ঐতিহ্যবাহী করে তোলে। এই আলিয়া ভাট শাড়ি লুক প্রমাণ করে, সঠিক ব্লাউজ নির্বাচন একটি সাধারণ শাড়িকেও অসাধারণ করে তুলতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সংবর্ধনায় গুজরাতি ধাঁচে আধুনিক উপস্থাপনা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আলিয়া বেছে নেন ঐতিহ্যবাহী আজরাখ নকশার শাড়ি। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে শাড়ি পরার ভিন্ন কৌশল। তিনি সামনের আঁচলের গুজরাতি ধাঁচ অনুসরণ করলেও প্রচলিত নিয়মের পরিবর্তে আঁচলটি কোমরে গুঁজে না রেখে আলগাভাবে ব্লাউজের সঙ্গে আটকান। এই ছোট্ট পরিবর্তনেই পুরো সাজে আধুনিকতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চুল খোলা রেখে ভারী রুপোর গয়না এবং কপালের অলংকারের মাধ্যমে তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার অনন্য সমন্বয় তুলে ধরেন। এই আলিয়া ভাট শাড়ি লুক ইতিমধ্যেই ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শাড়ির সাজে ছোট পরিবর্তনেই বড় পার্থক্য বিশেষজ্ঞদের মতে, একই শাড়িকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে উপস্থাপন করার জন্য ড্রেপিং, ব্লাউজ, গয়না এবং চুলের সাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলিয়ার তিনটি লুক সেই বিষয়টিই আবারও সামনে এনে দিয়েছে। ককটেলে অভিনব শাড়ি পরার ধরন, বিয়েতে আকর্ষণীয় ব্লাউজ এবং সংবর্ধনায় আধুনিক গুজরাতি ধাঁচ—প্রতিটি সাজেই ছিল আলাদা বৈশিষ্ট্য। ফলে একই ধরনের পোশাক পরেও একঘেয়েমির কোনও সুযোগ থাকেনি। বিয়ের মরসুমে হতে পারে সেরা ফ্যাশন অনুপ্রেরণা সামনেই বিয়ের মরসুম। অনেকেই চান শাড়ি পরে অন্যদের থেকে আলাদা দেখাতে। সেই ক্ষেত্রে আলিয়া ভাট শাড়ি লুক হতে পারে দারুণ অনুপ্রেরণা। শুধু দামি শাড়ি নয়, বরং সঠিকভাবে শাড়ি পরা, মানানসই ব্লাউজ নির্বাচন এবং উপযুক্ত অলংকারের সমন্বয়ই একটি সাজকে আকর্ষণীয় করে তোলে। আলিয়া ভাটের এই তিনটি লুক সেই বার্তাই আরও একবার স্পষ্ট করেছে। ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক রুচির সঙ্গে মিলিয়ে কীভাবে নিজস্ব ফ্যাশন তৈরি করা যায়, তার সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরেছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।
নরওয়ে ফুটবল দল: বিশ্বকাপে বিদায়, তবু বীরের সম্মান! অসলোয় এক লক্ষ সমর্থকের রাজকীয় সংবর্ধনা
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও অসলোয় এক লক্ষ সমর্থকের ভালোবাসায় ভাসল নরওয়ে ফুটবল দল, আবেগাপ্লুত অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, কিন্তু মাথা উঁচু করেই দেশে ফিরল নরওয়ে ফুটবল দল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হলেও নরওয়ে ফুটবল দল দেশে ফিরে পেল এক অবিস্মরণীয় সম্মান। রাজধানী অসলোর রাস্তায় প্রায় এক লক্ষ সমর্থক জড়ো হয়ে মার্টিন ওডেগার্ডদের বীরের মর্যাদায় বরণ করে নেন। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ায় গোটা দেশ গর্বিত। সেই কারণেই নরওয়ে ফুটবল দলকে ঘিরে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। বিমানবন্দর থেকেই শুরু রাজকীয় অভ্যর্থনা সোমবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে দলের বিমান অসলো বিমানবন্দরে পৌঁছাতেই শুরু হয় বিশেষ সংবর্ধনা। ঐতিহ্য অনুযায়ী জলধারার বিশেষ সম্ভাষণের মাধ্যমে ফুটবলারদের স্বাগত জানানো হয়। এরপর ছাদখোলা বিশেষ বাসে করে শহরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে নরওয়ে ফুটবল দল। রাস্তার দু’ধারে হাজার হাজার সমর্থক জাতীয় পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উপস্থিত হন শুধুমাত্র একবার প্রিয় খেলোয়াড়দের চোখের সামনে দেখার জন্য। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ রাজপ্রাসাদে রাজপরিবারের উষ্ণ অভ্যর্থনা শোভাযাত্রার প্রথম গন্তব্য ছিল নরওয়ের রাজপ্রাসাদ। সেখানে ফুটবলারদের স্বাগত জানান রাজা হ্যারাল্ড। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড ও তাঁর সতীর্থদের উপস্থিতিতে রাজপ্রাসাদ চত্বর এবং আশপাশের এলাকা উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন ক্রাউন প্রিন্স হাকন। তিনি নিজে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে আনন্দে শামিল হন। রাজপরিবারের এমন আন্তরিক অংশগ্রহণ নরওয়ে ফুটবল দলকে ঘিরে দেশের মানুষের আবেগ আরও স্পষ্ট করে তোলে। হালান্ড অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি তবে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি নরওয়ের তারকা ফুটবলার এরলিং হালান্ড। তাঁর সঙ্গে ছিলেন না সান্ডার বের্গেও। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাঁদের নির্ধারিত বিমান দীর্ঘ সময় বিলম্বিত হওয়ায় পরবর্তী সংযোগকারী বিমান ধরতে তাঁরা আগেই অন্য একটি উড়োজাহাজে যাত্রা করেন। ফলে রাজপ্রাসাদের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। যদিও সমর্থকদের উদ্দেশে তাঁরা সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সমর্থকদের ভিড়ে থমকে গেল বিজয়যাত্রা রাজপ্রাসাদ থেকে সিটি হল চত্বর পর্যন্ত শোভাযাত্রার দূরত্ব খুব বেশি না হলেও বিপুল জনসমাগমের কারণে বারবার থেমে যেতে হয় বাসটিকে। পুলিশকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয়। এর পাশাপাশি আরেকটি সমস্যারও মুখোমুখি হতে হয়। ছাদখোলা বাসটির উচ্চতা বেশি হওয়ায় রাস্তার ওপর ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক তারের নিচ দিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বাসের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ফুটবলারদের বসে পড়তে বলা হয়। এরপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় বিজয়যাত্রা। এই ঘটনায় অনেকেরই মনে পড়ে যায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালের সেই বিতর্ক, যেখানে নরওয়ের কোচ অভিযোগ করেছিলেন গোল হওয়ার আগে বল উপরের তারে স্পর্শ করেছিল। আবেগে ভেসে গেলেন অধিনায়ক ওডেগার্ড সমর্থকদের ভালোবাসা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। তিনি বলেন, এমন সংবর্ধনার কথা দলের কেউ কল্পনাও করেননি। তাঁর কথায়, যুক্তরাষ্ট্রে সমর্থকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছেন, দেশে ফিরে মানুষ যেভাবে তাঁদের বরণ করে নিয়েছে, তা সব প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই ভালোবাসাই ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। ওডেগার্ডের এই বক্তব্যে স্পষ্ট, বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দেশের মানুষের হৃদয় জয় করতে পেরেছে নরওয়ে ফুটবল দল। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন স্বপ্নের পথে নরওয়ে ১৯৯৮ সালের পর আবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরে নরওয়ে যে লড়াই দেখিয়েছে, তা দেশটির ফুটবলে নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজন্মের ফুটবলাররা আগামী বছরগুলিতে আরও বড় সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছেন। ট্রফি না জিতেও মানুষের ভালোবাসা, রাজপরিবারের সম্মান এবং এক লক্ষ সমর্থকের উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে, সাফল্যের মূল্য শুধু শিরোপায় নয়, লড়াইয়ের মানসিকতাতেও। সেই কারণেই নরওয়ে ফুটবল দলকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই আবেগ ভবিষ্যতের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
আর্জেন্টিনা জার্সি: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চিরাচরিত নীল-সাদা নয়, ‘লাকি’ গাঢ় নীল পোশাকে মেসিদের নতুন ইতিহাসের স্বপ্ন
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে গাঢ় নীল পোশাকে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। এটি কি শুধু নিয়মের কারণে, নাকি অতীতের সাফল্যের বিশ্বাসও কাজ করছে? ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বদলে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার পরিচিত পোশাক বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা জার্সি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। বরাবরের নীল-সাদা ডোরা পোশাকের বদলে এবার গাঢ় নীল রঙের বাইরের পোশাক পরে মাঠে নামবে লিওনেল মেসির দল। ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই এই পরিবর্তন দেখে বিস্মিত হলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ম এবং অতীতের কিছু স্মরণীয় ঘটনার কারণে বিষয়টি এখন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই আর্জেন্টিনা জার্সি কেবল একটি পোশাক নয়, বরং সমর্থকদের কাছে নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক নিয়মেই বদলাচ্ছে পোশাক বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতায় দুই দলের পোশাকের রঙ যেন একে অপরের সঙ্গে মিশে না যায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। সেই নিয়ম অনুযায়ী একটি দল হালকা রঙের এবং অন্য দল গাঢ় রঙের পোশাক পরে মাঠে নামে। ইংল্যান্ড তাদের ঐতিহ্যবাহী সাদা পোশাক ব্যবহার করায় আর্জেন্টিনাকে গাঢ় নীল বাইরের পোশাক পরার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ফলে আর্জেন্টিনা জার্সি পরিবর্তনের মূল কারণ নিয়ম বলেই মনে করা হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ গ্রুপ পর্বেই মিলেছিল সাফল্য চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিরুদ্ধে একই গাঢ় নীল পোশাক পরে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ের পর থেকেই অনেক সমর্থকের কাছে আর্জেন্টিনা জার্সি নতুন সৌভাগ্যের প্রতীক হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বহু সমর্থক এই পোশাকেই সেমিফাইনালে দলকে দেখতে চেয়েছিলেন। অতীতের ইতিহাস কি নতুন বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে? শুধু চলতি বিশ্বকাপ নয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার কয়েকটি স্মরণীয় জয়ের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে এই গাঢ় নীল পোশাক। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার বিখ্যাত ‘ঈশ্বরের হাত’ গোল এবং শতাব্দীর সেরা গোলের ম্যাচে আর্জেন্টিনা গাঢ় নীল পোশাকেই খেলেছিল। সেই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতেছিল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। এরপর ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডকে টাইব্রেকারে হারানোর সময়ও আর্জেন্টিনার গায়ে ছিল একই ধরনের গাঢ় নীল পোশাক। এই দুই ঐতিহাসিক জয়ের কারণেই অনেক সমর্থক বিশ্বাস করেন, আর্জেন্টিনা জার্সি হিসেবে এই গাঢ় নীল রং সৌভাগ্যের প্রতীক। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পরিসংখ্যানের অন্য ছবিও রয়েছে তবে ইতিহাসের অন্য দিকও রয়েছে। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার যে তিনটি হার রয়েছে, তার প্রতিটিতেই তারা নিজেদের চিরাচরিত নীল-সাদা ডোরা পোশাক পরে খেলেছিল। ১৯৬২, ১৯৬৬ এবং ২০০২ সালের বিশ্বকাপের সেই পরাজয় আজও সমর্থকদের মনে রয়ে গেছে। এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পর অনেকেই মনে করছেন, আর্জেন্টিনা জার্সি হিসেবে গাঢ় নীল রং বেছে নেওয়ার পিছনে মানসিক আত্মবিশ্বাসও কাজ করতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা কিংবা আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা—কেউই এমন কোনও দাবি সমর্থন করেনি। দুই দলই রয়েছে দুর্দান্ত ছন্দে দুই দলই কঠিন লড়াই পেরিয়ে শেষ চারে পৌঁছেছে। ইংল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে। অধিনায়ক লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর এবং টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন ইতিহাস লেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের লড়াই মানেই ইতিহাস, আবেগ এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মারাদোনার স্মরণীয় গোল, ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড কিংবা একাধিক নাটকীয় ম্যাচ—সব মিলিয়ে এই দ্বৈরথ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণ। এবারও সেই ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত হতে চলেছে। গাঢ় নীল আর্জেন্টিনা জার্সি আদৌ দলকে সৌভাগ্য এনে দেয় কি না, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার পর। তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই সেমিফাইনাল শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বরং দুই ফুটবল পরাশক্তির মর্যাদার আরেকটি ঐতিহাসিক সংঘর্ষ।
রাহুল দ্রাবিড় কি ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট কোচ? ম্যাককালামের বিদায়ের পর জোর জল্পনা
সকাল সকাল ডেস্ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম টেস্ট দলের দায়িত্ব ছাড়তেই নতুন কোচের খোঁজে ইংল্যান্ড, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাহুল দ্রাবিড় রাহুল দ্রাবিড়কে ঘিরে জল্পনায় সরগরম ক্রিকেট বিশ্ব ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দীর্ঘ চার বছর দায়িত্ব পালনের পর টেস্ট দলের প্রধান কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তাঁর এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই নতুন কোচ কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও প্রাক্তন প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের নাম। যদিও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু ক্রিকেট মহলে এই সম্ভাবনা ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ম্যাককালামের বিদায়ে শেষ হচ্ছে একটি অধ্যায় ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক মানসিকতার নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তাঁর কোচিংয়ে দল সাহসী ও ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে শুরু করে। সেই দর্শনই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বিশেষ পরিচিতি পায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে দলের ওপর চাপ বাড়ছিল। এমন পরিস্থিতিতেই টেস্ট দলের দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন ম্যাককালাম। যদিও তিনি ইংল্যান্ডের একদিনের ও বিশ ওভারের দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ হার বাড়াল চাপ সম্প্রতি নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-২ ব্যবধানে পরাজিত হয় ইংল্যান্ড। এই হার দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো করে তোলে। এরপরই ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড জানায়, চার বছরের দায়িত্ব পালন শেষে ম্যাককালাম টেস্ট দলের প্রধান কোচের পদ ছাড়ছেন। তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর দায়িত্বে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। সামাজিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড সামাজিক মাধ্যমেও ম্যাককালামের সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, তিনি টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়লেও সীমিত ওভারের দুই দলের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন। এই ঘোষণার পর থেকেই নতুন টেস্ট কোচ নিয়ে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। রাহুল দ্রাবিড় কি এগিয়ে? ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন কোচ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, সাবেক স্পিনার রিচার্ড ডসন এবং ভারতের প্রাক্তন প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, তরুণ ক্রিকেটারদের গড়ে তোলার দক্ষতা এবং কৌশলগত নেতৃত্বের কারণে রাহুল দ্রাবিড়কে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় দলের দায়িত্বে থাকাকালীন তাঁর সাফল্যও এই আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দ্রাবিড় কি দায়িত্ব নিতে রাজি? যদিও এই মুহূর্তে বিষয়টি পুরোপুরি জল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ার পর রাহুল দ্রাবিড় আপাতত পূর্ণসময়ের আন্তর্জাতিক কোচিংয়ে ফিরতে আগ্রহী নন। তিনি কিছুটা সময় ব্যক্তিগতভাবে কাটাতে চান বলেই জানা যাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে যদি তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন, তাহলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। সরকারি বক্তব্য ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়লেও সীমিত ওভারের দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন। নতুন টেস্ট কোচের বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা করা হয়নি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই মুহূর্তে রাহুল দ্রাবিড়কে নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা সম্পূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে। বোর্ড এখনও নতুন কোচের নাম ঘোষণা করেনি। ফলে দ্রাবিড়, অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার কিংবা রিচার্ড ডসনের মধ্যে কে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব পাবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য। তবে যদি ভবিষ্যতে রাহুল দ্রাবিড় এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার কোনও ভারতীয় কিংবদন্তি ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের প্রধান কোচ হবেন। সেটি নিঃসন্দেহে বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।
লর্ডসে ইতিহাস গড়ল ভারতীয় মহিলা দল, ২৭০ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টেস্টে অপরাজিত থাকার নজির
সকাল সকাল ডেস্ক লর্ডসে প্রথম টেস্ট জয়, ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে হারিয়ে বিলেতের মাটিতে অপরাজিত থাকার রেকর্ড আরও উজ্জ্বল করল হরমনপ্রীত কৌরের দল লর্ডসে ইতিহাস গড়ল ভারতীয় মহিলা দল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের ইতিহাসে আরও একটি সোনালি অধ্যায় যুক্ত হল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে প্রথমবার টেস্ট ম্যাচ জিতে নতুন নজির গড়ল ভারত। হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শুধু ঐতিহাসিক জয়ই নয়, ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডও অক্ষুণ্ণ রাখল ভারতীয় মহিলা দল। ক্রিকেটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ভেন্যুতে এই সাফল্য বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাল। চতুর্থ দিনের শুরুতেই শেষ ইংল্যান্ডের লড়াই চতুর্থ দিনের শুরুতে ভারতের প্রয়োজন ছিল মাত্র চারটি উইকেট। ৪৫৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ১৩০ রান। শেষ দিনে ভারতীয় বোলাররা কোনও সুযোগ না দিয়ে দ্রুত ম্যাচ শেষ করে দেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মাত্র ৬২.৫ ওভারে ১৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফলে ২৭০ রানের বিশাল জয় নিশ্চিত করে ভারত। এই জয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতীয় মহিলা দলের টেস্ট রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ হল। সেখানে এখন পর্যন্ত তিনটি টেস্টে জয় এবং সাতটি ম্যাচ ড্র করেছে ভারত। অর্থাৎ, এখনও পর্যন্ত ইংল্যান্ডের মাটিতে কোনও টেস্ট ম্যাচ হারেনি ভারতীয় মহিলা দল। সচিনের উপস্থিতিতে বাড়ল অনুপ্রেরণা চতুর্থ দিনের খেলা শুরুর আগে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে গিয়ে ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর ক্রিকেটারদের শুভেচ্ছা ও অনুপ্রেরণা দেন। পরে লর্ডসের গ্যালারিতে বসে তিনি দলের ঐতিহাসিক জয় প্রত্যক্ষ করেন। ক্রিকেটের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী মাঠে সচিনের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। ম্যাচ শেষে অনেক ক্রিকেটপ্রেমীও এই মুহূর্তকে ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য বিশেষ স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। অ্যামি জোন্স ও সোফি একলস্টোনের লড়াই যথেষ্ট ছিল না দ্বিতীয় ইনিংসে একসময় মাত্র ৫৯ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে অ্যামি জোন্স ও সোফি একলস্টোন লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। দু’জনেই অর্ধশতরান করে কিছু সময় ভারতের জয় বিলম্বিত করেন। অ্যামি জোন্স ৫৪ রান করার পর আউট হলে আবার চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। এরপর ৫০ রান করা সোফি একলস্টোনকে ফিরিয়ে দেন স্নেহ রানা। সেই উইকেটের পরই কার্যত ম্যাচ ভারতের মুঠোয় চলে আসে। স্নেহ রানা চারটি উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ভেঙে দেন। দীপ্তি শর্মাও দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা পালন করেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্যাট হাতে উজ্জ্বল স্মৃতি, যস্তিকা ও রিচা প্রথম ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ লিড নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতীয় ব্যাটাররা দারুণ পারফরম্যান্স দেখান। স্মৃতি মন্ধনা প্রথম ইনিংসের ৮৩ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৭০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। যস্তিকা ভাটিয়া ১১৩ রানের অসাধারণ শতরান করে লর্ডসের অনার বোর্ডে নিজের নাম তুলে নেন। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার রিচা ঘোষ অপরাজিত ৫০ রান করে দলের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৪১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ফলে ইংল্যান্ডের সামনে ৪৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড়ায়, যা শেষ পর্যন্ত তারা স্পর্শও করতে পারেনি। বল হাতেও নায়ক ক্রান্তি গৌড় এই ঐতিহাসিক জয়ে বল হাতেও উজ্জ্বল ছিলেন ক্রান্তি গৌড়। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনি লর্ডসের অনার বোর্ডে জায়গা করে নেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও আরও দুটি উইকেট শিকার করে ম্যাচে মোট সাতটি উইকেট তুলে নেন। স্নেহ রানা, দীপ্তি শর্মা এবং ক্রান্তি গৌড়ের সম্মিলিত বোলিং ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে পুরোপুরি চাপে ফেলে দেয়। তাদের ধারাবাহিক সাফল্যই ভারতের বড় জয়ের ভিত গড়ে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর দলের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই সবাই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে। কঠিন পরিস্থিতিতেও দল যেভাবে লড়াই করেছে, তা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা। বিশ্বকাপের আগে বড় আত্মবিশ্বাস কয়েক দিন আগেই সীমিত ওভারের সিরিজে হতাশাজনক ফলের মুখোমুখি হয়েছিল ভারতীয় মহিলা দল। সেই হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে এই ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বিশ্বকাপের আগে দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে তাদেরই মাঠে ২৭০ রানে হারানো শুধু একটি ম্যাচ জয় নয়, ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের শক্তিরও বড় প্রমাণ। এই সাফল্য দেখিয়ে দিল, বিশ্বের যে কোনও দলের বিরুদ্ধে লড়াই করে জেতার সামর্থ্য এখন ভারতীয় মহিলা দলের রয়েছে।
প্রথম সেট হারিয়েও জেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন সিনার
সকাল সকাল ডেস্ক প্রথম সেটে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ানিক সিনার প্রথম সেট হারিয়েও টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের সিংহাসনে সিনার প্রথম সেট হারিয়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা ইয়ানিক সিনার। অল ইংল্যান্ড ক্লাবের ঘাসের কোর্টে অনুষ্ঠিত পুরুষদের একক ফাইনালে আলেকজান্ডার জেরেভকে ৬-৭(৭), ৭-৬(২), ৬-৩, ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা জিতে নিলেন ইতালির এই তারকা। প্রায় তিন ঘণ্টা ৪৬ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে কেরিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং ৩০তম এটিপি শিরোপা জিতে আরও একবার নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন তিনি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শুরু থেকেই ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ফাইনালের শুরু থেকেই দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে জমে ওঠে দারুণ লড়াই। শক্তিশালী সার্ভিস, নিখুঁত গ্রাউন্ডস্ট্রোক এবং আক্রমণাত্মক খেলায় কেউই কাউকে ছাড় দিতে রাজি ছিলেন না। ফলে প্রথম সেটের নিষ্পত্তি হয় টাই-ব্রেকে। টাই-ব্রেকেও উত্তেজনার পারদ ছিল চরমে। শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুর্দান্ত ফোরহ্যান্ড শটে ৯-৭ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে প্রথম সেট জিতে নেন জেরেভ। দীর্ঘদিন পর সিনারের বিরুদ্ধে একটি সেট জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান জার্মান টেনিস তারকা। দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ালেন সিনার প্রথম সেট হারলেও সিনারের আত্মবিশ্বাসে কোনও ভাটা পড়েনি। বরং আরও ধৈর্য ধরে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে থাকেন তিনি। দ্বিতীয় সেটেও দুই খেলোয়াড় নিজেদের সার্ভিস ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত সেটের ভাগ্য নির্ধারণ হয় আবারও টাই-ব্রেকে। তবে এবার কোনও সুযোগ দেননি সিনার। নিখুঁত রিটার্ন, ধারাবাহিক আক্রমণ এবং প্রতিপক্ষের ভুলকে কাজে লাগিয়ে ৭-২ ব্যবধানে টাই-ব্রেক জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান ইতালির তারকা। সেই মুহূর্ত থেকেই ম্যাচের গতি বদলে যেতে শুরু করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ তৃতীয় সেটেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে তৃতীয় সেটে। একটি বল ধরতে গিয়ে ঘাসে পিছলে পড়ে ডান হাঁটুতে চোট পান জেরেভ। কিছু সময় চিকিৎসা নেওয়ার জন্য খেলা বন্ধ রাখতে হয়। এই সময় অসাধারণ ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিচয় দেন সিনার। প্রতিপক্ষের কাছে ছুটে গিয়ে চিকিৎসক আসা পর্যন্ত তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে এই আচরণের প্রশংসা করেন। চিকিৎসার পর জেরেভ খেলায় ফিরলেও আগের ছন্দ আর ফিরে পাননি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের প্রথম সার্ভিস ভাঙেন সিনার। এরপর নিজের সার্ভিস ধরে রেখে ৬-৩ ব্যবধানে তৃতীয় সেট জিতে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যান তিনি। চ্যাম্পিয়নের মতো শেষ করলেন ম্যাচ চতুর্থ সেটে জেরেভ শেষ চেষ্টা করেছিলেন ম্যাচকে আরও দীর্ঘায়িত করার। কিন্তু সিনারের আত্মবিশ্বাস তখন তুঙ্গে। স্কোর ৩-৩ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস ভেঙে ম্যাচ নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন তিনি। এরপর নিজের সার্ভিসে কোনও ভুল না করে ৬-৪ ব্যবধানে সেট জিতে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা নিশ্চিত করেন ইতালির এই তারকা। শেষ পয়েন্ট জয়ের পর আনন্দে ঘাসের কোর্টে শুয়ে পড়েন সিনার। দর্শকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই তিনি তুলে নেন কাঙ্ক্ষিত ট্রফি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন ইতিহাস গড়লেন ইতালির তারকা এই জয়ের মাধ্যমে একাধিক কীর্তি গড়েছেন ইয়ানিক সিনার। বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুই বছর উইম্বলডন জেতা কিংবদন্তিদের তালিকায় নিজের নাম যুক্ত করেছেন তিনি। অল ইংল্যান্ড ক্লাবে তাঁর টানা জয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ ম্যাচে। এটি ছিল গ্র্যান্ড স্ল্যামে তাঁর শততম ম্যাচ জয়। পাশাপাশি আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধে টানা দশটি জয় তুলে নিয়ে নিজের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করলেন ইতালির এই তারকা। সরকারি প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে সিনার বলেন, প্রথম সেট হারানোর পরও তিনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি। ধৈর্য ধরে খেলেছেন এবং প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন। অন্যদিকে জেরেভও স্বীকার করেন, কঠিন সময়ে সিনার অসাধারণ টেনিস খেলেছেন এবং যোগ্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শিরোপা জিতেছেন। পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই জয়ের মাধ্যমে ইয়ানিক সিনার কেরিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং ৩০তম এটিপি শিরোপা জিতে বিশ্ব টেনিসে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করলেন। ফরাসি ওপেনের হতাশা ভুলে উইম্বলডনের মুকুট ধরে রেখে তিনি আগামী দিনের বড় প্রতিযোগিতাগুলোর জন্যও আত্মবিশ্বাসের বার্তা দিলেন।
২২ বছরের অপেক্ষার অবসান, প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি, বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইতিহাস গড়ার হাতছানি
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন লিওনেল মেসি, ইতিহাস, আবেগ ও ফাইনালের স্বপ্ন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান, প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মেসি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণীয় দ্বৈরথ ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াই। দুই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, বিশ্বকাপের অসংখ্য স্মরণীয় ম্যাচ এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই ম্যাচকে সবসময়ই বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। তবে অবাক করার মতো বিষয়, আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২২ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়েও লিওনেল মেসি কখনও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলেননি। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, যা তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় হয়ে থাকবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মেসির কাছে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করার পর নিজের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মেসি। তিনি বলেছেন, বিশ্বের প্রায় সব শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেললেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কখনও মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। তাই এই ম্যাচ তাঁর কাছে শুধুমাত্র একটি সেমিফাইনাল নয়, বরং বহু বছরের অপূর্ণতা পূরণের সুযোগ। মেসির মতে, ইংল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল। তাদের সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্য, প্রতিভাবান ফুটবলার এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা এই ম্যাচকে আরও কঠিন ও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। এতদিন কেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা হয়নি দুই দশকেরও বেশি আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে এই বিরল ঘটনা অনেককেই অবাক করেছে। এর পেছনে রয়েছে একটি পুরনো ঘটনা। দুই হাজার পাঁচ সালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে খেলতে পারেননি মেসি। আন্তর্জাতিক অভিষেক ম্যাচে লাল কার্ড দেখার কারণে তিনি নিষিদ্ধ ছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময়ে দুই দল বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেও কখনও মুখোমুখি হয়নি। ফলে অবশেষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেই প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন মেসি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কঠিন পথ পেরিয়ে শেষ চারে আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রতিযোগিতায় নামলেও আর্জেন্টিনার পথ মোটেও সহজ ছিল না। প্রতিটি নকআউট ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে দলকে। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। দলের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মেসি। যদিও তিনি গোল করতে পারেননি, কিন্তু তাঁর নিখুঁত পাস, আক্রমণ তৈরি এবং নেতৃত্ব দলের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে। এর আগে শেষ ষোলোতেও পিছিয়ে পড়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। অন্য ম্যাচেও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই করতে হয়েছে। ফলে প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের মানসিক দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে দলটি। ক্লান্তি থাকলেও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর অধিনায়ক টানা অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ খেলায় ফুটবলারদের শরীরে ক্লান্তি রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন মেসি। তবে তিনি জানিয়েছেন, দল এখন বিশ্রাম নিয়ে সেমিফাইনালের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে। অধিনায়কের মতে, প্রতিযোগিতার এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ক্লান্তির কথা ভেবে লাভ নেই। এখন একমাত্র লক্ষ্য ফাইনালে ওঠা। দলের সবাই সেই লক্ষ্যেই মনোযোগী এবং নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইতিহাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন অধ্যায় ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ইতিহাসে রয়েছে বহু নাটকীয় মুহূর্ত। অতীতের বহু স্মরণীয় ম্যাচ আজও ফুটবলপ্রেমীদের আবেগের অংশ হয়ে রয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হতে চলেছে এই দুই শক্তিশালী দল। একদিকে তরুণ ও গতিময় ইংল্যান্ড, অন্যদিকে অভিজ্ঞতা, কৌশল এবং মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা। ফলে সেমিফাইনাল ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে পৌঁছেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বক্তব্য ম্যাচের আগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমবার খেলতে নামা তাঁর কাছে অত্যন্ত বিশেষ অনুভূতি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, দল ক্লান্ত হলেও আত্মবিশ্বাস হারায়নি এবং ফাইনালে ওঠাই এখন একমাত্র লক্ষ্য। সমর্থকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশ্বকাপের এই সেমিফাইনাল ম্যাচে জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে পৌঁছাবে। ফলে দুই দেশের কোটি কোটি সমর্থকের নজর থাকবে এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের দিকে। বিশেষ করে মেসির প্রথম ইংল্যান্ড ম্যাচ হওয়ায় এই সেমিফাইনাল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।