Mann Ki Baat-153 এ শক্তিশালী ভারত ও পরিবেশের বার্তা মোদীর
Mann Ki Baat-এর ১৩৫তম পর্বে আত্মনির্ভর ভারত, প্রতিরক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনঅংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
Aarogya Setu 2.0 লঞ্চ, ডিজিটাল স্বাস্থ্যে বড় পদক্ষেপ
Aarogya Setu 2.0 ও একাধিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য উদ্যোগ ২৯ জুন উদ্বোধন করবেন জে.পি. নাড্ডা। স্বাস্থ্য পরিষেবা হবে আরও সহজ, দ্রুত ও আন্তঃসংযুক্ত।
Maharashtra TET Exam Leak: প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষার আগের রাতেই স্থগিত টেট
সকাল সকাল ডেস্ক Maharashtra TET Exam Leak ঘিরে তীব্র বিতর্ক, লক্ষাধিক চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা মহারাষ্ট্রে শিক্ষক নিয়োগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা নির্ধারণী পরীক্ষা টেটকে ঘিরে বড়সড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। Maharashtra TET Exam Leak-এর অভিযোগ সামনে আসতেই পরীক্ষার মাত্র একদিন আগে তা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই সিদ্ধান্তে যেমন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে, তেমনই পরীক্ষার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শনিবার, ২৮ জুন রাজ্যজুড়ে ১,০২৮টি পরীক্ষাকেন্দ্রে টেট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগের জন্য এই পরীক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, কোচিং এবং আর্থিক ব্যয়ের পর লক্ষাধিক চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় বসার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু Maharashtra TET Exam Leak-এর অভিযোগ সামনে আসার পর শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় প্রশাসন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কীভাবে সামনে এল প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোরে থানে জেলার ভিওয়ান্ডি এলাকায় টেট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কয়েকজনের হাতে পৌঁছে যাওয়ার খবর আসে। একটি গোপন সূত্রের মাধ্যমে এই তথ্য পাওয়ার পর ভিওয়ান্ডি পুলিশ দ্রুত অভিযান চালায়। অভিযানের সময় বেশ কিছু নথি এবং সন্দেহজনক কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলি মহারাষ্ট্র স্টেট এক্সামিনেশন কাউন্সিলের কাছে পাঠানো হয় যাচাইয়ের জন্য। প্রাথমিক তদন্তেই দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া নথির একাধিক প্রশ্ন সরকারি প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। এই তথ্য সামনে আসতেই Maharashtra TET Exam Leak-এর অভিযোগকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রশাসন। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অবিলম্বে পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের বক্তব্য কী? মহারাষ্ট্র স্টেট এক্সামিনেশন কাউন্সিলের ডিরেক্টর নন্দকুমার বেডসে জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই তাঁদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রশ্ন মিল পাওয়া যাওয়ার পর পরীক্ষা আয়োজন করা হলে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারত। তাই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং Maharashtra TET Exam Leak-এর উৎস খুঁজে বের করতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ ও শিক্ষা দফতর যৌথভাবে এই তদন্ত পরিচালনা করছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ফাঁস হল প্রশ্ন? কাউন্সিলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর টেট পরীক্ষার নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছিল। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিটি ধাপে বিশেষ নজরদারি চালানো হয়েছিল। তবুও কীভাবে প্রশ্নপত্র বাইরে পৌঁছাল, সেটিই এখন তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তদন্তকারীরা প্রশ্নপত্র সরবরাহ চক্র, মুদ্রণ সংস্থা, পরিবহণ ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন। প্রয়োজন হলে সাইবার ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদেরও তদন্তে যুক্ত করা হতে পারে। পরীক্ষার্থীদের উপর কী প্রভাব পড়ল? এই ঘটনার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে চাকরিপ্রার্থীদের উপর। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী ইতিমধ্যেই যাতায়াতের টিকিট কেটে ফেলেছিলেন। অনেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রের কাছাকাছি থাকার জন্য হোটেল বুক করেছিলেন। হঠাৎ করে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় তাঁদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক হতাশাও তৈরি হয়েছে। বহু পরীক্ষার্থী সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল। তবে অনেক পরীক্ষার্থীর মত, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ থাকা অবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া হলে পরে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারত। সেই তুলনায় আগে থেকেই পরীক্ষা স্থগিত করা সঠিক সিদ্ধান্ত। নতুন পরীক্ষার দিন কবে? মহারাষ্ট্র স্টেট এক্সামিনেশন কাউন্সিল জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি এবং প্রমাণ সংগ্রহের ভিত্তিতে নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে। পরীক্ষার্থীদের সরকারি ওয়েবসাইট ও কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তির উপর নিয়মিত নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছে প্রশাসন। প্রশ্নফাঁস রোধে কী শিক্ষা মিলল? Maharashtra TET Exam Leak ঘটনা আবারও দেশের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র কাগুজে নিরাপত্তা নয়, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাই ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হতে পারে। এখন সকলের নজর তদন্তের দিকে। প্রশাসন দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে স্বচ্ছ পরিবেশে নতুন করে পরীক্ষা আয়োজন করতে পারে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।
Ketan Agarwal Murder Case: বিয়ের আগে প্রেমের টান, ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়
সকাল সকাল ডেস্ক Ketan Agarwal Murder Case তদন্তে উঠে আসছে নতুন তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ ঘিরে বাড়ছে রহস্য কেতন আগরওয়ালের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড়, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মহারাষ্ট্রের পুণেতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রথমে দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও, তদন্ত যত এগিয়েছে ততই স্পষ্ট হয়েছে যে Ketan Agarwal Murder Case অনেক বেশি জটিল এবং পরিকল্পিত অপরাধের দিকেই ইঙ্গিত করছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে আগামী নভেম্বরে সিয়া গোয়েলের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিয়ের প্রস্তুতির মাঝেই সিয়া ও চেতন চৌধুরীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই সম্পর্ক এবং আসন্ন বিয়েকে ঘিরে তৈরি হওয়া মানসিক ও সামাজিক চাপই Ketan Agarwal Murder Case-এর মূল কারণ হতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা। কীভাবে ঘটেছিল ঘটনা? গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ এলাকায় বেড়াতে যান কেতন আগরওয়াল। সেই সময় একটি উঁচু স্থান থেকে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথমদিকে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখা হচ্ছিল। স্থানীয় পুলিশও প্রাথমিকভাবে সেই দিকেই তদন্ত শুরু করেছিল। তবে ঘটনার পর বিভিন্ন সাক্ষ্যপ্রমাণ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অভিযুক্তদের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে পুলিশের সন্দেহ বাড়তে থাকে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে Ketan Agarwal Murder Case-এ সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীর নাম সামনে আসে। পরবর্তীতে পুলিশ দুইজনকেই গ্রেফতার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে, যা মামলার গতিপথ বদলে দিয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সম্পর্কের জটিলতা কি হত্যার কারণ? তদন্তকারীদের দাবি অনুযায়ী, সিয়া গোয়েল বিয়ে নিয়ে মানসিক দ্বন্দ্বে ভুগছিলেন। একদিকে পরিবারের সিদ্ধান্ত, অন্যদিকে চেতন চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক—এই দুইয়ের মধ্যে পড়ে তিনি চাপে ছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশের বক্তব্য, বিয়ে ভেঙে দেওয়ার বদলে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবি এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে দোষী বলা যায় না। আদালতের বিচার এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সত্য নির্ধারিত হবে। ডিজিটাল প্রমাণে জোর তদন্তকারীদের Ketan Agarwal Murder Case-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্ত। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন, কল রেকর্ড, চ্যাট হিস্ট্রি এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে সিয়া ও চেতনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তাঁদের ফোন থেকে মুছে ফেলা তথ্য পুনরুদ্ধারের জন্য সাইবার বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। পুলিশের আশা, ডিজিটাল প্রমাণ মামলার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কল ডিটেল রেকর্ড, লোকেশন ডেটা এবং অনলাইন যোগাযোগের তথ্যও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পরিবারের বক্তব্য ও আইনি অবস্থান ঘটনার পর সিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তাঁরা চেতন চৌধুরীর সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন না এবং সম্পর্কের বিষয়েও জানতেন না। অন্যদিকে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, তদন্তে উঠে আসা তথ্যের একতরফা ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে এবং আদালতেই প্রকৃত সত্য প্রকাশ পাবে। সিয়ার ভাই সাহিল গোয়েল জানিয়েছেন, একটি ক্রিকেট ম্যাচের সূত্রে সিয়া ও চেতনের পরিচয় হয়েছিল। সেই পরিচয় কীভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে পরিণত হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। সাধারণ মানুষের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ এই মামলা? এই ঘটনা শুধু একটি অপরাধমূলক তদন্ত নয়, বরং ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সামাজিক চাপ এবং ডিজিটাল প্রমাণের গুরুত্ব সম্পর্কেও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল যোগাযোগ অপরাধ তদন্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে Ketan Agarwal Murder Case ভবিষ্যতের তদন্ত পদ্ধতির ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। ডিজিটাল তথ্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মামলার পূর্ণ সত্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। আগামী দিনে এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বর্তমানে গোটা ঘটনার দিকে নজর রয়েছে মহারাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষেরও।
Flat Possession Delay: ক্ষতিপূরণে ক্রেতাদের বড় স্বস্তি
সকাল সকাল ডেস্ক। সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়, ফ্ল্যাটের দখল নেওয়ার পরও বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন ক্রেতারা ফ্ল্যাট কেনার পর নির্ধারিত সময়ে দখল না পাওয়া দেশের লক্ষ লক্ষ ক্রেতার জন্য বড় স্বস্তির খবর দিল সুপ্রিম কোর্ট। Flat Possession Delay সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় দেশের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফ্ল্যাটের প্রকৃত দখল গ্রহণ করার পরও বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার ক্রেতারা হারান না। এই রায়ের মাধ্যমে জাতীয় উপভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের (এনসিডিআরসি) ২০১৬ সালের একটি আদেশও বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা নানা বিতর্ক ও প্রকল্পে দেরির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য এই রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে। Flat Possession Delay-এর কারণে ক্ষতির শিকার বহু মানুষ ভবিষ্যতে এই রায়ের ভিত্তিতে আইনি প্রতিকার চাইতে পারবেন। কী বলেছে সুপ্রিম কোর্ট? বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং ভি. মোহন-এর বেঞ্চ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফ্ল্যাটের দখল গ্রহণ করলেই কোনও ব্যক্তি উপভোক্তার মর্যাদা হারান না। ফলে ফ্ল্যাটের দখল পাওয়ার আগে যে বিলম্ব হয়েছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকারও বহাল থাকবে। আদালত ৪ জুন দেওয়া রায়ে উল্লেখ করেছে, কোনও আবাসন প্রকল্পে দেরি হলে এবং পরে ক্রেতা ফ্ল্যাটের দখল পেলেও সেই বিলম্বের কারণে হওয়া আর্থিক বা মানসিক ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করা সম্পূর্ণ বৈধ। Flat Possession Delay-এর ক্ষেত্রে এই ব্যাখ্যা ভবিষ্যতের বহু মামলার জন্য দিশা দেখাবে বলে মনে করা হচ্ছে। মামলার পটভূমি এই মামলার সূত্রপাত ২০০৩ সালে। দিল্লির একটি সমবায় গৃহনির্মাণ সমিতির সদস্য হিসেবে এক ব্যক্তি একটি ফ্ল্যাট বরাদ্দ পান। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাটের দখল না পাওয়ায় তিনি পরিষেবায় ঘাটতির অভিযোগ তুলে জেলা উপভোক্তা ফোরামের দ্বারস্থ হন। ২০০৯ সালে জেলা ফোরাম অভিযোগ গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট সমিতিকে নোটিশ পাঠায়। পরে ২০১৩ সালে দিল্লি রাজ্য উপভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। তবে ২০১৬ সালে এনসিডিআরসি আবেদন খারিজ করে জানায়, যেহেতু অভিযোগকারী ইতিমধ্যেই ফ্ল্যাটের দখল নিয়েছেন, তাই তিনি আর উপভোক্তা হিসেবে গণ্য হবেন না। সুপ্রিম কোর্ট এই ব্যাখ্যাকে ভুল বলে উল্লেখ করে জানায়, Flat Possession Delay-এর কারণে ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার দখল গ্রহণের পরেও অটুট থাকে। সালিশি ধারা থাকলেও অভিযোগ করা যাবে মামলার শুনানিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির মধ্যে চুক্তিতে সালিশি (Arbitration) সংক্রান্ত ধারা ছিল। সেই যুক্তিতে দাবি করা হয়েছিল, বিরোধটি উপভোক্তা ফোরামে নয়, সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। তবে সুপ্রিম কোর্ট এই যুক্তিও খারিজ করে দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, কোনও চুক্তিতে সালিশি ধারা থাকলেই উপভোক্তা ফোরামের এখতিয়ার শেষ হয়ে যায় না। ভোক্তারা চাইলে উপভোক্তা ফোরামের দ্বারস্থ হতে পারবেন। উপভোক্তা সুরক্ষা আইনের ব্যাখ্যা আদালত ১৯৮৬ সালের উপভোক্তা সুরক্ষা আইনের ৩ নম্বর ধারার উল্লেখ করে বলেছে, এই আইন একটি কল্যাণমূলক আইন। এর মূল উদ্দেশ্য সাধারণ ভোক্তাদের দ্রুত, সহজ এবং কম খরচে বিচার ও প্রতিকার প্রদান করা। বেঞ্চ জানিয়েছে, আইনের অধীনে পাওয়া প্রতিকার অন্য কোনও আইনি প্রতিকারের বিকল্প নয়, বরং অতিরিক্ত সুবিধা। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তি চাইলে অন্য আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি উপভোক্তা ফোরামেও অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য কী প্রভাব পড়বে? আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায়ের ফলে দেশের আবাসন খাতে ক্রেতাদের অধিকার আরও শক্তিশালী হবে। বহু ক্ষেত্রে নির্মাণকারী সংস্থা বা আবাসন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করে থাকে। এতদিন অনেকেই মনে করতেন, ফ্ল্যাটের দখল গ্রহণ করার পর ক্ষতিপূরণ দাবি করা সম্ভব নয়। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর Flat Possession Delay-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতারা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আইনি লড়াই চালাতে পারবেন। একই সঙ্গে আবাসন সংস্থাগুলির উপরও সময়মতো প্রকল্প সম্পূর্ণ করার চাপ বাড়বে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা এই রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ফ্ল্যাটের দখল গ্রহণ করলেই ক্রেতার সমস্ত দাবি শেষ হয়ে যায় না। যদি দখল হস্তান্তরে অযৌক্তিক বিলম্ব ঘটে এবং তার ফলে আর্থিক বা মানসিক ক্ষতি হয়, তাহলে উপভোক্তা ফোরামের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, Flat Possession Delay সংক্রান্ত এই ঐতিহাসিক রায় ভবিষ্যতে লক্ষ লক্ষ বাড়ি ক্রেতার অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং আবাসন খাতে আরও বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।
MSME Sector হবে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর শক্তিশালী চালিকাশক্তি
সকাল সকাল ডেস্ক। আন্তর্জাতিক MSME দিবসে উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণনের বার্তা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর বৃদ্ধির ওপর জোর আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নয়াদিল্লির ড. আম্বেদকর আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের অর্থনীতিতে MSME Sector-এর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরলেন উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভারতের ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে MSME Sector-ই হবে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাঁর মতে, এই খাত শুধুমাত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যম নয়, বরং নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা, নারী স্বনির্ভরতা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাফল্যের প্রতীক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রী জিতন রাম মাঞ্জি, প্রতিমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে, খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশনের চেয়ারম্যান মনোজ কুমার, মন্ত্রকের সচিব ভারত খেরা এবং বিভিন্ন শিল্পপতি ও উদ্যোক্তারা। MSME Sector নিয়ে উপরাষ্ট্রপতির দৃষ্টিভঙ্গি ভাষণে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও মজবুত করতে MSME Sector-এর সম্প্রসারণ অত্যন্ত প্রয়োজন। তাঁর মতে, প্রতিটি ক্ষুদ্র উদ্যোগের লক্ষ্য হওয়া উচিত ছোট শিল্পে পরিণত হওয়া এবং প্রতিটি ছোট শিল্পের লক্ষ্য হওয়া উচিত মাঝারি শিল্পে উন্নীত হওয়া। এই ধারাবাহিক অগ্রগতিই ভারতের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, এই খাতের উন্নয়নের জন্য সহজ ঋণ, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং সরকারের নীতিগত সহায়তা অপরিহার্য। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা গেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বিকাশ আরও দ্রুত হবে। উদ্যোক্তা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে সি. পি. রাধাকৃষ্ণন জানান, স্নাতক সম্পন্ন করার পর তিনি পিতার আর্থিক সহায়তায় একটি ছোট পোশাক ব্যবসা শুরু করেছিলেন। পরবর্তীকালে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং ব্যবসা সম্পর্কে ধারাবাহিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে তিনি একটি সফল নিটওয়্যার রপ্তানি ব্যবসা গড়ে তুলতে সক্ষম হন। তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুরুতে সীমিত পুঁজি বা বাধা থাকলেও তা সাফল্যের পথে অন্তরায় নয়। ব্যবসা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাজারের চাহিদা বোঝার মাধ্যমে যে কেউ এগিয়ে যেতে পারেন। গুণমান বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব উপরাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে পণ্যের মানের সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা যাবে না। তাঁর মতে, প্রকৃত সাফল্য তখনই আসে যখন কম খরচে উন্নতমানের পণ্য ও পরিষেবা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। তিনি জানান, ভারতের MSME Sector-কে বিশ্ববাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে হলে গুণমান, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। Artificial Intelligence ও নতুন সম্ভাবনা রাষ্ট্রসংঘ ঘোষিত এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত ভবিষ্যতে মানবকেন্দ্রিক উদ্যোক্তা’। এই প্রসঙ্গে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, প্রযুক্তিকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। অতীতে কম্পিউটারের আগমনে যেমন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, তেমনই Artificial Intelligence বা AI ভবিষ্যতে আরও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে। তিনি বলেন, প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদের সমন্বয় ঘটিয়ে MSME Sector আরও দ্রুত বিকাশের পথে এগিয়ে যেতে পারবে। AI-নির্ভর উৎপাদন, বিপণন এবং পরিষেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসার দক্ষতা বৃদ্ধি সম্ভব। খাদি শিল্প ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশনের কাজের প্রশংসা করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, মধু উৎপাদন এবং খাদি শিল্পে সংস্থাটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে খাদি শিল্পকেও আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন বিপণন কৌশল গ্রহণ করতে হবে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে খাদি ও গ্রামোদ্যোগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নতুন পোর্টাল ও উদ্যোগের সূচনা অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে ছিল প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির কর্মসূচি ২.০ পোর্টাল, সমাধান ২.০ পোর্টাল, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং সাপোর্ট ২.০ পোর্টাল, এমএসএমই গ্লোবাল মার্ট ২.০ পোর্টাল এবং টেস্টিং সেন্টার পোর্টাল। এছাড়াও এমএসএমই আইডিয়া হ্যাকাথন ৬.০-এর সূচনা করা হয়। আত্মনির্ভর ভারত তহবিল এবং প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্প সংক্রান্ত ই-বইও প্রকাশ করা হয়। সাধারণ মানুষের জন্য বার্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, MSME Sector-এর শক্তিশালী বিকাশ দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারের নতুন উদ্যোগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নীতিগুলি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। উপরাষ্ট্রপতির বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর স্বপ্ন পূরণে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পই হবে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রী শ্রী জিতন রাম মাঞ্জি, এমএসএমই প্রতিমন্ত্রী সুশ্রী শোভা করন্দলাজে, কেভিআইসি-র চেয়ারম্যান শ্রী মনোজ কুমার, এমএসএমই মন্ত্রকের সচিব শ্রী ভারত খেরা, মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, শিল্পপতি এবং উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Shivraj Singh Chouhan: Advanced India গড়তে কৃষির উন্নয়নই মূল চাবিকাঠি
সকাল সকাল ডেস্ক। পন্তনগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সম্মেলনে কৃষি গবেষণা, উদ্ভাবন ও কৃষকের সমৃদ্ধির ওপর জোর দিলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। ভারতের উন্নয়নের ভবিষ্যৎ কৃষির সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। Shivraj Singh Chouhan মনে করেন, দেশের কৃষি ও কৃষকের অবস্থার উন্নয়ন ছাড়া Advanced India-এর স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যেই কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী। উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগরের পন্তনগরে অবস্থিত গোবিন্দ বল্লভ পন্ত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত দু’দিনের প্রাক্তনী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি, রাজ্যের মন্ত্রী গণেশ যোশীসহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। কৃষির উন্নয়নেই উন্নত ভারতের ভিত্তি অনুষ্ঠানে Shivraj Singh Chouhan বলেন, ভারতের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি কৃষি। কৃষিক্ষেত্র যত শক্তিশালী হবে, ততই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাঁর মতে, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতা উন্নত করাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হওয়া উচিত। তিনি বলেন, বর্তমানে ভারত প্রায় ৩৭৭ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য উৎপাদন করছে। ধান উৎপাদনে ভারত বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলির মধ্যে অন্যতম এবং গম উৎপাদনেও দেশ উদ্বৃত্ত অবস্থানে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় গম ও বাসমতী চালের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পন্তনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক অবদান কৃষিমন্ত্রী বলেন, গোবিন্দ বল্লভ পন্ত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ভারতীয় কৃষির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দেশের সবুজ বিপ্লবের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য কৃষি বিজ্ঞানী, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি করেছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে যে, ভারতের কৃষিক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, তার পেছনে পন্তনগরের মতো গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি প্রযুক্তির উন্নয়ন, নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবন এবং কৃষকদের মধ্যে আধুনিক জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন কৃষির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ Official Statement Shivraj Singh Chouhan সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে ভারতীয় কৃষিকে একাধিক বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ভূগর্ভস্থ জলের স্তর কমে যাওয়া, মাটির উর্বরতা হ্রাস এবং রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহার কৃষির স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করছে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই সমস্যাগুলির সমাধান শুধুমাত্র গবেষণা, বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি পদ্ধতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমেই সম্ভব। কৃষি বিজ্ঞানী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুন সমাধান বের করতে হবে যাতে কৃষকরা পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারেন। কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা Impact কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য কৃষক এবং কৃষি গবেষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি, জৈব চাষ, প্রাকৃতিক কৃষি, ড্রোন প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো এবং আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। এছাড়া কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, মূল্য সংযোজন এবং রপ্তানিমুখী কৃষি নীতির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা যেতে পারে। ফলে কর্মসংস্থানও বাড়বে এবং যুবসমাজ কৃষির প্রতি আরও আকৃষ্ট হবে। উন্নত উত্তরাখণ্ড গড়ার বার্তা উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেন, রাজ্যের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে ছোট জমির আকার, বন্যপ্রাণীর আক্রমণ, বাজার সীমাবদ্ধতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি জানান, গবেষণা, স্টার্টআপ, কৃষি উদ্ভাবন এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব। যুবসমাজকে কৃষিভিত্তিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার জন্যও রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে। Public Information অনুষ্ঠানের আগে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘর ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের স্টল পরিদর্শন করেন। পরে তাঁরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ধানের চারা রোপণে অংশ নেন। পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা দিতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণও করেন দুই নেতা। এ সময় Shivraj Singh Chouhan প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত নিজের জন্মদিনে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, Shivraj Singh Chouhan-এর এই বার্তা শুধু কৃষির উন্নয়ন নয়, পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের সমৃদ্ধির পথ ধরেই Advanced India গঠনের যে লক্ষ্য তিনি তুলে ধরেছেন, তা দেশের কৃষিনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনাও স্পষ্ট করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অজয় ভাট, বিধায়ক শিব অরোরা, ত্রিলোক সিং চিমা, বংশীধর ভগত, রাষ্ট্রমন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত অনিল কাপুর ডাব্বু, হুকম সিং কুনওয়ার, রণজিৎ সিং নামধারী, সচিব ড. এস.এন. পাণ্ডে, জেলাশাসক নীতিন সিং ভদৌরিয়া, পুলিশ সুপার অজয় গণপতি, রেজিস্ট্রার দীপা বিনয়-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু প্রাক্তনী ও প্রশাসনিক আধিকারিক।
Arunachal Flash Flood: নিখোঁজ ৪ জন, শুক্রবার ফের উদ্ধার অভিযান
Arunachal Flash Flood-এর জেরে অরুণাচলে নিখোঁজ ৪ জনের খোঁজে উদ্ধার অভিযান সাময়িক স্থগিত। শুক্রবার ফের শুরু হবে তল্লাশি, ক্ষতিগ্রস্ত বহু এলাকা।
দেশের সৌর শক্তি উৎপাদনে বড় পদক্ষেপ
কলকাতা : দেশের সৌরশক্তি উৎপাদন ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল জুপিটার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। বৃহস্পতিবার হিমাচল প্রদেশের বাড্ডিতে সংস্থার চতুর্থ উৎপাদন ইউনিটের উদ্বোধন হল। ওই ইউনিটে ১.২৫ গিগাওয়াট ক্ষমতার অত্যাধুনিক টপকন সোলার সেল উৎপাদন করা হবে। এর ফলে সংস্থার মোট সোলার সেল উৎপাদন ক্ষমতা ২ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে হল – ৩.২৫ গিগাওয়াট।
গৃহস্থের বাড়ি থেকে উদ্ধার প্ৰায় চার কোটি টাকার গাঁজা, আটক এক
পাথারকান্দি : শ্রীভূমি জেলার অন্তর্গত পাথারকান্দি থানাধীন সোনাখিরা এলাকার কলকলিবস্তির বাসিন্দা জনৈক গৃহস্থের বাড়িতে হানা দিয়ে প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের ১১ কুইন্টাল নিষিদ্ধ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর সঙ্গে একজনকে পুলিশ আটক করেছে।