বাংলায় শাহকে ও অসমে নাড্ডাকে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব বিজেপির
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ফলাফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। তার পরেই মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষকের নাম ঘোষণা করা হল। ওই পদের দায়িত্ব পেয়েছেন অমিত শাহ। ভারতীয় জনতা পার্টির তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে ওই ঘোষণা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি তাদের বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত করেছে। পাশাপাশি, অসমে জগৎ প্রকাশ নাড্ডাকে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছে। বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং মঙ্গলবার জানিয়েছেন, বিজেপির সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গে দলের বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক এবং ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করেছে। অরুণ সিং আরও জানান, বিজেপির সংসদীয় বোর্ড অসমে বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচনের জন্য দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডাকে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত করেছে। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনিকে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করেছে।
মমতার বাড়ির সামনে থেকে উঠল গার্ডরেল
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : রাজ্যে ভোটপর্ব মিটেছে। বিপুল ক্ষমতা নিয়ে বাংলার ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। নিজের গড় ভবানীপুর থেকে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাতে এই ফলাফলের পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই কালীঘাটে পরিবর্তনর হাওয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে সুরক্ষার জন্য রাখা গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হল। সেই রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে আর বাধা নেই। বাইক, গাড়ি অনায়াসে যাতায়াত করছে। তবে মমতার বাড়ির ঠিক সামনে এখনও পুলিশ ক্যাম্প রয়েছে। উল্লেখ্য, সরকার বদলের পর বিধি মেনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে থেকে ধাপে ধাপে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সেই নিয়ম মেনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল খোলার কাজ শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তিনি এখন ন্যূনতম নিরাপত্তা পাবেন। অর্থাৎ জনাকয়েক নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকবে তাঁর বাড়ির সামনে।
নবান্নে কড়া নিরাপত্তা, ভোট-পরবর্তী অশান্তিতে তৎপর কমিশন
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা – ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তির খবর মিলছে। ভোটের ট্রেন্ডে ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হওয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন-সহ বিভিন্ন সরকারি ভবনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাসভবনের সামনেও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। নবান্নে যাতায়াতকারী প্রত্যেকের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অফিসে ঢোকা-বেরোনোর সময় কর্মীদের ব্যাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রশাসনিক নথি বা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র যাতে সরানো না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, অতীতের দুর্নীতির তথ্য নষ্ট হওয়া রুখতেই এই কড়াকড়ি। এদিকে ভোটের ট্রেন্ড অনুযায়ী, বিজেপি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস অনেকটাই পিছিয়ে। এই ফলাফলের ইঙ্গিত সামনে আসতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। গেরুয়া আবির খেলা, মিষ্টি বিতরণ ও বিজয় মিছিলের ছবি সামনে এসেছে নানা এলাকা থেকে। তবে উৎসবের পাশাপাশি একাধিক জায়গায় সংঘর্ষ ও হিংসার অভিযোগ উঠেছে। আসানসোলে গণনাকেন্দ্রের বাইরে দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল কর্মীরা হামলার শিকার হয়েছেন। একই ধরনের উত্তেজনার খবর মিলেছে নোয়াপাড়া ও বীজপুর থেকেও, যেখানে বুথের ভেতরেই প্রার্থীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন দ্রুত হস্তক্ষেপ করেছে। সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ কমিশনার ও জেলাশাসকদের ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগেই রাজ্যজুড়ে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রশাসন ও কমিশন একযোগে পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর, যাতে কোনওভাবেই অশান্তি ছড়িয়ে না পড়ে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
গণনা কেন্দ্রের নিয়মাবলী নিয়ে মালদায় সর্বদলীয় বৈঠক, কড়া নজরদারির বার্তা প্রশাসনের
সকাল সকাল ডেস্ক মালদা :-নির্বাচন পরবর্তী গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নিয়মাবলী নিয়ে শনিবার মালদায় সর্বদলীয় বৈঠক করল জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। জেলা প্রশাসনিক ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর, পুলিশ সুপার অনুপম সিং-সহ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা। পাশাপাশি শাসক ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে যোগ দেন।বৈঠকে মালদার দুটি গণনা কেন্দ্র—মালদা কলেজ ও পলিটেকনিক কলেজ—সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশিকা তুলে ধরা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা কলেজে পাঁচটি এবং পলিটেকনিক কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা এলাকার ভোটগণনা হবে। সকাল সাতটার মধ্যে নির্দিষ্ট প্রবেশপথ ব্যবহার করে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশের সময় নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় নথি দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।বৈঠকে জায়েন্ট স্ক্রিনে ড্রোনে তোলা গণনা কেন্দ্রের ছবি দেখিয়ে প্রবেশ ও বাহিরের রূপরেখাও ব্যাখ্যা করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পার্কিং, শৌচালয়-সহ প্রয়োজনীয় পরিষেবার ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে।জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর কোনও রকম অশান্তি বা হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। গোটা জেলাজুড়ে কড়া নজরদারি চালাবে পুলিশ ও প্রশাসন।
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল ৪ মে, স্ট্রংরুমে নিরাপত্তার নজিরবিহীন কড়াকড়ি কমিশনের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : রাজ্যে দুই দফার বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর এখন সকলের নজর আগামী ৪ মে-র ফলাফল ঘোষণার দিকে। ভোটগ্রহণ শেষ হতেই ইভিএমগুলি পৌঁছে গিয়েছে নির্দিষ্ট স্ট্রংরুমে। গণনার দিন যত এগিয়ে আসছে, স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তা তত জোরদার করছে নির্বাচন কমিশন। এবার গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা আগের তুলনায় কমিয়ে আনা হয়েছে। এবার ৮৭টি কেন্দ্রে ২৯৪টি আসনের ভোট গণনা করা হবে। গণনাকেন্দ্র কমলেও নিরাপত্তা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত থাকলেও, বর্তমানে সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে। স্ট্রংরুমগুলির সুরক্ষায় ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুমে রাজারহাট-নিউটাউন, বিধাননগর ও রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভার ইভিএম রাখা হয়েছে। সেখানে সিসিটিভি-র মাধ্যমে কড়া নজরদারির পাশাপাশি তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম। বহিরাগতদের প্রবেশ ও জমায়েত রুখতে স্ট্রংরুমের বাইরে রাজ্য পুলিশ এবং ভেতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। একইভাবে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজে ১০ কোম্পানি এবং যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের প্রতিটি স্ট্রংরুমের আশপাশের এলাকায় নাকা চেকিং চলছে। কোনো রকম ফাঁকফোকর না রেখে গণনার দিন পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজ্যকে।
দার্জিলিং চিড়িয়াখানা ও বেঙ্গল সাফারিতে নতুন অতিথির আগমনের প্রস্তুতি, উত্তরবঙ্গে খুশির হাওয়া
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি : পর্যটন মরসুমের মাঝেই পাহাড় ও তরাই অঞ্চল থেকে এক বড় সুখবর সামনে এসেছে। পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্ক এবং বেঙ্গল সাফারিতে বেশ কিছু বিরল বন্যপ্রাণী শীঘ্রই জন্ম নিতে চলেছে, যা নিয়ে বন্যপ্রাণ প্রেমীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ দেখা দিয়েছে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এখানে সিলভার ফিজেন্ট এবং অত্যন্ত বিরল প্রজাতির মিশমি টাকিন অন্তঃসত্ত্বা। বিশেষত, মিশমি টাকিনের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির সফল প্রজননকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দিশায় এক বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এই চিড়িয়াখানায় ৭টি মিশমি টাকিন এবং ২৩টি সিলভার ফিজেন্ট রয়েছে। এই প্রাণীদের জন্য বিশেষ ডায়েট চার্ট তৈরি করা হয়েছে, যেখানে তাদের ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হচ্ছে। চিড়িয়াখানা প্রশাসন অন্তঃসত্ত্বা প্রাণীদের জন্য অত্যন্ত শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা তাদের প্রতিটি গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। কোনো প্রকার সমস্যা এড়াতে পশুচিকিৎসকরা প্রতিদিন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারিতেও ভালো খবর পাওয়া গেছে। এখানকার একটি স্ত্রী হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার বা কালো ভাল্লুক অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। সাফারির অধিকর্তার মতে, ভাল্লুকের গর্ভাবস্থা সাধারণত আট থেকে নয় মাস হয়, তবে জন্ম না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরিস্থিতি নিয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, যদি এই প্রজনন সফল হয় তবে এটি কেবল জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেই বড় সাফল্য হবে না, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটনকেও এক নতুন গতি প্রদান করবে।
যাদবপুরের জনসভা থেকে তৃণমূলকে তোপ প্রধানমন্ত্রী মোদীর
Narendra Modi slams Trinamool Congress from Jadavpur rally
গত ৫০ বছরে বাংলায় এমন হিংসামুক্ত ভোট হয়নি, প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই কমিশনকে সার্টিফিকেট মোদীর
There has not been such a violence-free election in Bengal in the last 50 years, Modi gave the certificate to the commission during the first phase of voting
পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেছে বেছে অনুুপ্রবেশকারী তাড়াব : অমিত শাহ
Infiltrators will be selectively expelled from West Bengal: Amit Shah
পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ঢেউ উঠেছে, তৃণমূলের বিদায় নিশ্চিত : নিতিন নবীন
সকাল সকাল ডেস্ক পূর্ব মেদিনীপুর : পশ্চিমবঙ্গে এবারের ভোটে বিজেপির জয় নিয়ে আশাবাদী দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের নির্বাচনী জনসভা থেকে নিতিন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ঢেউ। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতাচ্যুত হবে, এবার বিজেপি ক্ষমতায় আসছে। মমতা ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগান নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, কিন্তু এখন সেই মানুষেরাই দুর্ভোগে। সন্দেশখালি থেকে আর জি কর পর্যন্ত, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নারীরা দুর্ভোগে।” নিতিন বলেন, “আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, কীভাবে গভীর রাতে মা কালীর প্রতিমাগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। প্রতিমাশিল্পীদের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমরা তাদের পাশে আছি। এখানে নারীরা নিরাপদ নন এবং এই ভূমির মাটিকে অসম্মান করা হয়েছে। এই ভূমি অবৈধ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখানকার মানুষ অন্যত্র যেতে বাধ্য হয়েছেন।” তিনি আরও বলেন, “নারীদের জন্য সংরক্ষণ দিতে একটি বিল আনা হয়েছিল, কিন্তু তৃণমূল সেই সংরক্ষণের বিরোধিতা করেছিল। যেসব সরকার নারীদের অধিকার কেড়ে নেয়, তাদের এখন অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। যদি বিষয়টি মুসলিমদের সংরক্ষণের হতো, তাহলে এই একই তৃণমূল সাংসদরা সেটিকে জোরালোভাবে সমর্থন করতেন।”