ভারতের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিশ্বব্যাপী প্রচারে পর্যটন মন্ত্রক ও নেটফ্লিক্সের কৌশলগত অংশীদারিত্ব
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে কেন্দ্রীয় পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রক এবং নেটফ্লিক্সের মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বের সূচনা হয়েছে। ভারতে নেটফ্লিক্সের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বুধবার নয়াদিল্লির ন্যাশনাল গ্যালারি অব মডার্ন আর্ট (এনজিএমএ)-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং নেটফ্লিক্সের সহ-প্রধান নির্বাহী আধিকারিক টেড সারান্ডোস যৌথভাবে এই উদ্যোগের ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে গল্প বলার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে ভারতের পর্যটনকে আরও জনপ্রিয় করা যায় এবং দেশের ‘সফট পাওয়ার’কে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেন, “সিনেমা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পর্যটনের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। ভারতের প্রতিটি গল্প বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে এই দেশ ভ্রমণে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা রাখে।” তিনি জানান, ‘অতুল্য ভারত’-এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘As Seen on Netflix’ নামে একটি নতুন বিভাগ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও ওয়েব সিরিজে প্রদর্শিত ভারতের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র, ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, উৎসব এবং বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য, পর্দায় দেখা অভিজ্ঞতাকে বাস্তব ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত করা এবং দর্শকদের সেই সব গন্তব্যে ভ্রমণে উৎসাহিত করা। পর্যটন সচিব ভুবনেশ কুমার বলেন, সরকার এবং সৃজনশীল বিনোদন শিল্পের এই ধরনের সহযোগিতা দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। তাঁর মতে, বাস্তবধর্মী গল্পভিত্তিক কনটেন্ট যেমন টেকসই পর্যটনকে উৎসাহিত করবে, তেমনই স্থানীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। অনুষ্ঠানে পর্যটন মন্ত্রক ও নেটফ্লিক্সের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়। একটি চলচ্চিত্রে ভারতের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণ পর্যটনের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে, অন্যটিতে দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী সম্পদের বৈচিত্র্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা হয়েছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভারত সরকার বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে দেশের পর্যটন ও সংস্কৃতিকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও সরানোয় ক্ষমা চাইল মেটা, অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে বৈঠকে দুঃখপ্রকাশ
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ভিডিও সাময়িকভাবে ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করল মেটা। বুধবার কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে বৈঠকে মেটার প্রতিনিধি দল এই ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। মেটার চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলান জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পোস্ট সরিয়ে দেওয়া একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদীর পোস্ট নিয়ে যে ভুল হয়েছে, তার জন্য আমি মেটার পক্ষ থেকে মন্ত্রীর কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছি।” বুধবার অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে জোয়েল কাপলান এবং মেটার ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কিত ভিডিও অপসারণের ঘটনাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের যুবসমাজের উদ্দেশে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেই বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। ভিডিওটি কিছু সময়ের জন্য ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। কেন্দ্র সরকার মেটার কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়ে প্রতিনিধি দলকে তলব করে। ঘটনার পর মেটা জানায়, এটি একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ভিডিওটি সরানো হয়নি। বুধবারের বৈঠকে সেই ঘটনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করে মেটা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেয়।
২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৩৬ দেশ থেকে দেশে ফিরেছেন ২৭৪ পলাতক অপরাধী: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : পলাতক অপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনা কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম জাতীয় অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মঙ্গলবার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্বের ৩৬টি দেশ থেকে মোট ২৭৪ জন পলাতক অপরাধীকে প্রত্যর্পণ বা অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানায়, পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০১৮ সালে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইন প্রণয়ন করা হয়। এই আইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ আরও কার্যকরভাবে গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মন্ত্রকের দাবি, পলাতক অপরাধীদের শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে ভারত বর্তমানে একটি সমন্বিত, গোয়েন্দা-নির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, তথ্য আদান-প্রদান এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ফলে এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের আগে ভারতের মাত্র ৩৭টি দেশের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি কার্যকর ছিল। পাশাপাশি অর্থনৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত পলাতকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য পৃথক কোনও আইনও ছিল না। মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ভারত গড়ে বছরে মাত্র চারজন পলাতক অপরাধীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল। একই সময়ে প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত ১১০টি আবেদন বিভিন্ন দেশে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য, বর্তমান সরকার পলাতক অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। এই লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলেও মন্ত্রক জানিয়েছে।
এনডিএ-র ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে সংসদের কৌশল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : সংসদের চলতি অধিবেশনকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) সংসদীয় দলের সাপ্তাহিক বৈঠক ‘মঙ্গল মিলন’ অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবার। সংসদ ভবনের গ্রন্থাগার ভবনের জিএমসি বালযোগী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই বৈঠকে জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-সহ এনডিএ-র বিভিন্ন শরিক দলের সাংসদরা অংশ নেন। চলতি সংসদ অধিবেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সরকারের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্মসূচি এবং জোটের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিনের বৈঠকে সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআই-এ যোগ দেওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শতাব্দী রায়ও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সারিতেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসতে দেখা যায়, যা রাজনৈতিক মহলে বিশেষভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। তবে বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বা কী কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে এনডিএ নেতৃত্বের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সংসদের চলমান ইস্যু, আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং জোটের সাংগঠনিক সমন্বয় নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ নীতীশ কুমারের
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ নীতীশ কুমার মঙ্গলবার সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে জেডিইউ-র কার্যনির্বাহী সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় কুমার ঝা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং (লাল্লন সিং) উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং নীতীশ কুমার, উভয়েই সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ বৈঠকের ছবি প্রকাশ করে সাক্ষাতের বিষয়টি জানিয়েছেন। সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নিজের সমাজমাধ্যম বার্তায় নীতীশ কুমার জানান, তিনি সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও একইভাবে এই বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উল্লেখ করেছে এবং বৈঠকের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। তবে বৈঠকে কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, বিহারের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে জোর আলোচনা চলার মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় তা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও উভয় পক্ষই এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবেই বর্ণনা করেছে।
কেরলমে বৃষ্টি পরিস্থিতি পর্যালোচনায় মুখ্যমন্ত্রী সতীশন
সকাল সকাল ডেস্ক তিরুবনন্তপুরম : টানা বৃষ্টিতে কেরলমের একাধিক জেলায় উদ্ভূত দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশন। সোমবার তিনি রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে বিভিন্ন জেলার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, ত্রাণ শিবিরগুলির কার্যক্রম, উদ্ধার অভিযান, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে দ্রুত ও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের কাছে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পাথানামথিতায় একটি এনডিআরএফ দল মোতায়েন করা হয়েছে। কোট্টায়ামে ইতিমধ্যেই দুটি এনডিআরএফ দল উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে। পাশাপাশি তামিলনাড়ুর আরাক্কোনাম থেকে আরও দুটি এনডিআরএফ দলকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য একটি হেলিকপ্টারও রাজ্যে পৌঁছেছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী আলাপ্পুঝায় ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি)-এর জওয়ানদের মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে, প্রয়োজনে কান্নুর ও ওয়ানাড জেলায় ডিফেন্স সিকিউরিটি কর্পসের কর্মীদেরও কাজে লাগানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টিতে প্রায় ১৬৫ হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে অন্তত ৩,৫৯৬ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে চূড়ান্ত সমীক্ষা শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন। রাজ্য সরকার পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেরলমে বৃষ্টি দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮, চার জেলায় জারি লাল সতর্কতা
সকাল সকাল ডেস্ক তিরুবনন্তপুরম : টানা ভারী বৃষ্টিতে কেরলমে দুর্যোগজনিত পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। রাজ্যের চারটি জেলায় এখনও লাল সতর্কতা জারি রয়েছে। প্রবল বর্ষণে কোট্টায়াম, আলাপ্পুঝা, ইদুক্কি-সহ একাধিক জেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। রাজ্য সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টিজনিত ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৮ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। কেরলমের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর প্রশাসন নিবিড় নজর রাখছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মালাপ্পুরম জেলায় টানা বৃষ্টির জেরে চালিয়ার নদীর জলস্তর ক্রমশ বাড়ছে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নদী ও সংলগ্ন জলাশয়ে প্রবেশ না করার জন্যও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন উদ্ধারকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৫,৭৯২ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ২০৯টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টিতে ২৭টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ১৯৬টি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার। যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন এবং যাঁদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা নষ্ট হয়েছে, তাঁদের উপযুক্ত আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে প্রবল বর্ষণের কারণে মুঝিয়ার, কাল্লারকুট্টি, ইরাত্তায়ার, লোয়ার পেরিয়ার এবং পোরিঙ্গালকুথু বাঁধে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। জলাধারগুলির পরিস্থিতির ওপর প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ১০০টি রবিবার ‘মাদক-মুক্ত ভারত’ গঠনের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ হবে: প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : দেশের যুবসমাজের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, আগামী ১০০টি রবিবার ‘মাদক-মুক্ত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে পরিণত হবে। তিনি তরুণদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা হিসেবে উল্লেখ করে মাদকের বিরুদ্ধে জনআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। রবিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘নেশা মুক্ত যুবা, বিকশিত ভারত’ অভিযানের সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ১০০ সপ্তাহ ধরে এই কর্মসূচি চলবে। তাঁর বক্তব্য, “আপনারাই ভারতের ‘অমৃত প্রজন্ম’। আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরে আপনারাই নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়বেন এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন। দেশের উন্নয়নের জন্য আপনাদের প্রাণশক্তি, সৃজনশীলতা ও মেধা অপরিহার্য। তাই দেশের স্বার্থে এবং নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য মাদকমুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি বলেন, “আগামী ১০০টি রবিবার মাদকবিরোধী লড়াইয়ের ১০০টি শক্তিশালী অধ্যায় হয়ে উঠবে। হাজার হাজার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সমাজের সম্মিলিত সমর্থন, যোগব্যায়াম, ধ্যান এবং পুনর্বাসন ব্যবস্থার মতো উদ্যোগ মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে।” যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই আন্দোলনের প্রকৃত নেতৃত্ব আপনাদেরই নিতে হবে। ভারতের যুবসমাজ সচেতন, দায়িত্বশীল এবং কর্তব্যপরায়ণ—আমার এই বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে। এই অভিযানে অংশ নেওয়া প্রত্যেককে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।” কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অধ্যাপকদের প্রতিও বিশেষ আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শুধু পাঠদান নয়, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মাদকের ভয়াবহতা নিয়েও নিয়মিত আলোচনা করুন। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেশাবিরোধী সচেতনতা আন্দোলন গড়ে তুলুন। আপনাদের এই উদ্যোগ অসংখ্য তরুণের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে।” প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সরকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগই সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠতে পারে।
গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দূর না হলে তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস আরও শক্তিশালী হবে না: রাহুল
সকাল সকাল ডেস্ক, চেন্নাই : তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করতে হলে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দূর করাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার মহাবলীপুরমে তামিলনাড়ু পর্যটন দফতরের অতিথিশালায় আয়োজিত তামিলনাড়ু কংগ্রেসের জেলা সভাপতিদের প্রশিক্ষণ শিবিরের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি প্রস্তাবিত লোকসভা কেন্দ্র পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ শিবিরে জেলা সভাপতি এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সংগঠন সম্প্রসারণ, বুথস্তরে দলকে আরও শক্তিশালী করা, রাজনৈতিক কৌশল এবং আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। রাহুল গান্ধী বলেন, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস তুলনামূলকভাবে দুর্বল থাকার অন্যতম কারণ দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। বিভিন্ন গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে কাজ করার প্রবণতা সংগঠনের সামগ্রিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ব্যক্তিগত মতপার্থক্য ভুলে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কংগ্রেস তখনই শক্তিশালী হবে, যখন নেতা-কর্মীরা মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নেবেন। জেলা সভাপতিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের এলাকায় সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও দৃঢ় যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। জনস্বার্থের বিষয়গুলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জনই সংগঠনকে শক্তিশালী করার মূল চাবিকাঠি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধী প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন প্রসঙ্গেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, বর্তমান প্রস্তাব অনুযায়ী লোকসভা কেন্দ্র পুনর্বিন্যাস কার্যকর হলে তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তাঁর মতে, এটি শুধু রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের বিষয় নয়, বরং দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো, রাজ্যগুলির অধিকার এবং মানুষের সাংবিধানিক স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত। তিনি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও রাজ্যগুলিকে এই ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বর্তমান পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়াকে সমর্থনকারীদের সমালোচনা করে বলেন, এই ধরনের অবস্থান তামিলনাড়ুর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও স্বার্থকে দুর্বল করতে পারে। রাহুলের বক্তব্যে স্পষ্ট, সংগঠনের ভিত মজবুত করার পাশাপাশি সাংবিধানিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রশ্নেও কংগ্রেস আগামী দিনে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চায়।
নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৭,৯০০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক, বিজয়নগরম : অন্ধ্রপ্রদেশে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার বিজয়নগরম জেলার ভোগাপুরামে ‘আল্লুরি সীতারাম রাজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পাশাপাশি তিনি ১৭ হাজার ৯০০ কোটিরও বেশি টাকার একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এবং কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডু। বিমানবন্দরের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী নতুন টার্মিনাল ও অন্যান্য পরিকাঠামো পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরম্পরাগত ‘ধিমসা’ নৃত্য পরিবেশন করেন হাজার হাজার আদিবাসী শিল্পী। তাঁদের পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৩ হাজারেরও বেশি আদিবাসী মহিলার অংশগ্রহণ, নিষ্ঠা এবং নিজেদের সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উপস্থাপনা সত্যিই অনন্য। এই পরিবেশনা ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতিফলন এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আদিবাসী ঐতিহ্য সংরক্ষণের উজ্জ্বল উদাহরণ। উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে যে সব প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করা হয়েছে, তার মধ্যে বিমানবন্দর, সড়ক পরিকাঠামো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাঁর মতে, এই প্রকল্পগুলি অন্ধ্রপ্রদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তিনি আরও বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তিশালী পরিবহণ নেটওয়ার্ক এবং জ্বালানি পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজ্যের শিল্প, বাণিজ্য, পর্যটন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। এই উপলক্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে উন্নয়নের এই ধারা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।