সর্বেশ কুশারে হাই জাম্প রৌপ্য জিতেছে; তেজস্বিন শঙ্কর, তেজস শিরসের জন্য হতাশা
গ্লাসগো: সোমবার গ্লাসগোর স্কটস্টাউন স্টেডিয়ামে কমনওয়েলথ গেমসের পুরুষদের হাই জাম্প ফাইনালে ভারতের সর্বেশ কুশারের প্রতিটি প্রচেষ্টায় , স্বল্পসংখ্যক দর্শক উষ্ণ করতালিতে উৎসাহিত হচ্ছিলেন। কিন্তু জ্যামাইকার রোমেইন বেকফোর্ডও তাঁর শেষ চেষ্টায় ওই উচ্চতায় ব্যর্থ হওয়ার পর, যখন ভারতীয় এই খেলোয়াড় স্বর্ণপদকের প্রত্যাশায় ২.২৮ মিটার উচ্চতায় তাঁর তৃতীয় ও শেষ প্রচেষ্টার জন্য এগিয়ে এলেন, তখন স্টেডিয়ামে এক নিস্তব্ধতা নেমে আসে। এটা স্পষ্ট ছিল যে দর্শকরা ৩১ বছর বয়সী এই ভারতীয়কেই জয়ী হিসেবে দেখতে চাইছিলেন।
বিয়ের আগে সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করতে পারে ৩-৩-৩ ডেটিং রুল
সকাল সকাল ডেস্ক বিয়ে শুধু দুজন মানুষের একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নয়। এর সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, দায়িত্ব, পরিবার, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িয়ে থাকে। তাই শুধু আবেগ বা প্রাথমিক ভালো লাগার ওপর নির্ভর না করে, সময় নিয়ে সঙ্গীকে বোঝার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সম্পর্ককে ধাপে ধাপে মূল্যায়নের এমনই একটি পদ্ধতি হলো ৩-৩-৩ ডেটিং রুল। ৩-৩-৩ ডেটিং রুল কী? এই নিয়মে সম্পর্কের তিনটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে নিজের অনুভূতি ও সঙ্গীর আচরণ মূল্যায়ন করার কথা বলা হয়। প্রথম মূল্যায়ন করা হয় তিনটি ডেটের পর, দ্বিতীয়টি তিন সপ্তাহ পর এবং তৃতীয়টি তিন মাস পর। এই সময়গুলোতে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া কতটা তৈরি হয়েছে, মতের মিল-অমিল কীভাবে সামলানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথ চলা সম্ভব কি না—এসব বিষয় ভেবে দেখা যায়। তিনটি ডেটের পর কী বুঝবেন? প্রথম কয়েকটি সাক্ষাতে কাউকে ভালো লেগে যেতেই পারে। তবে অল্প সময়ে একজন মানুষের প্রকৃত স্বভাব পুরোপুরি বোঝা কঠিন। তিনটি ডেটের পর সাধারণত কথাবার্তা ও আচরণে কিছুটা স্বাভাবিকতা আসে। এই পর্যায়ে খেয়াল করুন, সঙ্গী আপনার কথা মন দিয়ে শোনেন কি না, সম্মানজনক আচরণ করেন কি না এবং তার সঙ্গে সময় কাটাতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন কি না। দুজনের আগ্রহ ও কথাবার্তার মধ্যে স্বাভাবিক সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই পর্যায়টি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নয়। বরং সম্পর্কটি আরও এগিয়ে নেওয়া উচিত কি না, তা বোঝার সুযোগ। তিন সপ্তাহ পর যেসব বিষয় দেখবেন তিন সপ্তাহের মধ্যে একে অপরকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দেখার সুযোগ তৈরি হতে পারে। শুধু সাজানো ডেট নয়, কাজের চাপ, ব্যস্ততা কিংবা ছোটখাটো সমস্যার সময় মানুষটির আচরণ কেমন, সেটিও ধীরে ধীরে বোঝা যায়। এ সময় লক্ষ্য করুন, তিনি কথা ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন কি না। মতের অমিল হলে শান্তভাবে আলোচনা করেন, নাকি এড়িয়ে যান বা অসম্মানজনক আচরণ করেন। পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী কিংবা পরিষেবা প্রদানকারী মানুষের সঙ্গে তার ব্যবহার কেমন, সেটিও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়। ভবিষ্যৎ, বিয়ে, পরিবার, অর্থনৈতিক দায়িত্ব কিংবা কর্মজীবন নিয়ে দুজনের চিন্তাভাবনার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে কি না, তা নিয়েও কথা বলা যেতে পারে। তিন মাস পর সম্পর্কের বাস্তব চিত্র সম্পর্কের শুরুতে আবেগ ও আকর্ষণ অনেক বেশি থাকে। সময়ের সঙ্গে সেই উত্তেজনা কিছুটা স্বাভাবিক হলে দুজনের প্রকৃত অভ্যাস, মূল্যবোধ ও জীবনযাপন আরও পরিষ্কারভাবে সামনে আসে। তিন মাস পর ভাবুন, সঙ্গীর সঙ্গে থাকলে আপনি মানসিকভাবে নিরাপদ ও শান্ত বোধ করেন কি না। সমস্যা দেখা দিলে দুজন মিলে সমাধান করতে পারেন কি না এবং একে অপরের ব্যক্তিগত সীমারেখাকে সম্মান করা হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। জীবনের লক্ষ্য, পরিবার, অর্থব্যবস্থা, সন্তান, কর্মজীবন ও বসবাসের পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুজনের মতামত কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটিও এই পর্যায়ে আলোচনা করা যেতে পারে। অস্বস্তি বা সন্দেহ উপেক্ষা নয় সম্পর্কে সামান্য মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তবে একই বিষয়ে বারবার অস্বস্তি, ভয়, অবিশ্বাস বা অসম্মানজনক আচরণ দেখা দিলে সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। শুধু সময়ের সঙ্গে সব সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে—এমন ধারণার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। অস্বস্তির বিষয়গুলো খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে। কথা বলার পরও যদি সমস্যার ধরন বদল না হয়, তাহলে সম্পর্কটি নিয়ে নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। সঙ্গীকে পরীক্ষা নেওয়া উদ্দেশ্য নয় ৩-৩-৩ নিয়মের উদ্দেশ্য সঙ্গীকে পরীক্ষার মুখে ফেলা বা প্রতিটি আচরণের নম্বর দেওয়া নয়। এটি মূলত নিজের অনুভূতি, প্রত্যাশা ও সম্পর্কের বাস্তব অবস্থা বোঝার একটি নির্দেশিকা। এ পদ্ধতিতে দুজনই খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন—সম্পর্কটি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, ভবিষ্যতে কী চান এবং কোন জায়গায় আরও বোঝাপড়া প্রয়োজন। কঠোর নিয়ম নয়, কেবল নির্দেশনা প্রতিটি সম্পর্কের গতি আলাদা। কেউ তিন মাসে অনেকটাই কাছাকাছি আসতে পারেন, আবার কারও ক্ষেত্রে একজনকে বুঝতে আরও বেশি সময় লাগতে পারে। তাই ৩-৩-৩ পদ্ধতিকে কঠোর নিয়ম হিসেবে না দেখে একটি সাধারণ নির্দেশনা হিসেবে নেওয়াই ভালো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পারস্পরিক সম্মান, সততা, বিশ্বাস, মানসিক নিরাপত্তা এবং সুস্থ যোগাযোগ। বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে শুধু ভালোবাসা নয়, সঙ্গীর মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ ও আচরণও বিবেচনায় রাখা জরুরি। সময় নিয়ে সম্পর্ক বোঝা কখনোই সময় নষ্ট নয়। বরং তাড়াহুড়ো করে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে ধীরে, সচেতনভাবে এবং বাস্তবতা যাচাই করে এগোনো অনেক বেশি নিরাপদ।
ত্রিদেশীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
নয়াদিল্লি: ত্রিদেশীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। মলদোভা, উত্তর মেসিডোনিয়া ও রোমানিয়া সফর শেষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রবিবার ভোররাতে নতুন দিল্লিতে এসে পৌঁছন। ত্রিদেশীয় এই সফরে মলদোভা, উত্তর মেসিডোনিয়া ও রোমানিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, পর্যটন এবং মূল অর্থনৈতিক সেক্টরগুলিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
অজান্তেই ত্বকের ক্ষতি করছেন? দৈনন্দিন ৬ অভ্যাসেই বাড়ছে ব্রণ ও বলিরেখার ঝুঁকি
সকাল সকাল ডেস্ক নিয়মিত স্কিনকেয়ার করেও যদি কাঙ্ক্ষিত ফল না মেলে, তাহলে শুধু প্রসাধনী নয়, নজর দিতে হবে দৈনন্দিন অভ্যাসের দিকেও। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট ছোট কিছু ভুল অভ্যাসই ত্বকের সুরক্ষা স্তর দুর্বল করে, ব্রণ বাড়ায় এবং অকালেই বলিরেখার ঝুঁকি তৈরি করে। ১. নোংরা বালিশের ওয়ার ব্যবহার প্রতিদিন বালিশের ওয়ারে তেল, ঘাম, ধুলো ও ব্যাকটেরিয়া জমে। দীর্ঘ সময় সেই কাপড়ের সংস্পর্শে থাকলে ত্বকে ব্রণ, জ্বালাভাব ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সপ্তাহে অন্তত এক থেকে দুইবার বালিশের ওয়ার পরিবর্তন করা উচিত। ২. বারবার মুখে হাত দেওয়া অজান্তেই অনেকেই বারবার মুখে হাত দেন বা ব্রণ খোঁচান। এতে হাতের জীবাণু ও ময়লা সরাসরি ত্বকের রোমকূপে পৌঁছে প্রদাহ, ব্রণ এবং কালো দাগের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। ৩. অতিরিক্ত স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েশন উজ্জ্বল ত্বকের আশায় ঘন ঘন স্ক্রাব বা অ্যাসিডভিত্তিক এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করলে ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর নষ্ট হতে পারে। এর ফলে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে পড়ে, লালচে ভাব ও ব্রণের প্রবণতা বেড়ে যায়। ৪. প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মুখ ধোয়া দিনে বারবার মুখ ধুলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমে যায়। এর প্রতিক্রিয়ায় ত্বক আরও বেশি তেল উৎপাদন করতে শুরু করে, যা শুষ্কতা ও ব্রণের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ৫. অতিরিক্ত চিনি খাওয়া খাদ্যাভ্যাসও ত্বকের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত চিনি শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে এবং কোলাজেনের ক্ষয় ত্বরান্বিত করে। ফলে ত্বক দ্রুত নিস্তেজ হয়ে যায় এবং বয়সের ছাপ আগেভাগেই দেখা দিতে পারে। ৬. ঘরেও সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা অনেকেই মনে করেন, ঘরের ভিতরে থাকলে সানস্ক্রিনের প্রয়োজন নেই। কিন্তু জানালার কাচ ভেদ করে অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে পিগমেন্টেশন, ট্যান এবং অকাল বার্ধক্যের ঝুঁকি বাড়ে। সুস্থ ত্বকের জন্য কী করবেন? চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালো ত্বক পেতে শুধু দামি প্রসাধনী ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, প্রয়োজন অনুযায়ী ত্বকের যত্ন নেওয়া এবং প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করার মতো ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে ত্বককে সুস্থ, পরিষ্কার ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
ঝাল খেলেই হেঁচকি? কেন হয়, আর কীভাবে মিলবে দ্রুত স্বস্তি
সকাল সকাল ডেস্ক ঝাল বা অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলেই অনেকের হেঁচকি শুরু হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, দ্রুত খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা খাবার, এমনকি দীর্ঘক্ষণ হাসা বা কান্নার পরও হেঁচকি উঠতে পারে। সাধারণত জল খেলেই অনেকে স্বস্তি পান, তবে সবসময় তা কার্যকর হয় না। চিকিৎসকদের মতে, হেঁচকির আসল কারণ জানা থাকলে তা থামানোও সহজ হয়। কেন ওঠে হেঁচকি? বিশেষজ্ঞদের মতে, হেঁচকি মূলত ডায়াফ্রামের আকস্মিক ও বারবার সংকোচনের ফল। ডায়াফ্রাম হলো বুক ও পেটের মাঝখানে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশি, যা শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে। এই পেশি হঠাৎ সংকুচিত হলে ফুসফুসে দ্রুত বাতাস ঢোকে। একই সময়ে স্বরযন্ত্রের গ্লটিস অংশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাতাসের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ‘হিক’ শব্দের সৃষ্টি হয়। হেঁচকির সাধারণ কারণ হেঁচকি ওঠার পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। যেমন— কীভাবে থামাবেন হেঁচকি? চিকিৎসকদের মতে, ‘টাং পুল মেথড’ অনেকের ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। এই পদ্ধতিতে মুখ যতটা সম্ভব বড় করে খুলে জিভ বাইরে বের করে ৩ থেকে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখতে হয়। প্রয়োজনে হাত দিয়ে জিভ আলতোভাবে ধরে রাখা যেতে পারে। এভাবে ১০ থেকে ১৫ বার করলে ডায়াফ্রামের সংকোচন কমতে পারে। কিছু ঘরোয়া উপায় হেঁচকি কমাতে কয়েকটি সহজ উপায়ও কাজে লাগতে পারে— কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন? সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে হেঁচকি নিজে থেকেই থেমে যায়। তবে যদি হেঁচকি ৪৮ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, বারবার ফিরে আসে বা খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমের সমস্যা তৈরি করে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই প্রতিবেদনটি চাইলে আরও এসইও-ফ্রেন্ডলি, গুগল ডিসকভার উপযোগী বা প্রিন্ট মিডিয়া স্টাইলেও সাজিয়ে দিতে পারি।
ফ্রান্স-স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হলো ২ লাখ ২৫ হাজার মানুষ
সকাল সকাল ডেস্ক প্যারিস/মাদ্রিদ: ফ্রান্স ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় দুই দেশ মিলিয়ে অন্তত ২ লাখ ২৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের আশপাশে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দাবানল মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে অতিরিক্ত সহায়তা চেয়েছে ফ্রান্স। স্থানীয় প্রশাসনের আশঙ্কা, আগুন দ্রুত বোর্দো শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বোর্দোর দক্ষিণে আটলান্টিক উপকূলের পর্যটনকেন্দ্র ক্যাপ ফেরে উপদ্বীপ থেকে ইতিমধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নতুন করে আরও প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দাকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগুনের কারণে উপদ্বীপে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটিও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যে সেখানে ৫০টিরও বেশি বাড়ি পুড়ে গেছে। ফরাসি ও স্প্যানিশ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্স থেকে প্রায় ২ লাখ এবং স্পেনের মাদ্রিদ অঞ্চল থেকে আরও ২৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এক হাজার ২০০-র বেশি প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্পেন সরকার জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ধোঁয়ার ঝুঁকির কারণে প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবল বাতাস, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহের কারণে আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্রান্স ও স্পেন—উভয় দেশই ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে অতিরিক্ত অগ্নিনির্বাপণ সহায়তা চেয়েছে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ বলেন, দেশটি এত বড় দাবানল আগে দেখেনি এবং বোর্দোকে রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, মাদ্রিদের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান কার্লোস নোভিয়ো জানান, রাজধানীর উপকণ্ঠে জ্বলতে থাকা দাবানল এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। তাঁর কথায়, আগুনের তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে পরিস্থিতি। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু জরুরি বৈঠক ডেকে আরও এক হাজার সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আগুনে প্রায় ২২ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। ধোঁয়ার প্রভাব থেকে উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয়দের সুরক্ষায় জিরন্দ অঞ্চলে ১৫ লাখ মাস্ক পাঠানো হচ্ছে। দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে ক্যাপ ফেরে এলাকায় প্রায় ৪০ জন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন। এ সপ্তাহে ফ্রান্স ও ইতালিতে দাবানল নেভানোর সময় তিনজন দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মাদ্রিদের পশ্চিমে জ্বলতে থাকা তিনটি বড় দাবানলের মধ্যে দুটি একত্রিত হয়ে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আগুন রাজধানী থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের নাভাস দেল রে শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে স্পেনের সবচেয়ে বড় দাবানলটি গুয়াদালাহারা প্রদেশে জ্বলছে, যেখানে প্রায় ৩২ হাজার হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেছে। ফ্রান্সে ক্যাপ ফেরে ও বিসকারোস অঞ্চলে দাবানলে এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৫০০ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়েছে। মাদ্রিদ অঞ্চলেও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর ভূমি। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘস্থায়ী খরা ও একের পর এক তাপপ্রবাহ ইউরোপে দাবানলের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন-এর সাম্প্রতিক গবেষণাতেও একই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ইতালির সিসিলি দ্বীপেও একাধিক দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে এবং ফ্রান্সে আগুন নিয়ন্ত্রণে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন দমকলকর্মী।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় উল্লসিত সিজেপি, দুই দাবিতে এখনও অনড়
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের মধ্যেই ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আর ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিতেই আনন্দে উল্লসিত সিজেপি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। আর এই পদত্যাগই প্রমাণ করে, আপনারা যদি ভীত না হন এবং এই সরকারের কাছে মাথা নত না করেন, তবে আমরা যে কারোর কাছ থেকেই পদত্যাগ আদায় করে নিতে পারি।”
সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীকে কোন কথাগুলো না বলাই ভালো? বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
সকাল সকাল ডেস্ক প্রাক্তন সম্পর্ক, অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য ও নেতিবাচক মন্তব্য— কিছু বিষয় অযথা আলোচনা করলে সম্পর্কে বাড়তে পারে দূরত্ব, জানালেন বিশেষজ্ঞরা একটি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিশ্বাস, সম্মান, বোঝাপড়া এবং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে। সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা অবশ্যই জরুরি, তবে তার অর্থ এই নয় যে জীবনের প্রতিটি তথ্য বা প্রতিটি ভাবনা সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে নিতেই হবে। সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীকে কোন কথাগুলো না বলাই ভালো— তা জানা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোন বিষয় ব্যক্তিগত রাখবেন, সেই সচেতনতাও সমান প্রয়োজন। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় কিছু আলোচনা ভুল বোঝাবুঝি, মানসিক অস্বস্তি এবং সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রাক্তন সম্পর্ক নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা না করাই ভালো অনেকেই বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে নিজের আগের সম্পর্কের নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তবে প্রাক্তন সঙ্গীকে নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা, তাঁর সঙ্গে বর্তমান সঙ্গীর তুলনা করা বা পুরোনো স্মৃতি বারবার তুলে আনা সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সঙ্গীর মনে অস্বস্তি, ঈর্ষা কিংবা নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া ভালো, কিন্তু সেই অতীতকে বর্তমান সম্পর্কের মধ্যে টেনে আনা উচিত নয়। বর্তমান সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অন্যের ব্যক্তিগত গোপন তথ্য প্রকাশ করবেন না বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত কেউ যদি আপনাকে বিশ্বাস করে ব্যক্তিগত কোনো বিষয় জানিয়ে থাকেন, তাহলে সেই বিশ্বাস রক্ষা করা আপনার দায়িত্ব। শুধুমাত্র সঙ্গী বলে অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা ঠিক নয়। এতে অন্য মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয় ভাগ করে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নাও করতে পারেন। একটি সুস্থ সম্পর্ক মানে শুধু একে অপরকে ভালোবাসা নয়, অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতিও সম্মান দেখানো। পরিবার বা বন্ধুদের নেতিবাচক মন্তব্য হুবহু বলবেন না অনেক সময় পরিবার বা বন্ধু আপনার সঙ্গী সম্পর্কে নেতিবাচক মতামত প্রকাশ করতে পারেন। সেই মন্তব্য হুবহু সঙ্গীকে জানিয়ে দিলে অকারণে সম্পর্কের মধ্যে অশান্তি তৈরি হতে পারে। যদি কোনো বিষয় সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ হয় এবং সম্পর্কের উন্নতির জন্য আলোচনা প্রয়োজন হয়, তাহলে তা শান্তভাবে, সম্মানজনক ভাষায় এবং সমাধানের উদ্দেশ্যে বলা উচিত। কিন্তু শুধুমাত্র কষ্ট দেওয়ার মতো মন্তব্য পৌঁছে দেওয়া সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্যক্তিগত গোপনীয়তার গুরুত্বকে সম্মান করুন অনেকের ধারণা, ভালোবাসা মানেই সব তথ্য, সব পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত হিসাব একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুস্থ সম্পর্কে ব্যক্তিগত গোপনীয়তারও একটি স্বাভাবিক সীমা থাকে। পারস্পরিক সম্মতি ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে তথ্য ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। তবে ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখা কখনোই সম্পর্কের প্রতি অবিশ্বাসের লক্ষণ নয়। বরং একে অপরের স্বাধীনতাকে সম্মান করা সম্পর্ককে আরও পরিণত করে তোলে। পটভূমি বর্তমান সময়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, দ্রুত যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সহজে ভাগ করে নেওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। এর ফলে অনেক সময় আবেগের বশে এমন কিছু কথা বলা হয়ে যায়, যা পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির কারণ হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা সম্পর্কে সংযত ও সচেতন যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুন্দর সম্পর্কের ভিত্তি হলো সততা, পারস্পরিক সম্মান এবং সংবেদনশীলতা। সব বিষয় খোলাখুলি বলার চেয়ে কোন বিষয় কীভাবে বলা উচিত, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় তুলনা, অন্যের গোপন তথ্য প্রকাশ বা কষ্টদায়ক মন্তব্য এড়িয়ে চললে সম্পর্ক আরও সুস্থ ও স্থায়ী হতে পারে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে কোনো বিষয় নিয়ে সমস্যা হলে তা শান্তভাবে আলোচনা করুন। আবেগের বশে এমন কথা বলবেন না, যা সঙ্গীর মনে আঘাত করতে পারে। একে অপরের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করুন এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, সব কথা বলাই প্রয়োজনীয় নয়; বরং সঠিক সময়ে সঠিক কথা বলাই একটি সুখী ও সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম চাবিকাঠি।
ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখেন? এই অভ্যাস ডেকে আনতে পারে একাধিক শারীরিক ও মানসিক সমস্যা
সকাল সকাল ডেস্ক ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস বাড়াতে পারে মানসিক চাপ, চোখের ক্লান্তি ও মনোযোগের ঘাটতি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখেন ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নেওয়া এখন বহু মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাস। চোখ খুলেই বার্তা দেখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো কিংবা খবর পড়া—এসব যেন দিনের শুরুতেই নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম ভাঙার পরপরই মোবাইল ব্যবহার করলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, মানসিক চাপ বাড়ে এবং দিনের শুরুতেই ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। কেন ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহার ক্ষতিকর? ঘুমের সময় শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কও বিশ্রাম নেয়। ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হওয়ার একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু সেই সময়ই যদি মোবাইলে অসংখ্য বার্তা, ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন তথ্য দেখতে শুরু করা হয়, তাহলে মস্তিষ্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। এর ফলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে এবং দিনের শুরুতেই মানসিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বেড়ে যেতে পারে সকালে ঘুম ভাঙার সময় শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বেশি থাকে। এই সময় নেতিবাচক খবর, কাজের বার্তা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা বিষয় দেখলে উদ্বেগ আরও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতেই মানসিক চাপ তৈরি হলে তা সারাদিনের আচরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং কাজের আগ্রহের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সকালটা যতটা সম্ভব শান্তভাবে শুরু করাই ভালো। চোখের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলের উজ্জ্বল পর্দার দিকে তাকালে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। পর্দা থেকে নির্গত নীল আলো চোখের শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস চলতে থাকলে চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং দৃষ্টিশক্তি-সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। চোখের সুরক্ষার জন্য ঘুম থেকে ওঠার পর কিছুক্ষণ প্রাকৃতিক আলোতে থাকা এবং সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে দিনের শুরুতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটালে নিজের কাজের পরিকল্পনা থেকে মন সরে যেতে পারে। অন্যের নানা পোস্ট বা খবরের কারণে অপ্রয়োজনীয় চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে। এর প্রভাব পড়ে কাজের গতি, মনোযোগ এবং উৎপাদনশীলতার ওপর। যাঁরা নিয়মিত সকালে মোবাইল ব্যবহার করেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই দিনের শুরুতেই মানসিকভাবে ক্লান্ত বোধ করেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। শরীরের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব মোবাইলের নীল আলো ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী মেলাটোনিন হরমোনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও রাতে মোবাইল ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর, তবুও সকালে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ব্যবহার করাও শরীরের স্বাভাবিক জৈব ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এর ফলে অস্থিরতা, মানসিক ক্লান্তি এবং সারাদিন অবসাদ অনুভূত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে। কাজ, পড়াশোনা, কেনাকাটা, বিনোদন এবং যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রেই মোবাইলের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ঘুম থেকে উঠেই ফোন দেখার অভ্যাসও দ্রুত বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই অভ্যাস থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা মোবাইল ব্যবহার না করাই ভালো। এই সময় এক গ্লাস জল পান, হালকা শরীরচর্চা, ধ্যান, প্রার্থনা, বই পড়া অথবা খোলা বাতাসে কিছুক্ষণ হাঁটার অভ্যাস করলে শরীর ও মন সতেজ থাকে। এতে দিনের শুরু ইতিবাচক হয় এবং কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহারের বদলে নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ধীরে ধীরে এই পরিবর্তন আনতে পারলে মানসিক চাপ কমবে, মনোযোগ বাড়বে এবং দৈনন্দিন কাজেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে দীর্ঘদিন ধরে অনিদ্রা, অতিরিক্ত উদ্বেগ বা চোখের গুরুতর সমস্যা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শ্রাবণের প্রথম সোমবারেই ভক্তদের ঢল তারকেশ্বরে
হুগলি: শ্রাবণের প্রথম সোমবার। আর সেই শুভ তিথিতেই কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হল শৈবতীর্থ তারকেশ্বর। এদিন ভোর রাত থেকেই লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর ঢল নামে বাবা তারকনাথের দরবারে। শেওড়াফুলির নিমাই তীর্থ ঘাট থেকে বাঁক কাঁধে গঙ্গাজল নিয়ে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ হেঁটে শিবের জয়গান করতে করতে তারকেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেন ভক্তরা। প্রথম সোমবারকে ঘিরে গোটা তারকেশ্বর জুড়ে ছিল ভক্তি, আবেগ এবং উৎসবের এক অনন্য পরিবেশ।