সকাল সকাল ডেস্ক
নয়াদিল্লি : আফ্রিকা মহাদেশ থেকে ভারতে চিতা আনার পর কেটে গিয়েছে চার বছর। এর মধ্যেই প্রোজেক্ট চিতা প্রকল্পে বড় সাফল্য এল। নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং বোতসোয়ানা—এই তিন দেশ থেকে আনা চিতার সংখ্যা এবং ভারতে জন্ম নেওয়া শাবক মিলিয়ে বর্তমানে দেশে মোট চিতার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২-তে।
২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রকাশিত ‘ফোর ইয়ার্স অব চিতাস ইন ইন্ডিয়া’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পটি ভারতে শুরু হওয়ার পর থেকে দেশের মাটিতেই এখনও পর্যন্ত ৩২টি চিতা শাবকের জন্ম হয়েছে।
বর্তমানে দেশে থাকা ৫২টি চিতার মধ্যে ৪৯টি রয়েছে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে এবং তিনটি রয়েছে গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যে। এই সংখ্যার মধ্যে নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আনা জীবিত চিতা, ভারতে জন্ম নেওয়া তাদের শাবক এবং বোতসোয়ানা থেকে সম্প্রতি আনা চিতারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে আনা ১২টি চিতার মধ্যে বর্তমানে আটটি জীবিত রয়েছে। এর পাশাপাশি ভারতে জন্ম নিয়েছে তাদের ১০টি শাবক। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা বংশোদ্ভূত চিতা এবং তাদের শাবক মিলিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮। এদের মধ্যে ১৫টি রয়েছে কুনো জাতীয় উদ্যানে এবং তিনটি গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যে।
কুনো জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষের মতে, প্রকল্পের চার বছর পূর্তির সময়ে স্ত্রী চিতাদের সফল প্রজনন এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের শাবকদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকা ভারতের চিতা পুনর্বাসন উদ্যোগের সাফল্যকে আরও দৃঢ় করেছে। দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ ও প্রজননের ক্ষেত্রে এই অগ্রগতি প্রকল্পটিকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
No Comment! Be the first one.