প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন: চুল মজবুত ও উজ্জ্বল রাখার সহজ ঘরোয়া উপায়
সকাল সকাল ডেস্ক প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন করলে চুলের গোড়া পুষ্ট হয়, কমতে পারে চুল পড়া ও রুক্ষতা, ফিরতে পারে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন: চুল মজবুত ও উজ্জ্বল রাখার সহজ ঘরোয়া উপায় বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নেওয়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। দূষণ, ধুলোবালি, মানসিক চাপ এবং রাসায়নিকযুক্ত চুলের প্রসাধনীর অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চুল শুষ্ক, রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি অল্প বয়সেই চুল পড়া, ভেঙে যাওয়া এবং অকালে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যাও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নিলে মাথার ত্বক সুস্থ থাকে, চুলের গোড়া প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য মিলতে পারে। কেন প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন জরুরি? রাসায়নিক উপাদানযুক্ত প্রসাধনী অনেক সময় অল্প সময়ের জন্য চুলকে সুন্দর দেখালেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যায়। অন্যদিকে, ভেষজ ও প্রাকৃতিক উপাদান সাধারণত মাথার ত্বক ও চুলের গোড়াকে পুষ্টি জোগাতে সহায়ক। তবে কোনও উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে তা ব্যবহার না করাই ভালো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আমলকির জল চুলের গোড়া শক্ত রাখতে সহায়ক চুলের যত্নে আমলকির ব্যবহার বহু প্রাচীন। এতে থাকা প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের গোড়াকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অকালে চুল পেকে যাওয়ার ঝুঁকিও কিছুটা কমাতে সহায়ক হতে পারে। দুই কাপ জলে এক কাপ শুকনো আমলকি ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। চুল ধোয়ার পর এই জল ব্যবহার করলে চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য মিলতে পারে। রিঠা প্রাকৃতিক পরিষ্কারক হিসেবে কার্যকর রিঠা একটি পরিচিত প্রাকৃতিক পরিষ্কারক। এটি মাথার ত্বকে জমে থাকা অতিরিক্ত তেল, ধুলো ও ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ফলে চুল পরিষ্কার, নরম এবং সতেজ অনুভূত হয়। কয়েকটি রিঠা জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। এরপর চুল ধোয়ার পর সেই জল ব্যবহার করলে রাসায়নিক প্রসাধনীর ব্যবহার কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শিকাকাই চুলকে নরম ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে আয়ুর্বেদে শিকাকাই দীর্ঘদিন ধরে চুলের যত্নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ মাথার ত্বককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং চুলকে কোমল ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়ক হতে পারে। শুকনো শিকাকাই জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে সেই জল দিয়ে চুল ধুলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। নিমের জল খুশকি ও মাথার ত্বকের সমস্যা কমাতে সহায়ক নিমের জীবাণুনাশক ও ছত্রাকনাশক গুণ মাথার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় উপকারী বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে খুশকি, চুলকানি এবং হালকা সংক্রমণের ক্ষেত্রে নিমপাতার জল ব্যবহার অনেকেই করে থাকেন। এক মুঠো নিমপাতা জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। এরপর সেই জল মাথার ত্বক ও চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তুলসি চুলের বৃদ্ধি ও গোড়া মজবুত রাখতে সাহায্য করে তুলসি শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেই নয়, চুলের যত্নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়া শক্ত রাখতে সহায়ক। কিছু তুলসি পাতা জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে সেই জল চুলে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সবুজ চা চুলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে পারে সবুজ চায়ে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মাথার ত্বক সুস্থ রাখতে এবং চুলের বৃদ্ধি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়ার প্রবণতা কমার পাশাপাশি চুলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসতে পারে। এক কাপ সবুজ চা তৈরি করে ঠান্ডা হওয়ার পর সেই জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। ঘৃতকুমারী শুষ্কতা দূর করতে কার্যকর ঘৃতকুমারীতে থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম ও আর্দ্রতা বজায় রাখার উপাদান শুষ্ক ও রুক্ষ চুলের জন্য উপকারী। এটি মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং চুলকে কোমল রাখতে সাহায্য করে। জলের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে লাগান। প্রায় ১০ মিনিট পর সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বিশেষজ্ঞদের মতামত বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত জল পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও অত্যন্ত জরুরি। যাঁদের দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চুল পড়া, অ্যালার্জি বা মাথার ত্বকের সংক্রমণের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রভাব নিয়মিত প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নিলে চুলের গোড়া শক্ত হতে, রুক্ষতা কমতে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়তা মিলতে পারে। তবে এগুলি কোনও চিকিৎসার বিকল্প নয়। গুরুতর সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বা বিশেষজ্ঞের বক্তব্য ত্বক ও চুলের বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের আগে নিজের ত্বকের ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কোনও উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে তা ব্যবহার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা থাকলে নিজে চিকিৎসা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করার আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। নতুন কোনও উপাদান ব্যবহার করার আগে অল্প অংশে পরীক্ষা করে নিন। পাশাপাশি সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন চুল সুস্থ রাখার অন্যতম প্রধান উপায়।
ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ শুরু ২৩ জুলাই, কবে, কখন, কোথায় দেখবেন? জয়ের ছন্দে ফিরতে মরিয়া ভারত
সকাল সকাল ডেস্ক জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে নতুন শুরুর লক্ষ্য ভারতের, জানুন সম্পূর্ণ সূচি, সময় ও সম্প্রচারের তথ্য ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজে নতুন শুরুর লক্ষ্য ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ শুরু হচ্ছে ২৩ জুলাই। সাম্প্রতিক হতাশাজনক পারফরম্যান্স ভুলে নতুন উদ্যমে মাঠে নামতে প্রস্তুত শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি ভারত। তাই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে এই ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ শুধু একটি দ্বিপাক্ষিক লড়াই নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার বড় সুযোগও বটে। তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে জিম্বাবোয়ের হারারে ক্রীড়া মাঠে। তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গড়া ভারতীয় দল এবার জয়ের ধারায় ফিরতে মরিয়া। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কবে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ম্যাচ? ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ-এর সূচি ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। তিনটি ম্যাচই ভারতীয় সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই গত কয়েক সপ্তাহ ভারতীয় দলের জন্য সুখকর ছিল না। আয়ারল্যান্ড সফরে অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আইয়ারের অভিষেক সিরিজেই ২-০ ব্যবধানে হারতে হয় ভারতকে। এরপর ইংল্যান্ড সফরেও হতাশাজনক ফল করে দল। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার পর পরবর্তী চারটি ম্যাচেই পরাজয়ের মুখ দেখতে হয় ভারতকে। এই ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর সমালোচনার মুখে পড়ে ভারতীয় দল। তাই ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ ভারতের কাছে নতুন করে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের বড় প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিরও গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। যাঁদের দিকে থাকবে বিশেষ নজর এই সিরিজে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। ইংল্যান্ড সফরে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও তাঁর প্রতিভা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস খেলেই নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করতে চাইবেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে ফিরেছেন প্রভসিমরন সিং। পাশাপাশি গতিময় পেসার ময়াঙ্ক যাদবও দুই বছর পর টি-২০ দলে ফিরেছেন। তাঁর গতি ও আক্রমণাত্মক বোলিং নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ তুঙ্গে। এছাড়া প্রথমবার জাতীয় টি-২০ দলে সুযোগ পেয়েছেন অশোক শর্মা এবং যশ ঠাকুর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর এটাই তাঁদের বড় সুযোগ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রধান কোচের দায়িত্বে ভিভিএস লক্ষ্মণ এই সফরে ভারতের সঙ্গে থাকছেন না প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁর পরিবর্তে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক ভিভিএস লক্ষ্মণ। তরুণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ফলে এই সিরিজে দলের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনায় তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পটভূমি টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় দলের কাছে প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরপর কয়েকটি সিরিজে হতাশাজনক ফল সেই আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা দেয়। অন্যদিকে জিম্বাবোয়ে নিজেদের ঘরের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ দুই দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রভাব ভারত এই সিরিজ জিততে পারলে সাম্প্রতিক ব্যর্থতা অনেকটাই ভুলে নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে আগামী প্রতিযোগিতাগুলোর প্রস্তুতি শুরু করতে পারবে। অন্যদিকে জিম্বাবোয়ে যদি ঘরের মাঠে ভালো ফল করে, তবে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বক্তব্য ভারতীয় দল নির্বাচনের সময় নির্বাচকেরা জানিয়েছেন, তরুণদের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠন করা হয়েছে। এই সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা আরও স্পষ্ট হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। জনসাধারণের জন্য তথ্য ভারত-জিম্বাবোয়ে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজের সব ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে ইউনাইটেড এইট ক্রীড়া চ্যানেলসমূহে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থাও থাকবে। ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এই সিরিজ বিশেষ আকর্ষণের, কারণ এখানে একদিকে যেমন তরুণদের পরীক্ষা হবে, তেমনই জয়ের ছন্দে ফেরার লড়াইও দেখা যাবে ভারতের।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পূর্ণশক্তির দল ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার, ফিরলেন কামিন্স-হ্যাজলউড-লায়ন
সকাল সকাল ডেস্ক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অভিজ্ঞদের প্রত্যাবর্তন, পূর্ণশক্তির দল নিয়েই মাঠে নামছে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পূর্ণশক্তির দল নিয়ে নামছে অস্ট্রেলিয়া প্রায় ২৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলা দুই ম্যাচের এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজকে সামনে রেখে ১৩ সদস্যের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, অভিজ্ঞ পেসার জোশ হ্যাজলউড এবং অফস্পিনার ন্যাথন লায়ন। তাঁদের প্রত্যাবর্তনে কার্যত পূর্ণশক্তির দল নিয়েই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে স্বাগতিকরা। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রত্যাবর্তনে বাড়ল শক্তি চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলার পর লাল বলের ক্রিকেটে দীর্ঘ বিরতি ছিল অস্ট্রেলিয়ার। সেই সময় চোটের কারণে দলের বাইরে ছিলেন প্যাট কামিন্স, জোশ হ্যাজলউড এবং ন্যাথন লায়ন। তাঁদের অনুপস্থিতিতে মাইকেল নেসের, ব্রেন্ডান ডগেট এবং টড মারফির মতো ক্রিকেটাররা সুযোগ পেয়েছিলেন। বিশেষ করে নেসের ভালো পারফরম্যান্স করলেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি তাঁর। একইভাবে ডগেট ও মারফিকেও এবার স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে। নির্বাচকদের এই সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্ট, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ওপরই সবচেয়ে বেশি ভরসা রাখছে অস্ট্রেলিয়া। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভয়ঙ্কর পেস আক্রমণের প্রস্তুতি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের সঙ্গে পেস বিভাগে থাকছেন মিচেল স্টার্ক এবং জোশ হ্যাজলউড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্যতম সফল এই তিন পেসারের একসঙ্গে প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করেছে। অতিরিক্ত পেসার হিসেবে রয়েছেন স্কট বোল্যান্ড। সুযোগ পেলেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন এবং বিউ ওয়েবস্টারও প্রয়োজনে পেস বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবেন। স্পিন বিভাগের ভরসা ন্যাথন লায়ন স্পিন আক্রমণের দায়িত্ব আবারও ন্যাথন লায়নের কাঁধে। দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার স্পিন বিভাগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম তিনি। চোট কাটিয়ে তাঁর প্রত্যাবর্তন দলের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বাংলাদেশের ব্যাটাররা স্পিন ভালো খেললেও লায়নের অভিজ্ঞতা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্যাটিংয়েও অভিজ্ঞতার ছাপ ব্যাটিং বিভাগেও রয়েছে ভারসাম্য এবং অভিজ্ঞতার মিশেল। উসমান খোয়াজার অবসরের পর উদ্বোধনী জুটিতে ট্রাভিস হেডের সঙ্গে জ্যাক ওয়েদারাল্ডকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঝের সারিতে রয়েছেন স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, অ্যালেক্স কেয়ারি এবং জোশ ইংলিস। অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই দলের অন্যতম বড় ভরসা। পটভূমি বাংলাদেশ প্রায় আড়াই দশক পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে। দুই দলের কাছেই এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় অস্ট্রেলিয়া শীর্ষে রয়েছে। আটটি ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে জয় তুলে নিয়ে তারা ৮৭.৫০ শতাংশ পয়েন্ট অর্জন করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ৫৮.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ফলে এই সিরিজের ফল দুই দলের অবস্থানেই বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব অস্ট্রেলিয়া এই সিরিজ জিতে পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করতে চাইবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভালো ফল করে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও উন্নত করার সুযোগ পাবে। দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ খেলতে নামায় ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহও তুঙ্গে। সরকারি বক্তব্য দল ঘোষণার পর নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান জর্জ বেইলি বলেন, প্যাট কামিন্স, জোশ হ্যাজলউড এবং ন্যাথন লায়নের প্রত্যাবর্তন দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চোট কাটিয়ে ফিরতে তাঁরা গত কয়েক মাস ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের শক্তি আরও বাড়াবে বলেই নির্বাচকদের বিশ্বাস। জনসাধারণের জন্য তথ্য সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনে এবং চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ থেকে ২৬ আগস্ট ম্যাকে শহরে। প্রায় ২৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। তাই এই সিরিজ ঘিরে দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।
বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর আবেগঘন বার্তায় নীরবতা ভাঙলেন লিওনেল মেসি, বললেন ‘ক্ষত শুকোতে সময় লাগবে’
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দিলেন লিওনেল মেসি, প্রতিপক্ষকেও জানালেন অভিনন্দন বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের পর অবশেষে মুখ খুললেন মেসি বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর একদিন সম্পূর্ণ নীরব ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার যন্ত্রণা নিয়ে তিনি ম্যাচের পর কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে একদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক আবেগঘন বার্তায় সমর্থকদের উদ্দেশে নিজের মনের কথা তুলে ধরেন। বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই হার তাঁকে কতটা কষ্ট দিয়েছে, তা তাঁর প্রতিটি শব্দেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অতিরিক্ত সময়ের গোলে ভেঙে যায় স্বপ্ন রবিবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় স্পেন। সেই গোলই নির্ধারণ করে দেয় শিরোপার ভাগ্য। চার বছর আগে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া আর্জেন্টিনার সামনে ছিল ইতিহাস গড়ার সুযোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেন শিবিরে শুরু হয় আনন্দ-উল্লাস, আর আর্জেন্টিনা শিবিরে নেমে আসে গভীর হতাশা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মেসির আবেগঘন বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় মেসি লেখেন, “যন্ত্রণা অসীম। এই ক্ষত শুকোতে সময় লাগবে। তবু আমি ভালো মুহূর্তগুলোই মনে রাখতে চাই। যেসব ম্যাচে আমরা কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, নিজেদের সবটা উজাড় করে দিয়েছি, সেগুলোই আমাদের শক্তি হয়ে থাকবে। গোটা দেশের সমর্থন, সতীর্থদের আত্মনিবেদন এবং আমাদের লড়াই আবারও বিশ্বফুটবলের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। আজ হয়তো পুরো বিষয়টা উপলব্ধি করতে পারছি না। তবে এই দল টানা দু’টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। প্রতিটি শুভেচ্ছা, প্রতিটি ভালোবাসা এবং প্রতিটি বার্তার জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ। বিশ্বকাপ জয়ের জন্য স্পেনকে অভিনন্দন।” এই বার্তায় কোথাও কোনও অভিযোগ ছিল না। বরং ছিল পরাজয়কে মেনে নেওয়ার মানসিকতা, প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান এবং ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক থাকার অঙ্গীকার। পুরো প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত ছিল আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে হারলেও গোটা প্রতিযোগিতাজুড়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে শেষ চারের লড়াই পর্যন্ত দলগত সমন্বয়, শৃঙ্খলা এবং লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে তারা। শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিরুদ্ধে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে মেসির নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা দলের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনালে শেষ চারের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত করে ফাইনালের টিকিট পায় আর্জেন্টিনা। পুরো প্রতিযোগিতাজুড়েই মেসি শুধু নিজের খেলায় নয়, নেতৃত্ব দিয়েও সতীর্থদের অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর শান্ত স্বভাব, অভিজ্ঞতা এবং কঠিন মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তরুণ ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। পটভূমি আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে খেললেও শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে স্পেন ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপের অন্যতম সফল দল হিসেবে ধারাবাহিক সাফল্যের নজিরও তৈরি করেছে। প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মেসির এই বার্তা শুধু আর্জেন্টিনা নয়, বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। পরাজয়ের মধ্যেও কীভাবে সম্মান, আত্মবিশ্বাস এবং ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা বজায় রাখতে হয়, তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। এই বার্তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলারদের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকেরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বক্তব্য ম্যাচের পর আর্জেন্টিনা দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খেলোয়াড়দের লড়াই এবং সমর্থকদের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে মেসি নিজেও স্পেনকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। জনসাধারণের জন্য তথ্য আর্জেন্টিনা শিরোপা হারালেও টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানো দলটির অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মেসির বক্তব্যে স্পষ্ট, এই পরাজয়কে শেষ অধ্যায় হিসেবে নয়, বরং নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা হিসেবেই দেখছে আর্জেন্টিনা। সমর্থকদের ভালোবাসাই আগামী দিনের লড়াইয়ে দলকে আরও শক্তি জোগাবে।
হকি বিশ্বকাপ ২০২৬: দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে ভারতের দল ঘোষণা, নেতৃত্বে হরমনপ্রীত সিং
সকাল সকাল ডেস্ক হকি বিশ্বকাপে পাঁচ দশকের অপেক্ষা শেষ করার লক্ষ্য, অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে ২০ সদস্যের ভারতীয় দল ঘোষণা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুত ভারত দীর্ঘ ৫১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় পুরুষ হকি দল। হকি বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২০ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে হকি ইন্ডিয়া। ১৯৭৫ সালে প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত হতে চলা হকি বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে ভারত। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার হরমনপ্রীত সিংকে অধিনায়ক করে গড়া হয়েছে ভারসাম্যপূর্ণ দল, যেখানে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সুন্দর সমন্বয় রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ভুলে নতুন শুরুর লক্ষ্য সম্প্রতি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। আন্তর্জাতিক হকি মহাসংঘের পেশাদার লিগে টানা হতাশাজনক ফলের কারণে নয় দলের মধ্যে অষ্টম স্থানে শেষ করে ভারত। ১৬টি ম্যাচে মাত্র চারটি জয়, সাতটি হার এবং পাঁচটি অমীমাংসিত ফল ভারতীয় শিবিরকে হতাশ করলেও সেই ব্যর্থতা ভুলে এখন পুরো মনোযোগ হকি বিশ্বকাপ-এ। দলের বিশ্বাস, বড় মঞ্চে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের দক্ষতা এবং তরুণদের উদ্যম মিলিয়ে এবার নতুন ইতিহাস লেখা সম্ভব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়লেন প্রধান প্রশিক্ষক প্রধান প্রশিক্ষক ক্রেইগ ফুলটন দল নির্বাচনে অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেছেন। ইউরোপ সফরে থাকা কয়েকজন খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। দল ঘোষণার পর তিনি বলেন, এমন একটি দল নির্বাচন করা হয়েছে, যেখানে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি নিজেদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করা তরুণরাও রয়েছে। এই সমন্বয় হকি বিশ্বকাপ-এ ভারতের সাফল্যের সম্ভাবনা আরও বাড়াবে। রক্ষণভাগই ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি গোলরক্ষক হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন মোহিত এইচএস এবং সূরজ কারকেরা। রক্ষণভাগের নেতৃত্ব দেবেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জারমনপ্রীত সিং, অমিত রোহিদাস, যুগরাজ সিং, সঞ্জয়, সুমিত এবং যশদীপ সিওয়াচ। ভারতের অন্যতম শক্তি পেনাল্টি কর্নার আদায় এবং শক্তিশালী রক্ষণভাগ। হরমনপ্রীতের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব দলের জন্য বড় সম্পদ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগেও রয়েছে ভারসাম্য মাঝমাঠে রয়েছেন মনপ্রীত সিং, হার্দিক সিং, বিবেক সাগর প্রসাদ, নীলকান্ত শর্মা, রাজিন্দর সিং এবং আদিত্য অর্জুন লালাগে। আক্রমণভাগে দায়িত্ব সামলাবেন মনদীপ সিং, দিলপ্রীত সিং, অভিষেক, সুখজিৎ সিং এবং শিলানন্দ লাকরা। দ্রুতগতির আক্রমণ, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতার ওপরই নির্ভর করবে ভারতের সাফল্য। কঠিন গ্রুপে ভারতের লড়াই হকি বিশ্বকাপ-এ ভারত রয়েছে ‘ডি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে ভারতের প্রতিপক্ষ ওয়েলস, ইংল্যান্ড এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। ১৫ আগস্ট ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভারত। এরপর ১৭ আগস্ট ইংল্যান্ড এবং ১৯ আগস্ট পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এই তিনটি ম্যাচই শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পটভূমি ১৯৭৫ সালে প্রথম এবং একমাত্রবার পুরুষদের হকি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর বহুবার সম্ভাবনা জাগালেও শিরোপা আর জেতা হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে অলিম্পিকে টানা দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতে ভারতীয় হকি আবারও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার হকি বিশ্বকাপ-এ দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে দল। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব ভারত যদি এবার ভালো ফল করতে পারে, তবে দেশের হকিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য এটি বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক হকিতে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। সরকারি বক্তব্য দল ঘোষণার পর প্রধান প্রশিক্ষক ক্রেইগ ফুলটন বলেন, অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে গড়া এই দল বড় মঞ্চে নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশ্বকাপে ভারত প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করবে। জনসাধারণের জন্য তথ্য ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ১৫ আগস্ট। এরপর ১৭ আগস্ট ইংল্যান্ড এবং ১৯ আগস্ট পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে ভারত। সমর্থকদের আশা, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে ভারতীয় পুরুষ হকি দল।
বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসে স্পেনে জনসমুদ্র, ১৮ লক্ষ মানুষের অভ্যর্থনায় ইতিহাস গড়ল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বজয়ের পর রাজধানী মাদ্রিদে লাখো সমর্থকের ভালোবাসায় ভাসল স্পেন, রাজপরিবার থেকে প্রধানমন্ত্রী—সবার অভিনন্দনে ঐতিহাসিক উদযাপন বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে উৎসবের শহর মাদ্রিদ বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশে ফিরেই ইতিহাসের সাক্ষী হল স্পেন। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব নিয়ে রাজধানী মাদ্রিদে পৌঁছাতেই গোটা দেশ আনন্দে ভেসে যায়। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পর্যন্ত লাখো মানুষের ঢল নামে। প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমে প্রিয় ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান। বিশ্বকাপ জয়ের এই উৎসব শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্যের উদযাপন ছিল না, বরং জাতীয় গর্ব, ঐক্য এবং আবেগের এক বিরল প্রকাশ হয়ে ওঠে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ রাজপরিবার ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা দেশে ফিরেই স্পেনের ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফ প্রথমে রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রাজপরিবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে অভিনন্দন জানিয়ে দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনার জন্য শুভেচ্ছা জানায়। এরপর প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সাঞ্চেজের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন দলের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বিশ্বকাপ জয় কেবল একটি ট্রফি অর্জনের ঘটনা নয়, বরং এটি দেশের আত্মবিশ্বাস, ঐক্য এবং দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতীক। খেলোয়াড়দের অসাধারণ মানসিকতা ও লড়াইয়ের প্রশংসা করে তিনি পুরো দলকে ধন্যবাদ জানান। বিজয় শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল সরকারি আনুষ্ঠানিকতা শেষ হতেই শুরু হয় বহু প্রতীক্ষিত বিজয় শোভাযাত্রা। খোলা ছাদের বিশেষ বাসে ট্রফি হাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করেন ফুটবলাররা। বাসের গায়ে লেখা ছিল, ‘তারকারা একসঙ্গেই জ্বলে’। খেলোয়াড়দের পরনে ছিল ‘আমরা চ্যাম্পিয়ন’ লেখা বিশেষ পোশাক। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সমর্থকেরা জাতীয় পতাকা নেড়ে, গান গেয়ে এবং করতালির মাধ্যমে প্রিয় দলকে অভিনন্দন জানান। কোথাও আতশবাজি, কোথাও আবার দেশাত্মবোধক গান—সব মিলিয়ে রাজধানী পরিণত হয় এক বিশাল উৎসবমঞ্চে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সিবেলেস চত্বরে ঐতিহাসিক সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে শুরু হওয়া বিজয় মিছিল শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা অতিক্রম করে সিবেলেস চত্বরে পৌঁছায়। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু এই স্থানেই প্রায় এক লক্ষ বিশ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উপেক্ষা করেও সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে কোনও ভাটা পড়েনি। লাল-হলুদ জাতীয় পতাকায় ঢেকে যায় পুরো এলাকা। শহরের প্রতিটি মোড়ে দেখা যায় মানুষের ঢল। আবেগঘন ভাষণ ও আনন্দ উদযাপন অনুষ্ঠান শুরুর আগে দলের প্রধান প্রশিক্ষক লুইস দে লা ফুয়েন্তে আবেগঘন ভাষণ দেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস ছাড়া এই বিশ্বকাপ জয় সম্ভব হতো না। এই সাফল্য দেশের প্রতিটি মানুষের। এরপর মঞ্চে শুরু হয় আনন্দ-উল্লাস। ফুটবলারদের প্রিয় গান বাজতেই সমর্থকদের সঙ্গে নাচে যোগ দেন খেলোয়াড়রা। নিজের ২৫তম জন্মদিনে ট্রফি হাতে মঞ্চে ওঠেন অ্যালেক্স বায়েনা। সতীর্থরা প্রশিক্ষককে কাঁধে তুলে উদযাপনে মেতে ওঠেন। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের পরিবেশনাও উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। পটভূমি ২০১০ সালে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর দীর্ঘ ১৬ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে স্পেনকে। অবশেষে এবারের বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গুরুত্বপূর্ণ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয় করে স্পেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্বতঃস্ফূর্ত উদযাপন শুরু হয়। রাতভর চলে গান, নাচ এবং আনন্দ উৎসব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশ্বকাপ জয় শুধু ফুটবলের সাফল্য নয়, বরং নতুন স্পেনের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। গত এক দশকে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানের উন্নতির সঙ্গে এই বিজয় নতুন প্রজন্মকে আরও অনুপ্রাণিত করবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাও স্পেনকে অভিনন্দন জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও স্পেনের এই ঐতিহাসিক সাফল্য ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সরকারি বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সাঞ্চেজ বলেন, এই বিজয় গোটা দেশের ঐক্য, আত্মবিশ্বাস এবং সংগ্রামের প্রতীক। অন্যদিকে প্রধান প্রশিক্ষক লুইস দে লা ফুয়েন্তে জানান, দেশের মানুষের অবিচল সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ জনসাধারণের জন্য তথ্য উৎসবের মধ্যেই একটি দুঃখজনক ঘটনায় ১৩ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। বিজয় উদযাপনের সময় একটি ফোয়ারার অংশ ভেঙে পড়ায় সে গুরুতর আহত হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রশাসন জানিয়েছে। সরকার নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সব মিলিয়ে এই বিশ্বকাপ জয় স্পেনের কাছে শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া অর্জন নয়, বরং নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন, জাতীয় ঐক্য এবং অদম্য লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে ইতিহাসে স্থান করে নিল।
জসপ্রীত বুমরাহ: ৯৬৮ দিন পর ওয়ানডেতে ফিরেই ইতিহাস, ইংল্যান্ডে ভাঙলেন জাদেজার রেকর্ড, পূর্ণ করলেন ১৫০ উইকেট
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডেতে ফিরেই হ্যারি ব্রুককে আউট করে ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হলেন জসপ্রীত বুমরাহ। প্রত্যাবর্তনেই রেকর্ড গড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ প্রায় তিন বছর বা ৯৬৮ দিন পর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এসেই ইতিহাস গড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে হ্যারি ব্রুককে ফিরিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছেন। একই সঙ্গে জসপ্রীত বুমরাহ নিজের আন্তর্জাতিক ওয়ানডে কেরিয়ারের ১৫০তম উইকেটও পূর্ণ করেন। দীর্ঘ বিরতির পরও তাঁর ধার, গতি এবং নিখুঁত লাইন-লেন্থে কোনও ঘাটতি দেখা যায়নি। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই তিনি বুঝিয়ে দিলেন, বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে তাঁর অবস্থান এখনও অটুট। দ্বিতীয় স্পেলেই বদলে গেল ম্যাচের চিত্র টসে জিতে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের অধিনায়ক শুভমন গিল পরে জানান, সুযোগ পেলে তাঁরাও আগে বোলিংই করতেন। নতুন বলে প্রথম স্পেলে চার ওভার বল করলেও উইকেট পাননি জসপ্রীত বুমরাহ। তবে পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় স্পেলের প্রথম বলেই তিনি ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলেন। অফ স্টাম্পের বাইরে নিখুঁত লেংথে করা বলে হ্যারি ব্রুক স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন এবং রোহিত শর্মা সহজ ক্যাচটি তালুবন্দি করেন। এই উইকেটই বুমরাহর জন্য ইতিহাসের দরজা খুলে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ইংল্যান্ডের মাটিতে নতুন ভারতীয় রেকর্ড হ্যারি ব্রুকের উইকেট নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইংল্যান্ডের মাটিতে জসপ্রীত বুমরাহ-র ওয়ানডে উইকেট সংখ্যা দাঁড়ায় ৩১। এর ফলে তিনি রবীন্দ্র জাদেজাকে পিছনে ফেলে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়ে যান। ইংল্যান্ডে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে বুমরাহ কতটা সফল এবং ধারাবাহিক। ১৫০ ওয়ানডে উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ হ্যারি ব্রুকের উইকেটটিই ছিল জসপ্রীত বুমরাহ-র আন্তর্জাতিক ওয়ানডে কেরিয়ারের ১৫০তম শিকার। শুধু তাই নয়, ভারতের হয়ে দ্রুততম ১৫০ ওয়ানডে উইকেট নেওয়ার তালিকায়ও উঠে এলেন তিনি। মাত্র ৪৬০৫ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বুমরাহ, যা ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয় দ্রুততম। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভারতের হয়ে দ্রুততম ১৫০ ওয়ানডে উইকেট (বলের হিসেবে) এই পরিসংখ্যান তাঁর ধারাবাহিকতা এবং কার্যকারিতারই প্রমাণ বহন করে। ভারতের বোলিংয়ে শুরু থেকেই চাপ শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে চাপে রাখেন ভারতীয় বোলাররা। নতুন বল হাতে গুরনুর ব্রার দ্রুত ফিরিয়ে দেন বেন ডাকেট এবং জ্যাকব বেথেলকে। এরপর জসপ্রীত বুমরাহ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে আউট করে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে আরও বড় ধাক্কা দেন। ভারতের পেস আক্রমণের দুরন্ত শুরু স্বাগতিকদের শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলতে বাধ্য করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আগামী দিনের জন্য বড় বার্তা ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামলেন জসপ্রীত বুমরাহ। দীর্ঘ বিরতির পর সাধারণত ছন্দে ফিরতে সময় লাগে, কিন্তু বুমরাহ সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নতুন রেকর্ড গড়া এবং ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করে তিনি আবারও বুঝিয়ে দিলেন, সুস্থ থাকলে বিশ্বের সেরা পেসারদের তালিকায় তাঁর নাম প্রথম সারিতেই থাকবে। ভারতের সামনে বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলি রয়েছে। সেই প্রস্তুতির আগে বুমরাহর এই দুরন্ত প্রত্যাবর্তন দলকে নিঃসন্দেহে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং ধারাবাহিকতা ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
দেব কোয়েল: ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে একফ্রেমে জনপ্রিয় জুটি, বড়পর্দায় ফেরার জল্পনায় উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘদিন পর ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে একসঙ্গে দেখা গেল দেব ও কোয়েল মল্লিককে। ভাইরাল ছবি ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বড়পর্দায় প্রত্যাবর্তনের জল্পনা। ছোটপর্দায় চমক দেখালেন দেব ও কোয়েল টলিউডের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় জুটির নাম উঠলে সবার আগে আসে দেব কোয়েল। ‘প্রেমের কাহিনী’, ‘মন মানে না’, ‘পাগলু’, ‘হিরো’ এবং ‘ককপিট’-এর মতো একাধিক সফল ছবিতে তাঁদের অনবদ্য রসায়ন দর্শকদের মন জয় করেছে। যদিও দীর্ঘদিন বড়পর্দায় এই জুটিকে একসঙ্গে দেখা যায়নি। সেই অপেক্ষার মাঝেই জনপ্রিয় রিয়্যালিটি অনুষ্ঠান ‘দাদাগিরি’র শুটিং সেট থেকে প্রকাশ্যে এসেছে একটি ছবি, যেখানে বহুদিন পর একফ্রেমে ধরা দিয়েছেন দেব কোয়েল। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুরাগীদের মধ্যে শুরু হয় নতুন উচ্ছ্বাস। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভাইরাল ছবিতে ফিরল পুরনো দিনের স্মৃতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানের পরিচিত মঞ্চে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রয়েছেন দেব ও কোয়েল মল্লিক। দেবের পরনে ছিল হালকা রঙের আনুষ্ঠানিক পোশাক, অন্যদিকে কোয়েলকে দেখা যায় লাল শাড়িতে। দু’জনের হাসিমুখের ছবি দেখে অনুরাগীরা আবারও পুরনো দিনের জনপ্রিয় ছবিগুলোর কথা মনে করতে শুরু করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, দেব কোয়েল জুটির মতো স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত রসায়ন বাংলা চলচ্চিত্রে খুব কমই দেখা যায়। ‘দাদাগিরি’র নতুন অধ্যায়ে বিশেষ অতিথি কোয়েল বর্তমান মরসুমে ‘দাদাগিরি’র সঞ্চালকের দায়িত্বে রয়েছেন দেব। নতুন ভূমিকায় তাঁর সহজ উপস্থাপনা ইতিমধ্যেই দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই মরসুমে একাধিক জনপ্রিয় তারকা অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যেই বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন কোয়েল মল্লিক। যদিও সেই পর্ব এখনও সম্প্রচারিত হয়নি, তবে শুটিংয়ের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকদের আগ্রহ কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। অনেকের মতে, ছোটপর্দায় দেব কোয়েল-এর এই পুনর্মিলন অনুষ্ঠানটির অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্বই অন-স্ক্রিন রসায়নের শক্তি দেব একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কোয়েল মল্লিক শুধু তাঁর সহ-অভিনেত্রী নন, বরং ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অভিনেতার কথায়, ব্যক্তিগত নানা বিষয় থেকে শুরু করে কাজের আলোচনা—অনেক কিছুই তিনি কোয়েলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। মজার ছলে তিনি কোয়েলকে নিজের ‘সবচেয়ে ভালো বন্ধু’ এবং ‘গল্পের রানি’ বলেও উল্লেখ করেছেন। ভক্তদের বিশ্বাস, বাস্তব জীবনের এই বন্ধুত্বই দেব কোয়েল জুটির অভিনয়কে আরও স্বাভাবিক এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে। ‘খাদান ২’ ঘিরে জল্পনা বাড়ছে এদিকে নতুন বছরের শুরুতেই দেব তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘খাদান ২’-এর ঘোষণা করেছেন। চলচ্চিত্র মহলে জোর গুঞ্জন, এই ছবিতেই আবার জুটি বাঁধতে পারেন দেব ও কোয়েল মল্লিক। যদিও এই বিষয়ে এখনও নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, তবুও অনুরাগীদের মধ্যে প্রত্যাশা তুঙ্গে। যদি এই খবর সত্যি হয়, তবে ‘ককপিট’-এর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড়পর্দায় দেখা যাবে দেব কোয়েল জুটিকে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, এই জনপ্রিয় জুটির প্রত্যাবর্তন বাংলা সিনেমার জন্য বড় আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অনুরাগীদের অপেক্ষা এখন বড়পর্দার দিকে ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে দেব ও কোয়েলের একসঙ্গে উপস্থিতি শুধু একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মুহূর্ত নয়, বরং তা বহু দর্শকের কাছে নস্টালজিয়ার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। সমাজমাধ্যমেও অনুরাগীরা নতুন ছবিতে এই জুটিকে ফের একসঙ্গে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বাংলা সিনেমার অন্যতম সফল এই জুটি আবারও বড়পর্দায় ফিরলে দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়বে। ছোটপর্দার এই পুনর্মিলন তাই বড়পর্দায় দেব কোয়েল-এর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।
জেসন সঞ্জয়: বাবার সঙ্গে বক্স অফিসে লড়াই নয়, ‘জন নয়গণ’-এর জন্য প্রথম ছবির মুক্তি পিছিয়ে দিলেন বিজয়-পুত্র
সকাল সকাল ডেস্ক থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি মুক্তির এক সপ্তাহ পর আসার কথা ছিল জেসন সঞ্জয়ের পরিচালিত ‘সিগমা’। বক্স অফিসের সংঘাত এড়াতেই বদলে গেল মুক্তির পরিকল্পনা। বাবার ছবির প্রতি সম্মান জানিয়ে বড় সিদ্ধান্ত জেসন সঞ্জয়ের দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অন্যতম বড় তারকা থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি জেসন সঞ্জয়-এর ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ের সঙ্গেই মিলে গিয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘জন নয়গণ’। অন্যদিকে, বিজয়ের ছেলে জেসন সঞ্জয়ও খুব শিগগিরই পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে নিজের নতুন যাত্রা শুরু করতে চলেছেন। তবে বাবার ছবির সঙ্গে বক্স অফিসে কোনও ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চান না তিনি। সেই কারণেই তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবি ‘সিগমা’-র মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণী চলচ্চিত্র মহলে জেসন সঞ্জয়-এর এই পদক্ষেপকে পরিণত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পরিচালনার পর এবার অভিনয়ের মঞ্চে জেসন বিজয়-পুত্র ইতিমধ্যেই পরিচালক হিসেবে নিজের প্রথম ছবি ‘সিগমা’-র কাজ শেষ করেছেন। এবার অভিনেতা হিসেবেও বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেসন সঞ্জয়। শিল্পমহলের বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তাঁর প্রথম অভিনীত ছবির প্রযোজনার দায়িত্ব নিতে পারেন প্রযোজক জিকেএম তামিল কুমারন। যদিও ‘সিগমা’ অন্য একটি প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত হয়েছে, তবুও অভিনয়ের নতুন ছবিটি আলাদা প্রযোজনায় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন পিছিয়ে গেল ‘সিগমা’? প্রথম পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘সিগমা’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ৩১ জুলাই। কিন্তু তার ঠিক এক সপ্তাহ আগে বড় পর্দায় আসছে থলপতি বিজয়ের বিদায়ী ছবি ‘জন নয়গণ’। নির্মাতাদের মতে, এত কম সময়ের ব্যবধানে দুটি বড় ছবি মুক্তি পেলে দর্শক এবং প্রেক্ষাগৃহ—দু’দিকেই প্রভাব পড়তে পারে। তাই জেসন সঞ্জয়-এর প্রথম পরিচালিত ছবিকে আরও ভালোভাবে দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে মুক্তির তারিখ অগস্ট মাসে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও নতুন মুক্তির দিন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে খুব শিগগিরই তা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। কেমন হতে চলেছে ‘সিগমা’? ‘সিগমা’ একটি অ্যাকশননির্ভর রহস্য ও ডাকাতির কাহিনিভিত্তিক ছবি। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সন্দীপ কিষাণ। ছবির গল্পে রয়েছে রোমাঞ্চ, হাস্যরস, অ্যাকশন এবং গুপ্তধনের রহস্য। তামিলনাড়ু ও থাইল্যান্ডের একাধিক মনোরম স্থানে ছবির শুটিং হয়েছে। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন জনপ্রিয় সুরকার এস থমন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারিয়া আবদুল্লা, রাজু সুন্দরম, সম্পদ রাজ-সহ একাধিক পরিচিত শিল্পী। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ জেসনের কাজের প্রশংসায় সহকর্মীরা মাত্র ২৫ বছর বয়সেই একটি বড় বাজেটের ছবি পরিচালনা করে ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন জেসন সঞ্জয়। ছবির সিনেমাটোগ্রাফার কৃষ্ণন ভাসান এবং অভিনেতা সন্দীপ কিষাণ—দুজনেই তাঁর পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং পেশাদার মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সন্দীপ কিষাণের মতে, শুটিং সেটে জেসনের কাজের ধরণ অনেকটাই তাঁর বাবা বিজয়ের মতো। প্রতিটি দৃশ্য নিয়ে স্পষ্ট ধারণা, শান্ত স্বভাব এবং পুরো ইউনিটকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার দক্ষতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। বাবা-ছেলের নতুন অধ্যায়ে নজর ভক্তদের একদিকে থলপতি বিজয়ের দীর্ঘ অভিনয় জীবনের বিদায়ী ছবি ‘জন নয়গণ’, অন্যদিকে পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে জেসন সঞ্জয়-এর নতুন যাত্রা—দক্ষিণী চলচ্চিত্রে এই দুই ঘটনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। বক্স অফিসে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে বাবার ছবিকে সম্মান জানিয়ে নিজের ছবির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই প্রশংসা পেয়েছেন জেসন। অনেকেই মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত তাঁর পরিণত চিন্তাভাবনার পরিচয় বহন করে। এখন দর্শকদের অপেক্ষা, বিজয়ের বিদায়ী ছবি সাফল্যের পর জেসন সঞ্জয়ও কি নিজের প্রতিভা দিয়ে দক্ষিণী চলচ্চিত্রে আলাদা পরিচয় তৈরি করতে পারবেন। সেই উত্তর দেবে সময়ই।
আলিয়া ভাট শাড়ি লুক: বান্ধবীর বিয়েতে ৩ ভিন্ন সাজে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী, শিখুন নতুন শাড়ি পরার ধরণ
সকাল সকাল ডেস্ক ককটেল, বিয়ে ও সংবর্ধনা—তিন অনুষ্ঠানে তিন ধরনের শাড়ি, তিন আলাদা সাজে নতুন ফ্যাশনের দিশা দেখালেন আলিয়া ভাট। বান্ধবীর বিয়েতে তিন ভিন্ন সাজে মুগ্ধ করলেন আলিয়া ভাট বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর অনন্য পোশাকরুচির জন্যও সমান জনপ্রিয়। সম্প্রতি ছোটবেলার বন্ধু আকাঙ্ক্ষা রঞ্জন ও পরিচালক শরণ শর্মার বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আলিয়া ভাট শাড়ি লুক আবারও ফ্যাশনপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। ককটেল অনুষ্ঠান, বিয়ে এবং সংবর্ধনা—এই তিনটি আয়োজনে তিন ধরনের শাড়ি, তিন ভিন্ন পরার কায়দা এবং আলাদা সাজে তিনি প্রমাণ করেছেন, সামান্য পরিবর্তনেই একই পোশাকে তৈরি করা যায় সম্পূর্ণ নতুন আকর্ষণ। বর্তমানে আলিয়া ভাট শাড়ি লুক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা চলছে। ককটেল অনুষ্ঠানে গাঢ় বেগুনি শাড়িতে রাজকীয় উপস্থিতি ককটেল অনুষ্ঠানের জন্য আলিয়া বেছে নেন গাঢ় বেগুনি রঙের একটি বিশেষ শাড়ি। এই শাড়ির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল এর অভিনব পরার ধরন। প্রচলিত নিয়মের বাইরে বিশেষ কায়দায় পরা এই শাড়িতে ছিল ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সুন্দর মেলবন্ধন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শাড়ির সূক্ষ্ম নকশায় পার্সি সূচিশিল্প, বেনারসি বুনন এবং প্রাচীন সিল্ক রুটের শিল্পরীতির প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন একই রঙের করসেট ধাঁচের রেশমি ব্লাউজ। সাজ ছিল অত্যন্ত পরিমিত। হালকা চোখের সাজ, পরিচ্ছন্ন খোঁপা, সরু সোনার গলার হার এবং ছোট কানের দুলে সম্পূর্ণ হয় আলিয়া ভাট শাড়ি লুক-এর প্রথম অধ্যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে রফেল শাড়ি ও ব্যাকলেস ব্লাউজের চমক মূল বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে দেখা যায় হালকা রঙের রফেল শাড়িতে। তবে এই সাজের প্রধান আকর্ষণ ছিল তাঁর নকশাদার ব্লাউজ। হাতা ছাড়া উঁচু গলার ব্লাউজটির পিছনে ছিল খোলা নকশা, যা পুরো সাজে আধুনিকতার ছোঁয়া এনে দেয়। সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং ঐতিহ্যবাহী বর্ডারের কাজ ব্লাউজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। ব্লাউজের নকশা ভারী হওয়ায় গলায় কোনও হার পরেননি তিনি। পরিবর্তে কপালের বড় টিকলি, লম্বা কানের অলংকার এবং মানানসই ছোট ব্যাগ দিয়ে সাজ সম্পূর্ণ করেন। ছোট্ট টিপ পুরো লুককে আরও ঐতিহ্যবাহী করে তোলে। এই আলিয়া ভাট শাড়ি লুক প্রমাণ করে, সঠিক ব্লাউজ নির্বাচন একটি সাধারণ শাড়িকেও অসাধারণ করে তুলতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সংবর্ধনায় গুজরাতি ধাঁচে আধুনিক উপস্থাপনা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আলিয়া বেছে নেন ঐতিহ্যবাহী আজরাখ নকশার শাড়ি। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে শাড়ি পরার ভিন্ন কৌশল। তিনি সামনের আঁচলের গুজরাতি ধাঁচ অনুসরণ করলেও প্রচলিত নিয়মের পরিবর্তে আঁচলটি কোমরে গুঁজে না রেখে আলগাভাবে ব্লাউজের সঙ্গে আটকান। এই ছোট্ট পরিবর্তনেই পুরো সাজে আধুনিকতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চুল খোলা রেখে ভারী রুপোর গয়না এবং কপালের অলংকারের মাধ্যমে তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার অনন্য সমন্বয় তুলে ধরেন। এই আলিয়া ভাট শাড়ি লুক ইতিমধ্যেই ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শাড়ির সাজে ছোট পরিবর্তনেই বড় পার্থক্য বিশেষজ্ঞদের মতে, একই শাড়িকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে উপস্থাপন করার জন্য ড্রেপিং, ব্লাউজ, গয়না এবং চুলের সাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলিয়ার তিনটি লুক সেই বিষয়টিই আবারও সামনে এনে দিয়েছে। ককটেলে অভিনব শাড়ি পরার ধরন, বিয়েতে আকর্ষণীয় ব্লাউজ এবং সংবর্ধনায় আধুনিক গুজরাতি ধাঁচ—প্রতিটি সাজেই ছিল আলাদা বৈশিষ্ট্য। ফলে একই ধরনের পোশাক পরেও একঘেয়েমির কোনও সুযোগ থাকেনি। বিয়ের মরসুমে হতে পারে সেরা ফ্যাশন অনুপ্রেরণা সামনেই বিয়ের মরসুম। অনেকেই চান শাড়ি পরে অন্যদের থেকে আলাদা দেখাতে। সেই ক্ষেত্রে আলিয়া ভাট শাড়ি লুক হতে পারে দারুণ অনুপ্রেরণা। শুধু দামি শাড়ি নয়, বরং সঠিকভাবে শাড়ি পরা, মানানসই ব্লাউজ নির্বাচন এবং উপযুক্ত অলংকারের সমন্বয়ই একটি সাজকে আকর্ষণীয় করে তোলে। আলিয়া ভাটের এই তিনটি লুক সেই বার্তাই আরও একবার স্পষ্ট করেছে। ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক রুচির সঙ্গে মিলিয়ে কীভাবে নিজস্ব ফ্যাশন তৈরি করা যায়, তার সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরেছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।