ওমান উপকূলে সাইপ্রাসের জাহাজে ইরানের হামলার নিন্দায় ভারত
ওমান উপকূলে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী জিএফএস গ্যালাক্সি জাহাজে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানাল ভারত। ১১ ভারতীয়র মধ্যে ১০ জন উদ্ধার হলেও এখনও একজন নিখোঁজ। বিদেশ মন্ত্রকের বড় বিবৃতি।
PM Modi Rajasthan: 1.06 লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা
সকাল সকাল ডেস্ক। PM Modi Rajasthan সফরে বালোত্রায় রিফাইনারি, মেট্রো, বিমানবন্দর, জল প্রকল্প ও কর্মসংস্থানের একাধিক উদ্যোগের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। রাজস্থানের বালোত্রা থেকে PM Modi Rajasthan সফরে দেশের উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা এবং জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার তিনি প্রায় ১.০৬ লক্ষ কোটি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। PM Modi Rajasthan কর্মসূচিতে রাজস্থান রিফাইনারি, নতুন বিমানবন্দর টার্মিনাল, মেট্রো সম্প্রসারণ, জল প্রকল্প এবং নবনিযুক্ত সরকারি কর্মীদের নিয়োগপত্র প্রদানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, আধুনিক পরিকাঠামো এবং আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে। তাঁর মতে, শুধু প্রকল্প ঘোষণা নয়, নির্ধারিত সময়ে তার বাস্তবায়নও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। ১.০৬ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প PM Modi Rajasthan অনুষ্ঠানে উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা প্রকল্পগুলির মোট মূল্য প্রায় ১.০৬ লক্ষ কোটি টাকা। এর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ রাজস্থান রিফাইনারি, যা রাজ্যের শিল্পোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন। তিনি বলেন, এই রিফাইনারি শুধু রাজস্থানের অর্থনীতিকেই শক্তিশালী করবে না, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তাকেও আরও মজবুত করবে। হাজার হাজার মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিমানবন্দর, মেট্রো ও ‘উড়ান’ প্রকল্পে জোর বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী যোধপুরের নতুন বিমানবন্দর টার্মিনালের উদ্বোধন এবং ‘উড়ান’ প্রকল্পের নতুন পর্যায়ের সূচনার কথাও উল্লেখ করেন। PM Modi Rajasthan জয়পুর মেট্রোর সম্প্রসারণ, শেখাওয়াটি অঞ্চলের জলসংকট দূরীকরণ এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটন, শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তাঁর দাবি। ৫৪ হাজার সরকারি কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রায় ৫৪ হাজার নবনিযুক্ত সরকারি কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নবনিযুক্ত কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সরকারি দায়িত্ব শুধু চাকরি নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি বড় সুযোগ। নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি। জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তবুও ভারত বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এলপিজি, পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহে কোনও বড় সমস্যা তৈরি হয়নি। পাশাপাশি ভর্তুকি, আবগারি শুল্ক হ্রাস এবং পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (PNG) সংযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – কৃষি ও MSME-র জন্য একাধিক উদ্যোগ PM Modi Rajasthan প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম বাড়লেও কৃষকদের স্বল্পমূল্যে সার দেওয়ার জন্য সরকার ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME)-এর উন্নয়নের জন্য জরুরি ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। পরিবেশ ও জল সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একটি খেজরি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা দেন। তিনি সৌরশক্তির প্রসারে সোলার পার্ক, পিএম সূর্য ঘর প্রকল্প এবং পিএম কুসুম যোজনার আওতায় কৃষকদের সোলার পাম্প বিতরণের বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়া রাজস্থান ও হরিয়ানার মধ্যে ৩৪ হাজার কোটি টাকার জল প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাথনিকুন্ড ব্যারেজ থেকে ভূগর্ভস্থ পাইপলাইনের সাহায্যে শেখাওয়াটি অঞ্চলে পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। পটভূমি গত কয়েক বছরে রাজস্থানে অবকাঠামো, শিল্প, জ্বালানি এবং জল ব্যবস্থাপনায় একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। শনিবারের কর্মসূচি সেই ধারাবাহিকতারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারি বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দাবি, আধুনিক অবকাঠামো, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্পায়ন এবং জল ব্যবস্থাপনাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজস্থানের সার্বিক উন্নয়নে কেন্দ্র সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের সহযোগিতায় রাজ্যকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদও তিনি ব্যক্ত করেন। সাধারণ মানুষের জন্য প্রভাব এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজস্থানে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিল্প বিনিয়োগ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপদ জ্বালানি সরবরাহ এবং পানীয় জলের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষক, ক্ষুদ্র শিল্প এবং সাধারণ নাগরিকরাও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “যুদ্ধ চলাকালীনই ভারত ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি শুরু করে। ভারত বিশ্বকে এই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল, জাতীয় স্বার্থ এবং নাগরিকদের স্বার্থই আমাদের কাছে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। ‘নাগরিক দেব ভব’—এটাই আমাদের মূলমন্ত্র।”PM Modi Rajasthan মোদী আরও বলেন, “এখন আমি ১৪০ কোটি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। এই কঠিন সময়ে যেভাবে তাঁরা দেশের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন তার জন্য। যারা গুজব, ভয় ও বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল, দেশবাসী যেভাবে তাদের মোকাবিলা করেছেন তার জন্য। দেশে অস্থিতিশীলতা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র যেভাবে তাঁরা ব্যর্থ করে দিয়েছেন তার জন্য। সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা করেই দেশ এগিয়ে যেতে পেরেছে।”
Champat Roy Resignation: সমর্থনে অযোধ্যার সন্ত সমাজ
সকাল সকাল ডেস্ক। অযোধ্যার সন্ত সমাজের দাবি, Champat Roy Resignation নিয়ে এসআইটি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাস্ট যেন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেয়। অযোধ্যায় Champat Roy Resignation ঘিরে জল্পনা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়ের পদত্যাগপত্র জমা পড়ার পর বিষয়টি জাতীয় স্তরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এরই মধ্যে অযোধ্যার সন্ত সমাজ প্রকাশ্যে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাস্টের কাছে আবেদন জানিয়েছে, Champat Roy Resignation যেন এসআইটি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রহণ করা না হয়। তাঁদের দাবি, তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগে কোনও ব্যক্তিকে দোষী ধরে নেওয়া ন্যায়সংগত হবে না। শনিবার অযোধ্যার সন্ত সমাজের এক বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। সন্তদের বক্তব্য, রাম মন্দিরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কোনও প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। ৬ জুলাই ট্রাস্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চম্পত রায় ইতিমধ্যেই তাঁর পদত্যাগপত্র ট্রাস্টের কাছে জমা দিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – আগামী ৬ জুলাই ট্রাস্টের সভাপতি মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস মহারাজের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকেই Champat Roy Resignation নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই বৈঠকের দিকেই এখন নজর রয়েছে রামভক্ত, সন্ত সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট মহলের। এসআইটি তদন্তের আগে সিদ্ধান্ত নয় Champat Roy Resignation সাংবাদিক সম্মেলনে হিন্দু ধামের মহন্ত রাঘবেশ দাস বেদান্তী বলেন, রাম মন্দিরে দান করা অর্থের হিসাব নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তার প্রকৃত সত্য শুধুমাত্র স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (এসআইটি)-এর তদন্তের মাধ্যমেই সামনে আসতে পারে। তাঁর বক্তব্য, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে Champat Roy Resignation গ্রহণ করা হলে তা ভুল বার্তা দেবে। বরং তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পর প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাস্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ট্রাস্টের কাছে স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি মহন্ত রাঘবেশ দাস বেদান্তী আরও বলেন, ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ গোবিন্দ দেব গিরির উচিত জনসাধারণের সামনে আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব তুলে ধরা। তাঁর মতে, যদি মানুষের মনে কোনও প্রশ্ন বা সন্দেহ তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে ট্রাস্টের দায়িত্ব সেই সংশয় দূর করা। সন্ত সমাজের মতে, স্বচ্ছতা বজায় রাখলে রামভক্তদের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং অযথা বিতর্কও কমবে। চম্পত রায়ের দীর্ঘদিনের অবদানের উল্লেখ সন্ত সমাজের সদস্যরা চম্পত রায়ের দীর্ঘদিনের অবদানের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। তাঁদের বক্তব্য, তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে অযোধ্যায় থেকে রাম মন্দির আন্দোলন এবং মন্দির নির্মাণের কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। মহন্ত রাঘবেশ দাস বেদান্তীর দাবি, যিনি নিজেই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তাঁকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। রিপোর্ট প্রকাশের পর যদি কোনও অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তখন আইন ও ট্রাস্টের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। রামভক্তদের উদ্দেশে সন্ত সমাজের বার্তা সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত সন্তরা সমস্ত রামভক্তদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, যেন কেউ গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হন। তাঁদের বক্তব্য, রাম মন্দিরের দান সংক্রান্ত অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। পটভূমি সম্প্রতি রাম মন্দিরের দান সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই চম্পত রায় তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে জানা যায়। যদিও অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি। এই কারণেই বিষয়টি নিয়ে ধর্মীয় মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। সরকারি অবস্থান এখনও পর্যন্ত শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চম্পত রায়ের পদত্যাগ গ্রহণের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। ৬ জুলাইয়ের বৈঠকের পর ট্রাস্টের অবস্থান স্পষ্ট হতে পারে। একই সঙ্গে এসআইটি তদন্তের অগ্রগতির দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ত সমাজ সকল ভক্তকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তাঁদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্তের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনও গুজব বা অসমর্থিত তথ্য বিশ্বাস না করাই উচিত। তদন্তের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
Jharkhand AI Mission: হেমন্ত সোরেনের ডিজিটাল রোডম্যাপ
সকাল সকাল ডেস্ক। Jharkhand AI Mission-এর মাধ্যমে এআই-ভিত্তিক সুশাসন, Ranchi IT Park, ডিজিটাল অর্থনীতি ও নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিকল্পনা জাতীয় মঞ্চে তুলে ধরবেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। ভারতের ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন অধ্যায়ে Jharkhand AI Mission-কে সামনে রেখে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ঝাড়খণ্ড সরকার। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার্স কনসালটেশন-২০২৬-এ মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন রাজ্যের ভবিষ্যৎ ডিজিটাল রোডম্যাপ তুলে ধরবেন। Jharkhand AI Mission-এর মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল সুশাসন এবং আইটি বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পরিকল্পনা দেশ-বিদেশের শিল্পপতি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারকদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। রাজ্য সরকারের লক্ষ্য, ঝাড়খণ্ডকে শুধু একটি খনিজসমৃদ্ধ রাজ্য হিসেবে নয়, বরং প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রশাসনিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিক পরিষেবার উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জাতীয় মঞ্চে ঝাড়খণ্ডের ডিজিটাল ভিশন নয়াদিল্লির এই জাতীয় পরামর্শ বৈঠকে প্রায় ১০০টি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ও আইটি সংস্থার প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে Jharkhand AI Mission-এর আওতায় রাজ্যের আইটি, আইটিইএস, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং এআই-ভিত্তিক উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। রাজ্য সরকারের বিশ্বাস, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝাড়খণ্ড একটি সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি গন্তব্য হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে। Ranchi IT Park-এ বিনিয়োগের বড় সুযোগ এই কনসালটেশনের অন্যতম আকর্ষণ হবে Ranchi IT Park প্রকল্প। প্রায় ১০০.৯৭ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই আইটি পার্ক রাজধানীর কোর ক্যাপিটাল অঞ্চলে অবস্থিত। আইআইএম রাঁচি এবং বিরসা মুন্ডা বিমানবন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় এটি প্রযুক্তি সংস্থাগুলির জন্য একটি কৌশলগত অবস্থান তৈরি করবে। রাজ্যে প্রতি বছর ২০ হাজারেরও বেশি আইটি স্নাতক কর্মজীবনে প্রবেশ করছেন। দক্ষ মানবসম্পদের এই বড় ভাণ্ডারকে কাজে লাগিয়ে নতুন কর্মসংস্থান এবং শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে ঝাড়খণ্ড আইটি নীতি-২০২৩ অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫০ শতাংশ মূলধনী ভর্তুকি, ১০০ শতাংশ স্ট্যাম্প শুল্কে ছাড় এবং বিদ্যুৎ শুল্কে সম্পূর্ণ ছাড়ের মতো আকর্ষণীয় প্রণোদনাও তুলে ধরা হবে। খসড়া AI Policy 2026-এর মূল বৈশিষ্ট্য Jharkhand AI Mission-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো প্রস্তাবিত AI Policy 2026। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত কার্যকর রাখার পরিকল্পনা করা এই নীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি State AI Mission গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়াও JAP-IT-কে নোডাল সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া এবং IndiaAI-এর সহযোগিতায় একটি Jharkhand AI Cloud গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি দপ্তরগুলিতে ধাপে ধাপে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও তথ্যভিত্তিক ও দ্রুত করার উদ্যোগও এই নীতির অন্তর্ভুক্ত। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – সুশাসনে AI-এর ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী এআই প্রযুক্তির ব্যবহার চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে—সুশাসন, কৃষি ও গ্রামীণ জীবিকা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা। এই কৌশল কেন্দ্র সরকারের ‘AI for All’ উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক কাজে তথ্য বিশ্লেষণ, পরিষেবা প্রদান এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দ্রুত ও স্বচ্ছ পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। CM-DIP ও ডিজিটাল প্রশাসনের নতুন দিগন্ত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী ডেটা ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম (CM-DIP)-এর ধারণাও তুলে ধরবেন। এই এআই-সক্ষম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি বিভাগের তথ্য একত্রিত করে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ এবং পঞ্চায়েত ভবনে স্থাপিত ডিজিটাল কিয়স্কের মাধ্যমে স্থানীয় ভাষায় সরকারি পরিষেবা গ্রহণ এবং নাগরিক মতামত জানানোর সুযোগও তৈরি করা হবে। এর পাশাপাশি একটি সমন্বিত Integrated Control and Command Center গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে, যা ভবিষ্যতের স্মার্ট প্রশাসনের ভিত্তি তৈরি করবে। সরকারি বক্তব্য রাজ্য সরকারের মতে, Jharkhand AI Mission শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কর্মসূচি নয়, বরং এটি প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক পরিষেবা উন্নত করার একটি সমন্বিত রোডম্যাপ। জাতীয় পর্যায়ে এই পরিকল্পনা উপস্থাপনের মাধ্যমে ঝাড়খণ্ডকে ভারতের অন্যতম উদীয়মান ডিজিটাল রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য এর প্রভাব এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের তরুণদের জন্য আইটি ও প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে। সরকারি পরিষেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং সহজলভ্য হবে। পাশাপাশি নতুন শিল্প বিনিয়োগ, উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনের মাধ্যমে ঝাড়খণ্ডের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। Jharkhand AI Mission আগামী কয়েক বছরে রাজ্যের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
Viksit Bharat-এর পথে 12 বছরের অগ্রগতি, দাবি রাজনাথ সিংয়ের
উৎপাদন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্টার্ট-আপ ও জনকল্যাণে কেন্দ্রের বিভিন্ন উদ্যোগের সাফল্যের দাবি তুলে ধরলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
PM Modi Indonesia Tour: 6-11 জুলাই ইন্দোনেশিয়া-সহ ত্রিদেশীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী
ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।
Ram Mandir Fund চুরিতে কড়া তদন্তের দাবি ভিএইচপির
অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দানের টাকা চুরির অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত, ফাস্ট ট্র্যাক শুনানি ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুললেন আলোক কুমার।
Mitali Express: ভারত-বাংলাদেশে ফের চালু হতে পারে তিন ট্রেন পরিষেবা
সকাল সকাল ডেস্ক। Mitali Express, মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর জোর সম্ভাবনা। দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের বৈঠক ও পরিকাঠামো পর্যালোচনার পর আশাবাদ বাড়ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে বলে আশা করা হচ্ছে। Mitali Express-সহ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচলকারী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ট্রেন ফের চালু হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক বৈঠক, ট্র্যাক ও পরিকাঠামো পর্যালোচনা এবং বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়ার পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন যাত্রী, পর্যটন শিল্প এবং ব্যবসায়ী মহল। ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের অন্যতম মাধ্যম এই তিনটি ট্রেন—Mitali Express, মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং বন্ধন এক্সপ্রেস। নিরাপত্তাজনিত কারণে পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ফের ট্রেন চলাচল শুরু হলে দুই দেশের সাধারণ মানুষের যোগাযোগ আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগে নতুন আশার আলো রেল সূত্রের খবর, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মধ্যে একাধিক দফায় বৈঠক হয়েছে। ট্রেন চলাচলের রুট, রেললাইন, সিগন্যালিং ব্যবস্থা, সীমান্তবর্তী অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি মাসের মধ্যেই Mitali Express-সহ তিনটি আন্তর্জাতিক ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – কী বলছে রেল কর্তৃপক্ষ? উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, Mitali Express চালুর বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, রেল বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী ট্র্যাক, স্টেশন অবকাঠামো এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত বিষয়ের মূল্যায়ন চলছে। সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট উচ্চ পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে। চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই পরিষেবা চালুর তারিখ ঘোষণা করা হবে। কেন বন্ধ হয়েছিল ট্রেন পরিষেবা? ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ভারত সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে Mitali Express, মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রী পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করে। তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যাতে ব্যাহত না হয়, সে কারণে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখা হয়েছিল। ফলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক, বাড়ছে সম্ভাবনা বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়েছে। একই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। রেল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দুই দেশের রেল আধিকারিকদের দ্বিতীয় বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়ে নীতিগতভাবে ইতিবাচক মতামত উঠে এসেছে। এর ফলে Mitali Express পুনরায় চালুর সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে। ভিসা পরিষেবা চালু হওয়ায় স্বস্তি প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা পরিষেবা আবার স্বাভাবিকভাবে চালু হয়েছে। এর ফলে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা এবং পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভারতে আসতে ইচ্ছুক বহু মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক চিকিৎসার জন্য কলকাতা, শিলিগুড়ি এবং ভারতের বিভিন্ন শহরে আসেন। তাঁদের কাছে Mitali Express এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ট্রেন পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সাশ্রয়ী যাতায়াতের মাধ্যম। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি ট্রেন পুনরায় চালু হলে শুধু যাত্রী চলাচলই সহজ হবে না, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং পর্যটন সম্পর্কও আরও শক্তিশালী হবে। রেল যোগাযোগ দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়াকে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের আরেকটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনটি আন্তর্জাতিক ট্রেনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা রয়েছে। রেল বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এই তিনটি ট্রেন পুনরায় চালু হলে সীমান্তের দুই প্রান্তের সাধারণ মানুষের বহুদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Deshapriya Park Durga Puja: রাজনীতির ঊর্ধ্বে ৯০ বছরের ঐতিহ্য
সকাল সকাল ডেস্ক। সামাজিক অংশগ্রহণ, শৈল্পিক উৎকর্ষ ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের উপর ভর করে দশকের পর দশক ধরে নিজস্ব পরিচয় ধরে রেখেছে দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসব কমিটি। Deshapriya Park Durga Puja নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুর্গাপূজা কমিটিগুলিকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ও দাবি সামনে এলেও, দক্ষিণ কলকাতার ঐতিহাসিক দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির সদস্যদের বক্তব্য একেবারেই স্পষ্ট। তাঁদের দাবি, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত Deshapriya Park Durga Puja কোনও রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়নি। বরং স্থানীয় বাসিন্দা, ক্লাব সদস্য এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণেই এই ঐতিহ্যবাহী দুর্গোৎসবের বিকাশ ঘটেছে। প্রায় ৯০ বছরের ঐতিহ্যের সাক্ষী ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসব কমিটি কলকাতার অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ বারোয়ারি দুর্গাপূজার আয়োজক। দীর্ঘ প্রায় নয় দশক ধরে এই পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব হিসেবেই নয়, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলার কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। কমিটির সদস্যদের মতে, Deshapriya Park Durga Puja-এর মূল পরিচয় তৈরি হয়েছে তার অভিনব শিল্পভাবনা, সৃজনশীল মণ্ডপ, ব্যতিক্রমী প্রতিমা এবং বছরজুড়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। কোনও রাজনৈতিক পরিচয় বা পৃষ্ঠপোষকতা এই পূজার পরিচয়ের অংশ নয়। রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে কী বলছে কমিটি? সাম্প্রতিক সময়ে দাবি উঠেছে যে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ সদস্য দেবাশিস কুমারের এই পূজা কমিটির উপর প্রভাব ছিল। তবে কমিটির দীর্ঘদিনের সদস্য দীপঙ্কর সেন সেই দাবি নাকচ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দেবাশিস কুমার স্থানীয় কাউন্সিলর হিসেবে অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের মতোই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতেন। কিন্তু তিনি কখনও কমিটির সভাপতি, সম্পাদক, কার্যনির্বাহী সভাপতি বা অন্য কোনও প্রশাসনিক পদে ছিলেন না। কমিটির সমস্ত সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সবসময় পদাধিকারী এবং সদস্যদের যৌথ সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়েছে। শৈল্পিক উৎকর্ষেই বিশ্বজোড়া পরিচিতি Deshapriya Park Durga Puja আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিশেষ পরিচিতি পায় ২০১৫ সালে। সেই বছর এখানে ৮৮ ফুট উচ্চতার দুর্গা প্রতিমা নির্মাণ করা হয়, যা দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর হাজার হাতের দুর্গা, মাহিষ্মতী মহল-অনুপ্রাণিত মণ্ডপ এবং আন্তর্জাতিক স্থাপত্যশৈলীর বিভিন্ন থিম এই পূজাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। প্রতি বছর নতুন শিল্পভাবনা এবং অভিনব পরিকল্পনার মাধ্যমে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে চলেছে এই ঐতিহ্যবাহী পূজা। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – কমিটির মতে, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি এই নিষ্ঠাই তাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। বছরজুড়ে সামাজিক কর্মকাণ্ড দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির আর এক প্রবীণ সদস্য গৌতম মৈত্র জানান, এই কমিটি শুধু দুর্গাপূজা আয়োজনেই সীমাবদ্ধ নয়। বছরের বিভিন্ন সময়ে তারা আয়োজন করে— এই ধারাবাহিক সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণেই Deshapriya Park Durga Puja দক্ষিণ কলকাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। অন্যান্য পূজা কমিটির থেকে কীভাবে আলাদা? কলকাতার একাধিক বিখ্যাত দুর্গাপূজা কমিটির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সক্রিয় ভূমিকার আলোচনা হয়েছে। তবে দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির সদস্যদের দাবি, তাঁদের সংগঠন শুরু থেকেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের বাইরে থেকেছে। তাঁদের মতে, এই পূজার সবচেয়ে বড় শক্তি হল স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছ প্রশাসনিক কাঠামো এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা। সেই কারণেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলালেও এই পূজার মৌলিক চরিত্র অপরিবর্তিত রয়েছে। ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উত্তরাধিকার কমিটির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য, Deshapriya Park Durga Puja শুধু একটি দুর্গাপূজা নয়, এটি দক্ষিণ কলকাতার সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম প্রতীক। শিল্প, ঐতিহ্য, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানুষের অংশগ্রহণ—এই চারটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়েই প্রায় ৯০ বছর ধরে এগিয়ে চলেছে এই পূজা। আগামী দিনেও একই ঐতিহ্য বজায় রেখে সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চায় দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসব কমিটি।
Om Birla: বিকশিত বাংলা গড়লেই সম্ভব Viksit Bharat, বার্তা লোকসভার অধ্যক্ষের
সকাল সকাল ডেস্ক। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে গণতন্ত্র, সংসদীয় ঐতিহ্য, প্রযুক্তি ও জনসেবার উপর জোর দিলেন ওম বিড়লা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের জন্য শুরু হওয়া দুই দিনের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন Om Birla। লোকসভার অধ্যক্ষ বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সংসদীয় ঐতিহ্য এবং জনসেবার প্রতি নিষ্ঠাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত পরিচয়। তাঁর মতে, Viksit Bharat-এর স্বপ্ন সফল করতে হলে প্রথমে গড়ে তুলতে হবে একটি বিকশিত বাংলা। তাই রাজ্যের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং গণতান্ত্রিক চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সকল বিধায়ককে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বাংলার ঐতিহ্যই দেশের শক্তি উদ্বোধনী ভাষণে Om Birla বলেন, পশ্চিমবঙ্গ শুধু একটি রাজ্য নয়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন, সমাজ সংস্কার এবং সাংস্কৃতিক নবজাগরণের অন্যতম কেন্দ্র। বাংলার মনীষীরা দেশের চিন্তাধারা, সাহিত্য, আধ্যাত্মিকতা ও জাতীয়তাবাদকে নতুন দিশা দিয়েছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনি ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে নতুন উদ্দীপনা জুগিয়েছিল। সেই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করা বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের অন্যতম দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রত্যেক বিধায়ক গোটা রাজ্যের প্রতিনিধি Om Birla বলেন, একজন বিধায়ক কেবল তাঁর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধি নন, বরং সমগ্র রাজ্যের মানুষের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের স্বার্থে কাজ করাই হওয়া উচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি নবনির্বাচিত সদস্যদের নিষ্ঠা, সততা এবং সংবেদনশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। অভিজ্ঞদের কাছ থেকে শেখার পরামর্শ ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে Om Birla নতুন বিধায়কদের শেখার মানসিকতা বজায় রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন— তাঁর মতে, একজন দক্ষ জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে নিজেকে সমৃদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রযুক্তির যুগে নিজেকে আপডেট রাখার আহ্বান বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন Om Birla। তিনি বলেন, প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জনপ্রতিনিধিদেরও নিজেদের নিয়মিত আপডেট রাখতে হবে। তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ডিজিটাল পরিষেবা এবং আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হওয়া এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে তিনি বিধায়কদের দীর্ঘ সময় বিধানসভার অধিবেশনে উপস্থিত থাকা এবং অন্য সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পরামর্শ দেন। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ Viksit Bharat গড়তে বিকশিত বাংলার প্রয়োজন Om Birla তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে Viksit Bharat গঠনের লক্ষ্য তখনই বাস্তবায়িত হবে, যখন প্রতিটি রাজ্য উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মানবসম্পদকে কাজে লাগিয়ে বিকশিত বাংলা গড়ে তুলতে হবে। তবেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে। তাঁর মতে, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ, উন্নয়নমূলক কাজের গতি বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রতিটি বিধায়কের প্রধান দায়িত্ব। গণতন্ত্রে মতভেদ থাকলেও মর্যাদা বজায় রাখা জরুরি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতভেদ ও ভিন্নমতের গুরুত্ব তুলে ধরে Om Birla বলেন, মতের পার্থক্য থাকতেই পারে, তবে গণতন্ত্রের মর্যাদা, সংসদীয় শালীনতা এবং সুস্থ বিতর্কের পরিবেশ কোনওভাবেই নষ্ট হওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, যুক্তিপূর্ণ আলোচনা এবং গঠনমূলক সমালোচনাই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে। অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত ছিলেন? পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার এই ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জি, বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট অতিথিরা। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল নবনির্বাচিত বিধায়কদের সংসদীয় কার্যপ্রণালী, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দায়িত্ব সম্পর্কে আরও দক্ষ ও সচেতন করে তোলা।