কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক, সবজি বিক্রেতা ঝান্ডু কুমারের হাতে এল ব্রোঞ্জ
সকাল সকাল ডেস্ক গ্লাসগো, ২৫ জুলাই: কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ ভারতের পদকের খাতা খুললেন বিহারের তরুণ প্যারা-পাওয়ারলিফটার ঝান্ডু কুমার। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা-পাওয়ারলিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতে দেশের প্রথম পদক এনে দিলেন তিনি। তাঁর এই সাফল্য শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, সংগ্রাম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক অনন্য নজির। বিহারের নালন্দা জেলার বাসিন্দা ২৮ বছরের ঝান্ডু কুমার বর্তমানে সবজি বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রতিযোগিতায় তিনি সফলভাবে ১৮১ কেজি ও ১৯০ কেজি ওজন তুলতে সক্ষম হন। শেষ প্রচেষ্টায় ১৯৬ কেজি তুলতে পারলে রুপোর লড়াইয়েও থাকতে পারতেন। শেষ পর্যন্ত ১৩০.৯ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন তিনি। একই ইভেন্টে ভারতের আরেক প্রতিযোগী সুধীর ১১৪.১ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে শেষ করেন। এই বিভাগে নাইজেরিয়ার ইদ্রিস রিলুওয়ান ১৩২.৮ পয়েন্ট নিয়ে সোনা জেতেন। ইংল্যান্ডের ম্যাথিউ হার্ডিং ১৩১ পয়েন্ট সংগ্রহ করে রুপো পান। ঝান্ডুর সাফল্যের পথ মোটেই সহজ ছিল না। ছোটবেলায় পোলিও আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিন অর্থাভাবের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে। উন্নত প্রশিক্ষণ, পর্যাপ্ত পুষ্টি কিংবা প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী। একসময় নিজের হুইলচেয়ারও ছিল না। পরে ধার করে একটি ই-রিকশার ব্যবস্থা করা হয়, যাতে যাতায়াত সহজ হয়। সেই সংগ্রাম পেরিয়েই আজ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের হয়ে পদক জিতে ইতিহাস গড়লেন তিনি। পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝান্ডু বলেন, “এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সবার আগে আমি বাড়িতে মা-বাবাকে ফোন করব। তারপর গৌতম ভাইকে ফোন করব, যার সঙ্গে ছোটবেলা থেকে অনুশীলন করেছি।” ঝান্ডু কুমারের এই কৃতিত্বের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স-এ দেওয়া বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “হেভিওয়েট প্যারা-পাওয়ারলিফটিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতে কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক এনে দেওয়ার জন্য ঝান্ডু কুমারকে অভিনন্দন। তাঁর এই সাফল্য অদম্য সাহস, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার প্রতীক। সমস্ত বাধা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর এই অর্জনে গোটা দেশ গর্বিত।” ঝান্ডুর এই পদক ভারতের অন্যান্য প্যারা-ক্রীড়াবিদদেরও নতুন করে অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করছে ক্রীড়ামহল।
সাহালের একমাত্র গোলে ডার্বি জিতল মোহনবাগান, হতাশ করল দুই প্রধানের পারফরম্যান্স
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা: মরসুমের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল মোহনবাগান। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত ডুরান্ড কাপের বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে সাহাল আবদুল সামাদের একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে সবুজ-মেরুন শিবির। তবে ফলাফলের বাইরে ম্যাচে দুই দলের পারফরম্যান্সই প্রশ্নের মুখে পড়েছে। ম্যাচের প্রথমার্ধে কয়েকটি ভালো আক্রমণ গড়ে তুলেছিল মোহনবাগান। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলকে বেশ ছন্নছাড়া দেখায়। দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে লাল-হলুদের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে সাহাল আবদুল সামাদ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়। গোল খাওয়ার পর ইস্টবেঙ্গল আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে। বদলি হিসেবে নেমে মোহাম্মদ রশীদ আক্রমণে গতি আনলেও একাধিক সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ম্যাচে আর সমতা ফেরানো সম্ভব হয়নি। দুই দলই নতুন মরসুমে নতুন কোচের অধীনে খেলছে। ইস্টবেঙ্গলের কোচ আন্তোনিও হাবাস এবং মোহনবাগানের কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিস—দু’জনেরই হাতে প্রস্তুতির সময় ছিল খুবই কম। সেই প্রভাব স্পষ্ট দেখা যায় ম্যাচে। ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব, ঘনঘন ভুল পাস এবং আক্রমণ গঠনে সমন্বয়ের ঘাটতি নজরে আসে। ফিটনেসও দুই দলের অন্যতম দুর্বল দিক হিসেবে সামনে আসে। ম্যাচের মাঝামাঝি থেকেই অনেক ফুটবলারকে ক্লান্ত দেখায়। ফলে প্রত্যাশিত গতিতে খেলা এগোয়নি এবং দীর্ঘ সময় ম্যাচটি প্রীতি ম্যাচের মতোই নিষ্প্রভ ছিল। ম্যাচের শুরুতে কোনও দলই প্রথম একাদশে বিদেশি ফুটবলার রাখেনি। পরে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দানি রামিরেজ ও মোহাম্মদ রশীদ এবং মোহনবাগানের হয়ে দেজান দ্রাজিচ মাঠে নামেন। বিদেশি ফুটবলারদের নথিভুক্তিকরণ ও প্রয়োজনীয় অনুমতি সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মাঠের অবস্থাও সমালোচনার মুখে পড়েছে। অসমান ঘাস ও অনুপযুক্ত মাঠের কারণে ফুটবলারদের বারবার সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মরসুমের শুরুতেই চোটের ঝুঁকি নিয়েই খেলতে হয়েছে দুই দলের ফুটবলারদের। ডার্বিতে জয় পেলেও মোহনবাগান এবং হারলেও ইস্টবেঙ্গল—দুই দলকেই আগামী ম্যাচগুলিতে অনেক বেশি ছন্দে ফিরতে হবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।
জিম্বাবোয়েকে উড়িয়ে সিরিজ জিতল ভারত, অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ট্রফির স্বাদ শ্রেয়স আইয়ারের
সকাল সকাল ডেস্ক হারারে: ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরে টানা টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের হতাশা কাটিয়ে অবশেষে জয়ের ছন্দে ফিরল ভারত। জিম্বাবোয়েকে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তিন ম্যাচের সিরিজ নিজেদের নামে করে নিল শ্রেয়স আইয়ারের দল। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে প্রথম আন্তর্জাতিক সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলেন শ্রেয়স। গৌতম গম্ভীরের পরিবর্তে এই সফরে ভারতীয় দলের দায়িত্বে রয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দিলেও দলে খুব বেশি পরিবর্তন আনেননি তিনি। এদিন অশোক শর্মার জায়গায় সুযোগ পান যশ ঠাকুর। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবোয়ের অধিনায়ক সিকন্দর রাজা। তবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। বৈভব সূর্যবংশী ৯ বলে ২০ এবং অভিষেক শর্মা মাত্র ৮ রান করে ফিরলেও ইনিংস সামলে নেন ঈশান কিষাণ ও তিলক বর্মা। অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার ২৫ রান করে আউট হন। তিন নম্বরে নেমে ঈশান কিষাণ ৪৪ বলে ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৯টি চার ও ২টি ছক্কা। অন্যদিকে, তিলক বর্মা মাত্র ২৯ বলে অপরাজিত ৬০ রান করেন। তিনি ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে ভারতের রান ৫ উইকেটে ২১৯-এ পৌঁছে দেন। ২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের চাপে পড়ে জিম্বাবোয়ে। ব্রায়ান বেনেট ৩২ রান করে কিছুটা লড়াই করলেও অন্য ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ওয়েসলি মাধেভেরে ২৪ রান করেন, আর অধিনায়ক সিকন্দর রাজা খাতা খুলতেই ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে ১২৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা। ভারতের হয়ে অভিষেক শর্মা বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ১৭ রানে ৩টি উইকেট নেন। যশ ঠাকুর ও প্রিন্স যাদব ২টি করে উইকেট শিকার করেন। এছাড়া রবি বিষ্ণোই, শিবম দুবে এবং তিলক বর্মা একটি করে উইকেট তুলে নেন। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য এগিয়ে গেল ভারত। ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরের ব্যর্থতার পর এই সিরিজ জয় ভারতীয় শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়ে আনল। একই সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ট্রফি জিতে আত্মবিশ্বাসও অনেকটাই বাড়ল শ্রেয়স আইয়ারের।
ইন্টার মিয়ামি নয়, চিলির কোলো কোলোয় বিশ্বকাপের তারকা গোলরক্ষক ভোজিনহা
সকাল সকাল ডেস্ক হায়দরাবাদ, ২৬ জুলাই: ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ট্রান্সফার মার্কেটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন কেপ ভের্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা। তাঁর সঙ্গে লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মিয়ামির যোগসূত্র নিয়েও জোর জল্পনা চলছিল। তবে সেই সমস্ত গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত চিলির শীর্ষ ক্লাব কোলো কোলোয় যোগ দিলেন তিনি। শনিবার সকালে কোলো কোলো আনুষ্ঠানিকভাবে ভোজিনহার চুক্তির ঘোষণা করে। বর্তমানে চিলির শীর্ষ লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে ক্লাবটি। ১৬ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে তারা লিগে প্রথম স্থানে রয়েছে। মরশুমের মাঝপথেই দলে যোগ দিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু করলেন কেপ ভের্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। গত মরশুমে ভোজিনহা পর্তুগালের ক্লাব শ্যাভেসের হয়ে খেলেছিলেন। তবে ১ জুলাইয়ের পর ক্লাবটির সঙ্গে তাঁর চুক্তি আর নবীকরণ হয়নি। বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর তাঁর বাজারমূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়, যার ফলে একাধিক ক্লাব তাঁকে দলে নেওয়ার আগ্রহ দেখায়। চলতি বিশ্বকাপে ৪০ বছর ২২ দিন বয়সে প্রথমবার অংশ নিয়েই নজির গড়েন ভোজিনহা। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে কেপ ভের্দেকে চমকপ্রদ ড্র এনে দেন তিনি। গোটা টুর্নামেন্টে তাঁর অনবদ্য গোলরক্ষণের উপর ভর করেই ইতিহাস গড়ে কেপ ভের্দে। বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়েই নকআউট পর্বে পৌঁছে যায় আফ্রিকার ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রটি। যদিও রাউন্ড অব ৩২-এ অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে তাদের অভিযান শেষ হয়। বিশ্বকাপে ধারাবাহিক সেরা পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশে জায়গা করে নেন ভোজিনহা। স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন গোল্ডেন গ্লাভ জিতলেও, সেরা একাদশের গোলরক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হন কেপ ভের্দের এই তারকা। ২০১২ সালে কেপ ভের্দে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের পর এখনও পর্যন্ত ৯২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ভোজিনহা। ক্লাব ফুটবলেও পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, সাইপ্রাস এবং মলডোভার বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এবার সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই চিলির অন্যতম সফল ক্লাব কোলো কোলোর জার্সিতে নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তিনি।
ইতালির নতুন কোচ হতে চলেছেন বিশ্বজয়ী কিংবদন্তি
সকাল সকাল ডেস্ক মিলান, ২৫ জুলাই: ইতালি জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্দ্রে পিরলো। একসময় জাতীয় দলে সতীর্থ থাকা জেন্নারো গাত্তুসোর স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন ২০০৬ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। ইতালি ফুটবল ফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি থাকলেও আগামী সপ্তাহের শুরুতেই বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। ২০২৬ সালে টানা তৃতীয়বারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠতে ব্যর্থ হয় ইতালি। সেই ব্যর্থতার দায় নিয়ে গত এপ্রিলেই জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান গাত্তুসো। এরপর থেকেই নতুন কোচের খোঁজ শুরু করে ইতালি ফুটবল ফেডারেশন। প্রথমে ফেডারেশনের পছন্দের তালিকায় ছিলেন কার্লো আনচেলত্তি এবং পেপ গুয়ার্দিওলা। তবে আনচেলত্তি ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্বে থাকায় তাঁকে পাওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার সিটির দায়িত্ব ছাড়ার পর গুয়ার্দিওলার সঙ্গে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে রাজি করানো যায়নি। এরপরই আন্দ্রে পিরলোর উপর আস্থা রাখে ইতালি ফুটবল ফেডারেশন। ইতালির জার্সিতে ১১৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই কিংবদন্তির সঙ্গে আগামী চার বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতি মরশুমে ২০ মিলিয়ন ইউরো পারিশ্রমিক পাবেন তিনি। আগামী মঙ্গলবার ইতালি ফুটবল ফেডারেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। সেখানেই পিরলোর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৮ ইউরো এবং ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোচিং ক্যারিয়ারে এর আগে জুভেন্টাস, সাম্পদোরিয়া এবং দুবাই ইউনাইটেডের দায়িত্ব সামলেছেন আন্দ্রে পিরলো। তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে এটিই হবে তাঁর প্রথম দায়িত্ব। ফুটবলার হিসেবে যেমন সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছিলেন, তেমনই কোচ হিসেবেও ইতালিকে আবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্যের পথে ফেরাতে পারবেন কি না, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।
কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬: বোলস সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল ভারত
গ্লাসগো: শুক্রবার গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬- এর গ্রুপ ‘বি’-এর একটি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ (৬-৪, ৭-৫) সেটে পরাজিত করে ভারত বোলস-এর মহিলাদের পেয়ার্স বিভাগীয় পর্বে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে। এই জয়ের ফলে ভারত ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে গ্রুপ ‘বি’-এর শীর্ষে উঠে এসেছে।
ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ শুরু ২৩ জুলাই, কবে, কখন, কোথায় দেখবেন? জয়ের ছন্দে ফিরতে মরিয়া ভারত
সকাল সকাল ডেস্ক জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে নতুন শুরুর লক্ষ্য ভারতের, জানুন সম্পূর্ণ সূচি, সময় ও সম্প্রচারের তথ্য ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজে নতুন শুরুর লক্ষ্য ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ শুরু হচ্ছে ২৩ জুলাই। সাম্প্রতিক হতাশাজনক পারফরম্যান্স ভুলে নতুন উদ্যমে মাঠে নামতে প্রস্তুত শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি ভারত। তাই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে এই ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ শুধু একটি দ্বিপাক্ষিক লড়াই নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার বড় সুযোগও বটে। তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে জিম্বাবোয়ের হারারে ক্রীড়া মাঠে। তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গড়া ভারতীয় দল এবার জয়ের ধারায় ফিরতে মরিয়া। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কবে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ম্যাচ? ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ-এর সূচি ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। তিনটি ম্যাচই ভারতীয় সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই গত কয়েক সপ্তাহ ভারতীয় দলের জন্য সুখকর ছিল না। আয়ারল্যান্ড সফরে অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আইয়ারের অভিষেক সিরিজেই ২-০ ব্যবধানে হারতে হয় ভারতকে। এরপর ইংল্যান্ড সফরেও হতাশাজনক ফল করে দল। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার পর পরবর্তী চারটি ম্যাচেই পরাজয়ের মুখ দেখতে হয় ভারতকে। এই ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর সমালোচনার মুখে পড়ে ভারতীয় দল। তাই ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ ভারতের কাছে নতুন করে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের বড় প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিরও গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। যাঁদের দিকে থাকবে বিশেষ নজর এই সিরিজে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। ইংল্যান্ড সফরে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও তাঁর প্রতিভা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস খেলেই নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করতে চাইবেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে ফিরেছেন প্রভসিমরন সিং। পাশাপাশি গতিময় পেসার ময়াঙ্ক যাদবও দুই বছর পর টি-২০ দলে ফিরেছেন। তাঁর গতি ও আক্রমণাত্মক বোলিং নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ তুঙ্গে। এছাড়া প্রথমবার জাতীয় টি-২০ দলে সুযোগ পেয়েছেন অশোক শর্মা এবং যশ ঠাকুর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর এটাই তাঁদের বড় সুযোগ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রধান কোচের দায়িত্বে ভিভিএস লক্ষ্মণ এই সফরে ভারতের সঙ্গে থাকছেন না প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁর পরিবর্তে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক ভিভিএস লক্ষ্মণ। তরুণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ফলে এই সিরিজে দলের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনায় তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পটভূমি টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় দলের কাছে প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরপর কয়েকটি সিরিজে হতাশাজনক ফল সেই আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা দেয়। অন্যদিকে জিম্বাবোয়ে নিজেদের ঘরের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত-জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ দুই দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রভাব ভারত এই সিরিজ জিততে পারলে সাম্প্রতিক ব্যর্থতা অনেকটাই ভুলে নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে আগামী প্রতিযোগিতাগুলোর প্রস্তুতি শুরু করতে পারবে। অন্যদিকে জিম্বাবোয়ে যদি ঘরের মাঠে ভালো ফল করে, তবে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বক্তব্য ভারতীয় দল নির্বাচনের সময় নির্বাচকেরা জানিয়েছেন, তরুণদের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠন করা হয়েছে। এই সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা আরও স্পষ্ট হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। জনসাধারণের জন্য তথ্য ভারত-জিম্বাবোয়ে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজের সব ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে ইউনাইটেড এইট ক্রীড়া চ্যানেলসমূহে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থাও থাকবে। ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এই সিরিজ বিশেষ আকর্ষণের, কারণ এখানে একদিকে যেমন তরুণদের পরীক্ষা হবে, তেমনই জয়ের ছন্দে ফেরার লড়াইও দেখা যাবে ভারতের।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পূর্ণশক্তির দল ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার, ফিরলেন কামিন্স-হ্যাজলউড-লায়ন
সকাল সকাল ডেস্ক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অভিজ্ঞদের প্রত্যাবর্তন, পূর্ণশক্তির দল নিয়েই মাঠে নামছে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পূর্ণশক্তির দল নিয়ে নামছে অস্ট্রেলিয়া প্রায় ২৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলা দুই ম্যাচের এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজকে সামনে রেখে ১৩ সদস্যের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, অভিজ্ঞ পেসার জোশ হ্যাজলউড এবং অফস্পিনার ন্যাথন লায়ন। তাঁদের প্রত্যাবর্তনে কার্যত পূর্ণশক্তির দল নিয়েই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে স্বাগতিকরা। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রত্যাবর্তনে বাড়ল শক্তি চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলার পর লাল বলের ক্রিকেটে দীর্ঘ বিরতি ছিল অস্ট্রেলিয়ার। সেই সময় চোটের কারণে দলের বাইরে ছিলেন প্যাট কামিন্স, জোশ হ্যাজলউড এবং ন্যাথন লায়ন। তাঁদের অনুপস্থিতিতে মাইকেল নেসের, ব্রেন্ডান ডগেট এবং টড মারফির মতো ক্রিকেটাররা সুযোগ পেয়েছিলেন। বিশেষ করে নেসের ভালো পারফরম্যান্স করলেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি তাঁর। একইভাবে ডগেট ও মারফিকেও এবার স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে। নির্বাচকদের এই সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্ট, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ওপরই সবচেয়ে বেশি ভরসা রাখছে অস্ট্রেলিয়া। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভয়ঙ্কর পেস আক্রমণের প্রস্তুতি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের সঙ্গে পেস বিভাগে থাকছেন মিচেল স্টার্ক এবং জোশ হ্যাজলউড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্যতম সফল এই তিন পেসারের একসঙ্গে প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করেছে। অতিরিক্ত পেসার হিসেবে রয়েছেন স্কট বোল্যান্ড। সুযোগ পেলেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন এবং বিউ ওয়েবস্টারও প্রয়োজনে পেস বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবেন। স্পিন বিভাগের ভরসা ন্যাথন লায়ন স্পিন আক্রমণের দায়িত্ব আবারও ন্যাথন লায়নের কাঁধে। দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার স্পিন বিভাগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম তিনি। চোট কাটিয়ে তাঁর প্রত্যাবর্তন দলের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বাংলাদেশের ব্যাটাররা স্পিন ভালো খেললেও লায়নের অভিজ্ঞতা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ব্যাটিংয়েও অভিজ্ঞতার ছাপ ব্যাটিং বিভাগেও রয়েছে ভারসাম্য এবং অভিজ্ঞতার মিশেল। উসমান খোয়াজার অবসরের পর উদ্বোধনী জুটিতে ট্রাভিস হেডের সঙ্গে জ্যাক ওয়েদারাল্ডকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঝের সারিতে রয়েছেন স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, অ্যালেক্স কেয়ারি এবং জোশ ইংলিস। অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই দলের অন্যতম বড় ভরসা। পটভূমি বাংলাদেশ প্রায় আড়াই দশক পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে। দুই দলের কাছেই এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় অস্ট্রেলিয়া শীর্ষে রয়েছে। আটটি ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে জয় তুলে নিয়ে তারা ৮৭.৫০ শতাংশ পয়েন্ট অর্জন করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ৫৮.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ফলে এই সিরিজের ফল দুই দলের অবস্থানেই বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব অস্ট্রেলিয়া এই সিরিজ জিতে পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করতে চাইবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভালো ফল করে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও উন্নত করার সুযোগ পাবে। দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ খেলতে নামায় ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহও তুঙ্গে। সরকারি বক্তব্য দল ঘোষণার পর নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান জর্জ বেইলি বলেন, প্যাট কামিন্স, জোশ হ্যাজলউড এবং ন্যাথন লায়নের প্রত্যাবর্তন দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চোট কাটিয়ে ফিরতে তাঁরা গত কয়েক মাস ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের শক্তি আরও বাড়াবে বলেই নির্বাচকদের বিশ্বাস। জনসাধারণের জন্য তথ্য সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনে এবং চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ থেকে ২৬ আগস্ট ম্যাকে শহরে। প্রায় ২৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। তাই এই সিরিজ ঘিরে দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।
বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর আবেগঘন বার্তায় নীরবতা ভাঙলেন লিওনেল মেসি, বললেন ‘ক্ষত শুকোতে সময় লাগবে’
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দিলেন লিওনেল মেসি, প্রতিপক্ষকেও জানালেন অভিনন্দন বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের পর অবশেষে মুখ খুললেন মেসি বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর একদিন সম্পূর্ণ নীরব ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার যন্ত্রণা নিয়ে তিনি ম্যাচের পর কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে একদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক আবেগঘন বার্তায় সমর্থকদের উদ্দেশে নিজের মনের কথা তুলে ধরেন। বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই হার তাঁকে কতটা কষ্ট দিয়েছে, তা তাঁর প্রতিটি শব্দেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অতিরিক্ত সময়ের গোলে ভেঙে যায় স্বপ্ন রবিবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় স্পেন। সেই গোলই নির্ধারণ করে দেয় শিরোপার ভাগ্য। চার বছর আগে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া আর্জেন্টিনার সামনে ছিল ইতিহাস গড়ার সুযোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেন শিবিরে শুরু হয় আনন্দ-উল্লাস, আর আর্জেন্টিনা শিবিরে নেমে আসে গভীর হতাশা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মেসির আবেগঘন বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় মেসি লেখেন, “যন্ত্রণা অসীম। এই ক্ষত শুকোতে সময় লাগবে। তবু আমি ভালো মুহূর্তগুলোই মনে রাখতে চাই। যেসব ম্যাচে আমরা কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, নিজেদের সবটা উজাড় করে দিয়েছি, সেগুলোই আমাদের শক্তি হয়ে থাকবে। গোটা দেশের সমর্থন, সতীর্থদের আত্মনিবেদন এবং আমাদের লড়াই আবারও বিশ্বফুটবলের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। আজ হয়তো পুরো বিষয়টা উপলব্ধি করতে পারছি না। তবে এই দল টানা দু’টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। প্রতিটি শুভেচ্ছা, প্রতিটি ভালোবাসা এবং প্রতিটি বার্তার জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ। বিশ্বকাপ জয়ের জন্য স্পেনকে অভিনন্দন।” এই বার্তায় কোথাও কোনও অভিযোগ ছিল না। বরং ছিল পরাজয়কে মেনে নেওয়ার মানসিকতা, প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান এবং ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক থাকার অঙ্গীকার। পুরো প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত ছিল আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে হারলেও গোটা প্রতিযোগিতাজুড়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে শেষ চারের লড়াই পর্যন্ত দলগত সমন্বয়, শৃঙ্খলা এবং লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে তারা। শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিরুদ্ধে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে মেসির নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা দলের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনালে শেষ চারের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত করে ফাইনালের টিকিট পায় আর্জেন্টিনা। পুরো প্রতিযোগিতাজুড়েই মেসি শুধু নিজের খেলায় নয়, নেতৃত্ব দিয়েও সতীর্থদের অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর শান্ত স্বভাব, অভিজ্ঞতা এবং কঠিন মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তরুণ ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। পটভূমি আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে খেললেও শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে স্পেন ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপের অন্যতম সফল দল হিসেবে ধারাবাহিক সাফল্যের নজিরও তৈরি করেছে। প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মেসির এই বার্তা শুধু আর্জেন্টিনা নয়, বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। পরাজয়ের মধ্যেও কীভাবে সম্মান, আত্মবিশ্বাস এবং ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা বজায় রাখতে হয়, তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। এই বার্তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলারদের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকেরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বক্তব্য ম্যাচের পর আর্জেন্টিনা দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খেলোয়াড়দের লড়াই এবং সমর্থকদের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে মেসি নিজেও স্পেনকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। জনসাধারণের জন্য তথ্য আর্জেন্টিনা শিরোপা হারালেও টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানো দলটির অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মেসির বক্তব্যে স্পষ্ট, এই পরাজয়কে শেষ অধ্যায় হিসেবে নয়, বরং নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা হিসেবেই দেখছে আর্জেন্টিনা। সমর্থকদের ভালোবাসাই আগামী দিনের লড়াইয়ে দলকে আরও শক্তি জোগাবে।
হকি বিশ্বকাপ ২০২৬: দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে ভারতের দল ঘোষণা, নেতৃত্বে হরমনপ্রীত সিং
সকাল সকাল ডেস্ক হকি বিশ্বকাপে পাঁচ দশকের অপেক্ষা শেষ করার লক্ষ্য, অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে ২০ সদস্যের ভারতীয় দল ঘোষণা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুত ভারত দীর্ঘ ৫১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় পুরুষ হকি দল। হকি বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২০ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে হকি ইন্ডিয়া। ১৯৭৫ সালে প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত হতে চলা হকি বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে ভারত। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার হরমনপ্রীত সিংকে অধিনায়ক করে গড়া হয়েছে ভারসাম্যপূর্ণ দল, যেখানে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সুন্দর সমন্বয় রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ভুলে নতুন শুরুর লক্ষ্য সম্প্রতি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। আন্তর্জাতিক হকি মহাসংঘের পেশাদার লিগে টানা হতাশাজনক ফলের কারণে নয় দলের মধ্যে অষ্টম স্থানে শেষ করে ভারত। ১৬টি ম্যাচে মাত্র চারটি জয়, সাতটি হার এবং পাঁচটি অমীমাংসিত ফল ভারতীয় শিবিরকে হতাশ করলেও সেই ব্যর্থতা ভুলে এখন পুরো মনোযোগ হকি বিশ্বকাপ-এ। দলের বিশ্বাস, বড় মঞ্চে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের দক্ষতা এবং তরুণদের উদ্যম মিলিয়ে এবার নতুন ইতিহাস লেখা সম্ভব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়লেন প্রধান প্রশিক্ষক প্রধান প্রশিক্ষক ক্রেইগ ফুলটন দল নির্বাচনে অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেছেন। ইউরোপ সফরে থাকা কয়েকজন খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। দল ঘোষণার পর তিনি বলেন, এমন একটি দল নির্বাচন করা হয়েছে, যেখানে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি নিজেদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করা তরুণরাও রয়েছে। এই সমন্বয় হকি বিশ্বকাপ-এ ভারতের সাফল্যের সম্ভাবনা আরও বাড়াবে। রক্ষণভাগই ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি গোলরক্ষক হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন মোহিত এইচএস এবং সূরজ কারকেরা। রক্ষণভাগের নেতৃত্ব দেবেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জারমনপ্রীত সিং, অমিত রোহিদাস, যুগরাজ সিং, সঞ্জয়, সুমিত এবং যশদীপ সিওয়াচ। ভারতের অন্যতম শক্তি পেনাল্টি কর্নার আদায় এবং শক্তিশালী রক্ষণভাগ। হরমনপ্রীতের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব দলের জন্য বড় সম্পদ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগেও রয়েছে ভারসাম্য মাঝমাঠে রয়েছেন মনপ্রীত সিং, হার্দিক সিং, বিবেক সাগর প্রসাদ, নীলকান্ত শর্মা, রাজিন্দর সিং এবং আদিত্য অর্জুন লালাগে। আক্রমণভাগে দায়িত্ব সামলাবেন মনদীপ সিং, দিলপ্রীত সিং, অভিষেক, সুখজিৎ সিং এবং শিলানন্দ লাকরা। দ্রুতগতির আক্রমণ, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতার ওপরই নির্ভর করবে ভারতের সাফল্য। কঠিন গ্রুপে ভারতের লড়াই হকি বিশ্বকাপ-এ ভারত রয়েছে ‘ডি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে ভারতের প্রতিপক্ষ ওয়েলস, ইংল্যান্ড এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। ১৫ আগস্ট ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভারত। এরপর ১৭ আগস্ট ইংল্যান্ড এবং ১৯ আগস্ট পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এই তিনটি ম্যাচই শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পটভূমি ১৯৭৫ সালে প্রথম এবং একমাত্রবার পুরুষদের হকি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর বহুবার সম্ভাবনা জাগালেও শিরোপা আর জেতা হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে অলিম্পিকে টানা দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতে ভারতীয় হকি আবারও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার হকি বিশ্বকাপ-এ দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে দল। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব ভারত যদি এবার ভালো ফল করতে পারে, তবে দেশের হকিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য এটি বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক হকিতে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। সরকারি বক্তব্য দল ঘোষণার পর প্রধান প্রশিক্ষক ক্রেইগ ফুলটন বলেন, অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে গড়া এই দল বড় মঞ্চে নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশ্বকাপে ভারত প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করবে। জনসাধারণের জন্য তথ্য ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ১৫ আগস্ট। এরপর ১৭ আগস্ট ইংল্যান্ড এবং ১৯ আগস্ট পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে ভারত। সমর্থকদের আশা, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে ভারতীয় পুরুষ হকি দল।