৮ আগস্ট প্রকাশ্যে আসছে ‘টক্সিক’-এর ট্রেলার
সকাল সকাল ডেস্ক মুম্বই : রকিং স্টার যশের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এবার ছবির নির্মাতারা প্রকাশ করলেন নতুন পোস্টার। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, আগামী ৮ আগস্ট মুক্তি পাবে ছবির বহুল প্রতীক্ষিত ট্রেলার। নতুন পোস্টারে যশকে তাঁর চরিত্র ‘রায়া’-র রহস্যময় রূপে তুলে ধরা হয়েছে। পোস্টারে তাঁর মুখ স্পষ্ট দেখা না গেলেও হাতে একটি টমি গান নিয়ে ছায়াময় উপস্থিতি ছবির রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নির্মাতারা এবারও গল্প সম্পর্কে কোনও ইঙ্গিত না দিয়ে কৌতূহল অটুট রেখেছেন। ফলে পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে ছবির কাহিনি ও যশের চরিত্র নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ৮ আগস্ট বেঙ্গালুরুতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছবির ট্রেলার প্রকাশ করা হবে। দিনটি ছবির নির্মাতাদের কাছেও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ওই দিনই ‘টক্সিক’-এর শুটিং শুরুর দুই বছর পূর্ণ হবে। ট্রেলারের মাধ্যমে প্রথমবার দর্শকরা ছবির জগত, প্রধান চরিত্রগুলির রূপ এবং কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ ঝলক দেখতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পরিচালক গীতু মোহনদাসের পরিচালনায় নির্মিত এই গ্যাংস্টারধর্মী ছবিতে যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নয়নতারা, কিয়ারা আদবাণী, তারা সুতারিয়া, রুক্মিণী বসন্ত এবং হুমা কুরেশি। কেভিএন প্রোডাকশন্স এবং মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশন্সের প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি একযোগে কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় শুট করা হয়েছে। পাশাপাশি হিন্দি, তামিল, তেলুগু ও মালয়ালম ভাষাতেও এটি মুক্তি পাবে। ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ আগামী ২৬ আগস্ট ২০২৬ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
দাবানল নেভাতে গিয়ে আকাশে বিপর্যয়! গ্রিসে কপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ২, বরাতজোরে বাঁচলেন দু’জন
সকাল সকাল ডেস্ক দাবানলের তাণ্ডবের মাঝেই গ্রিসে মুখোমুখি সংঘর্ষ দুটি হেলিকপ্টারের (Greece Helicopter Crash)! ভেঙে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই ক্রু সদস্য। রবিবার রাজধানী এথেন্স থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে (Wildfire Firefighting Collision)। জানা গিয়েছে, ভয়ংকর দাবানল নেভাতে যাওয়া দুটি ‘বেল’ (Bell) মডেলের হেলিকপ্টারের মধ্যে ধাক্কা লাগলে একটি আগুন ধরে খাদে পড়ে যায়। সেই কপ্টারেই থাকা ডেনমার্কের এক পাইলট এবং গ্রিক ফায়ার সার্ভিসের এক আধিকারিকের মৃত্যু হয়েছে। তবে সৌভাগ্যবশত, অন্য হেলিকপ্টারে থাকা একজন ব্রিটিশ পাইলট এবং আরেকজন গ্রিক আধিকারিক চোট পেলেও প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? অস্ট্রেলিয়ান সংস্থা ‘ম্যাকডারমট অ্যাভিয়েশন’ থেকে ভাড়া নেওয়া দুটি হেলিকপ্টার আতিকা-বোওটিয়া সীমান্তে দাবানল নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত ছিল। ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে ওড়ার সময় একটি কপ্টারের ব্লেড বা প্রপেলার অন্যটির গায়ে গিয়ে সজোরে আঘাত করে। মুহূর্তে আগুন ধরে যায় প্রথম কপ্টারটিতে এবং সেটি নীচে একটি খাদে ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় কপ্টারটি কোনওমতে একটি ঝোপঝাড়যুক্ত নিচু জায়গায় জরুরি অবতরণ (Emergency Landing) করতে সক্ষম হয়। কপ্টারটি ভেঙে পড়ার পর বেঁচে যাওয়া দুই সদস্যই উদ্ধারকারী দলকে দ্রুত খবর দেন, যার ফলে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছনো সহজ হয়। শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর, দেশজুড়ে কপ্টার উড়ানে নিষেধাজ্ঞা এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিয়াইরিয়াকোস মিটসোটাকিস। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তায় তিনি মৃতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ঘটনার পরই গ্রিক সুরক্ষা প্রটোকল মেনে দেশজুড়ে সমস্ত ‘বেল’ মডেলের কপ্টার ওড়ানো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আহত ব্রিটিশ পাইলট ও গ্রিক আধিকারিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁদের পর্যবেক্ষণ রাখছেন। ইউরোপজুড়ে ছড়াচ্ছে দাবানলের আগুন গত কিছুদিন ধরেই তীব্র দাবদাহ এবং শুকনো আবহাওয়ার কারণে গ্রিস-সহ সমগ্র ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এথেন্সের একাধিক অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গ্রিসের পোর্টো জেরমেনো, মেগারা ও কেফালোনিয়ার মতো এলাকায় ৫০০-রও বেশি অগ্নিনির্বাপক কর্মী দিনরাত এক করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। যদিও অতিরিক্ত দাবদাহে ফ্রান্স ও স্পেনের আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবুও তীব্র খরা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তৈরি এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ইউরোপের দেশগুলোর কপালে।
পাকিস্তানে শান্তি মিছিলে বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ১৩, আহত অন্তত ২২
সকাল সকাল ডেস্ক পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ফের রক্তাক্ত জঙ্গি হামলা। রবিবার একটি শান্তি মিছিল চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২২ জন। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী রয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। বিস্ফোরণের পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার একাধিক ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ার সোয়াত জেলার একটি শহরে ওই শান্তি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। স্থানীয় উপজাতি সংগঠন ‘সোয়াত আমান জিরগা’-র উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। গত কয়েক মাস ধরে এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার দাবিতে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকাই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে চিৎকার আর আর্তনাদ। বিস্ফোরণের জেরে বহু মানুষ রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, এটি আত্মঘাতী হামলা হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছে। বিস্ফোরণের ধরন এবং হামলার পদ্ধতি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিস্ফোরণের পরই উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে জরুরি পরিষেবা জোরদার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। কে বা কারা এই হামলার পিছনে রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। খাইবার পাখতুনখোয়া দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে আফগানিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় এই অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী এবং জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সেখানে হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছিল। সেই পরিস্থিতিতে শান্তির দাবিতে আয়োজিত মিছিলেই এমন রক্তক্ষয়ী বিস্ফোরণ নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। বিশ্লেষকদের মতে, শান্তির দাবিতে আয়োজিত একটি কর্মসূচিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলে তার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও বেশি আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীকেও বার্তা দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। ঘটনার পর পাকিস্তানের প্রশাসন দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। নিরাপত্তা আরও জোরদার করার পাশাপাশি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তদন্তকারীরা সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রমাণ খতিয়ে দেখে হামলার নেপথ্যের চক্রান্ত উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
কমনওয়েলথ গেমসের পতাকা ও মশাল আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের হাতে, ২০৩০-এ আহমেদাবাদে শতবর্ষের আসর
সকাল সকাল ডেস্ক গ্লাসগো : গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হলো কমনওয়েলথ গেমসের পতাকা ও মশাল। এর মধ্য দিয়েই ২০৩০ সালে গুজরাটের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হতে চলা শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমসের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল। রবিবার রাতে গ্লাসগোর দ্য হাইড্রো স্টেডিয়ামে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ গেমসের পতাকা ভারতের প্রতিনিধি নীরজ চোপড়া, ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার সভাপতি পি টি ঊষা এবং গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাঙ্ঘভির হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মশালও ভারতের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভারত ও স্কটল্যান্ডের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। ভারতের পরিবেশনা তিনটি পৃথক পর্বে সাজানো হয়। প্রথম পর্বে ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। অভিনেত্রী মানুষী চিল্লারের উপস্থিতিতে শতাধিক নৃত্যশিল্পী ভারতের বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও লোকঐতিহ্যের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনা করেন। একইসঙ্গে আহমেদাবাদকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়, যেখানে আগামী গেমসের আয়োজক শহরের ঐতিহ্য, আধুনিক পরিকাঠামো ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়। দ্বিতীয় পর্বে ভারত ও স্কটল্যান্ডের সাংস্কৃতিক ঐক্যের অনন্য নিদর্শন দেখা যায়। সেতারশিল্পী ঋষভ শর্মা এবং স্কটিশ সংগীতশিল্পী রস আইনসলির যুগলবন্দি দর্শকদের মুগ্ধ করে। এরপর সংগীতশিল্পী শঙ্কর মহাদেবন তাঁর দুই ছেলে সিদ্ধার্থ ও শিবমকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে পরিবেশন করেন বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে অংশ নেন গুজরাটের জনপ্রিয় গায়িকা ভূমি ত্রিবেদীও। সমাপনী অনুষ্ঠানে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিউক অব এডিনবরার প্রিন্স এডওয়ার্ড। তিনি ক্রীড়াবিদ, আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কমনওয়েলথ গেমস ঐক্য, বন্ধুত্ব ও ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার এক অনন্য প্রতীক। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রীড়াবিদদের ২০৩০ সালে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথ গেমসের শতবর্ষ উদযাপনের আসরে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। গ্লাসগোর সফল আয়োজনের পর এবার নজর আহমেদাবাদের দিকে। শতবর্ষের ঐতিহাসিক আসরকে স্মরণীয় করে তুলতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে এই আনুষ্ঠানিক পতাকা ও মশাল হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে।
কেরলমে বৃষ্টি দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮, চার জেলায় জারি লাল সতর্কতা
সকাল সকাল ডেস্ক তিরুবনন্তপুরম : টানা ভারী বৃষ্টিতে কেরলমে দুর্যোগজনিত পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। রাজ্যের চারটি জেলায় এখনও লাল সতর্কতা জারি রয়েছে। প্রবল বর্ষণে কোট্টায়াম, আলাপ্পুঝা, ইদুক্কি-সহ একাধিক জেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। রাজ্য সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টিজনিত ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৮ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। কেরলমের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর প্রশাসন নিবিড় নজর রাখছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মালাপ্পুরম জেলায় টানা বৃষ্টির জেরে চালিয়ার নদীর জলস্তর ক্রমশ বাড়ছে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নদী ও সংলগ্ন জলাশয়ে প্রবেশ না করার জন্যও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন উদ্ধারকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৫,৭৯২ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ২০৯টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টিতে ২৭টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ১৯৬টি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার। যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন এবং যাঁদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা নষ্ট হয়েছে, তাঁদের উপযুক্ত আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে প্রবল বর্ষণের কারণে মুঝিয়ার, কাল্লারকুট্টি, ইরাত্তায়ার, লোয়ার পেরিয়ার এবং পোরিঙ্গালকুথু বাঁধে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। জলাধারগুলির পরিস্থিতির ওপর প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান ভেঙে পড়ে ১৩ জনের মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক নাজকা (পেরু): দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান ভেঙে পড়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন দু’জন পাইলট এবং ১১ জন যাত্রী। শনিবার (স্থানীয় সময়) বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নাজকা লাইনস-এর উদ্দেশে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। পেরুর নাজকা প্রদেশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১১ জন পর্যটক এবং ২ জন পাইলট রয়েছেন। নাজকা শহরের কাছে ‘পুয়েবলো ভিয়েখো’ এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, বিমানটি পেরুর বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘এরোডায়না’-র ছিল। পিসকো বিমানবন্দর থেকে বিমানটি পর্যটকদের আকাশপথে নাজকা লাইনস ঘুরিয়ে দেখানোর উদ্দেশ্যে ওড়ে। কিন্তু কয়েক মিনিটের মাথায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়েই দ্রুত উদ্ধারকারী দল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও বিমানে থাকা কোনও আরোহীকেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি প্রশাসন।
ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত, আলোচনার অগ্রগতির কথা জানালেন ট্রাম্প
সকাল সকাল ডেস্ক ওয়াশিংটন : ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়ে সম্ভাব্য সামরিক হামলার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, ইরান ও পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল। তবে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতার খসড়া তৈরি হওয়ায় আপাতত হামলা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রস্তাবিত সমঝোতার অন্যতম লক্ষ্য হল দ্রুত হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে সম্ভাব্য নিরাপত্তা-ঝুঁকি দূর করা। ট্রাম্প আরও জানান, এই সিদ্ধান্তে ইজরায়েলও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেশ প্রস্তুত। কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থ, পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতা এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ইরানের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই তিনি হামলার পরিকল্পনা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে যদি খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হয়।
গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দূর না হলে তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস আরও শক্তিশালী হবে না: রাহুল
সকাল সকাল ডেস্ক, চেন্নাই : তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করতে হলে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দূর করাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার মহাবলীপুরমে তামিলনাড়ু পর্যটন দফতরের অতিথিশালায় আয়োজিত তামিলনাড়ু কংগ্রেসের জেলা সভাপতিদের প্রশিক্ষণ শিবিরের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি প্রস্তাবিত লোকসভা কেন্দ্র পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ শিবিরে জেলা সভাপতি এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সংগঠন সম্প্রসারণ, বুথস্তরে দলকে আরও শক্তিশালী করা, রাজনৈতিক কৌশল এবং আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। রাহুল গান্ধী বলেন, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস তুলনামূলকভাবে দুর্বল থাকার অন্যতম কারণ দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। বিভিন্ন গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে কাজ করার প্রবণতা সংগঠনের সামগ্রিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ব্যক্তিগত মতপার্থক্য ভুলে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কংগ্রেস তখনই শক্তিশালী হবে, যখন নেতা-কর্মীরা মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নেবেন। জেলা সভাপতিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের এলাকায় সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও দৃঢ় যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। জনস্বার্থের বিষয়গুলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জনই সংগঠনকে শক্তিশালী করার মূল চাবিকাঠি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধী প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন প্রসঙ্গেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, বর্তমান প্রস্তাব অনুযায়ী লোকসভা কেন্দ্র পুনর্বিন্যাস কার্যকর হলে তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তাঁর মতে, এটি শুধু রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের বিষয় নয়, বরং দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো, রাজ্যগুলির অধিকার এবং মানুষের সাংবিধানিক স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত। তিনি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও রাজ্যগুলিকে এই ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বর্তমান পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়াকে সমর্থনকারীদের সমালোচনা করে বলেন, এই ধরনের অবস্থান তামিলনাড়ুর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও স্বার্থকে দুর্বল করতে পারে। রাহুলের বক্তব্যে স্পষ্ট, সংগঠনের ভিত মজবুত করার পাশাপাশি সাংবিধানিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রশ্নেও কংগ্রেস আগামী দিনে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চায়।
কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতলেন প্রীতি
মহিলাদের ৫৪ কেজি বক্সিংয়ে ভারতের গৌরব সকাল সকাল ডেস্ক, গ্লাসগো : ২০২৬ কমনওয়েলথ গেমসে মহিলাদের ৫৪ কেজি বক্সিং বিভাগে স্বর্ণপদক জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন ভারতের প্রীতি। শনিবার অনুষ্ঠিত ফাইনালে বিশ্বের তিন নম্বর বক্সার প্রীতি কানাডার স্কারলেট সাভানা দেলগাদোকে একতরফা লড়াইয়ে সর্বসম্মত ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত করে শিরোপা নিজের নামে করেন। গ্লাসগোতে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন প্রীতি। সেমিফাইনালে বাই পাওয়ার পর তিনি জাম্বিয়ার ক্যাথরিন মওয়াপের বিরুদ্ধে রিংয়ে নামেন এবং সেখানেও প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগ না দিয়ে ৫-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেন। সেই লড়াইয়ে প্রীতির আক্রমণাত্মক বক্সিংয়ের সামনে ক্যাথরিনকে তিনবার স্ট্যান্ডিং কাউন্টের মুখে পড়তে হয়। সেমিফাইনালের সেই আত্মবিশ্বাস ফাইনালেও বজায় রাখেন ভারতীয় বক্সার। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করে কানাডার স্কারলেট সাভানা দেলগাদোর ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তিনি। নিখুঁত পাঞ্চ, দ্রুত গতি এবং রক্ষণভাগে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে প্রতিটি রাউন্ডেই আধিপত্য বিস্তার করেন প্রীতি। শেষ পর্যন্ত পাঁচ বিচারকই তাঁর পক্ষেই রায় দেন এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তিনি স্বর্ণপদক নিশ্চিত করেন। এই সাফল্যের মাধ্যমে কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক তালিকায় আরও একটি সোনা যোগ হলো। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের ধারাবাহিক সাফল্যের প্রমাণ দিয়ে প্রীতি ভবিষ্যতের বড় প্রতিযোগিতাগুলির জন্যও জোরালো বার্তা দিলেন।
নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৭,৯০০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক, বিজয়নগরম : অন্ধ্রপ্রদেশে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার বিজয়নগরম জেলার ভোগাপুরামে ‘আল্লুরি সীতারাম রাজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পাশাপাশি তিনি ১৭ হাজার ৯০০ কোটিরও বেশি টাকার একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এবং কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডু। বিমানবন্দরের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী নতুন টার্মিনাল ও অন্যান্য পরিকাঠামো পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরম্পরাগত ‘ধিমসা’ নৃত্য পরিবেশন করেন হাজার হাজার আদিবাসী শিল্পী। তাঁদের পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৩ হাজারেরও বেশি আদিবাসী মহিলার অংশগ্রহণ, নিষ্ঠা এবং নিজেদের সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উপস্থাপনা সত্যিই অনন্য। এই পরিবেশনা ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতিফলন এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আদিবাসী ঐতিহ্য সংরক্ষণের উজ্জ্বল উদাহরণ। উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে যে সব প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করা হয়েছে, তার মধ্যে বিমানবন্দর, সড়ক পরিকাঠামো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাঁর মতে, এই প্রকল্পগুলি অন্ধ্রপ্রদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তিনি আরও বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তিশালী পরিবহণ নেটওয়ার্ক এবং জ্বালানি পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজ্যের শিল্প, বাণিজ্য, পর্যটন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। এই উপলক্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে উন্নয়নের এই ধারা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।