জবরাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে হুড়া থানার বিশেষ উদ্যোগ: ট্রাফিক আইন, সাইবার অপরাধ ও বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতা শিবির
সকাল সকাল ডেস্ক শেফালী মাহাতো, পুরুলিয়া: সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং সামাজিক ব্যাধি দূর করতে এক অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। আজ পুরুলিয়া জেলা পুলিশের হুড়া থানার বিশেষ তৎপরতায় জবরাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে ট্রাফিক নিয়ম, সাইবার অপরাধ এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই বিশেষ শিবিরে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনের নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন হুড়া থানার পুলিশ আধিকারিকরা। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে পথ নিরাপত্তা যেভাবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে, সে কথা মাথায় রেখে অনুষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, হেলমেট ব্যবহার এবং নাবালকদের গাড়ি বা বাইক চালানো থেকে বিরত থাকার বিষয়ে পড়ুয়াদের কড়া বার্তা দেওয়া হয়। এবং স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের যুগে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকা অনলাইন জালিয়াতি ও প্রতারণা নিয়ে আলোচনা ছিল এই শিবিরের অন্যতম মূল আকর্ষণ। বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা যাতে কোনোভাবেই অনলাইন ব্ল্যাকমেইলিং, ফেক অ্যাকাউন্ট বা লটারি-লিংকের ফাঁদে পা না দেয়, সেই বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সহজ ভাষায় বিভিন্ন বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরেন। কোনো অপরিচিত ব্যক্তির সাথে ওটিপি (OTP) বা ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার না করার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হয়। তাছাড়া সমাজের অন্যতম বড় অভিশাপ ‘বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব’ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। অল্প বয়সে বিয়ের কারণে মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ কীভাবে বাধাগ্রস্ত হয় এবং তা আইনের দৃষ্টিতে কতটা বড় অপরাধ, সে সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হয়। স্কুল স্তরেই যাতে কোনো শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহের শিকার না হয়, তার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। কর্মসূচির শেষে উপস্থিত সমস্ত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের হাতে পুলিশের জরুরি নম্বর সংবলিত বিশেষ ‘কন্ট্যাক্ট স্লিপ’ বা যোগাযোগ পত্র তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বা কোনো বিপদের আশঙ্কা দেখলে সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীরা যাতে সরাসরি ও দ্রুততম সময়ে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তার জন্যই এই বিশেষ কন্ট্যাক্ট স্লিপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশের এই সময়োপযোগী ভূমিকায় অত্যন্ত খুশি জবরাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সব্যসাচী দত্তকে বিধাননগর আদালতে পেশ
সকাল সকাল ডেস্ককলকাতা, ১৭ জুন : আট দিনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষে বুধবার বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তকে পুনরায় বিধাননগর আদালতে পেশ করা হলো। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এ দিন আদালত চত্বরের চিত্রটা ছিল অনেকটাই শান্ত। এদিন তাঁর ওপর কোনও ডিম ছোড়া বা বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেনি। ধৃত প্রাক্তন পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে মূলত তোলাবাজি এবং হুমকির অভিযোগে মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। এদিন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত আট দিন নিজেদের হেফাজতে রেখে ধৃতকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গত দু’দিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু পরিমাণ সোনা এবং একাধিক মূল্যবান সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে সব্যসাচী দত্তের আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারি চালিয়ে তাঁর পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে দাবি, ওই অ্যাকাউন্টগুলোতে কয়েক কোটি টাকা ও ব্যাঙ্কে দুটো লকার রয়েছে। সেখানে গয়না থাকতে পারে। এছাড়াও তদন্তের স্বার্থে তাঁর একটি বিলাসবহুল গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত ৮ জুন সব্যসাচীকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের করেন এক ব্যবসায়ী। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল টাকা তোলা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা রাজারহাট-নিউটাউনের প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচীর বিরুদ্ধে। যদিও সব্যসাচী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কেউ আইন হাতে নেবেন না, হামলাকারীদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত হবে : ফলতার হিংসায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা
সকাল সকাল ডেস্ককলকাতা, ১৭ জুন : দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় ঘটে যাওয়া হিংসাত্মক ঘটনা নিয়ে অত্যন্ত কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুলিশ, সরকারি কর্মচারী এবং আধা-সামরিক বাহিনীর ওপর হামলাকারীদের কোনও অবস্থাতেই রেয়াত করা হবে না। বুধবার ফলতায় আয়োজিত একটি জনসভা থেকে তিনি প্রশাসনের উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেন, এই ঘটনায় জড়িত সমস্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে যেন কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে যাদের শনাক্ত করা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার দেশবিরোধী কার্যকলাপ সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করতে হবে। জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এমন পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ পুলিশ, সরকারি কর্মী বা আধা-সামরিক বাহিনীর ওপর চড়াও হওয়ার সাহস না পায়। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, শুধু জেলে পাঠানোই যথেষ্ট নয়, হামলায় জড়িতদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করে তা নিলাম করা হবে। রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সরকারের মূল অগ্রাধিকার এবং এই বিষয়ে কোনও রকম শিথিলতা দেখানো হবে না। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ফলতায় জাহাঙ্গীর খানের মুক্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ বিক্ষোভ দেখায়, যার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন জাহাঙ্গীরের স্ত্রী। সেই বিক্ষোভ চলাকালীনই পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ঘটনার সময় তিনি কার্শিয়াঙে ছিলেন এবং টেলিভিশনে পুরো ঘটনাটি দেখেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এক মাফিয়ার স্ত্রীর নেতৃত্বে কিছু মানুষ পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। তিনি সাফ জানান, ফলতাতেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং সে যতই বড় মাফিয়া হোক না কেন, বিজেপি সরকার তাকে যোগ্য শিক্ষা দিয়ে ছাড়বে। রাজ্যে কোনও ধরনের গুন্ডাগিরি, জমি দখল বা ‘মব জাস্টিস’ (জনতার বিচার) মেনে নেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেন, কেউ যেন আইন নিজের হাতে না তুলে নেন। কারণ, আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোরতম ব্যবস্থা নেবে এবং কোনও দোষী পার পাবে না।
আরজি কর কাণ্ড: এবার পানিহাটি শ্মশানে সিবিআই
সকাল সকাল ডেস্ককলকাতা, ১৭ জুন : আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় নতুন করে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই । বুধবার তদন্তের স্বার্থে সিবিআই-এর একটি বিশেষ দল উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি শ্মশানে পৌঁছয়। ঘটনার দিন নির্যাতিতার দেহ তড়িঘড়ি এই শ্মশানে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন তাঁর বাবা-মা। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই এদিন শ্মশানে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও নথিপত্র খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তদন্তকারী দল সূত্রে জানা গেছে, এদিন পানিহাটি শ্মশানে গিয়ে তৎকালীন শ্মশান পরিদর্শক, দাহকার্যের দায়িত্বে থাকা কর্মী এবং স্থানীয় পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত বছরের আগস্ট মাসে দেহ শ্মশানে নিয়ে আসার পর থেকে দাহ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত ঠিক কী কী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয়। একই সঙ্গে শ্মশানের রেজিস্টার বুক এবং দাহ সংক্রান্ত শংসাপত্রের নথিপত্রও পরীক্ষা করেন তাঁরা। উল্লেখ্য, আরজি কর কাণ্ডের পর থেকেই নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে, ঘটনার দিন পুলিশ ও প্রশাসনের একাংশ অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে দেহ পানিহাটি শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করার ব্যবস্থা করেছিল। পরিবারের সম্মতি ও উপস্থিতি সত্ত্বেও কেন এত দ্রুততার সঙ্গে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হলো এবং এর পেছনে কোনও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা ছিল কি না— তা জানতেই সিবিআই এই নতুন করে তদন্তে নেমেছে। শ্মশানের সিসিটিভি ফুটেজ এবং তৎকালীন নথি খতিয়ে দেখে এই প্রক্রিয়ায় কার কার ভূমিকা ছিল, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।
কার্শিয়াং পৌঁছালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি, ১৬ জুন : রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতা দখলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো কার্শিয়াং পৌঁছালেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন কার্শিয়াং -এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সূত্র অনুযায়ী, বাগডোগরা বিমানবন্দরে অবতরণের পর হেলিকপ্টারে করে তাঁর কার্শিয়াং যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁকে সড়কপথে যেতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কার্শিয়াং -এর গোথালস মেমোরিয়াল স্কুল মাঠে আয়োজিত একটি জনকল্যাণ শিবিরে যোগ দেন। এছাড়া মন্টেভিট গ্রাউন্ডে স্থানীয়রা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। মন্ত্রী নিশিত প্রামাণিক, প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন এবং দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা সহ বহু জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। উত্তরবঙ্গ এবং পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনসংযোগের জন্য এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দুর্গাপুরে ঝাঁটা হাতে রাস্তায় মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল
সকাল সকাল ডেস্ক দুর্গাপুর, ১৬ জুন : রাজ্য সরকারের নেওয়া উদ্যোগের অংশ হিসেবে এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয় দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল স্বয়ং ঝাড়ু হাতে রাস্তায় নেমে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। তাঁর এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এদিন সকালের এই বিশেষ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস পোন্নাবলম, দুর্গাপুর নগর নিগমের কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের আধিকারিক এবং সাফাই কর্মীরা। ‘নির্মল বন্ধু’ ও ‘নির্মল সাথী’দের নিয়ে মন্ত্রী বাসস্ট্যান্ড ও সংলগ্ন এলাকা পরিষ্কার করেন এবং স্থানীয় দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দোকান ও চারপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেন। শহরবাসীর উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, জনবহুল এলাকা, রাস্তা বা বাসস্ট্যান্ডে যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলা কিংবা পানের পিক ফেলার প্রবণতা আর বরদাস্ত করা হবে না। নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই জরিমানার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে আগে থেকেই সচেতন করা হচ্ছে যাতে তাঁরা শহর পরিষ্কার রাখতে সহযোগিতা করেন। মন্ত্রী আরও জানান, খুব শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটি হেল্পলাইন নম্বরের উদ্বোধন করবেন। শহরবাসী ওই নম্বরে ফোন করে আবর্জনা সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা জানাতে পারবেন এবং সরকারি উদ্যোগে দ্রুত তার সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে। সরকারের এই কঠোর অবস্থান ও মন্ত্রীর সরাসরি মাঠে নামার ঘটনা শহরবাসীকে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আরও দায়িত্বশীল করে তুলবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
শিল্পায়নে নতুন রোডম্যাপ, টাটাকে বাংলায় ফেরাতে উদ্যোগী সরকার
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা বাংলায় নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্যের শিল্পায়ন নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল— টাটা গোষ্ঠী কি আবার পশ্চিমবঙ্গে ফিরবে? সেই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সিঙ্গুর ও টাটা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “টাটাকে এখানে আনব আমরা।” তবে টাটা গোষ্ঠীকে সিঙ্গুরেই ফিরিয়ে আনা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনও নির্দিষ্ট মন্তব্য করেননি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিঙ্গুরের জমির বর্তমান মালিকানা সরকারের হাতে নেই। পূর্ববর্তী সরকার সেই জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দিয়েছিল। তাই সেই জমিতে নতুন করে শিল্প স্থাপন বা টাটা প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তিনি সিঙ্গুরের জমির বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। শুভেন্দুর দাবি, জমি ফেরত পেলেও কৃষকরা আজ সেখানে স্বাভাবিক চাষাবাদ করতে পারছেন না। তাঁর কথায়, “ওই জমিতে এখন না সর্ষে হচ্ছে, না আলু, না ধান। মাছ চাষেরও চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু তাতেও সাফল্য আসেনি।” তিনি অভিযোগ করেন, শিল্প প্রকল্পের সময় ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর প্রভাবে জমির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে এবং মাটির চরিত্র বদলে গেছে। শিল্পায়নের প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন সরকার শুধুমাত্র প্রচারমুখী বিনিয়োগ সম্মেলনের পথে হাঁটবে না। তাঁর মতে, অতীতে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের নামে বহু ঘোষণার পরও বাস্তবে অনেক বিনিয়োগ কার্যকর হয়নি। এবার শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর একাধিক সংস্থা বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে কোনও সংস্থাকে অনুমোদন দেওয়ার আগে তাদের আর্থিক ও আইনি অবস্থান খতিয়ে দেখা হবে। এই লক্ষ্যে শিল্প সচিব বন্দনা যাদবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ স্ক্রিনিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জমি জালিয়াতি, ব্যাঙ্ক প্রতারণা বা অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্তাধীন কোনও সংস্থাকে বাংলায় শিল্প স্থাপনের সুযোগ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে শুধুমাত্র জমি নিয়ে ফেলে রাখার প্রবণতাও বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর লক্ষ্যে সরকার তিন দফা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে রয়েছে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ, মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ঋণ সহায়তা বৃদ্ধি এবং ভারী শিল্পের পাশাপাশি ফুড প্রসেসিং, উদ্যানপালন ও মৎস্যভিত্তিক শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, টাটার মতো বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগ করলে শুধু কর্মসংস্থানই নয়, রাস্তা, সেতু ও অন্যান্য পরিকাঠামোরও উন্নয়ন হবে। ফলে শিল্পায়নের মাধ্যমে রাজ্যের যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যাও অনেকটাই কমবে বলে আশাবাদী রাজ্য সরকার।
স্বপনের হাতে অর্থ, দীপকের কাঁধে শিক্ষা, চূড়ান্ত বিজেপি সরকারের দফতর বণ্টন
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা, ১০ জুন : পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও দফতর বণ্টন নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। গত ১ জুন রাজ্যপাল আর.এন. রবির উপস্থিতিতে শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের তালিকা বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় বর্তমানে মোট ৪১ জন সদস্য রয়েছেন। নতুন দফতর বণ্টনে আঞ্চলিক ভারসাম্য, সামাজিক প্রতিনিধিত্ব এবং নারী অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত। মন্ত্রিসভায় উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মোট ১০ জন মন্ত্রী উত্তরবঙ্গ থেকে উঠে এসেছেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি অগ্নিমিত্রা পাল ও মালতি রাভা রায়ের মতো মহিলা নেত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের কাছেই রেখেছেন। অর্থ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিক স্বপন দাশগুপ্তকে। শিক্ষা ক্ষেত্রে বড় দায়িত্ব পেয়েছেন দীপক বর্মন। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে স্কুল শিক্ষা, আবাসন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতর। অন্যদিকে উচ্চশিক্ষা দফতরের দায়িত্ব সামলাবেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অগ্নিমিত্রা পালের হাতে গিয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, আর তাপস রায় পেয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শ্বারদত মুখোপাধ্যায়কে। পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্বে রয়েছেন মনোজকুমার ওরাওঁ। এছাড়া উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও জলসম্পদ তদন্ত ও উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক। আদিবাসী কল্যাণ এবং সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের দায়িত্বে রয়েছেন ক্ষুদিরাম টুডু। কৃষি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুধকুমার মণ্ডলকে, আর তথ্যপ্রযুক্তি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের দায়িত্ব সামলাবেন কল্যাণ চক্রবর্তী। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মালতি রাভা রায় পেয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর। রাজেশ মাহাতোর হাতে গিয়েছে মৎস্য দফতর এবং ইন্দ্রনীল খাঁ পেয়েছেন ক্রীড়া ও ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের দায়িত্ব। এছাড়া ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দফতরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আনন্দময় বর্মন অর্থ ও পরিবহণ, কৌশিক চৌধুরী স্কুল শিক্ষা ও অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা, সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং বিরাজ বিশ্বাস আইন ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন মন্ত্রিসভার এই দফতর বণ্টনের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজকর্মে গতি আনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে সরকার। এখন নজর থাকবে নতুন মন্ত্রীরা নিজেদের দায়িত্ব কতটা কার্যকরভাবে পালন করতে পারেন, তার ওপর।
কোলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়ক ও সাংসদদের উপস্থিতি, চর্চা তুঙ্গে
সকাল সকাল ডেস্ক পূর্ব মেদিনীপুর, ৯ জুন: কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে আয়োজিত প্রশাসনিক বৈঠকে এবার নজর কাড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিদ্রোহী জনপ্রতিনিধির উপস্থিতি। মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির হন তৃণমূলের দুই সাংসদ দেব ও জুন মালিয়া এবং বিধায়ক শিউলি সাহা। তাঁদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। মঙ্গলবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম—এই তিন জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ও প্রশাসনিক সমন্বয়কে সামনে রেখে আয়োজিত এই বৈঠকে ডাক পান তিন জেলার বিভিন্ন দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট তিন জেলার জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক, বিভিন্ন দফতরের আধিকারিক এবং পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি বৈঠককে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের নতুন অবস্থান অনুযায়ী, উন্নয়নমূলক কাজকে আরও গতিশীল করতে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই একাধিকবার জানিয়েছেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় থাকলে উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগোবে। এই নীতিরই প্রতিফলন দেখা গেল কোলাঘাটের বৈঠকে। দলীয় মতভেদ সরিয়ে উন্নয়নের প্রশ্নে একসঙ্গে বসার এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে যেমন আলোচনা শুরু হয়েছে, তেমনই প্রশাসনিক স্তরেও বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। তিন জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কাজের গতি বাড়াতে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্য পুলিশে ব্যাপক রদবদল, বদলি ১৭৯ আইপিএস ও ডব্লিউবিপিএস অফিসার
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা, ৮ জুন : বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে রাজ্য পুলিশে বড়সড় রদবদল করল নবান্ন। সোমবার রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে ১৭৯ জন আইপিএস ও ডব্লিউবিপিএস আধিকারিকের বদলি ও পদোন্নতির ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার, ডিসিপি, আইজিপি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। বদলির তালিকায় ডায়মন্ড হারবার, বীরভূম, বারাসাত, পূর্ব বর্ধমান, বারুইপুর, বাঁকুড়া, হাওড়া গ্রামীণ ও হুগলি গ্রামীণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলিও রয়েছে। ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার ঈশানি পালকে কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ-পশ্চিম বিভাগের ডিসি পদে আনা হয়েছে। বীরভূমের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিদিত রাজ বুন্দেশ, যিনি এতদিন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষ শাখায় কর্মরত ছিলেন। পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার সায়ক দাসকে কলকাতা পুলিশের উত্তর বিভাগের ডিসি করা হয়েছে। বারাসাতের পুলিশ সুপার পদে দায়িত্ব পেয়েছেন আইপিএস জে মার্সি। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার ওয়াই রঘুবংশিকে উত্তরবঙ্গ এসটিএফ-এর সুপার পদে পাঠানো হয়েছে। পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারিকে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার করা হয়েছে। উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ক্ষেত্রেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বদলি হয়েছে। রাজেশ কুমার যাদবকে বাঁকুড়া রেঞ্জের আইজিপি পদ থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর আইজিপি করা হয়েছে। দীপ নারায়ণ গোস্বামীকে মালদা রেঞ্জ থেকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদে আনা হয়েছে। গৌরব শর্মা পেয়েছেন এসটিএফ-এর আইজিপি পদ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মুরলি ধরকে রাজ্য গোয়েন্দা শাখা (আইবি)-র আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে একাধিক আধিকারিকের পদোন্নতিও ঘোষণা করা হয়েছে। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজার পদমর্যাদা ডিআইজি থেকে উন্নীত করে আইজিপি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) সোমা দাস মিত্র পদোন্নতি পেয়ে আইজিপি (পলিসি) হয়েছেন। অর্ণব ঘোষ হয়েছেন আইজিপি কোস্টাল সিকিউরিটি এবং অলোক রাজোরিয়া আইজিপি (লিগ্যাল) পদে উন্নীত হয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের এই ব্যাপক রদবদলকে নির্বাচনের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন প্রশাসনিক মহলের একাংশ।