নাকা তল্লাশিতে উদ্ধার ৯০ হাজার টাকা
সকাল সকাল ডেস্ক পুরুলিয়া: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে জেলায় কড়া নজরদারি চলাকালীন নাকা তল্লাশিতে উদ্ধার হলো নগদ টাকা। পুরুলিয়া মফস্বল থানার রুদ্রা গ্রামের বাসিন্দা অমর পাণ্ডে নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা। প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে না পারায় সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, অমর পাণ্ডে পেশায় একজন ঠিকাদার। বৃহস্পতিবার তিনি তার কাজের শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য ৯০ হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নজরদারি দল এবং পুলিশের যৌথ নাকা তল্লাশি চলছিল। অমরবাবুর গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালানো হলে এই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা এবং বৈধ নথিপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ঘটনাস্থলে অমরবাবু ওই টাকার সপক্ষে কোনো যুৎসই প্রমাণ বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এর পরেই কমিশনের আধিকারিকরা নিয়ম মেনে পুরো টাকাটি সিজ (Seize) করেন। টাকা বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর ঠিকাদার অমর পাণ্ডে দাবি করেন, শ্রমিকদের মজুরি মেটানোর জন্যই তিনি ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলে আনছিলেন। হঠাৎ নাকা চেকিংয়ের মুখে পড়ে তিনি অপ্রস্তুত হয়ে যান এবং সেই মুহূর্তে সমস্ত নথি পেশ করতে পারেননি।পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সঠিক প্রমাণপত্র জমা দিতে পারলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে টাকা ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। নির্বাচনের প্রাক্কালে জেলায় এই ধরণের চেকিং অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আরামবাগে নির্বাচনী প্রচার মমতার, তোপ এসআইআর ইস্যুতে
সকাল সকাল ডেস্ক হুগলি : আরামবাগে বুধবার জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এসআইআর ইস্যুতে কমিশনকে নিশানা করেন। জানান, অনেক মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। অনেক মানুষের নাম তোলা বাকি আছে। মরে যাব তবু শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। আবার আদালতে যাওয়া উচিত। এসআইআর ইস্যুতে কমিশনকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভোট কেটে তৃণমূলকে হারানো যাবে না। তিনি এও বলেন, সবার নাম উঠবে, আজ নয় কাল। ৩২ লক্ষ নাম আমি নিজে গিয়ে কেস করে তুলে দিয়েছি। সুপ্রিম কোর্টই বলেছিল বিচারকেরা যে নামগুলো ক্যান্সেল করেছে, ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা যাবে। কিন্তু তার আগে কেন ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে দিল আমার মাথায় ঢুকল না। তাই আমার মনে হয় আবার কোর্টে যাওয়া উচিত। আরামবাগের সভা থেকে মমতা বলেন, আমার কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬২ হাজার মানুষের নাম বাদ। তাতেও কোনও ফারাক পড়বে না। একটা ভোট থাকলেও তৃণমূলের বাক্সেই পড়বে। বিজেপির বাক্সে বা অন্য কোনও দলের বাক্সে পড়বে না। ভোট কেটে কিছু করতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে বিজেপির কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ
সকাল সকাল ডেস্ক কোচবিহার : প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় রবিবার কোচবিহার জেলার মাথাভাঙা শহরে বিজেপি কর্মীদের বাধা দেওয়া ও মারধরের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাসে করে কর্মীরা কোচবিহারের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছিলেন। সেই সময় পথে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং আচমকাই তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায় বলে অভিযোগ। আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতেই বিজেপি কর্মীদের বাস সেখান থেকে নিরাপদে কোচবিহারের উদ্দেশে রওনা দেয়। বিজেপির তরফে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব অবশ্য সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ।
যারা চায় বাংলার সর্বনাশ, তাদের আমরা করব বিনাশ : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সকাল সকাল ডেস্ক দক্ষিণ দিনাজপুর : দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের হাজারিপাড়ার জনসভা সেরে শুক্রবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে জনসভা করেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের জনসভা থেকে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। মমতা বলেন, আমরা বলি না। আমরা করে দেখাই। লক্ষ্মীর ভান্ডার শুরু হয়েছিল ৫০০ টাকা দিয়ে। এখন ১৫০০ এবং ১৭০০ টাকা। যুবসাথী নতুন করে করেছি। মমতা আরও বলেন, বিজেপির সরকার, অত্যাচারী সরকার, লোককে অনাহারে মারার সরকার, স্বৈরাচারী সরকার। বাংলাকে করেছে বঞ্চনা, লাঞ্ছনা। এক কোটি ২০ লক্ষ কাঁচা বাড়ি পাকা করেছি। আগামী দিন আরও করব। মমতা বলেন, যারা চায় বাংলার সর্বনাশ, তাদের আমরা করব বিনাশ। আপনার গণতন্ত্র কেড়ে নিচ্ছে, ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে। মাছ, ডিম খেতে দেবে না। ওদের ধর্মের নাম অধর্ম। আর আমাদের ধর্মের নাম মানবধর্ম। মমতা এদিন আরও বলেন, মালদা মামলার সঙ্গে জড়িতকে স্থানীয় পুলিশ নয়, সিআইডি ধরেছিল। সে বাগডোগরা থেকে পালাচ্ছিল এবং মুম্বই থেকে এসেছিল।
জয়পুরের মাটি থেকে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, উন্নয়নের খতিয়ান দিয়ে অর্জুন মাহাতোর পক্ষে সওয়াল
সকাল সকাল ডেস্ক শেফালী মাহাতো, কোটশিলা: পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের অন্যতম তরুণ তুর্কি তথা জেলা পরিষদ সদস্য অর্জুন মাহাতোর সমর্থনে কোটশিলার বামনিয়া ডাকবাংলো মাঠে নির্বাচনী জনসভা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জয়পুর বিধানসভা কেন্দ্রের এই জনসভা থেকে একদিকে যেমন উন্নয়নের ‘রিপোর্ট কার্ড’ পেশ করেন তিনি, তেমনই কেন্দ্রীয় বঞ্চনা ও পারিবারিক রাজনীতি নিয়ে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। এদিন ভাষণের শুরুতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী অর্জুন মাহাতোর প্রশংসা করে বলেন, “অর্জুন কোনো পারিবারিক পরিচিতি ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজের লড়াই এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তৃণমূল স্তর থেকে উঠে এসেছেন।” তিনি আরও যোগ করেন, অন্য দলের প্রার্থীরা যেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে গিয়ে নিজের ছেলের জন্য টিকিট নিয়ে আসেন, সেখানে অর্জুন মাহাতো মাটির লড়াই লড়ে আজ আপনাদের প্রতিনিধি হয়েছেন। বিজেপি সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মোদী সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কী করেছে? আমি আমার রিপোর্ট কার্ড নিয়ে এসেছি, ক্ষমতা থাকলে ওরাও রিপোর্ট কার্ড নিয়ে আসুক।” তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের ১০০ দিনের কাজের টাকা এবং আবাস যোজনার টাকা আটকে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ‘ভাতে মারার’ চেষ্টা করছে।পুরুলিয়া ও জয়পুরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি জানান, পুরুলিয়া জেলায় ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ পাকা বাড়ি পেয়েছেন। জয়পুর ব্লকেই প্রায় ৮২ হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন। পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জয়পুরে ১১০টি রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ করা হয়েছে।আগামী দিনের প্রতিশ্রুতি জনসভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেন এই প্রকল্পের সুবিধা মায়েরা আজীবন পাবেন। প্রতিটি বাড়িতে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে। ব্লক ভিত্তিক ‘দুয়ারে স্বাস্থ্য’ পরিষেবা চালু করা হবে। কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য সরকার বাংলার প্রতিটি গরিব মানুষকে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেবে।যাদের আবেদন জমা পড়েছে, তাদের প্রত্যেকের বকেয়া টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। সবশেষে জয়পুরের মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি আশ্বস্ত করেন, “যেভাবে আমি ডায়মন্ড হারবারকে আগলে রাখি, আগামী দিনে ঠিক একইভাবে জয়পুরকেও নিজের সবটুকু দিয়ে আগলে রাখবো।” এদিনের সভায় জেলা চেয়ারম্যানসহ নিবেদিতা মাহাতো, গৌরব সিং, উজ্জ্বল কুমার, মিনি বাউরী, কিরী আচারিয়া, সাদ্দাম আনসারী ও শক্তিপদ মাহাতোর মতো জেলা ও ব্লক স্তরের একাধিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণ : দুর্ঘটনাস্থলে মুখ্যসচিব, শোকস্তব্ধ টলিপাড়া
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলার বিনোদন জগতে। সোমবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা। রবিবার সন্ধ্যায় দিঘার সমুদ্রে নেমে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হয় অভিনেতার। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে রাহুলের মরদেহের ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা ছিল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল যে, সোমবার সকাল ৮টা নাগাদ ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে প্রশাসনিক কিছু জটিলতায় সকাল ৯টার পরেও সেই প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হয়ে প্রয়াত অভিনেতার মরদেহ দিঘা থেকে কলকাতার বিজয়গড়ে তাঁর বাসভবনে নিয়ে আসার দায়িত্ব নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এদিন সকালেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যসচিব। অভিনেতার অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ তিনি লিখেছেন যে, এই ঘটনায় তিনি অত্যন্ত মর্মাহত এবং রাহুলের মতো একজন প্রিয় অভিনেতা ও ভালো মানুষের চলে যাওয়া বিশ্বাস করা কঠিন। মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত অভিনেতার পরিবার, পরিজন এবং অগণিত অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলা সিনেমা ও ধারাবাহিক জগতে রাহুলের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁর প্রয়াণ অভিনয় জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। রাহুলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরেই তাঁর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার বিজয়গড়ে রাহুলের মায়ের কাছে পৌঁছন। সেখানে কিছুক্ষণ থাকার পর তিনি ছেলে সহজের কাছে যান এবং গভীর রাতে পুনরায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ফিরে আসেন। সোমবার দুপুর থেকে বিজয়গড় এলাকায় উপচে পড়ছে ভিড়। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ময়নাতদন্তের পর সোমবার দুপুরের মধ্যেই অভিনেতার পার্থিব শরীর তাঁর বাসভবনে আনা হতে পারে। সেখানে শেষবারের মতো প্রিয় অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে সাধারণ মানুষ ও চলচ্চিত্র জগতের ব্যক্তিত্বদের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দিল্লিতে গ্যাস সিলিন্ডারের কালোবাজারি, গ্রেফতার চার
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সাম্প্রতিক উত্তেজনার আবহে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস সরবরাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে অনেকের মনে। এর মধ্যেই দিল্লিতে সিলিন্ডার কালোবাজারি চক্রের হদিস পেল পুলিশ। বুধবার সঙ্গম বিহার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮৩টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত ও রিফিলিংয়ের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। সহকারী পুলিশ কমিশনার সতেন্দ্র মোহনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ আধিকারিক মহিপাল সিংয়ের নেতৃত্বে তিনটি আলাদা জায়গায় হানা দিয়ে শের সিং, সুরজ পরিহার, রঘু রাজ সিং এবং জিতেন্দ্র শর্মাকে হাতেনাতে ধরা হয়। উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের মধ্যে ১৫৪টি ভর্তি এবং ২৯টি খালি। পাশাপাশি লোহার পাইপ, ইলেকট্রনিক ওজন মাপার যন্ত্র–সহ নানা সরঞ্জামও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ইন্ডেন গ্যাস এজেন্সির নিবন্ধিত ডেলিভারি এজেন্ট। গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করার বদলে তারা সিলিন্ডার গুদামে মজুত রাখত এবং সেখান থেকে গ্যাস বের করে অন্য সিলিন্ডারে ভরে বেশি দামে বিক্রি করত। পুলিশ জানিয়েছে, এই ধরনের বেআইনি কাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
পুরুলিয়ায় ভোটার সচেতনতায় ‘ওয়াকাথন ২০২৬’: জনমানসে ব্যাপক সাড়া
সকাল সকাল ডেস্ক শেফালী মাহাতো, পুরুলিয়াগণতন্ত্রের উৎসবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ পুরুলিয়ায় এক বিশাল ‘ওয়াকাথন’ (Walkathon 2026) অনুষ্ঠিত হলো। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং SVEEP (Systematic Voters’ Education and Electoral Participation) কর্মসূচির অধীনে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। আজ সকাল ৭টা নাগাদ পুরুলিয়া জেলা শাসক (DM) অফিসের সামনে থেকে এই পদযাত্রা শুরু হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী তরুণ-তরুণী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট এবং টুপি, যাতে ‘SVEEP Purulia’-র লোগো অঙ্কিত ছিল। পুরুলিয়ার আদিম লোকসংস্কৃতিকেও এই সচেতনতা প্রচারের অংশ করে নেওয়া হয়েছিল। পদযাত্রার অগ্রভাগে ধামসা-মাদল হাতে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে শিল্পীদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ‘ভোট দেওয়া আমাদের অধিকার ও কর্তব্য’—এই বার্তাই পৌঁছে দেওয়া হয় শহরবাসীর কাছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন ভোটারদের উৎসাহিত করা এবং ভোটের হার বৃদ্ধি করাই ছিল এই ওয়াকাথনের মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম যাতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে, সেই বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই সচেতনতা মিছিলটি। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসনের এই অভিনব প্রচার আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার কলকাতায় এলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : ভোটের আগে রাজ্যে এলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। মঙ্গলবার সকালেই তিনি কলকাতায় এসে পৌঁছন। কলকাতা পৌঁছনোর পর সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে সেই বিষয়ে জানিয়েছেন তিনি| বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন সমাজ মাধ্যমে এ দিন লেখেন, “কলকাতায় পৌঁছানোর পর আমাদের কমিটির লোকজন আর একনিষ্ঠ কর্মীদের কাছ থেকে কী দারুণ অভ্যর্থনা পেলাম। পুরো পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের একটা জোরালো হাওয়া বইছে, আর এবার বিজেপিই সরকার গড়তে চলেছে।”
জনগণ জবাব দেবে, রায়দিঘিতে বিজেপি কর্মীর “হত্যা” প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : ভোটের আগেই রহস্যজনক মৃত্যু এক বিজেপি কর্মীর। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির দিঘিরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৬ নম্বর বুথের মেনা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম কিশোর মাঝি। মেনা এলাকারই বাসিন্দা তিনি। ২১৬ নম্বর বুথের বিজেপির সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি। বিজেপির অভিযোগ, এটি খুনের ঘটনা, এর নেপথ্যে তৃণমূলের হাত রয়েছে। তাঁর “হত্যা” প্রসঙ্গে এন্টালি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল বলেন, এর জবাব ২৯ তারিখে পাবেন। ওরা (তৃণমূল) বলেছিল ‘খেলা হবে’ এবং ২ মে তা করেও দেখিয়েছিল; কিন্তু এবার খেলাটা খেলবে সাধারণ মানুষই। ৪ তারিখে জনগণই এর জবাব দেবে। আমি দেখতে চাই, ওরা তখন কোথায় পালাবে আর কোথায় লুকোবে। বিজেপি কর্মীদের মধ্যে যারা যারা নিহত হয়েছেন— ৪ তারিখে তার জবাব দিতেই হবে।