ঝাড়খণ্ডে খনি বন্ধ, রাজস্ব ও কর্মসংস্থানে বড় ধাক্কা: বাবুলাল
বাবুলাল মারান্ডির অভিযোগ, খনি নিলামে ব্যর্থতা ও প্রশাসনিক অস্বচ্ছতায় ঝাড়খণ্ডে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
হঠাৎ নদীর জলস্তর বৃদ্ধি, পিকনিক স্পটে মাঝনদীতে আটকে আট
অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা কার্বি আংলঙের লংসোকাংথু পিকনিক স্পটে আজ বৃহস্পতিবার হঠাৎ নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রবল স্রোতের মধ্যে নদীর মাঝখানে আটকে পড়েছেন আট পৰ্যটক। তাঁদের উদ্ধার করতে কসরত করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের উদ্বোধন শুক্রবার
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার হরিয়ানার জিন্দ রেল স্টেশন থেকে জিন্দ ও সোনিপতের মধ্যে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের শুভ সূচনা করবেন। প্রায় ২,৬০০ যাত্রী ধারণ ও ক্ষমতার এই ট্রেনটি সম্পূর্ণ পরিবেশ-বান্ধব। কারণ, এটি নিজের ভেতরেই হাইড্রোজেন থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে চলবে, যার ফলে কোনও ধোঁয়া বা কার্বন নির্গমন হবে না। এই ট্রেন চলাচলের সময় কেবল জলীয় বাষ্প ও তাপ উৎপন্ন হবে।
সোনম ওয়াংচুকের অনশন ১৯তম দিনে, অঙ্গ বিকলের আশঙ্কা
অনশনরত সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি, ৯ কেজির বেশি ওজন কমেছে; হাইকোর্ট বলল, জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে হবে সকাল সকাল ডেস্ক। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং এনইইটি প্রশ্নফাঁস-সহ একাধিক ইস্যুতে অনির্দিষ্টকালের অনশনে থাকা পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। বৃহস্পতিবার তাঁর অনশন ১৯তম দিনে পড়েছে। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শরীর এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে দ্রুত চিকিৎসাগত হস্তক্ষেপ না হলে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন চিকিৎসক সতীশ লাম্বা। তিনি জানান, গত ১৯ দিনে ওয়াংচুকের ওজন ৯ কিলোগ্রামেরও বেশি কমে বর্তমানে ৫৬.৯ কেজিতে নেমে এসেছে। রক্তে শর্করার মাত্রা ৮০ মিলিগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার, হৃদ্স্পন্দনের হার মিনিটে ৭২ এবং রক্তচাপ শোয়া অবস্থায় ১০৫/৬১ ও বসা অবস্থায় ১০১/৬৫। আপাতত তিনি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সচেতন এবং শরীরে জলের ভারসাম্যও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে চিকিৎসকদের উদ্বেগ শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন নিয়ে। ডা. লাম্বার বক্তব্য, দীর্ঘ অনশনের কারণে ওয়াংচুকের শরীর এখন ‘প্রলম্বিত অনাহার’-এর দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। এই পর্যায়ে শরীর প্রয়োজনীয় শক্তির জন্য পেশি ক্ষয় করতে শুরু করে, যার ফলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে তৃতীয় ধাপে কিডনি, লিভার, হৃদযন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণেই তাঁকে ঘিরে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক দলের নিবিড় নজরদারি চলছে। এদিকে ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দিল্লি হাইকোর্টও। বৃহস্পতিবার দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ মন্তব্য করে, “প্রত্যেক নাগরিকের জীবন মূল্যবান। তাঁর জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।” আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – শুনানিতে কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ওয়াংচুকের স্বাস্থ্য প্রতিদিন সরকারি চিকিৎসকরা পরীক্ষা করছেন এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী অবিলম্বে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। এই আশ্বাস নথিভুক্ত করে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, প্রতিদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন চালিয়ে যেতে হবে এবং চিকিৎসকেরা প্রয়োজন মনে করলে যথাযথ চিকিৎসা হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে। এরপর আদালত মামলার নিষ্পত্তি করে। উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন থেকে ওয়াংচুক অনশন শুরু করেন। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র ডাকে যন্তর-মন্তরে চলা আন্দোলনে যোগ দিয়ে তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য উপবাসে বসেন। পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির জবাবদিহি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলনকারীরা অনড়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে বৃহৎ শান্তিপূর্ণ পদযাত্রারও ডাক দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি এবং আদালতের হস্তক্ষেপের পর আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে।
প্রযুক্তি শিক্ষার লক্ষ্য শুধু চাকরি নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি— রাজ্যপাল
বিআইটি মেসরাকে গবেষণা, উদ্ভাবন, স্টার্ট-আপ ও সমাজমুখী প্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ারের।
ঝাড়খণ্ডে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ৪১ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি
স্বাভাবিকের তুলনায় ৪১ শতাংশ কম বৃষ্টিতে উদ্বেগ বাড়ছে, গড়ওয়ায় ঘাটতি প্রায় ৮০ শতাংশ; ১৯ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস।
ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন
ইয়ামালের তৈরি পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল, ওলমোর দুর্দান্ত আক্রমণে দ্বিতীয় গোল; এমবাপ্পেদের থামিয়ে ফাইনালে লামিন ইয়ামালদের স্পেন।
PM Poshan: মিড ডে মিলের রান্নার খরচ ও কর্মীদের বেতন বাড়াতে ৬৩৯ কোটি টাকার ঐতিহাসিক বরাদ্দ
সকাল সকাল ডেস্ক PM Poshan প্রকল্পে বড় সিদ্ধান্ত, ৫১.৬১ লক্ষ পড়ুয়া ও ২.২৪ লক্ষ রান্নার কর্মী পাবেন সরাসরি সুবিধা PM Poshan প্রকল্পে রাজ্যের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে PM Poshan-এর আওতায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৫১.৬১ লক্ষ শিক্ষার্থী, প্রায় ২.২৪ লক্ষ রান্নার কর্মী (কুক-কাম-হেল্পার) এবং রাজ্যের হাজার হাজার সরকারি ও সরকার-পোষিত বিদ্যালয় সরাসরি উপকৃত হবে। পুরো প্রকল্পের জন্য মোট ৬৩৯ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ করা হয়েছে। রান্নার খরচে বড় বৃদ্ধি, বাড়বে শিক্ষার্থীদের পুষ্টির মান সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, এতদিন প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মিড ডে মিলের রান্নার দৈনিক বরাদ্দ ছিল ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। এই বৃদ্ধি কার্যকর হলে বিদ্যালয়গুলিতে আরও উন্নত মানের খাদ্যসামগ্রী ব্যবহার করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীদের পুষ্টির মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হারও আরও বাড়বে বলে শিক্ষা মহলের একাংশের ধারণা। এই খাতে অতিরিক্ত ৪১২.১১ কোটি টাকা ব্যয় করবে রাজ্য সরকার। রান্নার কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক বেড়ে ৩ হাজার টাকা PM Poshan প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল বিদ্যালয়ের রান্নার কর্মীরা। তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবির কথা বিবেচনা করে মাসিক সাম্মানিক ২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা করার অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের প্রায় ২.২৪ লক্ষ কুক-কাম-হেল্পার এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি উপকৃত হবেন। তাঁদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং কর্মপরিবেশের উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। এই বর্ধিত সাম্মানিক বাবদ অতিরিক্ত ২২৪ কোটি টাকা ব্যয় হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background: ধোঁয়ামুক্ত রান্নাঘরের লক্ষ্যে শতভাগ এলপিজি সংযোগ বিদ্যালয়ের রান্নাঘরকে আরও নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে রাজ্য সরকার শতভাগ এলপিজি গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য অতিরিক্ত ২.৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ সম্পূর্ণভাবে রাজ্য সরকার বহন করবে। ফলে কাঠ বা অন্যান্য জ্বালানির পরিবর্তে সব বিদ্যালয়ে এলপিজি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। এতে রান্নার সময় কমবে, ধোঁয়ার সমস্যা দূর হবে এবং কর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও কমবে। রান্নার খরচ বৃদ্ধি ও এলপিজি সংযোগ মিলিয়ে মোট ৪১৪.৬৩ কোটি টাকা এই পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। Official Statement: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে সরকারের অঙ্গীকার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর সরকারি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, শিক্ষার্থীদের পুষ্টিগত সহায়তা বৃদ্ধি, রান্নার কর্মীদের আরও সহযোগিতা এবং রাজ্যের সব বিদ্যালয়ে এলপিজি সংযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে PM Poshan প্রকল্পকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ৬৩৯ কোটি টাকার এই অনুমোদন শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিশুদের নিরাপদ ও সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রতি সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। আজকের শিশুদের জন্য বিনিয়োগই আগামী দিনের উন্নত ও প্রগতিশীল বাংলার ভিত্তি তৈরি করবে। Impact: শিক্ষা, পুষ্টি ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু শিক্ষার্থীদের উন্নত পুষ্টিই নিশ্চিত করবে না, পাশাপাশি বিদ্যালয়ের রান্নার কর্মীদের আর্থিক অবস্থারও উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাবে। উন্নত খাদ্য, নিরাপদ রান্নাঘর এবং কর্মীদের বাড়তি সম্মানী—এই তিনটি পদক্ষেপ একসঙ্গে বাস্তবায়িত হলে বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ আরও উন্নত হবে। দীর্ঘমেয়াদে এর ইতিবাচক প্রভাব শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতির ওপরও পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। Public Information: কারা পাবেন এই সুবিধা সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাবেন— এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে PM Poshan প্রকল্প আরও শক্তিশালী হবে এবং শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মনে করছে শিক্ষা মহল।
TMC Bank Account Freeze: ইডির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল, মামলার এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন
সকাল সকাল ডেস্ক TMC Bank Account Freeze মামলায় দোলা সেনের আইনি অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলল ইডি, কলকাতা হাইকোর্টে শুনানিতে নতুন মোড়। TMC Bank Account Freeze মামলায় সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন সামনে এল। কালীঘাট তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলার শুনানিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দাবি করেছে, মামলাটি দায়ের করার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের আইনি এক্তিয়ার বা লোকাস স্ট্যান্ডি (Locus Standi) রয়েছে কি না, তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এই আপত্তির জেরে মামলার মূল বিষয়ের পাশাপাশি আবেদনকারীদের আইনি বৈধতাও আদালতের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এই মামলায় কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে দোলা সেন এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন আবেদনকারী হিসেবে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। TMC Bank Account Freeze-কে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন এই প্রশ্ন মামলার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দোলা সেনের ভূমিকা নিয়ে আদালতের প্রশ্ন শুনানির সময় বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দোলা সেনের মামলা দায়ের করার বৈধ আইনি ক্ষমতা রয়েছে কি না। ইডির পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী এস. ভি. রাজু আদালতে বলেন, আবেদনকারীদের আইনি অবস্থান পরিষ্কার না হলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যায়। এর জবাবে রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কিশোর দত্ত জানান, দোলা সেন তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। সেই কারণে দলের স্বার্থে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর কোনও আইনি বাধা নেই বলে রাজ্যের দাবি। কীভাবে শুরু হয়েছিল TMC Bank Account Freeze বিতর্ক এই মামলার সূত্রপাত কয়েক মাস আগে। প্রথমে রাজ্য পুলিশ তৃণমূল কংগ্রেসের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেয়। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। পরে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ ওই তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য একজন বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তদন্তে নেমে ইডি শুধু ওই তিনটি নয়, আরও কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করে দেয়। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। দলের ভাঙনের মধ্যেই বাড়ে আইনি জটিলতা সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসে রাজনৈতিক ভাঙন তৈরি হয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি পৃথক শিবির নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করেছে। এই শিবির দলের সাংগঠনিক অধিকার, নির্বাচনী প্রতীক এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের উপরও নিজেদের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে কালীঘাট নেতৃত্ব সেই দাবির বিরোধিতা করছে। এই রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের আবহেই TMC Bank Account Freeze মামলা আরও জটিল আকার নিয়েছে। আগের শুনানিতে কী নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ অন্তর্বর্তী নির্দেশে কিছু শর্তসাপেক্ষে কালীঘাট তৃণমূলকে স্বস্তি দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, ফ্রিজ হওয়া তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যবহার করা যাবে। বিশেষ করে আইনি লড়াইয়ের খরচ ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই বহন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে অ্যাকাউন্ট পরিচালনার পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। আদালত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুব্রত তালুকদারকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশেষ আধিকারিকের অনুমতি ছাড়া অর্থ তোলা যাবে না আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ তুলতে হলে অনুমোদিত স্বাক্ষরকারীদের যে কোনও দু’জনের স্বাক্ষরের পাশাপাশি বিশেষ আধিকারিক সুব্রত তালুকদারের পাল্টা স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। তাঁর অনুমোদন ছাড়া কোনও অর্থ তোলা যাবে না। আদালত জানিয়েছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনিই ওই অ্যাকাউন্টগুলির তত্ত্বাবধান ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। Official Statement শুনানিতে ইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আবেদনকারীদের আইনি এক্তিয়ার প্রথমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অন্যদিকে রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য, দোলা সেন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকায় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে মামলা করার বৈধ অধিকার রাখেন। Background প্রথমে রাজ্য পুলিশের তরফে তৃণমূল কংগ্রেসের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। পরে তদন্ত চলাকালীন ইডি আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। Impact এই মামলার রায় শুধু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিচালনার প্রশ্নেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। আবেদনকারীদের আইনি বৈধতা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্বের অধিকার এবং তদন্তকারী সংস্থার ক্ষমতার সীমা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও ভবিষ্যতের জন্য নজির তৈরি হতে পারে।
কেরলে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস
সমুদ্রে প্রবল বাতাস, মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা সকাল সকাল ডেস্ক। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত কেরলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি)। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি উপকূলবর্তী সমুদ্র এলাকায় প্রবল বাতাস ও উত্তাল সমুদ্রের আশঙ্কায় মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোন কোন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা? আইএমডি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় পাথানামথিট্টা, আলাপ্পুঝা, কোট্টায়ম, ইডুক্কি, এর্নাকুলম, ত্রিশূর, কন্নুর এবং কাসারগোড় জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে সতর্ক থাকার পরামর্শ আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দমকা হাওয়ার জেরে গাছের ডাল ভেঙে পড়া বা অন্যান্য দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্ষার দাপট কিছুটা কমবে আইএমডি জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন কেরলজুড়ে বর্ষার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকবে। ১৫ জুলাই পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। গত কয়েক সপ্তাহের অনিয়মিত বর্ষণের পর এই পূর্বাভাস রাজ্যবাসীর কাছে কিছুটা স্বস্তির খবর। সমুদ্রে প্রবল বাতাস, মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা কেরল ও লক্ষদ্বীপ উপকূল সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়ার গতি ৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। মধ্য-পশ্চিম আরব সাগর, উত্তর আরব সাগর, দক্ষিণ-পশ্চিম আরব সাগর, সোমালিয়া ও ওমান উপকূল সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্র উত্তাল থাকতে পারে। এছাড়া মধ্য-পূর্ব বঙ্গোপসাগর, উত্তর বঙ্গোপসাগর, সংলগ্ন মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরেও ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে আইএমডি। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – সমুদ্রে যাওয়ার আগে সরকারি বুলেটিন দেখার পরামর্শ আবহাওয়া দফতর ও প্রশাসন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার আগে সর্বশেষ সরকারি আবহাওয়া বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনের দিকে নজর রেখে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।