Netherlands vs Morocco 2026 : টাইব্রেকারে হৃদয়ভাঙা হার, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেদারল্যান্ডস
সকাল সকাল ডেস্ক নির্ধারিত সময়ে এগিয়ে থেকেও শেষরক্ষা হল না, নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের পর টাইব্রেকারে জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল মরক্কো। বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় ম্যাচে Netherlands vs Morocco লড়াই ফুটবলপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন জায়গা করে নেবে। নির্ধারিত সময়ে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের স্নায়ুযুদ্ধে ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করল নেদারল্যান্ডস। অন্যদিকে দুর্দান্ত মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করল মরক্কো। Netherlands vs Morocco ম্যাচে শেষ মুহূর্তের প্রত্যাবর্তনই বদলে দিল পুরো ছবিটা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রথমার্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিল মরক্কো ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও বলের দখল এবং আক্রমণ তৈরির ক্ষেত্রে মরক্কো কিছুটা এগিয়ে ছিল। বিশেষ করে আশরফ হাকিমি ডান দিক দিয়ে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুলে ডাচ রক্ষণকে চাপে রাখেন। ২০ মিনিটে হাকিমির দুটি দুর্দান্ত প্রচেষ্টা অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস প্রথমার্ধে খুব বেশি কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি। ফলে গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল। বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ডাচ শিবির Netherlands vs Morocco ম্যাচের ২৭ মিনিটে ইয়ান পল ভ্যান হেকে প্রতিপক্ষের কনুইয়ের আঘাতে মাথায় চোট পান। কপাল কেটে রক্ত বের হলেও রেফারি কোনও কার্ড দেখাননি। এই সিদ্ধান্তে ডাচ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ রোনাল্ড কোম্যানও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। গাকপোর গোলে এগিয়ে গিয়েছিল নেদারল্যান্ডস দ্বিতীয়ার্ধেও মরক্কো আক্রমণের ধার বজায় রাখে। ৫১ মিনিটে আশরফ হাকিমির শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপরও একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে পারেনি আফ্রিকার দলটি। ৭০ মিনিটে পরিবর্তন এনে ওয়াউট ভেগহর্স্ট এবং টেউন কুপমেইনার্সকে মাঠে নামান রোনাল্ড কোম্যান। এই সিদ্ধান্তই প্রথমে সফল হয়। ৭২ মিনিটে ভেগহর্স্টের তৈরি করা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে কোডি গাকপো দুর্দান্ত শটে গোল করেন। গোলের পর আবেগে ভেঙে পড়েন গাকপো। ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ের মধ্যেও দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোল করে সতীর্থদের সঙ্গে আবেগঘন মুহূর্ত ভাগ করে নেন তিনি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ যোগ করা সময়ে ম্যাচে ফেরে মরক্কো নেদারল্যান্ডসের আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই বদলি খেলোয়াড় তালবির নিখুঁত ক্রস থেকে ইসা দিয়প দুর্দান্ত হেডে সমতা ফেরান। ডাচ অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক বলের গতিপথ সঠিকভাবে বিচার করতে না পারায় সেই সুযোগ কাজে লাগায় মরক্কো। ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে জমে ওঠে লড়াই অতিরিক্ত সময়ে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ১০২ মিনিটে সৌফিয়ান রহিমির নিশ্চিত গোলের সুযোগ দুর্দান্ত সেভ করে নেদারল্যান্ডসকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন ফেরব্রুগেন। অন্যদিকে ১১২ মিনিটে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন কোডি গাকপো। দর্শকরা দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে বিদায় জানান। অতিরিক্ত সময়েও আর কোনও গোল না হওয়ায় ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে ভেঙে পড়ল নেদারল্যান্ডস Netherlands vs Morocco ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় অধ্যায় ছিল টাইব্রেকার। মরক্কোর প্রথম শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। জাস্টিন ক্লুইভার্টের শট ক্রসবারে লাগে। কুইন্টেন টিম্বারের প্রচেষ্টা পোস্টের বাইরে চলে যায়। শেষদিকে ক্রিসেনসিও সামারভিলের দুর্বল শট সহজেই আটকে দেন ইয়াসিন বুনু। মরক্কোর পক্ষেও কিছু নাটকীয় মুহূর্ত ছিল। সৌফিয়ান রহিমির প্রথম পেনাল্টি ফেরব্রুগেন ঠেকালেও বল তাঁর শরীরে লেগে জালে ঢুকে যায়। আশরফ হাকিমি একটি শট মিস করলেও শেষ পর্যন্ত ইসমাইল সাইবারির সফল পেনাল্টিতে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে মরক্কো। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রেক্ষাপট, প্রভাব ও সরকারি প্রতিক্রিয়া Background বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠার লড়াইয়ে এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নেদারল্যান্ডস ছিল ফেভারিট হলেও মরক্কো শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয়। Impact এই জয়ের ফলে মরক্কো শেষ ষোলোয় উঠে সহ-আয়োজক কানাডার বিরুদ্ধে খেলবে। অন্যদিকে পেনাল্টি ব্যর্থতার কারণে আবারও বড় টুর্নামেন্ট থেকে হতাশা নিয়ে বিদায় নিতে হল নেদারল্যান্ডসকে। Official Statement ম্যাচ শেষে ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের প্রশংসা করলেও শেষ মুহূর্তে গোল হজম এবং টাইব্রেকারে ব্যর্থতাকেই পরাজয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। মরক্কো শিবির তাদের মানসিক দৃঢ়তা ও দলগত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছে। Public Information টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে মরক্কো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে কানাডা। নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ অভিযান এখানেই শেষ।
FIFA Private Jet Controversy 2026: ২৪ ম্যাচ দেখতে ২৭ বার ব্যক্তিগত জেটে ইনফান্তিনো, পরিবেশ প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিতর্ক
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপ চলাকালীন ফিফা সভাপতির ব্যক্তিগত জেট সফর ঘিরে প্রশ্ন, কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তব? FIFA Private Jet Controversy বিশ্ব ফুটবলে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিবেশবান্ধব বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে ফিফা। কিন্তু ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালীন ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনোর ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই সেই প্রতিশ্রুতি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মাত্র আড়াই সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বকাপের ২৪টি ম্যাচ দেখতে ইনফান্তিনো অন্তত ২৭ বার ব্যক্তিগত জেটে ভ্রমণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর বিভিন্ন শহরে দ্রুত যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে একটি গালফস্ট্রিম জি৬৫০ইআর বিমান। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে FIFA Private Jet Controversy আরও তীব্র হয়েছে। FIFA Private Jet Controversy: কী নিয়ে উঠছে প্রশ্ন? ২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেওয়ায় ম্যাচের সংখ্যাও বেড়েছে। তিনটি দেশে ছড়িয়ে থাকা ভেন্যুগুলির কারণে ফিফা সভাপতির ব্যস্ত সফরসূচি ছিল স্বাভাবিক। তবে সমালোচনার মূল কারণ, একাধিক ক্ষেত্রে অল্প দূরত্বের সফরেও ব্যক্তিগত জেট ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইনফান্তিনোর বিভিন্ন ম্যাচে উপস্থিতির সময় এবং গালফস্ট্রিম জি৬৫০ইআর বিমানের ফ্লাইট রেকর্ড প্রায় পুরোপুরি মিলেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ১৩ জুন কানাডার ভ্যাঙ্কুভার থেকে প্রায় ৪,৫০০ কিলোমিটার উড়ে মায়ামিতে পৌঁছান ইনফান্তিনো। আবার ২২ জুন মাত্র ১৪৮ কিলোমিটার দূরের ফিলাডেলফিয়া থেকে নিউ জার্সির টিটারবোরোতেও ব্যক্তিগত জেট ব্যবহার করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বল্প দূরত্বেও ব্যক্তিগত জেট ১৫ জুন ছিল তাঁর সবচেয়ে ব্যস্ত দিন। সকালে মায়ামি থেকে সিয়াটল, এরপর লস অ্যাঞ্জেলেস এবং পরে আরও একাধিক শহরে ম্যাচ দেখতে যান তিনি। ২৬ জুনও মায়ামি, ডালাস এবং সিয়াটলের মধ্যে দীর্ঘ সফর শেষে আবার মায়ামিতে ফিরে আসেন। এই ধারাবাহিক যাতায়াতই FIFA Private Jet Controversy-কে আরও বড় আকার দিয়েছে। পরিবেশগত প্রভাব কতটা? বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত বিমানটি মোট প্রায় ৫০ হাজার কিলোমিটার উড়েছে এবং আকাশে ছিল ৬৬ ঘণ্টারও বেশি। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, গালফস্ট্রিম জি৬৫০ইআর প্রতি ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ১,৮০০ লিটার জ্বালানি ব্যবহার করে। সেই হিসেবে এই সফরগুলির ফলে আনুমানিক ৫১৬ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়েছে। পরিবেশবিদদের মতে, এই পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ গড় হিসেবে প্রায় ৭৮ জন মানুষের এক বছরের মোট কার্বন নিঃসরণের সমান। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background ফিফা ইতোমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে সংস্থাটি কার্বন নিঃসরণ ৫০ শতাংশ কমাতে চায় এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ‘নেট জিরো’ লক্ষ্যে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার, গণপরিবহণে উৎসাহ, বিদ্যমান স্টেডিয়ামের ব্যবহার এবং দলগুলিকে আঞ্চলিক ভিত্তিতে রাখার মতো একাধিক উদ্যোগের কথাও জানানো হয়েছে। Impact FIFA Private Jet Controversy ফিফার পরিবেশবান্ধব ভাবমূর্তির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর বার্তার সঙ্গে ব্যক্তিগত জেটের অতিরিক্ত ব্যবহার সাংঘর্ষিক। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জেট বাণিজ্যিক বিমানের তুলনায় অনেক বেশি কার্বন নিঃসরণ করে। ফলে ফিফার ঘোষিত পরিবেশ নীতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। Official Statement ফিফার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সভাপতি সদস্য সংস্থা, টুর্নামেন্ট পরিচালনা এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মিত বিভিন্ন দেশে সফর করেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী কখনও বাণিজ্যিক বিমান, আবার কখনও ব্যক্তিগত চার্টার ব্যবহার করা হয়। ফিফার দাবি, সময়, নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতার বিষয় বিবেচনা করেই পরিবহণের মাধ্যম নির্বাচন করা হয়। তবে কোন কোন সফরে বাণিজ্যিক বিমান ব্যবহার করা হয়েছে, ব্যক্তিগত জেটে কতজন যাত্রী ছিলেন কিংবা অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ মোকাবিলায় কোনও কার্বন অফসেট কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে সংস্থার পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। Public Information ২০২৬ বিশ্বকাপ তিনটি দেশে অনুষ্ঠিত হওয়ায় দল, কর্মকর্তা এবং সংগঠকদের দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করতে হচ্ছে। তবে পরিবেশবিদদের মতে, এত বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের ফলে সামগ্রিক কার্বন নিঃসরণ আগের বিশ্বকাপগুলির তুলনায় আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে FIFA Private Jet Controversy শুধু ইনফান্তিনোর সফর নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। ভবিষ্যতে ফিফা কীভাবে তাদের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে, সেদিকেই এখন নজর বিশ্ব ফুটবল মহলের।
Neymar Donation : ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্প দুর্গতদের জন্য আড়াই লক্ষ ডলার দিলেন নেইমার
সকাল সকাল ডেস্ক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার নজির গড়লেন ব্রাজিল তারকা, ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে বড় অনুদান। Neymar Donation আবারও প্রমাণ করল, মাঠের বাইরেও তিনি একজন বড় মনের মানুষ। ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জরুরি ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছেন। বিশ্বকাপের ব্যস্ত সূচির মধ্যেও তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী, জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং গৃহহীন পরিবারগুলোর জন্য অস্থায়ী আশ্রয় তৈরিতে ব্যয় করা হবে। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে Neymar Donation হাজার হাজার মানুষের কাছে বড় সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। Neymar Donation: মানবিক বার্তায় মুগ্ধ ফুটবল বিশ্ব নিজের এই সহায়তার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নেইমার বলেন, “ভেনেজুয়েলার মানুষের জন্য আমার হৃদয় কাঁদছে। যারা সবকিছু হারিয়েছেন, তাঁদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আমি আশা করি, আমার এই সামান্য সাহায্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কিছুটা হলেও উপকারে আসবে এবং তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পাবে।” এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য সমর্থক তাঁর মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, বিশ্বের তারকা ক্রীড়াবিদদের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি অনুকরণীয় উদাহরণ স্থাপন করেছেন ব্রাজিলের এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড। ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা Neymar Donation-এর পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। গত বুধবার স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভেনেজুয়েলা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭.২ এবং ৭.৫। কয়েক সেকেন্ডের প্রবল কম্পনে বহু ভবন ধসে পড়ে, রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অসংখ্য এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৪৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৩,২০০-এরও বেশি মানুষ। তিন হাজারের বেশি পরিবার সম্পূর্ণ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ উদ্ধারকারী দলগুলো এখনও ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছে। তবে ভারী যন্ত্রপাতির সংকট এবং একের পর এক আফটারশকের কারণে উদ্ধার অভিযান বারবার ব্যাহত হচ্ছে। মাঠের বাইরের মানবিকতা, মাঠের ভেতরে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা নেইমারের মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য রয়েছে আরও একটি সুখবর। চোট কাটিয়ে ধীরে ধীরে পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠছেন তিনি। পায়ের সমস্যার কারণে বিশ্বকাপের প্রথম দুটি গ্রুপ ম্যাচে খেলতে না পারলেও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে ১৫ মিনিট খেলেছেন। আজ জাপানের বিরুদ্ধে নকআউট ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে আশাবাদের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, নেইমারের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং তিনি এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সময় মাঠে থাকতে প্রস্তুত। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background নেইমার অতীতেও বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিশু কল্যাণে একাধিকবার আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্প দুর্গতদের জন্য এই অনুদান তাঁর মানবিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতারই অংশ। Impact Neymar Donation শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও মানবিক সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। তাঁর এই উদ্যোগে অন্যান্য ক্রীড়াবিদ ও সমাজসেবী সংস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত হতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। Official Statement নেইমার জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। অন্যদিকে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি নিশ্চিত করেছেন যে নেইমার এখন অনেকটাই সুস্থ এবং প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় মাঠে খেলতে পারবেন। Public Information বিশ্বকাপে ব্রাজিল দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। গ্রুপ সি-র শীর্ষে থেকে নকআউটে উঠেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৮২ সাল থেকে টানা ১২টি বিশ্বকাপে নিজেদের গ্রুপের শীর্ষে থেকেই নকআউট পর্বে পৌঁছেছে ব্রাজিল। এবার জাপানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নেইমারের প্রত্যাবর্তন দলের শক্তি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। মাঠের বাইরে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনের পর এবার সমর্থকদের নজর মাঠের ভেতরে। জাপানের বিরুদ্ধে নকআউট ম্যাচে নেইমার তাঁর চেনা ছন্দে ফিরতে পারেন কি না, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
Ben Stokes Retirement 2026 : চলতি টেস্টের মাঝেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায়, আবেগঘন ঘোষণা ইংল্যান্ড অধিনায়কের
সকাল সকাল ডেস্ক ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্ট শেষেই তিন ফরম্যাট থেকে অবসর, ইংল্যান্ড ক্রিকেটে এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটাচ্ছেন বেন স্টোকস। Ben Stokes Retirement বিশ্ব ক্রিকেটে বড় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক ও আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার বেন স্টোকস ঘোষণা করেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ট্রেন্ট ব্রিজে চলমান তৃতীয় টেস্টই হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর শেষ ম্যাচ। এই ম্যাচ শেষ হওয়ার পর টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-২০—তিনটি ফরম্যাট থেকেই বিদায় নেবেন তিনি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে ক্রিকেটপ্রেমীদের পাশাপাশি বিস্মিত হয়েছে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। Ben Stokes Retirement: ড্রেসিংরুমেই জানালেন অবসরের সিদ্ধান্ত রবিবার চতুর্থ দিনের খেলা শুরুর আগে ইংল্যান্ড দলের ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন স্টোকস। সেখানেই তিনি নিজের অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানান। হঠাৎ এমন ঘোষণায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সতীর্থরা। কারণ, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে স্টোকস শুধু দলের অন্যতম সেরা ক্রিকেটারই নন, বরং ইংল্যান্ডের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় হিসেবেও পরিচিত। তাঁর বিদায়ের মাধ্যমে ২০১১ সালে শুরু হওয়া এক গৌরবময় আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক থেকে কিংবদন্তির আসনে Ben Stokes Retirement ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁর অসাধারণ আন্তর্জাতিক কেরিয়ার। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর অপরাজিত ইনিংস ইংল্যান্ডকে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিল। সেই ম্যাচ আজও ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাইনাল হিসেবে বিবেচিত হয়। এরপর ২০২২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচজয়ী অর্ধশতরান করে আরও একবার বিশ্ব শিরোপা এনে দেন তিনি। বড় ম্যাচে চাপ সামলে পারফর্ম করার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য স্টোকস সবসময় আলাদা মর্যাদা পেয়েছেন। বিতর্কের পরেই বড় সিদ্ধান্ত সাম্প্রতিক সময়ে লন্ডনের একটি নাইট ক্লাবে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার জেরে স্টোকসের নাম বিতর্কে জড়িয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, এক নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে বচসার সময় তিনি শারীরিকভাবে আক্রমণ করেছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এবং ক্রিকেট রেগুলেটর তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন তাঁকে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট থেকেও বাইরে রাখা হয়েছিল। পরে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয় এবং শুধুমাত্র লিখিত সতর্কবার্তা দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়। যদিও Ben Stokes Retirement-এর সঙ্গে এই বিতর্কের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্টোকস প্রকাশ্যে কিছু জানাননি। তবে ক্রিকেট মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি তাঁর সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। আবেগঘন বিদায়বার্তা অবসরের ঘোষণা দিতে গিয়ে স্টোকস সতীর্থদের উদ্দেশে বলেন, “ইংল্যান্ডের হয়ে এবং অধিনায়ক হিসেবে এটাই আমার জীবনের শেষ দুটো দিন। কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেটা পরে জানাব। কিন্তু আমি চাই, শেষ ম্যাচেও আমরা নিজেদের সেরাটা দিই।” তিনি আরও বলেন, “ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও আবেগ নয়। এখনও আমাদের কাজ বাকি। আমি চাই, শেষবার মাঠ ছাড়ার সময় গর্ব করতে পারি যে আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছি।” স্টোকসের এই বক্তব্যে ড্রেসিংরুমে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয় এবং সতীর্থরা তাঁকে স্মরণীয় বিদায় উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই বেন স্টোকস ইংল্যান্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। আগ্রাসী ব্যাটিং, কার্যকর বোলিং এবং দুর্দান্ত নেতৃত্ব তাঁকে আধুনিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারে পরিণত করেছে। ইংল্যান্ডের একাধিক ঐতিহাসিক জয়ের পেছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। Impact Ben Stokes Retirement ইংল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য বড় ধাক্কা। তাঁর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচে পারফর্ম করার ক্ষমতা আগামী দিনে দলের জন্য বড় শূন্যতা তৈরি করবে। একই সঙ্গে নতুন নেতৃত্ব ও অলরাউন্ডারের সন্ধানেও নামতে হবে ইংল্যান্ডকে। Official Statement স্টোকস নিজেই সতীর্থদের সামনে অবসরের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন এবং জানান যে ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর শেষ ম্যাচ। ম্যাচ শেষে তিনি নিজের সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ করবেন বলেও ইঙ্গিত দেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে বেন স্টোকস ১২২টি টেস্টে ৭,২০০-এর বেশি রান ও ২৪০টির বেশি উইকেট নিয়েছেন। ১১৪টি একদিনের ম্যাচে করেছেন ৩,৪৬৩ রান ও নিয়েছেন ৭৪টি উইকেট। টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪৩ ম্যাচে ৫৮৫ রান এবং ২৬ উইকেট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই অসাধারণ অবদান রেখে তিনি ইংল্যান্ড ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে ইতিহাসে নিজের নাম স্থায়ীভাবে লিখে গেছেন। এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টের শেষ দুই দিনের দিকে। বিদায়ের মঞ্চে আর একবার কি নিজের চেনা লড়াকু রূপে দেখা যাবে বেন স্টোকসকে, সেটাই দেখার অপেক্ষা।
Welcome To The Jungle Box Office Collection: প্রথম উইকএন্ডেই ৬৩.৭৫ কোটি, ১০০ কোটির পথে অক্ষয়ের ঝড়
সকাল সকাল ডেস্ক তৃতীয় দিনেই বক্স অফিসে বিস্ফোরণ, দুর্দান্ত উইকএন্ড কালেকশনে ১০০ কোটির ক্লাবের দোরগোড়ায় ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। Welcome To The Jungle Box Office Collection বলিউডে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বহু প্রতীক্ষিত এই মাল্টিস্টারার কমেডি ছবি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের বিপুল সাড়া পাচ্ছে। প্রথম সপ্তাহান্তেই ছবিটি বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা করে ৬৩.৭৫ কোটি টাকার সংগ্রহ করেছে। ট্রেড বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গতি বজায় থাকলে খুব শীঘ্রই ১০০ কোটির ক্লাবে নাম লেখাতে পারে অক্ষয় কুমারের ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Welcome To The Jungle Box Office Collection: প্রথম সপ্তাহেই দুর্দান্ত শুরু মুক্তির আগেই ছবিটিকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। জনপ্রিয় ‘ওয়েলকাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তি হওয়ার পাশাপাশি বিশাল তারকাবহুল কাস্ট ছবিটির অন্যতম বড় আকর্ষণ। প্রথমে সীমিত সংখ্যক প্রিভিউ শোয়ের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার ২,৪৯৪টি শো থেকে ছবিটি ৩.৭৫ কোটি টাকার আয় করে। এই ইতিবাচক সূচনাই ইঙ্গিত দিয়েছিল যে Welcome To The Jungle Box Office Collection প্রথম সপ্তাহেই বড় অঙ্ক ছুঁতে পারে। প্রথম দিন থেকেই শক্ত ভিত শুক্রবার দেশজুড়ে প্রায় ১০,৮৯২টি শোয়ে মুক্তি পায় ছবিটি। দর্শকদের ভালো উপস্থিতির জেরে প্রথম দিনেই ১৫.২৫ কোটি টাকার ব্যবসা করে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। শনিবার ছুটির দিনে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়ার প্রবণতা ছবির আয়ে বড় ভূমিকা রাখে। দ্বিতীয় দিনে ছবিটি সংগ্রহ করে ২০ কোটি টাকা। ইতিবাচক ওয়ার্ড অব মাউথ এবং দর্শকদের প্রশংসা ছবির ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। রবিবারেই বক্স অফিসে বিস্ফোরণ Welcome To The Jungle Box Office Collection-এর সবচেয়ে বড় চমক আসে রবিবার। সপ্তাহের শেষ ছুটির দিনে দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। প্রায় ৪০ শতাংশ অকুপ্যান্সি নিয়ে একদিনেই ছবিটি ২৯.৭০ কোটি টাকার বিশাল ব্যবসা করে। এই আয় প্রথম দুই দিনের তুলনায় অনেক বেশি, যা স্পষ্ট করে দেয় যে দর্শকদের মধ্যে ছবিটির গ্রহণযোগ্যতা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে পারিবারিক দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ছবির দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে। চার দিনের বক্স অফিস রিপোর্ট ছবিটির চার দিনের আয়ের হিসাব— সব মিলিয়ে মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৬৩.৭৫ কোটি টাকা। Background ‘ওয়েলকাম’ সিরিজ দীর্ঘদিন ধরেই বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অন্যতম। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন কিস্তি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ মুক্তি পেয়েছে। দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে নির্মাতারা কমেডি, অ্যাকশন এবং বড় স্টারকাস্টের সমন্বয়ে ছবিটি তৈরি করেছেন। Impact প্রথম উইকএন্ডের দুর্দান্ত ব্যবসা ছবিটির ভবিষ্যৎ আয়ের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে। ট্রেড বিশ্লেষকদের মতে, কর্মদিবসেও যদি সংগ্রহ স্থিতিশীল থাকে, তাহলে খুব দ্রুত ১০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছে যাবে Welcome To The Jungle Box Office Collection। এটি চলতি বছরের অন্যতম বড় বলিউড ব্লকবাস্টার হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। Official Statement নির্মাতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দর্শকদের ভালোবাসা ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াই ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি। ট্রেড মহলের বিশ্লেষণও বলছে, প্রথম সপ্তাহান্তের পারফরম্যান্স প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে এবং আগামী দিনগুলিতে ছবির ব্যবসা আরও বাড়তে পারে। Public Information ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ বিশাল তারকাবহুল কাস্ট। অক্ষয় কুমারের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সুনীল শেট্টি, রবিনা ট্যান্ডন, আরশাদ ওয়ারসি, দিশা পাটানি, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, লারা দত্ত, পরেশ রাওয়াল, জনি লিভার, রাজপাল যাদব, জ্যাকি শ্রফ, শ্রেয়স তলপাড়ে-সহ আরও বহু জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী। মোট ৩২ জন শিল্পীর উপস্থিতি এই ছবিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহত্তম মাল্টিস্টারার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন নজর সপ্তাহের কর্মদিবসের আয়ের দিকে। যদি একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, তাহলে Welcome To The Jungle Box Office Collection খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করবে বলে আশা করছেন বক্স অফিস বিশেষজ্ঞরা।
Canada vs South Africa FIFA World Cup: শেষ মুহূর্তের গোলে ইতিহাস, শেষ ষোলোয় কানাডা
সকাল সকাল ডেস্ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর ইনজুরি টাইমের গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল কানাডা। Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের অন্যতম নাটকীয় লড়াই হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোলশূন্য থাকার পর ইনজুরি টাইমে অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর দুর্দান্ত গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে কানাডা। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করল উত্তর আমেরিকার দলটি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Canada vs South Africa FIFA World Cup: শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক কানাডা লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল কানাডার। জনাথন ডেভিড, তাজন বুকানন এবং টানি ওলুওয়াসেইকে নিয়ে ধারাবাহিক আক্রমণ সাজায় কোচ জেসি মার্শের দল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত। গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস একের পর এক অসাধারণ সেভ করে কানাডার আক্রমণ ব্যর্থ করে দেন। প্রথমার্ধে একাধিক কর্নার ও বক্সের ভেতরের সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি কানাডা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা মূলত পাল্টা আক্রমণের কৌশলেই ভরসা রাখে। দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্দান্ত রক্ষণ Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্স ছিল প্রশংসনীয়। অব্রি মোডিবা গোললাইন থেকে নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন। সিমফিওয়ে এমবোকাজি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে জনাথন ডেভিডের শট ব্লক করেন। খুলিসো মুদাউ, এনকোসিনাথি সিবিসি এবং সিয়াবোঙ্গা এনগেজানার সমন্বয়ে তৈরি রক্ষণভাগ দীর্ঘ সময় কানাডাকে আটকে রাখে। গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামসের অসাধারণ পারফরম্যান্স ম্যাচটিকে অতিরিক্ত সময়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর একাধিক সেভ দর্শকদের মুগ্ধ করে। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন আলফনসো ডেভিস দ্বিতীয়ার্ধে কোচ জেসি মার্শ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। চোট কাটিয়ে মাঠে নামেন আলফনসো ডেভিস। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং আক্রমণভাগে উপস্থিতি দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয়। ডেভিসকে আটকাতে গিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডারদের বারবার নিজেদের অবস্থান বদলাতে হয়। ফলে মাঝমাঠে কিছুটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয় এবং কানাডা আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। প্রমিস ডেভিডকে নামানোর সিদ্ধান্তও কানাডার আক্রমণে নতুন গতি এনে দেয়। ইনজুরি টাইমেই ইতিহাস রেফারি পাঁচ মিনিট ইনজুরি টাইম ঘোষণা করার পর মনে হচ্ছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে। কিন্তু Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায় শেষ আক্রমণে। আলফনসো ডেভিসের তৈরি করা চাপের সুযোগ নিয়ে বল পৌঁছে যায় অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর কাছে। তিনি দেরি না করে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে কানাডার ফুটবলার, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকেরা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই কানাডার খেলোয়াড়রা ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন করেন। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলাররা হতাশায় মাঠেই বসে পড়েন। Background বিশ্বকাপে এতদিন গ্রুপ পর্ব পার হওয়াই ছিল কানাডার সর্বোচ্চ সাফল্য। এবার তারা প্রথমবার নকআউট ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোয় পৌঁছে নতুন ইতিহাস লিখল। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা গোটা টুর্নামেন্টে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও লড়াকু ফুটবল খেললেও শেষ মুহূর্তের একটি ভুলে স্বপ্নভঙ্গ হল। Impact এই জয়ের ফলে কানাডার আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেল। শেষ ষোলোয় তারা নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিদায় হলেও তাদের পারফরম্যান্স আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। Official Statement ম্যাচ শেষে কানাডার কোচ জেসি মার্শ খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের মানসিকতার প্রশংসা করেন। অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিও বলেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস ধরে রাখার ফলেই এই ঐতিহাসিক জয় এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার শিবির থেকেও দলের প্রচেষ্টার প্রশংসা করা হয়, যদিও শেষ মুহূর্তের গোল হজমের আক্ষেপ স্পষ্ট ছিল। Public Information বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচেই নির্ধারিত সময়ে ফল না এলে অতিরিক্ত সময় এবং প্রয়োজনে টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। তবে এই ম্যাচে ইনজুরি টাইমেই গোল করে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন পড়তে দেয়নি কানাডা। Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচটি বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় নকআউট লড়াই হিসেবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নিল।
Mental Health Tips: ভালো থাকতে চাইলে এই ৫ ধরনের মানুষকে এড়িয়ে চলুন, মানসিক শান্তি বজায় রাখার সহজ উপায়
সকাল সকাল ডেস্ক Mental Health Tips মেনে নেতিবাচক সম্পর্ক থেকে দূরে থাকলে বাড়বে আত্মবিশ্বাস, কমবে মানসিক চাপ এবং উন্নত হবে ব্যক্তিগত জীবন। জীবনে সুখী থাকার জন্য শুধু সুস্বাস্থ্য, ভালো চাকরি বা আর্থিক নিরাপত্তাই যথেষ্ট নয়। সমান গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সুস্থতা এবং ইতিবাচক সম্পর্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, Mental Health Tips অনুসরণ করতে হলে প্রথমেই বুঝতে হবে, আমাদের আশপাশের মানুষ আমাদের চিন্তাভাবনা, আচরণ এবং আত্মবিশ্বাসের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তাই ভুল মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পর্ক বজায় রাখলে তা ধীরে ধীরে মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এই কারণেই Mental Health Tips-এ বারবার সম্পর্ক বেছে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মানসিক সুস্থতায় সম্পর্কের গুরুত্ব (Background) মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ সামাজিক প্রাণী। তাই পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী কিংবা পরিচিতদের সঙ্গে প্রতিদিনের যোগাযোগ আমাদের মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে। যদিও পরিবারকে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে না, কিন্তু বন্ধু বা ঘনিষ্ঠ পরিচিতদের ক্ষেত্রে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষাক্ত সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে আত্মসম্মান কমে যায়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয় এবং ইতিবাচক জীবনযাপনের ইচ্ছাও কমে যেতে পারে। তাই Mental Health Tips অনুযায়ী এমন কিছু মানুষের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন, যাদের আচরণ দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ১. পরচর্চায় অভ্যস্ত মানুষ অন্যের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা করতে ভালোবাসেন—এমন মানুষের অভাব নেই। প্রথমে তাঁদের সঙ্গ উপভোগ্য মনে হলেও, সময়ের সঙ্গে বোঝা যায় তাঁরা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মূল্য দেন না। আপনি যদি নিজের কোনো ব্যক্তিগত বিষয় তাঁদের সঙ্গে ভাগ করে নেন, সেটি পরে অন্যদের আলোচনার বিষয় হয়ে যেতে পারে। এতে সম্পর্কের বিশ্বাস নষ্ট হয়। তাই গোপনীয়তা রক্ষা করতে চাইলে এমন মানুষের সঙ্গে সীমিত সম্পর্ক রাখাই ভালো। ২. ঈর্ষাপরায়ণ বন্ধু প্রকৃত বন্ধু আপনার সাফল্যে আনন্দ পান। কিন্তু কিছু মানুষ আছেন, যারা অন্যের উন্নতি মেনে নিতে পারেন না। তাঁরা প্রায়ই সমালোচনা করেন, নিরুৎসাহিত করেন কিংবা আপনার অর্জনকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করেন। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, দীর্ঘদিন এমন মানুষের সংস্পর্শে থাকলে আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং নিজের সাফল্য নিয়েও অপরাধবোধ তৈরি হতে পারে। তাই ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলাই বুদ্ধিমানের কাজ। ৩. সব সময় নেতিবাচক চিন্তা করেন যারা সবকিছুতেই অভিযোগ, হতাশা কিংবা নৈরাশ্য প্রকাশ করেন—এমন মানুষও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন নেতিবাচক পরিবেশে থাকলে মানুষের চিন্তাভাবনাও ধীরে ধীরে একই রকম হয়ে যায়। অফিস, পরিবার বা বন্ধুমহলে যদি কেউ সব সময় সমস্যা নিয়েই কথা বলেন, তাহলে সেই মানসিকতা অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। Mental Health Tips অনুযায়ী ইতিবাচক পরিবেশে থাকা মানসিক সুস্থতার অন্যতম শর্ত। ৪. নিজেকে সবজান্তা মনে করেন যারা সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান। কিন্তু কিছু মানুষ সব সময় নিজের মতকেই সঠিক বলে মনে করেন এবং অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেন না। এ ধরনের মানুষের সঙ্গে আলোচনা অনেক সময় তর্কে পরিণত হয়। কর্মক্ষেত্রেও এমন সহকর্মীর কারণে কাজের পরিবেশ খারাপ হতে পারে। তাই অহংকারী ও আত্মকেন্দ্রিক মানুষের সঙ্গে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় কাটানো এড়িয়ে চলাই ভালো। ৫. অভ্যাসগত মিথ্যাবাদী বিশ্বাস ছাড়া কোনো সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কিন্তু যাঁরা নিয়মিত মিথ্যা বলেন, তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। অভ্যাসগত মিথ্যা শুধু সম্পর্কেই ফাটল ধরায় না, বরং অনেক সময় অন্যের সমস্যার কারণও হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন মানুষের সংস্পর্শে দীর্ঘদিন থাকলে নিজেও ভুল আচরণকে স্বাভাবিক বলে মনে করতে পারেন। তাই নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এমন সম্পর্ক থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য (Official Statement) মনোবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মানসিক শান্তি বজায় রাখতে সম্পর্কের গুণগত মান সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা সম্মান করেন, উৎসাহ দেন, প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ান এবং ইতিবাচক মানসিকতা ছড়িয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গেই বেশি সময় কাটানো উচিত। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Public Information) বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, যদি কোনো সম্পর্ক নিয়মিত মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা আত্মবিশ্বাসের ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে, তাহলে সেই সম্পর্কের সীমারেখা নির্ধারণ করা জরুরি। প্রয়োজনে কাউন্সেলর বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। Mental Health Tips অনুসরণ করে সম্পর্ক বেছে নিলে শুধু মানসিক শান্তিই নয়, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। তাই আবেগের বশে নয়, বরং নিজের মানসিক সুস্থতার কথা ভেবেই সম্পর্ককে মূল্যায়ন করা উচিত। সঠিক মানুষের সঙ্গ আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, মানসিক চাপ কমাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও সুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
Foundation Guide: নিজের জন্য পারফেক্ট ফাউন্ডেশন বেছে নেবেন কীভাবে? স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন ও শেড নির্বাচনের সহজ টিপস
সকাল সকাল ডেস্ক Foundation Guide মেনে স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন ও কভারেজ বুঝে ফাউন্ডেশন বেছে নিলে মিলবে প্রাকৃতিক, ফ্ললেস ও দীর্ঘস্থায়ী মেকআপ লুক। মেকআপের ক্ষেত্রে নিখুঁত বেস তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আর সেই কারণেই Foundation Guide সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। অনেকেই দামি ফাউন্ডেশন কিনলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। কারণ শুধু ব্র্যান্ড বা দাম নয়, নিজের স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন এবং সঠিক শেড নির্বাচনই সুন্দর মেকআপের মূল চাবিকাঠি। বিশেষজ্ঞদের মতে, Foundation Guide অনুসরণ করে প্রোডাক্ট নির্বাচন করলে মেকআপ আরও স্বাভাবিক, দীর্ঘস্থায়ী এবং ত্বকের সঙ্গে মানানসই হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন সঠিক ফাউন্ডেশন বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ? (Background) ফাউন্ডেশন শুধু ত্বকের রঙ সমান করে না, বরং পুরো মেকআপের ভিত্তি তৈরি করে। এটি ত্বকের দাগ, ব্রণ, পিগমেন্টেশন ও অসম রঙ ঢেকে একটি মসৃণ ও ফ্ললেস ফিনিশ দেয়। বর্তমানে বাজারে অসংখ্য ব্র্যান্ড, ফিনিশ এবং ফর্মুলার ফাউন্ডেশন পাওয়া যায়। ফলে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন কোনটি নিজের ত্বকের জন্য উপযুক্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত, শুষ্ক কিংবা ধূসর দেখাতে পারে। এমনকি মেকআপ দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই Foundation Guide অনুযায়ী প্রোডাক্ট নির্বাচন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। স্কিন টাইপ অনুযায়ী ফাউন্ডেশন বেছে নিন প্রত্যেকের ত্বকের ধরন আলাদা। তাই একই ফাউন্ডেশন সবার জন্য সমান কার্যকর হয় না। অয়েলি বা ব্রণপ্রবণ ত্বক:অয়েল-ফ্রি বা ওয়াটার-বেসড লিকুইড ফাউন্ডেশন সবচেয়ে ভালো। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং পোরস বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। শুষ্ক ত্বক:ড্রাই স্কিনের জন্য ক্রিম-বেসড বা হাইড্রেটিং ফাউন্ডেশন আদর্শ। এতে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান থাকায় ত্বক উজ্জ্বল ও নরম দেখায়। নরমাল ও কম্বিনেশন স্কিন:সিলিকন-বেসড ফাউন্ডেশন ভালো বিকল্প। এটি ত্বককে মসৃণ রাখার পাশাপাশি ম্যাট ও হাইড্রেটেড লুকের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে। খুব বেশি তৈলাক্ত ত্বক:পাউডার ফাউন্ডেশন বা মিনারেল ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে অতিরিক্ত তেল শোষিত হয় এবং দীর্ঘক্ষণ ম্যাট লুক বজায় থাকে। আন্ডারটোন জানা কেন জরুরি? অনেকেই গায়ের রঙ দেখে ফাউন্ডেশন কিনে ফেলেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সঠিক শেড নির্বাচন করতে হলে আন্ডারটোন জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক আলোতে হাতের শিরার রঙ দেখুন। আন্ডারটোন অনুযায়ী ফাউন্ডেশন বেছে নিলে মুখ ও গলার রঙের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায় না এবং মেকআপ অনেক বেশি স্বাভাবিক লাগে। এটিও Foundation Guide-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সঠিক শেড নির্বাচনের সহজ কৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতে নয়, বরং গাল বা জ-লাইনে ফাউন্ডেশন সোয়াচ করে দেখা উচিত। কারণ এই অংশের রঙ মুখ ও গলার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। আরেকটি বিষয় হলো অক্সিডাইজেশন। অনেক ফাউন্ডেশন কিছুক্ষণ পরে গাঢ় বা কমলা আভা তৈরি করে। আগে এমন অভিজ্ঞতা থাকলে নিজের শেডের তুলনায় সামান্য হালকা শেড বেছে নেওয়া যেতে পারে। কভারেজ কতটা হওয়া উচিত? লাইট কভারেজ: অফিস, কলেজ বা প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। মিডিয়াম কভারেজ: ছোটখাটো অনুষ্ঠান বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য আদর্শ। ফুল কভারেজ: বিয়ে, রিসেপশন, ফটোশুট বা বিশেষ অনুষ্ঠানে দাগ ও পিগমেন্টেশন ঢাকতে কার্যকর। প্রয়োজন অনুযায়ী কভারেজ নির্বাচন করলে মেকআপ কখনও অতিরিক্ত ভারী দেখায় না। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ (Official Statement) মেকআপ বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাউন্ডেশন কেনার আগে সম্ভব হলে ছোট স্যাম্পল ব্যবহার করে দেখা উচিত। ত্বকে ব্রণ, বড় পোরস, পিগমেন্টেশন বা ফাইন লাইনের সমস্যা থাকলে সেই অনুযায়ী ফর্মুলা নির্বাচন করা দরকার। পাশাপাশি ভালো প্রাইমার ও সেটিং স্প্রে ব্যবহার করলে ফাউন্ডেশনের স্থায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Public Information) ফাউন্ডেশন কেনার সময় শুধু সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড বা অন্যের পরামর্শের উপর নির্ভর না করে নিজের ত্বকের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিন। মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না এবং সংবেদনশীল ত্বক হলে নতুন প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক Foundation Guide অনুসরণ করলে শুধু সুন্দর মেকআপই নয়, ত্বকের অপ্রয়োজনীয় ক্ষতিও এড়ানো সম্ভব। তাই কেনার আগে স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন, শেড এবং কভারেজ—এই চারটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করুন। সঠিক নির্বাচনই আপনাকে দেবে দীর্ঘস্থায়ী, প্রাকৃতিক এবং নিখুঁত মেকআপ লুক।
Hair Fall Tips: সাপ্লিমেন্ট নয়, প্রতিদিনের এই ৬ খাবারেই কমতে পারে চুল পড়া, জানালেন পুষ্টিবিদ
সকাল সকাল ডেস্ক Hair Fall Tips মেনে খাদ্যাভ্যাসে ছোট পরিবর্তন আনলেই মিলতে পারে বড় উপকার, সাপ্লিমেন্টের বদলে প্রাকৃতিক খাবারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞের। চুল পড়া এখন শুধুমাত্র সৌন্দর্যের সমস্যা নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রেই এটি শরীরের ভেতরের পুষ্টির ঘাটতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। তাই Hair Fall Tips খুঁজতে গিয়ে অনেকেই দামি হেয়ার সাপ্লিমেন্ট বা নানা ধরনের ভিটামিন ক্যাপসুলের উপর নির্ভর করেন। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং পুষ্টিকর খাবারই দীর্ঘমেয়াদে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সম্প্রতি ভারতীয় পুষ্টিবিদ লোভনীত বাত্রা Hair Fall Tips নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, যেখানে তিনি সাপ্লিমেন্টের পরিবর্তে প্রতিদিনের খাবারে জোর দেওয়ার কথা বলেছেন। Hair Fall Tips: কেন বাড়ছে চুল পড়ার সমস্যা? বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, অনিয়মিত ঘুম, দূষণ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে চুল পড়ার সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে প্রোটিন, আয়রন, জিংক, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন ডি ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ঘাটতি থাকলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই ঝরে যেতে পারে। এই কারণেই Hair Fall Tips হিসেবে শুধু বাহ্যিক যত্ন নয়, বরং ভেতর থেকে শরীরকে পুষ্টি দেওয়ার উপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পটভূমি: কেন সাপ্লিমেন্ট নয়? বাজারে এমন বহু হেয়ার সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়, যেগুলি অল্প কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নতুন চুল গজানোর দাবি করে। তবে পুষ্টিবিদ লোভনীত বাত্রার মতে, শরীরে নির্দিষ্ট কোনো ভিটামিন বা মিনারেলের ঘাটতি না থাকলে অযথা সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি জানিয়েছেন, চুলের বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ক্যালরি এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি মাত্র খাবার বা একটি সাপ্লিমেন্ট কখনও একা চুল পড়া বন্ধ করতে পারে না। Hair Fall Tips: এই ৬টি খাবার রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ১. সূর্যমুখীর বীজ বায়োটিনের প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে সূর্যমুখীর বীজ অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন ই, জিংক, সেলেনিয়াম এবং লিনোলিক অ্যাসিড চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায় এবং স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ২. সজনে পাতার গুঁড়ো আয়রন, ভিটামিন এ, সি, ই এবং অ্যামাইনো অ্যাসিডে সমৃদ্ধ সজনে পাতার গুঁড়ো চুলের গোড়া শক্ত করে। নিয়মিত এটি খাদ্যতালিকায় রাখলে চুল পড়ার প্রবণতা অনেকটাই কমতে পারে। ৩. পনির চুলের প্রধান উপাদান হলো প্রোটিন। তাই প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ পনির খেলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন পায়। পাশাপাশি এতে থাকা সেলেনিয়াম ও ভিটামিন ই চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে। ৪. আমলকী Hair Fall Tips-এর তালিকায় আমলকী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাবার। ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আমলকী শুধু চুলের গোড়া মজবুত করে না, বরং খুশকি কমানো এবং অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করতেও সহায়ক। ৫. তিসির বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ তিসির বীজ চুলের ফলিকলকে পুষ্টি দেয়। এটি মাথার ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং নতুন চুল গজানোর পরিবেশ তৈরি করতে পারে। ৬. টক দই টক দইয়ে থাকা ভিটামিন বি-১২, প্রোটিন এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এটি খুশকি কমায়, চুলের রুক্ষতা দূর করে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। বিশেষজ্ঞের বক্তব্য লোভনীত বাত্রা জানিয়েছেন, সুষম খাদ্যই সুস্থ চুলের মূল ভিত্তি। শরীরে কোনো নির্দিষ্ট পুষ্টির ঘাটতি ধরা না পড়লে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের প্রয়োজন হয় না। বরং প্রতিদিনের খাবারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ও প্রোটিন গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ এবং কার্যকর পদ্ধতি। জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, যদি হঠাৎ করেই অতিরিক্ত চুল পড়তে শুরু করে অথবা গুচ্ছ গুচ্ছ চুল ঝরে যায়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে আয়রন, ফেরিটিন, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন ডি, থাইরয়েড এবং অন্যান্য হরমোনজনিত সমস্যার পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও Hair Fall Tips-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারণ শুধুমাত্র ভালো খাবার খেলেই হবে না, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও সমান জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের যত্নে কোনো ম্যাজিক সমাধান নেই। দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, সঠিক জীবনযাপন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললেই চুল থাকবে ঘন, মজবুত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
আঘাতের কারণে ভারত বনাম আফগানিস্তান ওডিআই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি
তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু হবে ১৩ জুন। কিন্তু হ্যামস্ট্রিং আঘাতের কারণে আসন্ন ওডিআই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি। বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিয়েছে বিসিসিআইয়ের এক সূত্র।