Ketan Agarwal Murder Case: বিয়ের আগে প্রেমের টান, ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়
সকাল সকাল ডেস্ক Ketan Agarwal Murder Case তদন্তে উঠে আসছে নতুন তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ ঘিরে বাড়ছে রহস্য কেতন আগরওয়ালের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড়, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মহারাষ্ট্রের পুণেতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রথমে দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও, তদন্ত যত এগিয়েছে ততই স্পষ্ট হয়েছে যে Ketan Agarwal Murder Case অনেক বেশি জটিল এবং পরিকল্পিত অপরাধের দিকেই ইঙ্গিত করছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে আগামী নভেম্বরে সিয়া গোয়েলের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিয়ের প্রস্তুতির মাঝেই সিয়া ও চেতন চৌধুরীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই সম্পর্ক এবং আসন্ন বিয়েকে ঘিরে তৈরি হওয়া মানসিক ও সামাজিক চাপই Ketan Agarwal Murder Case-এর মূল কারণ হতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা। কীভাবে ঘটেছিল ঘটনা? গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ এলাকায় বেড়াতে যান কেতন আগরওয়াল। সেই সময় একটি উঁচু স্থান থেকে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথমদিকে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখা হচ্ছিল। স্থানীয় পুলিশও প্রাথমিকভাবে সেই দিকেই তদন্ত শুরু করেছিল। তবে ঘটনার পর বিভিন্ন সাক্ষ্যপ্রমাণ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অভিযুক্তদের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে পুলিশের সন্দেহ বাড়তে থাকে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে Ketan Agarwal Murder Case-এ সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীর নাম সামনে আসে। পরবর্তীতে পুলিশ দুইজনকেই গ্রেফতার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে, যা মামলার গতিপথ বদলে দিয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সম্পর্কের জটিলতা কি হত্যার কারণ? তদন্তকারীদের দাবি অনুযায়ী, সিয়া গোয়েল বিয়ে নিয়ে মানসিক দ্বন্দ্বে ভুগছিলেন। একদিকে পরিবারের সিদ্ধান্ত, অন্যদিকে চেতন চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক—এই দুইয়ের মধ্যে পড়ে তিনি চাপে ছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশের বক্তব্য, বিয়ে ভেঙে দেওয়ার বদলে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবি এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে দোষী বলা যায় না। আদালতের বিচার এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সত্য নির্ধারিত হবে। ডিজিটাল প্রমাণে জোর তদন্তকারীদের Ketan Agarwal Murder Case-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্ত। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন, কল রেকর্ড, চ্যাট হিস্ট্রি এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে সিয়া ও চেতনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তাঁদের ফোন থেকে মুছে ফেলা তথ্য পুনরুদ্ধারের জন্য সাইবার বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। পুলিশের আশা, ডিজিটাল প্রমাণ মামলার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কল ডিটেল রেকর্ড, লোকেশন ডেটা এবং অনলাইন যোগাযোগের তথ্যও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পরিবারের বক্তব্য ও আইনি অবস্থান ঘটনার পর সিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তাঁরা চেতন চৌধুরীর সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন না এবং সম্পর্কের বিষয়েও জানতেন না। অন্যদিকে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, তদন্তে উঠে আসা তথ্যের একতরফা ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে এবং আদালতেই প্রকৃত সত্য প্রকাশ পাবে। সিয়ার ভাই সাহিল গোয়েল জানিয়েছেন, একটি ক্রিকেট ম্যাচের সূত্রে সিয়া ও চেতনের পরিচয় হয়েছিল। সেই পরিচয় কীভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে পরিণত হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। সাধারণ মানুষের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ এই মামলা? এই ঘটনা শুধু একটি অপরাধমূলক তদন্ত নয়, বরং ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সামাজিক চাপ এবং ডিজিটাল প্রমাণের গুরুত্ব সম্পর্কেও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল যোগাযোগ অপরাধ তদন্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে Ketan Agarwal Murder Case ভবিষ্যতের তদন্ত পদ্ধতির ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। ডিজিটাল তথ্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মামলার পূর্ণ সত্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। আগামী দিনে এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বর্তমানে গোটা ঘটনার দিকে নজর রয়েছে মহারাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষেরও।
পুলিশ-অপরাধী এনকাউন্টারের পর্দাফাঁস, এক অভিযুক্ত গ্রেফতার
সিদগোড়া থানার অন্তর্গত বারিডিহ এলাকায় টাটা স্টিলের পরিত্যক্ত কে–২ কোয়ার্টারে সম্প্রতি সংঘটিত পুলিশ ও অপরাধীদের মধ্যে গুলির লড়াইয়ের ঘটনায় পুলিশ রহস্য উদঘাটন করেছে। পলাতক এক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আর আহত অপরাধী রবি মহানন্দ ওরফে গোপলার চিকিৎসা চলছে এমজিএম হাসপাতালে। পুলিশ দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে।
হাজারিবাগে ৯১ কেজি মাদক উদ্ধার
সকাল সকাল ডেস্ক। হাজারিবাগ ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে পুলিশের মাদক-বিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য । সোমবার রাতে রাঁচি-পাটনা জাতীয় সড়কের কাছে একটি গাড়ি থেকে মাদক বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।। গাড়ি থেকে ছয় বস্তা মাদক (ডোডা) বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , সোমবার রাতে নিয়মিত নাকাচেকিং চলাকালীন একটি গাড়ির চালক তল্লাশি হচ্ছে দেখে গাড়িটি ঘুরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মাঝ পথে গাড়ি থামিয়ে পালিয়ে যায় গাড়ির চালক। পুলিশ গাড়ি তল্লাশি করে প্রায় ৯১ কেজি ওজনের ছয় বস্তা মাদক (ডোডা) উদ্ধার করে। গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুত্রসন্তান না হওয়ায় মহিলাকে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে
সকাল সকাল ডেস্ক।গৌতম বুদ্ধ নগর : পুত্রসন্তান জন্ম না দেওয়ায় এক মহিলাকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে । মৃতার নাম রিতু। স্বামী সোনু মালিক সিআইএসএফ–এ কর্মরত। পুলিশ ইতিমধ্যেই স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত রিতুর ভাই অভিযোগ দায়ের করেছে। তার অভিযোগ, ২০১৪ সালে রিতুর বিয়ে হয় বাগপতের সোনু মালিকের সঙ্গে। রিতুর স্বামী ও শাশুড়ি পুত্রসন্তানের জন্য লাগাতার চাপ দিত। এমনকি দুইবার লিঙ্গ নির্ধারণ করিয়ে গর্ভপাত ঘটানো হয়। দুই কন্যাসন্তানের জন্মের পর থেকে রিতুকে নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন করা হতো। অভিযোগ, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রিতু ফোনে ভাইকে জানিয়েছিল যে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সকালে খবর আসে রিতু হাসপাতালে ভর্তি। পরে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। রিতুর ভাইয়ের অভিযোগ পুত্রসন্তান না হওয়ায় শাশুড়ি শকুন্তলা ও স্বামী সোনু মালিক তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করে বিষ খাইয়ে খুন করেছে। পুলিশ মামলা দায়ের করে দুজনকেই গ্রেফতার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
দিনহাটার সাহেবগঞ্জে একাধিক জায়গায় বোমাবাজির ঘটনায় চাঞ্চল্য
সকাল সকাল ডেস্ক।সাহেবগঞ্জ, ২৪ সেপ্টেম্বর: কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ এলাকার একাধিক জায়গায় বোমাবাজির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বুধবার সকালে এনিয়ে এলাকায় ব্যপক চাঞ্ল্য ছড়িয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের দিনহাটা-২ ব্লক সভাপতি তথা প্রাক্তন প্রধানের স্বামী মোজাফফর রহমান মিন্টুর বাড়িতে মঙ্গলবার রাত আড়াইটে নাগাদ বোমাবাজি হয়। পাশাপাশি সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সভাপতি তথা দিনহাটা-২ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সদস্য অতুলচন্দ্র সরকারের বাড়ির সামনে নতুনবাজার এলাকায় ও প্রাক্তন তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা ময়নাল হকের শ্বশুরবাড়ির সামনের রাস্তায় বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস । এদিকে এই ঘটনার পরে বুধবার সকালে সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানের বাড়িতে পৌঁছে যান দিনহাটা-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপককুমার ভট্টাচার্য। এদিন তিনি এই ঘটনায় সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিজেপি এধরনের বোমাবাজির ঘটনা ঘটিয়েছে। শান্ত সাহেবগঞ্জকে অশান্ত করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনকে ইতিমধ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা যাতে দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে সেই দাবি করেন তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
দিল্লির একাধিক স্কুলে বোমাতঙ্ক, নিশানা আম আদমি পার্টির
সকাল সকাল ডেস্ক।নয়াদিল্লি শনিবার সকালে বোমাতঙ্ক ছড়াল দিল্লির একাধিক স্কুলে। দিল্লির ডিপিএস দ্বারকা, কৃষ্ণ মডেল স্কুল, সর্বোদয় বিদ্যালয়ের মতো একাধিক স্কুলে বোমা হামলার হুমকি আসে। জানা যাচ্ছে, পুলিশের সঙ্গে স্কুলগুলিতে পৌঁছয় বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। নিরাপত্তার খাতিরে পড়ুয়াদের শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। চলে তল্লাশি। তবে এখনও কোনও বোমা উদ্ধারের খবর মেলেনি। দিল্লির এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিক জানান, ডিপিএস দ্বারকা, কৃষ্ণ মডেল পাবলিক স্কুল, সর্বোদয় বিদ্যালয় এবং আরও দুটি স্কুল শনিবার সকালে বোমা হামলার হুমকি পায়। দিল্লির দমকল বিভাগ সকাল সাড়ে ৬টায় নজফগড়ের একটি স্কুল থেকে প্রথম ফোন পায় এই বিষয়ে। দমকলের কাছে দ্বিতীয় ফোনও যায় সকাল ৬:৩০ মিনিটে। দমকল তৃতীয় ও চতুর্থ ফোন পায় সকাল ৭:৪৫ মিনিটে। খবর পেয়েই দিল্লি পুলিশ, দমকল বাহিনী, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, দিল্লির স্কুলগুলিতে বোমা হামলার হুমকি এই প্রথম নয়। এর আগেও বেশ কিছু স্কুলে এই ধরনের হুমকি পাওয়া গেছে। দিল্লি পুলিশের সাইবার সেল তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় দিল্লি সরকারকে নিশানা করেছে আম আদমি পার্টি। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লির স্কুলগুলিতে বোমা হামলার হুমকি আবারও পাওয়া গেছে। হাইকোর্টও এর আগে একই রকম হুমকি পেয়েছিল। দিল্লিতে এই ধরনের হুমকি ক্রমাগত দেওয়া হচ্ছে, যা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু বিজেপির দিল্লি পুলিশ এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলি মনে হচ্ছে উদ্বিগ্ন নয়। এই হুমকির পিছনে কারা আছে আজ পর্যন্ত তারা তা শনাক্ত করতে পারেনি।
শিলিগুড়িতে কাশির নিষিদ্ধ সিরাপ-সহ গ্রেফতার এক যুবক
সকাল সকাল ডেস্ক।শিলিগুড়ি, শিলিগুড়ির প্রধান নগর থানার পুলিশ বিপুল পরিমাণ কাশির নিষিদ্ধ সিরাপ সহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। ধৃত যুবকের নাম রাজা কামতি। সে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার বালাসন কলোনির বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে প্রধান নগর থানার পুলিশ খবর পায় যে শিলিগুড়ি জংশন এনবিএসটিসি তেনজিং নরওয়ে বাস স্ট্যান্ডের কাছে এক যুবক সন্দেহজনকভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার কাছে একটি ব্যাগও ছিল। খবর পেয়ে অফিসার বাসুদেব সরকারের নেতৃত্বে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ওই যুবককে আটক করা হয়। যুবকের ব্যাগ তল্লাশি করে প্রচুর পরিমাণে কাশির নিষিদ্ধ সিরাপের বোতল পাওয়া যায়। এনডিপিএস আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ এখন তদন্ত করছে যে যুবকটি নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের বোতলগুলি কোথা থেকে পেয়েছে এবং কাদের কাছে বিক্রি করতে যাচ্ছিল। প্রধান নগর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
জম্মুতে অবৈধ খননের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, বাজেয়াপ্ত চার ট্র্যাক্টর-ট্রলি
সকাল সকাল ডেস্ক। জম্মু ; জম্মু জেলায় অবৈধ খননের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযানে নেমে পুলিশ চারটি ট্র্যাক্টর-ট্রলি বাজেয়াপ্ত করেছে। অনুমতি ছাড়া খনিজ উত্তোলন ও পরিবহণের কাজে এগুলি ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার পুলিশ জানায়, পিপি জৌরিয়া এলাকায় এই ট্র্যাক্টর-ট্রলিগুলি অবৈধ খননের সময় ধরা পড়ে। পরে জেলা খনন আধিকারিককে খবর দেওয়া হয় এবং তিনি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। জম্মু পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধ খননের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে।
শতাব্দী প্রাচীন আগ্নেয়াস্ত্রের দোকানের তিন মালিক গ্রেফতার করল এসটিএফ
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৫ সেপ্টেম্বর, : রহড়ার ফ্ল্যাটে বিপুল কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে নেমে বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন শহরের শতাব্দী প্রাচীন দোকানের তিন মালিক। গত ৪ জুলাই রহড়ার রিজেন্ট পার্কের একটি আবাসনে অভিযান চালিয়ে ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৯০৪ রাউন্ড গুলি এবং কয়েক লক্ষ টাকা উদ্ধার করে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতর। ওই আবাসন থেকেই লিটন মুখোপাধ্যায় নামে এক অস্ত্র কারবারিকে ধরা হয়। পরে তাকে জেরা করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থেকে কংস প্রামাণিক নামে আরও এক অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্তভার ব্যারাকপুর কমিশনারেটের হাত থেকে তুলে দেওয়া হল রাজ্য পুলিশের এসটিএফের হাতে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফের একটি দল। সঙ্গে দোকান বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র। দোনলা ও একনলা বন্দুক মিলিয়ে মোট একচল্লিশটি বন্দুক উদ্ধার করে পুলিশ। কলকাতার ডালহৌসির দোকানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার ইংরেজি শিক্ষক
সকাল সকাল ডেস্ক। পূর্ব মেদিনীপুর, ৫ সেপ্টেম্বর, : ক্লাসেই ছাত্রীদের বেধড়ক মারের অভিযোগ ইংরেজির শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অবশেষে শুক্রবার পুলিশ গ্রেফতার করল অভিযুক্ত শিক্ষককে। অসুস্থ হয়ে বহু ছাত্রী ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এগরায়। ক্ষোভে অভিযুক্ত স্যর-সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষককে তালাবন্দি করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার অস্তিচক সুরেন্দ্র যোগেন্দ্র বিদ্যাপীঠে। ওই স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক বিপ্লব পণ্ডা। সূত্রের খবর, অন্যান্যদিনের মতোই বৃহ্স্পতিবার স্কুলে গিয়েছিল পড়ুয়ারা। দুপুরের দিকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস নিতে যান বিপ্লব। অভিযোগ, সেখানেই ছাত্রীদের বেধড়ক মারধর করেন তিনি। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকে। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। যদিও এই মারধরের কারণ স্পষ্ট নয়। বিষয়টা অভিভাবকরা জানামাত্রই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। অভিভাবক ও স্থানীয়রা হাজির হন স্কুলে। বিপ্লব-সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্কুলে তালাবন্দি করে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এগরা থানার পুলিশ। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। শুক্রবার শিক্ষকদিবসে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত বিপ্লবকে। অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা।