প্রথমবার ট্রেকিংয়ে যাচ্ছেন? নিরাপদ ও আরামদায়ক সফরের জন্য জেনে নিন জরুরি প্রস্তুতি
সকাল সকাল ডেস্ক ট্রেকিংয়ের আগে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং নিরাপত্তার নিয়ম মেনে চললেই প্রথম অভিযান হবে আরও নিরাপদ ও স্মরণীয় প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে ট্রেকিং এখন অন্যতম জনপ্রিয় অভিযান। পাহাড়ি পথ, সবুজ বন, ঝরনা এবং মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে দীর্ঘ পথ হাঁটার অভিজ্ঞতা একদিকে যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনই শরীর ও মনকে নতুনভাবে সতেজ করে। তবে প্রথমবার ট্রেকিংয়ে যাওয়ার আগে শুধুমাত্র উৎসাহ থাকলেই চলবে না, প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে থেকেই শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সঙ্গে রাখলে ট্রেকিং অনেক বেশি নিরাপদ, আরামদায়ক ও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। ট্রেকিংয়ের আগে শরীরকে প্রস্তুত করুন প্রথমবার ট্রেকিংয়ের পরিকল্পনা করলে অন্তত এক মাস আগে থেকে শরীরচর্চা শুরু করা উচিত। প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা, হালকা দৌড়, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে শরীর দীর্ঘ সময় হাঁটার জন্য প্রস্তুত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রেকিংয়ের সময় সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে পায়ের পেশি, হাঁটু এবং ফুসফুসের ওপর। তাই আগে থেকেই শরীরকে প্রস্তুত করা জরুরি। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মানসিক প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রেকিং শুধু শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা নয়, এটি মানসিক ধৈর্যেরও পরীক্ষা। পাহাড়ে আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তন, দীর্ঘ পথ হাঁটা, ক্লান্তি কিংবা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে। এসব বিষয় আগে থেকেই মাথায় রেখে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করলে যেকোনো পরিস্থিতি শান্তভাবে মোকাবিলা করা সহজ হয়। ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে অভিযানে অংশ নিলে পুরো ভ্রমণ আরও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। ব্যাগে যে জিনিসগুলি অবশ্যই রাখবেন ট্রেকিংয়ে বের হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি তালিকা তৈরি করে ব্যাগ গুছিয়ে নিন। অবশ্যই সঙ্গে রাখুন— ব্যাগ এমনভাবে গুছিয়ে রাখুন যাতে প্রয়োজনের সময় সহজেই প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সঙ্গে রাখুন পুষ্টিকর খাবার ট্রেকিংয়ের সময় শরীরের শক্তি দ্রুত খরচ হয়। তাই এমন খাবার সঙ্গে রাখুন, যা দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে। শুকনো ফল, বাদাম, কিশমিশ, কলা, আপেল এবং শস্যজাত শক্তিবর্ধক খাবার ভালো বিকল্প হতে পারে। অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা ভারী খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে শরীর ভারী লাগে এবং হাঁটতে অসুবিধা হতে পারে। যেসব ভুল একেবারেই করবেন না প্রথমবার ট্রেকিং করতে গিয়ে অনেকেই নিজের সামর্থ্যের চেয়ে বেশি পথ অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। এটি বিপজ্জনক হতে পারে। শরীর ক্লান্ত লাগলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিশ্রাম নিন এবং অতিরিক্ত চাপ নেবেন না। পানি কম পান করা, প্রয়োজনের চেয়ে ভারী ব্যাগ বহন করা বা অনুপযুক্ত জুতো ব্যবহার করাও বড় ভুল। এসব কারণে দুর্ঘটনা বা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বও আপনার ট্রেকিং মানেই প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখা ও উপভোগ করা। তাই পাহাড়, বন বা জলাশয়ের আশপাশে প্লাস্টিক, খাবারের মোড়ক বা অন্য কোনো বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করবেন না। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলুন এবং প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করুন। পরিবেশ রক্ষা করা প্রতিটি ভ্রমণকারীর নৈতিক দায়িত্ব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পটভূমি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণদের মধ্যে ট্রেকিংয়ের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পাহাড়ি অভিযানের ছবি ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার প্রবণতার কারণে অনেকেই প্রথমবার ট্রেকিংয়ে আগ্রহী হচ্ছেন। তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাবে অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটছে। তাই বিশেষজ্ঞরা সচেতন পরিকল্পনার ওপর জোর দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ট্রেকিংয়ে যাওয়ার আগে অবশ্যই আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নিন। সম্ভব হলে অভিজ্ঞ পথপ্রদর্শকের সঙ্গে যান এবং একা না গিয়ে দলবদ্ধভাবে অভিযানে অংশ নিন। নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী পথ নির্বাচন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রথমবার ট্রেকিংয়ে গেলে নিরাপত্তাকে সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, সঠিক সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং সচেতন আচরণ আপনার অভিযানকে নিরাপদ ও আনন্দময় করে তুলবে। মনে রাখবেন, সফল ট্রেকিংয়ের সবচেয়ে বড় শর্ত হলো ধৈর্য, পরিকল্পনা এবং প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাব।
রেলের নতুন কড়া আইন : টিকিট ছাড়া যাত্রা থেকে ধূমপান, বাড়ল জরিমানা
সকাল সকাল ডেস্ক নিউ দিল্লী রেলযাত্রাকে আরও নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও যাত্রীবান্ধব করতে ‘জন বিশ্বাস (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর আওতায় রেলওয়ে আইন, ১৯৮৯-এ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ভারতীয় রেল। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর রেল মন্ত্রক সংশোধিত জরিমানা ও নতুন নিয়ম কার্যকর করেছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, টিকিট ছাড়া বা অবৈধ টিকিটে ভ্রমণ করলে ন্যূনতম ৫০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। অন্যের নামে ইস্যু করা টিকিট ব্যবহার করলেও টিকিট বাজেয়াপ্ত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ৫০০ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। স্টেশন বা ট্রেনে অনুমোদনহীন হকারি ও ভিক্ষাবৃত্তির জন্য ২ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, থুতু ফেলা বা অশালীন আচরণের জন্য ১ হাজার টাকা জরিমানা হবে। একই অপরাধ বারবার করলে জরিমানা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারে। যাত্রী এলাকায় অনধিকার প্রবেশের জন্য ৫০০ টাকা এবং রেল প্রাঙ্গণ বা ট্রেনে ধূমপানের জন্য ২ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। মহিলা কোচ বা সংরক্ষিত আসনে অনধিকার প্রবেশকারী পুরুষ যাত্রীকে ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। সবচেয়ে কঠোর শাস্তি রাখা হয়েছে আপত্তিকর বা বিপজ্জনক সামগ্রী বহনের ক্ষেত্রে, যেখানে ন্যূনতম জরিমানা ১০ হাজার টাকা। রেল মন্ত্রকের মতে, এই সংশোধিত আইন যাত্রীদের মধ্যে নিয়ম মেনে চলার প্রবণতা বাড়াবে এবং ট্রেন ও স্টেশনের পরিবেশকে আরও নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন করে তুলবে।
জম্মু ও কাশ্মীরে পাহাড়ে তুষারপাত, শীতের আমেজ শ্রীনগরে
সকাল সকাল ডেস্ক। শ্রীনগর জম্মু ও কাশ্মীরে সোমবারই এই মরশুমের প্রথম তুষারপাত হয়েছে, যার ফলে উপত্যকাজুড়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেছে। সোমবারের পর মঙ্গলবার তুষারপাত হয়েছে ভূস্বর্গে। এর ফলে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেছে, শ্রীনগরে দিনের তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। জম্মু বিভাগে বানিহালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে জম্মুতে ২১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পীর কি গালি, রাজদান টপ, সাধনা পাস, সিন্থন টপ, ডাকসুম, কংদোরি গুলমার্গ, মিনিমার্গ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্যান্য অংশে নতুন করে তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শ্রীনগর-সহ সমতল অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া দফতর হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে, কৃষকদের সমস্ত কৃষিকাজ স্থগিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পুজোর আবহে কলকাতা মেট্রোয় চালু হল বর্ধিত পরিষেবা
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা মাঝে মাঝে যান্ত্রিক গণ্ডগোল বা কোনও কারণে মেট্রো পরিষেবার বিপত্তিতে যাত্রীদের মধ্যে ছিল ক্ষোভ। তাদের জন্য সুখবর। ব্যস্ত সময়ে ৮ মিনিটের বদলে ৬ মিনিট অন্তর চলতে শুরু করল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। বাড়ানো হয়েছে ট্রিপের সংখ্যাও। আপাতত সোম থেকে শনিবার প্রতিদিন ১৮৬টির বদলে ২২৬ ট্রিপ মেট্রো চলবে। শনিবার থেকেই এই বর্ধিত পরিষেবা চালু হল। প্রথম এবং শেষ মেট্রোর সময়সূচিতে অবশ্য কোনও বদল হচ্ছে না। পাশাপাশি আগামীকাল রবিবার মহালয়া উপলক্ষে খুব ভোরেই চালু হয়ে যাবে মেট্রো। বাড়ানো হচ্ছে মেট্রোর সংখ্যাও। সাধারণ রবিবার ১০৪টি পরিষেবা থাকে এই লাইনে। তার বদলে আগামীকাল মোট ১৩৬টি পরিষেবা চালানো হবে। হাওড়া ময়দান স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো পরিষেবা সকাল ৭টায় পাওয়া যাবে, যা সাধারণত সকাল ৯টায় শুরু হয়। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো পরিষেবা সকাল ৭টায় পাওয়া যাবে।
জম্মু-কাটরা রেলপথে ৬৮টি ট্রেন বাতিল, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে বন্দে ভারত চালু
সকাল সকাল ডেস্ক।নয়াদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর : উত্তর রেল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জম্মু ও কাটরা স্টেশন থেকে ৬৮টি আগত ও বহির্গামী ট্রেন বাতিল ঘোষণা করেছে। এছাড়াও ২৪টি ট্রেন পুনরায় চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাত এবং হড়পা বানে পাঠানকোট-জম্মু সেকশনের একাধিক স্থানে ক্ষয়ক্ষতি ও ফাটলের কারণে গত আট দিন ধরে জম্মু রেল বিভাগে রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। ২৬ আগস্ট থেকে জম্মু অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে অসংখ্য মানুষ, বিশেষ করে তীর্থযাত্রীরা আটকে পড়েছিলেন, যার ফলে রেল ও সড়ক পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। জম্মু অঞ্চলে ১৯১০ সালের পর থেকে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, এ পর্যন্ত ৩৮০ মিলিমিটার। আটকে পড়া যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে জম্মু তাওয়াই-শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা শাটল পরিষেবা, জম্মু তাওয়াই-কলকাতা এবং শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা-নয়াদিল্লি ট্রেন চালানো হচ্ছে। জম্মু-কাটরা সেকশনে ১ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারটি ট্রেন চালু করা হয়েছে। সম্পর্ক ক্রান্তি এবং শিয়ালদহ এক্সপ্রেস ট্রেন, কান্ত্রি এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত, ত্রিবান্দ্রম এক্সপ্রেস এবং শাটল পরিষেবা পুনরায় চালু করেছে রেল। জম্মু ও কাটরার মধ্যে স্থানীয় এবং আটকে পড়া যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে দুই জোড়া ট্রেন চালু করে শাটল পরিষেবা শুরু করা হয়েছে। জম্মু-কলকাতা এবং বৈষ্ণোদেবী-নয়াদিল্লি ট্রেনও চালু রয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর থেকে বন্দে ভারত ট্রেন পুনরায় চালু হবে।
সেবকের কাছে বড়সড় ধস, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক স্তব্ধ
সকাল সকাল ডেস্ক। শিলিগুড়ি, ৩০ আগস্ট : সিকিম-বাংলা সংযোগকারী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে আবারও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে কালিঝোরা ও সেবকের মাঝামাঝি এলাকায় বড়সড় ধস নামে। ধসের কারণে জাতীয় সড়কে সম্পূর্ণভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, রাস্তায় পড়ে থাকা বড় পাথর সরিয়ে এবং ধস মেরামত করতে কিছুটা সময় লাগবে। এই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় কালিম্পং জেলা প্রশাসন বিকল্প রাস্তা হিসাবে লাভা এবং গরুবাথান হয়ে সিকিম যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর রাতে সেবক করোনেশন সেতু থেকে কালিঝোরা যাওয়ার পথে উপরের পাহাড় থেকে একটি বিশাল বোল্ডার নেমে আসে। এটি দিনের বেলা ঘটত হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা ছিল। প্রশাসনের অনুমান, গত কয়েকদিন পাহাড়ে প্রবল বর্ষণের কারণে এই ধসের ঘটনা ঘটেছে। পূর্বের কয়েকদিনে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় ধসের ঘটনা ঘটেছে এবং রাস্তার বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা গেছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ধস মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার চেষ্টা করছে।
কাঠুয়া–মাধোপুর লাইনে ট্র্যাক বিপর্যয়, জম্মু ডিভিশনে একাধিক ট্রেন বাতিল
সকাল সকাল ডেস্ক। জম্মু, ৩০ আগস্ট : কাঠুয়া–মাধোপুর ডাউন লাইনের ব্রিজ নম্বর ১৭-এ ট্র্যাকের মিসঅ্যালাইনমেন্টের কারণে রেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জম্মু ডিভিশন থেকে ছাড়ার ও আসার একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে, কিছু ট্রেন স্বল্পপথে শেষ করা হয়েছে অথবা স্বল্পপথ থেকে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার (৩১ আগস্ট) জম্মু তাওয়াই ও মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা স্টেশন থেকে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এতে রয়েছে জেলম এক্সপ্রেস (জম্মু–পুণে), হিমগিরি এক্সপ্রেস (জম্মু–হাওড়া), অর্চনা এক্সপ্রেস (জম্মু–পাটনা), জম্মু–আজমের এক্সপ্রেস, জম্মু–নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, উত্তর সমপর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস, শ্রীশক্তি এক্সপ্রেস এবং দু’টি বন্দে ভারত ট্রেন। এছাড়া কাটরা থেকে চলা মালবা এক্সপ্রেস, জামনগর এক্সপ্রেস, কোটা এক্সপ্রেস, জম্মু মেল এবং উদমপুর থেকে ছাড়ার দিল্লি এসি এক্সপ্রেসসহ একাধিক স্থানীয় ডিএমইউ পরিষেবা প্রভাবিত হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ট্র্যাকের মেরামতির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হবে। যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে, যাত্রা করার আগে তাদের ট্রেনের বর্তমান অবস্থা নিশ্চিতভাবে যাচাই করার জন্য।
উৎসব মরশুমে পাঁচ জোড়া স্পেশাল ট্রেন চালাবে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে
চারলাপল্লি এবং নাহরলগুনের মধ্যে অব্যাহত স্পেশাল ট্রেন চলাচল সকাল সকাল ডেস্ক। গুয়াহাটি, ২৯ আগস্ট: যাত্রীদের অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে আসন্ন উৎসব মরশুমে পাঁচ জোড়া উৎসব বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উৎসব বিশেষ ট্রেনগুলি যথাক্ৰমে ট্রেন নম্বর ০৬৫৫৯/০৬৫৬০ এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-নারেঙ্গি-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু ২ সেপ্টেম্বর ২৯ নভেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ১৩টি ট্রিপের জন্য চলবে; ট্রেন নম্বর ০৫৭৪৪/০৫৭৪৩ কাটিহার-সোনপুর-কাটিহার ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ২৫টি ট্রিপের জন্য চলবে; ট্রেন নম্বর ০৭৫৪১/০৭৫৪২ কাটিহার-দৌরাম মাধেপুরা-কাটিহার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ৪৬টি ট্রিপের জন্য চলবে; ট্রেন নম্বর ০৭৫৪০/০৭৫৩৯ কাটিহার-মণিহারি-কাটিহার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর (২০২৫)পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ৪৬টি ট্রিপের জন্য চলবে এবং ট্রেন নম্বর ০৭৬৪০/০৭৬৩৯ আগরতলা-ধর্মনগর-আগরতলা ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ অক্টোবর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ৩৩টি ট্রিপের জন্য চলবে। আজ বৃহস্পতিবার এক প্রেস বার্তায় এ খবর দিয়ে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা আরও জানান, ট্রেন নম্বর ০৬৫৫৯ এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-নারেঙ্গি স্পেশাল প্রত্যেক মঙ্গলবার এসএমভিটি বেঙ্গালুরু থেকে ২৩:৪০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে শুক্রবার ০৫:০০ ঘণ্টায় নারেঙ্গি পৌঁছাবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৬৫৬০ নারেঙ্গি-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু স্পেশাল প্রত্যেক শনিবার নারেঙ্গি থেকে ০৫:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে সোমবার ০৯:৪৫ ঘণ্টায় এসএমভিটি বেঙ্গালুরু পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৫৭৪৪ কাটিহার-সোনপুর স্পেশাল প্রত্যেক বৃহস্পতি, রবি এবং সোমবার কাটিহার থেকে ১৮:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন ০১:০০ ঘণ্টায় সোনপুর পৌঁছাবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৫৭৪৩ সোনপুর-কাটিহার স্পেশাল প্রত্যেক শুক্র, সোম এবং মঙ্গলবার সোনপুর থেকে ০৩:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ১২:০০ ঘণ্টায় কাটিহার পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৭৫৪১ কাটিহার-দৌরাম মাধেপুরা স্পেশাল কাটিহার থেকে প্রত্যেকদিন ১৯:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ২২:০০ ঘণ্টায় দৌরাম মাধেপুরা পৌঁছবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৭৫৪২ দৌরাম মাধেপুরা-কাটিহার স্পেশাল দৌরাম মাধেপুরা থেকে প্রত্যেকদিন ২২:৪৫ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন ২:৩০ ঘণ্টায় কাটিহার পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৭৫৪০ কাটিহার-মনিহারি স্পেশাল কাটিহার থেকে প্রত্যেকদিন ২০:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ২১:৩০ ঘণ্টায় মনিহারি পৌঁছবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৭৫৩৯ মনিহারি-কাটিহার স্পেশাল মনিহারি থেকে প্রত্যেকদিন ০৫:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ০৬:০০ ঘণ্টায় কাটিহার পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৭৬৪০ আগরতলা-ধর্মনগর স্পেশাল আগরতলা থেকে প্রত্যেক দিন ০৫:১৫ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ০৮:৪৫ ঘণ্টায় ধর্মনগর পৌঁছবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৭৬৩৯ ধর্মনগর-আগরতলা স্পেশাল ধর্মনগর থেকে প্রত্যেক দিন ০৯:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ১৩:২০ ঘণ্টায় আগরতলা পৌঁছবে। তাছাড়া, ট্রেন নম্বর ০৭০৪৬/০৭০৪৭ চারলাপল্লি-নাহরলগুন-চারলাপল্লি উৎসব স্পেশাল-এর পরিষেবা বিদ্যমান স্টপেজ, সময়সূচি এবং পরিষেবার দিন অনুসারে ৩০ আগস্ট থেকে ২ ডিসেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত আরও ১৪টি ট্রিপের জন্য অব্যাহত থাকবে। এই ট্রেনগুলির স্টপেজ ও সময়সূচির বিশদ বিবরণ আইআরসিটিসি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে এবং বিভিন্ন সংবাদপত্র ও সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেও অধিসূচিত করা হচ্ছে। যাত্রা করার আগে বিশদ বিবরণগুলি দেখে নেওয়ার জন্য এক প্রেস বার্তায় যাত্রীদের অনুরোধ জানিয়েছেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা।
भोपाल से रीवा के बीच “फ्लाई बिग” फ्लाइट सेवा टिकट काउंटर का उप मुख्यमंत्री शुक्ल ने किया उद्घाटन
प्रथम यात्रियों को सौपें बोर्डिंग पास भोपाल, 26 नवंबर (हि.स.)। उप मुख्यमंत्री राजेन्द्र शुक्ल ने कहा है कि रीवा एयरपोर्ट से भोपाल की सीधी कनेक्टिविटी विंध्य क्षेत्र के व्यापार, पर्यटन और उद्योग को नई ऊंचाइयों पर ले जाएगी। यह सेवा क्षेत्र के नागरिकों के लिए समय की बचत के साथ-साथ सुविधाजनक यात्रा का माध्यम बनेगी। उप मुख्यमंत्री ने यह बात मंगलवार काे भोपाल के राजा भोज अंतरराष्ट्रीय विमानतल पर “फ्लाई बिग” कंपनी के टिकट काउंटर का उद्घाटन करते हुए कही। इस दाैरान उन्होंने भोपाल से रीवा एयरपोर्ट की पहली फ्लाइट सेवा की शुरुआत करते हुए यात्रियों को बोर्डिंग पास सौंपे गए। भोपाल के सांसद आलोक शर्मा, भारतीय विमानपत्तन प्राधिकरण भोपाल के निदेशक रामजी अवस्थी, “फ्लाई बिग” कंपनी के वरिष्ठ अधिकारी और अन्य गणमान्यजन उपस्थित रहे। इस ऐतिहासिक पहल का हिस्सा बनते हुए यात्रियों ने अपनी खुशी और उत्साह व्यक्त किया। उप मुख्यमंत्री शुक्ल ने कहा कि मुख्यमंत्री डॉ. मोहन यादव के नेतृत्व में राज्य सरकार की प्रतिबद्धता को रेखांकित करते हुए कहा कि यह सरकार प्रदेश के हर क्षेत्र को प्रगति और विकास से जोड़ने के लिए सतत प्रयासरत है। विंध्य क्षेत्र को हवाई कनेक्टिविटी प्रदान करना इसी दिशा में एक महत्वपूर्ण कदम है। उप मुख्यमंत्री शुक्ल ने कहा कि यह हवाई सेवा रीवा को राज्य और देश के अन्य प्रमुख शहरों से जोड़ने की एक महत्वपूर्ण कड़ी होगी। इससे व्यापार और रोजगार के अवसर बढ़ेंगे, साथ ही यह क्षेत्र के सांस्कृतिक और प्राकृतिक सौंदर्य को देश और विदेश के पर्यटकों तक पहुंचाने में भी सहायक होगी। रीवा और भोपाल के बीच “फ्लाई बिग” कंपनी की उड़ान सेवा सप्ताह में 4 दिन रहेगी उपलब्ध रीवा और भोपाल के बीच”फ्लाई बिग” कंपनी की उड़ान सेवा सप्ताह में 4 दिन उपलब्ध रहेगी। भोपाल से रीवा की उड़ान (फ्लाइट नंबर S9-514) मंगलवार, बुधवार, गुरुवार, और शुक्रवार को उपलब्ध होगी। भोपाल एयरपोर्ट से फ्लाइट सुबह 8:15 बजे प्रस्थान करेगी और रीवा एयरपोर्ट पर सुबह 10:20 बजे पहुंचेगी। रीवा से भोपाल की उड़ान (फ्लाइट नंबर S9-515) सोमवार, मंगलवार, बुधवार, और गुरुवार को संचालित होगी। रीवा एयरपोर्ट से यह फ्लाइट दोपहर 1:40 बजे प्रस्थान करेगी और भोपाल एयरपोर्ट पर 3:45 बजे पहुंचेगी।