দিল্লিতে পোঙ্গল উৎসবে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
The Prime Minister participated in the Pongal festival in Delhi
সমস্ত ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাতৃভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে : ধর্মেন্দ্র প্রধান
Mother tongue will be given priority in all Indian educational institutions: Dharmendra Pradhan
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ব্রিকস একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম : এস জয়শঙ্কর
In the current global context, BRICS is an important forum: S Jaishankar
তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত: কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন অমিত শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত| কলকাতায় এসে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন অমিত শাহ| তিনি এদিন বলেন, ভয় দুর্নীতি আর অনুপ্রবেশের জায়গায় বিকাশ এবং গরীব কল্যাণের জন্য সরকার বানানোর সংকল্প দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের মধ্যে। তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। আমরা বিজেপির সব কার্যকর্তা আশ্বাস দিচ্ছি বাংলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠনের পর এখানে দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে এবং গরীব কল্যাণ হবে। এর পাশাপাশি মজবুত প্রশাসন তৈরি হবে যা অনুপ্রবেশ রুখে দেবে। মানুষ তো দূর একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না। শুধু অনুপ্রবেশ বন্ধই করব না, সব অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বের করে। তৃণমূলের নেতৃত্বে আজ বাংলার বিকাশ থেমে গেছে। পুরো দেশে যে বিকাশ হচ্ছে সেটা এই রাজ্যে কাটমানির কারণে বন্ধ হয়ে আছে। আমাদের সংকল্প ১৫ এপ্রিল ২০২৬ এর পর যখন বিজেপি সরকার হবে তখন পশ্চিমবঙ্গের হৃত গৌরব আমরা পুনরুদ্ধার করব। বাংলার মনিষীদের স্বপ্নের বাংলা আমরা তৈরি করব। বিজেপির বীজ বপন হয়েছিল জনসংঘ থেকে। জনসংঘ স্থাপন করেছিলেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অমিত শাহ বলেন, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৭% ভোট এবং ২ টি সিট আমরা পেয়েছি। ২০১৬ তে ১০% ভোট এবং ৩ টি বিধায়ক ২০১৯ ৪১% ভোট এবং ২০২১ নির্বাচনে ৭৭ টি সিট পেয়েছিলাম। এর ফলে কংগ্রেস পার্টিও এই রাজ্যে শূন্য হয়ে গেছে। বামেরাও কোনও ভোট পায়নি আর আমরা প্রধান বিরোধী দল হয়েছি। ২০২৪ নির্বাচনে ৩৯% ভোট পেয়েছি ও ১২ টি আসন পেয়েছি। ২০২৬ এও আমরা বিপুল আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসব।
“দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চলছে”, প্রকাশ্য মঞ্চে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক মুর্শিদাবাদ : বহরমপুর স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবারের সভা যেন পরিণত হল কঠোর বার্তার মঞ্চে। জেলার মানুষকে সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে নতুন করে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সতর্কবার্তা, “নতুন করে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা হচ্ছে। তারপর এএনআই-এর হাতে কেস তুলে দিতে চাইছে। সব দলেই কিছু বেইমান থাকে। কুলাঙ্গার থাকে। আমাদেরও কেউ কেউ টাকা খেয়ে ইলেকশনের আগে বিজেপির তাঁবেদারি করে। এরা দেশের শত্রু। নির্বাচনের দু’মাস আগে যারা বিজেপির পাল্লায় পড়ে এসব কাজ করে তারা দেশের শত্রু।” তীব্র শ্লেষের সুরে বলেন, “কিছু পোকা-মাকড় থাকবেই, তারাও তো প্রকৃতির জীব। ওদের সরিয়ে দিয়ে নিজের কাজটা করুন। আমার ওপর বিশ্বাস আছে তো? মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হতে দেবেন না। মনে রাখবেন, আমি আপনাদের পাহারাদার। আপনার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার। কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না।”
বাছাইপর্বে লেবাননের কাছে হেরে গেলেও, এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ২০২৬-এ স্থান পাওয়ার দৌড়ে এখনও ভারত
সকাল সকাল ডেস্ক আহমেদাবাদ : শুক্রবার আহমেদাবাদের একানা এরিনায় লেবাননের কাছে ০-২ গোলে হারের পর ভারতের ২০২৬ সালের এএফসি চালু অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জনের আশায় ধাক্কা লেগেছে। চাইনিজ তাইপেইয়ের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয়ের পর ভারত আত্মবিশ্বাসের সাথে ম্যাচে নেমেছিল। কিন্তু ২৬ মিনিটে আঁতোয়ান আসাফের দুর্দান্ত এক গোলে লেবানন এগিয়ে যায়। ১১ মিনিট পর আব্বাস জেরিক বাম উইং থেকে ভারতের বক্সে ঢুকে পল মাকারুনকে পাস দেন, যার শট শুভম পুনিয়ার পায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় যখন লেবাননের মাকারুনের সাথে তীব্র সংঘর্ষের পর ভারতের মিডফিল্ডার থংগৌমাং টাউথাং সরাসরি লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যান। বাছাইপর্বের টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম পরাজয় বরণ করা সত্ত্বেও, বিবিয়ানো ফার্নান্দেসের ছেলেরা যোগ্যতা অর্জনের দৌড়ে টিকে আছে এবং রবিবার গ্রুপ লিডার ইরানের মুখোমুখি হবে ‘ডু অর ডাই’ প্রতিযোগিতায়, কারণ তারা জানে যে কেবল জয়ই ইতিহাসে দশমবারের মতো মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে। দিনের শুরুতে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে জয়ের পর ইরানের বর্তমানে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট। পরাজয়ের পর ভারতের তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট। যদি ভারত ম্যাচটি জিততে পারে, তাহলে তারা ইরানের সাথে সমান পয়েন্ট পাবে এবং তাদের হেড-টু-হেড রেকর্ড ভালো হওয়ার সৌজন্যে এগিয়ে যাবে।
বিচারকদের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়েছে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। শনিবার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং অর্জুন রাম মেঘওয়াল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারকদের কাজের ধরণ খুবই চাপপূর্ণ। সকল বিচারকের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা এবং এটিকে অভ্যাসে পরিণত করা। প্রায় ৭৫ জন হাইকোর্টের বিচারক এখানে অংশগ্রহণ করতে এসেছেন। এটি দেখায় যে বিচারকরা তাঁদের মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা সম্পর্কে সচেতন।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, “শুধু ব্যাডমিন্টন নয়, সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের জন্য আরও এই ধরণের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের অনেক বিচারক এখানে এসেছেন, যা পরিবেশকে অত্যন্ত আনন্দিত করে তুলেছে। বহু বছর ধরে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল বলেন, “আইন ও বিচার মন্ত্রক অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের অনুমতি দিয়েছে, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই এতে সম্মতি দিয়েছেন। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। বিচারকরা সকলকে ফিটনেসের একটি ভালো বার্তা দিচ্ছেন।”
এখনই রাজনৈতিক সন্ন্যাস নয়, জানালেন প্রশান্ত কিশোর
সকাল সকাল ডেস্ক। পাটনা: ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বিহার ভোটে জেডিইউ ২৫ পার করলে তিনি রাজনৈতিক সন্ন্যাস নিয়ে নেবেন। তবে প্রশান্ত কিশোর (পিকে)-এর সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিথ্যে প্রমাণ করে বিহারে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে জেডিইউ তথা এনডিএ। অন্যদিকে পিকের দল জন সুরজ পার্টি একটিও আসন জেতেনি। এহেন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন ‘ভোট কুশলী’ তথা জন সুরজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোর। নিজের সন্ন্যাস নেওয়ার দাবি থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে আঙুল তুললেন জেডিইউ-এর দিকেই। পিকের অভিযোগ, বিহারে টাকা দিয়ে ভোট কিনেছেন নীতীশ কুমার। বলেন, জেডিইউ যদি দুই লক্ষ টাকার প্রতিশ্রুতি পূরণ করে, তবেই পদত্যাগ। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ে তাঁর দলের খারাপ ফলের জন্য সম্পূর্ণ দায় স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দিক থেকে ইতিবাচক চেষ্টা করেছি। আমরা এই সরকারকে বদলাতে পারিনি। আমরা আমাদের দিক থেকে অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু মনে হচ্ছে আমরা কোথাও না কোথাও ব্যর্থ হয়েছি। তাঁর কথায়, জনগণ যদি আমাদের উপরে আস্থা না রাখে, তা হলে তার দায় সম্পূর্ণ রূপে আমার। এবারে তাঁর প্রতিজ্ঞা, বিহারের ক্ষমতাসীন সরকার যদি নির্বাচনের আগের প্রতিশ্রুতি মাফিক দেড় কোটি মানুষকে দুই লক্ষ করে টাকা দেয়, তবে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন।
ডি ককের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে সমতা আনলো দক্ষিণ আফ্রিকা
সকাল সকাল ডেস্ক ফয়সালাবাদ : ফয়সালাবাদে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার কুইন্টন ডি কক ম্যাচজয়ী সেঞ্চুরির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন অব্যাহত রেখেছেন। তার দল পাকিস্তানের বিপক্ষে আট উইকেটে জয়লাভ করেছে। আন্তর্জাতিক খেলা থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে দুই বছরের অনুপস্থিতির পর আবারও নিজেকে প্রস্তুত করে তোলা ডি কক, ইকবাল স্টেডিয়ামে অপরাজিত ১২৩ রানের ইনিংস খেলে জয় নিশ্চিত করেন এবং তিন ম্যাচের সিরিজ সমান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ৪০.১ ওভারে দুই উইকেটে ২৭০ রান করে, পাকিস্তানের ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬৯ রান তাড়া করে সহজেই জয় পায়। শনিবার ফয়সালাবাদে আবারও তাদের নির্ণায়ক ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।
বন্দে মাতরম শুধুমাত্র একটি শব্দ নয়, এটি ভারতের আত্মা ও সংকল্পের স্বর: প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি: শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন যে বন্দে মাতরম শুধুমাত্র একটি শব্দ নয়, এটি একটি মন্ত্র, একটি শক্তি, একটি স্বপ্ন এবং একটি সংকল্প। এই গানটি ভারত মাতার প্রতি ভক্তি এবং নিষ্ঠার প্রতীক। যা আমাদের অতীতের সঙ্গে সংযুক্ত করে, বর্তমানের প্রতি আস্থা জাগিয়ে তোলে এবং ভবিষ্যতের জন্য সাহস জোগায়। প্রধানমন্ত্রী মোদী শুক্রবার জাতীয় গীত বন্দে মাতরমের ১৫০ তম বার্ষিকী উপলক্ষে দিল্লিতে বর্ষব্যাপী উদযাপনের সূচনা করেছেন। তিনি বন্দে মাতরমের উপর একটি বিশেষ স্মারক মুদ্রা এবং ডাকটিকিটও প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এ গানের আবেগ ভারতমাতাকে ঘিরে। এই গান ভারতের মধ্যে বিশ্বাস জোগায়, আমাদের লক্ষ্য যতই কঠিন হোক না কেন, তা ভারতবাসীর পক্ষে অসাধ্য কিছু নয়। এক সুরে যখন গোটা দেশ এই গান গেয়ে ওঠে, তখন ভারতের একতার ছবি ফুটে ওঠে। একের পর এক প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করেছে বন্দে মাতরম। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে এই গানটি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য অনুপ্রেরণা এবং আজও এটি স্বাধীনতা রক্ষার সংকল্পের প্রতীক। বঙ্কিম বাবু ভারত মাতাকে জ্ঞানের দেবী সরস্বতী, সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মী এবং শক্তির দেবী দুর্গা হিসেবে চিত্রিত করেছেন। এই অনুভূতি ভারতকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে অগ্রণী করে তুলছে। যখন ভারত চাঁদে পা রেখেছিল, যখন আমাদের মেয়েরা যুদ্ধবিমান চালাতে শুরু করেছিল, অথবা যখন আমাদের মেয়েরা বিজ্ঞান ও খেলাধুলায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে শুরু করেছিল, তখন প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয় থেকে একটিই আওয়াজ বেরিয়ে এসেছিল: ভারত মাতা কি জয়, বন্দে মাতরম। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্দে মাতরম কেবল স্বাধীনতার গান নয় বরং ভারতের আত্মার প্রকাশ। এই উপলক্ষে, তিনি বন্দে মাতরম ধ্বনি উচ্চারণ করে জীবন উৎসর্গকারী সকল স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা এবং মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা–সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৩৭ সালে বন্দে মাতরমের আত্মার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বন্দে মাতরমকে ভেঙে টুকরো করা হয়েছিল। বন্দে মাতরমের এই বিভাজনেই দেশের বিভাজনের বীজ বপন করা হয়েছিল। রাষ্ট্র নির্মাণের এই মহামন্ত্রের সঙ্গে এই অন্যায় কেন হয়েছিল, তা আজকের প্রজন্মের জানা প্রয়োজন। দেশের জন্য সেটাই আজও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’ উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় ‘বন্দে মাতরম্’ – এর পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ সমবেতভাবে গাওয়া হয়। সমাজের সর্বস্তরের নাগরিকরা এতে অংশগ্রহণ করবেন। প্রসঙ্গত, ১৮৭৫ সালের ৭ নভেম্বর অক্ষয় নবমীর পুণ্যতিথিতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গান লিখেছিলেন বলে মনে করা হয়। তাঁর আনন্দমঠ উপন্যাস যখন বঙ্গদর্শন পত্রিকায় পর্বে পর্বে প্রকাশিত হচ্ছিল, তখন তাতে এই গানটি প্রথম দেখা যায়। পরবর্তীকালে ১৮৮২ সালে আনন্দমঠ উপন্যাসটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়। সেই সময়ে ভারত সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলছিল এবং জাতীয় পরিচয় ও ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছিল। মাতৃভূমিকে শক্তি, সমৃদ্ধি ও দেবত্বের মূর্ত প্রতীক হিসেবে অভিবাদন জানিয়ে এই গানটি ভারতের ঐক্য ও আত্মসম্মানবোধের জাগ্রত চেতনাকে কাব্যিক রূপ দেয়। অচিরেই এটি স্বদেশপ্রেমের মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে।