প্রধানমন্ত্রী মোদীর চারটি জনসভা জঙ্গলমহলে, আদিবাসী ভোটারদের মন জয়ে বিশেষ জোর
PM Modi’s four public rallies in Jangalmahal, special emphasis on winning over tribal voters
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কঠোর নির্দেশিকা সিইও দফতরের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান নিয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে একাধিক অভিযোগ আসছে। এরই প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। ভোটকর্মীদের অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাবে সবাই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারছেন না। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পোস্টাল ব্যালট ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা আরও জোরদার করতে হবে। ১৭ এপ্রিল জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোট কর্মীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পোস্টাল ব্যালট কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত সুবিধার অভাবের বিষয়টি সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট নির্দেশিকা মেনে পরিকল্পনা জোরদার করতে এবং পি-৩ থেকে পি-১ দিনের মধ্যে ফ্যাসিলিটেশন সেন্টার ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সমস্ত প্রোটোকল মেনে ব্যালট সংরক্ষণ ও ভোটগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মোদীর পতন শুরু হয়ে গিয়েছে, দিল্লি দখলের বার্তা দিয়ে তোপ মমতার
সকাল সকাল ডেস্ক হাওড়া : মহিলা বিল নিয়ে সংসদে কেন্দ্র যে ধাক্কা খেয়েছে, তাকে কটাক্ষ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ‘‘বিজেপির পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপিকে আমরা হারিয়েছি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা তো নেই। অন্যের সমর্থনে কুর্সিতে বসে আছে। সব যাবে।’’ মমতার শনিবারের প্রথম জনসভা ছিল হাওড়ার উলুবেড়িয়ায়। এদিন উলুবেড়িয়া পূর্বে পাঁচলা নেতাজি সঙ্ঘের মাঠে জনসভা করেন তিনি। নির্বাচনী জনসভায় মমতা বলেন, “দেশ ভাগ করতে চেয়েছিল। বিল এনে মহিলাদের আসন দিতে হয় না আমাদের। লোকসভায় নির্বাচিত মহিলা সাংসদদের সংখ্যা ৩৬ শতাংশ। রাজ্যসভায় ৪৬ শতাংশ। এমন আর কোথাও নেই। বিজেপির শিক্ষা নেওয়া উচিত। মহিলা সংরক্ষণের জন্য ৯৮ সাল থেকে আমি লড়ছি।’’ তৃণমূলের কর্মীদের এদিন ভোটের মেশিন ভাল করে পরীক্ষা করে দেখার বার্তা দিয়েছেন মমতা। বলেছেন, ‘‘সব বোতাম টিপে পরীক্ষা করে দেখবেন, ঠিক জায়গায় ভোট পড়ছে কি না। কোনও মেশিন খারাপ হলে তাতে ভোট করতে দেবেন না। যত ক্ষণ না নতুন মেশিন আনা হচ্ছে। না হলে চিপ ঢুকিয়ে দেবে। নিজের ভোট নিজে দেবেন।’’
খানাকুলে ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে অলোক ধাওয়া, বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ
সকাল সকাল ডেস্ক হুগলি : বিধানসভা নির্বাচনের মুখে খানাকুলে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়। প্রাক্তন তৃণমূল ছাত্রনেতা অলোক ধাওয়া দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। শনিবার রাতে খানাকুলের বিজেপি কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে দলে স্বাগত জানান বিজেপি প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন তৃণমূল ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর দলীয় নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেন অলোক ধাওয়া। বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি জানান, এলাকার উন্নয়ন এবং নতুন রাজনৈতিক দিশার লক্ষ্যে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ এই যোগদানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “অলোক ধাওয়ার মতো নেতার দলে আসা আমাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।” তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগে এই ধরনের যোগদান প্রমাণ করছে যে সাধারণ মানুষ ও কর্মীরা পরিবর্তনের পক্ষে মত দিচ্ছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই দলবদল খানাকুলের রাজনৈতিক সমীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের একসময়ের সক্রিয় মুখের বিজেপিতে যোগদানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
নিষ্ঠুর তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলিকে শেষ করে দিচ্ছে : নরেন্দ্র মোদী
তৃণমূল কংগ্রেসকে উত্তরবঙ্গ-বিরোধী তকমা দিলেন বিজেপি নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার শিলিগুড়ির নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের একটি বিরাট অংশ চা-চাষের অঞ্চল।
জনজোয়ারে ভাসল পুরুলিয়া: সুজয় ব্যানার্জির সমর্থনে দেবের মেগা রোড শো
সকাল সকাল ডেস্ক শেফালী মাহাতো, পুরুলিয়া:আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার প্রচারের পারদ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিলেন ঘাটালের সাংসদ তথা টলিউড সুপারস্টার দীপক অধিকারী ওরফে দেব। পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় ব্যানার্জির সমর্থনে এক বর্ণাঢ্য রোড শো-তে অংশ নিলেন তিনি।এদিন রোড শো-টি শুরু হয় পুরুলিয়ার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা বড় হাটের মোড় থেকে। হুডখোলা গাড়িতে সুজয় ব্যানার্জিকে পাশে নিয়ে যখন দেব যাত্রা শুরু করেন, তখন রাস্তার দু’ধারে মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মিছিলটি শহর পরিক্রমা করে গৌসালা মোড়েগিয়ে শেষ হয়।প্রিয় অভিনেতাকে একবার চোখের দেখা দেখতে এবং সেলফি তোলার আবদারে রাস্তার দু’পাশে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ভিড় সামলাতে পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়।সুজয় ব্যানার্জির সমর্থনে এবং দেবের নামে কর্মী-সমর্থকদের গগণবিদারী স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।সুজয় ব্যানার্জি জানান, দেবের এই উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে এবং আগামী নির্বাচনে এই জনসমর্থনই ব্যালট বক্সে প্রতিফলন ঘটাবে।পুরুলিয়ার রাজপথে এদিন শুধুই ছিল মানুষের ভিড় আর ঘাসফুল শিবিরের দাপট। দেবের এই হাই-ভোল্টেজ প্রচার বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের হাতকে আরও শক্ত করল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
ভোটের কাজে সিভিক ও গ্রিন পুলিশে নিষেধাজ্ঞা, কড়া নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ কিংবা স্টুডেন্ট পুলিশ ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার করা যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। উপ-সচিব শক্তি শর্মা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের দফতরে সবিস্তারে এই নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের পাঠানো বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ সাধারণ নির্বাচনের কোনো কাজেই এই বাহিনীকে যুক্ত করা যাবে না। শুধু তাই নয়, ভোটগ্রহণের দিন ছাড়াও তার আগের ও পরের দিন—অর্থাৎ মোট তিন দিন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ত্রিসীমানায় যেন তাঁদের দেখা না যায়, সেই বিষয়েও কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশ সম্পর্কে প্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলিকে বিশদে অবহিত করার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এর আগেও দুই দফায় এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সাম্প্রতিক চিঠিতে সেই পূর্ববর্তী নির্দেশিকার কথা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়ে কমিশনের অবস্থান আরও একবার দৃঢ়ভাবে স্পষ্ট করা হলো। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
নাকা তল্লাশিতে উদ্ধার ৯০ হাজার টাকা
সকাল সকাল ডেস্ক পুরুলিয়া: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে জেলায় কড়া নজরদারি চলাকালীন নাকা তল্লাশিতে উদ্ধার হলো নগদ টাকা। পুরুলিয়া মফস্বল থানার রুদ্রা গ্রামের বাসিন্দা অমর পাণ্ডে নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা। প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে না পারায় সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, অমর পাণ্ডে পেশায় একজন ঠিকাদার। বৃহস্পতিবার তিনি তার কাজের শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য ৯০ হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নজরদারি দল এবং পুলিশের যৌথ নাকা তল্লাশি চলছিল। অমরবাবুর গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালানো হলে এই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা এবং বৈধ নথিপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ঘটনাস্থলে অমরবাবু ওই টাকার সপক্ষে কোনো যুৎসই প্রমাণ বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এর পরেই কমিশনের আধিকারিকরা নিয়ম মেনে পুরো টাকাটি সিজ (Seize) করেন। টাকা বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর ঠিকাদার অমর পাণ্ডে দাবি করেন, শ্রমিকদের মজুরি মেটানোর জন্যই তিনি ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলে আনছিলেন। হঠাৎ নাকা চেকিংয়ের মুখে পড়ে তিনি অপ্রস্তুত হয়ে যান এবং সেই মুহূর্তে সমস্ত নথি পেশ করতে পারেননি।পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সঠিক প্রমাণপত্র জমা দিতে পারলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে টাকা ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। নির্বাচনের প্রাক্কালে জেলায় এই ধরণের চেকিং অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আরামবাগে নির্বাচনী প্রচার মমতার, তোপ এসআইআর ইস্যুতে
সকাল সকাল ডেস্ক হুগলি : আরামবাগে বুধবার জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এসআইআর ইস্যুতে কমিশনকে নিশানা করেন। জানান, অনেক মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। অনেক মানুষের নাম তোলা বাকি আছে। মরে যাব তবু শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। আবার আদালতে যাওয়া উচিত। এসআইআর ইস্যুতে কমিশনকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভোট কেটে তৃণমূলকে হারানো যাবে না। তিনি এও বলেন, সবার নাম উঠবে, আজ নয় কাল। ৩২ লক্ষ নাম আমি নিজে গিয়ে কেস করে তুলে দিয়েছি। সুপ্রিম কোর্টই বলেছিল বিচারকেরা যে নামগুলো ক্যান্সেল করেছে, ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা যাবে। কিন্তু তার আগে কেন ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে দিল আমার মাথায় ঢুকল না। তাই আমার মনে হয় আবার কোর্টে যাওয়া উচিত। আরামবাগের সভা থেকে মমতা বলেন, আমার কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬২ হাজার মানুষের নাম বাদ। তাতেও কোনও ফারাক পড়বে না। একটা ভোট থাকলেও তৃণমূলের বাক্সেই পড়বে। বিজেপির বাক্সে বা অন্য কোনও দলের বাক্সে পড়বে না। ভোট কেটে কিছু করতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে বিজেপির কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ
সকাল সকাল ডেস্ক কোচবিহার : প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় রবিবার কোচবিহার জেলার মাথাভাঙা শহরে বিজেপি কর্মীদের বাধা দেওয়া ও মারধরের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাসে করে কর্মীরা কোচবিহারের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছিলেন। সেই সময় পথে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং আচমকাই তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায় বলে অভিযোগ। আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতেই বিজেপি কর্মীদের বাস সেখান থেকে নিরাপদে কোচবিহারের উদ্দেশে রওনা দেয়। বিজেপির তরফে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব অবশ্য সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ।