PM Modi Rajasthan: 1.06 লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা
সকাল সকাল ডেস্ক। PM Modi Rajasthan সফরে বালোত্রায় রিফাইনারি, মেট্রো, বিমানবন্দর, জল প্রকল্প ও কর্মসংস্থানের একাধিক উদ্যোগের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। রাজস্থানের বালোত্রা থেকে PM Modi Rajasthan সফরে দেশের উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা এবং জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার তিনি প্রায় ১.০৬ লক্ষ কোটি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। PM Modi Rajasthan কর্মসূচিতে রাজস্থান রিফাইনারি, নতুন বিমানবন্দর টার্মিনাল, মেট্রো সম্প্রসারণ, জল প্রকল্প এবং নবনিযুক্ত সরকারি কর্মীদের নিয়োগপত্র প্রদানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, আধুনিক পরিকাঠামো এবং আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে। তাঁর মতে, শুধু প্রকল্প ঘোষণা নয়, নির্ধারিত সময়ে তার বাস্তবায়নও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। ১.০৬ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প PM Modi Rajasthan অনুষ্ঠানে উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা প্রকল্পগুলির মোট মূল্য প্রায় ১.০৬ লক্ষ কোটি টাকা। এর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ রাজস্থান রিফাইনারি, যা রাজ্যের শিল্পোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন। তিনি বলেন, এই রিফাইনারি শুধু রাজস্থানের অর্থনীতিকেই শক্তিশালী করবে না, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তাকেও আরও মজবুত করবে। হাজার হাজার মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিমানবন্দর, মেট্রো ও ‘উড়ান’ প্রকল্পে জোর বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী যোধপুরের নতুন বিমানবন্দর টার্মিনালের উদ্বোধন এবং ‘উড়ান’ প্রকল্পের নতুন পর্যায়ের সূচনার কথাও উল্লেখ করেন। PM Modi Rajasthan জয়পুর মেট্রোর সম্প্রসারণ, শেখাওয়াটি অঞ্চলের জলসংকট দূরীকরণ এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটন, শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তাঁর দাবি। ৫৪ হাজার সরকারি কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রায় ৫৪ হাজার নবনিযুক্ত সরকারি কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নবনিযুক্ত কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সরকারি দায়িত্ব শুধু চাকরি নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি বড় সুযোগ। নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি। জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তবুও ভারত বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এলপিজি, পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহে কোনও বড় সমস্যা তৈরি হয়নি। পাশাপাশি ভর্তুকি, আবগারি শুল্ক হ্রাস এবং পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (PNG) সংযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – কৃষি ও MSME-র জন্য একাধিক উদ্যোগ PM Modi Rajasthan প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম বাড়লেও কৃষকদের স্বল্পমূল্যে সার দেওয়ার জন্য সরকার ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME)-এর উন্নয়নের জন্য জরুরি ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। পরিবেশ ও জল সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একটি খেজরি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা দেন। তিনি সৌরশক্তির প্রসারে সোলার পার্ক, পিএম সূর্য ঘর প্রকল্প এবং পিএম কুসুম যোজনার আওতায় কৃষকদের সোলার পাম্প বিতরণের বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়া রাজস্থান ও হরিয়ানার মধ্যে ৩৪ হাজার কোটি টাকার জল প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাথনিকুন্ড ব্যারেজ থেকে ভূগর্ভস্থ পাইপলাইনের সাহায্যে শেখাওয়াটি অঞ্চলে পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। পটভূমি গত কয়েক বছরে রাজস্থানে অবকাঠামো, শিল্প, জ্বালানি এবং জল ব্যবস্থাপনায় একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। শনিবারের কর্মসূচি সেই ধারাবাহিকতারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারি বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দাবি, আধুনিক অবকাঠামো, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্পায়ন এবং জল ব্যবস্থাপনাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজস্থানের সার্বিক উন্নয়নে কেন্দ্র সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের সহযোগিতায় রাজ্যকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদও তিনি ব্যক্ত করেন। সাধারণ মানুষের জন্য প্রভাব এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজস্থানে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিল্প বিনিয়োগ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপদ জ্বালানি সরবরাহ এবং পানীয় জলের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষক, ক্ষুদ্র শিল্প এবং সাধারণ নাগরিকরাও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “যুদ্ধ চলাকালীনই ভারত ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি শুরু করে। ভারত বিশ্বকে এই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল, জাতীয় স্বার্থ এবং নাগরিকদের স্বার্থই আমাদের কাছে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। ‘নাগরিক দেব ভব’—এটাই আমাদের মূলমন্ত্র।”PM Modi Rajasthan মোদী আরও বলেন, “এখন আমি ১৪০ কোটি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। এই কঠিন সময়ে যেভাবে তাঁরা দেশের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন তার জন্য। যারা গুজব, ভয় ও বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল, দেশবাসী যেভাবে তাদের মোকাবিলা করেছেন তার জন্য। দেশে অস্থিতিশীলতা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র যেভাবে তাঁরা ব্যর্থ করে দিয়েছেন তার জন্য। সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা করেই দেশ এগিয়ে যেতে পেরেছে।”
Champat Roy Resignation: সমর্থনে অযোধ্যার সন্ত সমাজ
সকাল সকাল ডেস্ক। অযোধ্যার সন্ত সমাজের দাবি, Champat Roy Resignation নিয়ে এসআইটি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাস্ট যেন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেয়। অযোধ্যায় Champat Roy Resignation ঘিরে জল্পনা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়ের পদত্যাগপত্র জমা পড়ার পর বিষয়টি জাতীয় স্তরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এরই মধ্যে অযোধ্যার সন্ত সমাজ প্রকাশ্যে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাস্টের কাছে আবেদন জানিয়েছে, Champat Roy Resignation যেন এসআইটি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রহণ করা না হয়। তাঁদের দাবি, তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগে কোনও ব্যক্তিকে দোষী ধরে নেওয়া ন্যায়সংগত হবে না। শনিবার অযোধ্যার সন্ত সমাজের এক বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। সন্তদের বক্তব্য, রাম মন্দিরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কোনও প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। ৬ জুলাই ট্রাস্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চম্পত রায় ইতিমধ্যেই তাঁর পদত্যাগপত্র ট্রাস্টের কাছে জমা দিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – আগামী ৬ জুলাই ট্রাস্টের সভাপতি মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস মহারাজের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকেই Champat Roy Resignation নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই বৈঠকের দিকেই এখন নজর রয়েছে রামভক্ত, সন্ত সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট মহলের। এসআইটি তদন্তের আগে সিদ্ধান্ত নয় Champat Roy Resignation সাংবাদিক সম্মেলনে হিন্দু ধামের মহন্ত রাঘবেশ দাস বেদান্তী বলেন, রাম মন্দিরে দান করা অর্থের হিসাব নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তার প্রকৃত সত্য শুধুমাত্র স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (এসআইটি)-এর তদন্তের মাধ্যমেই সামনে আসতে পারে। তাঁর বক্তব্য, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে Champat Roy Resignation গ্রহণ করা হলে তা ভুল বার্তা দেবে। বরং তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পর প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাস্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ট্রাস্টের কাছে স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি মহন্ত রাঘবেশ দাস বেদান্তী আরও বলেন, ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ গোবিন্দ দেব গিরির উচিত জনসাধারণের সামনে আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব তুলে ধরা। তাঁর মতে, যদি মানুষের মনে কোনও প্রশ্ন বা সন্দেহ তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে ট্রাস্টের দায়িত্ব সেই সংশয় দূর করা। সন্ত সমাজের মতে, স্বচ্ছতা বজায় রাখলে রামভক্তদের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং অযথা বিতর্কও কমবে। চম্পত রায়ের দীর্ঘদিনের অবদানের উল্লেখ সন্ত সমাজের সদস্যরা চম্পত রায়ের দীর্ঘদিনের অবদানের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। তাঁদের বক্তব্য, তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে অযোধ্যায় থেকে রাম মন্দির আন্দোলন এবং মন্দির নির্মাণের কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। মহন্ত রাঘবেশ দাস বেদান্তীর দাবি, যিনি নিজেই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তাঁকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। রিপোর্ট প্রকাশের পর যদি কোনও অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তখন আইন ও ট্রাস্টের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। রামভক্তদের উদ্দেশে সন্ত সমাজের বার্তা সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত সন্তরা সমস্ত রামভক্তদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, যেন কেউ গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হন। তাঁদের বক্তব্য, রাম মন্দিরের দান সংক্রান্ত অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। পটভূমি সম্প্রতি রাম মন্দিরের দান সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই চম্পত রায় তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে জানা যায়। যদিও অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি। এই কারণেই বিষয়টি নিয়ে ধর্মীয় মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। সরকারি অবস্থান এখনও পর্যন্ত শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চম্পত রায়ের পদত্যাগ গ্রহণের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। ৬ জুলাইয়ের বৈঠকের পর ট্রাস্টের অবস্থান স্পষ্ট হতে পারে। একই সঙ্গে এসআইটি তদন্তের অগ্রগতির দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ত সমাজ সকল ভক্তকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তাঁদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্তের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনও গুজব বা অসমর্থিত তথ্য বিশ্বাস না করাই উচিত। তদন্তের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
Viksit Bharat-এর পথে 12 বছরের অগ্রগতি, দাবি রাজনাথ সিংয়ের
উৎপাদন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্টার্ট-আপ ও জনকল্যাণে কেন্দ্রের বিভিন্ন উদ্যোগের সাফল্যের দাবি তুলে ধরলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
PM Modi Indonesia Tour: 6-11 জুলাই ইন্দোনেশিয়া-সহ ত্রিদেশীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী
ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।
Ram Mandir Fund চুরিতে কড়া তদন্তের দাবি ভিএইচপির
অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দানের টাকা চুরির অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত, ফাস্ট ট্র্যাক শুনানি ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুললেন আলোক কুমার।
Mitali Express: ভারত-বাংলাদেশে ফের চালু হতে পারে তিন ট্রেন পরিষেবা
সকাল সকাল ডেস্ক। Mitali Express, মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর জোর সম্ভাবনা। দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের বৈঠক ও পরিকাঠামো পর্যালোচনার পর আশাবাদ বাড়ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে বলে আশা করা হচ্ছে। Mitali Express-সহ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচলকারী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ট্রেন ফের চালু হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক বৈঠক, ট্র্যাক ও পরিকাঠামো পর্যালোচনা এবং বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়ার পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন যাত্রী, পর্যটন শিল্প এবং ব্যবসায়ী মহল। ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের অন্যতম মাধ্যম এই তিনটি ট্রেন—Mitali Express, মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং বন্ধন এক্সপ্রেস। নিরাপত্তাজনিত কারণে পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ফের ট্রেন চলাচল শুরু হলে দুই দেশের সাধারণ মানুষের যোগাযোগ আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগে নতুন আশার আলো রেল সূত্রের খবর, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মধ্যে একাধিক দফায় বৈঠক হয়েছে। ট্রেন চলাচলের রুট, রেললাইন, সিগন্যালিং ব্যবস্থা, সীমান্তবর্তী অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি মাসের মধ্যেই Mitali Express-সহ তিনটি আন্তর্জাতিক ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – কী বলছে রেল কর্তৃপক্ষ? উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, Mitali Express চালুর বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, রেল বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী ট্র্যাক, স্টেশন অবকাঠামো এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত বিষয়ের মূল্যায়ন চলছে। সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট উচ্চ পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে। চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই পরিষেবা চালুর তারিখ ঘোষণা করা হবে। কেন বন্ধ হয়েছিল ট্রেন পরিষেবা? ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ভারত সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে Mitali Express, মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রী পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করে। তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যাতে ব্যাহত না হয়, সে কারণে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখা হয়েছিল। ফলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক, বাড়ছে সম্ভাবনা বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়েছে। একই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। রেল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দুই দেশের রেল আধিকারিকদের দ্বিতীয় বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়ে নীতিগতভাবে ইতিবাচক মতামত উঠে এসেছে। এর ফলে Mitali Express পুনরায় চালুর সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে। ভিসা পরিষেবা চালু হওয়ায় স্বস্তি প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা পরিষেবা আবার স্বাভাবিকভাবে চালু হয়েছে। এর ফলে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা এবং পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভারতে আসতে ইচ্ছুক বহু মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক চিকিৎসার জন্য কলকাতা, শিলিগুড়ি এবং ভারতের বিভিন্ন শহরে আসেন। তাঁদের কাছে Mitali Express এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ট্রেন পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সাশ্রয়ী যাতায়াতের মাধ্যম। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি ট্রেন পুনরায় চালু হলে শুধু যাত্রী চলাচলই সহজ হবে না, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং পর্যটন সম্পর্কও আরও শক্তিশালী হবে। রেল যোগাযোগ দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়াকে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের আরেকটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনটি আন্তর্জাতিক ট্রেনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা রয়েছে। রেল বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এই তিনটি ট্রেন পুনরায় চালু হলে সীমান্তের দুই প্রান্তের সাধারণ মানুষের বহুদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Suvendu Adhikari: ‘34 বছর সিদ্ধান্ত হয়েছে পার্টি অফিসে’, বিরোধীদের মর্যাদা ফেরানোর বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক নবনির্বাচিত বিধায়কদের প্রশিক্ষণ শিবিরে অতীতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সমালোচনা, গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার ও বিরোধীদের সম্মান দেওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী; ওম বিড়লারও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। লোকসভা সচিবালয়ের ‘প্রাইড’ (গণতন্ত্র বিষয়ক সংসদীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান) এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত নবনির্বাচিত বিধায়কদের বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে রাজনৈতিক সৌজন্য, সংসদীয় গণতন্ত্র এবং জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। একই মঞ্চে উপস্থিত থেকে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাও নবীন বিধায়কদের সংসদীয় শিষ্টাচার, আচরণ এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিশদ পরামর্শ দেন। ‘৩৪ বছর সিদ্ধান্ত হয়েছে পার্টি অফিসে’— তীব্র সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর প্রশিক্ষণ শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে Suvendu Adhikari রাজ্যের অতীত রাজনৈতিক সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম শাসনে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু ছিল পার্টি অফিস, বিধানসভার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সীমিত। পাশাপাশি গত ১৫ বছরের শাসনকালেও বিরোধী প্রতিনিধিদের যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যেখানে বিরোধী দলের বিধায়ক কিংবা সাংসদদের প্রশাসনিক গুরুত্ব প্রায় ছিল না বললেই চলে। এমনকি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে আচরণ করা হতো বলে তাঁর অভিযোগ। বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে Suvendu Adhikari জানান, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন তাঁকে কোনও প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এমনকি বিধানসভায় বক্তব্য রাখা থেকে বিরত রাখতে তাঁকে একাধিকবার সাসপেন্ডও করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তবে বর্তমান সরকারের অবস্থান ভিন্ন বলেই তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় মাসে অনুষ্ঠিত প্রতিটি প্রশাসনিক বৈঠকে দলমত নির্বিশেষে বিরোধী বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং তাঁদের এলাকার সমস্যা ও দাবিদাওয়াও গুরুত্ব দিয়ে শোনা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে গণতান্ত্রিক সহাবস্থানের পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি। নবীন বিধায়কদের দায়িত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দু’দিনের এই প্রশিক্ষণ শিবিরের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে Suvendu Adhikari বলেন, বিধানসভার কার্যপ্রণালী, আইন প্রণয়নের পদ্ধতি এবং সংসদীয় আচরণ সম্পর্কে প্রত্যেক জনপ্রতিনিধির সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রথমবার নির্বাচিত বিধায়কদের মনোযোগ দিয়ে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস স্মরণ করে তিনি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন প্রজন্মের জনপ্রতিনিধিদের সেই ইতিহাস জানা উচিত। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ওম বিড়লার পরিসংখ্যান ও পরামর্শ প্রশিক্ষণ শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা বর্তমান বিধানসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমান বিধানসভায় ২৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী ১৯৪ জন বিধায়ক রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে ১৮১ জনই প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বলেন, নতুন বিধায়কদের উচিত অতীতের বিধানসভা বিতর্ক, কার্যবিবরণী এবং অভিজ্ঞ আইনপ্রণেতাদের বক্তব্য নিয়মিত অধ্যয়ন করা। এতে সংসদীয় কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে কার্যকর প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে সুবিধা হবে। জনগণের কণ্ঠস্বর হওয়াই জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব ওম বিড়লা আরও বলেন, বিধানসভায় শুধুমাত্র নিজের বক্তব্য রাখাই নয়, অন্য সদস্যদের বক্তব্য মন দিয়ে শোনাও একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব। নিজের এলাকার উন্নয়ন, মানুষের সমস্যা এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলি নিয়মিতভাবে বিধানসভায় তুলে ধরা উচিত। সরকার কোনও বিষয়ে একমত হোক বা না হোক, জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে বিধায়কদের দায়িত্ব পালন করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি জনগণের মতামতকে যথাযথভাবে আইনসভায় তুলে ধরার মধ্যেই নিহিত। বাংলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার আহ্বান বাংলার ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে ওম বিড়লা বলেন, একসময় বাংলা গোটা দেশকে পথ দেখিয়েছে। বর্তমান সময়েও দেশের নজর বাংলার দিকে রয়েছে। তাই নতুন প্রজন্মের জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব হবে বাংলার গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং উন্নয়নের ধারাকে আরও শক্তিশালী করা। সরকারি কর্মসূচির তাৎপর্য লোকসভা সচিবালয় ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল নবনির্বাচিত বিধায়কদের সংসদীয় রীতি, আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া, সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দেওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের প্রশিক্ষণ জনপ্রতিনিধিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, এক বিধায়কের থেকে মানুষের আশা, প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে।এক বিধায়কের কী ভূমিকা? এই রাজ্যের কী আইন? রাজ্যবাসীর কী আশা, কী অবস্থা?- সবটা রাজ্যের উন্নয়নের সঙ্গে জুড়ে থাকে।
Adani Health City নিউ টাউনে! 1000 বেডের মেগা হাসপাতাল, পার্টনার Mayo Clinic
সকাল সকাল ডেস্ক Adani Health City প্রকল্পে নিউ টাউনে আসছে ১,০০০ শয্যার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ ও গবেষণা কেন্দ্র; Mayo Clinic-এর কৌশলগত সহযোগিতা রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয়। Adani Health City প্রকল্পের মাধ্যমে কলকাতার নিউ টাউনে ১,০০০ শয্যার অত্যাধুনিক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ এবং গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে আদানি গোষ্ঠী। নবান্ন সূত্রের খবর, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণ আদানির বৈঠকে এই প্রকল্প নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। বাস্তবায়িত হলে Adani Health City পূর্ব ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবায় একটি বড় মাইলফলক হতে পারে। Adani Health City-তে ১,০০০ বেডের আধুনিক হাসপাতাল প্রস্তাবিত Adani Health City-তে থাকবে ১,০০০ শয্যার মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। এর মধ্যে ৫০০টি বেড মধ্যবিত্ত ও আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ৫০০টি বেড আন্তর্জাতিক মানের পরিষেবা-সহ সাধারণ ও বিদেশি রোগীদের জন্য উপলব্ধ থাকবে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য শুধু উন্নত চিকিৎসা নয়, বরং বিশ্বমানের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা। Mayo Clinic-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব কেন গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের অন্যতম বড় আকর্ষণ হল বিশ্বের অন্যতম সেরা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান Mayo Clinic-এর সহযোগিতা। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটাভিত্তিক এই অলাভজনক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হৃদরোগ, ক্যানসার, নিউরোলজি, অঙ্গ প্রতিস্থাপন, অর্থোপেডিকস, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি এবং বিরল রোগের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। আদানি গোষ্ঠীর পরিকল্পনা অনুযায়ী, Mayo Clinic হাসপাতালের সাংগঠনিক কাঠামো, আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল প্রোটোকল, ডিজিটাল হেলথ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোগী পরিষেবা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে কৌশলগত পরামর্শ দেবে। ফলে কলকাতার প্রস্তাবিত Adani Health City আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ ও গবেষণার নতুন কেন্দ্র হাসপাতালের পাশাপাশি এই প্রকল্পে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রতি বছর ১৫০ জন এমবিবিএস শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবেন। এছাড়াও থাকবে AI-ভিত্তিক গবেষণাগার, বায়োমেডিক্যাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার, ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ইউনিট, ৮০-র বেশি রেসিডেন্ট চিকিৎসকের প্রশিক্ষণ এবং ৪০-র বেশি ফেলোশিপ প্রোগ্রাম। এর ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণাতেও নতুন দিগন্ত খুলতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ পূর্ব ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বহু রোগী জটিল চিকিৎসার জন্য চেন্নাই, বেঙ্গালুরু বা মুম্বইয়ে যেতে বাধ্য হন। Adani Health City বাস্তবায়িত হলে কলকাতাই পূর্ব ভারতের অন্যতম আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের রোগীরাও উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতাকে বেছে নিতে পারবেন। এতে মেডিক্যাল ট্যুরিজম, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। সরকারি অবস্থান নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্প নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে নিউ টাউনে উপযুক্ত জমি বরাদ্দ এবং প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে প্রকল্পটি। আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর নির্মাণের সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে। সাধারণ মানুষের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ তুলনামূলক কম খরচে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি নতুন মেডিক্যাল কলেজ, গবেষণা কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণের ফলে কর্মসংস্থানও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরিষেবার জন্য দেশের অন্য শহরে যাওয়ার প্রয়োজনও অনেকাংশে কমতে পারে।
SIR: মিজোরামের ভোটার তালিকা থেকে বাদ 46 হাজার নাম
বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) শেষে ডিজিটালাইজেশনে দেশের প্রথম মিজোরাম, ৪ জুলাই প্রকাশ হবে খসড়া ভোটার তালিকা
Tiger Relocation নিয়ে আলওয়ারে বড় কর্মশালা
সারিস্কার সফল অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে বাঘ পুনর্বাসন, প্রজেক্ট চিতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক সংরক্ষণ কৌশল নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনা