ঝাল খেলেই হেঁচকি? কেন হয়, আর কীভাবে মিলবে দ্রুত স্বস্তি
সকাল সকাল ডেস্ক ঝাল বা অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলেই অনেকের হেঁচকি শুরু হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, দ্রুত খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা খাবার, এমনকি দীর্ঘক্ষণ হাসা বা কান্নার পরও হেঁচকি উঠতে পারে। সাধারণত জল খেলেই অনেকে স্বস্তি পান, তবে সবসময় তা কার্যকর হয় না। চিকিৎসকদের মতে, হেঁচকির আসল কারণ জানা থাকলে তা থামানোও সহজ হয়। কেন ওঠে হেঁচকি? বিশেষজ্ঞদের মতে, হেঁচকি মূলত ডায়াফ্রামের আকস্মিক ও বারবার সংকোচনের ফল। ডায়াফ্রাম হলো বুক ও পেটের মাঝখানে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশি, যা শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে। এই পেশি হঠাৎ সংকুচিত হলে ফুসফুসে দ্রুত বাতাস ঢোকে। একই সময়ে স্বরযন্ত্রের গ্লটিস অংশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাতাসের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ‘হিক’ শব্দের সৃষ্টি হয়। হেঁচকির সাধারণ কারণ হেঁচকি ওঠার পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। যেমন— কীভাবে থামাবেন হেঁচকি? চিকিৎসকদের মতে, ‘টাং পুল মেথড’ অনেকের ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। এই পদ্ধতিতে মুখ যতটা সম্ভব বড় করে খুলে জিভ বাইরে বের করে ৩ থেকে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখতে হয়। প্রয়োজনে হাত দিয়ে জিভ আলতোভাবে ধরে রাখা যেতে পারে। এভাবে ১০ থেকে ১৫ বার করলে ডায়াফ্রামের সংকোচন কমতে পারে। কিছু ঘরোয়া উপায় হেঁচকি কমাতে কয়েকটি সহজ উপায়ও কাজে লাগতে পারে— কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন? সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে হেঁচকি নিজে থেকেই থেমে যায়। তবে যদি হেঁচকি ৪৮ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, বারবার ফিরে আসে বা খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমের সমস্যা তৈরি করে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই প্রতিবেদনটি চাইলে আরও এসইও-ফ্রেন্ডলি, গুগল ডিসকভার উপযোগী বা প্রিন্ট মিডিয়া স্টাইলেও সাজিয়ে দিতে পারি।
ফ্রান্স-স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হলো ২ লাখ ২৫ হাজার মানুষ
সকাল সকাল ডেস্ক প্যারিস/মাদ্রিদ: ফ্রান্স ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় দুই দেশ মিলিয়ে অন্তত ২ লাখ ২৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের আশপাশে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দাবানল মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে অতিরিক্ত সহায়তা চেয়েছে ফ্রান্স। স্থানীয় প্রশাসনের আশঙ্কা, আগুন দ্রুত বোর্দো শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বোর্দোর দক্ষিণে আটলান্টিক উপকূলের পর্যটনকেন্দ্র ক্যাপ ফেরে উপদ্বীপ থেকে ইতিমধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নতুন করে আরও প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দাকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগুনের কারণে উপদ্বীপে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটিও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যে সেখানে ৫০টিরও বেশি বাড়ি পুড়ে গেছে। ফরাসি ও স্প্যানিশ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্স থেকে প্রায় ২ লাখ এবং স্পেনের মাদ্রিদ অঞ্চল থেকে আরও ২৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এক হাজার ২০০-র বেশি প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্পেন সরকার জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ধোঁয়ার ঝুঁকির কারণে প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবল বাতাস, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহের কারণে আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্রান্স ও স্পেন—উভয় দেশই ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে অতিরিক্ত অগ্নিনির্বাপণ সহায়তা চেয়েছে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ বলেন, দেশটি এত বড় দাবানল আগে দেখেনি এবং বোর্দোকে রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, মাদ্রিদের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান কার্লোস নোভিয়ো জানান, রাজধানীর উপকণ্ঠে জ্বলতে থাকা দাবানল এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। তাঁর কথায়, আগুনের তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে পরিস্থিতি। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু জরুরি বৈঠক ডেকে আরও এক হাজার সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আগুনে প্রায় ২২ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। ধোঁয়ার প্রভাব থেকে উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয়দের সুরক্ষায় জিরন্দ অঞ্চলে ১৫ লাখ মাস্ক পাঠানো হচ্ছে। দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে ক্যাপ ফেরে এলাকায় প্রায় ৪০ জন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন। এ সপ্তাহে ফ্রান্স ও ইতালিতে দাবানল নেভানোর সময় তিনজন দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মাদ্রিদের পশ্চিমে জ্বলতে থাকা তিনটি বড় দাবানলের মধ্যে দুটি একত্রিত হয়ে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আগুন রাজধানী থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের নাভাস দেল রে শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে স্পেনের সবচেয়ে বড় দাবানলটি গুয়াদালাহারা প্রদেশে জ্বলছে, যেখানে প্রায় ৩২ হাজার হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেছে। ফ্রান্সে ক্যাপ ফেরে ও বিসকারোস অঞ্চলে দাবানলে এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৫০০ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়েছে। মাদ্রিদ অঞ্চলেও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর ভূমি। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘস্থায়ী খরা ও একের পর এক তাপপ্রবাহ ইউরোপে দাবানলের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন-এর সাম্প্রতিক গবেষণাতেও একই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ইতালির সিসিলি দ্বীপেও একাধিক দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে এবং ফ্রান্সে আগুন নিয়ন্ত্রণে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন দমকলকর্মী।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় উল্লসিত সিজেপি, দুই দাবিতে এখনও অনড়
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের মধ্যেই ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আর ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিতেই আনন্দে উল্লসিত সিজেপি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। আর এই পদত্যাগই প্রমাণ করে, আপনারা যদি ভীত না হন এবং এই সরকারের কাছে মাথা নত না করেন, তবে আমরা যে কারোর কাছ থেকেই পদত্যাগ আদায় করে নিতে পারি।”
সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীকে কোন কথাগুলো না বলাই ভালো? বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
সকাল সকাল ডেস্ক প্রাক্তন সম্পর্ক, অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য ও নেতিবাচক মন্তব্য— কিছু বিষয় অযথা আলোচনা করলে সম্পর্কে বাড়তে পারে দূরত্ব, জানালেন বিশেষজ্ঞরা একটি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিশ্বাস, সম্মান, বোঝাপড়া এবং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে। সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা অবশ্যই জরুরি, তবে তার অর্থ এই নয় যে জীবনের প্রতিটি তথ্য বা প্রতিটি ভাবনা সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে নিতেই হবে। সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীকে কোন কথাগুলো না বলাই ভালো— তা জানা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোন বিষয় ব্যক্তিগত রাখবেন, সেই সচেতনতাও সমান প্রয়োজন। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় কিছু আলোচনা ভুল বোঝাবুঝি, মানসিক অস্বস্তি এবং সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রাক্তন সম্পর্ক নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা না করাই ভালো অনেকেই বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে নিজের আগের সম্পর্কের নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তবে প্রাক্তন সঙ্গীকে নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা, তাঁর সঙ্গে বর্তমান সঙ্গীর তুলনা করা বা পুরোনো স্মৃতি বারবার তুলে আনা সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সঙ্গীর মনে অস্বস্তি, ঈর্ষা কিংবা নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া ভালো, কিন্তু সেই অতীতকে বর্তমান সম্পর্কের মধ্যে টেনে আনা উচিত নয়। বর্তমান সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অন্যের ব্যক্তিগত গোপন তথ্য প্রকাশ করবেন না বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত কেউ যদি আপনাকে বিশ্বাস করে ব্যক্তিগত কোনো বিষয় জানিয়ে থাকেন, তাহলে সেই বিশ্বাস রক্ষা করা আপনার দায়িত্ব। শুধুমাত্র সঙ্গী বলে অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা ঠিক নয়। এতে অন্য মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয় ভাগ করে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নাও করতে পারেন। একটি সুস্থ সম্পর্ক মানে শুধু একে অপরকে ভালোবাসা নয়, অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতিও সম্মান দেখানো। পরিবার বা বন্ধুদের নেতিবাচক মন্তব্য হুবহু বলবেন না অনেক সময় পরিবার বা বন্ধু আপনার সঙ্গী সম্পর্কে নেতিবাচক মতামত প্রকাশ করতে পারেন। সেই মন্তব্য হুবহু সঙ্গীকে জানিয়ে দিলে অকারণে সম্পর্কের মধ্যে অশান্তি তৈরি হতে পারে। যদি কোনো বিষয় সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ হয় এবং সম্পর্কের উন্নতির জন্য আলোচনা প্রয়োজন হয়, তাহলে তা শান্তভাবে, সম্মানজনক ভাষায় এবং সমাধানের উদ্দেশ্যে বলা উচিত। কিন্তু শুধুমাত্র কষ্ট দেওয়ার মতো মন্তব্য পৌঁছে দেওয়া সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্যক্তিগত গোপনীয়তার গুরুত্বকে সম্মান করুন অনেকের ধারণা, ভালোবাসা মানেই সব তথ্য, সব পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত হিসাব একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুস্থ সম্পর্কে ব্যক্তিগত গোপনীয়তারও একটি স্বাভাবিক সীমা থাকে। পারস্পরিক সম্মতি ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে তথ্য ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। তবে ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখা কখনোই সম্পর্কের প্রতি অবিশ্বাসের লক্ষণ নয়। বরং একে অপরের স্বাধীনতাকে সম্মান করা সম্পর্ককে আরও পরিণত করে তোলে। পটভূমি বর্তমান সময়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, দ্রুত যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সহজে ভাগ করে নেওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। এর ফলে অনেক সময় আবেগের বশে এমন কিছু কথা বলা হয়ে যায়, যা পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির কারণ হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা সম্পর্কে সংযত ও সচেতন যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুন্দর সম্পর্কের ভিত্তি হলো সততা, পারস্পরিক সম্মান এবং সংবেদনশীলতা। সব বিষয় খোলাখুলি বলার চেয়ে কোন বিষয় কীভাবে বলা উচিত, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় তুলনা, অন্যের গোপন তথ্য প্রকাশ বা কষ্টদায়ক মন্তব্য এড়িয়ে চললে সম্পর্ক আরও সুস্থ ও স্থায়ী হতে পারে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে কোনো বিষয় নিয়ে সমস্যা হলে তা শান্তভাবে আলোচনা করুন। আবেগের বশে এমন কথা বলবেন না, যা সঙ্গীর মনে আঘাত করতে পারে। একে অপরের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করুন এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, সব কথা বলাই প্রয়োজনীয় নয়; বরং সঠিক সময়ে সঠিক কথা বলাই একটি সুখী ও সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম চাবিকাঠি।
ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখেন? এই অভ্যাস ডেকে আনতে পারে একাধিক শারীরিক ও মানসিক সমস্যা
সকাল সকাল ডেস্ক ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস বাড়াতে পারে মানসিক চাপ, চোখের ক্লান্তি ও মনোযোগের ঘাটতি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখেন ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নেওয়া এখন বহু মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাস। চোখ খুলেই বার্তা দেখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো কিংবা খবর পড়া—এসব যেন দিনের শুরুতেই নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম ভাঙার পরপরই মোবাইল ব্যবহার করলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, মানসিক চাপ বাড়ে এবং দিনের শুরুতেই ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। কেন ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহার ক্ষতিকর? ঘুমের সময় শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কও বিশ্রাম নেয়। ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হওয়ার একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু সেই সময়ই যদি মোবাইলে অসংখ্য বার্তা, ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন তথ্য দেখতে শুরু করা হয়, তাহলে মস্তিষ্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। এর ফলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে এবং দিনের শুরুতেই মানসিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বেড়ে যেতে পারে সকালে ঘুম ভাঙার সময় শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বেশি থাকে। এই সময় নেতিবাচক খবর, কাজের বার্তা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা বিষয় দেখলে উদ্বেগ আরও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতেই মানসিক চাপ তৈরি হলে তা সারাদিনের আচরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং কাজের আগ্রহের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সকালটা যতটা সম্ভব শান্তভাবে শুরু করাই ভালো। চোখের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলের উজ্জ্বল পর্দার দিকে তাকালে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। পর্দা থেকে নির্গত নীল আলো চোখের শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস চলতে থাকলে চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং দৃষ্টিশক্তি-সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। চোখের সুরক্ষার জন্য ঘুম থেকে ওঠার পর কিছুক্ষণ প্রাকৃতিক আলোতে থাকা এবং সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে দিনের শুরুতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটালে নিজের কাজের পরিকল্পনা থেকে মন সরে যেতে পারে। অন্যের নানা পোস্ট বা খবরের কারণে অপ্রয়োজনীয় চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে। এর প্রভাব পড়ে কাজের গতি, মনোযোগ এবং উৎপাদনশীলতার ওপর। যাঁরা নিয়মিত সকালে মোবাইল ব্যবহার করেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই দিনের শুরুতেই মানসিকভাবে ক্লান্ত বোধ করেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। শরীরের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব মোবাইলের নীল আলো ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী মেলাটোনিন হরমোনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও রাতে মোবাইল ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর, তবুও সকালে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ব্যবহার করাও শরীরের স্বাভাবিক জৈব ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এর ফলে অস্থিরতা, মানসিক ক্লান্তি এবং সারাদিন অবসাদ অনুভূত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে। কাজ, পড়াশোনা, কেনাকাটা, বিনোদন এবং যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রেই মোবাইলের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ঘুম থেকে উঠেই ফোন দেখার অভ্যাসও দ্রুত বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই অভ্যাস থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা মোবাইল ব্যবহার না করাই ভালো। এই সময় এক গ্লাস জল পান, হালকা শরীরচর্চা, ধ্যান, প্রার্থনা, বই পড়া অথবা খোলা বাতাসে কিছুক্ষণ হাঁটার অভ্যাস করলে শরীর ও মন সতেজ থাকে। এতে দিনের শুরু ইতিবাচক হয় এবং কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহারের বদলে নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ধীরে ধীরে এই পরিবর্তন আনতে পারলে মানসিক চাপ কমবে, মনোযোগ বাড়বে এবং দৈনন্দিন কাজেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে দীর্ঘদিন ধরে অনিদ্রা, অতিরিক্ত উদ্বেগ বা চোখের গুরুতর সমস্যা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শ্রাবণের প্রথম সোমবারেই ভক্তদের ঢল তারকেশ্বরে
হুগলি: শ্রাবণের প্রথম সোমবার। আর সেই শুভ তিথিতেই কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হল শৈবতীর্থ তারকেশ্বর। এদিন ভোর রাত থেকেই লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর ঢল নামে বাবা তারকনাথের দরবারে। শেওড়াফুলির নিমাই তীর্থ ঘাট থেকে বাঁক কাঁধে গঙ্গাজল নিয়ে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ হেঁটে শিবের জয়গান করতে করতে তারকেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেন ভক্তরা। প্রথম সোমবারকে ঘিরে গোটা তারকেশ্বর জুড়ে ছিল ভক্তি, আবেগ এবং উৎসবের এক অনন্য পরিবেশ।
Revenue Collection: 1 মাসেই অতিরিক্ত 1000 কোটি রাজস্ব আদায়ের দাবি, ‘লিকেজ’ বন্ধে বড় সাফল্যের দাবি সরকারের
সকাল সকাল ডেস্ক Revenue Collection বেড়েছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের; নতুন কর নয়, রাজস্ব ফাঁকি রোধেই অতিরিক্ত ১০০০ কোটি টাকা কোষাগারে এসেছে বলে দাবি রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বড় সাফল্যের দাবি করল নতুন প্রশাসন। Revenue Collection-এ মাত্র এক মাসে অতিরিক্ত ১,০০০ কোটি টাকা আদায় হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় (CMO) সূত্রে জানানো হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন কোনও কর আরোপ না করেই শুধুমাত্র রাজস্ব ব্যবস্থার ‘লিকেজ’ বা ফাঁকফোকর বন্ধ করে এই অতিরিক্ত আয় সম্ভব হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের আর্থিক প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ৯ মে দায়িত্ব গ্রহণের পর ৯ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত সময়ে যে Revenue Collection হয়েছে, তা গত অর্থবর্ষের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা বেশি। প্রশাসনের আশা, আগামী মাসগুলিতে এই রাজস্ব বৃদ্ধির ধারা আরও জোরদার হবে। Revenue Collection বৃদ্ধির নেপথ্যে কী কারণ? মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের জন্য কোনও নতুন কর চাপানো হয়নি। বরং দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজস্ব ফাঁকি, অবৈধ অর্থপাচার এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগ বন্ধ করেই এই সাফল্য এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, বিভিন্ন খাতে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে যে ‘লিকেজ’ ছিল, তা বন্ধ হওয়ায় সরাসরি সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা পড়ছে। বিশেষ করে খনিজ সম্পদ, আবগারি এবং অন্যান্য রাজস্ব উৎসে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রস্তুতি রাজস্ব ব্যবস্থার অনিয়ম এবং অতীতের আর্থিক ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে সরকার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই শ্বেতপত্রে কোন কোন খাতে রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে এবং তার ফলে সরকারের কত আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, সেই তথ্য তুলে ধরা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। এই কাজের জন্য অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিগোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই নবান্নে ওই কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। Background রাজ্যে আর্থিক ব্যবস্থাপনা আধুনিক করার লক্ষ্যে অতীতে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)-এর সহায়তায় West Bengal Financial Management প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করা। তবে বর্তমান সরকারের অভিযোগ, সেই ব্যবস্থার মধ্যেও একাধিক ফাঁকফোকর রেখে দেওয়া হয়েছিল, যার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা না পড়ে অন্যত্র চলে যেত। খাদান রাজস্বে বড় পরিবর্তনের দাবি সরকার একটি নির্দিষ্ট উদাহরণও তুলে ধরেছে। দাবি করা হয়েছে, বীরভূমের একটি পাথর খাদান থেকে অতীতে বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতো। বর্তমানে প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার হওয়ার পর একই খাদান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। সরকারের মতে, এই তথ্যই দেখাচ্ছে যে রাজস্ব ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখযোগ্য অনিয়ম ছিল এবং তা বন্ধ হওয়ার ফলেই Revenue Collection দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। Official Statement মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের দাবি, রাজস্ব বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ করা। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে আবগারি, খনিজ সম্পদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব উৎসেও আরও কঠোর নজরদারি চালানো হবে। সরকার আরও জানিয়েছে, আসন্ন শ্বেতপত্রে অতীতের আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কারের রূপরেখাও প্রকাশ করা হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অর্থপাচার নিয়ে অভিযোগ বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে অতীতে রাজস্বের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে না গিয়ে অন্যত্র পাচার করা হতো। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, এই অর্থ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো এবং কিছু অর্থ বিভিন্ন শেল কোম্পানির মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকলে তার চূড়ান্ত ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে। Impact অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি Revenue Collection-এর এই বৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে, তাহলে রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মনিটরিং ভবিষ্যতে আর্থিক শৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করতে পারে। Public Information সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে রাজস্ব সংগ্রহের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি শ্বেতপত্র প্রকাশের মাধ্যমে রাজ্যের আর্থিক ব্যবস্থার অতীত ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জনসাধারণকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে প্রশাসনের দাবি।
Ritabrata Bandopadhyay: আরও ৩ বিধায়কের সমর্থনের ইঙ্গিত, বদলাচ্ছে তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ
সকাল সকাল ডেস্ক Ritabrata Bandopadhyay শিবিরে যোগ দিতে পারেন আরও তিন হেভিওয়েট বিধায়ক, OBC Reservation Bill ভোটের পর জল্পনা তুঙ্গে। Ritabrata Bandopadhyay-কে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। ওবিসি সংরক্ষণ সংশোধনী বিলের ভোটাভুটির পর তৃণমূলের অন্দরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর শক্তি আরও বাড়তে পারে। দলীয় সূত্রের দাবি, বর্তমানে তাঁদের সঙ্গে থাকা ৬৫ জন বিধায়কের পাশাপাশি খুব শীঘ্রই আরও তিনজন হেভিওয়েট বিধায়ক সমর্থন জানাতে পারেন। যদিও সম্ভাব্য ওই তিন বিধায়কের নাম এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি। OBC Reservation Bill-এর পর বাড়ল রাজনৈতিক জল্পনা বিধানসভায় OBC Reservation Bill-এর ভোটাভুটিকে ঘিরে যে রাজনৈতিক বিভাজন সামনে আসে, তার রেশ এখনও কাটেনি। সেই আবহেই Ritabrata Bandopadhyay শিবিরের শক্তি বাড়ার খবর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। সূত্রের খবর, কালীঘাট শিবিরের আরও তিনজন বিধায়ক নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁরা বিধানসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে লিখিতভাবে নতুন অবস্থান জানাতে পারেন বলে দাবি করা হয়েছে। তিন বিধায়কের নাম গোপন রাখার কৌশল দলীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, রাজনৈতিক কৌশলের কারণেই সম্ভাব্য তিন বিধায়কের নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। সঠিক সময়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। ফলে জল্পনা আরও বাড়ছে যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিধানসভার অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। নিরাপত্তা ইস্যুতেও নতুন বিতর্ক এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। সূত্রের দাবি, বিধানসভা চলাকালীন Ritabrata Bandopadhyay শিবিরের দুই বিধায়ক নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁরা কেন্দ্রের Y+ Category নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানান বলে জানা গেছে। তবে বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ধরনের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর হাতে নেই এবং নির্দিষ্ট সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এ ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। ভোটাভুটির দিন কী ঘটেছিল? ওবিসি সংরক্ষণ সংশোধনী বিলের ভোটাভুটির সময় বিধানসভায় নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর অধিকাংশ বিধায়ক ভোটাভুটির আগে কক্ষত্যাগ করেন। তবে একই শিবিরের কয়েকজন বিধায়ক নিজেদের আসনে থেকেই যান এবং ভোটাভুটিতে অংশ নেন। অন্যদিকে কালীঘাটপন্থী বিধায়কেরা শুরু থেকেই ভোটাভুটিতে অংশ নেন। এই ভিন্ন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা ভোটাভুটির সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় উপস্থিত হলে কয়েকজন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান। ঘটনাটি রাজনৈতিক মহলে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। যদিও ওই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background সম্প্রতি তৃণমূলের অন্দরে নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে একাধিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। OBC Reservation Bill-এর ভোটাভুটি সেই বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করেছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এরই মধ্যে নতুন করে বিধায়ক সমর্থন পরিবর্তনের সম্ভাবনা সামনে আসায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাচ্ছে। Impact যদি সত্যিই আরও তিনজন বিধায়ক Ritabrata Bandopadhyay শিবিরে যোগ দেন, তাহলে বিধানসভার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণে তার প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বিরোধী রাজনীতি এবং দলীয় কৌশলেও নতুন পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়। Official Statement এখনও পর্যন্ত সম্ভাব্য তিন বিধায়কের নাম বা দলবদলের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট শিবির শুধু জানিয়েছে, সঠিক সময়ে বিষয়টি প্রকাশ করা হবে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়েও সরকারি স্তরে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। Public Information এই মুহূর্তে বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক সূত্রভিত্তিক তথ্যের ওপর নির্ভর করছে। বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন বা নতুন সমর্থনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই পরবর্তী সরকারি বা বিধানসভা-সংক্রান্ত ঘোষণার দিকেই নজর রাখা উচিত।
৫১টি ITI বেসরকারিকরণে বড় ঘোষণা, PM Setu Yojana-য় জোর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের
সকাল সকাল ডেস্ক যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান তৈরিতে ৫১টি ITI আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা, শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগে বদলাবে কারিগরি শিক্ষার চেহারা পশ্চিমবঙ্গে কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল রাজ্য সরকার। PM Setu Yojana এবং স্কিল ডেভেলপমেন্টকে কেন্দ্র করে রাজ্যের ৫১টি ITI বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটকে বেসরকারি অংশীদারিত্বে পরিচালনার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্সে আয়োজিত পঞ্চম বিশ্ব এমএসএমই দিবস (MSME Day 2026) উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করা এবং শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা। সেই কারণেই PM Setu Yojana এবং স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পগুলির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৫১টি ITI-তে আসছে বেসরকারি বিনিয়োগ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, রাজ্যের ৫১টি আইটিআইকে বেসরকারি শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আসবে এবং দ্রুত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষার মান উন্নত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও সেই মডেল অনুসরণ করা হবে। টাটা-সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে আইটিআই পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আধুনিক যন্ত্রপাতি, উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা অনুযায়ী নতুন কোর্স চালু করা সহজ হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ শেষে দ্রুত চাকরির সুযোগ পেতে পারেন। PM Setu Yojana-র মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য উচ্চশিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, শুধু শিক্ষার প্রসার নয়, শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের যোগসূত্র তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য। সেই উদ্দেশ্যেই PM Setu Yojana-কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের ধারণা, ভবিষ্যতের শিল্প ও ব্যবসার প্রয়োজন মেটাতে দক্ষ কর্মী তৈরি করা গেলে রাজ্যের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। মন্ত্রী বলেন, অতীতে বহু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের যথাযথ ব্যবহার হয়নি। তবে বর্তমান সরকার সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চায় না এবং কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এগোতে চায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শিল্পপতিদের বিনিয়োগের আহ্বান অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র সরকারি ভর্তুকি দিয়ে শিল্পায়ন সম্ভব নয়। একটি সুস্থ ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার ও শিল্পক্ষেত্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি জানান, শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক বাধা দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স এবং অন্যান্য বণিক সংগঠনগুলির সহযোগিতায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে। মন্ত্রী বলেন, সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে, তবে রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগকারীদেরও এগিয়ে আসতে হবে। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে একটি শক্তিশালী শিল্প ও বাণিজ্যিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। অতীত সরকারের সমালোচনা নিজের বক্তব্যে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বিগত কয়েক দশকের রাজ্য সরকারের নীতিরও সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষাকে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর ফলে শিক্ষাব্যবস্থা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগানের আড়ালে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি উপেক্ষিত হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি বদলাতে চায় এবং শিক্ষাকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। ছোট ব্যবসা ও স্বনির্ভরতার বার্তা মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ছোট ব্যবসা ও স্বনির্ভর উদ্যোগের গুরুত্বও তুলে ধরেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটি বড় ব্র্যান্ডের পাশে যদি কোনও ছোট উদ্যোক্তা আধুনিক পরিষেবা ও উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারেন, তবে সাধারণ মানুষ অবশ্যই সেই পরিষেবাকে গ্রহণ করবেন। তাঁর মতে, রাজ্যের বহু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীকে অতীতে যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়নি। এখন PM Setu Yojana এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানো হবে। সাধারণ মানুষের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত? ৫১টি আইটিআইয়ের আধুনিকীকরণ এবং বেসরকারি অংশীদারিত্বের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ কর্মী তৈরি হওয়ায় চাকরির সম্ভাবনাও বাড়তে পারে। একইসঙ্গে শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে রাজ্যের অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে শিক্ষা, দক্ষতা এবং শিল্প—এই তিন ক্ষেত্রকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কৌশলেই জোর দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
সোনার জৌলুস ফিকে, রুপোর দামেও বড় পতন
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি: দেশের সরাফা বাজারে বুধবার লেনদেনের শুরু থেকেই সোনা ও রুপোর দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। দামের এই নিম্নমুখী প্রবণতার ফলে চেন্নাই বাদে দেশের অধিকাংশ বাজারে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৭৭০ থেকে ১,৯৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। চেন্নাইয়ে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ৪০০ থেকে ৪৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। একইসঙ্গে রুপোর দামও প্রতি কেজিতে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। বাজারে দামের পতনের ফলে দেশের বেশিরভাগ শহরে ২৪ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৫৯০ থেকে ১,৪৭,৯২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩২,৫৪০ থেকে ১,৩৫,৫৯০ টাকার মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি সরাফা বাজারে রুপোর দাম কমে প্রতি কেজি ২,৪৪,৯০০ টাকায় নেমে এসেছে। রাজধানী দিল্লিতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৭৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৬৯০ টাকা। মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৫৯০ টাকা ও ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৫৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আহমেদাবাদে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪৪,৬৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৫৯০ টাকা। চেন্নাইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৭,৯২০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩৫,৫৯০ টাকা। কলকাতায় ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৫৯০ টাকা ও ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৫৪০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। ভোপাল, পাটনা ও আহমেদাবাদে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪৪,৬৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৫৯০ টাকা রয়েছে। এছাড়া জয়পুর ও লখনউতে ২৪ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৭৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৬৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা ও ওডিশার রাজধানী বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও ভুবনেশ্বরেও সোনার দামে পতন হয়েছে। এই তিন শহরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৫৯০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৫৪০ টাকা রয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য সংশোধন এবং চাহিদা কমার প্রভাবেই দেশীয় বাজারে সোনা ও রুপোর দামে এই পতন দেখা যাচ্ছে।