কোহলি-গিল ব্যর্থ, রাহুলের দুরন্ত শতকে ৩৫১ ভারতের
সকাল সকাল ডেস্ক টপ অর্ডারের দুই তারকা শুভমান গিল ও বিরাট কোহলির ব্যর্থতার পরও বড় রান তুলল ভারত। শনিবার নিয়মরক্ষার ম্যাচে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছিল ভারতীয় ব্যাটিং। তবে রোহিত শর্মার ৯২ রানের ইনিংসের পর কে এল রাহুলের অপরাজিত ১২৯ রানের দুরন্ত শতকে ঘুরে দাঁড়ায় দল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৫১ রান তোলে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। চোটের কারণে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ছিটকে যাওয়ায় দলে সুযোগ পান অংশুল কম্বোজ। এই ম্যাচ দিয়েই একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তরুণ অলরাউন্ডারের। তবে মুল্লানপুরে ভারতের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। প্রথম পাঁচ ওভারে রানের গতি ছিল অত্যন্ত মন্থর। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান গত ম্যাচে দ্বিশতরান করা শুভমান গিল। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বিরাট কোহলি প্রথম বলেই আউট হয়ে গেলে। মাঝে একটি ওয়াইড থাকলেও পরপর দুই বৈধ বলে দুই উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ রানে ২ উইকেট। সেখান থেকেই ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রোহিত শর্মা ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়। স্বাভাবিক আগ্রাসী মেজাজের পরিবর্তে শুরুতে ধৈর্য ধরে ব্যাট করেন রোহিত। সময় নিয়ে উইকেটে থিতু হওয়ার পর ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়ান। শতরানের দিকে এগোলেও শেষ পর্যন্ত ৯২ রানে থামতে হয় তাঁকে। দ্রুত রান তুলতে গিয়ে উইকেট হারান রোহিত। অন্যদিকে রুতুরাজও গুরুত্বপূর্ণ অর্ধশতরান করেন। তবে ক্রিজে জমে যাওয়ার পর নিজের ইনিংসকে আরও বড় করতে পারেননি তিনি। এরপর ভারতের ইনিংসের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন কে এল রাহুল। ২৫তম ওভারে ব্যাট করতে নেমে মাঝের ও নীচের সারির ব্যাটারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। শেষের দিকে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত বাড়তে থাকে ভারতের রান। শেষ পর্যন্ত ৮৭ বলে অপরাজিত ১২৯ রান করেন রাহুল। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটিই তাঁর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। তাঁর ইনিংসের সৌজন্যেই শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে সাড়ে তিনশোর গণ্ডি পার করে ভারত। অভিষেক ম্যাচে ব্যাট হাতেও নজর কাড়েন অংশুল কম্বোজ। মাত্র ৯ বলে ১৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। নমন ধীরের ব্যাট থেকেও আসে গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রান। সব মিলিয়ে ৫০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৩৫১ রান। গিল-কোহলির দ্রুত বিদায়ের পর যে ইনিংস একসময় বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল, রোহিতের দায়িত্বশীল ব্যাটিং এবং রাহুলের দুরন্ত শতরান সেই ইনিংসকেই শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়।
বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে কুস্তিতে সোনা আমন সেহরাওয়াতের
সকাল সকাল ডেস্ক জাপানের আইচি-নাগোয়ায় আয়োজিত ২০২৬ এশিয়ান গেমসে ভারতের সাফল্যের ধারা অব্যাহত। পুরুষদের ফ্রিস্টাইল ৫৭ কেজি কুস্তির ফাইনালে উত্তর কোরিয়ার হান চং সংকে ১১-৭ ব্যবধানে হারিয়ে স্বর্ণপদক জিতলেন ভারতের আমন সেহরাওয়াত। ২৩ বছর বয়সি এই কুস্তিগিরের হাত ধরে চলতি এশিয়ান গেমসে আরও একটি সোনা এল ভারতের ঝুলিতে। ফাইনালের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন আমন। প্রথম পর্বে আক্রমণাত্মক কুস্তি করে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যান তিনি। দ্রুত পয়েন্ট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষের উপর চাপ তৈরি করেন ভারতীয় কুস্তিগির। তবে দ্বিতীয় পর্বে ম্যাচের ছবিটা বদলানোর চেষ্টা করেন হান চং সং। একের পর এক আক্রমণে পয়েন্ট তুলে আমনকে চাপে ফেলেন উত্তর কোরিয়ার কুস্তিগির। ম্যাচ যত এগোতে থাকে, ততই বাড়তে থাকে উত্তেজনা। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ধৈর্য হারাননি আমন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ফিরে আসেন তিনি। লড়াইয়ের এক পর্যায়ে ম্যাচ কিছুক্ষণের জন্য থামায় ছন্দে ব্যাঘাত ঘটে। তবে তাতেও মনঃসংযোগ হারাননি আমন। শেষ দিকে কৌশলগত লড়াইয়ে নিজের এগিয়ে থাকা ধরে রেখে প্রতিপক্ষকে আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ দেননি। শেষ পর্যন্ত ১১-৭ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক নিজের করে নেন আমন সেহরাওয়াত। এশিয়ান গেমসের মতো বড় মঞ্চে চাপের মুখে তাঁর আক্রমণাত্মক কুস্তি এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত স্নায়ুর উপর নিয়ন্ত্রণই ফাইনালে পার্থক্য গড়ে দেয়।
এশিয়ান গেমসে হকিতে ভারতের জোড়া সোনা, অলিম্পিকের টিকিট নিশ্চিত
সকাল সকাল ডেস্ক এশিয়ান গেমস ২০২৬-এ ভারতীয় হকিতে তৈরি হল নতুন ইতিহাস। একই আসরে পুরুষ ও মহিলা—দুই বিভাগেই স্বর্ণপদক জিতে নজির গড়ল ভারত। মহিলা দল ফাইনালে চিনকে ১-০ গোলে হারিয়ে সোনা জয়ের পর পুরুষ দলও ফাইনালে জয় তুলে নিয়ে নিজেদের শিরোপা ধরে রাখল। এশিয়ান গেমসের একই সংস্করণে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দলের সোনা জয়ের ঘটনা এই প্রথম। এই জোড়া সাফল্যের সঙ্গে আরও একটি বড় প্রাপ্তি এল ভারতীয় হকির ঝুলিতে। পুরুষ ও মহিলা—দুই দলই ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ফলে অলিম্পিকের টিকিটের জন্য আলাদা যোগ্যতা অর্জন পর্বে নামতে হবে না দুই দলকে। টানা দ্বিতীয় সোনা পুরুষ দলের গত এশিয়ান গেমসের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও চ্যাম্পিয়ন হল ভারতীয় পুরুষ হকি দল। টানা দুই আসরে সোনা জয়ের মাধ্যমে নতুন নজিরও গড়ল দল। এর আগে ভারতীয় পুরুষ হকি দল এশিয়ান গেমসে ১৯৬৬, ১৯৯৮, ২০১৪ ও ২০২২ সালে স্বর্ণপদক জিতেছিল। ২০২৬-এর সাফল্য মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় পুরুষ দলের সোনার সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ। চিনকে হারিয়ে মহিলা দলের স্বর্ণজয় ভারতীয় মহিলা হকি দলও এবারের আসরে স্মরণীয় সাফল্য পেয়েছে। ফাইনালে শক্তিশালী চিনকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্বর্ণপদক নিশ্চিত করে ভারত। দীর্ঘ অপেক্ষার পর মহিলা দলের এই সাফল্য ভারতীয় হকির ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এক আসরে জোড়া সোনার নজির পুরুষ ও মহিলা দলের এই জোড়া সাফল্যের ফলে এশিয়ান গেমসে ভারতীয় হকির ইতিহাসে যোগ হল নতুন অধ্যায়। একই আসরে দুই দলের স্বর্ণপদক, পুরুষ দলের খেতাব ধরে রাখা এবং দুই দলেরই ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের টিকিট নিশ্চিত হওয়া—সব মিলিয়ে এবারের এশিয়ান গেমস ভারতীয় হকির জন্য স্মরণীয় হয়ে রইল।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মাইক বেয়ার্ড, অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন ডেভিড বুন
সকাল সকাল ডেস্ক সিডনি : বিগ ব্যাশ লিগে বেসরকারি বিনিয়োগ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বোর্ডের সিদ্ধান্তকে তার নিজ রাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলস সমর্থন না করায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মাইক বেয়ার্ড । প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ডেভিড বুন অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন। বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের (বিসিজি) পর্যালোচনার পর, মেলবোর্ন রেনেগেডস ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রির মাধ্যমে বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) বেসরকারিকরণ চালুর একটি উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বেয়ার্ড এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও টড গ্রিনবার্গ। “আমি বিশ্বাস করি, সিএ বোর্ডের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট ভালোভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের বিপুল অভিজ্ঞতা এবং খেলার প্রতি আবেগের সংমিশ্রণ আমাকে ভবিষ্যৎ নিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস জোগায়,” একটি বিবৃতিতে বলেছেন। তার স্থলাভিষিক্ত বুন, যিনি ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ১০৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ৭,৪২২ রান করেছেন, আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। “আমি আনন্দিত যে আনুষ্ঠানিক সভাপতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ডেভিড বুন অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে সম্মত হয়েছেন এবং আগামী সপ্তাহগুলোতে আমি ডেভিডের সাথে একটি হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব,” বেয়ার্ড বলেছেন।
বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচ, না খেলেই এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারত
সকাল সকাল ডেস্ক এশিয়ান গেমসে ভারত ও আফগানিস্তানের ক্রিকেট কোয়ার্টার ফাইনাল ভেস্তে গেল মুষলধারে বৃষ্টিতে। নিসশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে সোমবার ম্যাচটি হওয়ার কথা থাকলেও টস পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ম্যাচ বাতিল ঘোষণা করেন আধিকারিকরা। তবে খেলা না হলেও আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে আফগানিস্তানের চেয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে সরাসরি সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। দিনভর বৃষ্টির পূর্বাভাস আগে থেকেই ছিল। তা সত্ত্বেও আবহাওয়ার উন্নতি হলে অন্তত কিছু ওভারের ম্যাচ আয়োজনের আশা ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে মাঠ ও পিচ কভারে ঢাকা থাকায় সেই সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, নকআউট ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল পরবর্তী পর্বে জায়গা পাবে। সেই নিয়মেই আফগানিস্তানকে পিছনে ফেলে শেষ চারে পৌঁছে গেল শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। আগামী ১ অক্টোবর সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ হবে শ্রীলঙ্কা অথবা নেপাল। এশিয়ান গেমসে খেতাব ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে জাপানে এসেছে ভারত। একই সময়ে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ চললেও এশিয়ান গেমসের জন্য শক্তিশালী টি-টোয়েন্টি দল পাঠানো হয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে প্রস্তুতি ম্যাচেও মাঠে নেমেছিল ভারত। মঙ্গলবার সানোতে আয়োজক জাপানের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ভারতীয় দল। স্পিন-সহায়ক উইকেটে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছিল ক্রিকেটারদের। সেই ম্যাচের পর টোকিও থেকে বুলেট ট্রেনে নাগোয়া পৌঁছয় দল। তবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ কোয়ার্টার ফাইনালে আর মাঠে নামার সুযোগ হল না। এদিন বৃষ্টির কারণে শুধু ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচই নয়, পাকিস্তান ও হংকংয়ের কোয়ার্টার ফাইনালও বাতিল হয়েছে। নিসশিনের একই মাঠে ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানেও টস করা সম্ভব হয়নি। আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে হংকংয়ের চেয়ে এগিয়ে থাকায় পাকিস্তানও কোনও বল না খেলেই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে হংকং। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে আরেকটি কোয়ার্টার ফাইনাল হওয়ার কথা। সেই ম্যাচের বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে খেলবে পাকিস্তান। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা-নেপাল ম্যাচের ফলের দিকে নজর থাকবে ভারতের। সেই ম্যাচের বিজয়ীর বিরুদ্ধেই ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নামবেন শ্রেয়সরা।
বিরাটের ব্যাটে রেকর্ডের বন্যা
সকাল সকাল ডেস্ক তিরুঅনন্তপুরমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে বিধ্বংসী বিরাট কোহলি। মাত্র ৮৮ বলে অপরাজিত ১৩৯ রানের ইনিংস খেলে ভারতকে জেতানোর পাশাপাশি একের পর এক রেকর্ড গড়লেন তিনি। রবিবার গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ভারত। রান তাড়া করতে নেমে শুভমান গিলের সঙ্গে ১৫১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন কোহলি। গিল করেন ১১০ রান। অন্যদিকে ১৫৭-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করা কোহলির ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৯টি ছক্কা। এই ইনিংসেই সচিন তেন্ডুলকর ও সুনীল গাভাসকরের একাধিক নজির স্পর্শ বা অতিক্রম করেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সর্বাধিক শতরানের নিরিখে সুনীল গাভাসকরকে স্পর্শ করেছেন কোহলি। ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে গাভাসকরের ৩৮ ম্যাচে ১৩টি শতরান রয়েছে। কোহলি নিজের ৭৪তম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ১৩তম আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন। একদিনের ক্রিকেটে ১৫ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন কোহলি। এই কীর্তি গড়া দ্বিতীয় ব্যাটার তিনি। তবে ইনিংসের হিসাবে দ্রুততম। সচিন তেন্ডুলকরের যেখানে ১৫ হাজার ওয়ানডে রান করতে ৩৭৭টি ইনিংস লেগেছিল, সেখানে কোহলি মাত্র ৩০৩ ইনিংসেই এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। দেশের মাটিতে ওয়ানডেতে সর্বাধিক রানের রেকর্ডও নিজের নামে করেছেন কোহলি। ভারতে ১৩১ ম্যাচে তাঁর রান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭,০০৬। গড় ৬৩.৬৯। এর ফলে সচিনের ৬,৯৭৬ রানের নজির পেরিয়ে গিয়েছেন তিনি। লিস্ট-এ ক্রিকেটেও আরও একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কোহলি। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে তাঁর শতরানের সংখ্যা এখন ৬০। এই ক্ষেত্রে সচিন তেন্ডুলকরের ৬০টি শতরানের নজির ছুঁয়েছেন তিনি। ৩৫১টি ম্যাচ খেলে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন কোহলি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে এটি কোহলির দশম শতরান। কোনও একটি নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর সর্বাধিক ওয়ানডে শতরানের রেকর্ডও এটি। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও তাঁর ১০টি শতরান রয়েছে। এদিন মাত্র ৭৪ বলে তিন অঙ্কে পৌঁছন কোহলি। এটি তাঁর ওয়ানডে কেরিয়ারের তৃতীয় দ্রুততম শতরান। পাশাপাশি ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০০ ছক্কার মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি। ক্যারিবিয়ান বোলারদের বিরুদ্ধে এদিন মোট ৯টি ছক্কা হাঁকান কোহলি, যা এক ওয়ানডে ইনিংসে তাঁর সর্বাধিক। আগের সর্বোচ্চ ছিল ৮টি ছক্কা। রান তাড়ার ক্ষেত্রেও নিজের দাপট আরও একবার প্রমাণ করেছেন কোহলি। সফল রান তাড়ায় এটি তাঁর ২৫তম ওয়ানডে শতরান। এই পরিসংখ্যানে তাঁর পরেই রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর, যাঁর সফল রান তাড়ায় ১৪টি ওয়ানডে শতরান রয়েছে। সব মিলিয়ে তিরুঅনন্তপুরমের রাত শুধু ভারতের জয়ের জন্য নয়, বিরাট কোহলির একের পর এক মাইলফলকের জন্যও স্মরণীয় হয়ে রইল।
ট্র্যাকে ইতিহাস গড়লেন বিদ্যা রামরাজ
সকাল সকাল ডেস্ক এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে নতুন ইতিহাস লিখলেন ভারতের বিদ্যা রামরাজ। মহিলাদের ৪০০ মিটার হার্ডলসের ফাইনালে ৫৪.৭৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতলেন তিনি। একই সঙ্গে ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি পিটি ঊষার ৪২ বছরের পুরনো জাতীয় রেকর্ড। ২৮ বছর বয়সি তামিলনাড়ুর এই অ্যাথলিট নিজের ব্যক্তিগত সেরা টাইমিং করেই নতুন নজির গড়লেন। ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে মহিলাদের ৪০০ মিটার হার্ডলসে ৫৫.৪২ সেকেন্ড সময় করেছিলেন পিটি ঊষা। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল। সোমবার জাপানের আইচি-নাগোয়ায় সেই ইতিহাস নতুন করে লিখলেন বিদ্যা। বিশেষ তাৎপর্যের বিষয়, ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার সভানেত্রী হিসেবে পিটি ঊষা এশিয়ান গেমসে উপস্থিত রয়েছেন। তাঁর উপস্থিতিতেই জাতীয় রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়লেন কোয়েম্বাটোরের বিদ্যা। ফাইনালে শুরু থেকেই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আট ফাইনালিস্টের মধ্যে চারজন নিজেদের ব্যক্তিগত সেরা সময় করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মরিয়ম করিম ৫৪.৩১ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে সোনা জেতেন। একই সঙ্গে গেমস রেকর্ডও গড়েন তিনি। কাজাখস্তানের অ্যাডেলিনা জেমস ৫৪.৫৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে রুপো পান। ৫৪.৭৫ সেকেন্ডে ফিনিশ করে তৃতীয় হন বিদ্যা। এই ইভেন্টে ভারতের আরেক প্রতিযোগী অনু রাঘবনও নিজের ব্যক্তিগত সেরা পারফরম্যান্স করেন। ৫৫.৮৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে তিনি পঞ্চম স্থানে শেষ করেন। অন্যদিকে পুরুষদের ৪০০ মিটার হার্ডলসের ফাইনালে ভারতের সন্তোষ টি ৪৯.৯৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে সপ্তম হন। জাতীয় রেকর্ড ভাঙার বিষয়টি স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে উঠতেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন বিদ্যা। ট্র্যাকেই নেচে নিজের সাফল্য উদযাপন করেন তিনি। এর আগে গত এশিয়ান গেমসের হিটে ৫৫.৪২ সেকেন্ড সময় করে পিটি ঊষার জাতীয় রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন বিদ্যা। তবে সেবার রেকর্ডটি এককভাবে নিজের নামে করতে পারেননি। এবার আরও দ্রুত দৌড়ে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটালেন তিনি। চলতি এশিয়ান গেমসে এটি বিদ্যার দ্বিতীয় পদক। এর আগে ৪×৪০০ মিটার মিক্সড রিলেতে রুপোজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি। আগামী দিনে মহিলাদের ৪×৪০০ মিটার রিলেতেও ভারতের হয়ে ট্র্যাকে নামার কথা রয়েছে তাঁর। কেন্দ্রীয় সরকারের টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিম বা ‘টপস’-এর আওতায় প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা পান বিদ্যা। তাঁর ব্রোঞ্জের সুবাদে চলতি এশিয়ান গেমসের অ্যাথলেটিক্সে ভারতের পদক সংখ্যা আরও বাড়ল। ব্যক্তিগত পদকের পাশাপাশি ৪২ বছরের পুরনো জাতীয় রেকর্ড ভেঙে বিদ্যা ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সে নতুন অধ্যায় যোগ করলেন।
বিয়ের পর প্রথমবার পর্দায় রাশমিকা-বিজয়
সকাল সকাল ডেস্ক দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা এবার বড় পর্দায় ফিরছেন ‘রানাবালি’ নিয়ে। বিয়ের পর এটিই তাঁদের একসঙ্গে প্রথম ছবি। মুক্তির আগে ছবির প্রচারের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের এই জুটির রসায়ন ও খুনসুটিও সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। সম্প্রতি ‘রানাবালি’র ‘এন্ধাইয়া সামি’ গানের একটি ক্লিপ নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন রাশমিকা। সেখানে বিজয়ের প্রতি নিজের ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। রাশমিকা লেখেন, ‘এটা ভাবতেই অবাক লাগে যে, সে পুরোপুরি আমার। তবু তার প্রতি ক্রাশ খাওয়া আমি থামাতে পারি না।’ স্ত্রীর এমন মন্তব্যের জবাব দিতেও দেরি করেননি বিজয়। রাশমিকার পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় তিনি লেখেন, ‘আমি আশীর্বাদপুষ্ট। আমি জয়াম্মাকে মিস করব। তবে তোমাকে তো সারাজীবনের জন্য পেয়েছি।’ তাঁদের এই কথোপকথন প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। ‘রানাবালি’তে নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। অন্যদিকে রাশমিকাকে দেখা যাবে জয়াম্মার চরিত্রে। ছবিতে রানাবালির সংগ্রামের অন্যতম সঙ্গী হিসেবে উঠে আসবে তাঁর চরিত্র। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে ‘রানাবালি’। ছবির গল্পের পটভূমিতে রয়েছে ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮ সালের ভয়াবহ মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষ। আইএমডিবিতে প্রকাশিত ছবির কাহিনির সংক্ষিপ্তসার অনুযায়ী, ১৮৭০-এর দশকে দক্ষিণ ভারতে দুর্ভিক্ষের সময় এক বিদ্রোহী যোদ্ধা ব্রিটিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন। নিজের অঞ্চল ও সেখানকার মানুষকে রক্ষা করার লড়াইকে কেন্দ্র করেই এগোয় ছবির গল্প। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের পাশাপাশি বিজয়-রাশমিকার পর্দার রসায়নও ‘রানাবালি’র অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে। বাস্তব জীবনের জুটিকে নতুন চরিত্রে বড় পর্দায় দেখতে তাই অপেক্ষায় তাঁদের অনুরাগীরা।
বাংলায় শুরু ‘বাংলার ডান্সিং আইকন’
সকাল সকাল ডেস্ক বাংলার বিনোদন জগতে শুরু হতে চলেছে নতুন নাচের রিয়ালিটি শো ‘বাংলার ডান্সিং আইকন’। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা নৃত্যপ্রতিভাদের খুঁজে এনে বড় মঞ্চে তুলে ধরাই এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য। শো-এর অন্যতম আকর্ষণ অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। বিচারকের আসনে তাঁর সঙ্গে থাকছেন শ্রীমা ভট্টাচার্য, খেয়ালি মণ্ডল, অঙ্কুশ্রী মাইতি, রিকি তিওয়ারি এবং স্যান্ডি রঙ। তবে কোন চ্যানেলে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হবে, তা এখনও জানানো হয়নি। ‘বাংলার ডান্সিং আইকন’-এর অন্যতম বিশেষত্ব হল প্রতিযোগীদের ক্ষেত্রে কোনও বয়সসীমা রাখা হচ্ছে না। শিশু থেকে তরুণ-তরুণী, মধ্যবয়সি কিংবা প্রবীণ—যে কোনও বয়সের প্রতিযোগী এই মঞ্চে অংশ নিতে পারবেন। নাচের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রতিভাই হবে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মূল যোগ্যতা। সারা বাংলা জুড়ে অডিশনের মাধ্যমে প্রতিযোগীদের বেছে নেওয়া হবে। শো-টির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন কারান আরিয়ান। নিজে নৃত্যশিল্পী ও কোরিয়োগ্রাফার হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই নাচ নিয়ে এমন একটি অনুষ্ঠান তৈরির ইচ্ছা ছিল তাঁর। পরিচালক জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের বিচারকেরাও প্রত্যেকে কোনও না কোনও ভাবে নাচের সঙ্গে যুক্ত। তাই বাংলার দর্শকদের সামনে নতুন ধরনের একটি নাচের অনুষ্ঠান তুলে ধরার চেষ্টা করছেন তাঁরা। কারান আরিয়ানের কথায়, তিনি নিজে ড্যান্স কোরিয়োগ্রাফার হওয়ায় নাচ নিয়ে একটি শো করার পরিকল্পনা দীর্ঘদিনের। ‘বাংলার ডান্সিং আইকন’-এর মাধ্যমে বাংলার নাচের রিয়ালিটি শো-কে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, এই প্রতিযোগিতায় বয়সের কোনও সীমাবদ্ধতা থাকবে না। বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশ নিতে পারবেন। সারা বাংলা জুড়ে অডিশনের মাধ্যমে প্রতিভাবান প্রতিযোগীদের খুঁজে এনে তাঁদের মঞ্চ দেওয়াই অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্দেশ্য। বয়স কিংবা পেশার সীমারেখা ছাড়িয়ে যাঁরা নাচের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে চান, তাঁদের জন্য ‘বাংলার ডান্সিং আইকন’ নতুন সুযোগ তৈরি করতে চলেছে। প্রতিযোগিতা, বিনোদন এবং বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের নৃত্যপ্রতিভাদের নিয়ে নতুন এই রিয়ালিটি শো দর্শকদের কতটা আকর্ষণ করতে পারে, এখন সেটাই দেখার।
শাহরুখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিতাভ
সকাল সকাল ডেস্ক কঠিন পরিস্থিতিতেও সহজে হার মানেন না শাহরুখ খান। শুধু নিজে ঘুরে দাঁড়ানোই নয়, আশপাশের মানুষকে উৎসাহ দেওয়া এবং তাঁদের মনোবল বাড়িয়ে তোলার বিশেষ ক্ষমতাও রয়েছে তাঁর। এবার বলিউডের ‘কিং খান’-এর এই গুণের প্রশংসা করলেন অমিতাভ বচ্চন। ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র ১৮তম মরশুমের একটি পর্বে অভিনেতা রাজকুমার রাওয়ের সঙ্গে কথোপকথনের সময় শাহরুখকে নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন বিগ বি। অনুষ্ঠানে নিজের অভিনয় জীবনের শুরুর দিনের কথা বলতে গিয়ে শাহরুখের প্রসঙ্গ তোলেন রাজকুমার। তিনি জানান, শাহরুখের মতো তিনিও দিল্লির সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। দিল্লিতে থিয়েটার ও টেলিভিশনে কাজ করার পর শাহরুখ যেভাবে মুম্বইয়ে এসে বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন, সেই যাত্রা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল। রাজকুমার জানান, মুম্বইয়ে তাঁর নিজের সংগ্রামের দিনগুলিতেও শাহরুখের সাফল্যের গল্প সাহস জুগিয়েছে। একই সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনও তাঁর জীবনের অন্যতম অনুপ্রেরণা। রাজকুমারের কথায়, তাঁর মায়ের ঘরে দীর্ঘদিন অমিতাভের একটি পোস্টার ছিল। কথোপকথনে শাহরুখের নাম উঠতেই তাঁর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন অমিতাভ। বিগ বি জানান, শাহরুখ এমন একজন মানুষ, যিনি প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেও সহজে পরাজয় স্বীকার করেন না। বরং কঠিন সময়ে নিজের পাশাপাশি আশপাশের মানুষকেও ইতিবাচক থাকতে সাহায্য করেন। অমিতাভের মতে, মানুষের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়িয়ে দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে শাহরুখের। কোনও সমস্যা সামনে এলে তিনি সরাসরি কথা বলেন এবং এমনভাবে পরিস্থিতি সামলান, যাতে সামনের মানুষটিও নতুন করে সাহস পান। দীর্ঘদিনের সহ-অভিনেতার এই মানসিকতার প্রশংসা করেন অমিতাভ। বলিউডে একসময় অমিতাভ ও শাহরুখের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শোনা গিয়েছিল। দুই তারকার মধ্যে পেশাগত প্রতিযোগিতা বা দূরত্ব রয়েছে বলেও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কেবিসির মঞ্চে শাহরুখকে নিয়ে অমিতাভের বক্তব্য তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের অন্য ছবিই তুলে ধরেছে। শাহরুখের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ বলেও জানিয়েছেন প্রবীণ অভিনেতা। অমিতাভ বচ্চন ও শাহরুখ খান একসঙ্গে ‘মহব্বতে’, ‘কভি খুশি কভি গম’, ‘কভি আলবিদা না কেহনা’-র মতো একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। এবার কেবিসির মঞ্চে শাহরুখের ব্যক্তিত্ব ও হার না মানা মানসিকতা নিয়ে বিগ বি-র প্রশংসা নতুন করে নজর কেড়েছে।