Shivraj Singh Chouhan: Advanced India গড়তে কৃষির উন্নয়নই মূল চাবিকাঠি
সকাল সকাল ডেস্ক। পন্তনগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সম্মেলনে কৃষি গবেষণা, উদ্ভাবন ও কৃষকের সমৃদ্ধির ওপর জোর দিলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। ভারতের উন্নয়নের ভবিষ্যৎ কৃষির সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। Shivraj Singh Chouhan মনে করেন, দেশের কৃষি ও কৃষকের অবস্থার উন্নয়ন ছাড়া Advanced India-এর স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যেই কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী। উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগরের পন্তনগরে অবস্থিত গোবিন্দ বল্লভ পন্ত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত দু’দিনের প্রাক্তনী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি, রাজ্যের মন্ত্রী গণেশ যোশীসহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। কৃষির উন্নয়নেই উন্নত ভারতের ভিত্তি অনুষ্ঠানে Shivraj Singh Chouhan বলেন, ভারতের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি কৃষি। কৃষিক্ষেত্র যত শক্তিশালী হবে, ততই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাঁর মতে, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতা উন্নত করাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হওয়া উচিত। তিনি বলেন, বর্তমানে ভারত প্রায় ৩৭৭ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য উৎপাদন করছে। ধান উৎপাদনে ভারত বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলির মধ্যে অন্যতম এবং গম উৎপাদনেও দেশ উদ্বৃত্ত অবস্থানে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় গম ও বাসমতী চালের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পন্তনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক অবদান কৃষিমন্ত্রী বলেন, গোবিন্দ বল্লভ পন্ত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ভারতীয় কৃষির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দেশের সবুজ বিপ্লবের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য কৃষি বিজ্ঞানী, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি করেছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে যে, ভারতের কৃষিক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, তার পেছনে পন্তনগরের মতো গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি প্রযুক্তির উন্নয়ন, নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবন এবং কৃষকদের মধ্যে আধুনিক জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন কৃষির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ Official Statement Shivraj Singh Chouhan সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে ভারতীয় কৃষিকে একাধিক বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ভূগর্ভস্থ জলের স্তর কমে যাওয়া, মাটির উর্বরতা হ্রাস এবং রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহার কৃষির স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করছে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই সমস্যাগুলির সমাধান শুধুমাত্র গবেষণা, বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি পদ্ধতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমেই সম্ভব। কৃষি বিজ্ঞানী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুন সমাধান বের করতে হবে যাতে কৃষকরা পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারেন। কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা Impact কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য কৃষক এবং কৃষি গবেষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি, জৈব চাষ, প্রাকৃতিক কৃষি, ড্রোন প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো এবং আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। এছাড়া কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, মূল্য সংযোজন এবং রপ্তানিমুখী কৃষি নীতির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা যেতে পারে। ফলে কর্মসংস্থানও বাড়বে এবং যুবসমাজ কৃষির প্রতি আরও আকৃষ্ট হবে। উন্নত উত্তরাখণ্ড গড়ার বার্তা উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেন, রাজ্যের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে ছোট জমির আকার, বন্যপ্রাণীর আক্রমণ, বাজার সীমাবদ্ধতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি জানান, গবেষণা, স্টার্টআপ, কৃষি উদ্ভাবন এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব। যুবসমাজকে কৃষিভিত্তিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার জন্যও রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে। Public Information অনুষ্ঠানের আগে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘর ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের স্টল পরিদর্শন করেন। পরে তাঁরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ধানের চারা রোপণে অংশ নেন। পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা দিতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণও করেন দুই নেতা। এ সময় Shivraj Singh Chouhan প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত নিজের জন্মদিনে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, Shivraj Singh Chouhan-এর এই বার্তা শুধু কৃষির উন্নয়ন নয়, পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের সমৃদ্ধির পথ ধরেই Advanced India গঠনের যে লক্ষ্য তিনি তুলে ধরেছেন, তা দেশের কৃষিনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনাও স্পষ্ট করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অজয় ভাট, বিধায়ক শিব অরোরা, ত্রিলোক সিং চিমা, বংশীধর ভগত, রাষ্ট্রমন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত অনিল কাপুর ডাব্বু, হুকম সিং কুনওয়ার, রণজিৎ সিং নামধারী, সচিব ড. এস.এন. পাণ্ডে, জেলাশাসক নীতিন সিং ভদৌরিয়া, পুলিশ সুপার অজয় গণপতি, রেজিস্ট্রার দীপা বিনয়-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু প্রাক্তনী ও প্রশাসনিক আধিকারিক।
India-US Trade Deal: বাড়তি ট্যারিফ না পেলে চুক্তি নয়
সকাল সকাল ডেস্ক। India-US Trade Deal নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক চায় ভারত ভারত ও আমেরিকার মধ্যে প্রস্তাবিত India-US Trade Deal নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় শুল্ক বা ট্যারিফ ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা না পেলে ভারত এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করবে না। তবে একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং সমঝোতার সম্ভাবনাও যথেষ্ট উজ্জ্বল। লন্ডনে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া গ্লোবাল ফোরাম (আইজিএফ) ইউকে-ইন্ডিয়া উইক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পীযূষ গোয়েল বলেন, ভারত এমন কোনও বাণিজ্য চুক্তি করতে চায় না, যা দেশের উৎপাদন শিল্প এবং রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়। তাঁর মতে, India-US Trade Deal এমনভাবে তৈরি হতে হবে যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়। প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় সুবিধা চায় ভারত পীযূষ গোয়েল বলেন, বর্তমানে বিশ্ববাজারে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, চিন, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার মতো দেশ। এই দেশগুলির তুলনায় ভারত যদি শুল্ক সুবিধায় পিছিয়ে থাকে, তাহলে আমেরিকার বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতা কমে যাবে। তাঁর বক্তব্য, ভারতের লক্ষ্য শুধুমাত্র কম শুল্ক পাওয়া নয়, বরং প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলির তুলনায় আরও অনুকূল শুল্ক কাঠামো নিশ্চিত করা। কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্কের সামান্য পার্থক্যও রপ্তানির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। India-US Trade Deal নিয়ে ভারতের এই অবস্থানকে দেশের উৎপাদন শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং রপ্তানিকারকদের স্বার্থ রক্ষার কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। চুক্তির আলোচনায় রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মুকেশ আঘি মনে করেন, বিষয়টি শুধুমাত্র অর্থনৈতিক বা প্রযুক্তিগত নয়; এর সঙ্গে রাজনৈতিক দিকও জড়িত রয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের অবস্থান একেবারে পরিষ্কার। ভারত এমন শুল্ক সুবিধা চায় যা তাকে প্রতিবেশী এবং প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় বাড়তি সুবিধা দেবে। এর ফলে ভারতীয় পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে। মুকেশ আঘির মতে, India-US Trade Deal-এর সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করছে এই শুল্ক কাঠামোর উপর। কারণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শুল্ক বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ মুকেশ আঘি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বর্তমানে ভারতের উপর ১২.৫ শতাংশ এবং পাকিস্তানের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতি ভারতের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এতে ভারতীয় পণ্য প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে। তাঁর মতে, বিষয়টি ১০ শতাংশ বা ২০ শতাংশ শুল্কের নয়, বরং প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলির তুলনায় কতটা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, সেটাই মূল প্রশ্ন। তাই India-US Trade Deal-এর ক্ষেত্রে ভারত অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, মার্কিন প্রশাসন এমন একটি সমাধানের পথ খুঁজে বের করবে, যা ভারত ও আমেরিকা—উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে। নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলতি সপ্তাহেই নয়াদিল্লির বাণিজ্য ভবনে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে দুই দিনব্যাপী মন্ত্রীস্তরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রস্তাবিত India-US Trade Deal-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পীযূষ গোয়েল এবং আমেরিকার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শুল্ক এবং বাজার প্রবেশাধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। ২৪ জুলাইয়ের আগে চুক্তির সম্ভাবনা বৈঠকে ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আলোচনা চূড়ান্ত করার বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই এই অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই সময়সীমার আগেই India-US Trade Deal নিয়ে বড় অগ্রগতি দেখা যেতে পারে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই বাণিজ্য চুক্তির রূপরেখা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই ঘোষণা করা হয়েছিল। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – ভারতের অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব এই চুক্তি সফল হলে ভারতের রপ্তানি খাত, উৎপাদন শিল্প এবং বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিক্স, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ এবং কৃষি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারত সরকার স্পষ্ট করেছে, দেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক স্বার্থের সঙ্গে আপস করে কোনও চুক্তি করা হবে না। তাই প্রতিযোগী দেশগুলির তুলনায় যথাযথ ট্যারিফ সুবিধা নিশ্চিত হলেই কেবল India-US Trade Deal চূড়ান্ত হবে।
India Tourist Visa: বাংলাদেশিদের জন্য ফের চালু পর্যটন ভিসা, ১ জুলাই থেকে মিলবে অনুমতি
সকাল সকাল ডেস্ক। দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশিদের জন্য পুনরায় শুরু হচ্ছে India Tourist Visa, ২৮ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ করবে ভারতীয় হাইকমিশন দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য পুনরায় চালু হচ্ছে India Tourist Visa। ভারত সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী ২৮ জুন ২০২৬ থেকে পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা প্রদান করা হবে। এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, পর্যটন, ব্যবসা এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দেবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। বৃহস্পতিবার ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি India Tourist Visa পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন। কী জানাল ভারতীয় হাইকমিশন? হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, পর্যটন ভিসার পাশাপাশি বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য মেডিক্যাল ভিসাও আগের মতো চালু থাকবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা এবং সিলেটের পাঁচটি প্রধান ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। তিনি আরও জানান, আবেদনকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে আরও নতুন ভিসা কেন্দ্র চালু করা হতে পারে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সহজেই India Tourist Visa-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। কেন বন্ধ ছিল India Tourist Visa? ২০২৫ সালে উদ্ভূত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে পর্যটন ভিসা কার্যত স্থগিত থাকায় চিকিৎসা, শিক্ষা, পারিবারিক সাক্ষাৎ এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত নানা পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে India Tourist Visa পুনরায় চালুর অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে নতুন এই ঘোষণার মাধ্যমে সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা কার্যক্রম সীমিত হওয়ার ফলে শুধু সাধারণ মানুষের যাতায়াত নয়, দুই দেশের মধ্যে পর্যটন শিল্প, ছোট ব্যবসা এবং সীমান্তবর্তী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও প্রভাবিত হয়েছিল। দুই দেশের সম্পর্কে নতুন বার্তা কূটনৈতিক মহলের মতে, India Tourist Visa পুনরায় চালু করা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বার্তা। নতুন হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এই ঘোষণা দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত পারস্পরিক বিশ্বাস পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং পারিবারিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি পর্যটন, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ভারতে যান। ফলে India Tourist Visa চালু হওয়া সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পর্যটন ও অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের পর্যটন খাতে নতুন গতি ফিরে আসবে। বিমান সংস্থা, হোটেল শিল্প, ট্রাভেল এজেন্সি এবং সীমান্ত বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন খাত সরাসরি উপকৃত হবে। এছাড়া স্থলবন্দর ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী চলাচল বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যেই এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, India Tourist Visa চালুর ফলে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা পর্যটন বাজারে নতুন প্রাণ ফিরে আসবে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, ২৮ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং ১ জুলাই থেকে ভিসা ইস্যু করা হবে। আবেদনকারীদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে। ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি ভিড়ের সম্ভাবনা থাকায় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আবেদনকারীদের নির্ধারিত সময়ে আবেদন জমা দেওয়ার পাশাপাশি অফিসিয়াল নির্দেশিকা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, India Tourist Visa পুনরায় চালু হওয়ার ফলে শুধু ভ্রমণ নয়, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও দ্বিপাক্ষিক আস্থা বৃদ্ধিতে এটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। সীমান্ত বাণিজ্য, পর্যটন শিল্প এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিমান, স্থলবন্দর ও পর্যটন খাতে ফিরবে নতুন গতি। ভিসা সহজীকরণ সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে দৃশ্যমান কূটনৈতিক পদক্ষেপ হওয়ায়, এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২৮ জুন থেকে আবেদন প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু হলে ভিসা সেন্টারগুলোতে আবেদনকারীদের ভিড় বাড়বে, যা সামাল দিতে ভারতীয় হাইকমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
Arunachal Flash Flood: নিখোঁজ ৪ জন, শুক্রবার ফের উদ্ধার অভিযান
Arunachal Flash Flood-এর জেরে অরুণাচলে নিখোঁজ ৪ জনের খোঁজে উদ্ধার অভিযান সাময়িক স্থগিত। শুক্রবার ফের শুরু হবে তল্লাশি, ক্ষতিগ্রস্ত বহু এলাকা।
সুইডেনের বিপক্ষে ড্র করে নকআউটে জাপান
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা: গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে দ্বিতীয় স্থানে থেকে জাপান মূল পর্বে গেল। এবার তারা মুখোমুখি হবে ব্রাজিলের সঙ্গে। ডালাসে শুক্রবার ভোরের এই ম্যাচে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। বিরতির পর ৫৬ মিনিটে জাপানকে এগিয়ে দেন দাইজেন মায়েদা। তবে জাপান এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারিনি। মাত্র ছয় মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের বাইরে থেকে চমৎকার বাঁকানো শটে সমতা ফেরান সুইডেনের অ্যান্টনি এলাঙ্গা। ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলই গোল করার সুযোগ পেলেও গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় আর গোল হয়নি। এই ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে জাপান, শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হওয়া সুইডেনও সেরা তৃতীয় দলগুলোর একটি হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করেছে। মূল পর্বে সুইডেনের প্রতিপক্ষ কে হবে তা এখনো জানা যায়নি। তিউনিসিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের সেরা হয়েছে নেদারল্যান্ডস। তারা খেলবে মরক্কোর বিপক্ষে।
Venezuela Earthquake: জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, মৃত অন্তত ২৩৫
Venezuela Earthquake-এর ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় মৃত অন্তত ২৩৫, আহত ১,৫০০-এর বেশি। উদ্ধার অভিযান ও আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার।
দেশের সৌর শক্তি উৎপাদনে বড় পদক্ষেপ
কলকাতা : দেশের সৌরশক্তি উৎপাদন ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল জুপিটার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। বৃহস্পতিবার হিমাচল প্রদেশের বাড্ডিতে সংস্থার চতুর্থ উৎপাদন ইউনিটের উদ্বোধন হল। ওই ইউনিটে ১.২৫ গিগাওয়াট ক্ষমতার অত্যাধুনিক টপকন সোলার সেল উৎপাদন করা হবে। এর ফলে সংস্থার মোট সোলার সেল উৎপাদন ক্ষমতা ২ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে হল – ৩.২৫ গিগাওয়াট।
গৃহস্থের বাড়ি থেকে উদ্ধার প্ৰায় চার কোটি টাকার গাঁজা, আটক এক
পাথারকান্দি : শ্রীভূমি জেলার অন্তর্গত পাথারকান্দি থানাধীন সোনাখিরা এলাকার কলকলিবস্তির বাসিন্দা জনৈক গৃহস্থের বাড়িতে হানা দিয়ে প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের ১১ কুইন্টাল নিষিদ্ধ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর সঙ্গে একজনকে পুলিশ আটক করেছে।
তারাতলা কারখানা দুর্ঘটনা: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সিট গঠন, পাঁচজন গ্রেফতার
কলকাতা : তারাতলার একটি কারখানার ছাদ ধসে পড়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরে। ঘটনার পরপরই তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে লালবাজারের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ, সম্ভাব্য গাফিলতি এবং দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে বিশেষ তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে অনিচ্ছাকৃত খুন, খুনের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে পরিপূরকতা রয়েছে : এস জয়শঙ্কর
সিওল: “জাহাজ থেকে চিপস” পর্যন্ত, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে পরিপূরকতা রয়েছে, বললেন বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৬ সালের জেজু শান্তি ও সমৃদ্ধি ফোরামে বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর বলেন, “এই ফোরামটি একটি খণ্ডিত বিশ্বকে সমস্যা হিসেবে এবং সহযোগিতাকে সমাধান হিসেবে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার বিষয়ে আলোচনা করছে। আমি এই রোগ নির্ণয় এবং প্রতিকার উভয়ের সঙ্গেই একমত। তা সত্ত্বেও, আসুন আমরা দু’টি বিষয় স্বীকার করি।