Diesel Container Rule: বড় স্বস্তি! কৃষি, হাসপাতাল ও জরুরি পরিষেবায় ডিজেল কেনায় বড় ছাড়
সকাল সকাল ডেস্ক Diesel Container Rule শিথিল করল রাজ্য সরকার। কৃষক, হাসপাতাল, চা-বাগান, কোল্ড স্টোরেজ ও জরুরি পরিষেবার জন্য কন্টেনারে ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে মিলল বিশেষ ছাড়। Diesel Container Rule: কন্টেনারে ডিজেল কেনায় বড় ছাড়, কৃষি, হাসপাতাল ও জরুরি পরিষেবার জন্য নতুন নির্দেশ কৃষিকাজ, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং জরুরি পরিষেবার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে কন্টেনার বা ব্যারেলে ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে বড় ছাড় দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নতুন Diesel Container Rule অনুযায়ী, কৃষক, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, চা-বাগান, কোল্ড স্টোরেজ, ডেয়ারি, পোলট্রি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি দফতরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের কৃষি উৎপাদন, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আর জ্বালানি সংকটের কারণে ব্যাহত হবে না। সম্প্রতি কন্টেনারে ডিজেল বিক্রির ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে সমস্যার অভিযোগ উঠেছিল। বিশেষ করে কৃষক, হাসপাতাল এবং শিল্পক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা জানান, জরুরি প্রয়োজনে পর্যাপ্ত ডিজেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। সেই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সরকার দ্রুত নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। কেন পরিবর্তন করা হল Diesel Container Rule? সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, কৃষি উৎপাদন এবং জরুরি পরিষেবা সচল রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কন্টেনারে ডিজেল সরবরাহে বিধিনিষেধের ফলে বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা এবং কৃষিকাজে অসুবিধা তৈরি হচ্ছিল। তাই জনস্বার্থের কথা মাথায় রেখেই সরকার দ্রুত হস্তক্ষেপ করেছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, খাদ্য ও সরবরাহ দফতর ইতিমধ্যেই সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। সেই নির্দেশ ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOCL), হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম (HPCL) এবং ভারত পেট্রোলিয়াম (BPCL)-এর রাজ্য কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে, যাতে রাজ্যের সমস্ত পেট্রোল পাম্পে দ্রুত তা কার্যকর করা যায়। কোন কোন ক্ষেত্রকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে? নতুন Diesel Container Rule অনুযায়ী চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, হাসপাতাল, নার্সিংহোম, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর মতো জরুরি পরিষেবাগুলি এখন প্রয়োজন অনুযায়ী কন্টেনারে ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জেনারেটর চালানো, অ্যাম্বুল্যান্স এবং অন্যান্য জরুরি যানবাহন সচল রাখতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন। দ্বিতীয়ত, কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত ক্ষেত্রকেও এই ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে। ট্র্যাক্টর, হারভেস্টার, সেচযন্ত্র, কৃষিযন্ত্র, ডেয়ারি, পোলট্রি, কোল্ড স্টোরেজ এবং বেকারি শিল্পের জন্য কন্টেনারে ডিজেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, বর্ষার মরসুমে কৃষিকাজ যাতে ব্যাহত না হয় এবং খাদ্য উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আবাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি পরিষেবাতেও মিলবে সুবিধা নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী আবাসিক কমপ্লেক্স, বড় আবাসন প্রকল্প, সরকারি দফতর এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিজেলচালিত জেনারেটর পরিচালনার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। সরকারের মতে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জল সরবরাহ, নিকাশি ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিষেবা চালু রাখতে জেনারেটরের প্রয়োজন হয়। তাই এই ক্ষেত্রগুলিকেও বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ চা শিল্পের জন্যও বড় স্বস্তি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান শিল্প চা শিল্প। নতুন Diesel Container Rule অনুযায়ী চা-বাগানের প্রসেসিং ইউনিট এবং অভ্যন্তরীণ পরিবহণ ব্যবস্থার জন্যও কন্টেনারে ডিজেল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরবঙ্গের চা শিল্পে ডিজেলের উপর নির্ভরতা অনেক বেশি। বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা পরিবহণ সমস্যার সময় উৎপাদন যাতে থমকে না যায়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ডিজেল কেনার সীমা ও নতুন সুবিধা সরকার জানিয়েছে, এই বিশেষ ক্ষেত্রগুলির জন্য দৈনিক ডিজেল কেনার সর্বোচ্চ সীমাও শিথিল করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে PESO অনুমোদিত নয় এমন কন্টেনার বা ব্যারেলেও ডিজেল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। সাধারণ গ্রাহকদের জন্য আগের নিয়মই কার্যকর থাকবে। কী কী নথি দেখাতে হবে? এই সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীকে কিছু প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, কৃষিজমির নথি অথবা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত রিকুইজিশন। এছাড়া তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে সমস্ত পাম্প অপারেটরদের নতুন নির্দেশিকা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে, যাতে কোনও গ্রাহক অযথা সমস্যার সম্মুখীন না হন। সাধারণ মানুষের উপর কী প্রভাব পড়বে? বিশেষজ্ঞদের মতে, Diesel Container Rule-এ এই পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন কৃষকরা। বর্ষাকালে সেচ, চাষাবাদ এবং কৃষিযন্ত্র চালাতে ডিজেলের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। পাশাপাশি হাসপাতালগুলিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জরুরি পরিষেবা চালু রাখা সহজ হবে। কোল্ড স্টোরেজ, ডেয়ারি, পোলট্রি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা কমবে। চা শিল্পের ক্ষেত্রেও উৎপাদন ও পরিবহণ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু কৃষি ও স্বাস্থ্য পরিষেবাই নয়, রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে। জ্বালানি সরবরাহে অযথা বাধা কমলে উৎপাদন, পরিষেবা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও স্বাভাবিকভাবে চলবে। সরকারের এই পদক্ষেপে ইতিমধ্যেই কৃষক সংগঠন, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিল্পমহলের একাংশ স্বস্তি প্রকাশ করেছে।
West Bengal Public Safety Bill: কড়া আইন! অপরাধীকে আশ্রয় দিলেও হতে পারে ২ বছরের জেল
সকাল সকাল ডেস্ক West Bengal Public Safety Bill: সমাজবিরোধী দমনে কড়া আইন, অপরাধীকে আশ্রয় দিলেও হতে পারে ২ বছরের জেল পশ্চিমবঙ্গে সংগঠিত অপরাধ, তোলাবাজি, বেআইনি জমি দখল, সিন্ডিকেট চক্র এবং অন্যান্য সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। West Bengal Public Safety Bill নামে প্রস্তাবিত নতুন আইনটি সোমবার বিধানসভায় পেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের দাবি, বিলটি আইনে পরিণত হলে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ মোকাবিলায় পুলিশ ও প্রশাসনের হাতে আরও কার্যকর আইনি ক্ষমতা থাকবে। একই সঙ্গে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। অপরাধীকে আশ্রয় দিলেও হতে পারে জেল West Bengal Public Safety Bill-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, শুধু অপরাধী নয়, তাঁকে আশ্রয় দেওয়া বা পালাতে সাহায্য করলেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনে আটকাদেশ বা নির্দিষ্ট এলাকা ত্যাগের নির্দেশ জারি থাকলে এবং সেই তথ্য জেনেও কেউ যদি তাঁকে নিজের বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন, আশ্রয় দেন বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাত থেকে পালাতে সাহায্য করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে। এই অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ‘গুন্ডা’ শব্দের আইনি সংজ্ঞা নতুন বিলে প্রথমবারের মতো ‘গুন্ডা’ শব্দটির একটি নির্দিষ্ট আইনি সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিল অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি এককভাবে অথবা কোনও গোষ্ঠী, গ্যাং বা সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে যদি নিয়মিত সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকেন, তাহলে তাঁকে এই আইনের আওতায় আনা যাবে। এছাড়াও অস্ত্র আইন, মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত আইন, বিস্ফোরক আইন, অনৈতিক পাচার প্রতিরোধ আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেও এই আইন প্রযোজ্য হতে পারে। কোন কোন অপরাধ এই আইনের আওতায়? West Bengal Public Safety Bill-এ জনশৃঙ্খলা নষ্ট করা, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি, ব্যবসায়িক কার্যকলাপে বাধা, বেআইনি জমি দখল, সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি, অবৈধ খনি, বালি ও পাথর উত্তোলন এবং বনজ সম্পদ ধ্বংসের মতো কর্মকাণ্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সরকারের মতে, সংগঠিত অপরাধের আধুনিক রূপ মোকাবিলায় এই ধরনের বিস্তৃত আইনি কাঠামো প্রয়োজন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ গ্রেফতার ও জামিনে কঠোর বিধান প্রস্তাবিত বিলে সংশ্লিষ্ট অপরাধগুলিকে কগনিজেবল এবং নন-বেলেবল হিসেবে চিহ্নিত করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে এবং জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রেও কঠোর বিধান কার্যকর হবে। এছাড়া, প্রশাসনের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা থাকলে কোনও ব্যক্তি ভবিষ্যতে সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়াতে পারেন—এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত প্রতিরোধমূলকভাবে আটক রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে এই বিল কার্যকর হলে আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে আইনের যথাযথ ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিধানসভায় আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে রাজ্যের অপরাধ দমন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে। অপব্যবহার রোধে অ্যাডভাইজরি বোর্ড আইনের অপব্যবহার ঠেকাতে একটি উচ্চপর্যায়ের অ্যাডভাইজরি বোর্ড গঠনেরও প্রস্তাব রয়েছে। হাইকোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের কাছে আটক সংক্রান্ত প্রতিটি মামলা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে। বোর্ড যদি পর্যাপ্ত কারণ না পায়, তাহলে আটকাদেশ বাতিল করার সুপারিশ করতে পারবে। প্রশাসনের হাতে আরও ক্ষমতা প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন জায়গায় তল্লাশি, ব্যক্তি ও যানবাহন পরীক্ষা এবং সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত বা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ, নথি ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাও প্রশাসনকে দেওয়া হতে পারে। সরকারের দাবি, বর্তমান আইনি কাঠামো অনেক ক্ষেত্রে সংগঠিত অপরাধ মোকাবিলায় যথেষ্ট কার্যকর নয়। তাই জননিরাপত্তা জোরদার করতেই West Bengal Public Safety Bill আনা হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্ব নতুন বিলকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের একাংশের আশঙ্কা, প্রশাসনের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হলে তার অপব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, সরকারের বক্তব্য—এই আইন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সংগঠিত অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করতেই আনা হচ্ছে। বিলটি বিধানসভায় আলোচনা ও অনুমোদনের পরই এর চূড়ান্ত রূপ স্পষ্ট হবে এবং কার্যকর হলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে। প্রস্তাবিত বিলে তোলাবাজি, জমি দখল, সিন্ডিকেট, বেআইনি খনি, বালি ও বনজ সম্পদ লুট, সম্পত্তি ভাঙচুর, ব্যবসায় বাধা-সহ জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী সব কর্মকাণ্ডকে সমাজবিরোধী অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে। অভ্যাসগত অপরাধীদের ‘গুন্ডা’ হিসেবে চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা পাবে প্রশাসন। বিরোধীদের দাবি, এটি সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনের ‘কালা কানুন’।
Ashoknagar Oil Project: সুখবর! জুলাই থেকেই তেল উত্তোলন, জ্বালানি মানচিত্রে নতুন শক্তি বাংলা
সকাল সকাল ডেস্ক Ashoknagar Oil Project-এ জুলাই থেকে বাণিজ্যিক তেল উত্তোলনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ২০২৭ সালে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য, রাজ্যের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনার আশা। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে বহু প্রতীক্ষিত Ashoknagar Oil Project অবশেষে বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি দেখাল। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ONGC আগামী জুলাই মাস থেকেই এখানে বাণিজ্যিকভাবে অপরিশোধিত তেল উত্তোলনের পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের শুরু থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি সফল হলে পশ্চিমবঙ্গ দেশের জ্বালানি উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জুলাই থেকেই শুরু হবে বাণিজ্যিক তেল উত্তোলন ONGC সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্প এলাকায় ইতিমধ্যেই পাঁচটি উৎপাদনমূলক কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে একটি কূপ থেকে আগামী জুলাই মাসেই অপরিশোধিত তেল উত্তোলন শুরু হবে। একই সঙ্গে বাকি কূপগুলিকেও দ্রুত উৎপাদনের আওতায় আনতে পাইপলাইন, সংরক্ষণাগার, পরিবহণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। Ashoknagar Oil Project-এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিপুল তেল মজুতের সম্ভাবনা প্রাথমিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক তথ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, অশোকনগরের অপরিশোধিত তেলের গুণমান দেশের অন্যতম বৃহৎ তেলক্ষেত্র বম্বে হাইয়ের তেলের সমতুল্য। প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, এলাকায় প্রায় ২৪০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের সম্ভাব্য মজুত রয়েছে। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হলে Ashoknagar Oil Project শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা দেশের জ্বালানি খাতেও বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। রাজ্যের অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে? প্রকল্পটি চালু হলে রাজ্যের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, রয়্যালটি ও কর বাবদ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোষাগারে প্রায় ৪,৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব আসতে পারে। এছাড়া উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল ভবিষ্যতে হলদিয়া শোধনাগারে পাঠিয়ে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে শিল্পোন্নয়ন, পরিবহণ ব্যবস্থা, লজিস্টিক পরিষেবা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দীর্ঘ আইনি জট কাটিয়ে গতি পেল প্রকল্প এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ একেবারেই সহজ ছিল না। স্ট্যাম্প ডিউটি, রয়্যালটি, লাইসেন্স এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কাজের গতি মন্থর ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সম্প্রতি কেন্দ্রের নতুন Petroleum and Natural Gas Act, 2025 কার্যকর হওয়ার পর একাধিক প্রশাসনিক জটিলতার সমাধান হয়েছে। ফলে Ashoknagar Oil Project-এর কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, অশোকনগরের অপরিশোধিত তেলের গুণমান দেশের অন্যতম প্রধান তেলক্ষেত্র বম্বে হাইয়ের সমতুল্য। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এখানে প্রায় ২৪০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এই তেল ভাণ্ডার থেকে সরাসরি ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রয়্যালটি ও কর বাবদ যাবে রাজ্যের কোষাগারে। এই অর্থ এবং উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল হলদিয়া শোধনাগারে পাঠানো হবে। রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, রাজ্য বিজেপি সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য সংসদে একাধিকবার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন এবং কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রকল্পের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, এই প্রকল্প শুধু পশ্চিমবঙ্গের জন্য নয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁর মতে, বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে উত্তর ২৪ পরগনায় শিল্প, পরিবহণ, সহায়ক পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “জুলাই মাসে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও জ্বালানি ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা হবে। এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগনায় শিল্প, সহায়ক পরিষেবা, পরিবহণ পরিকাঠামো ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।” সাধারণ মানুষের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ? Ashoknagar Oil Project সফল হলে পশ্চিমবঙ্গে নতুন শিল্প বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়বে। স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সহায়ক শিল্পের প্রসারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশীয় তেল উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমতে পারে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
Agnimitra Pal: অপরাধ দমনে কড়া বিল, বড় পদক্ষেপ
Agnimitra Pal জানালেন, পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ দমনে একাধিক নতুন বিল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার
Kolkata Eviction Drive: ৭ দিনের আলটিমেটাম, শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুর নীচে বেআইনি দখল উচ্ছেদে কড়া পদক্ষেপ
সকাল সকাল ডেস্ক Kolkata Eviction Drive-এর অংশ হিসেবে বিদ্যাপতি সেতু ও সুকান্ত সেতুর নীচে থাকা বেআইনি দোকান ও বাজার সরাতে ৭ দিনের নোটিস, এরপর শুরু হতে পারে বলপূর্বক উচ্ছেদ অভিযান। কলকাতায় সরকারি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ জনপরিসরকে দখলমুক্ত করতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। Kolkata Eviction Drive-এর অংশ হিসেবে শহরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উড়ালপুল—শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং যাদবপুর-সন্তোষপুর সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নীচে থাকা সমস্ত বেআইনি দোকান, বাজার ও অন্যান্য জবরদখল সরাতে সাত দিনের নোটিস জারি করা হয়েছে। পুরসভার স্পষ্ট বার্তা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় দখল না সরালে আইনি বিধান মেনে প্রশাসনের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। কেন এই পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা? শনিবার উড়ালপুল দুটির নীচে আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিস টাঙিয়ে কলকাতা পুরসভা জানায়, কলকাতা পুর কর্পোরেশন আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী বেআইনি দখল অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা নিজেরাই দোকান, অস্থায়ী কাঠামো বা অন্যান্য নির্মাণ সরিয়ে নিতে পারেন। পুরসভার মতে, বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতু শহরের অত্যন্ত ব্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে এই দুই সেতুর নীচে অসংখ্য অস্থায়ী ও স্থায়ী দোকান, বাজার এবং অন্যান্য কাঠামো গড়ে ওঠায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে পথচারীদের নিরাপত্তা এবং জনপরিসরের স্বাভাবিক ব্যবহারও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই Kolkata Eviction Drive-এর আওতায় এই এলাকাগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কোন কোন এলাকায় উচ্ছেদ হবে? সুকান্ত সেতুর নীচে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বড় বাজার বসে এবং সেখানে স্থায়ী হকার্স মার্কেটও রয়েছে। অন্যদিকে, শিয়ালদহ স্টেশনের সংলগ্ন বিদ্যাপতি সেতুর নীচেও বহু বছর ধরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দোকানপাট ও বাজার গড়ে উঠেছে। পুরসভার নির্দেশ কার্যকর হলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এই সমস্ত বেআইনি কাঠামো সরিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায় প্রশাসনের উপস্থিতিতে বলপূর্বক উচ্ছেদ অভিযান চালানো হতে পারে। শহরজুড়ে জোরদার হচ্ছে Kolkata Eviction Drive সম্প্রতি কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি দখল উচ্ছেদে পুরসভার সক্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইতিমধ্যেই তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ একাধিক এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এর পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ এবং দমদম স্টেশন সংলগ্ন এলাকাতেও বেআইনি দোকান ও দখল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সরকারি জমি, রাস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ জনপরিসর সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখতেই এই ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ঢাকুরিয়া-যাদবপুর এলাকাতেও উচ্ছেদের নোটিস শুধু উড়ালপুলের নীচেই নয়, ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বিস্তীর্ণ বস্তি এলাকাতেও ইতিমধ্যেই উচ্ছেদের নোটিস পৌঁছে গিয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, রেললাইনের ধারে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে। সেখানে কাঁচা ঘরের পাশাপাশি বহু পাকা বাড়িও তৈরি হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ? পুরসভার এই পদক্ষেপে একদিকে যেমন যানজট কমানো, পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে, অন্যদিকে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দার ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যাঁরা নোটিস পেয়েছেন, তাঁদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে আইন অনুযায়ী বলপূর্বক উচ্ছেদ অভিযান শুরু হতে পারে। নোটিসে এও উল্লেখ করা হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভার হল সুকান্ত সেতু। সুলেখা ক্রসিং থেকে শুরু হয়ে গোপালনগর পর্যন্ত এই সেতুটি। এই সেতুর নিচের সন্ধেয় বাজার বসে। রয়েছে হকার্স মার্কেটও। অন্যদিকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভারগুলির মধ্যে একটি হল শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু। শিয়ালদহ স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেতুর নিচে ঝাঁকে ঝাঁকে দোকান রয়েছে। এমনকী রয়েছে বিরাট বাজারও। এক সপ্তাহের মধ্যে ফ্লাইওভারের নিচের দোকানগুলি খালি করার নির্দেশ দিল পুরসভা। সুকান্ত সেতুর নিচেও বেআইনি নির্মাণ সরাতেও নোটিস দিয়েছে পুরসভা। অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন লাগোয়া বস্তি এলাকাও খালি করতে পুরসভার নোটিস পড়েছে। স্টেশনের ধারে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে জায়গা জবরদখল করে বহু মানুষের বসবাস। জানা গিয়েছে, ওই বস্তি এলাকায় প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার বাসিন্দা থাকেন। কিন্তু পুরোটাই বেআইনিভাবে দখল করা গজিয়ে ওঠা। শুধু ঝুপড়ি নয়, একাধিক ছোট ছোট দোতলাও নির্মাণ হয়ে গিয়েছে দখলি জমিতে। এবার সেই জায়গা খালি করতেও ডেডলাইন দিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুরসভা।
Taratala Collapse Case: ফিরহাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
সকাল সকাল ডেস্ক। তারাতলা বিপর্যয়ে ১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, আনোয়ার খান ও সামস ইকবালের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি জোরালো হচ্ছে। কলকাতার বহুল আলোচিত Taratala Collapse Case-এ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি চাপের মুখে পড়লেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউন ভেঙে ১৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার সরাসরি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের (বিজেএমসি) দক্ষিণ কলকাতা শাখা। এই Taratala Collapse Case ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগে কারা রয়েছেন? বিজেএমসি-র পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগপত্রে শুধু ফিরহাদ হাকিম নন, কলকাতা পুরসভার ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার আনোয়ার খান এবং ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সামস ইকবালের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গোডাউন ধসের ঘটনা কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং এর পিছনে রয়েছে গুরুতর গাফিলতি এবং সম্ভাব্য অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র। সংগঠনের দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি এমবি মহেশ অভিযোগ করেছেন যে কলকাতা পোর্ট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি নির্মাণ এবং নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে একটি সিন্ডিকেট চক্র কাজ করেছে। তাঁর দাবি, এই চক্রের মূল প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। Taratala Collapse Case-এ এফআইআর দায়েরের দাবি লিখিত অভিযোগে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এই অভিযোগপত্রকে এফআইআর হিসেবে গণ্য করে দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্ত শুরু করতে হবে। অভিযোগকারীদের মতে, ১৭ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। এই Taratala Collapse Case-এ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বহু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, যদি নির্মাণে ত্রুটি থেকেই থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে অনুমোদন দিয়েছিল এবং কেন সময়মতো ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করা হয়নি। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক দাবি ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় যখন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিষয়টি নিয়ে সরব হন। তিনি দাবি করেন, তারাতলার যে নির্মাণ প্রকল্পটি পরে বিপর্যয়ের কারণ হয়েছে, তার অনুমোদিত নকশায় তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপন করে বলেন, অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম ছিল এবং সেই কারণেই নির্মাণের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই বক্তব্যের পর থেকেই Taratala Collapse Case নতুন মোড় নেয়। ওএসডি গ্রেফতারির পর বাড়ছে চাপ ঘটনার তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে প্রাক্তন মেয়রের ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির মাধ্যমে। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করার পর তদন্তকারীরা অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কালীচরণের গ্রেফতারির পর তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে। ফলে Taratala Collapse Case-এ আরও নতুন তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরকারের অবস্থান বর্তমান পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত অন্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, আইনের চোখে সবাই সমান এবং এই ঘটনায় কেউ দায়ী প্রমাণিত হলে তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারের এই অবস্থান তদন্তকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর দাবি, কোনো নির্মাণ প্রকল্পের নকশায় চূড়ান্ত কারিগরি অনুমোদন দেওয়ার দায়িত্ব মেয়রের নয়। সেই দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত বিভাগের ওপর বর্তায়। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর নাম জড়ানো হচ্ছে। তদন্তে সত্য সামনে এলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তারাতলা গোডাউন ধসের ঘটনায় নিহতদের পরিবার এখনও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং বিভিন্ন নথি ও অনুমোদন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করতে নির্মাণ সংক্রান্ত নিয়মকানুন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে Taratala Collapse Case-এর তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে এই বহুচর্চিত মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশ।
পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬: বড় বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরে শিল্প সম্মেলন, জোর বাস্তব প্রকল্পে
সকাল সকাল ডেস্ক পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬-এ শুধুমাত্র বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি নয়, এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপর জোর দিচ্ছে সরকার। রাজ্যে শিল্পায়নের গতি বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাকে সামনে রেখে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে নতুন সরকার। সেই লক্ষ্যেই আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, দুর্গাপুজোর আগেই আয়োজিত এই শিল্প সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে অতীতের শিল্প সম্মেলনগুলির তুলনায় এবার কৌশল ও লক্ষ্য অনেকটাই আলাদা হতে চলেছে। সরকারের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬ শুধুমাত্র বড় অঙ্কের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি সংগ্রহের অনুষ্ঠান হবে না। বরং এমন প্রকল্পগুলিকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে, যেগুলি দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগোতে পারে এবং আগামী এক বছরের মধ্যেই যার বাস্তব ফল রাজ্যের মানুষ দেখতে পাবেন। বাস্তব বিনিয়োগে জোর, কাগুজে প্রতিশ্রুতিতে নয় গত কয়েক বছরে বিভিন্ন শিল্প সম্মেলনে হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঘোষণার কথা শোনা গেলেও তার অনেকটাই বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার বাস্তবভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬-এ অংশগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যেই দেশি ও বিদেশি একাধিক শিল্পগোষ্ঠী আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শিল্প দফতর এবং শিল্পোন্নয়ন নিগমের কাছে জমা পড়েছে বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রস্তাব। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা সেই প্রস্তাবগুলির আর্থিক সক্ষমতা, জমির প্রয়োজন, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এবং বাস্তবায়নের সময়সীমা খতিয়ে দেখছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুধুমাত্র বাস্তবসম্মত এবং দ্রুত কার্যকর করা সম্ভব এমন প্রকল্পগুলিকেই সেপ্টেম্বরের সম্মেলনে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ নতুন প্রণোদনা প্রকল্পে শিল্পমহলের আশা শিল্পে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে একাধিক আর্থিক প্রণোদনা প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে এই খাতে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনের মতে, এই আর্থিক সহায়তা বিশেষত শ্রমনির্ভর মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলিকে দ্রুত উৎপাদন শুরু করতে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সময়ে আটকে থাকা প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার শিল্প ভর্তুকি প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। শিল্পমহলের একাংশ মনে করছে, যদি এই ভর্তুকি প্রকল্পগুলি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে রাজ্যে নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একক-জানালা পরিষেবায় দ্রুত অনুমোদনের প্রতিশ্রুতি পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬-এর আগে শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বেশ কিছু নীতিগত সংস্কারের কথাও ঘোষণা করেছে সরকার। ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চালু করা হচ্ছে একক-জানালা অনুমোদন ব্যবস্থা। এর ফলে শিল্পপতিদের বিভিন্ন সরকারি দফতরে আলাদা আলাদা অনুমোদনের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে না। নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদন, বাণিজ্যিক লাইসেন্স, পরিবেশগত ছাড়পত্রসহ একাধিক প্রশাসনিক অনুমোদন একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকারের আশা, এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় অনেকটাই কমে আসবে। শিল্প করিডর ও জমি নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শিল্প করিডরভিত্তিক গুচ্ছ শিল্পাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। নতুন বিনিয়োগ প্রণোদনা কাঠামোর মাধ্যমে শিল্প সংস্থাগুলিকে অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী শিল্পের জন্য নতুন ভূমি ভাণ্ডার গঠন, বন্ধ কারখানার অব্যবহৃত জমির পুনর্ব্যবহার এবং দ্রুত জমি বরাদ্দ প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিল্পমহলের মতে, জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হলে বহু নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সহজ হবে। https://www.sokalsokal.com/তারাতলা গোডাউন ধস: ভয়ংকর দুর্ঘটনায় ১৭ মৃত্যু, বিধ্বস্ত বহু পরিবারের ভবিষ্যৎ তথ্যপ্রযুক্তি ও নবউদ্ভাবন খাতে বিশেষ গুরুত্ব পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬-এ তথ্যপ্রযুক্তি এবং নবউদ্ভাবন খাতকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন নবীন উদ্যোগ নীতি, মেধা আকর্ষণ তহবিল, বৈশ্বিক সক্ষমতা কেন্দ্র নীতি এবং কলকাতা শেয়ার বাজার পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ ইতিমধ্যেই আলোচনায় এসেছে। সরকারের বিশ্বাস, এই পদক্ষেপগুলি রাজ্যে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। সরকারি বক্তব্য ও সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্ব প্রশাসনের দাবি, শিল্পায়নের মাধ্যমে রাজ্যে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং বেকারত্ব কমানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। শিল্পমহলের আস্থা ফিরিয়ে এনে বাস্তব বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই পশ্চিমবঙ্গ শিল্প সম্মেলন ২০২৬ সফল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্যও এই সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নতুন শিল্প প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও আরও গতিশীল হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সেপ্টেম্বরের এই শিল্প সম্মেলন শুধু একটি প্রশাসনিক অনুষ্ঠান নয়, বরং নতুন সরকারের শিল্পনীতি ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রথম বড় পরীক্ষা। বাস্তব বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই এখন নজর শিল্পমহল ও সাধারণ মানুষের।
তারাতলা গোডাউন ধস: ভয়ংকর দুর্ঘটনায় ১৭ মৃত্যু, বিধ্বস্ত বহু পরিবারের ভবিষ্যৎ
সকাল সকাল ডেস্ক তারাতলা গোডাউন ধসে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে শুধু শ্রমিক নয়, বহু পরিবারের ভবিষ্যৎ ও স্বপ্নও। কলকাতার তারাতলায় ঘটে যাওয়া তারাতলা গোডাউন ধস এখন শুধু একটি নির্মাণ দুর্ঘটনা নয়, বরং এক গভীর মানবিক বিপর্যয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে। দুর্ঘটনার কয়েক দিন পরেও হাসপাতাল, মর্গ এবং দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে চলছে স্বজনদের কান্না আর অপেক্ষা। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ যত এগিয়েছে, ততই সামনে এসেছে মৃত্যুর মর্মান্তিক ছবি। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তারাতলা গোডাউন ধসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৭ জন। দুর্ঘটনার ফলে বহু পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়েছে। ফলে শোকের পাশাপাশি ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তাও গ্রাস করেছে অসংখ্য পরিবারকে। তারাতলা গোডাউন ধস: কীভাবে ঘটল এই বিপর্যয় বুধবার দুপুরে তারাতলার একটি নির্মাণাধীন গোডাউন এলাকায় আচমকা ভেঙে পড়ে বিশাল কংক্রিটের কাঠামো। মুহূর্তের মধ্যে বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে দমকল, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ উদ্ধার অভিযান রাতভর চললেও ধ্বংসস্তূপের বিশাল আকারের কারণে কাজ ছিল অত্যন্ত কঠিন। একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় উদ্বেগ আরও বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় অন্তত ১৭-তে। একই পরিবারের তিন ভাইয়ের মৃত্যু তারাতলা গোডাউন ধসের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে বিহারের মুঙ্গের জেলার একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি। জীবিকার সন্ধানে একই পরিবারের ছয় সদস্য কলকাতায় এসে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ঘি কুমারের। পরে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাই মন্নু কুমারকে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। অন্য ভাই শিরচাঁদ কুমারের দেহ দীর্ঘ সময় পরে উদ্ধার হয়। দেহ এতটাই বিকৃত হয়ে গিয়েছিল যে পরিবারের সদস্যদের পক্ষে তাঁকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত পকেটে থাকা মোবাইল ফোনের সূত্রে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। একই পরিবারের তিন ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে গোটা গ্রাম। শেষ ফোনালাপই হয়ে রইল শেষ স্মৃতি এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন শ্রমিক নবীন সিংও। বুধবার সকালে স্ত্রী নেহা দেবীর সঙ্গে তাঁর শেষবার কথা হয়। কাজের ফাঁকে তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন, “এখন মেশিন চালাচ্ছি, পরে কথা বলব।” কিন্তু সেই ‘পরে’ আর আসেনি। দুর্ঘটনার খবর টেলিভিশনে দেখে উদ্বেগে পড়ে যান নেহা। একাধিকবার ফোন করেও কোনও উত্তর না পেয়ে তিনি ছেলে নিয়ে কলকাতায় ছুটে আসেন। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর হাসপাতালের মর্গে একটি বিচ্ছিন্ন হাতে উল্কি করা ‘নবীন সিং’ নাম দেখে স্বামীকে শনাক্ত করেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের দাবি, নবীনই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যুতে স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক কন্যার ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। প্রথমবার কলকাতা এসে প্রাণ হারাল ১৭ বছরের সাহিল তারাতলা গোডাউন ধসের আরেকটি মর্মান্তিক অধ্যায় ১৭ বছরের সাহিল সরদারকে ঘিরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর বাসিন্দা সাহিল প্রথমবার কলকাতা দেখতে এসেছিল। কাকার সঙ্গে শহরে এসে আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা ছিল তার। মহানগরীকে কাছ থেকে দেখার স্বপ্ন, নতুন অভিজ্ঞতার আনন্দ—সবকিছু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল সাহিল। কংক্রিটের বিশাল অংশ ভেঙে পড়তেই মুহূর্তের মধ্যে চাপা পড়ে যায় তার কচি প্রাণ। পরিবারের সদস্যরা এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে কয়েক ঘণ্টা আগেও হাসিখুশি থাকা ছেলেটি আর ফিরে আসবে না। প্রশাসনের পদক্ষেপ ও সরকারি বক্তব্য দুর্ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। পুলিশ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারের কাজ চালানো হয়। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণ সংক্রান্ত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে সহায়তা করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ হলেও তদন্ত চলবে। একই সঙ্গে নির্মাণস্থলগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর আরও জোর দেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। তারাতলা গোডাউন ধস আবারও মনে করিয়ে দিল, নির্মাণক্ষেত্রে নিরাপত্তার সামান্য ত্রুটিও কত বড় মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। ধ্বংসস্তূপ একদিন সরিয়ে ফেলা সম্ভব হলেও স্বজন হারানোর যে ক্ষত তৈরি হয়েছে, তা কোনওদিনই মুছে যাবে না।
ধাক্কা সরকারি কর্মীদের! ছুটির দিনেও অফিসে আসার নির্দেশ নবান্নের
সকাল সকাল ডেস্ক Nabanna New Rule অনুযায়ী জরুরি প্রশাসনিক কাজ সচল রাখতে শনিবার, রবিবার ও সরকারি ছুটির দিনেও রস্টারভিত্তিক ডিউটির প্রস্তুতি। রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকে আরও দ্রুত, কার্যকর এবং নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল নবান্ন। নতুন Nabanna New Rule অনুযায়ী, শুধু শীর্ষ আমলারাই নয়, প্রয়োজনে বিভিন্ন সরকারি বিভাগের কর্মীদেরও শনিবার, রবিবার এবং অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে অফিসে উপস্থিত থাকতে হতে পারে। প্রশাসনের দাবি, জরুরি সরকারি কাজ যাতে কোনও অবস্থাতেই থমকে না যায়, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জারি হওয়া সরকারি নির্দেশিকা ঘিরে ইতিমধ্যেই সরকারি মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে কর্মীদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে Nabanna New Rule এখন রাজ্যের প্রশাসনিক পরিসরে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। কেন আনা হল Nabanna New Rule? প্রশাসনিক সূত্রের মতে, বহু গুরুত্বপূর্ণ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি ছুটির দিনেও অফিসে এসে বিভিন্ন জরুরি কাজ পরিচালনা করেন। তবে সেই সময় সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মীরা উপস্থিত না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন বা প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতি কাটাতেই কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। Nabanna New Rule-এর মূল উদ্দেশ্য হল প্রশাসনিক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা। রস্টারভিত্তিক উপস্থিতির নির্দেশ সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে প্রতিটি শাখাকে ছুটির দিনগুলিতে ন্যূনতম সংখ্যক কর্মী উপস্থিত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য বিভাগভিত্তিক রস্টার বা ডিউটি তালিকা তৈরি করা হবে। এই তালিকা অনুযায়ী কর্মীরা পালাক্রমে ছুটির দিনেও অফিসে এসে কাজ করবেন। ফলে কোনও কর্মীকে নিয়মিতভাবে সব ছুটির দিনে অফিসে আসতে হবে না। বরং নির্দিষ্ট দায়িত্ব অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশাসনের মতে, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে জরুরি সরকারি প্রকল্প, নীতিনির্ধারণ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সময় নষ্ট কম হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কোন পরিস্থিতিতে কর্মীদের প্রয়োজন হবে? নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন, সরকারি পর্যালোচনা বৈঠক, দুর্যোগ মোকাবিলা কিংবা বিশেষ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জন্য সপ্তাহান্তে কাজ করতে হয়। সে সময় বিভিন্ন শাখার নথি, তথ্য, ফাইল বা অন্যান্য প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মীরা উপস্থিত না থাকলে কাজের গতি ব্যাহত হয়। Nabanna New Rule সেই সমস্যার সমাধান করতেই চালু করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের দাবি। Background: কার অনুমোদনে জারি হল নির্দেশিকা? সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের অনুমোদনের পর বিশেষ সচিব এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমানে এই ব্যবস্থা মূলত নবান্ন এবং বিভিন্ন দফতরে চালু হলেও ভবিষ্যতে তা জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তরেও সম্প্রসারিত হতে পারে। কারণ কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের অধীনেই জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকদের কার্যালয় পরিচালিত হয়। ফলে আগামী দিনে সেখানেও একই ধরনের রস্টার ব্যবস্থা চালু হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। Official Statement: প্রশাসনের ব্যাখ্যা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং দ্রুত পরিষেবা প্রদানের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের মতে, বর্তমান সময়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাজ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। তাই ছুটির দিনেও প্রয়োজনে ন্যূনতম প্রশাসনিক সহায়তা বজায় রাখা জরুরি। যদিও কর্মীদের অতিরিক্ত সুবিধা, ক্ষতিপূরণ বা অন্যান্য বিষয় নিয়ে এখনও বিস্তারিত কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। Impact: কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। অনেকের মতে, প্রশাসনিক পরিষেবা সচল রাখতে প্রয়োজনে ছুটির দিনেও কাজ করা বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। তবে অন্য একটি অংশের কর্মীদের আশঙ্কা, Nabanna New Rule দীর্ঘমেয়াদে কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে পরিবার এবং ব্যক্তিগত সময়ের উপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক রস্টার ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব। Public Information: ছুটির ঘোষণার মধ্যেই নতুন নির্দেশ উল্লেখযোগ্যভাবে, ছুটির দিনে কাজের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই অর্থ দফতর সম্প্রতি কয়েকটি সরকারি ছুটির ঘোষণাও করেছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পূর্ণদিবস ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ জুলাই ড. বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে অর্ধদিবস ছুটিও অনুমোদিত হয়েছে। ফলে একদিকে বাড়তি ছুটির ঘোষণা এবং অন্যদিকে জরুরি প্রয়োজনে ছুটির দিনেও অফিসে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা—এই দুইয়ের মধ্যে নতুন প্রশাসনিক কর্মসংস্কৃতি নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে Nabanna New Rule রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং কর্মীদের উপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
তারাতলা কারখানা দুর্ঘটনা: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সিট গঠন, পাঁচজন গ্রেফতার
কলকাতা : তারাতলার একটি কারখানার ছাদ ধসে পড়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরে। ঘটনার পরপরই তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে লালবাজারের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ, সম্ভাব্য গাফিলতি এবং দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে বিশেষ তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে অনিচ্ছাকৃত খুন, খুনের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।