জ্বালানি সংকট ও কেন্দ্রের নীতির প্রতিবাদে কংগ্রেস সেবাদলের অভিনব কর্মসূচি
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা :- দেশজুড়ে জ্বালানি সংকট, রান্নার গ্যাসের ঘাটতি এবং কেন্দ্রের অর্থনৈতিক ও বিদেশনীতি নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার কলকাতায় অভিনব কর্মসূচি পালন করল কংগ্রেস সেবাদল। মধ্য কলকাতা জেলা মহিলা কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গ আইএনটিইউসি সেবাদলের উদ্যোগে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।শুক্রবার লেডি ভিক্টোরিয়া ডাফরিন হাসপাতালের উল্টোদিকে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার সামনে এক প্রতীকী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে বিশেষ পদ্ধতিতে প্রতীকীভাবে ‘জুমলা সেদ্ধ’ রান্না করে কেন্দ্রের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, নরেন্দ্র মোদী সরকারের ভুল অর্থনীতি, জ্বালানি নীতি ও বিদেশনীতির ফলে দেশে রান্নার গ্যাসসহ বিভিন্ন জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।তাঁদের দাবি, গ্যাস বুকিং করলেও সময়মতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এর ফলে বহু রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে পড়েছে এবং অটোসহ পরিবহণ ব্যবস্থায় ভাড়াও লাগামছাড়া বেড়েছে। পাশাপাশি কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসছে।এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গ সফর এবং ব্রিগেডের সভাকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতারা বলেন, নির্বাচনের আগে নতুন প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ আইএনটিইউসি সেবাদলের সভাপতি প্রমোদ পান্ডে, সেবাদলের নেতা সংকর নাথ হাজরা এবং রাজ্য মহিলা কংগ্রেসের নেত্রী শ্রাবন্তী সিংসহ অন্যান্য কর্মী ও সমর্থকেরা। তাঁরা কেন্দ্রের নীতির পরিবর্তনের দাবিও জানান।
আরজি করে আর্থিক দুর্নীতি মামলা : ইডি-র চার্জশিটে সন্দীপের নাম
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় ইডি-র চার্জশিটে অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং আরও তিন জনের নাম রয়েছে। শুক্রবার বিচার ভবনের সিবিআই বিশেষ আদালতে চার্জশিট পেশ করে ইডি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আর জি করে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সেই মামলায় তদন্ত করছিল ইডিও। সেই মামলাতেই ইডি যে চার্জশিট দাখিল করেছে, তাতে নাম রয়েছে সন্দীপের। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রথম আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন আরজি করের বিতর্কিত নন মেডিক্যাল ডেপুটি সুপার আখতার আলি (পরবর্তীতে তিনিও এই একই অভিযোগে সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন)। আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপকে প্রথমে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তিনি প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। উল্লেখ্য, আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তদন্তের সূত্র ধরেই উঠে এসেছিল আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগও।
মুদ্রানীতি কমিটির সিদ্ধান্ত, রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল আরবিআই
সকাল সকাল ডেস্ক মুম্বই : রেপো রেট আবারও অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)। শুক্রবার আরবিআই-এর গর্ভনর সঞ্জয় মালহোত্রা বলেছেন, “মুদ্রা নীতি কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে পলিসি রেপো রেট ৫.২৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরবিআই-এর সুদের হারে আপাতত হচ্ছে না কোনও বদল। তিন দিনের মুদ্রানীতি কমিটি বা এমপিসির (মনিটারি পলিসি কমিটি) বৈঠকের পর এ কথা ঘোষণা করেন সঞ্জয় মালহোত্রা। আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা বলেছেন, “এই বছরের প্রথম নীতিমালায় আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা নতুন বছরের মাত্র দ্বিতীয় মাসে আছি এবং ইতিমধ্যেই ভূ-রাজনৈতিক এবং বাণিজ্য শুল্ক ফ্রন্টে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলি প্রত্যক্ষ করেছি। বর্ধিত ভূ-রাজনৈতিক আবহ এবং ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তার মধ্যে, ভারতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি এবং নিম্ন মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে একটি ভালো অবস্থানে রয়েছে।” তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান সতর্ক হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে, বন্ড বাজারের মনোভাব মন্দার মধ্যে রয়েছে, যা আর্থিক স্থায়িত্বের উদ্বেগকে প্রতিফলিত করে। তবে, প্রযুক্তিগত স্টক দ্বারা পরিচালিত ইকুইটি বাজারগুলি আশাবাদী রয়েছে।” আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা আরও বলেছেন, “নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রার সহনশীলতার সীমার নীচে ছিল। আগামী বছরের প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে সিপিআই মুদ্রাস্ফীতির জন্য সংশোধিত পূর্বাভাস যথাক্রমে ৪% এবং ৪.২%, যা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তা এখনও মৃদু এবং মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন মূলত মূল্যবান ধাতুর দাম বৃদ্ধির কারণে, যা প্রায় ৬০ থেকে ৭০ বেসিস পয়েন্ট অবদান রাখে।”
স্পেসএক্স এক্সএআই অধিগ্রহণ করল, মাস্ক বললেন–‘এটি অভিযানের পরবর্তী অধ্যায়’
সকাল সকাল ডেস্ক ওয়াশিংটন : প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে ইলন মাস্কের দুই সংস্থা স্পেসএক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এক্সএআই একীভূত হয়েছে। স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এক্সএআই অধিগ্রহণ করেছে। এই একীভূত সংস্থাটি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক মূল্যবান বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সোমবার স্পেসএক্সের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইলন মাস্ক জানান, “এটি কোনও অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং অভিযানের পরবর্তী অধ্যায়।” এই একত্রীকরণ ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়নের অংশ। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ প্রযুক্তির সমন্বয় আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। জানা গেছে, দ্রুত বিকাশমান এআই খাতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মাস্ক জানান, আধুনিক এআই পরিকাঠামো বিপুল বিদ্যুৎ ও কুলিং ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল, যা ভবিষ্যতে বিকল্প শক্তিনির্ভর পরিকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তৈরি করছে। এই প্রেক্ষিতে স্পেসএক্স শুক্রবার ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশনের কাছে ১০ লক্ষ স্যাটেলাইটের একটি নেটওয়ার্ক কক্ষপথে চালু করার অনুমতি চেয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোলার-পাওয়ার্ড এই ডেটা সেন্টার নেটওয়ার্ক এআই-এর দ্রুত বর্ধমান তথ্য চাহিদা মেটাবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সৌরশক্তি নির্ভর ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে এআই সংক্রান্ত ডেটা চাহিদা পূরণ করা হবে। মাস্কের ধারণা, ২–৩ বছরের মধ্যে এআই কম্পিউটিংয়ের সবচেয়ে সস্তা উপায় হবে মহাকাশে।
বিশ্বখ্যাত ইতালীয় ফ্যাশন ডিজাইনার ভ্যালেন্তিনোর প্রয়াণ, বয়স ৯৩
World-renowned Italian fashion designer Valentino dies at 93
‘সব সরকারি প্রতিষ্ঠান দখল করুন’, ইরানিদের কাঁধে বন্দুক রেখে তেহরানকে হুমকি ট্রাম্পের
সকাল সকাল ডেস্ক ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আরও সহিংস হয়ে উঠেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই দেশে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এরই মাঝে আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকেই এই সব মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। এদিকে সাহায্যের বার্তা দিলেও, কার্যত আন্দোলনকারী ইরানিদের কাঁধে বন্দুক রেখেই খামেনেইকে ভয় দেখাচ্ছেন ট্রাম্প। এদিকে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছেন । এরই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি তথা পার্লামেন্টের প্রাক্তন স্পিকার আলি লারিজানি কড়া সমালোচনা করেছেন ট্রাম্পের। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি পোস্টে লারিজানি লেখেন, এই অস্থিরতার জন্য সরাসরি ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে দায়ী। তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানি জনগণের প্রকৃত হত্যাকারীদের নাম ঘোষণা করছি। প্রথমজন ট্রাম্প এবং দ্বিতীয়জন নেতানিয়াহু।’ লারিজানি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশটিতে অস্থিতিশীলতা ও সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ একটি পোস্ট শেয়ার করে বলেন, ‘ইরানি দেশপ্রেমিকরা, প্রতিবাদ অব্যাহত রাখুন। আপনার প্রতিষ্ঠানগুলি দখল করুন! সাহায্য আসছে।’ তবে কী ধরনের সহায়তা করা হবে তা তিনি স্পষ্ট করেননি। ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে শুরু করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তিনি ইরানের সাথে কোনও স্তরের আলোচনা করবেন না। ইরানে গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি? মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই সপ্তাহে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মীর মতে, এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ২০০৩ জন লোক নিহত হয়েছে এই বিক্ষোভে। একই সময়ে, কিছু আন্তর্জাতিক সূত্র দাবি করে যে এই সংখ্যাটি ১২০০০ থেকে ২০০০০-এর মধ্যে হতে পারে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে মৃত্যুর কথা স্বীকার করে বলেছে, দেশটিতে অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলনে নেমেছেন ইরানের জনগণ। মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থনীতির অবনতির ইস্যুতে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত। রাজধানী তেহরানসহ ইরান জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। ইরানি বাহিনীকে বহু জায়গায় তাড়া করছে সাধারণ মানুষ। ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর যে জনরোষ ইরানের পথেঘাটে দেখা গিয়েছিল, তারপর থেকে এটাই সবচেয়ে বড় আন্দোলন সেই দেশে। তবে তেহরান বলছে, এর পেছনে রয়েছে আমেরিকা। অনেক জায়গায় নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পহলভির নামে স্লোগানও দিচ্ছেন মানুষ। এর আগে ১৯৭৯ ইসলামি বিপ্লবের সময় তৎকালীন রাজা তথা রেজার বাবা ইরান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এদিকে এই সবের মাঝেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলির ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই শুল্ক তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
ইরানে মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট এখন ফ্রি
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকার মধ্যে ধনকুবের ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স সেখানে তাদের স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা বিনা মূল্যে প্রদান করছে। ইরানি স্টারলিংক ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা একজন প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রযুক্তিভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ‘হোলিস্টিক রেজিলিয়েন্স’-এর নির্বাহী পরিচালক আহমদ আহমাদিয়ান বলেন, ইরানে স্টারলিংকের যেসব অ্যাকাউন্ট আগে নিষ্ক্রিয় ছিল, সেগুলোতে এখন সংযোগ দেওয়া হয়েছে এবং গতকাল মঙ্গলবার থেকে সেগুলোর সাবস্ক্রিপশন ফি মওকুফ করা হয়েছে। সিএনএনকে আহমদ আহমাদিয়ান বলেন, ‘এটি এখন শুধু প্লাগ ইন ও কানেক্ট করার বিষয়। স্যাটেলাইট টার্মিনালটি শুধু এমন কোথাও রাখতে হবে; যেখান থেকে আকাশ পরিষ্কার দেখা যায়, তবেই কাজ শুরু হবে।’ চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের মধ্যে একটি ফোনালাপের পর এ খবর সামনে এল। ওই ফোনালাপে তাঁরা ইরানে স্টারলিংক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। তবে এ বিষয়ে স্পেসএক্স বা হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে মন্তব্যের অনুরোধে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। কয়েক দিন ধরে ইরান সরকার দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করে রেখেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বড় ‘ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট’ বা ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা। এ পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটিতে সহিংস বিক্ষোভে অন্তত ২ হাজার ৫০০ নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। মূলত যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় হতাহতের সঠিক হিসাব পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ইন্টারনেটে বিনা মূল্যে প্রবেশের এ সুযোগ আন্দোলনকারীদের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর সুবিধা পাবে ইরানের ৯ কোটি ২০ লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র ক্ষুদ্র একটি অংশ। এ ছাড়া ইরান সরকারের স্টারলিংকের সিগন্যাল জ্যাম করে দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
सभी धर्मों के बीच आपसी सम्मान और समरसता ही समाज की ताकत : कांग्रेस
रांची। क्रिसमस पर झारखंड प्रदेश कांग्रेस वरिष्ठ नेताओं और कार्यकर्ताओं ने आर्च बिशप विंसेंट आइंद को हार्दिक बधाई और शुभकामनाएं दीं। इस मौके पर नेताओं ने क्रिसमस पर्व
দিল্লিতে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চক্রের পর্দাফাঁস, বিদেশি পিস্তল-সহ ধৃত ৪
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : দিল্লিতে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চক্রের পর্দাফাঁস করলো অপরাধ দমন শাখা। অনেকগুলি বিদেশি পিস্তল ও কার্তুজ-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম – অজয়, মনদীপ, দলবিন্দর এবং রোহান। এই চক্রটি তুরস্ক এবং চীনে তৈরি উচ্চমানের পিস্তল পাকিস্তান হয়ে ভারতে সরবরাহ করত। পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্রগুলি পঞ্জাবে ফেলে দেওয়া হত এবং তারপর পুনরায় বিক্রি করা হত। পুলিশ ১০টি দামি বিদেশি পিস্তল এবং ৯২টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে। ধৃতরা দিল্লি এবং আশেপাশের রাজ্যগুলিতে অপরাধী এবং গ্যাংস্টারদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল। ধৃতদের মধ্যে দু’জন পাঞ্জাবের বাসিন্দা। ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানিয়েছে, এই পুরো নেটওয়ার্কটি পাকিস্তানি আইএসআই-এর সঙ্গে যুক্তদের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছিল। অস্ত্রগুলি প্রথমে পাকিস্তানে আনা হত এবং তারপর সেখান থেকে ভারতে পাচার করা হত। পুলিশ এখন তদন্ত করছে, ধৃতরা এখনও পর্যন্ত ভারতে কতগুলি অস্ত্র বিক্রি করেছে এবং কোন দল বা ব্যক্তিরা সেগুলি পেয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি অস্ত্রগুলি শনাক্ত করতে মোবাইল ফোন, ব্যাঙ্কের বিবরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে।
এসআইআর-এর মতো ‘অপরিকল্পিত অভিযান’ ‘অবিলম্বে বন্ধ করার’ আহ্বান মমতার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা: “আমি গভীরভাবে মর্মাহত এবং দুঃখিত। আজ আবারও, আমরা জলপাইগুড়ির মালে একজন বুথ লেভেল অফিসারকে হারিয়েছি”। বিএলও-র অস্বাভাবিক মৃত্যুর জেরে এসআইআর-কে দায়ী করে বুধবার “অবিলম্বে এই অপরিকল্পিত অভিযান বন্ধ করার আহ্বান” জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্সবার্তায় লিখেছেন, “আদিবাসী মহিলা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী শ্রীমতি শান্তি মুনি এক্কা চলমান এসআইআর কাজের অসহনীয় চাপের মুখে আত্মহত্যা করেছেন। এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই ২৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন — কেউ ভয় এবং অনিশ্চয়তার কারণে, আবার কেউ মানসিক চাপ এবং অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে। তথাকথিত নির্বাচন কমিশন আরোপিত অপরিকল্পিত, নিরলস কাজের চাপের জন্য এত মূল্যবান জীবন হারিয়ে যাচ্ছে। আগে যে প্রক্রিয়ায় ৩ বছর সময় লাগত, এখন নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজনৈতিক প্রভুদের খুশি করার জন্য ২ মাস সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। বিএলও-দের উপর অমানবিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে বিবেক দিয়ে কাজ করার এবং আরও প্রাণহানির আগে অবিলম্বে এই অপরিকল্পিত অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”