জি-৭ ও স্লোভাকিয়া সফরে বিশ্বমঞ্চে ভারতের মর্যাদা আরও সুদৃঢ়: বিজেপি
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং স্লোভাকিয়া সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন বলে দাবি করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলের মতে, এই সফরগুলির মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে দলের জাতীয় মুখপাত্র ও সাংসদ ড. সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এটাই ছিল প্রথম স্লোভাকিয়া সফর। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে, যা দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ত্রিবেদীর দাবি, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই ভারত প্রথমবার জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। তিনি জানান, ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর সময় থেকেই এই প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছিল। বিজেপি মুখপাত্র বলেন, এবারের জি-৭ সম্মেলনেও ভারত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ‘ইন্টারন্যাশনাল মোবিলাইজেশন পার্টনারশিপ ফর অ্যাক্সিলারেটিং কানেক্টিভিটি অ্যান্ড ট্রেড’ (ইমপ্যাক্ট) নামে একটি নতুন উদ্যোগের প্রস্তাবও ভারত উত্থাপন করেছে, যা জি-৭ সদস্য দেশগুলির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে ৩৩টি আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এই সম্মানগুলি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্বের প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থা ও স্বীকৃতিরই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন ত্রিবেদী। এছাড়াও তিনি ফ্রান্সের উদ্যোগের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিবছর ৩০ হাজার ভারতীয় পড়ুয়াকে সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা দুই দেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলির আস্থা অর্জন করে চলেছে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করছে।
অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরে
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ জানান, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, মাদক পাচার রোধ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত ‘ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সামগ্রিক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব’-কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুফল যাতে দুই দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও ভারত সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ক্রমশ বিস্তৃত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠককে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হিমাচলের চম্বায় খাদে পড়ে গেল এসইউভি গাড়ি, মৃত্যু ৭ জনের
সকাল সকাল ডেস্ক, চম্বা : হিমাচল প্রদেশের চম্বায় ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনা। বুধবার রাতে চাম্বা-মাসরুণ্ড সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় একটি এসইউভি গাড়ি। এই দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীনেশ শর্মা জানান, “বৃহস্পতিবার সকালে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ উদ্ধারকাজ শুরু করে। সবকটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ৩ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ-সহ মোট ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং তাঁদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত চলছে।” পুলিশ জানিয়েছে, চম্বা জেলার চম্বা-মাসরুণ্ড সড়কের ওপর ছাতরুন্ডের কাছে বুধবার রাতে একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গেলে ৭ জন মারা যান। নিহতরা কুথেদ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মাহাল গ্রামের বাসিন্দা। গাড়িটি খাদে পড়ে গেল দুর্ঘটনাস্থলেই ৬ জনের মৃত্যু হয়, পরে আরও একজন প্রাণ হারান।
হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক, এভিয়ান ও নয়াদিল্লি : হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার ফ্রান্সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী; এই আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সামুদ্রিক স্থিতিশীলতা এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ট্রাম্পের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক নৌপথের ক্ষেত্রে ভারতের কৌশলগত স্বার্থের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পক্ষে মত দেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা অত্যন্ত জরুরি। ভারত সবসময়ই অবাধ নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছে এবং এই বিষয়ে আমাদের যৌথভাবে কাজ করা উচিত। হরমুজ প্রণালী-সহ বিশ্বের নানা প্রান্তে লক্ষ লক্ষ নাবিক তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন; ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।”
ভদোদরায় বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে মৃত বেড়ে ৭, আহত ২৬
সকাল সকাল ডেস্ক, ভদোদরা : গুজরাতের ভদোদরা-জেরোড হাইওয়েতে ঘটে গেল এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। গুজরাটের ভদোদরা শহরের কোটম্বি স্টেডিয়ামের কাছে বুধবার ভোরে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। রাজস্থানের বাঁশওয়ারা থেকে সুরাটগামী একটি বাস রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারে। এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭, আহত আরও ২৬ জন। দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জনের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন, প্রীত হিতেশ ভাটিয়া (৯), বিনোদ নরেশ ডামোর (৩০), হরজিংভাই ভালজিভাই কাটারা (৩০), মুকেশ জিবাজি ডিন্ডোর (৩৪), পিঙ্কি ভাটিয়া (৩৬), মহেন্দ্রকুমার ভোগীলাল পান্ড্য (৬৮)। দুর্ঘটনার পর বাসের ভেতরে বহু যাত্রী আটকে পড়েন। খবর পেয়ে রাজ্য ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা, দমকল কর্মীরা, পুলিশ ও অন্যান্য উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের ভদোদরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস-ট্রাকটিকে দ্রুত রাস্তা থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। বাসের গতি অতিরিক্ত থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা, নাকি চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
গুজরাটের তিন পুরনিগমে বোমা হামলার হুমকি, কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সুরাট : গুজরাটের সুরাট, জামনগর এবং ভদোদরা পুরনিগমের দফতর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসন ও পুলিশ মহলে। বুধবার হুমকিমূলক ই-মেল পাওয়ার পরই তৎপর হয়ে ওঠে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এবং তিন পুরনিগম চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
বৈঠকে ইন্ডি জোটের পাঁচ সিদ্ধান্ত, জানালেন খাড়গে
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : ভোট লুট, ভোট চুরি ও এসআইআর নিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতিকে দ্রুত চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল ‘ইন্ডি’ জোট।একই সঙ্গে নিট ও সিবিএসই পরীক্ষায় লক্ষাধিক পড়ুয়ার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি এবং কৃষকদের ও জনমুখী সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনার জন্য অবিলম্বে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি জানিয়েছে ইন্ডি জোট। সিদ্ধান্ত হয়েছে, মঞ্চের দলগুলি প্রতি দু’মাস অন্তর বৈঠকে বসবে এবং আগামী আগস্টে হায়দরাবাদে পরবর্তী বৈঠক হবে। এ ছাড়া, বাদল অধিবেশন চলাকালীন প্রতিদিন সকালে মল্লিকার্জুন খাড়গের দফতরে সংসদীয় সমন্বয় হবে। বৈঠক শেষে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, “২৫টি দলের উপস্থিতিতে ইন্ডি জোটের বৈঠক শেষ হয়েছে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ মতামত জানিয়েছেন এবং তার ফলস্বরূপ আমরা পাঁচটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছি। আমরা একমত হয়েছি যে, আমরা এই বিষয়গুলোর জন্য লড়াই করব, সেগুলোর ওপর কাজ করব এবং এগিয়ে যাব।” মল্লিকার্জুন খাড়গে আরও বলেন, “এসআইআর, ভোট লুট এবং নির্বাচন চুরির বিষয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে একটি চিঠি পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। চিঠিটি খুব শীঘ্রই দেশের প্রধান বিচারপতির কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষামন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানানোর বিষয়ে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, কারণ তিনি নিট এবং সিবিএসই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী লক্ষ লক্ষ যুবকের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।”
ঝাড়খণ্ড সফরে রাঁচিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন
সকাল সকাল ডেস্ক, রাঁচি : ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন শনিবার দু’দিনের সাংগঠনিক সফরে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে এসে পৌঁছেছেন। সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম ঝাড়খণ্ড সফর, যা সংগঠনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাঁচির বিরসা মুণ্ডা বিমানবন্দরে বিজেপি নেতা, কার্যকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানানোর পর নিতিন নবীন ভগবান বিরসা মুণ্ডার মূর্তির পাদদেশে পৌঁছান এবং সেখানে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি সমাজবাদী নেতা জননায়ক কর্পূরী ঠাকুর এবং বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা সংগঠন নির্মাতা কৈলাশপতি মিশ্রের মূর্তিতেও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে প্রণাম জানান। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন পর্ব শেষে নিতিন নবীন বিজেপি রাজ্য কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে তিনি দলের কোর কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে সংগঠন বিস্তার, বুথ স্তরে দলের শক্তিবৃদ্ধি, সদস্য সংগ্রহ অভিযান, জনসংযোগ কর্মসূচি এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলের নেতৃত্বের মতে, মজবুত সংগঠনই নির্বাচনী সাফল্যের মূল ভিত্তি। তাই এই সফরে সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। নিজের দু’দিনের ঝাড়খণ্ড সফরে সর্বভারতীয় সভাপতি বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তিনি দলের সাংসদ, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং প্রবীণ কার্যকর্তাদের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করে সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন। সেই সঙ্গে কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ এবং রাজনৈতিক অভিযানের জন্য প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিজেপি সূত্রের খবর, এই সফর রাজ্যে সংগঠনকে নতুন দিশা দিতে এবং আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য কর্মীদের সক্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। ঝাড়খণ্ডে দলের জনভিত্তি আরও মজবুত করতে এবং মাঠপর্যায়ে সংগঠনের রাশ শক্ত করতে বিশেষ কৌশলে কাজ করছে দলীয় নেতৃত্ব। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ বলেন, সর্বভারতীয় সভাপতির আগমন ঘিরে কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামী দু’দিন ধরে বিভিন্ন স্তরে বৈঠক ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলবে, যা সংগঠনকে নতুন শক্তি জোগাবে। সঞ্জয় শেঠ আরও বলেন, “সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের দিকনির্দেশনায় বিজেপি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কাজ করবে। আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশাবলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা সমস্ত কর্মীরা তাঁর দেখানো পথেই সাধারণ মানুষের মধ্যে দলের পৌঁছে যাওয়া এবং প্রভাব বাড়ানোর কাজ করব।” এদিন রাঁচি বিমানবন্দরে রাজ্য সভাপতি আদিত্য সাহু, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন, বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি, প্রদীপ বর্মা, ভানু প্রতাপ শাহি সহ বিজেপির একাধিক বরিষ্ঠ নেতা ও কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সুরক্ষিত সীমান্তই বিকশিত ভারতের ভিত্তি : অমিত শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক, আগরতলা : অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, মানব পাচার ও মাদক কারবার রোধে দেশের সীমান্তকে সুরক্ষিত রাখা নিরাপত্তা বাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার ত্রিপুরার লঙ্কামুড়া সীমান্ত চৌকি পরিদর্শনে গিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-র জওয়ানদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি জানান, ত্রিপুরার ১১৯ কিলোমিটার পুরনো কাঁটাতারের বেড়া সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রথম পর্যায়ের কাজও শুরু হয়েছে। দু’দিনের ত্রিপুরা সফরে এসে শুক্রবার দুপুরে রাজধানী আগরতলা সংলগ্ন লঙ্কামুড়া বিএসএফ সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, সীমা প্রবন্ধক বিভাগের সচিব, বিএসএফ-র মহানির্দেশক (ডিজি) এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে লঙ্কামুড়া বিএসএফ চৌকিতে একটি আগরগাছের চারা রোপণ করেন অমিত শাহ। পরে সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ত্রিপুরা তিনদিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় রাজ্যটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁটাতারের বেড়ার অধিকাংশই ১৫ বছরেরও বেশি পুরনো। এর মধ্যে ১১৯ কিলোমিটার অংশ সংস্কারের জন্য কেন্দ্র ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে এবং কাজ শুরু হয়ে গেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে সংকল্প নিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হল একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত দেশ গড়ে তোলা। তাঁর কথায়, “এই নিরাপত্তা কোনও যুদ্ধের জন্য নয়, বরং চোরাচালান, মানব পাচার, মাদক বিস্তার এবং কালো টাকার প্রবাহ রোধের জন্য। দেশের যুব সমাজকে নেশার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।” অমিত শাহ আরও বলেন, অনুপ্রবেশ দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই দেশের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএসএফসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জওয়ানদের উদ্দেশে বলেন, “অনুপ্রবেশ রোধ করে দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখাই আপনাদের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।” সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে কেন্দ্র সরকার স্মার্ট ফেন্সিং এবং ‘চতুর্ভুজ বলয়’ নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে, যাতে সীমান্তে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত জওয়ানরা আরও সুবিধা পান। লঙ্কামুড়া সফরের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যালোচনা করা এবং জওয়ানদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলাই তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “মানব সমাজের উন্নয়নের জন্য আমরা প্রকৃতির যে ক্ষতি করেছি, তার ক্ষতিপূরণ করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশকে বাসযোগ্য রাখতে হলে ব্যক্তি থেকে সমাজ—সকল স্তরে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।” সীমান্ত নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণ—দুই ক্ষেত্রেই সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে তিনি দেশবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বিজেপি ছেড়ে ‘উই দ্য পিপল’ আন্দোলনের ঘোষণা কে আন্নামালাইয়ের
সকাল সকাল ডেস্ক, চেন্নাই : তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড়সড় রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক ও বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করার পরই তিনি নতুন রাজনৈতিক দল ও গণআন্দোলনের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন। তাঁর নতুন উদ্যোগের নাম ‘উই দ্য পিপল’ । শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে লাইভ বার্তায় আন্নামালাই জানান, এটি কোনও ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক রাজনৈতিক মঞ্চ নয়, বরং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি গণআন্দোলন। এর লক্ষ্য রাজনীতিকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং জনমুখী রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা। এর আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং জানান, আন্নামালাইয়ের দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের আবেদন গ্রহণ করেছেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ২ জুন লেখা পদত্যাগপত্রে আন্নামালাই উল্লেখ করেছিলেন, তামিলনাড়ুতে প্রবৃদ্ধিমুখী ও সংস্কৃতিভিত্তিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের ভাবনাচিন্তা রয়েছে এবং সেই পথেই তিনি এগোতে চান। লাইভ বার্তায় আন্নামালাই জানান, গত প্রায় ১৮ মাস ধরে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বিভিন্ন আদর্শগত ও সাংগঠনিক বিষয়ে তাঁর মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি দলকে পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। তবে দলের অনুরোধে নির্বাচনী দায়িত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রাজনীতিতে তাঁর বিশ্বাস সবসময় নীতি, আদর্শ এবং জনসেবাকে কেন্দ্র করে। কর্নাটকে আইপিএস অফিসার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তিনি শিখেছিলেন, ক্ষমতা, পদ কিংবা কর্তৃত্ব কোনওটাই স্থায়ী নয়। সেই উপলব্ধিই তাঁকে রাজনীতিতেও ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান ও জনগণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা দিয়েছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে আন্নামালাই বংশানুক্রমিক রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হন। তাঁর কথায়, গণতন্ত্রে সুযোগ কোনও নির্দিষ্ট পরিবার বা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। তিনি বলেন, “আমি কোনও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য নই। সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে এসে এখানে পৌঁছেছি। তাই সমাজের প্রতিটি যোগ্য মানুষের সামনে রাজনীতির দরজা খোলা থাকা উচিত।” নিজের নতুন রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি জানান, শুধু বিধানসভা নির্বাচন নয়, পঞ্চায়েত, পুরসভা, লোকসভা-সহ সমস্ত নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে দল। তামিলনাড়ুর মানুষের সামনে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশাসনভিত্তিক রাজনৈতিক বিকল্প গড়ে তোলাই হবে তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। আন্নামালাই বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রশাসন নিশ্চিত করাই তাঁর নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের অগ্রাধিকার। জনগণ এখন শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব ফলাফল চায়। সেই প্রত্যাশা পূরণ করতেই তাঁদের রাজনৈতিক লড়াই। সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাঁর ভাষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই wetheleader.org ওয়েবসাইট চালু হবে। সেখানে নিবন্ধন করে যে কেউ এই আন্দোলনের অংশ হতে পারবেন। এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিজেপি ছাড়লেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র প্রতি নিজের শ্রদ্ধার কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন আন্নামালাই। তিনি বলেন, সাংগঠনিক কৌশল বা রাজনৈতিক ইস্যুতে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্ব, কর্মপদ্ধতি এবং জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাঁর সম্মান অটুট থাকবে। নতুন দলের আদর্শগত অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তামিল পরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের ভাবনাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এই ভাবনাকে ‘দ্রাবিড় ২.০’ হিসেবে তুলে ধরছেন, যেখানে আঞ্চলিক আকাঙ্ক্ষা এবং জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা থাকবে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, নতুন দল সব সম্প্রদায়, সামাজিক গোষ্ঠী এবং সংখ্যালঘুদের সঙ্গে নিয়ে চলার নীতি গ্রহণ করবে। সমন্বিত উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে শক্তিশালী করাই হবে দলের মূল লক্ষ্য। সেই কারণেই একে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও বৃহত্তর জনভিত্তিক রাজনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্নামালাইয়ের এই পদক্ষেপ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হিসেবে তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, যুবসমাজের মধ্যে জনপ্রিয়তা এবং আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক শৈলী তাঁকে রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এখন নজর থাকবে, তাঁর নতুন দল আগামী নির্বাচনে কী কৌশল গ্রহণ করে এবং রাজ্যের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কতটা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে।