প্রথম সেট হারিয়েও জেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন সিনার
সকাল সকাল ডেস্ক প্রথম সেটে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ানিক সিনার প্রথম সেট হারিয়েও টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের সিংহাসনে সিনার প্রথম সেট হারিয়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা ইয়ানিক সিনার। অল ইংল্যান্ড ক্লাবের ঘাসের কোর্টে অনুষ্ঠিত পুরুষদের একক ফাইনালে আলেকজান্ডার জেরেভকে ৬-৭(৭), ৭-৬(২), ৬-৩, ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা জিতে নিলেন ইতালির এই তারকা। প্রায় তিন ঘণ্টা ৪৬ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে কেরিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং ৩০তম এটিপি শিরোপা জিতে আরও একবার নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন তিনি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শুরু থেকেই ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ফাইনালের শুরু থেকেই দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে জমে ওঠে দারুণ লড়াই। শক্তিশালী সার্ভিস, নিখুঁত গ্রাউন্ডস্ট্রোক এবং আক্রমণাত্মক খেলায় কেউই কাউকে ছাড় দিতে রাজি ছিলেন না। ফলে প্রথম সেটের নিষ্পত্তি হয় টাই-ব্রেকে। টাই-ব্রেকেও উত্তেজনার পারদ ছিল চরমে। শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুর্দান্ত ফোরহ্যান্ড শটে ৯-৭ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে প্রথম সেট জিতে নেন জেরেভ। দীর্ঘদিন পর সিনারের বিরুদ্ধে একটি সেট জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান জার্মান টেনিস তারকা। দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ালেন সিনার প্রথম সেট হারলেও সিনারের আত্মবিশ্বাসে কোনও ভাটা পড়েনি। বরং আরও ধৈর্য ধরে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে থাকেন তিনি। দ্বিতীয় সেটেও দুই খেলোয়াড় নিজেদের সার্ভিস ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত সেটের ভাগ্য নির্ধারণ হয় আবারও টাই-ব্রেকে। তবে এবার কোনও সুযোগ দেননি সিনার। নিখুঁত রিটার্ন, ধারাবাহিক আক্রমণ এবং প্রতিপক্ষের ভুলকে কাজে লাগিয়ে ৭-২ ব্যবধানে টাই-ব্রেক জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান ইতালির তারকা। সেই মুহূর্ত থেকেই ম্যাচের গতি বদলে যেতে শুরু করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ তৃতীয় সেটেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে তৃতীয় সেটে। একটি বল ধরতে গিয়ে ঘাসে পিছলে পড়ে ডান হাঁটুতে চোট পান জেরেভ। কিছু সময় চিকিৎসা নেওয়ার জন্য খেলা বন্ধ রাখতে হয়। এই সময় অসাধারণ ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিচয় দেন সিনার। প্রতিপক্ষের কাছে ছুটে গিয়ে চিকিৎসক আসা পর্যন্ত তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে এই আচরণের প্রশংসা করেন। চিকিৎসার পর জেরেভ খেলায় ফিরলেও আগের ছন্দ আর ফিরে পাননি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের প্রথম সার্ভিস ভাঙেন সিনার। এরপর নিজের সার্ভিস ধরে রেখে ৬-৩ ব্যবধানে তৃতীয় সেট জিতে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যান তিনি। চ্যাম্পিয়নের মতো শেষ করলেন ম্যাচ চতুর্থ সেটে জেরেভ শেষ চেষ্টা করেছিলেন ম্যাচকে আরও দীর্ঘায়িত করার। কিন্তু সিনারের আত্মবিশ্বাস তখন তুঙ্গে। স্কোর ৩-৩ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস ভেঙে ম্যাচ নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন তিনি। এরপর নিজের সার্ভিসে কোনও ভুল না করে ৬-৪ ব্যবধানে সেট জিতে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডনের শিরোপা নিশ্চিত করেন ইতালির এই তারকা। শেষ পয়েন্ট জয়ের পর আনন্দে ঘাসের কোর্টে শুয়ে পড়েন সিনার। দর্শকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই তিনি তুলে নেন কাঙ্ক্ষিত ট্রফি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন ইতিহাস গড়লেন ইতালির তারকা এই জয়ের মাধ্যমে একাধিক কীর্তি গড়েছেন ইয়ানিক সিনার। বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুই বছর উইম্বলডন জেতা কিংবদন্তিদের তালিকায় নিজের নাম যুক্ত করেছেন তিনি। অল ইংল্যান্ড ক্লাবে তাঁর টানা জয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ ম্যাচে। এটি ছিল গ্র্যান্ড স্ল্যামে তাঁর শততম ম্যাচ জয়। পাশাপাশি আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধে টানা দশটি জয় তুলে নিয়ে নিজের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করলেন ইতালির এই তারকা। সরকারি প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে সিনার বলেন, প্রথম সেট হারানোর পরও তিনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি। ধৈর্য ধরে খেলেছেন এবং প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন। অন্যদিকে জেরেভও স্বীকার করেন, কঠিন সময়ে সিনার অসাধারণ টেনিস খেলেছেন এবং যোগ্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শিরোপা জিতেছেন। পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই জয়ের মাধ্যমে ইয়ানিক সিনার কেরিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং ৩০তম এটিপি শিরোপা জিতে বিশ্ব টেনিসে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করলেন। ফরাসি ওপেনের হতাশা ভুলে উইম্বলডনের মুকুট ধরে রেখে তিনি আগামী দিনের বড় প্রতিযোগিতাগুলোর জন্যও আত্মবিশ্বাসের বার্তা দিলেন।
২২ বছরের অপেক্ষার অবসান, প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি, বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইতিহাস গড়ার হাতছানি
সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন লিওনেল মেসি, ইতিহাস, আবেগ ও ফাইনালের স্বপ্ন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান, প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মেসি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণীয় দ্বৈরথ ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াই। দুই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, বিশ্বকাপের অসংখ্য স্মরণীয় ম্যাচ এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই ম্যাচকে সবসময়ই বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। তবে অবাক করার মতো বিষয়, আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২২ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়েও লিওনেল মেসি কখনও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলেননি। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, যা তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় হয়ে থাকবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মেসির কাছে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করার পর নিজের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মেসি। তিনি বলেছেন, বিশ্বের প্রায় সব শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেললেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কখনও মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। তাই এই ম্যাচ তাঁর কাছে শুধুমাত্র একটি সেমিফাইনাল নয়, বরং বহু বছরের অপূর্ণতা পূরণের সুযোগ। মেসির মতে, ইংল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল। তাদের সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্য, প্রতিভাবান ফুটবলার এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা এই ম্যাচকে আরও কঠিন ও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। এতদিন কেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা হয়নি দুই দশকেরও বেশি আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে এই বিরল ঘটনা অনেককেই অবাক করেছে। এর পেছনে রয়েছে একটি পুরনো ঘটনা। দুই হাজার পাঁচ সালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে খেলতে পারেননি মেসি। আন্তর্জাতিক অভিষেক ম্যাচে লাল কার্ড দেখার কারণে তিনি নিষিদ্ধ ছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময়ে দুই দল বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেও কখনও মুখোমুখি হয়নি। ফলে অবশেষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেই প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন মেসি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কঠিন পথ পেরিয়ে শেষ চারে আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রতিযোগিতায় নামলেও আর্জেন্টিনার পথ মোটেও সহজ ছিল না। প্রতিটি নকআউট ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে দলকে। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। দলের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মেসি। যদিও তিনি গোল করতে পারেননি, কিন্তু তাঁর নিখুঁত পাস, আক্রমণ তৈরি এবং নেতৃত্ব দলের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে। এর আগে শেষ ষোলোতেও পিছিয়ে পড়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। অন্য ম্যাচেও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই করতে হয়েছে। ফলে প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের মানসিক দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে দলটি। ক্লান্তি থাকলেও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর অধিনায়ক টানা অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ খেলায় ফুটবলারদের শরীরে ক্লান্তি রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন মেসি। তবে তিনি জানিয়েছেন, দল এখন বিশ্রাম নিয়ে সেমিফাইনালের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে। অধিনায়কের মতে, প্রতিযোগিতার এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ক্লান্তির কথা ভেবে লাভ নেই। এখন একমাত্র লক্ষ্য ফাইনালে ওঠা। দলের সবাই সেই লক্ষ্যেই মনোযোগী এবং নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইতিহাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন অধ্যায় ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ইতিহাসে রয়েছে বহু নাটকীয় মুহূর্ত। অতীতের বহু স্মরণীয় ম্যাচ আজও ফুটবলপ্রেমীদের আবেগের অংশ হয়ে রয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হতে চলেছে এই দুই শক্তিশালী দল। একদিকে তরুণ ও গতিময় ইংল্যান্ড, অন্যদিকে অভিজ্ঞতা, কৌশল এবং মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা। ফলে সেমিফাইনাল ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে পৌঁছেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি বক্তব্য ম্যাচের আগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমবার খেলতে নামা তাঁর কাছে অত্যন্ত বিশেষ অনুভূতি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, দল ক্লান্ত হলেও আত্মবিশ্বাস হারায়নি এবং ফাইনালে ওঠাই এখন একমাত্র লক্ষ্য। সমর্থকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশ্বকাপের এই সেমিফাইনাল ম্যাচে জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে পৌঁছাবে। ফলে দুই দেশের কোটি কোটি সমর্থকের নজর থাকবে এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের দিকে। বিশেষ করে মেসির প্রথম ইংল্যান্ড ম্যাচ হওয়ায় এই সেমিফাইনাল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি: শেষ চারে ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, কবে কোন ম্যাচ?
সকাল সকাল ডেস্ক শেষ চার নিশ্চিত। টানা দুই রাতে দুই মহারণ—ফ্রান্স-স্পেন ও ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপ ফাইনালের দুই ফাইনালিস্ট। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ, শেষ চারে চার মহাশক্তি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। কোয়ার্টার ফাইনালের সব লড়াই শেষ হওয়ার পর শিরোপার দৌড়ে টিকে রয়েছে মাত্র চারটি দল—ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এবার টানা দুই রাতের দুই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে কারা উঠবে মহারণের ফাইনালে। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি অনুযায়ী, ভারতীয় দর্শকদের রাত জেগেই উপভোগ করতে হবে এই দুই মহারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশ্ব ফুটবলে বিরল নজির এবারের বিশ্বকাপে একটি ঐতিহাসিক রেকর্ডও তৈরি হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর এই প্রথম বিশ্বের শীর্ষ চারটি দল একই সঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ফলে শেষ চারের প্রতিটি ম্যাচই কার্যত একটি ফাইনালের সমান গুরুত্ব বহন করছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, চারটি দলই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। তাই কৌশল, গতি, অভিজ্ঞতা এবং তারকাদের পারফরম্যান্স—সবকিছু মিলিয়ে সেমিফাইনালের প্রতিটি মুহূর্ত হতে চলেছে রোমাঞ্চকর। ফ্রান্স বনাম স্পেন: প্রথম সেমিফাইনালে জমজমাট লড়াই বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচি অনুযায়ী প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জুলাই, বুধবার। টেক্সাসের আরলিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ২-০ গোলে মরক্কোকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে স্পেন ২-১ ব্যবধানে বেলজিয়ামকে বিদায় জানিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। ফ্রান্সের প্রধান ভরসা কিলিয়ান এমবাপে। টুর্নামেন্টে তাঁর ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। অন্যদিকে স্পেনের আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। দ্রুত পাস, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণাত্মক ফুটবলের জন্য স্পেন ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। ফলে এই ম্যাচ দুই ফুটবল দর্শনের লড়াই হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা: ইতিহাসের নতুন অধ্যায় দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার। এই ম্যাচের ভেন্যু আটলান্টা স্টেডিয়াম। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে নরওয়েকে হারিয়েছে। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন জুড বেলিংহ্যাম। অন্যদিকে সুইৎজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির অভিজ্ঞতা, হুলিয়ান আলভারেজের গতি এবং লাউতারো মার্তিনেজের গোল করার দক্ষতা দলটিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগে রয়েছেন হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকা ও ফিল ফোডেনের মতো তারকা ফুটবলার। দুই দলের অতীত ইতিহাসও এই লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তাই বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সম্পূর্ণ সূচির সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচ হতে চলেছে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা মহারণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি কোয়ার্টার ফাইনালের চারটি ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপ এখন শেষ বাঁকের সামনে। চারটি দলই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করে শেষ চারে পৌঁছেছে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে রয়েছে, অন্যদিকে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ড দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। প্রভাব সেমিফাইনালের ফলাফলই নির্ধারণ করবে কোন দুই দল ২০ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে। একই সঙ্গে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ। তাই আগামী কয়েক দিনের প্রতিটি ম্যাচ বিশ্ব ফুটবলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি তথ্য আয়োজকদের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, দুটি সেমিফাইনালই ভারতীয় সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই এবং ফাইনাল হবে ২০ জুলাই নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দর্শকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারতে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচ এবং ফাইনাল সরাসরি দেখা যাবে দূরদর্শন ক্রীড়া চ্যানেলে। এছাড়াও ইউনাইটেড স্পোর্টস চ্যানেলে সম্প্রচার হবে ম্যাচগুলি। অনলাইনে জি-ফাইভ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ থাকবে। যোগ্য গ্রাহকেরা জিওটিভির মাধ্যমেও ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন। বিশ্বকাপের শেষ পর্বের সূচি
এক্সট্রা টাইমে আলভারেজ-লাউতারোর জোড়া আঘাত, সুইৎজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
সকাল সকাল ডেস্ক একজন কমে যাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছিল সুইৎজারল্যান্ড, কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার দুরন্ত আক্রমণে নিশ্চিত হল শেষ চারের টিকিট। শুরুতেই এগিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে কোনও ফলাফল না হলেও অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেই সুইৎজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের জোড়া আঘাতে প্রতিপক্ষের প্রতিরোধ ভেঙে দেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। এবার বিশ্বকাপের শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে মেসিদের দাপট ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় আর্জেন্টিনাকে। বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে দলটি। নবম মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের শট প্রতিহত করে সুইস রক্ষণভাগ কর্নারের বিনিময়ে বিপদ সামাল দেয়। তবে সেই কর্নার থেকেই আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। দশম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ভাসানো বল থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন ম্যাক অ্যালিস্টার। গোল পাওয়ার পরও থেমে থাকেনি আর্জেন্টিনা। মেসি, আলভারেজ ও ম্যাক অ্যালিস্টারের একাধিক আক্রমণে সুইৎজারল্যান্ডের রক্ষণভাগ চাপে পড়লেও ব্যবধান বাড়ানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে সুইৎজারল্যান্ড। বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও গোলের সামনে তেমন কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। ফলে ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সুইৎজারল্যান্ড বিরতির পর সম্পূর্ণ বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। শুরু থেকেই আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয় সুইৎজারল্যান্ড। ৬০ মিনিটে ব্রিল এম্বোলোর দুর্দান্ত সুযোগ এবং কিছুক্ষণ পর দান এনদোয়ের নিশ্চিত গোলের প্রচেষ্টা অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তবে ৬৭ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। রিকার্দো রদ্রিগেসের নিখুঁত পাস থেকে নিচু শটে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান দান এনদোয়ে। ম্যাচ তখন ১-১। বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বদলে যায় ম্যাচ সমতা ফেরার মাত্র তিন মিনিট পরই ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত আসে। ব্রিল এম্বোলোর কঠোর ট্যাকলের জন্য প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও পরে ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে সিদ্ধান্ত বদলে সরাসরি লাল কার্ড দেখান ম্যাচ রেফারি। ফলে প্রায় ২০ মিনিট একজন কম নিয়ে খেলতে বাধ্য হয় সুইৎজারল্যান্ড। সংখ্যাগত সুবিধা পেলেও নির্ধারিত সময়ে তা কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির বাঁকানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের শক্তিশালী শট দুর্দান্তভাবে বাঁচিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষ হয় ১-১ সমতায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অতিরিক্ত সময়ে আলভারেজ-লাউতারোর জাদু অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগেও গোলের দেখা মেলেনি। মেসির ফ্রি-কিক এবং বদলি হিসেবে নামা থিয়াগো আলমাদার দূরপাল্লার শটও প্রতিহত করেন কোবেল। তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি হয়তো টাইব্রেকারের দিকেই এগোচ্ছে। কিন্তু ১১২ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। জোসে লোপেসের ছোট পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের অসাধারণ বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলটি ছিল ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। গোল হজম করার পর মরিয়া হয়ে আক্রমণে উঠে আসে সুইৎজারল্যান্ড। সেই সুযোগেই পাল্টা আক্রমণে যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজ দূরপাল্লার জোরালো শটে ব্যবধান ৩-১ করেন। এরপর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি সুইসরা। পটভূমি গত বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবারও শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে সুইৎজারল্যান্ডও ধারাবাহিক ভালো ফুটবল খেলে শেষ আটে পৌঁছেছিল। দুই দলের লড়াইয়ে টানটান উত্তেজনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও আক্রমণের ধারই পার্থক্য গড়ে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রভাব এই জয়ের ফলে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনা। এতে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হল। অন্যদিকে সাহসী লড়াই করেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল সুইৎজার্ল্যান্ডকে। সরকারি বক্তব্য ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি দলের ধৈর্য, লড়াই এবং বদলি ফুটবলারদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই জয় দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। জনসাধারণের জন্য তথ্য এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন শেষ চারের দুই মহারণের দিকে।
England vs India: ব্রিস্টলে ৯ উইকেটের বড় জয়, T20I Series জিতে নিল England
সকাল সকাল ডেস্ক শ্রেয়স আইয়ারের অপরাজিত ৮০ রানও রক্ষা করতে পারল না ভারতকে। ফিল সল্ট ও হ্যারি ব্রুকের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। England vs India টি-২০ সিরিজে ভারতের হতাশা আরও গভীর হল। ব্রিস্টলের চতুর্থ টি-২০ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-১ পিছিয়ে পড়ল ভারত। ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই England vs India সিরিজ নিজেদের দখলে নিল স্বাগতিকরা। আয়ারল্যান্ড সফরে সিরিজ হারের পর ইংল্যান্ড সফরেও ব্যর্থতার মুখ দেখল শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই ধারাবাহিক দুর্বলতা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রেয়সের লড়াই, ব্যর্থ ভারতের ব্যাটিং টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। কিন্তু শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। ওপেনাররা বড় রান করতে ব্যর্থ হন। তরুণ বৈভব সূর্যবংশী ১০ বলে ১৫ রান করে আউট হন। মিডল অর্ডারেও কেউ ইনিংস বড় করতে পারেননি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ এই কঠিন পরিস্থিতিতে একাই লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তিনি ৪৯ বলে অপরাজিত ৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত তাঁর ব্যাটেই ভর করে ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান তোলে। তবে England vs India ম্যাচে এই রান ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনের সামনে যথেষ্ট প্রমাণিত হয়নি। ইংল্যান্ডের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স ভারতের ব্যাটারদের বড় স্কোর গড়তে দেননি ইংল্যান্ডের পেসাররা। জোফ্রা আর্চার ও জোশ টাং দু’জনেই দুটি করে উইকেট তুলে নেন। নতুন বলে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করার পাশাপাশি ডেথ ওভারেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন তাঁরা। ইংল্যান্ডের ফিল্ডিংও ছিল নজরকাড়া। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্যাচ ও রান বাঁচানোর মাধ্যমে ভারতকে ১৬০ রানের নিচেই আটকে রাখতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। ফিল সল্ট ও হ্যারি ব্রুকের বিধ্বংসী জুটি ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জস বাটলারের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তিনি মাত্র ৮ রান করে ফিরলেও এরপর ম্যাচের রাশ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেন ওপেনার ফিল সল্ট এবং অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৪৬ রানের জুটি গড়ে ভারতের জয়ের সব আশা শেষ করে দেন তাঁরা। ফিল সল্ট ৪২ বলে ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক মাত্র ৩৫ বলে অপরাজিত ৭৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। আটটি চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে কার্যত অসহায় করে তোলে। England vs India ম্যাচে এই জুটিই জয়ের ভিত্তি তৈরি করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background: ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত ভারতের আয়ারল্যান্ড সফরে সিরিজ হারের পর ইংল্যান্ড সফরকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখছিল ভারতীয় দল। কিন্তু সেই আশা পূরণ হল না। অধিনায়ক হিসেবে এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জয়ের মুখ দেখেননি শ্রেয়স আইয়ার। তাঁর নেতৃত্বে ভারত ইতিমধ্যেই পাঁচটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে, কিন্তু একটিতেও জয় আসেনি। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা এবং বোলিংয়ে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতার অভাব ভারতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। Official Statement ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড শিবির জানায়, ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই পরিকল্পনা সফল হয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট হারানো এবং বোলিংয়ে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করতে না পারাই হারের প্রধান কারণ। Impact: সিরিজ জিতে আত্মবিশ্বাসী ইংল্যান্ড এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের England vs India টি-২০ সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ট্রফি নিজেদের দখলে নেওয়ায় স্বাগতিক শিবিরের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেল। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ অন্যদিকে ভারতের জন্য এই হার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবার ইঙ্গিত দিল। বিশেষ করে ব্যাটিং অর্ডার, পাওয়ারপ্লে বোলিং এবং ডেথ ওভারের কৌশল নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। Public Information পাঁচ ম্যাচের সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-২০ ম্যাচটি শনিবার অ্যাজিয়াস বোলে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজ ইতিমধ্যেই হাতছাড়া হলেও শেষ ম্যাচ জিতে সম্মান রক্ষার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে শ্রেয়স আইয়ারের ভারত। অন্যদিকে ইংল্যান্ড চাইবে জয় দিয়ে সিরিজ আরও দাপটের সঙ্গে শেষ করতে।
World Cup 2026: এমবাপের জোড়া গোলে Morocco-কে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সেমিফাইনালে France
সকাল সকাল ডেস্ক বস্টনে এমবাপে ও ডেম্বেলের দুরন্ত পারফরম্যান্সে ২-০ ব্যবধানে মরক্কোকে হারিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে উঠল ফ্রান্স, নতুন নজির গড়লেন এমবাপে। World Cup 2026-এ নিজেদের শক্তিমত্তার আরেকটি বড় প্রমাণ দিল ফ্রান্স। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল দিদিয়ের দেশঁর দল। বস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান ডেম্বেলে। World Cup 2026-এর অন্যতম হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে ফরাসি তারকারা অভিজ্ঞতা ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের দারুণ প্রদর্শনী উপহার দেন। প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দাপট ছিল ফ্রান্সের ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে ফ্রান্স। এমবাপে, ডেম্বেলে ও মাইকেল ওলিস একের পর এক আক্রমণ শানালেও গোলের দেখা মিলছিল না। মরক্কোর অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রথমার্ধে একটি পেনাল্টিও পায় ফ্রান্স। তবে সেই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি এমবাপে। ফলে বিরতিতে গোলশূন্য অবস্থায় মাঠ ছাড়ে দুই দল। যদিও খেলার গতি ও আক্রমণের সংখ্যার বিচারে ফরাসিরাই ছিল অনেক এগিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপের জাদু বিরতির পর ম্যাচের রূপ পুরোপুরি বদলে যায়। ৬০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ শক্তিশালী শটে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। গোল হজমের ধাক্কা সামলানোর আগেই ৬৬ মিনিটে আবারও ফরাসি আক্রমণে ভেঙে পড়ে মরক্কোর রক্ষণ। এমবাপের দ্রুতগতির দৌড়ে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত ফিনিশে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন উসমান ডেম্বেলে। এই দুই গোলেই কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। World Cup 2026-এ আরও একবার নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন এমবাপে। পরিসংখ্যানে স্পষ্ট ফরাসি আধিপত্য পুরো ম্যাচে ২০টি শট নেয় ফ্রান্স, যার উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল লক্ষ্যভেদী। অন্যদিকে মরক্কো বলের দখল ধরে রাখলেও আক্রমণের শেষ মুহূর্তে কার্যকর হতে পারেনি। ৮৩ মিনিটে আজাদ্দিন ওনাহির একটি শট ছাড়া ফরাসি গোলরক্ষক মাইক ম্যাইঁনানকে বড় কোনও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়নি। ম্যাচের শেষ দিকে এমবাপে সামান্য অস্বস্তি অনুভব করায় তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তাঁর চোট গুরুতর নয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background: সাইবারির অনুপস্থিতি ভোগাল মরক্কোকে মরক্কোর বিদায়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায় ইসমায়েল সাইবারির অনুপস্থিতি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারেননি সদ্য বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়া এই ফরোয়ার্ড। গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচে গোল করা সাইবারির অভাব আক্রমণে স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। আশরফ হাকিমি, ব্রাহিম দিয়াজ ও আজাদ্দিন ওনাহিরা মাঝমাঠে লড়াই করলেও ফাইনাল থার্ডে কার্যকর ফিনিশারের অভাবে একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়। ফলে আফ্রিকার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে টুর্নামেন্টে দারুণ লড়াই করেও শেষ আট থেকেই বিদায় নিতে হয় মরক্কোকে। দেশঁর কৌশলেই ম্যাচের মোড় ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশঁ আবারও নিজের কৌশলগত দক্ষতার পরিচয় দেন। প্রথমার্ধে গোল না এলেও তিনি দলকে ধৈর্য ধরে খেলতে বলেন। বিরতির পর দুই প্রান্ত ব্যবহার করে আক্রমণ বাড়ানোর পরিকল্পনাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরিবর্ত হিসেবে নামা জঁ-ফিলিপ মাতেতা ও ব্র্যাডলি বারকোলা আক্রমণে নতুন গতি আনেন। পাশাপাশি অরেলিয়েন চুয়ামেনিকে বেঞ্চে রেখে শুরু করার সিদ্ধান্তও সফল প্রমাণিত হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Official Statement ম্যাচ শেষে ফরাসি শিবির জানায়, দল পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে এবং দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি বাড়ানোর কৌশল সফল হয়েছে। এমবাপের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলেও জানানো হয়েছে। Impact: এমবাপের নতুন রেকর্ড, সেমিফাইনালে ফ্রান্স এই ম্যাচে গোল করে চলতি World Cup 2026-এ নিজের গোলসংখ্যা আটে নিয়ে যান এমবাপে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ২০। ১৯৬৬ সালের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে অন্তত আটটি করে গোল করার নজিরও গড়েন তিনি। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তাঁর মোট গোল-অবদান এখন ১৩, যেখানে গত ছয় দশকে তাঁর সামনে রয়েছেন কেবল লিওনেল মেসি। Public Information টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নিজেদের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করল ফ্রান্স। অন্যদিকে মরক্কো বিদায় নিলেও গোটা টুর্নামেন্টে তাদের লড়াকু পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে। World Cup 2026-এর শেষ চারের লড়াইয়ে এখন সব নজর থাকবে ফরাসি শিবিরের দিকে।
Cristiano Ronaldo Neymar Retirement: বিশ্বকাপে আবেগঘন বিদায়, রোনাল্ডোর নীরব বার্তা, নেইমারের অবসর ঘোষণা
সকাল সকাল ডেস্ক ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে দুই মহাতারকার ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। Cristiano Ronaldo Neymar Retirement ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলপ্রেমীদের সামনে এক আবেগঘন অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে রইল। Cristiano Ronaldo Neymar Retirement এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। পর্তুগালের বিদায়ের পর ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর নীরব বার্তা যেমন জল্পনা বাড়িয়েছে, তেমনি ব্রাজিলের তারকা নেইমার আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে একটি যুগের অবসান ঘটিয়েছেন। দুই কিংবদন্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে সমর্থকদের আবেগ, আলোচনা এবং স্মৃতিচারণ এখন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। স্পেনের কাছে হেরে শেষ বিশ্বকাপ শেষ রোনাল্ডোর শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় পর্তুগাল। ম্যাচের শেষ দিকে মিকেল মেরিনোর গোলে ভেঙে যায় পর্তুগিজদের কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন। শেষ বাঁশি বাজতেই হতাশায় ভেঙে পড়েন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। চোখের জল লুকোতে পারেননি ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, এটিই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাননি। ম্যাচ শেষে ইনস্টাগ্রামে সতীর্থদের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, “Portugal Sempre”। সংক্ষিপ্ত এই বার্তাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নানা ব্যাখ্যা। অনেকের মতে, এটি দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসার প্রকাশ, আবার অনেকে এটিকে সম্ভাব্য বিদায়বার্তার ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নয় ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় রোনাল্ডো জানান, আবেগের মুহূর্তে কোনও বড় সিদ্ধান্ত নিতে চান না। তিনি কিছুটা সময় নিয়ে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভাবতে চান। ফলে Cristiano Ronaldo Neymar Retirement আলোচনায় রোনাল্ডোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও বজায় রয়েছে। বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর নতুন ইতিহাস দল বিদায় নিলেও ব্যক্তিগতভাবে উজ্জ্বল ছিলেন রোনাল্ডো। এবারের বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচে তিনটি গোল করেন তিনি। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। পাশাপাশি টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবেও ইতিহাস গড়েন। রাউন্ড অব ৩২-এ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলদাতার রেকর্ডও নিজের নামে লেখান। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ২৭ ম্যাচে ১১ গোল করেই তাঁর বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ হয়। নেইমারের আন্তর্জাতিক অবসরে আবেগ অন্যদিকে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযানও হতাশাজনকভাবে শেষ হয়েছে। শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৪ বছর বয়সী নেইমার। তিনি বলেন, “আমি চেষ্টা করেছি, অনেক চেষ্টা করেছি। এবার সব শেষ। এখানেই শুরু করেছিলাম, এখানেই শেষ করলাম।” তাঁর এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে দীর্ঘ এক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ক্লাব ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আন্তর্জাতিক ফুটবল ছাড়লেও নেইমারের ক্লাব ক্যারিয়ার নিয়ে এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। সংবাদমাধ্যমের দাবি, শৈশবের ক্লাব সান্তোসের সঙ্গে তাঁর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে আর কয়েক মাস বাকি। এরপর তিনি খেলা চালিয়ে যাবেন নাকি সম্পূর্ণ অবসর নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেইমারের বাবা সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় ছেলেকে ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর এই পোস্টের পর ক্লাব ফুটবলে নেইমারকে আরও কিছুদিন দেখা যেতে পারে বলেই অনেকের ধারণা। পটভূমি গত দুই দশক ধরে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় দুই নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ও নেইমার। বিশ্বকাপ, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ, কোপা আমেরিকা এবং ক্লাব ফুটবলে তাঁদের অসংখ্য সাফল্য আধুনিক ফুটবলের ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। তাই Cristiano Ronaldo Neymar Retirement বিশ্ব ফুটবলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রভাব দুই তারকার বিদায় বা বিদায়ের ইঙ্গিত বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থকের মধ্যে আবেগের সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জন্য নেতৃত্বের নতুন অধ্যায়ও শুরু হচ্ছে। ফুটবল বিশ্ব এখন নতুন নায়কদের দিকে তাকিয়ে থাকলেও রোনাল্ডো ও নেইমারের অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সরকারি অবস্থান নেইমার আন্তর্জাতিক অবসরের ঘোষণা দিলেও তাঁর ক্লাব ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়নি। অন্যদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। জনসাধারণের জন্য তথ্য রোনাল্ডোর ভবিষ্যৎ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়ালেও তাঁর পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। সমর্থকদের উচিত আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করা এবং অনিশ্চিত তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করা।
Argentina vs Egypt, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ, মেসিদের জয় নিয়ে তীব্র বিতর্ক
সকাল সকাল ডেস্ক শেষ ষোলোর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়ের পর রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন, ক্ষোভে ফুঁসছে মিশর শিবির। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে Argentina vs Egypt Referee Controversy এখন আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। আর্জেন্টিনা নাটকীয়ভাবে ৩-২ গোলে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছালেও ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, ম্যাচজুড়ে অন্তত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার পক্ষে গিয়েছে। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। ফলে Argentina vs Egypt Referee Controversy নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে কী কী অভিযোগ উঠেছে? সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ম্যাচের বিভিন্ন মুহূর্ত বিশ্লেষণ করে একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওর দাবি অনুযায়ী, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো একাধিকবার হলুদ কার্ড পাওয়ার মতো ফাউল করলেও রেফারি কোনও ব্যবস্থা নেননি। একইভাবে রদ্রিগো ডি পল, হুলিয়ান আলভারেজ এবং নিকোলাস গঞ্জালেসের বিরুদ্ধেও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে এনজো ফার্নান্দেজের জয়সূচক গোলের আগে মহম্মদ সালাহর ওপর হওয়া একটি ফাউল নিয়ে। মিশরের দাবি, ওই মুহূর্তে খেলা থামানো উচিত ছিল। কিন্তু রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে দেন এবং সেই আক্রমণ থেকেই আসে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল। এছাড়া মোস্তফা জিকোর একটি গোল অফসাইডের অভিযোগে বাতিল হওয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ম্যাচের শুরুতে দাপট দেখায় মিশর ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মিশর। ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় তারা। এরপর আর্জেন্টিনা সমতা ফেরানোর সুযোগ পেলেও লিওনেল মেসির পেনাল্টি অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক মোস্তফা শোবির। দ্বিতীয়ার্ধে ৬৭ মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে মহম্মদ সালাহ ও হাইসেম হাসানের দুর্দান্ত সমন্বয়ে মোস্তফা জিকো গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। তখন অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় নিশ্চিত। শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে কর্নার থেকে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো গোল করে ব্যবধান কমান। এরপর ৮৩ মিনিটে লিওনেল মেসি সমতা ফেরান। ইনজুরি টাইমে এনজো ফার্নান্দেজ দুর্দান্ত ভলিতে জয়সূচক গোল করে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের পরই Argentina vs Egypt Referee Controversy আরও জোরালোভাবে সামনে আসে। মিশরের সমর্থকদের একাংশের অভিযোগ, রেফারির সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ক্ষুব্ধ মিশর কোচের প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তাঁর দাবি, মাঠে ন্যায্য বিচার হয়নি এবং মিশরই ভালো ফুটবল খেলেছে। তিনি বলেন, এই ম্যাচের অভিজ্ঞতার পর তিনি আর ২০২৬ বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচ দেখতে চান না। কোচ আরও অভিযোগ করেন, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টুর্নামেন্টে ধরে রাখার অদৃশ্য চাপ কাজ করেছে। তবে তিনি তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। বাতিল গোল নিয়ে জিকোর ক্ষোভ মিশরের ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকোও রেফারিং নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বাতিল হওয়া গোলটি বৈধ ছিল এবং গোটা ম্যাচেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বারবার আর্জেন্টিনার পক্ষেই গেছে। তিনি দাবি করেন, একই ধরনের পরিস্থিতিতে দুই দলের জন্য ভিন্ন মানদণ্ড প্রয়োগ করা হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে রেফারিং বিতর্ক নতুন নয়। অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR), অফসাইড এবং ফাউল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারও Argentina vs Egypt Referee Controversy সেই তালিকায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রভাব এই বিতর্ক সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেও অন্য অংশের মতে, ম্যাচের উত্তেজনা থেকেই ঘটনাগুলিকে অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। বিতর্কের জেরে ম্যাচের ফলাফল নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও নানা মত তৈরি হয়েছে। সরকারি অবস্থান এখনও পর্যন্ত ফিফা কিংবা ম্যাচ পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। একইভাবে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের পক্ষ থেকেও অভিযোগের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি। জনসাধারণের জন্য তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও বা পোস্টে করা সব দাবি এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই বা প্রমাণিত হয়নি। তাই দর্শকদের উচিত শুধুমাত্র ভাইরাল কনটেন্টের উপর নির্ভর না করে ফিফা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করা।
Enzo Fernandez creates FIFA World Cup History with 3000th Goal, আর্জেন্টিনার জয়ে নতুন মাইলফলক
সকাল সকাল ডেস্ক মিশরের বিপক্ষে ম্যাচজয়ী গোল করেই পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের ৩,০০০তম গোলের মালিক হলেন এনজো ফার্নান্দেজ। Enzo Fernandez বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে নিজের নাম সোনার অক্ষরে লিখে রাখলেন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার নাটকীয় ৩-২ ব্যবধানে জয়ের নায়ক হওয়ার পাশাপাশি তাঁর করা ম্যাচজয়ী গোলটি পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের ৩,০০০তম গোল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আনন্দের সঙ্গে নতুন এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সাক্ষী থাকল ফুটবল বিশ্ব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নাটকীয় ম্যাচে ইতিহাস গড়লেন Enzo Fernandez Enzo Fernandez-এর ঐতিহাসিক গোল আসার আগে ম্যাচে চরম চাপে ছিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে এক গোল হজম করার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল খেয়ে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে লিওনেল মেসির দল। সেই সময় অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হতে চলেছে। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। ৭৯ মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো হেডে ব্যবধান কমান। এরপর মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে গনসালো মন্টিয়েলের পাস থেকে গোল করে ম্যাচ ২-২ সমতায় ফেরান মেসি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ শেষ মুহূর্তের গোলেই বিশ্বকাপের ৩,০০০তম মাইলফলক নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। বক্সে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে Enzo Fernandez দুর্দান্ত দক্ষতায় জোরালো হেডে বল জালে পাঠিয়ে দেন। সেই গোলেই ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে ফিফা নিশ্চিত করে, এনজো ফার্নান্দেজের এই গোলই পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের ৩,০০০তম গোল। ফলে একটি ম্যাচজয়ী গোলই এক লহমায় বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে স্থায়ী জায়গা করে দেয় আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডারকে। মেসির নেতৃত্বে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন Enzo Fernandez ইতিহাস গড়লেও ম্যাচে লিওনেল মেসির অবদান ছিল সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি অ্যাসিস্ট এবং একটি গোল করে তিনি আবারও বড় মঞ্চে নিজের নেতৃত্বের প্রমাণ দেন। রোমেরোর গোলে অ্যাসিস্ট করার মাধ্যমে মেসি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বাধিক অ্যাসিস্টের রেকর্ডও নিজের নামে করে নেন। পরে নিজেই গোল করে দলকে সমতায় ফেরান এবং এনজোর ম্যাচজয়ী গোলের ভিত্তি তৈরি করেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাস ১৯৩০ সালে শুরু হয়। এরপর থেকে অসংখ্য কিংবদন্তি ফুটবলার এই টুর্নামেন্টে স্মরণীয় গোল করেছেন। তবে ৩,০০০তম গোলের মতো বিশেষ মাইলফলক খুব কম ফুটবলারের ভাগ্যেই জোটে। ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই বিরল সম্মানের অধিকারী হলেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার জন্যও এই জয় ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও তারা অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছে। Impact এই ঐতিহাসিক গোল শুধু আর্জেন্টিনাকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেই দেয়নি, এনজো ফার্নান্দেজকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম স্মরণীয় নামের তালিকায়ও স্থান করে দিয়েছে। একই সঙ্গে এই জয় আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। Official Statement ম্যাচ শেষে ফিফা তাদের আনুষ্ঠানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, এনজো ফার্নান্দেজের ম্যাচজয়ী গোলটিই পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের ৩,০০০তম গোল হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এই ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের অভিনন্দনে ভাসেন আর্জেন্টাইন তারকা। Public Information এই জয়ের ফলে আর্জেন্টিনা ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড, যারা টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। ফলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা।
Switzerland vs Colombia: ৭২ বছরের অপেক্ষার অবসান, টাইব্রেকারে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড
সকাল সকাল ডেস্ক ১২০ মিনিট গোলশূন্য লড়াইয়ের পর গ্রেগর কোবেলের দুর্দান্ত সেভ ও রুবেন ভার্গাসের জয়সূচক পেনাল্টিতে ইতিহাস গড়ল সুইসরা। Switzerland vs Colombia ম্যাচ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অন্যতম নাটকীয় লড়াই হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১২০ মিনিটের টানটান উত্তেজনার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল সুইজারল্যান্ড। ১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম শেষ আটে উঠল মুরাত ইয়াকিনের দল। গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং রুবেন ভার্গাসের স্নায়ুচাপ সামলে নেওয়া শেষ পেনাল্টিই গড়ে দিল ইতিহাস। শুরু থেকেই আক্রমণে কলম্বিয়া Switzerland vs Colombia ম্যাচের শুরু থেকেই দক্ষিণ আমেরিকার দলটি আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে কলম্বিয়া। ২১ মিনিটে গুস্তাভো পুয়ের্তার দূরপাল্লার বাঁকানো শট অসাধারণ ডাইভ দিয়ে রুখে দেন গ্রেগর কোবেল। সেই সেভই ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে বাঁচিয়ে রাখে। অন্যদিকে সুইসরা শুরু থেকেই শক্ত রক্ষণ এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণের কৌশল নিয়ে মাঠে নামে। প্রথমার্ধে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে না পারলেও তারা রক্ষণে ছিল অত্যন্ত সংগঠিত। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ রক্ষণে অনবদ্য সুইজারল্যান্ড দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের চিত্র খুব একটা বদলায়নি। কলম্বিয়া আক্রমণের ধার বাড়ালেও ম্যানুয়েল আকানজি, রিকার্দো রদ্রিগেজ এবং গোলরক্ষক কোবেলের নেতৃত্বে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে। ম্যাচের শেষদিকে ড্যান এনডয়ে জয়ের সুবর্ণ সুযোগ পেলেও তাঁর নিচু শট পোস্টের অল্প বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। ফলে Switzerland vs Colombia ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েও অটুট লড়াই অতিরিক্ত সময়ে কলম্বিয়া আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। কর্নার ও ক্রস থেকে বারবার গোলের চেষ্টা চালায় তারা। জোন লুকুমির দুর্দান্ত হেড গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ভাগ্য যেন তখন সুইজারল্যান্ডের পক্ষেই ছিল। অন্যদিকে সুইসরা ধৈর্য ধরে নিজেদের রক্ষণ সামলে টাইব্রেকারের অপেক্ষায় থাকে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ টাইব্রেকারে নায়ক গ্রেগর কোবেল ১২০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর শুরু হয় স্নায়ুর লড়াই। দুই দলই প্রথম কয়েকটি শটে সফল হলেও পরে চাপ বাড়তে থাকে। কলম্বিয়ার দাভিনসন স্যাঞ্চেজের শট ক্রসবারে লাগে। এরপর চুচো হার্নান্দেজের পেনাল্টি দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন গ্রেগর কোবেল। যদিও সুইজারল্যান্ডের হয়ে ম্যানুয়েল আকানজি একটি পেনাল্টি মিস করেন, তবুও শেষ পর্যন্ত রুবেন ভার্গাস ঠান্ডা মাথায় জয়সূচক পেনাল্টি জালে পাঠিয়ে Switzerland vs Colombia ম্যাচে ৪-৩ ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background সুইজারল্যান্ড শেষবার ১৯৫৪ সালে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। এরপর ২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২—টানা চারটি বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর বাধা টপকাতে পারেনি তারা। এবার সেই দীর্ঘ হতাশার অবসান ঘটিয়ে নতুন ইতিহাস লিখল সুইসরা। ম্যাচের আগে চোটের কারণে তরুণ ফুটবলার জোহান মানজামিকে হারানো এবং রুবেন ভার্গাসের পুরোপুরি ফিট না থাকা সত্ত্বেও দলগত পারফরম্যান্সে কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। Impact এই ঐতিহাসিক জয় সুইজারল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে নতুন মাইলফলক। একই সঙ্গে দলটি টানা ১১টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে অপরাজিত থাকার নজিরও গড়েছে। এই সাফল্য দলের আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড় মানসিক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। Official Statement ম্যাচ শেষে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় রুবেন ভার্গাস বলেন, “আজ আমরা যা অর্জন করেছি, তা এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। ১২০ মিনিট সবাই নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করেছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ইতিহাস গড়তে পেরে আমরা গর্বিত।” Public Information এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন তারকাখচিত আক্রমণভাগ, অন্যদিকে গ্রেগর কোবেলের নেতৃত্বে দুর্ভেদ্য সুইস রক্ষণ—শেষ আটের এই লড়াই বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে।