বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়? জানুন হাজার বছরের ইতিহাস ও আসল কারণ
সকাল সকাল ডেস্ক প্রাচীন মিশরের ঐতিহ্য, রোমানদের বিশ্বাস ও আধুনিক বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা—কেন এখনও বাঁ হাতের অনামিকাই বিয়ের আংটির সবচেয়ে জনপ্রিয় ঠিকানা? বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—এই প্রশ্ন বহু মানুষের মনে কৌতূহল তৈরি করে। বিয়ে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, আর সেই নতুন সম্পর্কের সূচনা হয় বাগদান বা আংটি বদলের মাধ্যমে। কিন্তু তর্জনী, মধ্যমা বা কনিষ্ঠা নয়, কেন যুগের পর যুগ ধরে অনামিকাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস, রোমানদের বিশ্বাস এবং ভালোবাসাকে ঘিরে গড়ে ওঠা এক দীর্ঘ ঐতিহ্যের মধ্যে। যদিও আধুনিক বিজ্ঞান এই বিশ্বাসের সবটুকু সমর্থন করে না, তবুও বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—তার পেছনের গল্প আজও সমান আকর্ষণীয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রাচীন মিশর থেকেই শুরু এই প্রথা ইতিহাসবিদদের মতে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে প্রাচীন মিশরে প্রথম বিয়ের আংটি ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়। তখন সোনা বা রুপোর আংটি নয়, বরং নলখাগড়া, খেজুরপাতা কিংবা গাছের আঁশ দিয়ে গোলাকার আংটি তৈরি করা হতো। মিশরীয়দের বিশ্বাস ছিল, বৃত্তের কোনও শুরু বা শেষ নেই। তাই গোলাকার আংটি অনন্ত ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং চিরস্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে আংটি বিবাহবন্ধনের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে। রোমানদের ‘ভালোবাসার শিরা’ বিশ্বাস পরবর্তীকালে এই প্রথা রোমান সভ্যতায় ছড়িয়ে পড়ে। তখনই জন্ম নেয় একটি জনপ্রিয় ধারণা, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। রোমানদের বিশ্বাস ছিল, বাঁ হাতের অনামিকা থেকে একটি বিশেষ শিরা সরাসরি হৃদয়ে গিয়ে মিলেছে। এই শিরার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ভালোবাসার শিরা’। তাঁদের মতে, হৃদয় যেহেতু ভালোবাসার কেন্দ্র, তাই এই আঙুলে আংটি পরানো মানেই দুই মানুষের হৃদয়ের বন্ধনকে চিরস্থায়ী করা। এই বিশ্বাসই ধীরে ধীরে বিশ্বের বহু দেশে বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় পরার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে ওঠে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা কী বলছে? আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান অবশ্য এই ঐতিহাসিক বিশ্বাসকে সমর্থন করে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবদেহে এমন কোনও পৃথক শিরা নেই, যা কেবল বাঁ হাতের অনামিকা থেকে সরাসরি হৃদয়ে পৌঁছে যায়। অর্থাৎ ‘ভালোবাসার শিরা’ একটি রোম্যান্টিক ঐতিহাসিক ধারণা, বৈজ্ঞানিক সত্য নয়। তবে এই তথ্য জানার পরও প্রথাটির জনপ্রিয়তায় কোনও ভাটা পড়েনি। কারণ আংটির মূল্য তার ধাতুতে নয়, বরং তার প্রতীকী অর্থেই নিহিত। বিশ্বের সব দেশে কি একই নিয়ম? বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—এই প্রশ্নের উত্তর সব দেশে এক নয়। বিভিন্ন সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক রীতির কারণে এর ভিন্নতা দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স ও ইতালিসহ বহু পশ্চিমা দেশে এখনও বাঁ হাতের অনামিকায় বিয়ের আংটি পরার প্রচলন রয়েছে। অন্যদিকে জার্মানি, রাশিয়া, পোল্যান্ড, নরওয়ে, ইউক্রেনসহ পূর্ব ইউরোপের একাধিক দেশে ডান হাতের অনামিকায় বিয়ের আংটি পরার রীতি অনুসরণ করা হয়। কোথাও ধর্মীয় বিশ্বাস, কোথাও পারিবারিক ঐতিহ্য, আবার কোথাও সাংস্কৃতিক প্রভাব এই পার্থক্যের কারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আধুনিক সময়ে বদলাচ্ছে রীতি বর্তমান সময়ে অনেকেই ব্যক্তিগত পছন্দ, পেশাগত প্রয়োজন বা ফ্যাশনের কারণে ডান হাতে কিংবা অন্য আঙুলেও বিয়ের আংটি পরেন। অনেক দম্পতি আবার নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়েও সিদ্ধান্ত নেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আংটি কোন আঙুলে পরবেন, তার কোনও বৈজ্ঞানিক বাধ্যবাধকতা নেই। এটি মূলত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। পটভূমি প্রাচীন মিশরের প্রতীকী আংটি থেকে শুরু করে রোমান সভ্যতার বিশ্বাস—হাজার বছরের ইতিহাস পেরিয়ে আজও বিয়ের আংটি ভালোবাসা ও অঙ্গীকারের অন্যতম প্রতীক হিসেবে টিকে রয়েছে। সময়ের সঙ্গে আংটির নকশা ও উপকরণ বদলালেও তার প্রতীকী গুরুত্ব অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রভাব বিয়ের আংটি আজ শুধু একটি অলঙ্কার নয়, বরং সম্পর্কের প্রতি আস্থা, দায়িত্ববোধ, বিশ্বস্ততা এবং সারাজীবন একসঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতির প্রতীক। তাই এই ঐতিহ্য এখনও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতামত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—এর উত্তর ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মধ্যে নিহিত। বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও এই প্রথা আজও ভালোবাসা ও সম্পর্কের এক চিরন্তন প্রতীক হিসেবেই বিবেচিত হয়।
বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায়: বিশেষজ্ঞদের জরুরি পরামর্শ, কী করবেন আর কী করবেন না
সকাল সকাল ডেস্ক বন্যার সময় ও পানি নেমে যাওয়ার পর সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও সঠিক পদক্ষেপই সাপের কামড়ের ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় জানুন, বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা বর্ষাকালে বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবল বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে সাপের প্রাকৃতিক আবাসস্থল পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তারা মানুষের বাড়ি, আঙিনা, ক্ষেতখামার, গবাদিপশুর খোঁয়াড় এমনকি আশ্রয়কেন্দ্রেও ঢুকে পড়ে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যার সময় যেমন সতর্ক থাকতে হবে, তেমনি পানি নেমে যাওয়ার পরও ঝুঁকি পুরোপুরি শেষ হয় না। বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন থাকলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেকটাই কমানো সম্ভব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন বন্যার সময় বাড়ে সাপের উপদ্রব? বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যার পানিতে সাপের গর্ত ও স্বাভাবিক বাসস্থান নষ্ট হয়ে যায়। শুকনো জায়গার খোঁজে তারা মানুষের বসত এলাকায় চলে আসে। এ সময় বিষধর ও নির্বিষ—উভয় ধরনের সাপের সঙ্গেই মানুষের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বাংলাদেশে চন্দ্রবোড়া, গোখরা ও কালাচের মতো বিষধর সাপ বেশি পরিচিত। পাশাপাশি অনেক নির্বিষ সাপও আকার ও আচরণের কারণে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। তাই সাপের প্রজাতি শনাক্ত করার চেষ্টা না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আগাম প্রস্তুতিই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় হিসেবে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাড়ির দরজা, জানালা ও দেয়ালের ফাঁকফোকর বন্ধ রাখতে হবে, যাতে সাপ সহজে প্রবেশ করতে না পারে। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, ঝোপঝাড় নিয়মিত কেটে ফেলা এবং কাঠ, টিন বা আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে রাখলে সাপের লুকিয়ে থাকার সুযোগ কমে যায়। একই সঙ্গে পরিবারের সবাইকে, বিশেষ করে শিশুদের, সাপ সম্পর্কে সচেতন করে তোলাও জরুরি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বাইরে চলাফেরার সময় বাড়তি সতর্কতা বন্যার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের না হওয়াই ভালো। তবে জরুরি প্রয়োজনে পানির মধ্যে হাঁটার আগে লম্বা লাঠি দিয়ে সামনে পরীক্ষা করে এগোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে পানির নিচে লুকিয়ে থাকা সাপ থাকলে আগেই সতর্ক হওয়া যায়। এ সময় লম্বা প্যান্ট, শক্ত জুতো বা বুট ব্যবহার করলে সাপের কামড়ের ঝুঁকি কিছুটা কমে। বন্যার পানিতে ভেসে আসা গাছের ডাল, কাঠ, টিন কিংবা আবর্জনার নিচে সাপ আশ্রয় নিতে পারে। তাই এসব কখনও খালি হাতে সরানো উচিত নয়। কোদাল, রেক বা লাঠির মতো সরঞ্জাম ব্যবহার করা নিরাপদ। পানি নেমে যাওয়ার পরও বিপদ কাটে না অনেকেই মনে করেন বন্যার পানি সরে গেলেই ঝুঁকি শেষ। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবে তখনও বাড়ির অন্ধকার কোণা, খাটের নিচে, আলমারির পেছনে, রান্নাঘর, গুদামঘর কিংবা পরিত্যক্ত স্থানে সাপ লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই ঘরে প্রবেশের আগে ভালোভাবে সব জায়গা পরীক্ষা করা উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় হাতে দস্তানা, পায়ে বুট এবং শরীর ঢাকা পোশাক ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অনেক কমে। সাপ দেখলে কী করবেন? হঠাৎ সাপের মুখোমুখি হলে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকতে হবে। সাপকে ধরার চেষ্টা করা, তাড়ানো বা আঘাত করা বিপজ্জনক হতে পারে। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সাপটিকে সরে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। যদি ঘরের ভেতরে সাপ ঢুকে পড়ে, তাহলে নিজে ঝুঁকি না নিয়ে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সাপে কামড়ালে প্রাথমিক করণীয় কোনো ব্যক্তিকে সাপে কামড় দিলে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। আক্রান্ত অঙ্গ যতটা সম্ভব স্থির রাখতে হবে এবং রোগীকে শান্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বিষ চুষে বের করা, ক্ষতস্থান কেটে দেওয়া, শক্ত করে কাপড় বা দড়ি বেঁধে দেওয়া কিংবা ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর করা একেবারেই উচিত নয়। এসব ভুল পদ্ধতি রোগীর অবস্থাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। পটভূমি প্রতি বর্ষায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার সঙ্গে সাপের উপদ্রবও বেড়ে যায়। মানুষের বসতবাড়িতে সাপ ঢুকে পড়ার ঘটনা এবং সাপের কামড়ে আহত বা মৃত্যুর খবরও এই সময় বেশি দেখা যায়। তাই জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রভাব সচেতনতা ও সঠিক প্রস্তুতি থাকলে সাপের কামড়ের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সাপে কামড়ানোর পর দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো গেলে অধিকাংশ রোগীকেই সফলভাবে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় হলো আগাম প্রস্তুতি, নিরাপদ আচরণ এবং সাপে কামড়ালে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া। আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই হতে পারে জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র।
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি: শেষ চারে ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, কবে কোন ম্যাচ?
সকাল সকাল ডেস্ক শেষ চার নিশ্চিত। টানা দুই রাতে দুই মহারণ—ফ্রান্স-স্পেন ও ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপ ফাইনালের দুই ফাইনালিস্ট। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ, শেষ চারে চার মহাশক্তি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। কোয়ার্টার ফাইনালের সব লড়াই শেষ হওয়ার পর শিরোপার দৌড়ে টিকে রয়েছে মাত্র চারটি দল—ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এবার টানা দুই রাতের দুই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে কারা উঠবে মহারণের ফাইনালে। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি অনুযায়ী, ভারতীয় দর্শকদের রাত জেগেই উপভোগ করতে হবে এই দুই মহারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশ্ব ফুটবলে বিরল নজির এবারের বিশ্বকাপে একটি ঐতিহাসিক রেকর্ডও তৈরি হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর এই প্রথম বিশ্বের শীর্ষ চারটি দল একই সঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ফলে শেষ চারের প্রতিটি ম্যাচই কার্যত একটি ফাইনালের সমান গুরুত্ব বহন করছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, চারটি দলই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। তাই কৌশল, গতি, অভিজ্ঞতা এবং তারকাদের পারফরম্যান্স—সবকিছু মিলিয়ে সেমিফাইনালের প্রতিটি মুহূর্ত হতে চলেছে রোমাঞ্চকর। ফ্রান্স বনাম স্পেন: প্রথম সেমিফাইনালে জমজমাট লড়াই বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি অনুযায়ী প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জুলাই, বুধবার। টেক্সাসের আরলিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ২-০ গোলে মরক্কোকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে স্পেন ২-১ ব্যবধানে বেলজিয়ামকে বিদায় জানিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। ফ্রান্সের প্রধান ভরসা কিলিয়ান এমবাপে। টুর্নামেন্টে তাঁর ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। অন্যদিকে স্পেনের আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। দ্রুত পাস, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণাত্মক ফুটবলের জন্য স্পেন ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। ফলে এই ম্যাচ দুই ফুটবল দর্শনের লড়াই হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা: ইতিহাসের নতুন অধ্যায় দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার। এই ম্যাচের ভেন্যু আটলান্টা স্টেডিয়াম। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে নরওয়েকে হারিয়েছে। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন জুড বেলিংহ্যাম। অন্যদিকে সুইৎজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির অভিজ্ঞতা, হুলিয়ান আলভারেজের গতি এবং লাউতারো মার্তিনেজের গোল করার দক্ষতা দলটিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগে রয়েছেন হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকা ও ফিল ফোডেনের মতো তারকা ফুটবলার। দুই দলের অতীত ইতিহাসও এই লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তাই বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচির সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচ হতে চলেছে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা মহারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি কোয়ার্টার ফাইনালের চারটি ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপ এখন শেষ বাঁকের সামনে। চারটি দলই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করে শেষ চারে পৌঁছেছে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে রয়েছে, অন্যদিকে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ড দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। প্রভাব সেমিফাইনালের ফলাফলই নির্ধারণ করবে কোন দুই দল ২০ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে। একই সঙ্গে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ। তাই আগামী কয়েক দিনের প্রতিটি ম্যাচ বিশ্ব ফুটবলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি তথ্য আয়োজকদের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, দুটি সেমিফাইনালই ভারতীয় সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই এবং ফাইনাল হবে ২০ জুলাই নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দর্শকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারতে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ এবং ফাইনাল সরাসরি দেখা যাবে দূরদর্শন ক্রীড়া চ্যানেলে। এছাড়াও ইউনাইটেড স্পোর্টস চ্যানেলে সম্প্রচার হবে ম্যাচগুলি। অনলাইনে জি-ফাইভ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ থাকবে। যোগ্য গ্রাহকেরা জিওটিভির মাধ্যমেও ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন। বিশ্বকাপের শেষ পর্বের সূচি
এক্সট্রা টাইমে আলভারেজ-লাউতারোর জোড়া আঘাত, সুইৎজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
সকাল সকাল ডেস্ক একজন কমে যাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছিল সুইৎজারল্যান্ড, কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার দুরন্ত আক্রমণে নিশ্চিত হল শেষ চারের টিকিট। শুরুতেই এগিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে কোনও ফলাফল না হলেও অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেই সুইৎজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের জোড়া আঘাতে প্রতিপক্ষের প্রতিরোধ ভেঙে দেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। এবার বিশ্বকাপের শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে মেসিদের দাপট ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় আর্জেন্টিনাকে। বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে দলটি। নবম মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের শট প্রতিহত করে সুইস রক্ষণভাগ কর্নারের বিনিময়ে বিপদ সামাল দেয়। তবে সেই কর্নার থেকেই আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। দশম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ভাসানো বল থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন ম্যাক অ্যালিস্টার। গোল পাওয়ার পরও থেমে থাকেনি আর্জেন্টিনা। মেসি, আলভারেজ ও ম্যাক অ্যালিস্টারের একাধিক আক্রমণে সুইৎজারল্যান্ডের রক্ষণভাগ চাপে পড়লেও ব্যবধান বাড়ানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে সুইৎজারল্যান্ড। বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও গোলের সামনে তেমন কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। ফলে ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সুইৎজারল্যান্ড বিরতির পর সম্পূর্ণ বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। শুরু থেকেই আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয় সুইৎজারল্যান্ড। ৬০ মিনিটে ব্রিল এম্বোলোর দুর্দান্ত সুযোগ এবং কিছুক্ষণ পর দান এনদোয়ের নিশ্চিত গোলের প্রচেষ্টা অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তবে ৬৭ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। রিকার্দো রদ্রিগেসের নিখুঁত পাস থেকে নিচু শটে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান দান এনদোয়ে। ম্যাচ তখন ১-১। বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বদলে যায় ম্যাচ সমতা ফেরার মাত্র তিন মিনিট পরই ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত আসে। ব্রিল এম্বোলোর কঠোর ট্যাকলের জন্য প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও পরে ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে সিদ্ধান্ত বদলে সরাসরি লাল কার্ড দেখান ম্যাচ রেফারি। ফলে প্রায় ২০ মিনিট একজন কম নিয়ে খেলতে বাধ্য হয় সুইৎজারল্যান্ড। সংখ্যাগত সুবিধা পেলেও নির্ধারিত সময়ে তা কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির বাঁকানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের শক্তিশালী শট দুর্দান্তভাবে বাঁচিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষ হয় ১-১ সমতায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অতিরিক্ত সময়ে আলভারেজ-লাউতারোর জাদু অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগেও গোলের দেখা মেলেনি। মেসির ফ্রি-কিক এবং বদলি হিসেবে নামা থিয়াগো আলমাদার দূরপাল্লার শটও প্রতিহত করেন কোবেল। তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি হয়তো টাইব্রেকারের দিকেই এগোচ্ছে। কিন্তু ১১২ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। জোসে লোপেসের ছোট পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের অসাধারণ বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলটি ছিল ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। গোল হজম করার পর মরিয়া হয়ে আক্রমণে উঠে আসে সুইৎজারল্যান্ড। সেই সুযোগেই পাল্টা আক্রমণে যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজ দূরপাল্লার জোরালো শটে ব্যবধান ৩-১ করেন। এরপর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি সুইসরা। পটভূমি গত বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবারও শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে সুইৎজারল্যান্ডও ধারাবাহিক ভালো ফুটবল খেলে শেষ আটে পৌঁছেছিল। দুই দলের লড়াইয়ে টানটান উত্তেজনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও আক্রমণের ধারই পার্থক্য গড়ে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব এই জয়ের ফলে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনা। এতে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হল। অন্যদিকে সাহসী লড়াই করেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল সুইৎজার্ল্যান্ডকে। সরকারি বক্তব্য ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি দলের ধৈর্য, লড়াই এবং বদলি ফুটবলারদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই জয় দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। জনসাধারণের জন্য তথ্য এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন শেষ চারের দুই মহারণের দিকে।
Stomach Pain After Eating: খাওয়ার পরই পেটব্যথা? হতে পারে একাধিক গুরুতর রোগের প্রাথমিক লক্ষণ
সকাল সকাল ডেস্ক খাবারের পর বারবার পেটব্যথা, বুকজ্বালা বা অস্বস্তিকে অবহেলা করবেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি গ্যাস্ট্রিক, GERD, পিত্তথলির সমস্যা বা IBS-এর মতো রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। খাবারের পর পেটে ব্যথা, জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি কিংবা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা অনেকের কাছেই পরিচিত। অধিকাংশ মানুষই এগুলোকে সাধারণ বদহজম বলে মনে করে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, Stomach Pain After Eating যদি নিয়মিত হয় বা প্রায় প্রতিবার খাবারের পর একই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ এটি পরিপাকতন্ত্রের একাধিক গুরুতর রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। খাবার গ্রহণের পর শরীরে হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। পাকস্থলী অ্যাসিড নিঃসরণ করে, পিত্তথলি ও অন্ত্র খাবার হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই পুরো প্রক্রিয়ার কোনও অংশে সমস্যা দেখা দিলেই Stomach Pain After Eating-এর মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই ব্যথার ধরন, অবস্থান এবং কোন খাবারের পর সমস্যা বাড়ছে, তা চিকিৎসকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ গ্যাস্ট্রিক, GERD ও আলসারের লক্ষণ হতে পারে খাওয়ার পর যদি বুকের নিচে বা পেটের উপরের অংশে জ্বালাপোড়া, ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হয়, তাহলে তা গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিড রিফ্লাক্স, গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) বা পাকস্থলীর আলসারের ইঙ্গিত হতে পারে। GERD-এর ক্ষেত্রে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালীতে উঠে আসে। এর ফলে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর, গলায় জ্বালাপোড়া এবং খাবারের পর অস্বস্তি দেখা দেয়। দীর্ঘদিন এই সমস্যা চলতে থাকলে খাদ্যনালীর ক্ষতিও হতে পারে। তাই Stomach Pain After Eating-কে সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। পিত্তথলির সমস্যাও হতে পারে কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর যদি পেটের ডান দিকের ওপরের অংশে তীব্র ব্যথা শুরু হয়, তাহলে পিত্তথলিতে পাথর বা পিত্তথলির প্রদাহের সম্ভাবনা থাকতে পারে। চর্বিযুক্ত খাবার হজমের সময় পিত্তথলি সংকুচিত হয়। যদি পিত্তথলিতে পাথর থাকে, তাহলে তা পিত্তরসের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে এবং তীব্র ব্যথার কারণ হয়। অনেক সময় এই ব্যথা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং বমি বমি ভাবও দেখা দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ IBS, IBD ও ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের প্রভাব Background Stomach Pain After Eating-এর আরেকটি সাধারণ কারণ হলো ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS)। এই সমস্যায় অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিবর্তন ঘটে। ফলে পেটে মোচড়, গ্যাস, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ (IBD)-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও খাবারের পর ব্যথা বাড়তে পারে। যাঁদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে, তাঁদের দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পর পেটব্যথা, গ্যাস, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া হওয়া খুবই সাধারণ ঘটনা। এছাড়া কোলাইটিস, ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ, অতিরিক্ত গ্যাস জমে থাকা কিংবা অতিসক্রিয় গ্যাস্ট্রোকোলিক রিফ্লেক্সের কারণেও খাবারের পরপরই পেটে ক্র্যাম্প ও শৌচাগারে যাওয়ার তাগিদ তৈরি হতে পারে। কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি? বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝে মধ্যে হালকা অস্বস্তি হলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে যদি নিয়মিত Stomach Pain After Eating, বুকজ্বালা, বমি, রক্তমিশ্রিত বা কালো পায়খানা, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, জ্বর অথবা দীর্ঘদিন ধরে একই সমস্যা চলতে থাকে, তাহলে অবশ্যই গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে এন্ডোস্কোপি, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, রক্ত পরীক্ষা কিংবা অন্যান্য পরীক্ষা করে সমস্যার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা হয়। নিজে থেকে দীর্ঘদিন অ্যান্টাসিড বা ব্যথার ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Official Statement গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টদের মতে, খাবারের পর বারবার পেটব্যথা বা অস্বস্তি হলে শুধুমাত্র উপসর্গের চিকিৎসা নয়, বরং সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক রোগ নির্ণয় হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ওষুধ, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। Public Information বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন Stomach Pain After Eating-এর সমস্যা থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
England vs India: ব্রিস্টলে ৯ উইকেটের বড় জয়, T20I Series জিতে নিল England
সকাল সকাল ডেস্ক শ্রেয়স আইয়ারের অপরাজিত ৮০ রানও রক্ষা করতে পারল না ভারতকে। ফিল সল্ট ও হ্যারি ব্রুকের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। England vs India টি-২০ সিরিজে ভারতের হতাশা আরও গভীর হল। ব্রিস্টলের চতুর্থ টি-২০ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-১ পিছিয়ে পড়ল ভারত। ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই England vs India সিরিজ নিজেদের দখলে নিল স্বাগতিকরা। আয়ারল্যান্ড সফরে সিরিজ হারের পর ইংল্যান্ড সফরেও ব্যর্থতার মুখ দেখল শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই ধারাবাহিক দুর্বলতা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রেয়সের লড়াই, ব্যর্থ ভারতের ব্যাটিং টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। কিন্তু শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। ওপেনাররা বড় রান করতে ব্যর্থ হন। তরুণ বৈভব সূর্যবংশী ১০ বলে ১৫ রান করে আউট হন। মিডল অর্ডারেও কেউ ইনিংস বড় করতে পারেননি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ এই কঠিন পরিস্থিতিতে একাই লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তিনি ৪৯ বলে অপরাজিত ৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত তাঁর ব্যাটেই ভর করে ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান তোলে। তবে England vs India ম্যাচে এই রান ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনের সামনে যথেষ্ট প্রমাণিত হয়নি। ইংল্যান্ডের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স ভারতের ব্যাটারদের বড় স্কোর গড়তে দেননি ইংল্যান্ডের পেসাররা। জোফ্রা আর্চার ও জোশ টাং দু’জনেই দুটি করে উইকেট তুলে নেন। নতুন বলে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করার পাশাপাশি ডেথ ওভারেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন তাঁরা। ইংল্যান্ডের ফিল্ডিংও ছিল নজরকাড়া। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্যাচ ও রান বাঁচানোর মাধ্যমে ভারতকে ১৬০ রানের নিচেই আটকে রাখতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। ফিল সল্ট ও হ্যারি ব্রুকের বিধ্বংসী জুটি ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জস বাটলারের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তিনি মাত্র ৮ রান করে ফিরলেও এরপর ম্যাচের রাশ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেন ওপেনার ফিল সল্ট এবং অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৪৬ রানের জুটি গড়ে ভারতের জয়ের সব আশা শেষ করে দেন তাঁরা। ফিল সল্ট ৪২ বলে ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক মাত্র ৩৫ বলে অপরাজিত ৭৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। আটটি চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে কার্যত অসহায় করে তোলে। England vs India ম্যাচে এই জুটিই জয়ের ভিত্তি তৈরি করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background: ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত ভারতের আয়ারল্যান্ড সফরে সিরিজ হারের পর ইংল্যান্ড সফরকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখছিল ভারতীয় দল। কিন্তু সেই আশা পূরণ হল না। অধিনায়ক হিসেবে এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জয়ের মুখ দেখেননি শ্রেয়স আইয়ার। তাঁর নেতৃত্বে ভারত ইতিমধ্যেই পাঁচটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে, কিন্তু একটিতেও জয় আসেনি। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা এবং বোলিংয়ে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতার অভাব ভারতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। Official Statement ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড শিবির জানায়, ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই পরিকল্পনা সফল হয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট হারানো এবং বোলিংয়ে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করতে না পারাই হারের প্রধান কারণ। Impact: সিরিজ জিতে আত্মবিশ্বাসী ইংল্যান্ড এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের England vs India টি-২০ সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ট্রফি নিজেদের দখলে নেওয়ায় স্বাগতিক শিবিরের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেল। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অন্যদিকে ভারতের জন্য এই হার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবার ইঙ্গিত দিল। বিশেষ করে ব্যাটিং অর্ডার, পাওয়ারপ্লে বোলিং এবং ডেথ ওভারের কৌশল নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। Public Information পাঁচ ম্যাচের সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-২০ ম্যাচটি শনিবার অ্যাজিয়াস বোলে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজ ইতিমধ্যেই হাতছাড়া হলেও শেষ ম্যাচ জিতে সম্মান রক্ষার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে শ্রেয়স আইয়ারের ভারত। অন্যদিকে ইংল্যান্ড চাইবে জয় দিয়ে সিরিজ আরও দাপটের সঙ্গে শেষ করতে।
World Cup 2026: এমবাপের জোড়া গোলে Morocco-কে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সেমিফাইনালে France
সকাল সকাল ডেস্ক বস্টনে এমবাপে ও ডেম্বেলের দুরন্ত পারফরম্যান্সে ২-০ ব্যবধানে মরক্কোকে হারিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে উঠল ফ্রান্স, নতুন নজির গড়লেন এমবাপে। World Cup 2026-এ নিজেদের শক্তিমত্তার আরেকটি বড় প্রমাণ দিল ফ্রান্স। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল দিদিয়ের দেশঁর দল। বস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান ডেম্বেলে। World Cup 2026-এর অন্যতম হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে ফরাসি তারকারা অভিজ্ঞতা ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের দারুণ প্রদর্শনী উপহার দেন। প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দাপট ছিল ফ্রান্সের ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে ফ্রান্স। এমবাপে, ডেম্বেলে ও মাইকেল ওলিস একের পর এক আক্রমণ শানালেও গোলের দেখা মিলছিল না। মরক্কোর অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রথমার্ধে একটি পেনাল্টিও পায় ফ্রান্স। তবে সেই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি এমবাপে। ফলে বিরতিতে গোলশূন্য অবস্থায় মাঠ ছাড়ে দুই দল। যদিও খেলার গতি ও আক্রমণের সংখ্যার বিচারে ফরাসিরাই ছিল অনেক এগিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপের জাদু বিরতির পর ম্যাচের রূপ পুরোপুরি বদলে যায়। ৬০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ শক্তিশালী শটে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। গোল হজমের ধাক্কা সামলানোর আগেই ৬৬ মিনিটে আবারও ফরাসি আক্রমণে ভেঙে পড়ে মরক্কোর রক্ষণ। এমবাপের দ্রুতগতির দৌড়ে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত ফিনিশে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন উসমান ডেম্বেলে। এই দুই গোলেই কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। World Cup 2026-এ আরও একবার নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন এমবাপে। পরিসংখ্যানে স্পষ্ট ফরাসি আধিপত্য পুরো ম্যাচে ২০টি শট নেয় ফ্রান্স, যার উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল লক্ষ্যভেদী। অন্যদিকে মরক্কো বলের দখল ধরে রাখলেও আক্রমণের শেষ মুহূর্তে কার্যকর হতে পারেনি। ৮৩ মিনিটে আজাদ্দিন ওনাহির একটি শট ছাড়া ফরাসি গোলরক্ষক মাইক ম্যাইঁনানকে বড় কোনও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়নি। ম্যাচের শেষ দিকে এমবাপে সামান্য অস্বস্তি অনুভব করায় তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তাঁর চোট গুরুতর নয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background: সাইবারির অনুপস্থিতি ভোগাল মরক্কোকে মরক্কোর বিদায়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায় ইসমায়েল সাইবারির অনুপস্থিতি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারেননি সদ্য বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়া এই ফরোয়ার্ড। গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচে গোল করা সাইবারির অভাব আক্রমণে স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। আশরফ হাকিমি, ব্রাহিম দিয়াজ ও আজাদ্দিন ওনাহিরা মাঝমাঠে লড়াই করলেও ফাইনাল থার্ডে কার্যকর ফিনিশারের অভাবে একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়। ফলে আফ্রিকার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে টুর্নামেন্টে দারুণ লড়াই করেও শেষ আট থেকেই বিদায় নিতে হয় মরক্কোকে। দেশঁর কৌশলেই ম্যাচের মোড় ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশঁ আবারও নিজের কৌশলগত দক্ষতার পরিচয় দেন। প্রথমার্ধে গোল না এলেও তিনি দলকে ধৈর্য ধরে খেলতে বলেন। বিরতির পর দুই প্রান্ত ব্যবহার করে আক্রমণ বাড়ানোর পরিকল্পনাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরিবর্ত হিসেবে নামা জঁ-ফিলিপ মাতেতা ও ব্র্যাডলি বারকোলা আক্রমণে নতুন গতি আনেন। পাশাপাশি অরেলিয়েন চুয়ামেনিকে বেঞ্চে রেখে শুরু করার সিদ্ধান্তও সফল প্রমাণিত হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Official Statement ম্যাচ শেষে ফরাসি শিবির জানায়, দল পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে এবং দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি বাড়ানোর কৌশল সফল হয়েছে। এমবাপের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলেও জানানো হয়েছে। Impact: এমবাপের নতুন রেকর্ড, সেমিফাইনালে ফ্রান্স এই ম্যাচে গোল করে চলতি World Cup 2026-এ নিজের গোলসংখ্যা আটে নিয়ে যান এমবাপে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ২০। ১৯৬৬ সালের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে অন্তত আটটি করে গোল করার নজিরও গড়েন তিনি। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তাঁর মোট গোল-অবদান এখন ১৩, যেখানে গত ছয় দশকে তাঁর সামনে রয়েছেন কেবল লিওনেল মেসি। Public Information টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নিজেদের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করল ফ্রান্স। অন্যদিকে মরক্কো বিদায় নিলেও গোটা টুর্নামেন্টে তাদের লড়াকু পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে। World Cup 2026-এর শেষ চারের লড়াইয়ে এখন সব নজর থাকবে ফরাসি শিবিরের দিকে।
Beet Chips Recipe: বর্ষার বিকেলে চায়ের সঙ্গে জমে যাবে বিটের মুচমুচে চিপস, ঘরেই বানান স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস
সকাল সকাল ডেস্ক প্যাকেটজাত চিপসের বদলে এবার বাড়িতেই তৈরি করুন মুচমুচে বিটের চিপস। স্বাদে দুর্দান্ত, পুষ্টিগুণেও ভরপুর এই সহজ রেসিপি মন জয় করবে সকলের। বর্ষার বিকেলে এক কাপ গরম চায়ের সঙ্গে মুচমুচে স্ন্যাকসের আনন্দই আলাদা। তবে বাজারের প্যাকেটজাত চিপস বা অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবারের বদলে যদি ঘরেই স্বাস্থ্যকর কিছু তৈরি করা যায়, তাহলে স্বাদ ও স্বাস্থ্যের মধ্যে দারুণ ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। Beet Chips Recipe এখন অনেকের কাছেই জনপ্রিয় একটি বিকল্প। পুষ্টিগুণে ভরপুর বিট দিয়ে তৈরি এই মুচমুচে চিপস যেমন সুস্বাদু, তেমনি তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকরও। বিশেষজ্ঞদের মতে, Beet Chips Recipe অনুসরণ করে বেক বা এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি করলে তেলের ব্যবহার অনেকটাই কমানো যায় এবং বিটের পুষ্টিগুণও অনেকাংশে বজায় থাকে। কেন বিটের চিপস বেছে নেবেন? বিটে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, আয়রন, ফলেট, পটাশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ভিটামিন। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়তা করতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বাড়িতে তৈরি হওয়ায় এতে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, কৃত্রিম রং বা অতিরিক্ত লবণ থাকে না। তাই শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক— সকলের জন্যই এটি হতে পারে একটি ভালো স্ন্যাকস। কী কী উপকরণ লাগবে? বিটের চিপস তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে— পরিবেশনের সময় স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন— কীভাবে বানাবেন বিটের মুচমুচে চিপস? প্রথমে বিটের খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে কেটে প্রায় ১০ মিনিট ভাপে সেদ্ধ করুন। ঠান্ডা হলে ব্লেন্ডারে মিহি করে পিউরি তৈরি করুন। বিট সেদ্ধ করার জল আলাদা করে রেখে দিন। এরপর সাবুদানা ও বিউলির ডাল পরিষ্কার কাপড়ে মুছে শুকনো অবস্থায় মিহি গুঁড়ো করে চালনি দিয়ে চেলে নিন। এবার ওই গুঁড়োর সঙ্গে চিনির গুঁড়ো, লবণ, ভাজা জিরার গুঁড়ো, বিটের পিউরি এবং সামান্য তেল মিশিয়ে নিন। প্রয়োজনে বিট সেদ্ধ করার জল অল্প অল্প করে দিয়ে এমন একটি মসৃণ ব্যাটার তৈরি করুন, যা পাইপিং ব্যাগ দিয়ে সহজে বের করা যায়। বেকিং ট্রেতে তেল ব্রাশ করে সরু ফিতার মতো করে ব্যাটার ছড়িয়ে দিন। এরপর ওভেন বা এয়ার ফ্রায়ারে বেক করুন। চাইলে গরম তেলেও ভেজে নেওয়া যেতে পারে। চিপস মুচমুচে হয়ে গেলে ওপরে গোলমরিচের গুঁড়ো, পেঁয়াজের গুঁড়ো বা বিট লবণ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কীভাবে পরিবেশন করলে স্বাদ আরও বাড়বে? এই চিপস গরম চা, কফি কিংবা লেবুর শরবতের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। শিশুদের টিফিনেও এটি দেওয়া যেতে পারে। টক-ঝাল স্বাদ পছন্দ হলে পরিবেশনের আগে সামান্য চাট মশলা ছড়িয়ে দিতে পারেন। এছাড়া টমেটো সস, দই-ডিপ বা পুদিনা-ধনেপাতার চাটনির সঙ্গেও এই চিপস দারুণ লাগে। সংরক্ষণের উপায় চিপস পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়ার পর একটি বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করুন। আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখলে কয়েক দিন পর্যন্ত এর মুচমুচে ভাব বজায় থাকবে। বেক করা চিপস সংরক্ষণ করলে খাওয়ার আগে কয়েক মিনিট এয়ার ফ্রায়ারে গরম করে নিলেও আবার খাস্তা হয়ে যায়। পটভূমি বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যে ঘরে তৈরি স্ন্যাকসের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। অতিরিক্ত তেল, লবণ ও প্রিজারভেটিভযুক্ত প্যাকেটজাত খাবারের পরিবর্তে সবজি দিয়ে তৈরি স্বাস্থ্যকর বিকল্পের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিটের চিপস সেই প্রবণতারই একটি সুস্বাদু উদাহরণ। স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব বিটে থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে এবং আয়রন ও ফলেট রক্তস্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে ভাজা বা বেক করা যেকোনো স্ন্যাকসই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পুষ্টিবিদদের মতে, ঘরে তৈরি স্ন্যাকস সবসময় প্যাকেটজাত খাবারের তুলনায় ভালো বিকল্প। বেক বা এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে তেলের ব্যবহার কম হয়, ফলে এটি আরও স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। পাশাপাশি অতিরিক্ত লবণ বা মশলা ব্যবহার না করাই উত্তম। জনসাধারণের জন্য তথ্য যাঁদের ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা বা বিশেষ খাদ্যনিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় নতুন কোনও রেসিপি যোগ করার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে পারেন। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবেই এই ধরনের স্ন্যাকস খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
Black Coffee Empty Stomach: খালি পেটে ব্ল্যাক কফি কি সত্যিই ক্ষতিকর? বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা
সকালের প্রথম পানীয় হিসেবে ব্ল্যাক কফি খাওয়ার আগে জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কারা সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকবেন এবং কীভাবে নিরাপদে কফি পান করবেন। সকাল সকাল ডেস্ক দিনের শুরুতে এক কাপ ব্ল্যাক কফি অনেকের কাছেই শক্তি ও সতেজতার উৎস। ঘুম কাটানো, মনোযোগ বাড়ানো এবং কর্মব্যস্ত দিনের প্রস্তুতির জন্য অসংখ্য মানুষ সকালে প্রথমেই কফি পান করেন। তবে Black Coffee Empty Stomach নিয়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নতুন সতর্কবার্তা জানাচ্ছে, এই অভ্যাস সবার জন্য সমান নিরাপদ নয়। বিশেষ করে যাঁরা উদ্বেগ, মানসিক চাপ বা অনিদ্রার সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রে খালি পেটে ব্ল্যাক কফি পান করলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, Black Coffee Empty Stomach অভ্যাসের প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন খালি পেটে ব্ল্যাক কফি সমস্যা তৈরি করতে পারে? চিকিৎসকদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট শরীরে কর্টিসল বা ‘স্ট্রেস হরমোন’-এর মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। এই হরমোন শরীরকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলতে এবং দিনের কাজের জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করে। এই সময় খালি পেটে ব্ল্যাক কফি পান করলে ক্যাফেইন দ্রুত রক্তে মিশে কর্টিসলের প্রভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এর ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হাত কাঁপা, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিরক্তি এবং অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যাঁরা ক্যাফেইনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল, তাঁদের ক্ষেত্রে এসব সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে। দ্রুত শোষিত হয় ক্যাফেইন বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, খালি পেটে কোনও খাবার না থাকায় ক্যাফেইনের শোষণ ধীর করার মতো প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি বা জটিল শর্করা শরীরে থাকে না। ফলে ক্যাফেইন খুব দ্রুত রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ এতে সাময়িকভাবে সতর্কতা ও কর্মক্ষমতা বাড়লেও একই সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্র অতিরিক্ত উদ্দীপ্ত হতে পারে। এর ফলেই অনেকের মধ্যে অস্থিরতা, উদ্বেগ এবং মানসিক চাপের অনুভূতি বেড়ে যায়। কারা সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকবেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নলিখিত সমস্যাগুলি থাকলে খালি পেটে ব্ল্যাক কফি পান না করাই ভালো— এই ধরনের শারীরিক বা মানসিক অবস্থায় সকালে খালি পেটে কফি পান করলে উপসর্গ আরও বাড়তে পারে। তাহলে কি ব্ল্যাক কফি খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে? বিশেষজ্ঞদের উত্তর— একেবারেই নয়। বরং কফি পান করার সময় এবং পদ্ধতিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেই এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেকটাই কমানো সম্ভব। তাঁদের পরামর্শ— খাবারের পরে কফি পান করলে ক্যাফেইনের শোষণ ধীরে হয় এবং শরীরের ওপর এর প্রভাবও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্ল্যাক কফির উপকারিতাও রয়েছে পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে ব্ল্যাক কফি পান করলে এর বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে, ক্লান্তি কমাতে এবং ব্যায়ামের সময় পারফরম্যান্স উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া কিছু গবেষণায় নিয়মিত ও পরিমিত কফি পানের সঙ্গে হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং কিছু স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি কমার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব সুফল নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, জীবনযাপন এবং কফি পানের পরিমাণের ওপর। পটভূমি বিশ্বজুড়ে কফি অন্যতম জনপ্রিয় পানীয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্ল্যাক কফির স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে একাধিক গবেষণা প্রকাশিত হলেও, কখন এবং কীভাবে কফি পান করা উচিত, সে বিষয়েও বিশেষজ্ঞরা সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রভাব যাঁদের উদ্বেগ, অনিদ্রা বা হৃদস্পন্দনের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য সকালে খালি পেটে কফি পান করা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। অন্যদিকে, সঠিক সময়ে ও পরিমিত পরিমাণে কফি পান করলে অধিকাংশ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এটি নিরাপদ এবং উপকারী হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেক মানুষের শরীর ক্যাফেইনের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তাই কারও ক্ষেত্রে খালি পেটে কফি কোনও সমস্যা তৈরি না করলেও, অন্য কারও ক্ষেত্রে একই অভ্যাস উদ্বেগ বা অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। জনসাধারণের জন্য তথ্য যাঁদের দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ, বুক ধড়ফড়, অনিদ্রা, গ্যাস্ট্রিক বা অন্য কোনও স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তাঁদের নিয়মিত খালি পেটে ব্ল্যাক কফি পান করার আগে নিবন্ধিত চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে কফি পানের অভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
5 Minutes Exercise Benefits: মাত্র ৫ মিনিটের ব্যায়ামেই কমতে পারে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা
সকাল সকাল ডেস্ক নতুন আন্তর্জাতিক গবেষণায় উঠে এল আশাব্যঞ্জক তথ্য— প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট বেশি শারীরিক কর্মকাণ্ডই দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন পেতে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে কাটানোই একমাত্র উপায়— এমন ধারণা এখন বদলাতে শুরু করেছে। 5 Minutes Exercise Benefits নিয়ে প্রকাশিত একটি নতুন আন্তর্জাতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত শারীরিক কর্মকাণ্ড বা নড়াচড়া বাড়ালেই অকালমৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার, সাইকেল চালানো কিংবা ঘরের কাজ একটু দ্রুত করার মতো সাধারণ অভ্যাসও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য বড় উপকার বয়ে আনতে পারে। গবেষকদের মতে, 5 Minutes Exercise Benefits শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। দেড় লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ফল নতুন গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রায় দেড় লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে। গবেষণার নেতৃত্ব দেন নরওয়েজিয়ান স্কুল অব স্পোর্ট সায়েন্সের অধ্যাপক উলফ একেলুন্ড। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো গেলে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এই ছোট পরিবর্তনও জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুপারিশের বিকল্প নয়। সংস্থাটি এখনও সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার বা ৭৫ মিনিট উচ্চমাত্রার ব্যায়ামের পরামর্শ দেয়। পাঁচ মিনিটের অতিরিক্ত শরীরচর্চা সেই লক্ষ্য পূরণের একটি কার্যকর সূচনা হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বসে থাকার সময় কমানোও সমান জরুরি গবেষণায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিদিন যদি বসে থাকার সময় অন্তত ৩০ মিনিট কমানো যায়, তাহলে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকলে হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই শুধু নির্দিষ্ট সময় ব্যায়াম করাই নয়, দিনের বিভিন্ন সময় উঠে হাঁটা, শরীর স্ট্রেচ করা কিংবা কিছুক্ষণ নড়াচড়া করাও স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব রোড আইল্যান্ডের কাইনেসিওলজির সহকারী অধ্যাপক নিকোল লগানের মতে, নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড মানসিক চাপ কমাতে, কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম পেশির শক্তি বৃদ্ধি, হাড় মজবুত রাখা, শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতেও কার্যকর। তাই 5 Minutes Exercise Benefits শুধুমাত্র আয়ু বৃদ্ধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সামগ্রিক সুস্থতার সঙ্গেও জড়িত। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় হচ্ছে ‘Exercise Snacking’ গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে Exercise Snacking ধারণা। অর্থাৎ একটানা দীর্ঘ সময় ব্যায়াম না করে সারাদিনে কয়েকবার অল্প সময়ের জন্য শরীরচর্চা করা। এর মধ্যে রয়েছে— এই ছোট ছোট কর্মকাণ্ড হৃদস্পন্দন বাড়ায়, ক্যালোরি খরচ করে এবং শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন জীবনে ছোট পরিবর্তনেই বড় সুফল বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকার জন্য ব্যয়বহুল জিম বা কঠিন ব্যায়াম সবসময় প্রয়োজন হয় না। প্রতিদিনের অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তনও বড় পার্থক্য গড়ে তুলতে পারে। যেমন— প্রবীণদের জন্যও সমান কার্যকর গবেষণায় বলা হয়েছে, ৬০ বছরের বেশি বয়সিদের জন্যও নিয়মিত ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী। হালকা ওজন তোলা, রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং কিংবা শরীরের ওজন ব্যবহার করে করা ব্যায়াম পেশির শক্তি বজায় রাখতে, হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে এবং পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত শরীরচর্চা দৈনন্দিন কাজের সক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি হৃদ্স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি বিশ্বজুড়ে শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বর্তমানে অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আধুনিক কর্মজীবনে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করার প্রবণতা বাড়ায় হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার মতো অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিও বেড়েছে। তাই সামান্য শারীরিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধিকেও এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন গবেষকেরা। প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত নড়াচড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্য উন্নত হতে পারে। এতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপও কমতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য গবেষণার নেতৃত্বদানকারী অধ্যাপক উলফ একেলুন্ড এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ডই সুস্থ জীবনের মূল চাবিকাঠি। তবে এই গবেষণার ফলাফল WHO-এর নির্ধারিত ব্যায়ামের নির্দেশিকার বিকল্প নয়, বরং মানুষকে আরও সক্রিয় জীবনযাপনে উৎসাহিত করার একটি বার্তা। জনসাধারণের জন্য তথ্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিজের শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনা করে ব্যায়াম শুরু করা উচিত। যাঁদের দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা বা শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাঁদের নতুন ব্যায়াম শুরু করার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।