৮ আগস্ট প্রকাশ্যে আসছে ‘টক্সিক’-এর ট্রেলার
সকাল সকাল ডেস্ক মুম্বই : রকিং স্টার যশের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এবার ছবির নির্মাতারা প্রকাশ করলেন নতুন পোস্টার। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, আগামী ৮ আগস্ট মুক্তি পাবে ছবির বহুল প্রতীক্ষিত ট্রেলার। নতুন পোস্টারে যশকে তাঁর চরিত্র ‘রায়া’-র রহস্যময় রূপে তুলে ধরা হয়েছে। পোস্টারে তাঁর মুখ স্পষ্ট দেখা না গেলেও হাতে একটি টমি গান নিয়ে ছায়াময় উপস্থিতি ছবির রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নির্মাতারা এবারও গল্প সম্পর্কে কোনও ইঙ্গিত না দিয়ে কৌতূহল অটুট রেখেছেন। ফলে পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে ছবির কাহিনি ও যশের চরিত্র নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ৮ আগস্ট বেঙ্গালুরুতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছবির ট্রেলার প্রকাশ করা হবে। দিনটি ছবির নির্মাতাদের কাছেও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ওই দিনই ‘টক্সিক’-এর শুটিং শুরুর দুই বছর পূর্ণ হবে। ট্রেলারের মাধ্যমে প্রথমবার দর্শকরা ছবির জগত, প্রধান চরিত্রগুলির রূপ এবং কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ ঝলক দেখতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পরিচালক গীতু মোহনদাসের পরিচালনায় নির্মিত এই গ্যাংস্টারধর্মী ছবিতে যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নয়নতারা, কিয়ারা আদবাণী, তারা সুতারিয়া, রুক্মিণী বসন্ত এবং হুমা কুরেশি। কেভিএন প্রোডাকশন্স এবং মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশন্সের প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি একযোগে কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় শুট করা হয়েছে। পাশাপাশি হিন্দি, তামিল, তেলুগু ও মালয়ালম ভাষাতেও এটি মুক্তি পাবে। ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ আগামী ২৬ আগস্ট ২০২৬ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
বিয়ের আগে সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করতে পারে ৩-৩-৩ ডেটিং রুল
সকাল সকাল ডেস্ক বিয়ে শুধু দুজন মানুষের একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নয়। এর সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, দায়িত্ব, পরিবার, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িয়ে থাকে। তাই শুধু আবেগ বা প্রাথমিক ভালো লাগার ওপর নির্ভর না করে, সময় নিয়ে সঙ্গীকে বোঝার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সম্পর্ককে ধাপে ধাপে মূল্যায়নের এমনই একটি পদ্ধতি হলো ৩-৩-৩ ডেটিং রুল। ৩-৩-৩ ডেটিং রুল কী? এই নিয়মে সম্পর্কের তিনটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে নিজের অনুভূতি ও সঙ্গীর আচরণ মূল্যায়ন করার কথা বলা হয়। প্রথম মূল্যায়ন করা হয় তিনটি ডেটের পর, দ্বিতীয়টি তিন সপ্তাহ পর এবং তৃতীয়টি তিন মাস পর। এই সময়গুলোতে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া কতটা তৈরি হয়েছে, মতের মিল-অমিল কীভাবে সামলানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথ চলা সম্ভব কি না—এসব বিষয় ভেবে দেখা যায়। তিনটি ডেটের পর কী বুঝবেন? প্রথম কয়েকটি সাক্ষাতে কাউকে ভালো লেগে যেতেই পারে। তবে অল্প সময়ে একজন মানুষের প্রকৃত স্বভাব পুরোপুরি বোঝা কঠিন। তিনটি ডেটের পর সাধারণত কথাবার্তা ও আচরণে কিছুটা স্বাভাবিকতা আসে। এই পর্যায়ে খেয়াল করুন, সঙ্গী আপনার কথা মন দিয়ে শোনেন কি না, সম্মানজনক আচরণ করেন কি না এবং তার সঙ্গে সময় কাটাতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন কি না। দুজনের আগ্রহ ও কথাবার্তার মধ্যে স্বাভাবিক সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই পর্যায়টি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নয়। বরং সম্পর্কটি আরও এগিয়ে নেওয়া উচিত কি না, তা বোঝার সুযোগ। তিন সপ্তাহ পর যেসব বিষয় দেখবেন তিন সপ্তাহের মধ্যে একে অপরকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দেখার সুযোগ তৈরি হতে পারে। শুধু সাজানো ডেট নয়, কাজের চাপ, ব্যস্ততা কিংবা ছোটখাটো সমস্যার সময় মানুষটির আচরণ কেমন, সেটিও ধীরে ধীরে বোঝা যায়। এ সময় লক্ষ্য করুন, তিনি কথা ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন কি না। মতের অমিল হলে শান্তভাবে আলোচনা করেন, নাকি এড়িয়ে যান বা অসম্মানজনক আচরণ করেন। পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী কিংবা পরিষেবা প্রদানকারী মানুষের সঙ্গে তার ব্যবহার কেমন, সেটিও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়। ভবিষ্যৎ, বিয়ে, পরিবার, অর্থনৈতিক দায়িত্ব কিংবা কর্মজীবন নিয়ে দুজনের চিন্তাভাবনার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে কি না, তা নিয়েও কথা বলা যেতে পারে। তিন মাস পর সম্পর্কের বাস্তব চিত্র সম্পর্কের শুরুতে আবেগ ও আকর্ষণ অনেক বেশি থাকে। সময়ের সঙ্গে সেই উত্তেজনা কিছুটা স্বাভাবিক হলে দুজনের প্রকৃত অভ্যাস, মূল্যবোধ ও জীবনযাপন আরও পরিষ্কারভাবে সামনে আসে। তিন মাস পর ভাবুন, সঙ্গীর সঙ্গে থাকলে আপনি মানসিকভাবে নিরাপদ ও শান্ত বোধ করেন কি না। সমস্যা দেখা দিলে দুজন মিলে সমাধান করতে পারেন কি না এবং একে অপরের ব্যক্তিগত সীমারেখাকে সম্মান করা হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। জীবনের লক্ষ্য, পরিবার, অর্থব্যবস্থা, সন্তান, কর্মজীবন ও বসবাসের পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুজনের মতামত কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটিও এই পর্যায়ে আলোচনা করা যেতে পারে। অস্বস্তি বা সন্দেহ উপেক্ষা নয় সম্পর্কে সামান্য মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তবে একই বিষয়ে বারবার অস্বস্তি, ভয়, অবিশ্বাস বা অসম্মানজনক আচরণ দেখা দিলে সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। শুধু সময়ের সঙ্গে সব সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে—এমন ধারণার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। অস্বস্তির বিষয়গুলো খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে। কথা বলার পরও যদি সমস্যার ধরন বদল না হয়, তাহলে সম্পর্কটি নিয়ে নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। সঙ্গীকে পরীক্ষা নেওয়া উদ্দেশ্য নয় ৩-৩-৩ নিয়মের উদ্দেশ্য সঙ্গীকে পরীক্ষার মুখে ফেলা বা প্রতিটি আচরণের নম্বর দেওয়া নয়। এটি মূলত নিজের অনুভূতি, প্রত্যাশা ও সম্পর্কের বাস্তব অবস্থা বোঝার একটি নির্দেশিকা। এ পদ্ধতিতে দুজনই খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন—সম্পর্কটি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, ভবিষ্যতে কী চান এবং কোন জায়গায় আরও বোঝাপড়া প্রয়োজন। কঠোর নিয়ম নয়, কেবল নির্দেশনা প্রতিটি সম্পর্কের গতি আলাদা। কেউ তিন মাসে অনেকটাই কাছাকাছি আসতে পারেন, আবার কারও ক্ষেত্রে একজনকে বুঝতে আরও বেশি সময় লাগতে পারে। তাই ৩-৩-৩ পদ্ধতিকে কঠোর নিয়ম হিসেবে না দেখে একটি সাধারণ নির্দেশনা হিসেবে নেওয়াই ভালো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পারস্পরিক সম্মান, সততা, বিশ্বাস, মানসিক নিরাপত্তা এবং সুস্থ যোগাযোগ। বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে শুধু ভালোবাসা নয়, সঙ্গীর মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ ও আচরণও বিবেচনায় রাখা জরুরি। সময় নিয়ে সম্পর্ক বোঝা কখনোই সময় নষ্ট নয়। বরং তাড়াহুড়ো করে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে ধীরে, সচেতনভাবে এবং বাস্তবতা যাচাই করে এগোনো অনেক বেশি নিরাপদ।
অজান্তেই ত্বকের ক্ষতি করছেন? দৈনন্দিন ৬ অভ্যাসেই বাড়ছে ব্রণ ও বলিরেখার ঝুঁকি
সকাল সকাল ডেস্ক নিয়মিত স্কিনকেয়ার করেও যদি কাঙ্ক্ষিত ফল না মেলে, তাহলে শুধু প্রসাধনী নয়, নজর দিতে হবে দৈনন্দিন অভ্যাসের দিকেও। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট ছোট কিছু ভুল অভ্যাসই ত্বকের সুরক্ষা স্তর দুর্বল করে, ব্রণ বাড়ায় এবং অকালেই বলিরেখার ঝুঁকি তৈরি করে। ১. নোংরা বালিশের ওয়ার ব্যবহার প্রতিদিন বালিশের ওয়ারে তেল, ঘাম, ধুলো ও ব্যাকটেরিয়া জমে। দীর্ঘ সময় সেই কাপড়ের সংস্পর্শে থাকলে ত্বকে ব্রণ, জ্বালাভাব ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সপ্তাহে অন্তত এক থেকে দুইবার বালিশের ওয়ার পরিবর্তন করা উচিত। ২. বারবার মুখে হাত দেওয়া অজান্তেই অনেকেই বারবার মুখে হাত দেন বা ব্রণ খোঁচান। এতে হাতের জীবাণু ও ময়লা সরাসরি ত্বকের রোমকূপে পৌঁছে প্রদাহ, ব্রণ এবং কালো দাগের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। ৩. অতিরিক্ত স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েশন উজ্জ্বল ত্বকের আশায় ঘন ঘন স্ক্রাব বা অ্যাসিডভিত্তিক এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করলে ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর নষ্ট হতে পারে। এর ফলে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে পড়ে, লালচে ভাব ও ব্রণের প্রবণতা বেড়ে যায়। ৪. প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মুখ ধোয়া দিনে বারবার মুখ ধুলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমে যায়। এর প্রতিক্রিয়ায় ত্বক আরও বেশি তেল উৎপাদন করতে শুরু করে, যা শুষ্কতা ও ব্রণের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ৫. অতিরিক্ত চিনি খাওয়া খাদ্যাভ্যাসও ত্বকের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত চিনি শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে এবং কোলাজেনের ক্ষয় ত্বরান্বিত করে। ফলে ত্বক দ্রুত নিস্তেজ হয়ে যায় এবং বয়সের ছাপ আগেভাগেই দেখা দিতে পারে। ৬. ঘরেও সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা অনেকেই মনে করেন, ঘরের ভিতরে থাকলে সানস্ক্রিনের প্রয়োজন নেই। কিন্তু জানালার কাচ ভেদ করে অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে পিগমেন্টেশন, ট্যান এবং অকাল বার্ধক্যের ঝুঁকি বাড়ে। সুস্থ ত্বকের জন্য কী করবেন? চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালো ত্বক পেতে শুধু দামি প্রসাধনী ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, প্রয়োজন অনুযায়ী ত্বকের যত্ন নেওয়া এবং প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করার মতো ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে ত্বককে সুস্থ, পরিষ্কার ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
ঝাল খেলেই হেঁচকি? কেন হয়, আর কীভাবে মিলবে দ্রুত স্বস্তি
সকাল সকাল ডেস্ক ঝাল বা অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলেই অনেকের হেঁচকি শুরু হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, দ্রুত খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা খাবার, এমনকি দীর্ঘক্ষণ হাসা বা কান্নার পরও হেঁচকি উঠতে পারে। সাধারণত জল খেলেই অনেকে স্বস্তি পান, তবে সবসময় তা কার্যকর হয় না। চিকিৎসকদের মতে, হেঁচকির আসল কারণ জানা থাকলে তা থামানোও সহজ হয়। কেন ওঠে হেঁচকি? বিশেষজ্ঞদের মতে, হেঁচকি মূলত ডায়াফ্রামের আকস্মিক ও বারবার সংকোচনের ফল। ডায়াফ্রাম হলো বুক ও পেটের মাঝখানে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশি, যা শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে। এই পেশি হঠাৎ সংকুচিত হলে ফুসফুসে দ্রুত বাতাস ঢোকে। একই সময়ে স্বরযন্ত্রের গ্লটিস অংশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাতাসের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ‘হিক’ শব্দের সৃষ্টি হয়। হেঁচকির সাধারণ কারণ হেঁচকি ওঠার পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। যেমন— কীভাবে থামাবেন হেঁচকি? চিকিৎসকদের মতে, ‘টাং পুল মেথড’ অনেকের ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। এই পদ্ধতিতে মুখ যতটা সম্ভব বড় করে খুলে জিভ বাইরে বের করে ৩ থেকে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখতে হয়। প্রয়োজনে হাত দিয়ে জিভ আলতোভাবে ধরে রাখা যেতে পারে। এভাবে ১০ থেকে ১৫ বার করলে ডায়াফ্রামের সংকোচন কমতে পারে। কিছু ঘরোয়া উপায় হেঁচকি কমাতে কয়েকটি সহজ উপায়ও কাজে লাগতে পারে— কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন? সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে হেঁচকি নিজে থেকেই থেমে যায়। তবে যদি হেঁচকি ৪৮ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, বারবার ফিরে আসে বা খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমের সমস্যা তৈরি করে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই প্রতিবেদনটি চাইলে আরও এসইও-ফ্রেন্ডলি, গুগল ডিসকভার উপযোগী বা প্রিন্ট মিডিয়া স্টাইলেও সাজিয়ে দিতে পারি।
প্রথমবার ট্রেকিংয়ে যাচ্ছেন? নিরাপদ ও আরামদায়ক সফরের জন্য জেনে নিন জরুরি প্রস্তুতি
সকাল সকাল ডেস্ক ট্রেকিংয়ের আগে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং নিরাপত্তার নিয়ম মেনে চললেই প্রথম অভিযান হবে আরও নিরাপদ ও স্মরণীয় প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে ট্রেকিং এখন অন্যতম জনপ্রিয় অভিযান। পাহাড়ি পথ, সবুজ বন, ঝরনা এবং মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে দীর্ঘ পথ হাঁটার অভিজ্ঞতা একদিকে যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনই শরীর ও মনকে নতুনভাবে সতেজ করে। তবে প্রথমবার ট্রেকিংয়ে যাওয়ার আগে শুধুমাত্র উৎসাহ থাকলেই চলবে না, প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে থেকেই শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সঙ্গে রাখলে ট্রেকিং অনেক বেশি নিরাপদ, আরামদায়ক ও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। ট্রেকিংয়ের আগে শরীরকে প্রস্তুত করুন প্রথমবার ট্রেকিংয়ের পরিকল্পনা করলে অন্তত এক মাস আগে থেকে শরীরচর্চা শুরু করা উচিত। প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা, হালকা দৌড়, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে শরীর দীর্ঘ সময় হাঁটার জন্য প্রস্তুত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রেকিংয়ের সময় সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে পায়ের পেশি, হাঁটু এবং ফুসফুসের ওপর। তাই আগে থেকেই শরীরকে প্রস্তুত করা জরুরি। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মানসিক প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রেকিং শুধু শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা নয়, এটি মানসিক ধৈর্যেরও পরীক্ষা। পাহাড়ে আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তন, দীর্ঘ পথ হাঁটা, ক্লান্তি কিংবা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে। এসব বিষয় আগে থেকেই মাথায় রেখে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করলে যেকোনো পরিস্থিতি শান্তভাবে মোকাবিলা করা সহজ হয়। ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে অভিযানে অংশ নিলে পুরো ভ্রমণ আরও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। ব্যাগে যে জিনিসগুলি অবশ্যই রাখবেন ট্রেকিংয়ে বের হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি তালিকা তৈরি করে ব্যাগ গুছিয়ে নিন। অবশ্যই সঙ্গে রাখুন— ব্যাগ এমনভাবে গুছিয়ে রাখুন যাতে প্রয়োজনের সময় সহজেই প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সঙ্গে রাখুন পুষ্টিকর খাবার ট্রেকিংয়ের সময় শরীরের শক্তি দ্রুত খরচ হয়। তাই এমন খাবার সঙ্গে রাখুন, যা দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে। শুকনো ফল, বাদাম, কিশমিশ, কলা, আপেল এবং শস্যজাত শক্তিবর্ধক খাবার ভালো বিকল্প হতে পারে। অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা ভারী খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে শরীর ভারী লাগে এবং হাঁটতে অসুবিধা হতে পারে। যেসব ভুল একেবারেই করবেন না প্রথমবার ট্রেকিং করতে গিয়ে অনেকেই নিজের সামর্থ্যের চেয়ে বেশি পথ অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। এটি বিপজ্জনক হতে পারে। শরীর ক্লান্ত লাগলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিশ্রাম নিন এবং অতিরিক্ত চাপ নেবেন না। পানি কম পান করা, প্রয়োজনের চেয়ে ভারী ব্যাগ বহন করা বা অনুপযুক্ত জুতো ব্যবহার করাও বড় ভুল। এসব কারণে দুর্ঘটনা বা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বও আপনার ট্রেকিং মানেই প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখা ও উপভোগ করা। তাই পাহাড়, বন বা জলাশয়ের আশপাশে প্লাস্টিক, খাবারের মোড়ক বা অন্য কোনো বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করবেন না। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলুন এবং প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করুন। পরিবেশ রক্ষা করা প্রতিটি ভ্রমণকারীর নৈতিক দায়িত্ব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণদের মধ্যে ট্রেকিংয়ের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পাহাড়ি অভিযানের ছবি ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার প্রবণতার কারণে অনেকেই প্রথমবার ট্রেকিংয়ে আগ্রহী হচ্ছেন। তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাবে অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটছে। তাই বিশেষজ্ঞরা সচেতন পরিকল্পনার ওপর জোর দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ট্রেকিংয়ে যাওয়ার আগে অবশ্যই আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নিন। সম্ভব হলে অভিজ্ঞ পথপ্রদর্শকের সঙ্গে যান এবং একা না গিয়ে দলবদ্ধভাবে অভিযানে অংশ নিন। নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী পথ নির্বাচন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রথমবার ট্রেকিংয়ে গেলে নিরাপত্তাকে সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, সঠিক সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং সচেতন আচরণ আপনার অভিযানকে নিরাপদ ও আনন্দময় করে তুলবে। মনে রাখবেন, সফল ট্রেকিংয়ের সবচেয়ে বড় শর্ত হলো ধৈর্য, পরিকল্পনা এবং প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাব।
সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীকে কোন কথাগুলো না বলাই ভালো? বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
সকাল সকাল ডেস্ক প্রাক্তন সম্পর্ক, অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য ও নেতিবাচক মন্তব্য— কিছু বিষয় অযথা আলোচনা করলে সম্পর্কে বাড়তে পারে দূরত্ব, জানালেন বিশেষজ্ঞরা একটি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিশ্বাস, সম্মান, বোঝাপড়া এবং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে। সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা অবশ্যই জরুরি, তবে তার অর্থ এই নয় যে জীবনের প্রতিটি তথ্য বা প্রতিটি ভাবনা সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে নিতেই হবে। সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীকে কোন কথাগুলো না বলাই ভালো— তা জানা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোন বিষয় ব্যক্তিগত রাখবেন, সেই সচেতনতাও সমান প্রয়োজন। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় কিছু আলোচনা ভুল বোঝাবুঝি, মানসিক অস্বস্তি এবং সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রাক্তন সম্পর্ক নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা না করাই ভালো অনেকেই বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে নিজের আগের সম্পর্কের নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তবে প্রাক্তন সঙ্গীকে নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা, তাঁর সঙ্গে বর্তমান সঙ্গীর তুলনা করা বা পুরোনো স্মৃতি বারবার তুলে আনা সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সঙ্গীর মনে অস্বস্তি, ঈর্ষা কিংবা নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া ভালো, কিন্তু সেই অতীতকে বর্তমান সম্পর্কের মধ্যে টেনে আনা উচিত নয়। বর্তমান সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অন্যের ব্যক্তিগত গোপন তথ্য প্রকাশ করবেন না বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত কেউ যদি আপনাকে বিশ্বাস করে ব্যক্তিগত কোনো বিষয় জানিয়ে থাকেন, তাহলে সেই বিশ্বাস রক্ষা করা আপনার দায়িত্ব। শুধুমাত্র সঙ্গী বলে অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা ঠিক নয়। এতে অন্য মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয় ভাগ করে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নাও করতে পারেন। একটি সুস্থ সম্পর্ক মানে শুধু একে অপরকে ভালোবাসা নয়, অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতিও সম্মান দেখানো। পরিবার বা বন্ধুদের নেতিবাচক মন্তব্য হুবহু বলবেন না অনেক সময় পরিবার বা বন্ধু আপনার সঙ্গী সম্পর্কে নেতিবাচক মতামত প্রকাশ করতে পারেন। সেই মন্তব্য হুবহু সঙ্গীকে জানিয়ে দিলে অকারণে সম্পর্কের মধ্যে অশান্তি তৈরি হতে পারে। যদি কোনো বিষয় সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ হয় এবং সম্পর্কের উন্নতির জন্য আলোচনা প্রয়োজন হয়, তাহলে তা শান্তভাবে, সম্মানজনক ভাষায় এবং সমাধানের উদ্দেশ্যে বলা উচিত। কিন্তু শুধুমাত্র কষ্ট দেওয়ার মতো মন্তব্য পৌঁছে দেওয়া সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্যক্তিগত গোপনীয়তার গুরুত্বকে সম্মান করুন অনেকের ধারণা, ভালোবাসা মানেই সব তথ্য, সব পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত হিসাব একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুস্থ সম্পর্কে ব্যক্তিগত গোপনীয়তারও একটি স্বাভাবিক সীমা থাকে। পারস্পরিক সম্মতি ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে তথ্য ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। তবে ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখা কখনোই সম্পর্কের প্রতি অবিশ্বাসের লক্ষণ নয়। বরং একে অপরের স্বাধীনতাকে সম্মান করা সম্পর্ককে আরও পরিণত করে তোলে। পটভূমি বর্তমান সময়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, দ্রুত যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সহজে ভাগ করে নেওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। এর ফলে অনেক সময় আবেগের বশে এমন কিছু কথা বলা হয়ে যায়, যা পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির কারণ হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা সম্পর্কে সংযত ও সচেতন যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুন্দর সম্পর্কের ভিত্তি হলো সততা, পারস্পরিক সম্মান এবং সংবেদনশীলতা। সব বিষয় খোলাখুলি বলার চেয়ে কোন বিষয় কীভাবে বলা উচিত, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় তুলনা, অন্যের গোপন তথ্য প্রকাশ বা কষ্টদায়ক মন্তব্য এড়িয়ে চললে সম্পর্ক আরও সুস্থ ও স্থায়ী হতে পারে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে কোনো বিষয় নিয়ে সমস্যা হলে তা শান্তভাবে আলোচনা করুন। আবেগের বশে এমন কথা বলবেন না, যা সঙ্গীর মনে আঘাত করতে পারে। একে অপরের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করুন এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, সব কথা বলাই প্রয়োজনীয় নয়; বরং সঠিক সময়ে সঠিক কথা বলাই একটি সুখী ও সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম চাবিকাঠি।
ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখেন? এই অভ্যাস ডেকে আনতে পারে একাধিক শারীরিক ও মানসিক সমস্যা
সকাল সকাল ডেস্ক ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস বাড়াতে পারে মানসিক চাপ, চোখের ক্লান্তি ও মনোযোগের ঘাটতি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখেন ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নেওয়া এখন বহু মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাস। চোখ খুলেই বার্তা দেখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো কিংবা খবর পড়া—এসব যেন দিনের শুরুতেই নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম ভাঙার পরপরই মোবাইল ব্যবহার করলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, মানসিক চাপ বাড়ে এবং দিনের শুরুতেই ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। কেন ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহার ক্ষতিকর? ঘুমের সময় শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কও বিশ্রাম নেয়। ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হওয়ার একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু সেই সময়ই যদি মোবাইলে অসংখ্য বার্তা, ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন তথ্য দেখতে শুরু করা হয়, তাহলে মস্তিষ্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। এর ফলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে এবং দিনের শুরুতেই মানসিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বেড়ে যেতে পারে সকালে ঘুম ভাঙার সময় শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বেশি থাকে। এই সময় নেতিবাচক খবর, কাজের বার্তা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা বিষয় দেখলে উদ্বেগ আরও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতেই মানসিক চাপ তৈরি হলে তা সারাদিনের আচরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং কাজের আগ্রহের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সকালটা যতটা সম্ভব শান্তভাবে শুরু করাই ভালো। চোখের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলের উজ্জ্বল পর্দার দিকে তাকালে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। পর্দা থেকে নির্গত নীল আলো চোখের শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস চলতে থাকলে চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং দৃষ্টিশক্তি-সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। চোখের সুরক্ষার জন্য ঘুম থেকে ওঠার পর কিছুক্ষণ প্রাকৃতিক আলোতে থাকা এবং সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে দিনের শুরুতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটালে নিজের কাজের পরিকল্পনা থেকে মন সরে যেতে পারে। অন্যের নানা পোস্ট বা খবরের কারণে অপ্রয়োজনীয় চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে। এর প্রভাব পড়ে কাজের গতি, মনোযোগ এবং উৎপাদনশীলতার ওপর। যাঁরা নিয়মিত সকালে মোবাইল ব্যবহার করেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই দিনের শুরুতেই মানসিকভাবে ক্লান্ত বোধ করেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। শরীরের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব মোবাইলের নীল আলো ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী মেলাটোনিন হরমোনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও রাতে মোবাইল ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর, তবুও সকালে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ব্যবহার করাও শরীরের স্বাভাবিক জৈব ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এর ফলে অস্থিরতা, মানসিক ক্লান্তি এবং সারাদিন অবসাদ অনুভূত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে। কাজ, পড়াশোনা, কেনাকাটা, বিনোদন এবং যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রেই মোবাইলের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ঘুম থেকে উঠেই ফোন দেখার অভ্যাসও দ্রুত বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই অভ্যাস থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা মোবাইল ব্যবহার না করাই ভালো। এই সময় এক গ্লাস জল পান, হালকা শরীরচর্চা, ধ্যান, প্রার্থনা, বই পড়া অথবা খোলা বাতাসে কিছুক্ষণ হাঁটার অভ্যাস করলে শরীর ও মন সতেজ থাকে। এতে দিনের শুরু ইতিবাচক হয় এবং কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহারের বদলে নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ধীরে ধীরে এই পরিবর্তন আনতে পারলে মানসিক চাপ কমবে, মনোযোগ বাড়বে এবং দৈনন্দিন কাজেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে দীর্ঘদিন ধরে অনিদ্রা, অতিরিক্ত উদ্বেগ বা চোখের গুরুতর সমস্যা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন: চুল মজবুত ও উজ্জ্বল রাখার সহজ ঘরোয়া উপায়
সকাল সকাল ডেস্ক প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন করলে চুলের গোড়া পুষ্ট হয়, কমতে পারে চুল পড়া ও রুক্ষতা, ফিরতে পারে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন: চুল মজবুত ও উজ্জ্বল রাখার সহজ ঘরোয়া উপায় বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নেওয়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। দূষণ, ধুলোবালি, মানসিক চাপ এবং রাসায়নিকযুক্ত চুলের প্রসাধনীর অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চুল শুষ্ক, রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি অল্প বয়সেই চুল পড়া, ভেঙে যাওয়া এবং অকালে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যাও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নিলে মাথার ত্বক সুস্থ থাকে, চুলের গোড়া প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য মিলতে পারে। কেন প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন জরুরি? রাসায়নিক উপাদানযুক্ত প্রসাধনী অনেক সময় অল্প সময়ের জন্য চুলকে সুন্দর দেখালেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যায়। অন্যদিকে, ভেষজ ও প্রাকৃতিক উপাদান সাধারণত মাথার ত্বক ও চুলের গোড়াকে পুষ্টি জোগাতে সহায়ক। তবে কোনও উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে তা ব্যবহার না করাই ভালো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আমলকির জল চুলের গোড়া শক্ত রাখতে সহায়ক চুলের যত্নে আমলকির ব্যবহার বহু প্রাচীন। এতে থাকা প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের গোড়াকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অকালে চুল পেকে যাওয়ার ঝুঁকিও কিছুটা কমাতে সহায়ক হতে পারে। দুই কাপ জলে এক কাপ শুকনো আমলকি ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। চুল ধোয়ার পর এই জল ব্যবহার করলে চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য মিলতে পারে। রিঠা প্রাকৃতিক পরিষ্কারক হিসেবে কার্যকর রিঠা একটি পরিচিত প্রাকৃতিক পরিষ্কারক। এটি মাথার ত্বকে জমে থাকা অতিরিক্ত তেল, ধুলো ও ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ফলে চুল পরিষ্কার, নরম এবং সতেজ অনুভূত হয়। কয়েকটি রিঠা জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। এরপর চুল ধোয়ার পর সেই জল ব্যবহার করলে রাসায়নিক প্রসাধনীর ব্যবহার কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শিকাকাই চুলকে নরম ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে আয়ুর্বেদে শিকাকাই দীর্ঘদিন ধরে চুলের যত্নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ মাথার ত্বককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং চুলকে কোমল ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়ক হতে পারে। শুকনো শিকাকাই জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে সেই জল দিয়ে চুল ধুলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। নিমের জল খুশকি ও মাথার ত্বকের সমস্যা কমাতে সহায়ক নিমের জীবাণুনাশক ও ছত্রাকনাশক গুণ মাথার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় উপকারী বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে খুশকি, চুলকানি এবং হালকা সংক্রমণের ক্ষেত্রে নিমপাতার জল ব্যবহার অনেকেই করে থাকেন। এক মুঠো নিমপাতা জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। এরপর সেই জল মাথার ত্বক ও চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তুলসি চুলের বৃদ্ধি ও গোড়া মজবুত রাখতে সাহায্য করে তুলসি শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেই নয়, চুলের যত্নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়া শক্ত রাখতে সহায়ক। কিছু তুলসি পাতা জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে সেই জল চুলে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সবুজ চা চুলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে পারে সবুজ চায়ে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মাথার ত্বক সুস্থ রাখতে এবং চুলের বৃদ্ধি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়ার প্রবণতা কমার পাশাপাশি চুলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসতে পারে। এক কাপ সবুজ চা তৈরি করে ঠান্ডা হওয়ার পর সেই জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। ঘৃতকুমারী শুষ্কতা দূর করতে কার্যকর ঘৃতকুমারীতে থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম ও আর্দ্রতা বজায় রাখার উপাদান শুষ্ক ও রুক্ষ চুলের জন্য উপকারী। এটি মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং চুলকে কোমল রাখতে সাহায্য করে। জলের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে লাগান। প্রায় ১০ মিনিট পর সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বিশেষজ্ঞদের মতামত বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত জল পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও অত্যন্ত জরুরি। যাঁদের দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চুল পড়া, অ্যালার্জি বা মাথার ত্বকের সংক্রমণের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রভাব নিয়মিত প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নিলে চুলের গোড়া শক্ত হতে, রুক্ষতা কমতে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়তা মিলতে পারে। তবে এগুলি কোনও চিকিৎসার বিকল্প নয়। গুরুতর সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বা বিশেষজ্ঞের বক্তব্য ত্বক ও চুলের বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের আগে নিজের ত্বকের ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কোনও উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে তা ব্যবহার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা থাকলে নিজে চিকিৎসা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করার আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। নতুন কোনও উপাদান ব্যবহার করার আগে অল্প অংশে পরীক্ষা করে নিন। পাশাপাশি সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন চুল সুস্থ রাখার অন্যতম প্রধান উপায়।
দেব কোয়েল: ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে একফ্রেমে জনপ্রিয় জুটি, বড়পর্দায় ফেরার জল্পনায় উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘদিন পর ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে একসঙ্গে দেখা গেল দেব ও কোয়েল মল্লিককে। ভাইরাল ছবি ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বড়পর্দায় প্রত্যাবর্তনের জল্পনা। ছোটপর্দায় চমক দেখালেন দেব ও কোয়েল টলিউডের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় জুটির নাম উঠলে সবার আগে আসে দেব কোয়েল। ‘প্রেমের কাহিনী’, ‘মন মানে না’, ‘পাগলু’, ‘হিরো’ এবং ‘ককপিট’-এর মতো একাধিক সফল ছবিতে তাঁদের অনবদ্য রসায়ন দর্শকদের মন জয় করেছে। যদিও দীর্ঘদিন বড়পর্দায় এই জুটিকে একসঙ্গে দেখা যায়নি। সেই অপেক্ষার মাঝেই জনপ্রিয় রিয়্যালিটি অনুষ্ঠান ‘দাদাগিরি’র শুটিং সেট থেকে প্রকাশ্যে এসেছে একটি ছবি, যেখানে বহুদিন পর একফ্রেমে ধরা দিয়েছেন দেব কোয়েল। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুরাগীদের মধ্যে শুরু হয় নতুন উচ্ছ্বাস। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভাইরাল ছবিতে ফিরল পুরনো দিনের স্মৃতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানের পরিচিত মঞ্চে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রয়েছেন দেব ও কোয়েল মল্লিক। দেবের পরনে ছিল হালকা রঙের আনুষ্ঠানিক পোশাক, অন্যদিকে কোয়েলকে দেখা যায় লাল শাড়িতে। দু’জনের হাসিমুখের ছবি দেখে অনুরাগীরা আবারও পুরনো দিনের জনপ্রিয় ছবিগুলোর কথা মনে করতে শুরু করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, দেব কোয়েল জুটির মতো স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত রসায়ন বাংলা চলচ্চিত্রে খুব কমই দেখা যায়। ‘দাদাগিরি’র নতুন অধ্যায়ে বিশেষ অতিথি কোয়েল বর্তমান মরসুমে ‘দাদাগিরি’র সঞ্চালকের দায়িত্বে রয়েছেন দেব। নতুন ভূমিকায় তাঁর সহজ উপস্থাপনা ইতিমধ্যেই দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই মরসুমে একাধিক জনপ্রিয় তারকা অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যেই বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন কোয়েল মল্লিক। যদিও সেই পর্ব এখনও সম্প্রচারিত হয়নি, তবে শুটিংয়ের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকদের আগ্রহ কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। অনেকের মতে, ছোটপর্দায় দেব কোয়েল-এর এই পুনর্মিলন অনুষ্ঠানটির অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্বই অন-স্ক্রিন রসায়নের শক্তি দেব একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কোয়েল মল্লিক শুধু তাঁর সহ-অভিনেত্রী নন, বরং ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অভিনেতার কথায়, ব্যক্তিগত নানা বিষয় থেকে শুরু করে কাজের আলোচনা—অনেক কিছুই তিনি কোয়েলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। মজার ছলে তিনি কোয়েলকে নিজের ‘সবচেয়ে ভালো বন্ধু’ এবং ‘গল্পের রানি’ বলেও উল্লেখ করেছেন। ভক্তদের বিশ্বাস, বাস্তব জীবনের এই বন্ধুত্বই দেব কোয়েল জুটির অভিনয়কে আরও স্বাভাবিক এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে। ‘খাদান ২’ ঘিরে জল্পনা বাড়ছে এদিকে নতুন বছরের শুরুতেই দেব তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘খাদান ২’-এর ঘোষণা করেছেন। চলচ্চিত্র মহলে জোর গুঞ্জন, এই ছবিতেই আবার জুটি বাঁধতে পারেন দেব ও কোয়েল মল্লিক। যদিও এই বিষয়ে এখনও নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, তবুও অনুরাগীদের মধ্যে প্রত্যাশা তুঙ্গে। যদি এই খবর সত্যি হয়, তবে ‘ককপিট’-এর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড়পর্দায় দেখা যাবে দেব কোয়েল জুটিকে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, এই জনপ্রিয় জুটির প্রত্যাবর্তন বাংলা সিনেমার জন্য বড় আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অনুরাগীদের অপেক্ষা এখন বড়পর্দার দিকে ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে দেব ও কোয়েলের একসঙ্গে উপস্থিতি শুধু একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মুহূর্ত নয়, বরং তা বহু দর্শকের কাছে নস্টালজিয়ার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। সমাজমাধ্যমেও অনুরাগীরা নতুন ছবিতে এই জুটিকে ফের একসঙ্গে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বাংলা সিনেমার অন্যতম সফল এই জুটি আবারও বড়পর্দায় ফিরলে দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়বে। ছোটপর্দার এই পুনর্মিলন তাই বড়পর্দায় দেব কোয়েল-এর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।
জেসন সঞ্জয়: বাবার সঙ্গে বক্স অফিসে লড়াই নয়, ‘জন নয়গণ’-এর জন্য প্রথম ছবির মুক্তি পিছিয়ে দিলেন বিজয়-পুত্র
সকাল সকাল ডেস্ক থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি মুক্তির এক সপ্তাহ পর আসার কথা ছিল জেসন সঞ্জয়ের পরিচালিত ‘সিগমা’। বক্স অফিসের সংঘাত এড়াতেই বদলে গেল মুক্তির পরিকল্পনা। বাবার ছবির প্রতি সম্মান জানিয়ে বড় সিদ্ধান্ত জেসন সঞ্জয়ের দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অন্যতম বড় তারকা থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি জেসন সঞ্জয়-এর ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ের সঙ্গেই মিলে গিয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘জন নয়গণ’। অন্যদিকে, বিজয়ের ছেলে জেসন সঞ্জয়ও খুব শিগগিরই পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে নিজের নতুন যাত্রা শুরু করতে চলেছেন। তবে বাবার ছবির সঙ্গে বক্স অফিসে কোনও ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চান না তিনি। সেই কারণেই তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবি ‘সিগমা’-র মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণী চলচ্চিত্র মহলে জেসন সঞ্জয়-এর এই পদক্ষেপকে পরিণত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পরিচালনার পর এবার অভিনয়ের মঞ্চে জেসন বিজয়-পুত্র ইতিমধ্যেই পরিচালক হিসেবে নিজের প্রথম ছবি ‘সিগমা’-র কাজ শেষ করেছেন। এবার অভিনেতা হিসেবেও বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেসন সঞ্জয়। শিল্পমহলের বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তাঁর প্রথম অভিনীত ছবির প্রযোজনার দায়িত্ব নিতে পারেন প্রযোজক জিকেএম তামিল কুমারন। যদিও ‘সিগমা’ অন্য একটি প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত হয়েছে, তবুও অভিনয়ের নতুন ছবিটি আলাদা প্রযোজনায় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন পিছিয়ে গেল ‘সিগমা’? প্রথম পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘সিগমা’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ৩১ জুলাই। কিন্তু তার ঠিক এক সপ্তাহ আগে বড় পর্দায় আসছে থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি ‘জন নয়গণ’। নির্মাতাদের মতে, এত কম সময়ের ব্যবধানে দুটি বড় ছবি মুক্তি পেলে দর্শক এবং প্রেক্ষাগৃহ—দু’দিকেই প্রভাব পড়তে পারে। তাই জেসন সঞ্জয়-এর প্রথম পরিচালিত ছবিকে আরও ভালোভাবে দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে মুক্তির তারিখ অগস্ট মাসে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও নতুন মুক্তির দিন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে খুব শিগগিরই তা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। কেমন হতে চলেছে ‘সিগমা’? ‘সিগমা’ একটি অ্যাকশননির্ভর রহস্য ও ডাকাতির কাহিনিভিত্তিক ছবি। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সন্দীপ কিষাণ। ছবির গল্পে রয়েছে রোমাঞ্চ, হাস্যরস, অ্যাকশন এবং গুপ্তধনের রহস্য। তামিলনাড়ু ও থাইল্যান্ডের একাধিক মনোরম স্থানে ছবির শুটিং হয়েছে। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন জনপ্রিয় সুরকার এস থমন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারিয়া আবদুল্লা, রাজু সুন্দরম, সম্পদ রাজ-সহ একাধিক পরিচিত শিল্পী। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ জেসনের কাজের প্রশংসায় সহকর্মীরা মাত্র ২৫ বছর বয়সেই একটি বড় বাজেটের ছবি পরিচালনা করে ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন জেসন সঞ্জয়। ছবির সিনেমাটোগ্রাফার কৃষ্ণন ভাসান এবং অভিনেতা সন্দীপ কিষাণ—দুজনেই তাঁর পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং পেশাদার মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সন্দীপ কিষাণের মতে, শুটিং সেটে জেসনের কাজের ধরণ অনেকটাই তাঁর বাবা বিজয়ের মতো। প্রতিটি দৃশ্য নিয়ে স্পষ্ট ধারণা, শান্ত স্বভাব এবং পুরো ইউনিটকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার দক্ষতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। বাবা-ছেলের নতুন অধ্যায়ে নজর ভক্তদের একদিকে থলপতি বিজয়ের দীর্ঘ অভিনয় জীবনের বিদায়ী ছবি ‘জন নয়গণ’, অন্যদিকে পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে জেসন সঞ্জয়-এর নতুন যাত্রা—দক্ষিণী চলচ্চিত্রে এই দুই ঘটনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। বক্স অফিসে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে বাবার ছবিকে সম্মান জানিয়ে নিজের ছবির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই প্রশংসা পেয়েছেন জেসন। অনেকেই মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত তাঁর পরিণত চিন্তাভাবনার পরিচয় বহন করে। এখন দর্শকদের অপেক্ষা, বিজয়ের বিদায়ী ছবি সাফল্যের পর জেসন সঞ্জয়ও কি নিজের প্রতিভা দিয়ে দক্ষিণী চলচ্চিত্রে আলাদা পরিচয় তৈরি করতে পারবেন। সেই উত্তর দেবে সময়ই।