নরওয়ে ফুটবল দল: বিশ্বকাপে বিদায়, তবু বীরের সম্মান! অসলোয় এক লক্ষ সমর্থকের রাজকীয় সংবর্ধনা
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও অসলোয় এক লক্ষ সমর্থকের ভালোবাসায় ভাসল নরওয়ে ফুটবল দল, আবেগাপ্লুত অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, কিন্তু মাথা উঁচু করেই দেশে ফিরল নরওয়ে ফুটবল দল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হলেও নরওয়ে ফুটবল দল দেশে ফিরে পেল এক অবিস্মরণীয় সম্মান। রাজধানী অসলোর রাস্তায় প্রায় এক লক্ষ সমর্থক জড়ো হয়ে মার্টিন ওডেগার্ডদের বীরের মর্যাদায় বরণ করে নেন। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ায় গোটা দেশ গর্বিত। সেই কারণেই নরওয়ে ফুটবল দলকে ঘিরে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। বিমানবন্দর থেকেই শুরু রাজকীয় অভ্যর্থনা সোমবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে দলের বিমান অসলো বিমানবন্দরে পৌঁছাতেই শুরু হয় বিশেষ সংবর্ধনা। ঐতিহ্য অনুযায়ী জলধারার বিশেষ সম্ভাষণের মাধ্যমে ফুটবলারদের স্বাগত জানানো হয়। এরপর ছাদখোলা বিশেষ বাসে করে শহরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে নরওয়ে ফুটবল দল। রাস্তার দু’ধারে হাজার হাজার সমর্থক জাতীয় পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উপস্থিত হন শুধুমাত্র একবার প্রিয় খেলোয়াড়দের চোখের সামনে দেখার জন্য। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ রাজপ্রাসাদে রাজপরিবারের উষ্ণ অভ্যর্থনা শোভাযাত্রার প্রথম গন্তব্য ছিল নরওয়ের রাজপ্রাসাদ। সেখানে ফুটবলারদের স্বাগত জানান রাজা হ্যারাল্ড। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড ও তাঁর সতীর্থদের উপস্থিতিতে রাজপ্রাসাদ চত্বর এবং আশপাশের এলাকা উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন ক্রাউন প্রিন্স হাকন। তিনি নিজে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে আনন্দে শামিল হন। রাজপরিবারের এমন আন্তরিক অংশগ্রহণ নরওয়ে ফুটবল দলকে ঘিরে দেশের মানুষের আবেগ আরও স্পষ্ট করে তোলে। হালান্ড অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি তবে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি নরওয়ের তারকা ফুটবলার এরলিং হালান্ড। তাঁর সঙ্গে ছিলেন না সান্ডার বের্গেও। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাঁদের নির্ধারিত বিমান দীর্ঘ সময় বিলম্বিত হওয়ায় পরবর্তী সংযোগকারী বিমান ধরতে তাঁরা আগেই অন্য একটি উড়োজাহাজে যাত্রা করেন। ফলে রাজপ্রাসাদের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। যদিও সমর্থকদের উদ্দেশে তাঁরা সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সমর্থকদের ভিড়ে থমকে গেল বিজয়যাত্রা রাজপ্রাসাদ থেকে সিটি হল চত্বর পর্যন্ত শোভাযাত্রার দূরত্ব খুব বেশি না হলেও বিপুল জনসমাগমের কারণে বারবার থেমে যেতে হয় বাসটিকে। পুলিশকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয়। এর পাশাপাশি আরেকটি সমস্যারও মুখোমুখি হতে হয়। ছাদখোলা বাসটির উচ্চতা বেশি হওয়ায় রাস্তার ওপর ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক তারের নিচ দিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বাসের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ফুটবলারদের বসে পড়তে বলা হয়। এরপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় বিজয়যাত্রা। এই ঘটনায় অনেকেরই মনে পড়ে যায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালের সেই বিতর্ক, যেখানে নরওয়ের কোচ অভিযোগ করেছিলেন গোল হওয়ার আগে বল উপরের তারে স্পর্শ করেছিল। আবেগে ভেসে গেলেন অধিনায়ক ওডেগার্ড সমর্থকদের ভালোবাসা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। তিনি বলেন, এমন সংবর্ধনার কথা দলের কেউ কল্পনাও করেননি। তাঁর কথায়, যুক্তরাষ্ট্রে সমর্থকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছেন, দেশে ফিরে মানুষ যেভাবে তাঁদের বরণ করে নিয়েছে, তা সব প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই ভালোবাসাই ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। ওডেগার্ডের এই বক্তব্যে স্পষ্ট, বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দেশের মানুষের হৃদয় জয় করতে পেরেছে নরওয়ে ফুটবল দল। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন স্বপ্নের পথে নরওয়ে ১৯৯৮ সালের পর আবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরে নরওয়ে যে লড়াই দেখিয়েছে, তা দেশটির ফুটবলে নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজন্মের ফুটবলাররা আগামী বছরগুলিতে আরও বড় সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছেন। ট্রফি না জিতেও মানুষের ভালোবাসা, রাজপরিবারের সম্মান এবং এক লক্ষ সমর্থকের উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে, সাফল্যের মূল্য শুধু শিরোপায় নয়, লড়াইয়ের মানসিকতাতেও। সেই কারণেই নরওয়ে ফুটবল দলকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই আবেগ ভবিষ্যতের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
আর্জেন্টিনা জার্সি: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চিরাচরিত নীল-সাদা নয়, ‘লাকি’ গাঢ় নীল পোশাকে মেসিদের নতুন ইতিহাসের স্বপ্ন
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে গাঢ় নীল পোশাকে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। এটি কি শুধু নিয়মের কারণে, নাকি অতীতের সাফল্যের বিশ্বাসও কাজ করছে? ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বদলে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার পরিচিত পোশাক বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা জার্সি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। বরাবরের নীল-সাদা ডোরা পোশাকের বদলে এবার গাঢ় নীল রঙের বাইরের পোশাক পরে মাঠে নামবে লিওনেল মেসির দল। ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই এই পরিবর্তন দেখে বিস্মিত হলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ম এবং অতীতের কিছু স্মরণীয় ঘটনার কারণে বিষয়টি এখন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই আর্জেন্টিনা জার্সি কেবল একটি পোশাক নয়, বরং সমর্থকদের কাছে নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক নিয়মেই বদলাচ্ছে পোশাক বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতায় দুই দলের পোশাকের রঙ যেন একে অপরের সঙ্গে মিশে না যায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। সেই নিয়ম অনুযায়ী একটি দল হালকা রঙের এবং অন্য দল গাঢ় রঙের পোশাক পরে মাঠে নামে। ইংল্যান্ড তাদের ঐতিহ্যবাহী সাদা পোশাক ব্যবহার করায় আর্জেন্টিনাকে গাঢ় নীল বাইরের পোশাক পরার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ফলে আর্জেন্টিনা জার্সি পরিবর্তনের মূল কারণ নিয়ম বলেই মনে করা হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ গ্রুপ পর্বেই মিলেছিল সাফল্য চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিরুদ্ধে একই গাঢ় নীল পোশাক পরে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ের পর থেকেই অনেক সমর্থকের কাছে আর্জেন্টিনা জার্সি নতুন সৌভাগ্যের প্রতীক হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বহু সমর্থক এই পোশাকেই সেমিফাইনালে দলকে দেখতে চেয়েছিলেন। অতীতের ইতিহাস কি নতুন বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে? শুধু চলতি বিশ্বকাপ নয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার কয়েকটি স্মরণীয় জয়ের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে এই গাঢ় নীল পোশাক। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার বিখ্যাত ‘ঈশ্বরের হাত’ গোল এবং শতাব্দীর সেরা গোলের ম্যাচে আর্জেন্টিনা গাঢ় নীল পোশাকেই খেলেছিল। সেই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতেছিল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। এরপর ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডকে টাইব্রেকারে হারানোর সময়ও আর্জেন্টিনার গায়ে ছিল একই ধরনের গাঢ় নীল পোশাক। এই দুই ঐতিহাসিক জয়ের কারণেই অনেক সমর্থক বিশ্বাস করেন, আর্জেন্টিনা জার্সি হিসেবে এই গাঢ় নীল রং সৌভাগ্যের প্রতীক। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পরিসংখ্যানের অন্য ছবিও রয়েছে তবে ইতিহাসের অন্য দিকও রয়েছে। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার যে তিনটি হার রয়েছে, তার প্রতিটিতেই তারা নিজেদের চিরাচরিত নীল-সাদা ডোরা পোশাক পরে খেলেছিল। ১৯৬২, ১৯৬৬ এবং ২০০২ সালের বিশ্বকাপের সেই পরাজয় আজও সমর্থকদের মনে রয়ে গেছে। এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পর অনেকেই মনে করছেন, আর্জেন্টিনা জার্সি হিসেবে গাঢ় নীল রং বেছে নেওয়ার পিছনে মানসিক আত্মবিশ্বাসও কাজ করতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা কিংবা আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা—কেউই এমন কোনও দাবি সমর্থন করেনি। দুই দলই রয়েছে দুর্দান্ত ছন্দে দুই দলই কঠিন লড়াই পেরিয়ে শেষ চারে পৌঁছেছে। ইংল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে। অধিনায়ক লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর এবং টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন ইতিহাস লেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের লড়াই মানেই ইতিহাস, আবেগ এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মারাদোনার স্মরণীয় গোল, ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড কিংবা একাধিক নাটকীয় ম্যাচ—সব মিলিয়ে এই দ্বৈরথ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণ। এবারও সেই ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত হতে চলেছে। গাঢ় নীল আর্জেন্টিনা জার্সি আদৌ দলকে সৌভাগ্য এনে দেয় কি না, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার পর। তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই সেমিফাইনাল শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বরং দুই ফুটবল পরাশক্তির মর্যাদার আরেকটি ঐতিহাসিক সংঘর্ষ।
রাহুল দ্রাবিড় কি ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট কোচ? ম্যাককালামের বিদায়ের পর জোর জল্পনা
সকাল সকাল ডেস্ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম টেস্ট দলের দায়িত্ব ছাড়তেই নতুন কোচের খোঁজে ইংল্যান্ড, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাহুল দ্রাবিড় রাহুল দ্রাবিড়কে ঘিরে জল্পনায় সরগরম ক্রিকেট বিশ্ব ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দীর্ঘ চার বছর দায়িত্ব পালনের পর টেস্ট দলের প্রধান কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তাঁর এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই নতুন কোচ কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও প্রাক্তন প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের নাম। যদিও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু ক্রিকেট মহলে এই সম্ভাবনা ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ম্যাককালামের বিদায়ে শেষ হচ্ছে একটি অধ্যায় ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক মানসিকতার নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তাঁর কোচিংয়ে দল সাহসী ও ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে শুরু করে। সেই দর্শনই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বিশেষ পরিচিতি পায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে দলের ওপর চাপ বাড়ছিল। এমন পরিস্থিতিতেই টেস্ট দলের দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন ম্যাককালাম। যদিও তিনি ইংল্যান্ডের একদিনের ও বিশ ওভারের দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ হার বাড়াল চাপ সম্প্রতি নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-২ ব্যবধানে পরাজিত হয় ইংল্যান্ড। এই হার দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো করে তোলে। এরপরই ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড জানায়, চার বছরের দায়িত্ব পালন শেষে ম্যাককালাম টেস্ট দলের প্রধান কোচের পদ ছাড়ছেন। তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর দায়িত্বে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। সামাজিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড সামাজিক মাধ্যমেও ম্যাককালামের সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, তিনি টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়লেও সীমিত ওভারের দুই দলের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন। এই ঘোষণার পর থেকেই নতুন টেস্ট কোচ নিয়ে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। রাহুল দ্রাবিড় কি এগিয়ে? ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন কোচ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, সাবেক স্পিনার রিচার্ড ডসন এবং ভারতের প্রাক্তন প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, তরুণ ক্রিকেটারদের গড়ে তোলার দক্ষতা এবং কৌশলগত নেতৃত্বের কারণে রাহুল দ্রাবিড়কে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় দলের দায়িত্বে থাকাকালীন তাঁর সাফল্যও এই আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দ্রাবিড় কি দায়িত্ব নিতে রাজি? যদিও এই মুহূর্তে বিষয়টি পুরোপুরি জল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ার পর রাহুল দ্রাবিড় আপাতত পূর্ণসময়ের আন্তর্জাতিক কোচিংয়ে ফিরতে আগ্রহী নন। তিনি কিছুটা সময় ব্যক্তিগতভাবে কাটাতে চান বলেই জানা যাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে যদি তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন, তাহলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। সরকারি বক্তব্য ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়লেও সীমিত ওভারের দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন। নতুন টেস্ট কোচের বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা করা হয়নি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই মুহূর্তে রাহুল দ্রাবিড়কে নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা সম্পূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে। বোর্ড এখনও নতুন কোচের নাম ঘোষণা করেনি। ফলে দ্রাবিড়, অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার কিংবা রিচার্ড ডসনের মধ্যে কে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব পাবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য। তবে যদি ভবিষ্যতে রাহুল দ্রাবিড় এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার কোনও ভারতীয় কিংবদন্তি ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের প্রধান কোচ হবেন। সেটি নিঃসন্দেহে বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।
লর্ডসে ইতিহাস গড়ল ভারতীয় মহিলা দল, ২৭০ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টেস্টে অপরাজিত থাকার নজির
সকাল সকাল ডেস্ক লর্ডসে প্রথম টেস্ট জয়, ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে হারিয়ে বিলেতের মাটিতে অপরাজিত থাকার রেকর্ড আরও উজ্জ্বল করল হরমনপ্রীত কৌরের দল লর্ডসে ইতিহাস গড়ল ভারতীয় মহিলা দল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের ইতিহাসে আরও একটি সোনালি অধ্যায় যুক্ত হল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে প্রথমবার টেস্ট ম্যাচ জিতে নতুন নজির গড়ল ভারত। হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শুধু ঐতিহাসিক জয়ই নয়, ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডও অক্ষুণ্ণ রাখল ভারতীয় মহিলা দল। ক্রিকেটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ভেন্যুতে এই সাফল্য বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাল। চতুর্থ দিনের শুরুতেই শেষ ইংল্যান্ডের লড়াই চতুর্থ দিনের শুরুতে ভারতের প্রয়োজন ছিল মাত্র চারটি উইকেট। ৪৫৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ১৩০ রান। শেষ দিনে ভারতীয় বোলাররা কোনও সুযোগ না দিয়ে দ্রুত ম্যাচ শেষ করে দেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মাত্র ৬২.৫ ওভারে ১৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফলে ২৭০ রানের বিশাল জয় নিশ্চিত করে ভারত। এই জয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতীয় মহিলা দলের টেস্ট রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ হল। সেখানে এখন পর্যন্ত তিনটি টেস্টে জয় এবং সাতটি ম্যাচ ড্র করেছে ভারত। অর্থাৎ, এখনও পর্যন্ত ইংল্যান্ডের মাটিতে কোনও টেস্ট ম্যাচ হারেনি ভারতীয় মহিলা দল। সচিনের উপস্থিতিতে বাড়ল অনুপ্রেরণা চতুর্থ দিনের খেলা শুরুর আগে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে গিয়ে ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর ক্রিকেটারদের শুভেচ্ছা ও অনুপ্রেরণা দেন। পরে লর্ডসের গ্যালারিতে বসে তিনি দলের ঐতিহাসিক জয় প্রত্যক্ষ করেন। ক্রিকেটের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী মাঠে সচিনের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। ম্যাচ শেষে অনেক ক্রিকেটপ্রেমীও এই মুহূর্তকে ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য বিশেষ স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। অ্যামি জোন্স ও সোফি একলস্টোনের লড়াই যথেষ্ট ছিল না দ্বিতীয় ইনিংসে একসময় মাত্র ৫৯ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে অ্যামি জোন্স ও সোফি একলস্টোন লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। দু’জনেই অর্ধশতরান করে কিছু সময় ভারতের জয় বিলম্বিত করেন। অ্যামি জোন্স ৫৪ রান করার পর আউট হলে আবার চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। এরপর ৫০ রান করা সোফি একলস্টোনকে ফিরিয়ে দেন স্নেহ রানা। সেই উইকেটের পরই কার্যত ম্যাচ ভারতের মুঠোয় চলে আসে। স্নেহ রানা চারটি উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ভেঙে দেন। দীপ্তি শর্মাও দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা পালন করেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্যাট হাতে উজ্জ্বল স্মৃতি, যস্তিকা ও রিচা প্রথম ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ লিড নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতীয় ব্যাটাররা দারুণ পারফরম্যান্স দেখান। স্মৃতি মন্ধনা প্রথম ইনিংসের ৮৩ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৭০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। যস্তিকা ভাটিয়া ১১৩ রানের অসাধারণ শতরান করে লর্ডসের অনার বোর্ডে নিজের নাম তুলে নেন। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার রিচা ঘোষ অপরাজিত ৫০ রান করে দলের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৪১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ফলে ইংল্যান্ডের সামনে ৪৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড়ায়, যা শেষ পর্যন্ত তারা স্পর্শও করতে পারেনি। বল হাতেও নায়ক ক্রান্তি গৌড় এই ঐতিহাসিক জয়ে বল হাতেও উজ্জ্বল ছিলেন ক্রান্তি গৌড়। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনি লর্ডসের অনার বোর্ডে জায়গা করে নেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও আরও দুটি উইকেট শিকার করে ম্যাচে মোট সাতটি উইকেট তুলে নেন। স্নেহ রানা, দীপ্তি শর্মা এবং ক্রান্তি গৌড়ের সম্মিলিত বোলিং ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে পুরোপুরি চাপে ফেলে দেয়। তাদের ধারাবাহিক সাফল্যই ভারতের বড় জয়ের ভিত গড়ে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর দলের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই সবাই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে। কঠিন পরিস্থিতিতেও দল যেভাবে লড়াই করেছে, তা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা। বিশ্বকাপের আগে বড় আত্মবিশ্বাস কয়েক দিন আগেই সীমিত ওভারের সিরিজে হতাশাজনক ফলের মুখোমুখি হয়েছিল ভারতীয় মহিলা দল। সেই হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে এই ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বিশ্বকাপের আগে দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে তাদেরই মাঠে ২৭০ রানে হারানো শুধু একটি ম্যাচ জয় নয়, ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের শক্তিরও বড় প্রমাণ। এই সাফল্য দেখিয়ে দিল, বিশ্বের যে কোনও দলের বিরুদ্ধে লড়াই করে জেতার সামর্থ্য এখন ভারতীয় মহিলা দলের রয়েছে।
প্রথম সেট হারিয়েও জেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন সিনার
সকাল সকাল ডেস্ক প্রথম সেটে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ানিক সিনার প্রথম সেট হারিয়েও টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের সিংহাসনে সিনার প্রথম সেট হারিয়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা ইয়ানিক সিনার। অল ইংল্যান্ড ক্লাবের ঘাসের কোর্টে অনুষ্ঠিত পুরুষদের একক ফাইনালে আলেকজান্ডার জেরেভকে ৬-৭(৭), ৭-৬(২), ৬-৩, ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা জিতে নিলেন ইতালির এই তারকা। প্রায় তিন ঘণ্টা ৪৬ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে কেরিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং ৩০তম এটিপি শিরোপা জিতে আরও একবার নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন তিনি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শুরু থেকেই ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ফাইনালের শুরু থেকেই দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে জমে ওঠে দারুণ লড়াই। শক্তিশালী সার্ভিস, নিখুঁত গ্রাউন্ডস্ট্রোক এবং আক্রমণাত্মক খেলায় কেউই কাউকে ছাড় দিতে রাজি ছিলেন না। ফলে প্রথম সেটের নিষ্পত্তি হয় টাই-ব্রেকে। টাই-ব্রেকেও উত্তেজনার পারদ ছিল চরমে। শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুর্দান্ত ফোরহ্যান্ড শটে ৯-৭ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে প্রথম সেট জিতে নেন জেরেভ। দীর্ঘদিন পর সিনারের বিরুদ্ধে একটি সেট জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান জার্মান টেনিস তারকা। দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ালেন সিনার প্রথম সেট হারলেও সিনারের আত্মবিশ্বাসে কোনও ভাটা পড়েনি। বরং আরও ধৈর্য ধরে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে থাকেন তিনি। দ্বিতীয় সেটেও দুই খেলোয়াড় নিজেদের সার্ভিস ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত সেটের ভাগ্য নির্ধারণ হয় আবারও টাই-ব্রেকে। তবে এবার কোনও সুযোগ দেননি সিনার। নিখুঁত রিটার্ন, ধারাবাহিক আক্রমণ এবং প্রতিপক্ষের ভুলকে কাজে লাগিয়ে ৭-২ ব্যবধানে টাই-ব্রেক জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান ইতালির তারকা। সেই মুহূর্ত থেকেই ম্যাচের গতি বদলে যেতে শুরু করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ তৃতীয় সেটেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে তৃতীয় সেটে। একটি বল ধরতে গিয়ে ঘাসে পিছলে পড়ে ডান হাঁটুতে চোট পান জেরেভ। কিছু সময় চিকিৎসা নেওয়ার জন্য খেলা বন্ধ রাখতে হয়। এই সময় অসাধারণ ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিচয় দেন সিনার। প্রতিপক্ষের কাছে ছুটে গিয়ে চিকিৎসক আসা পর্যন্ত তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে এই আচরণের প্রশংসা করেন। চিকিৎসার পর জেরেভ খেলায় ফিরলেও আগের ছন্দ আর ফিরে পাননি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের প্রথম সার্ভিস ভাঙেন সিনার। এরপর নিজের সার্ভিস ধরে রেখে ৬-৩ ব্যবধানে তৃতীয় সেট জিতে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যান তিনি। চ্যাম্পিয়নের মতো শেষ করলেন ম্যাচ চতুর্থ সেটে জেরেভ শেষ চেষ্টা করেছিলেন ম্যাচকে আরও দীর্ঘায়িত করার। কিন্তু সিনারের আত্মবিশ্বাস তখন তুঙ্গে। স্কোর ৩-৩ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস ভেঙে ম্যাচ নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন তিনি। এরপর নিজের সার্ভিসে কোনও ভুল না করে ৬-৪ ব্যবধানে সেট জিতে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা নিশ্চিত করেন ইতালির এই তারকা। শেষ পয়েন্ট জয়ের পর আনন্দে ঘাসের কোর্টে শুয়ে পড়েন সিনার। দর্শকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই তিনি তুলে নেন কাঙ্ক্ষিত ট্রফি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন ইতিহাস গড়লেন ইতালির তারকা এই জয়ের মাধ্যমে একাধিক কীর্তি গড়েছেন ইয়ানিক সিনার। বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুই বছর উইম্বলডন জেতা কিংবদন্তিদের তালিকায় নিজের নাম যুক্ত করেছেন তিনি। অল ইংল্যান্ড ক্লাবে তাঁর টানা জয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ ম্যাচে। এটি ছিল গ্র্যান্ড স্ল্যামে তাঁর শততম ম্যাচ জয়। পাশাপাশি আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধে টানা দশটি জয় তুলে নিয়ে নিজের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করলেন ইতালির এই তারকা। সরকারি প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে সিনার বলেন, প্রথম সেট হারানোর পরও তিনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি। ধৈর্য ধরে খেলেছেন এবং প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন। অন্যদিকে জেরেভও স্বীকার করেন, কঠিন সময়ে সিনার অসাধারণ টেনিস খেলেছেন এবং যোগ্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শিরোপা জিতেছেন। পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই জয়ের মাধ্যমে ইয়ানিক সিনার কেরিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং ৩০তম এটিপি শিরোপা জিতে বিশ্ব টেনিসে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করলেন। ফরাসি ওপেনের হতাশা ভুলে উইম্বলডনের মুকুট ধরে রেখে তিনি আগামী দিনের বড় প্রতিযোগিতাগুলোর জন্যও আত্মবিশ্বাসের বার্তা দিলেন।
২২ বছরের অপেক্ষার অবসান, প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি, বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইতিহাস গড়ার হাতছানি
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন লিওনেল মেসি, ইতিহাস, আবেগ ও ফাইনালের স্বপ্ন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান, প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মেসি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণীয় দ্বৈরথ ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াই। দুই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, বিশ্বকাপের অসংখ্য স্মরণীয় ম্যাচ এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই ম্যাচকে সবসময়ই বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। তবে অবাক করার মতো বিষয়, আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২২ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়েও লিওনেল মেসি কখনও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলেননি। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, যা তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় হয়ে থাকবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মেসির কাছে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করার পর নিজের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মেসি। তিনি বলেছেন, বিশ্বের প্রায় সব শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেললেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কখনও মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। তাই এই ম্যাচ তাঁর কাছে শুধুমাত্র একটি সেমিফাইনাল নয়, বরং বহু বছরের অপূর্ণতা পূরণের সুযোগ। মেসির মতে, ইংল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল। তাদের সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্য, প্রতিভাবান ফুটবলার এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা এই ম্যাচকে আরও কঠিন ও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। এতদিন কেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা হয়নি দুই দশকেরও বেশি আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে এই বিরল ঘটনা অনেককেই অবাক করেছে। এর পেছনে রয়েছে একটি পুরনো ঘটনা। দুই হাজার পাঁচ সালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে খেলতে পারেননি মেসি। আন্তর্জাতিক অভিষেক ম্যাচে লাল কার্ড দেখার কারণে তিনি নিষিদ্ধ ছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময়ে দুই দল বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেও কখনও মুখোমুখি হয়নি। ফলে অবশেষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেই প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন মেসি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কঠিন পথ পেরিয়ে শেষ চারে আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রতিযোগিতায় নামলেও আর্জেন্টিনার পথ মোটেও সহজ ছিল না। প্রতিটি নকআউট ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে দলকে। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। দলের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মেসি। যদিও তিনি গোল করতে পারেননি, কিন্তু তাঁর নিখুঁত পাস, আক্রমণ তৈরি এবং নেতৃত্ব দলের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে। এর আগে শেষ ষোলোতেও পিছিয়ে পড়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। অন্য ম্যাচেও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই করতে হয়েছে। ফলে প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের মানসিক দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে দলটি। ক্লান্তি থাকলেও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর অধিনায়ক টানা অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ খেলায় ফুটবলারদের শরীরে ক্লান্তি রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন মেসি। তবে তিনি জানিয়েছেন, দল এখন বিশ্রাম নিয়ে সেমিফাইনালের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে। অধিনায়কের মতে, প্রতিযোগিতার এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ক্লান্তির কথা ভেবে লাভ নেই। এখন একমাত্র লক্ষ্য ফাইনালে ওঠা। দলের সবাই সেই লক্ষ্যেই মনোযোগী এবং নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইতিহাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন অধ্যায় ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ইতিহাসে রয়েছে বহু নাটকীয় মুহূর্ত। অতীতের বহু স্মরণীয় ম্যাচ আজও ফুটবলপ্রেমীদের আবেগের অংশ হয়ে রয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হতে চলেছে এই দুই শক্তিশালী দল। একদিকে তরুণ ও গতিময় ইংল্যান্ড, অন্যদিকে অভিজ্ঞতা, কৌশল এবং মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা। ফলে সেমিফাইনাল ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে পৌঁছেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বক্তব্য ম্যাচের আগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমবার খেলতে নামা তাঁর কাছে অত্যন্ত বিশেষ অনুভূতি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, দল ক্লান্ত হলেও আত্মবিশ্বাস হারায়নি এবং ফাইনালে ওঠাই এখন একমাত্র লক্ষ্য। সমর্থকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশ্বকাপের এই সেমিফাইনাল ম্যাচে জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে পৌঁছাবে। ফলে দুই দেশের কোটি কোটি সমর্থকের নজর থাকবে এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের দিকে। বিশেষ করে মেসির প্রথম ইংল্যান্ড ম্যাচ হওয়ায় এই সেমিফাইনাল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়? জানুন হাজার বছরের ইতিহাস ও আসল কারণ
সকাল সকাল ডেস্ক প্রাচীন মিশরের ঐতিহ্য, রোমানদের বিশ্বাস ও আধুনিক বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা—কেন এখনও বাঁ হাতের অনামিকাই বিয়ের আংটির সবচেয়ে জনপ্রিয় ঠিকানা? বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—এই প্রশ্ন বহু মানুষের মনে কৌতূহল তৈরি করে। বিয়ে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, আর সেই নতুন সম্পর্কের সূচনা হয় বাগদান বা আংটি বদলের মাধ্যমে। কিন্তু তর্জনী, মধ্যমা বা কনিষ্ঠা নয়, কেন যুগের পর যুগ ধরে অনামিকাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস, রোমানদের বিশ্বাস এবং ভালোবাসাকে ঘিরে গড়ে ওঠা এক দীর্ঘ ঐতিহ্যের মধ্যে। যদিও আধুনিক বিজ্ঞান এই বিশ্বাসের সবটুকু সমর্থন করে না, তবুও বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—তার পেছনের গল্প আজও সমান আকর্ষণীয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রাচীন মিশর থেকেই শুরু এই প্রথা ইতিহাসবিদদের মতে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে প্রাচীন মিশরে প্রথম বিয়ের আংটি ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়। তখন সোনা বা রুপোর আংটি নয়, বরং নলখাগড়া, খেজুরপাতা কিংবা গাছের আঁশ দিয়ে গোলাকার আংটি তৈরি করা হতো। মিশরীয়দের বিশ্বাস ছিল, বৃত্তের কোনও শুরু বা শেষ নেই। তাই গোলাকার আংটি অনন্ত ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং চিরস্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে আংটি বিবাহবন্ধনের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে। রোমানদের ‘ভালোবাসার শিরা’ বিশ্বাস পরবর্তীকালে এই প্রথা রোমান সভ্যতায় ছড়িয়ে পড়ে। তখনই জন্ম নেয় একটি জনপ্রিয় ধারণা, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। রোমানদের বিশ্বাস ছিল, বাঁ হাতের অনামিকা থেকে একটি বিশেষ শিরা সরাসরি হৃদয়ে গিয়ে মিলেছে। এই শিরার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ভালোবাসার শিরা’। তাঁদের মতে, হৃদয় যেহেতু ভালোবাসার কেন্দ্র, তাই এই আঙুলে আংটি পরানো মানেই দুই মানুষের হৃদয়ের বন্ধনকে চিরস্থায়ী করা। এই বিশ্বাসই ধীরে ধীরে বিশ্বের বহু দেশে বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় পরার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে ওঠে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা কী বলছে? আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান অবশ্য এই ঐতিহাসিক বিশ্বাসকে সমর্থন করে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবদেহে এমন কোনও পৃথক শিরা নেই, যা কেবল বাঁ হাতের অনামিকা থেকে সরাসরি হৃদয়ে পৌঁছে যায়। অর্থাৎ ‘ভালোবাসার শিরা’ একটি রোম্যান্টিক ঐতিহাসিক ধারণা, বৈজ্ঞানিক সত্য নয়। তবে এই তথ্য জানার পরও প্রথাটির জনপ্রিয়তায় কোনও ভাটা পড়েনি। কারণ আংটির মূল্য তার ধাতুতে নয়, বরং তার প্রতীকী অর্থেই নিহিত। বিশ্বের সব দেশে কি একই নিয়ম? বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—এই প্রশ্নের উত্তর সব দেশে এক নয়। বিভিন্ন সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক রীতির কারণে এর ভিন্নতা দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স ও ইতালিসহ বহু পশ্চিমা দেশে এখনও বাঁ হাতের অনামিকায় বিয়ের আংটি পরার প্রচলন রয়েছে। অন্যদিকে জার্মানি, রাশিয়া, পোল্যান্ড, নরওয়ে, ইউক্রেনসহ পূর্ব ইউরোপের একাধিক দেশে ডান হাতের অনামিকায় বিয়ের আংটি পরার রীতি অনুসরণ করা হয়। কোথাও ধর্মীয় বিশ্বাস, কোথাও পারিবারিক ঐতিহ্য, আবার কোথাও সাংস্কৃতিক প্রভাব এই পার্থক্যের কারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আধুনিক সময়ে বদলাচ্ছে রীতি বর্তমান সময়ে অনেকেই ব্যক্তিগত পছন্দ, পেশাগত প্রয়োজন বা ফ্যাশনের কারণে ডান হাতে কিংবা অন্য আঙুলেও বিয়ের আংটি পরেন। অনেক দম্পতি আবার নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়েও সিদ্ধান্ত নেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আংটি কোন আঙুলে পরবেন, তার কোনও বৈজ্ঞানিক বাধ্যবাধকতা নেই। এটি মূলত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। পটভূমি প্রাচীন মিশরের প্রতীকী আংটি থেকে শুরু করে রোমান সভ্যতার বিশ্বাস—হাজার বছরের ইতিহাস পেরিয়ে আজও বিয়ের আংটি ভালোবাসা ও অঙ্গীকারের অন্যতম প্রতীক হিসেবে টিকে রয়েছে। সময়ের সঙ্গে আংটির নকশা ও উপকরণ বদলালেও তার প্রতীকী গুরুত্ব অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রভাব বিয়ের আংটি আজ শুধু একটি অলঙ্কার নয়, বরং সম্পর্কের প্রতি আস্থা, দায়িত্ববোধ, বিশ্বস্ততা এবং সারাজীবন একসঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতির প্রতীক। তাই এই ঐতিহ্য এখনও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতামত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আংটি বাঁ হাতের অনামিকায় কেন পরানো হয়—এর উত্তর ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মধ্যে নিহিত। বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও এই প্রথা আজও ভালোবাসা ও সম্পর্কের এক চিরন্তন প্রতীক হিসেবেই বিবেচিত হয়।
বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায়: বিশেষজ্ঞদের জরুরি পরামর্শ, কী করবেন আর কী করবেন না
সকাল সকাল ডেস্ক বন্যার সময় ও পানি নেমে যাওয়ার পর সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও সঠিক পদক্ষেপই সাপের কামড়ের ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় জানুন, বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা বর্ষাকালে বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবল বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে সাপের প্রাকৃতিক আবাসস্থল পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তারা মানুষের বাড়ি, আঙিনা, ক্ষেতখামার, গবাদিপশুর খোঁয়াড় এমনকি আশ্রয়কেন্দ্রেও ঢুকে পড়ে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যার সময় যেমন সতর্ক থাকতে হবে, তেমনি পানি নেমে যাওয়ার পরও ঝুঁকি পুরোপুরি শেষ হয় না। বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন থাকলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেকটাই কমানো সম্ভব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন বন্যার সময় বাড়ে সাপের উপদ্রব? বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যার পানিতে সাপের গর্ত ও স্বাভাবিক বাসস্থান নষ্ট হয়ে যায়। শুকনো জায়গার খোঁজে তারা মানুষের বসত এলাকায় চলে আসে। এ সময় বিষধর ও নির্বিষ—উভয় ধরনের সাপের সঙ্গেই মানুষের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বাংলাদেশে চন্দ্রবোড়া, গোখরা ও কালাচের মতো বিষধর সাপ বেশি পরিচিত। পাশাপাশি অনেক নির্বিষ সাপও আকার ও আচরণের কারণে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। তাই সাপের প্রজাতি শনাক্ত করার চেষ্টা না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আগাম প্রস্তুতিই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় হিসেবে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাড়ির দরজা, জানালা ও দেয়ালের ফাঁকফোকর বন্ধ রাখতে হবে, যাতে সাপ সহজে প্রবেশ করতে না পারে। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, ঝোপঝাড় নিয়মিত কেটে ফেলা এবং কাঠ, টিন বা আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে রাখলে সাপের লুকিয়ে থাকার সুযোগ কমে যায়। একই সঙ্গে পরিবারের সবাইকে, বিশেষ করে শিশুদের, সাপ সম্পর্কে সচেতন করে তোলাও জরুরি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বাইরে চলাফেরার সময় বাড়তি সতর্কতা বন্যার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের না হওয়াই ভালো। তবে জরুরি প্রয়োজনে পানির মধ্যে হাঁটার আগে লম্বা লাঠি দিয়ে সামনে পরীক্ষা করে এগোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে পানির নিচে লুকিয়ে থাকা সাপ থাকলে আগেই সতর্ক হওয়া যায়। এ সময় লম্বা প্যান্ট, শক্ত জুতো বা বুট ব্যবহার করলে সাপের কামড়ের ঝুঁকি কিছুটা কমে। বন্যার পানিতে ভেসে আসা গাছের ডাল, কাঠ, টিন কিংবা আবর্জনার নিচে সাপ আশ্রয় নিতে পারে। তাই এসব কখনও খালি হাতে সরানো উচিত নয়। কোদাল, রেক বা লাঠির মতো সরঞ্জাম ব্যবহার করা নিরাপদ। পানি নেমে যাওয়ার পরও বিপদ কাটে না অনেকেই মনে করেন বন্যার পানি সরে গেলেই ঝুঁকি শেষ। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবে তখনও বাড়ির অন্ধকার কোণা, খাটের নিচে, আলমারির পেছনে, রান্নাঘর, গুদামঘর কিংবা পরিত্যক্ত স্থানে সাপ লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই ঘরে প্রবেশের আগে ভালোভাবে সব জায়গা পরীক্ষা করা উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় হাতে দস্তানা, পায়ে বুট এবং শরীর ঢাকা পোশাক ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অনেক কমে। সাপ দেখলে কী করবেন? হঠাৎ সাপের মুখোমুখি হলে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকতে হবে। সাপকে ধরার চেষ্টা করা, তাড়ানো বা আঘাত করা বিপজ্জনক হতে পারে। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সাপটিকে সরে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। যদি ঘরের ভেতরে সাপ ঢুকে পড়ে, তাহলে নিজে ঝুঁকি না নিয়ে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সাপে কামড়ালে প্রাথমিক করণীয় কোনো ব্যক্তিকে সাপে কামড় দিলে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। আক্রান্ত অঙ্গ যতটা সম্ভব স্থির রাখতে হবে এবং রোগীকে শান্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বিষ চুষে বের করা, ক্ষতস্থান কেটে দেওয়া, শক্ত করে কাপড় বা দড়ি বেঁধে দেওয়া কিংবা ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর করা একেবারেই উচিত নয়। এসব ভুল পদ্ধতি রোগীর অবস্থাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। পটভূমি প্রতি বর্ষায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার সঙ্গে সাপের উপদ্রবও বেড়ে যায়। মানুষের বসতবাড়িতে সাপ ঢুকে পড়ার ঘটনা এবং সাপের কামড়ে আহত বা মৃত্যুর খবরও এই সময় বেশি দেখা যায়। তাই জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রভাব সচেতনতা ও সঠিক প্রস্তুতি থাকলে সাপের কামড়ের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সাপে কামড়ানোর পর দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো গেলে অধিকাংশ রোগীকেই সফলভাবে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যায় সাপের কামড় এড়ানোর উপায় হলো আগাম প্রস্তুতি, নিরাপদ আচরণ এবং সাপে কামড়ালে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া। আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই হতে পারে জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র।
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি: শেষ চারে ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, কবে কোন ম্যাচ?
সকাল সকাল ডেস্ক শেষ চার নিশ্চিত। টানা দুই রাতে দুই মহারণ—ফ্রান্স-স্পেন ও ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপ ফাইনালের দুই ফাইনালিস্ট। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ, শেষ চারে চার মহাশক্তি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। কোয়ার্টার ফাইনালের সব লড়াই শেষ হওয়ার পর শিরোপার দৌড়ে টিকে রয়েছে মাত্র চারটি দল—ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এবার টানা দুই রাতের দুই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে কারা উঠবে মহারণের ফাইনালে। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি অনুযায়ী, ভারতীয় দর্শকদের রাত জেগেই উপভোগ করতে হবে এই দুই মহারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশ্ব ফুটবলে বিরল নজির এবারের বিশ্বকাপে একটি ঐতিহাসিক রেকর্ডও তৈরি হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর এই প্রথম বিশ্বের শীর্ষ চারটি দল একই সঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ফলে শেষ চারের প্রতিটি ম্যাচই কার্যত একটি ফাইনালের সমান গুরুত্ব বহন করছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, চারটি দলই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। তাই কৌশল, গতি, অভিজ্ঞতা এবং তারকাদের পারফরম্যান্স—সবকিছু মিলিয়ে সেমিফাইনালের প্রতিটি মুহূর্ত হতে চলেছে রোমাঞ্চকর। ফ্রান্স বনাম স্পেন: প্রথম সেমিফাইনালে জমজমাট লড়াই বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি অনুযায়ী প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জুলাই, বুধবার। টেক্সাসের আরলিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ২-০ গোলে মরক্কোকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে স্পেন ২-১ ব্যবধানে বেলজিয়ামকে বিদায় জানিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। ফ্রান্সের প্রধান ভরসা কিলিয়ান এমবাপে। টুর্নামেন্টে তাঁর ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। অন্যদিকে স্পেনের আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। দ্রুত পাস, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণাত্মক ফুটবলের জন্য স্পেন ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। ফলে এই ম্যাচ দুই ফুটবল দর্শনের লড়াই হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা: ইতিহাসের নতুন অধ্যায় দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার। এই ম্যাচের ভেন্যু আটলান্টা স্টেডিয়াম। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে নরওয়েকে হারিয়েছে। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন জুড বেলিংহ্যাম। অন্যদিকে সুইৎজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির অভিজ্ঞতা, হুলিয়ান আলভারেজের গতি এবং লাউতারো মার্তিনেজের গোল করার দক্ষতা দলটিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগে রয়েছেন হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকা ও ফিল ফোডেনের মতো তারকা ফুটবলার। দুই দলের অতীত ইতিহাসও এই লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তাই বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচির সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচ হতে চলেছে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা মহারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি কোয়ার্টার ফাইনালের চারটি ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপ এখন শেষ বাঁকের সামনে। চারটি দলই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করে শেষ চারে পৌঁছেছে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে রয়েছে, অন্যদিকে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ড দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। প্রভাব সেমিফাইনালের ফলাফলই নির্ধারণ করবে কোন দুই দল ২০ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে। একই সঙ্গে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ। তাই আগামী কয়েক দিনের প্রতিটি ম্যাচ বিশ্ব ফুটবলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি তথ্য আয়োজকদের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, দুটি সেমিফাইনালই ভারতীয় সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই এবং ফাইনাল হবে ২০ জুলাই নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দর্শকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারতে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ এবং ফাইনাল সরাসরি দেখা যাবে দূরদর্শন ক্রীড়া চ্যানেলে। এছাড়াও ইউনাইটেড স্পোর্টস চ্যানেলে সম্প্রচার হবে ম্যাচগুলি। অনলাইনে জি-ফাইভ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ থাকবে। যোগ্য গ্রাহকেরা জিওটিভির মাধ্যমেও ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন। বিশ্বকাপের শেষ পর্বের সূচি
এক্সট্রা টাইমে আলভারেজ-লাউতারোর জোড়া আঘাত, সুইৎজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
সকাল সকাল ডেস্ক একজন কমে যাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছিল সুইৎজারল্যান্ড, কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার দুরন্ত আক্রমণে নিশ্চিত হল শেষ চারের টিকিট। শুরুতেই এগিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে কোনও ফলাফল না হলেও অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেই সুইৎজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের জোড়া আঘাতে প্রতিপক্ষের প্রতিরোধ ভেঙে দেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। এবার বিশ্বকাপের শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে মেসিদের দাপট ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় আর্জেন্টিনাকে। বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে দলটি। নবম মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের শট প্রতিহত করে সুইস রক্ষণভাগ কর্নারের বিনিময়ে বিপদ সামাল দেয়। তবে সেই কর্নার থেকেই আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। দশম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ভাসানো বল থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন ম্যাক অ্যালিস্টার। গোল পাওয়ার পরও থেমে থাকেনি আর্জেন্টিনা। মেসি, আলভারেজ ও ম্যাক অ্যালিস্টারের একাধিক আক্রমণে সুইৎজারল্যান্ডের রক্ষণভাগ চাপে পড়লেও ব্যবধান বাড়ানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে সুইৎজারল্যান্ড। বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও গোলের সামনে তেমন কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। ফলে ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সুইৎজারল্যান্ড বিরতির পর সম্পূর্ণ বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। শুরু থেকেই আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয় সুইৎজারল্যান্ড। ৬০ মিনিটে ব্রিল এম্বোলোর দুর্দান্ত সুযোগ এবং কিছুক্ষণ পর দান এনদোয়ের নিশ্চিত গোলের প্রচেষ্টা অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তবে ৬৭ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। রিকার্দো রদ্রিগেসের নিখুঁত পাস থেকে নিচু শটে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান দান এনদোয়ে। ম্যাচ তখন ১-১। বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বদলে যায় ম্যাচ সমতা ফেরার মাত্র তিন মিনিট পরই ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত আসে। ব্রিল এম্বোলোর কঠোর ট্যাকলের জন্য প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও পরে ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে সিদ্ধান্ত বদলে সরাসরি লাল কার্ড দেখান ম্যাচ রেফারি। ফলে প্রায় ২০ মিনিট একজন কম নিয়ে খেলতে বাধ্য হয় সুইৎজারল্যান্ড। সংখ্যাগত সুবিধা পেলেও নির্ধারিত সময়ে তা কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির বাঁকানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের শক্তিশালী শট দুর্দান্তভাবে বাঁচিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষ হয় ১-১ সমতায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অতিরিক্ত সময়ে আলভারেজ-লাউতারোর জাদু অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগেও গোলের দেখা মেলেনি। মেসির ফ্রি-কিক এবং বদলি হিসেবে নামা থিয়াগো আলমাদার দূরপাল্লার শটও প্রতিহত করেন কোবেল। তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি হয়তো টাইব্রেকারের দিকেই এগোচ্ছে। কিন্তু ১১২ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। জোসে লোপেসের ছোট পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের অসাধারণ বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলটি ছিল ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। গোল হজম করার পর মরিয়া হয়ে আক্রমণে উঠে আসে সুইৎজারল্যান্ড। সেই সুযোগেই পাল্টা আক্রমণে যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজ দূরপাল্লার জোরালো শটে ব্যবধান ৩-১ করেন। এরপর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি সুইসরা। পটভূমি গত বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবারও শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে সুইৎজারল্যান্ডও ধারাবাহিক ভালো ফুটবল খেলে শেষ আটে পৌঁছেছিল। দুই দলের লড়াইয়ে টানটান উত্তেজনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও আক্রমণের ধারই পার্থক্য গড়ে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব এই জয়ের ফলে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনা। এতে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হল। অন্যদিকে সাহসী লড়াই করেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল সুইৎজার্ল্যান্ডকে। সরকারি বক্তব্য ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি দলের ধৈর্য, লড়াই এবং বদলি ফুটবলারদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই জয় দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। জনসাধারণের জন্য তথ্য এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন শেষ চারের দুই মহারণের দিকে।