Jharkhand Rain Alert 2026: 13 জেলায় Yellow Alert, টানা বৃষ্টিতে রাঁচি-সহ রাজ্যজুড়ে জলমগ্ন জনজীবন
সকাল সকাল ডেস্ক ৭ ও ৮ জুলাই ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। রাঁচি-সহ একাধিক জেলায় জলজমায় দুর্ভোগ, প্রশাসনের সতর্কবার্তা। Heavy Rain in Jharkhand: রাঁচি-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত জনজীবন টানা দু’দিনের ভারী বর্ষণে কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ঝাড়খণ্ডের স্বাভাবিক জনজীবন। Jharkhand Rain Alert-এর মধ্যে রাজধানী রাঁচি-সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। শহর ও গ্রামীণ এলাকার বহু নিচু অংশে জল জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের আবহাওয়া দফতর ৭ ও ৮ জুলাই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করেছে। সোমবার ভোর থেকেই রাঁচিতে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। দুপুরের পর কিছুটা রোদ উঠলেও শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল নামতে দীর্ঘ সময় লাগে। নিকাশি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে বহু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাঁচির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলজমা, বাড়ল ভোগান্তি Jharkhand Rain Alert-এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে রাজধানী রাঁচিতে। আপার বাজারের সেবা সদন রোড, গাড়িখানা, হারমু রোড, আর্গোড়া, পান্ডরা রোড-সহ একাধিক এলাকায় জল জমে যান চলাচল কার্যত ধীর হয়ে যায়। রাঁচির আপার বাজার এলাকার সেবা সদন রোড, গাড়িখানা, হারমু রোড, আর্গোড়া, পান্ডরা রোড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলজমার ছবি দেখা গেছে। অনেক জায়গায় নর্দমার জল রাস্তায় উঠে আসায় যানবাহনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। মোটরগাড়ি চালকদের পাশাপাশি পথচারীরাও চরম সমস্যার মুখে পড়েন। বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে দীর্ঘক্ষণ যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেক জায়গায় নর্দমার জল রাস্তায় উঠে আসায় মোটরগাড়ি চালক ও পথচারীদের ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়। অফিস টাইমে বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং নিত্যদিনের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। কোথায় কত বৃষ্টি হয়েছে? আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাঁচিতে ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে— ৭ ও ৮ জুলাই ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সতর্কতা আবহাওয়া বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বিচ্ছিন্নভাবে বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, বড় গাছ কিংবা বৈদ্যুতিক খুঁটির কাছাকাছি না যাওয়ারও আবেদন জানানো হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ তাপমাত্রা কমলেও বাড়ছে জলাবদ্ধতার সমস্যা টানা বৃষ্টির কারণে রাজ্যের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সোমবার বিভিন্ন শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল— তাপমাত্রা কমলেও লাগাতার বর্ষণের ফলে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। আগামী কয়েক দিনও সক্রিয় থাকবে মৌসুমি বায়ু আবহাওয়া দফতরের মতে, ঝাড়খণ্ডের ওপর মৌসুমি বায়ু এখনও সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা, বজ্রপাত, ঝোড়ো হাওয়া এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি পরিষেবাগুলিকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। Background দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় গত কয়েক দিন ধরে ঝাড়খণ্ডের অধিকাংশ জেলায় ধারাবাহিক বৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে নদী-নালা ও ড্রেনের জলস্তর বেড়েছে এবং শহরাঞ্চলে জলনিকাশি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। Impact Official Statement আবহাওয়া বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, ৭ ও ৮ জুলাই ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্য প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সব দফতরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সরকারি আবহাওয়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। Public Information জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন। অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ির বাইরে বের হবেন না। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ পাকা ভবনে আশ্রয় নিন। জলমগ্ন রাস্তা পার হওয়ার সময় সতর্ক থাকুন। আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস নিয়মিত অনুসরণ করুন।
রেলের নতুন কড়া আইন : টিকিট ছাড়া যাত্রা থেকে ধূমপান, বাড়ল জরিমানা
সকাল সকাল ডেস্ক নিউ দিল্লী রেলযাত্রাকে আরও নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও যাত্রীবান্ধব করতে ‘জন বিশ্বাস (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর আওতায় রেলওয়ে আইন, ১৯৮৯-এ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ভারতীয় রেল। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর রেল মন্ত্রক সংশোধিত জরিমানা ও নতুন নিয়ম কার্যকর করেছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, টিকিট ছাড়া বা অবৈধ টিকিটে ভ্রমণ করলে ন্যূনতম ৫০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। অন্যের নামে ইস্যু করা টিকিট ব্যবহার করলেও টিকিট বাজেয়াপ্ত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ৫০০ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। স্টেশন বা ট্রেনে অনুমোদনহীন হকারি ও ভিক্ষাবৃত্তির জন্য ২ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, থুতু ফেলা বা অশালীন আচরণের জন্য ১ হাজার টাকা জরিমানা হবে। একই অপরাধ বারবার করলে জরিমানা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারে। যাত্রী এলাকায় অনধিকার প্রবেশের জন্য ৫০০ টাকা এবং রেল প্রাঙ্গণ বা ট্রেনে ধূমপানের জন্য ২ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। মহিলা কোচ বা সংরক্ষিত আসনে অনধিকার প্রবেশকারী পুরুষ যাত্রীকে ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। সবচেয়ে কঠোর শাস্তি রাখা হয়েছে আপত্তিকর বা বিপজ্জনক সামগ্রী বহনের ক্ষেত্রে, যেখানে ন্যূনতম জরিমানা ১০ হাজার টাকা। রেল মন্ত্রকের মতে, এই সংশোধিত আইন যাত্রীদের মধ্যে নিয়ম মেনে চলার প্রবণতা বাড়াবে এবং ট্রেন ও স্টেশনের পরিবেশকে আরও নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন করে তুলবে।
“বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য” আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি : রাজ্যপাল
রাঁচি। রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার আজ লোক ভবনে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ স্থাপনা দিবস অনুষ্ঠানে ঝাড়খণ্ডে বসবাসরত পশ্চিমবঙ্গবাসীদের উদ্দেশে বলেন, ভারত বৈচিত্র্যের দেশ এবং বহু ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারার এক মিলনস্থল। ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও “বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য” আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
কোনোও যোগ্য ভারতীয় নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না : কে. রবি কুমার
রাঁচি। মুখ্য নির্বাচনী পদাধিকারী শ্রী কে. রবি কুমার বলেছেন, বর্তমানে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনার কাজ চলছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো—একজনও যোগ্য ভারতীয় নাগরিক যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়েন এবং কোনো অযোগ্য ব্যক্তি যেন তালিকাভুক্ত না হন। এই লক্ষ্যে ভারত নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সকল জেলা নির্বাচনী পদাধিকারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনো আদেশ জারি করার সময় বা ভোটারদের সচেতন করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা যেন কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়।
২৬ জুন পর্যন্ত বৃষ্টি-বজ্রপাতের পূর্বাভাস, গরম ও অস্বস্তিতে নাজেহাল ঝাড়খণ্ড
রাঁচি : ঝাড়খণ্ডজুড়ে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। রাজধানী রাঁচি-সহ অধিকাংশ জেলায় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ।
পরিমল নাথওয়ানির জয়ে উচ্ছ্বসিত ঝাড়খণ্ড বিজেপি
রাঁচি: ঝাড়খণ্ড রাজ্যসভা নির্বাচনে এনডিএ সমর্থিত নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানির জয়ের পর উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে ঝাড়খণ্ড বিজেপি। দলের নেতারা আগেই তাঁর জয়ের দাবি করেছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবে পরিণত হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পর বিজেপি শিবিরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
রেডিসন ব্লু হোটেলে এনডিএ বিধায়কদের ঐক্যের বার্তা, মক পোলের মাধ্যমে ভোটদান প্রশিক্ষণ
রাঁচি। ১৮ জুন ঝাড়খণ্ডে অনুষ্ঠিত হতে চলা রাজ্যসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এনডিএ শিবিরে উৎসাহ তুঙ্গে। ভোটগ্রহণের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকায় রাঁচির রেডিসন ব্লু হোটেলে অবস্থানরত এনডিএ বিধায়কদের রাজনৈতিক তৎপরতা চরমে পৌঁছেছে।
ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৫৬০ কোটি টাকার বাজেট পেশ অর্থমন্ত্রীর
Finance Minister presents budget of Rs 1,58,560 crore in Jharkhand Assembly
ঝাড়খণ্ড পুর নির্বাচনে ভোট দিলেন সঞ্জয় শেঠ, ভাগ্যপরীক্ষা ৬১২৪ জন প্রার্থীর
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি : ঝাড়খণ্ড পৌর নির্বাচনের জন্য ভোট দিলেন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ। সোমবার সকালে রাঁচির একটি বুথে গিয়ে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। ভোট দেওয়ার পর প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ বলেন, “এখানে উৎসাহ দেখে আমাদের মনে হচ্ছে আগের রেকর্ড ভেঙে যাবে। ভোটের শতাংশ কমানোর জন্য ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। যখন আমি ভোট দিতে গিয়েছিলাম, তখন আমাদের প্রায় ১৫ মিনিট সময় লেগেছিল। আমরা প্রথমবারের মতো দেখছি, একই ব্যালট বাক্সে দুজনের (কাউন্সিলর এবং মেয়র) ভোট দেওয়া হচ্ছে। দু’টি ব্যালট বাক্স রাখা কি সম্ভব ছিল না? এটা ভুল। মেয়র এবং কাউন্সিলরের ব্যালট বাক্স আলাদা হওয়া উচিত। এটা নির্বাচন কমিশনের একটি ভুল।” সোমবার ঝাড়খণ্ডের ৪৮টি পুরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৪,৩৩,৫৭৪ জন ভোটার ৬,১২৪ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪,৩০৪টি। মেয়র, চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের জন্য ভোটগ্রহণ বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। মহিলারাও বিপুল সংখ্যক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সিএম হেমন্ত সোরেনের সাথে জল ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ড. মিহির শাহের সাক্ষাৎ
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সাথে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী আবাসিক কার্যালয়ে জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ড. মিহির শাহ এবং ভারত রুরাল লাইভলিহুডস ফাউন্ডেশন (BRLF)-এর মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক (সিইও) কুলদীপ সিং সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সময় প্রতিনিধিদল ঝাড়খণ্ডে উপজাতীয় সম্প্রদায়ের স্থায়ী জীবিকা, গ্রামীণ উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ এবং জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে বিস্তারিত আলোচনা করে। একই সাথে এই ক্ষেত্রগুলিতে রাজ্য সরকারের সাথে সমন্বয় স্থাপন করে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এই দিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং উপজাতীয় অঞ্চলগুলিতে স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করার উপর জোর দেন।