কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপোস করা হচ্ছে, বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে শচীন পাইলট
সকাল সকাল ডেস্ক তিরুবনন্তপুরম : ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিলেন কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট। তাঁর দাবি, কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপোস করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি জানান, রাহুল গান্ধী যে দাবি করছেন, তা সবই ঠিক। ভারত-মার্কিন অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বক্তব্য প্রসঙ্গে সোমবার শচীন পাইলট বলেন, “সাধারণত আমাদের বাণিজ্য চুক্তি হয়, কিন্তু এটি ছিল একটি দিল। এটি ছিল মার্কিন সরকার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে ভারতীয় জনগণের উপর চাপিয়ে দেওয়া একটি ব্যবস্থা। রাহুল গান্ধী যা বলছেন তা একেবারেই সঠিক। কৃষকদের স্বার্থ আদর্শের বাইরে। আমাদের ক্ষুদ্র উৎপাদক, তুলা চাষী, সয়াবিন চাষী এবং আরও অসংখ্য মানুষের স্বার্থের প্রতি কোনও সরকার এতটা উদাসীন ছিল না। আমাদের সঙ্গে অনেকভাবে আপোস করা হয়েছে, পরিণতি হবে সুদূরপ্রসারী।”
নেপালে শুরু নির্বাচনী প্রচার , তুঙ্গে উঠবে রাজনৈতিক তৎপরতা
Election campaign begins in Nepal, political activity will peak
ব্রহ্মপুত্রের উপর নির্মিত কুমার ভাস্কর বর্মা সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
PM Modi inaugurates Kumar Bhaskar Verma Bridge over Brahmaputra
অমিত শাহর দাবি, বিধানসভা নির্বাচনে ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে পুদুচেরির ২৪টি আসনই জিতবে রাজগ
Amit Shah claims that NDA will win all 24 seats in Puducherry by getting 60 percent votes in the assembly elections
বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাহুল গান্ধীর
Rahul Gandhi meets representatives of various farmers’ organizations
মদ ভেবে বিষাক্ত রাসায়নিক পান, ভিলওয়ারায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক ভিলওয়ারা : রাজস্থানের ভিলওয়ারা জেলার গঙ্গাপুর থানার অন্তর্গত আলুলি গ্রামে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে কাজ শেষে বাড়ি ফিরে মদ ভেবে বাসন পরিষ্কারের বিষাক্ত রাসায়নিক পান করেন কয়েকজন শ্রমিক। এই ঘটনায় তিন মহিলা-সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও এক তরুণী। শুক্রবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আলুলি গ্রামের বাসিন্দা রতন কাঞ্জার, তাঁর স্ত্রী সুশীলা দেবী, এছাড়া জামনি দেবী এবং বাদামি দেবী একটি বিয়েবাড়িতে বাসন ধোয়ার কাজ করছিলেন। অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত বাসন পরিষ্কারের জন্য আনা রাসায়নিক ভুল করে মদের বোতল ভেবে তাঁরা বাড়িতে নিয়ে যান এবং তা পান করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের অসুস্থতা বাড়তে থাকে। গঙ্গাপুর ও ভিলওয়ারা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়। একজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকদের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মৃতদের পাকস্থলীতে বিষাক্ত তরল পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত কারণ জানতে ফরেনসিক পরীক্ষার অপেক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা। একসঙ্গে একই পরিবারের একাধিক জনের মৃত্যুর ঘটনায় গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বেঙ্গালুরুতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা; একাধিক গাড়ির সংঘর্ষে মৃত ৭
সকাল সকাল ডেস্ক বেঙ্গালুরু : বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলায় শুক্রবার ভোরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। হোসাকোটে তালুকের এম. সত্যবর গ্রাম সংলগ্ন হোসাকোটে-দেবানাহাল্লি জাতীয় সড়কে একটি এসইউভি, একটি মোটরবাইক ও একটি লরির মধ্যে সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এসইউভি-তে ছয় জন যাত্রী ছিলেন এবং মোটরবাইকে ছিলেন একজন আরোহী। প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, দ্রুতগতির এসইউভি প্রথমে সামনে চলা মোটরবাইকটিকে ধাক্কা মারে। এর পর চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা লরির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের তীব্রতায় এসইউভি-র যাত্রীরা ও মোটরবাইক আরোহী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অতিরিক্ত গতিই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। মৃতদের মধ্যে ছয় জন বেঙ্গালুরুর কোঠানুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেলেও, সকলের পরিচয় যাচাইয়ের কাজ এখনও চলছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার চন্দ্রকান্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িগুলি জাতীয় সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার সময় কেউ মত্ত হয়ে যানবাহন চালাচ্ছিল কি না এবং অন্য কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।
ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে সংসদ চত্বরে ধর্ণা বিরোধীদের
Opponents of the India-US trade deal stage a sit-in at Parliament premises
ধর্মঘটের সমর্থনে আগরতলায় পিকেটিং, কেন্দ্রের শ্রম নীতির বিরুদ্ধে মানিক সরকারের আক্রমণ
সকাল সকাল ডেস্ক আগরতলা : দেশের দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ভারত ধর্মঘটের সমর্থনে বৃহস্পতিবার আগরতলায় পিকেটিং ও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করল সিআইটিইউ রাজ্য শাখা সহ বিভিন্ন শ্রমিক ও কৃষক সংগঠন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই ধর্মঘট সমর্থকদের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়। পিকেটিং কর্মসূচিতে অংশ নেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, বর্তমান বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, সিআইটিইউ রাজ্য সভাপতি মানিক দে, সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত সহ বামফ্রন্ট ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে শহরের বিভিন্ন সড়ক পরিক্রমা করে একটি বিক্ষোভ মিছিলও করা হয়। এদিন ধর্মঘটের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার অভিযোগ করেন, মালিকপক্ষের স্বার্থ রক্ষা করতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার শ্রম আইন ও শ্রম কোড প্রণয়ন করে শ্রমিকদের অধিকার সংকুচিত করেছে। তাঁর দাবি, নতুন আইনগুলির ফলে পুঁজিপতিদের সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে এবং শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষি ও কৃষক ইতিমধ্যেই সংকটে রয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই ধর্মঘটের ডাক সমর্থন করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীও জানান, শ্রমিক শ্রেণীকে কর্পোরেট শক্তির অধীনস্থ করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সিআইটিইউ ও অন্যান্য শ্রমিক-কৃষক সংগঠনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিক্রমা করে। মিছিলে বামফ্রন্টের শরিক দলগুলির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
শপথ নিলেন মুম্বই পুরসভার নতুন মেয়র বিজেপির ঋতু তাওড়ে
সকাল সকাল ডেস্ক মুম্বই : বুধবার শপথ নিলেন মুম্বই পুরসভার নতুন মেয়র ঋতু তাওড়ে| সর্বসম্মতিক্রমে মুম্বই পুরসভার নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি নেত্রী ঋতু তাওড়ে। সদ্য নির্বাচিত ২২৭ সদস্যের বৃহম্মুম্বই পুরসভার প্রথম অধিবেশনে মেয়র হিসেবে তাঁকে নির্বাচন করা হয়েছে। ডেপুটি মেয়র পদে বসেছেন শিব সেনার সঞ্জয় ঘড়ি। বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (বিএমসি) নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি। ২২৭ আসনের পুরসভায় ৮৯টি আসন জিতেছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা পেয়েছে ২৯টি আসন। শাসক জোটের হাতে ১১৮ জন কর্পোরেটরের সমর্থন রয়েছে, যা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৪-র ম্যাজিক ফিগার অনায়াসেই পার করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, ঘাটকোপারের দীর্ঘদিনের কর্পোরেটর ঋতু তাওড়ে অতীতে বিএমসি-র শিক্ষা কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন।