লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাস প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ সংশোধনী বিল
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে আনা সংশোধনী বিল লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাস হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত জনপরীক্ষা (অসাধু উপায় প্রতিরোধ) সংশোধনী বিল বুধবার নিম্নকক্ষে অনুমোদন পায়। বৃহস্পতিবার বিলটি রাজ্যসভায় উপস্থাপন করা হবে। সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁসের একাধিক অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক ও বিক্ষোভের আবহ তৈরি হয়। দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের আন্দোলন কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়ায়। দীর্ঘ আন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন প্রহ্লাদ জোশী। এরপরই পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কঠোর ও স্বচ্ছ করতে সংশোধনী বিল সংসদে আনা হয়। সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং লোকসভায় বিলটি পেশ করেন। তবে বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে সেদিন একাধিকবার অধিবেশন মুলতুবি হওয়ায় বিল নিয়ে আলোচনা এগোয়নি। মঙ্গলবার থেকে বিলের ওপর বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয় এবং বুধবার তা ধ্বনিভোটে গৃহীত হয়। বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষা পরিচালনা এবং সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। সংসদ অভিযানের সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। রাহুলের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তিনি অভিযোগ করেন, প্রমাণ ছাড়া গুরুতর মন্তব্য করা দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং এ ধরনের বক্তব্যের জন্য বিরোধী দলনেতার ক্ষমা চাওয়া উচিত। এ নিয়ে লোকসভায় শাসক ও বিরোধী সদস্যদের মধ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে স্পিকার স্পষ্ট করে দেন, কোনও ঘটনার তদন্ত দাবি করা যেতে পারে, তবে প্রমাণ ছাড়া নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা সংসদের নিয়মের পরিপন্থী। এর আগে আলোচনায় অংশ নিয়ে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। তাঁর অভিযোগ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সংশোধনী বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তদন্ত প্রক্রিয়ায় নানা ঘাটতি রয়েছে। তিনি দাবি করেন, শুধুমাত্র কঠোর আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; কার্যকর তদন্ত ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে প্রথম আইন প্রণয়ন করা হলেও পরবর্তী সময়ে একাধিক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন সংশোধনীতে শাস্তি ও জরিমানার বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই আইনের মাধ্যমে পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও জোরদার হবে।
অসমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, তবুও সাত জেলায় জলবন্দি তিন লক্ষাধিক মানুষ
জল কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কাটেনি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫, ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। সকাল সকাল ডেস্ক অসমে বন্যার জল ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। রাজ্যের সাতটি জেলায় এখনও তিন লক্ষ ৩২ হাজার ৬৩৯ জন মানুষ জলবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। একই সঙ্গে শিবসাগর জেলায় আরও সাতটি মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে। জল নামতে শুরু করলেও বহু পরিবার এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি। বর্তমান পরিস্থিতি রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শিবসাগর, গোলাঘাট, চড়াইদেও, যোরহাট, নগাঁও, শোণিতপুর এবং কামরূপ (মহানগর) জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও বন্যাকবলিত। মোট ২১টি রাজস্ব চক্রের ৬২২টি গ্রাম এখনও জলের নিচে রয়েছে। প্রায় ৪৫ হাজার ৩৪২ হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জল কমলেও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বহু রাস্তা, বিদ্যালয় এবং সরকারি ভবন এখনও কাদা ও পলিতে ভরে রয়েছে। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু করা কঠিন হয়ে পড়েছে। উজান অসমের চারটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাণহানির সংখ্যাও এই এলাকাগুলিতেই বেশি। শিবসাগরের নাজিরা এলাকায় এখনও সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের খোঁজে উদ্ধারকারী দল নিরন্তর অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান না মিললে সরকারি নিয়ম মেনে তাঁদের মৃত ঘোষণা করে পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হবে। নতুন সমস্যার মুখে দুর্গত মানুষ বন্যার জল নামার সঙ্গে সঙ্গে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে। বহু বাড়ি, বিদ্যালয় ও অন্যান্য ভবনের ভিতরে হাঁটুসমান পলি জমে রয়েছে। অনেক বাড়ি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে বহু পরিবার এখনও ত্রাণশিবিরেই অবস্থান করছে। পানীয় জল, স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছে। ত্রাণ ও পুনর্বাসন বর্তমানে ৮১টি ত্রাণশিবির এবং ৩৪টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালু রয়েছে। মোট ১১৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন ত্রাণশিবিরে বর্তমানে ৩২ হাজার ৪৭৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া আরও ১৬ হাজার ৩১৪ জন মানুষ ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারের পাশে সরকার রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেওয়ার পর পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। মৃতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা, পুলিশ, অগ্নিনির্বাপক ও জরুরি পরিষেবা, জেলা প্রশাসন, সিভিল ডিফেন্স এবং প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকেরা একযোগে কাজ করছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন ১২৫টি চিকিৎসক দল দুর্গত এলাকায় চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছে। উদ্ধারকাজে ২১টি নৌকা নিয়োজিত রয়েছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধনশিরি নদী এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পাশাপাশি নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে। তবে পুনর্বাসন ও ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে বেড়েছে বাঘের সংখ্যা ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল: ভূপেন্দ্র যাদব
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন নয়াদিল্লির ইন্দিরা পরিবেশ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে গত বারো বছরে দেশে বাঘের সংখ্যা যেমন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, তেমনি বৃদ্ধি পেয়েছে বাঘ সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত অভয়ারণ্যের সংখ্যাও। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ভূপেন্দ্র যাদব বিদ্যালয়-স্তরের চিত্রাঙ্কন ও মুখোশ নির্মাণ প্রতিযোগিতার বিজয়ী পড়ুয়াদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। প্রতিযোগীদের শিল্পকর্ম ও ভাবনায় বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ এবং প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধতার বার্তা উঠে এসেছে বলে তিনি প্রশংসা করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ শুধু পরিসংখ্যান বা সরকারি উদ্যোগের বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানুষের আবেগ, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ। তিনি সকলকে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। ভূপেন্দ্র যাদবের মতে, বাঘ সংরক্ষণে ভারতের সাফল্য বিশ্বের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগ, বনাঞ্চল সম্প্রসারণ, আধুনিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণের ফলে দেশে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলা এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা।
পিওকে-তে জনরোষ পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রত্যক্ষ নিদর্শন : রণধীর জয়সওয়াল
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে তথাকথিত বিধানসভা নির্বাচন করানো ওই অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অবৈধ কার্যকলাপ চালানোর সুবিধার্থে নেওয়া এক ছদ্ম পদক্ষেপ বলে ভারত উল্লেখ করেছে। নতুন দিল্লিতে মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে যে জনরোষ গড়ে উঠেছে তা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রত্যক্ষ নিদর্শন। ওই এলাকায় মানুষের প্রাথমিক অধিকার যে প্রশাসনিক চাপে লঙ্ঘিত হচ্ছে, তা বিক্ষোভ থেকেই প্রমাণিত। রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, “আমরা সবাই জানি, পাকিস্তান কয়েক দশক ধরে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে আসছে। ভারতের জনগণ—যার মধ্যে ‘জেন জি’-এর তরুণরাও রয়েছেন—দাবি জানিয়ে আসছেন, পাকিস্তানের মদতপুষ্ট এই আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটাতেই হবে। আমরা আশা করি, ওপার থেকেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।”
রাষ্ট্রপতি হিসেবে চার বছর পূর্তি, ‘ই-উপহার’-এর তৃতীয় সংস্করণের উদ্বোধন দ্রৌপদী মুর্মুর
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার ‘ই-উপহার’-এর তৃতীয় সংস্করণের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এই সংস্করণে রাষ্ট্রপতির প্রাপ্ত ৩০০টি নির্বাচিত উপহার জনসাধারণের জন্য নিলামে তোলা হবে। আগামী ৫ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই অনলাইন নিলাম চলবে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হবে। রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপ-রাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণন রাষ্ট্রপতির চার বছরের কার্যকালকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত একাধিক গ্রন্থের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং সেগুলোর প্রথম কপি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. এল. মুরুগান। এদিন যে প্রকাশনাগুলোর উদ্বোধন করা হয়, সেগুলির মধ্যে রয়েছে— ‘রাষ্ট্রপতি ভবন: রাষ্ট্র কা ভবন’, ‘সেবা অউর সংবেদনা’, ‘সমাবেশী সহভাগিতা’, ‘ভারতীয়তা কা উৎসব’ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রবন্ধ সংকলনের ওড়িয়া সংস্করণ ‘আমা রাষ্ট্রপতি – আমা গৌরব’। অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই সচিত্র প্রকাশনাগুলি পাঠকদের রাষ্ট্রপতি ভবনের ঐতিহ্য, কর্মকাণ্ড ও বহুমাত্রিক ভূমিকা সম্পর্কে আরও সম্যক ধারণা দেবে। তাঁর মতে, এই গ্রন্থগুলির প্রকৃত গুরুত্ব শুধু তথ্য উপস্থাপনায় নয়, বরং দেশের ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের গর্ববোধ জাগিয়ে তোলা এবং উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগানোর মধ্যেই নিহিত।
আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ, একাধিক নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : দেশজুড়ে বিভিন্ন আন্দোলন ও বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মঙ্গলবার জানিয়ে দিয়েছে, আন্দোলনের ঘটনায় আটক ১৮ বছরের কম বয়সি নাবালকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। তবে যাঁদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ফৌজদারি মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ কার্যকর হবে না। এই মামলায় দিল্লি, মহারাষ্ট্র, বিহার, কেরল, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিবদের নোটিশ পাঠিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, আন্দোলন সংক্রান্ত সমস্ত নজরদারি তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, ড্রোনে ধারণ করা দৃশ্য, দেহে ধারণযোগ্য ক্যামেরার রেকর্ডিং, বেতার যোগাযোগের তথ্য এবং পুলিশ নিয়ন্ত্রণকক্ষে আসা ফোনকলের নথি। পাশাপাশি, আন্দোলন চলাকালীন সংগৃহীত প্রতিবাদকারীদের ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে, তবে আদালতের অনুমতি ছাড়া তা প্রকাশ করা যাবে না। আন্দোলনকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। ছাত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আপাতত কোনও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ না নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুনানির সময় বেঞ্চ উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে হওয়া আন্দোলন মোকাবিলায় লাঠিচার্জ, ছররা গুলি, কাঁদানে গ্যাস, রাবারের গুলি এবং বৈদ্যুতিক দণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ সামনে এসেছে। আদালত জানায়, কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা স্বাধীন তদন্তের বিরোধিতা করছেন না। তবে তাঁর বক্তব্য, আন্দোলনের মধ্যে কিছু অপরাধমূলক ঘটনাও ঘটেছে এবং প্রায় ২০০ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। তাই যে কোনও তদন্তে পুলিশ ও আন্দোলনকারী—উভয় পক্ষের ঘটনাই নিরপেক্ষভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে তাদের অবস্থান জানাতে বলেছে। তার আগে স্বাধীন তদন্ত সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছে আদালত। এর আগের শুনানিতেও সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করেছিল, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে প্রতিবাদ করা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। কোনও আন্দোলনের অজুহাতে নির্বিচারে লাঠিচার্জ বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ গ্রহণযোগ্য নয়। কোথাও অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ উঠলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মত প্রকাশ করেছিল আদালত। পাশাপাশি, সারা দেশে আন্দোলন মোকাবিলায় একরকম নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়। বেঞ্চের অপর বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, আহত ছাত্রছাত্রী এবং পুলিশকর্মী—উভয়ের নিরাপত্তাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সহিংস পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সময় অনেক পুলিশকর্মীর কাছে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম, যেমন হেলমেট, কেন ছিল না। উল্লেখ্য, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গত ২০ জুন থেকে দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলন শুরু হয়। পরে ২৮ জুন থেকে সোনম ওয়াংচুক অনশন শুরু করেন। প্রায় ২০ দিনের অনশনের পর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় দিল্লির একাধিক এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার পর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট অপসারণের ঘটনায় ক্ষমা চাইল মেটা, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানাল সংস্থা
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট সাময়িকভাবে অপসারণের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করল মেটা। সংস্থার দাবি, একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই পোস্টটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে সমস্যা চিহ্নিত হওয়ার পর পোস্টটি পুনরায় চালু করা হয়। সূত্রের খবর, ভারত সরকার ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হল এবং এর নেপথ্যে কী কারণ ছিল, তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তাদের ডেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে। সম্প্রতি নিট-সংক্রান্ত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের স্বপ্রতিকৃতির ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যেই তিনি এই ভিডিওটি প্রকাশ করেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশের কিছু সময় পরই তা সামাজিক মাধ্যম থেকে আর দেখা যাচ্ছিল না। বিষয়টি সামনে আসতেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পোস্টটি আবার স্বাভাবিকভাবে দৃশ্যমান হয়। পরবর্তীতে মেটা এক বিবৃতিতে জানায়, সম্পূর্ণ ঘটনাটি একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল। সংস্থা এই অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে, ত্রুটি সংশোধনের পর পোস্টটি পুনরায় সক্রিয় করা হয়েছে।
প্রশ্নফাঁসরোধী বিল পেশ লোকসভায়, দু’টো পর্যন্ত মুলতুবি অধিবেশন
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : লোকসভায় পেশ হল ‘পাবলিক এগ্জামিনেশন অ্যামেন্ডমেন্ট ২০২৬’ বিল। সোমবার এই বিল সংসদের নিম্নকক্ষে পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। এই বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্তদের আরও কড়া শাস্তি দেওয়া যাবে। নিশ্চিত করা যাবে ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে এই সংক্রান্ত ঘটনার দ্রুত বিচারও। সোমবার বিরোধীদের তুমুল হৈহট্টগোলর মধ্যেই প্রশ্নফাঁসরোধী বিল লোকসভায় পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। বিল পেশ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই লোকসভায় হট্টগোলের জেরে অধিবেশন দুপুর ২টো পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। উল্লেখ্য, প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে এদিনও সংসদ উত্তাল হয়েছে। প্রথম দুপুর বারোটা এবং পরে দু’টো পর্যন্ত লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে।
রাজকোটে জরুরি অবতরণ ইন্ডিগো বিমানের, সুরক্ষিত সমস্ত যাত্রীরা
সকাল সকাল ডেস্ক রাজকোট : গুজরাটের রাজকোটে জরুরি অবতরণ করলো দুবাই থেকে মুম্বইগামী ইন্ডিগোর একটি বিমান। কার্গো হোল্ড এলাকায় ধোঁয়া দেখা যাওয়ার পর রাজকোট বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে বিমানটি। সমস্ত যাত্রী নিরাপদ আছেন। রাজকোট বিমানবন্দরের পরিচালক দিগন্ত বোরাহ জানিয়েছেন, দুবাই থেকে মুম্বইগামী ইন্ডিগোর একটি বিমান সোমবার রাজকোটে জরুরি অবতরণ করে; বিমানের কার্গো হোল্ড অংশে ধোঁয়া দেখা যাওয়ার পরই বিমানটি জরুরি অবতরণ করেন। ইন্ডিগোর ৬ই ১৪৫২ বিমানতে ১৯৪ জন যাত্রী ছিলেন। অবতরণের পর তাঁরা সবাই নিরাপদে বিমান থেকে নেমে আসেন। কার্গো হোল্ডে ধোঁয়া শনাক্ত হওয়ার পর পাইলট রাজকোট বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং এরপর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। রাজকোট বিমানবন্দরের পরিচালক বলেন, “কার্গো হোল্ড এলাকায় ধোঁয়া দেখা যাওয়ার পই দুবাই থেকে মুম্বইগামী ইন্ডিগোর বিমানটি রাজকোট বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং সকল যাত্রী নিরাপদ আছেন।”
হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই রাজঘাটে সোনম ওয়াংচুক, মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের বার্তা
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার পরই দিল্লির রাজঘাটে গিয়ে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানানোর পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সোনম ওয়াংচুক বলেন, “২৬ দিনব্যাপী অনশন ও আন্দোলনের সমাপ্তির পর আমার প্রথম ইচ্ছাই ছিল রাজঘাটে এসে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানানো। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি দেশবাসীকে জানাতে চাই, তিনি যে অহিংস আন্দোলনের পথ দেখিয়েছিলেন, একশো বছর আগে যেমন তা প্রাসঙ্গিক ছিল, আজও তেমনই কার্যকর ও সময়োপযোগী।” তিনি আরও বলেন, “গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে লাদাখে আমরা গান্ধীজির দেখানো পথ অনুসরণ করে আন্দোলন চালিয়ে আসছি এবং তার ইতিবাচক ফলও পেয়েছি। তবে জাতীয় স্তরে এই পথ কতটা কার্যকর হতে পারে, তা নিয়ে আমার মনে সংশয় ছিল। সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা আমাকে বিশ্বাস করিয়েছে, একশো বছর পরেও এই পথ সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। আমার বিশ্বাস, আগামী শতাব্দীগুলিতেও এই দর্শনের গুরুত্ব অটুট থাকবে।” দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়ে ওয়াংচুক বলেন, “আমি ভারত ও বিশ্বের মানুষের কাছে আবেদন জানাই, নিজেদের দাবি ও সমস্যার সমাধানের জন্য বাপুর দেখানো শান্তি ও অহিংসার পথেই এগিয়ে চলুন। সমাধান পেতে সময় লাগতে পারে, কিন্তু এই পথ কখনও অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায় না। প্রথম প্রচেষ্টাতেই সাফল্য নাও আসতে পারে, তবে ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ইতিবাচক ফল অবশ্যই পাওয়া সম্ভব।” আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সমাজকর্মী বলেন, “দেশের তরুণ সমাজ, সাধারণ মানুষ, প্রবীণ নাগরিক এবং যাঁরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে আমি অভিনন্দন জানাই। এই আন্দোলন প্রমাণ করেছে, কোনও সাফল্য শক্তি প্রয়োগ, লাঠি কিংবা পাথরের মাধ্যমে অর্জিত হয় না। প্রকৃত সাফল্য আসে শান্তিপূর্ণ অবস্থান, আত্মত্যাগ এবং কষ্ট সহ্য করার মানসিকতার মধ্য দিয়ে।” তিনি বলেন, অহিংস আন্দোলনের শক্তিই গণতন্ত্রের অন্যতম বড় ভিত্তি এবং ভবিষ্যতেও এই পথেই সামাজিক ও জাতীয় সমস্যার সমাধান খুঁজে নেওয়া সম্ভব।