Empire State Building Proposal: প্রেমের প্রস্তাব, তারপর গ্রেফতার!
এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় প্রেম নিবেদন, শান্তির বার্তা, তারপর পুলিশের হাতে গ্রেফতার—রুশ যুগলের ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল বিতর্ক।
SIR: মিজোরামের ভোটার তালিকা থেকে বাদ 46 হাজার নাম
বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) শেষে ডিজিটালাইজেশনে দেশের প্রথম মিজোরাম, ৪ জুলাই প্রকাশ হবে খসড়া ভোটার তালিকা
Tiger Relocation নিয়ে আলওয়ারে বড় কর্মশালা
সারিস্কার সফল অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে বাঘ পুনর্বাসন, প্রজেক্ট চিতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক সংরক্ষণ কৌশল নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনা
Agnimitra Pal: অপরাধ দমনে কড়া বিল, বড় পদক্ষেপ
Agnimitra Pal জানালেন, পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ দমনে একাধিক নতুন বিল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার
Mann Ki Baat-153 এ শক্তিশালী ভারত ও পরিবেশের বার্তা মোদীর
Mann Ki Baat-এর ১৩৫তম পর্বে আত্মনির্ভর ভারত, প্রতিরক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনঅংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
Aarogya Setu 2.0 লঞ্চ, ডিজিটাল স্বাস্থ্যে বড় পদক্ষেপ
Aarogya Setu 2.0 ও একাধিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য উদ্যোগ ২৯ জুন উদ্বোধন করবেন জে.পি. নাড্ডা। স্বাস্থ্য পরিষেবা হবে আরও সহজ, দ্রুত ও আন্তঃসংযুক্ত।
Rewa Sundarja Mango রপ্তানিতে বড় সাফল্য
সকাল সকাল ডেস্ক। GI-ট্যাগযুক্ত Rewa Sundarja Mango প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে UAE-তে রপ্তানি, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলল। ভারতের জিআই-ট্যাগযুক্ত কৃষি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিতি আরও এক ধাপ এগোল। Rewa Sundarja Mango-এর প্রথম বাণিজ্যিক রপ্তানি সফলভাবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে (UAE) পৌঁছে দিয়েছে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এপিইডিএ)। এই পদক্ষেপ শুধু একটি নতুন রপ্তানি অধ্যায়ের সূচনা নয়, বরং মধ্যপ্রদেশের আমচাষিদের জন্য আয় বৃদ্ধির নতুন দিগন্তও খুলে দিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, Rewa Sundarja Mango-এর এই সাফল্য ভবিষ্যতে ভারতের অন্যান্য জিআই-ট্যাগযুক্ত কৃষি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। Rewa Sundarja Mango-এর প্রথম বাণিজ্যিক রপ্তানি ভারত সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীনস্থ এপিইডিএ দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রদেশ সরকারের উদ্যানপালন বিভাগ, কৃষক উৎপাদক সংগঠন (FPO), রপ্তানিকারক, প্যাক হাউস অপারেটর এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে একজন উপযুক্ত ক্রেতা চিহ্নিত হয় এবং Rewa Sundarja Mango-এর প্রথম বাণিজ্যিক রপ্তানি সম্ভব হয়। ২৬ জুন ২০২৬ তারিখে মেসার্স সল্ট রেঞ্জ ফুডস প্রাইভেট লিমিটেড এক মেট্রিক টন জিআই-ট্যাগযুক্ত আম সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে পাঠায়। এই চালান ভবিষ্যতে নিয়মিত রপ্তানির সম্ভাবনাকেও আরও শক্তিশালী করেছে। কৃষকদের জন্য বড় অর্থনৈতিক সুযোগ এই রপ্তানির সবচেয়ে বড় সুফল পাচ্ছেন মধ্যপ্রদেশের রেওয়া অঞ্চলের আমচাষিরা। স্থানীয় বাজারে যেখানে Rewa Sundarja Mango প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে রপ্তানিকারক কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা দরে আম সংগ্রহ করেছেন। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা অতিরিক্ত মূল্য কৃষকদের হাতে পৌঁছেছে। ফলে উন্নত মানের উৎপাদন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং ফসল-পরবর্তী পরিচর্যার প্রতি কৃষকদের আগ্রহ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কীভাবে সম্পন্ন হল রপ্তানি প্রক্রিয়া রপ্তানির জন্য উৎকৃষ্ট মানের Rewa Sundarja Mango সংগ্রহ করা হয় মেসার্স সেওন্ধা ফার্মার প্রোডিউসার কোম্পানি লিমিটেড এবং রেওয়ার গোবিন্দগড়ের প্রগতিশীল কৃষক সোনু গুপ্তের কাছ থেকে। এরপর উত্তরপ্রদেশের ভাদোহিতে অবস্থিত এপিইডিএ অনুমোদিত প্যাক হাউসে আমগুলির গ্রেডিং, বাছাই এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্যাকেজিং সম্পন্ন করা হয়। ফাইটোস্যানিটারি পরীক্ষাসহ সমস্ত রপ্তানি-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বারাণসী বিমানবন্দর থেকে চালানটি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে পাঠানো হয়। GI ট্যাগের গুরুত্ব আরও বাড়ল এই সফল রপ্তানি আবারও প্রমাণ করল যে জিআই (Geographical Indication) ট্যাগ শুধুমাত্র একটি স্বীকৃতি নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে একটি কৃষি পণ্যের আলাদা পরিচিতি গড়ে তোলার শক্তিশালী মাধ্যম। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – Rewa Sundarja Mango তার অসাধারণ মিষ্টতা, মনোমুগ্ধকর সুগন্ধ, আঁশবিহীন শাঁস এবং স্বতন্ত্র স্বাদের জন্য বহুদিন ধরেই পরিচিত। আন্তর্জাতিক বাজারে এই বৈশিষ্ট্যগুলিই ভারতীয় আমের ব্র্যান্ড ভ্যালু আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগ ও এপিইডিএর ভূমিকা এপিইডিএ দীর্ঘদিন ধরে দেশের জিআই-ট্যাগযুক্ত কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে। রপ্তানি অবকাঠামো উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা, বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং কৃষকদের রপ্তানিমুখী উৎপাদনে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২৬ জুন ২০২৬ এই ঐতিহাসিক রপ্তানিকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কৃষকদের এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানানো হয়। ভবিষ্যতে কী প্রভাব পড়বে বিশেষজ্ঞদের মতে, Rewa Sundarja Mango-এর এই বাণিজ্যিক রপ্তানি ভারতের অন্যান্য জিআই-ট্যাগযুক্ত কৃষিপণ্যের জন্যও নতুন আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি করবে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রদেশকে উচ্চমানের আম রপ্তানির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে। এছাড়া কৃষকদের টেকসই আয় বৃদ্ধি, উন্নত কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, রপ্তানি অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং ভারতীয় কৃষিপণ্যের বৈশ্বিক পরিচিতি বৃদ্ধিতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ভবিষ্যতে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারেও Rewa Sundarja Mango-এর চাহিদা বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
Flat Possession Delay: ক্ষতিপূরণে ক্রেতাদের বড় স্বস্তি
সকাল সকাল ডেস্ক। সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়, ফ্ল্যাটের দখল নেওয়ার পরও বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন ক্রেতারা ফ্ল্যাট কেনার পর নির্ধারিত সময়ে দখল না পাওয়া দেশের লক্ষ লক্ষ ক্রেতার জন্য বড় স্বস্তির খবর দিল সুপ্রিম কোর্ট। Flat Possession Delay সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় দেশের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফ্ল্যাটের প্রকৃত দখল গ্রহণ করার পরও বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার ক্রেতারা হারান না। এই রায়ের মাধ্যমে জাতীয় উপভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের (এনসিডিআরসি) ২০১৬ সালের একটি আদেশও বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা নানা বিতর্ক ও প্রকল্পে দেরির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য এই রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে। Flat Possession Delay-এর কারণে ক্ষতির শিকার বহু মানুষ ভবিষ্যতে এই রায়ের ভিত্তিতে আইনি প্রতিকার চাইতে পারবেন। কী বলেছে সুপ্রিম কোর্ট? বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং ভি. মোহন-এর বেঞ্চ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফ্ল্যাটের দখল গ্রহণ করলেই কোনও ব্যক্তি উপভোক্তার মর্যাদা হারান না। ফলে ফ্ল্যাটের দখল পাওয়ার আগে যে বিলম্ব হয়েছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকারও বহাল থাকবে। আদালত ৪ জুন দেওয়া রায়ে উল্লেখ করেছে, কোনও আবাসন প্রকল্পে দেরি হলে এবং পরে ক্রেতা ফ্ল্যাটের দখল পেলেও সেই বিলম্বের কারণে হওয়া আর্থিক বা মানসিক ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করা সম্পূর্ণ বৈধ। Flat Possession Delay-এর ক্ষেত্রে এই ব্যাখ্যা ভবিষ্যতের বহু মামলার জন্য দিশা দেখাবে বলে মনে করা হচ্ছে। মামলার পটভূমি এই মামলার সূত্রপাত ২০০৩ সালে। দিল্লির একটি সমবায় গৃহনির্মাণ সমিতির সদস্য হিসেবে এক ব্যক্তি একটি ফ্ল্যাট বরাদ্দ পান। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাটের দখল না পাওয়ায় তিনি পরিষেবায় ঘাটতির অভিযোগ তুলে জেলা উপভোক্তা ফোরামের দ্বারস্থ হন। ২০০৯ সালে জেলা ফোরাম অভিযোগ গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট সমিতিকে নোটিশ পাঠায়। পরে ২০১৩ সালে দিল্লি রাজ্য উপভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। তবে ২০১৬ সালে এনসিডিআরসি আবেদন খারিজ করে জানায়, যেহেতু অভিযোগকারী ইতিমধ্যেই ফ্ল্যাটের দখল নিয়েছেন, তাই তিনি আর উপভোক্তা হিসেবে গণ্য হবেন না। সুপ্রিম কোর্ট এই ব্যাখ্যাকে ভুল বলে উল্লেখ করে জানায়, Flat Possession Delay-এর কারণে ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার দখল গ্রহণের পরেও অটুট থাকে। সালিশি ধারা থাকলেও অভিযোগ করা যাবে মামলার শুনানিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির মধ্যে চুক্তিতে সালিশি (Arbitration) সংক্রান্ত ধারা ছিল। সেই যুক্তিতে দাবি করা হয়েছিল, বিরোধটি উপভোক্তা ফোরামে নয়, সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। তবে সুপ্রিম কোর্ট এই যুক্তিও খারিজ করে দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, কোনও চুক্তিতে সালিশি ধারা থাকলেই উপভোক্তা ফোরামের এখতিয়ার শেষ হয়ে যায় না। ভোক্তারা চাইলে উপভোক্তা ফোরামের দ্বারস্থ হতে পারবেন। উপভোক্তা সুরক্ষা আইনের ব্যাখ্যা আদালত ১৯৮৬ সালের উপভোক্তা সুরক্ষা আইনের ৩ নম্বর ধারার উল্লেখ করে বলেছে, এই আইন একটি কল্যাণমূলক আইন। এর মূল উদ্দেশ্য সাধারণ ভোক্তাদের দ্রুত, সহজ এবং কম খরচে বিচার ও প্রতিকার প্রদান করা। বেঞ্চ জানিয়েছে, আইনের অধীনে পাওয়া প্রতিকার অন্য কোনও আইনি প্রতিকারের বিকল্প নয়, বরং অতিরিক্ত সুবিধা। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তি চাইলে অন্য আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি উপভোক্তা ফোরামেও অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য কী প্রভাব পড়বে? আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায়ের ফলে দেশের আবাসন খাতে ক্রেতাদের অধিকার আরও শক্তিশালী হবে। বহু ক্ষেত্রে নির্মাণকারী সংস্থা বা আবাসন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করে থাকে। এতদিন অনেকেই মনে করতেন, ফ্ল্যাটের দখল গ্রহণ করার পর ক্ষতিপূরণ দাবি করা সম্ভব নয়। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর Flat Possession Delay-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতারা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আইনি লড়াই চালাতে পারবেন। একই সঙ্গে আবাসন সংস্থাগুলির উপরও সময়মতো প্রকল্প সম্পূর্ণ করার চাপ বাড়বে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা এই রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ফ্ল্যাটের দখল গ্রহণ করলেই ক্রেতার সমস্ত দাবি শেষ হয়ে যায় না। যদি দখল হস্তান্তরে অযৌক্তিক বিলম্ব ঘটে এবং তার ফলে আর্থিক বা মানসিক ক্ষতি হয়, তাহলে উপভোক্তা ফোরামের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, Flat Possession Delay সংক্রান্ত এই ঐতিহাসিক রায় ভবিষ্যতে লক্ষ লক্ষ বাড়ি ক্রেতার অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং আবাসন খাতে আরও বেশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।
MSME Sector হবে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর শক্তিশালী চালিকাশক্তি
সকাল সকাল ডেস্ক। আন্তর্জাতিক MSME দিবসে উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণনের বার্তা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর বৃদ্ধির ওপর জোর আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নয়াদিল্লির ড. আম্বেদকর আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের অর্থনীতিতে MSME Sector-এর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরলেন উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভারতের ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে MSME Sector-ই হবে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাঁর মতে, এই খাত শুধুমাত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যম নয়, বরং নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা, নারী স্বনির্ভরতা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাফল্যের প্রতীক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রী জিতন রাম মাঞ্জি, প্রতিমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে, খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশনের চেয়ারম্যান মনোজ কুমার, মন্ত্রকের সচিব ভারত খেরা এবং বিভিন্ন শিল্পপতি ও উদ্যোক্তারা। MSME Sector নিয়ে উপরাষ্ট্রপতির দৃষ্টিভঙ্গি ভাষণে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও মজবুত করতে MSME Sector-এর সম্প্রসারণ অত্যন্ত প্রয়োজন। তাঁর মতে, প্রতিটি ক্ষুদ্র উদ্যোগের লক্ষ্য হওয়া উচিত ছোট শিল্পে পরিণত হওয়া এবং প্রতিটি ছোট শিল্পের লক্ষ্য হওয়া উচিত মাঝারি শিল্পে উন্নীত হওয়া। এই ধারাবাহিক অগ্রগতিই ভারতের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, এই খাতের উন্নয়নের জন্য সহজ ঋণ, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং সরকারের নীতিগত সহায়তা অপরিহার্য। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা গেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বিকাশ আরও দ্রুত হবে। উদ্যোক্তা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে সি. পি. রাধাকৃষ্ণন জানান, স্নাতক সম্পন্ন করার পর তিনি পিতার আর্থিক সহায়তায় একটি ছোট পোশাক ব্যবসা শুরু করেছিলেন। পরবর্তীকালে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং ব্যবসা সম্পর্কে ধারাবাহিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে তিনি একটি সফল নিটওয়্যার রপ্তানি ব্যবসা গড়ে তুলতে সক্ষম হন। তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুরুতে সীমিত পুঁজি বা বাধা থাকলেও তা সাফল্যের পথে অন্তরায় নয়। ব্যবসা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাজারের চাহিদা বোঝার মাধ্যমে যে কেউ এগিয়ে যেতে পারেন। গুণমান বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব উপরাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে পণ্যের মানের সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা যাবে না। তাঁর মতে, প্রকৃত সাফল্য তখনই আসে যখন কম খরচে উন্নতমানের পণ্য ও পরিষেবা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। তিনি জানান, ভারতের MSME Sector-কে বিশ্ববাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে হলে গুণমান, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। Artificial Intelligence ও নতুন সম্ভাবনা রাষ্ট্রসংঘ ঘোষিত এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত ভবিষ্যতে মানবকেন্দ্রিক উদ্যোক্তা’। এই প্রসঙ্গে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, প্রযুক্তিকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। অতীতে কম্পিউটারের আগমনে যেমন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, তেমনই Artificial Intelligence বা AI ভবিষ্যতে আরও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে। তিনি বলেন, প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদের সমন্বয় ঘটিয়ে MSME Sector আরও দ্রুত বিকাশের পথে এগিয়ে যেতে পারবে। AI-নির্ভর উৎপাদন, বিপণন এবং পরিষেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসার দক্ষতা বৃদ্ধি সম্ভব। খাদি শিল্প ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশনের কাজের প্রশংসা করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, মধু উৎপাদন এবং খাদি শিল্পে সংস্থাটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে খাদি শিল্পকেও আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন বিপণন কৌশল গ্রহণ করতে হবে। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে খাদি ও গ্রামোদ্যোগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নতুন পোর্টাল ও উদ্যোগের সূচনা অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে ছিল প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির কর্মসূচি ২.০ পোর্টাল, সমাধান ২.০ পোর্টাল, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং সাপোর্ট ২.০ পোর্টাল, এমএসএমই গ্লোবাল মার্ট ২.০ পোর্টাল এবং টেস্টিং সেন্টার পোর্টাল। এছাড়াও এমএসএমই আইডিয়া হ্যাকাথন ৬.০-এর সূচনা করা হয়। আত্মনির্ভর ভারত তহবিল এবং প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্প সংক্রান্ত ই-বইও প্রকাশ করা হয়। সাধারণ মানুষের জন্য বার্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, MSME Sector-এর শক্তিশালী বিকাশ দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারের নতুন উদ্যোগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নীতিগুলি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। উপরাষ্ট্রপতির বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর স্বপ্ন পূরণে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পই হবে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রী শ্রী জিতন রাম মাঞ্জি, এমএসএমই প্রতিমন্ত্রী সুশ্রী শোভা করন্দলাজে, কেভিআইসি-র চেয়ারম্যান শ্রী মনোজ কুমার, এমএসএমই মন্ত্রকের সচিব শ্রী ভারত খেরা, মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, শিল্পপতি এবং উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Taratala Collapse Case: ফিরহাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
সকাল সকাল ডেস্ক। তারাতলা বিপর্যয়ে ১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, আনোয়ার খান ও সামস ইকবালের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি জোরালো হচ্ছে। কলকাতার বহুল আলোচিত Taratala Collapse Case-এ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি চাপের মুখে পড়লেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউন ভেঙে ১৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার সরাসরি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের (বিজেএমসি) দক্ষিণ কলকাতা শাখা। এই Taratala Collapse Case ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগে কারা রয়েছেন? বিজেএমসি-র পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগপত্রে শুধু ফিরহাদ হাকিম নন, কলকাতা পুরসভার ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার আনোয়ার খান এবং ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সামস ইকবালের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গোডাউন ধসের ঘটনা কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং এর পিছনে রয়েছে গুরুতর গাফিলতি এবং সম্ভাব্য অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র। সংগঠনের দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি এমবি মহেশ অভিযোগ করেছেন যে কলকাতা পোর্ট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি নির্মাণ এবং নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে একটি সিন্ডিকেট চক্র কাজ করেছে। তাঁর দাবি, এই চক্রের মূল প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। Taratala Collapse Case-এ এফআইআর দায়েরের দাবি লিখিত অভিযোগে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এই অভিযোগপত্রকে এফআইআর হিসেবে গণ্য করে দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্ত শুরু করতে হবে। অভিযোগকারীদের মতে, ১৭ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। এই Taratala Collapse Case-এ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বহু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, যদি নির্মাণে ত্রুটি থেকেই থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে অনুমোদন দিয়েছিল এবং কেন সময়মতো ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করা হয়নি। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক দাবি ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় যখন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিষয়টি নিয়ে সরব হন। তিনি দাবি করেন, তারাতলার যে নির্মাণ প্রকল্পটি পরে বিপর্যয়ের কারণ হয়েছে, তার অনুমোদিত নকশায় তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপন করে বলেন, অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম ছিল এবং সেই কারণেই নির্মাণের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই বক্তব্যের পর থেকেই Taratala Collapse Case নতুন মোড় নেয়। ওএসডি গ্রেফতারির পর বাড়ছে চাপ ঘটনার তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে প্রাক্তন মেয়রের ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির মাধ্যমে। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করার পর তদন্তকারীরা অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন। আরো খবর দেখতে আমাদের ফেসবুক পেজ – রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কালীচরণের গ্রেফতারির পর তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে। ফলে Taratala Collapse Case-এ আরও নতুন তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরকারের অবস্থান বর্তমান পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত অন্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, আইনের চোখে সবাই সমান এবং এই ঘটনায় কেউ দায়ী প্রমাণিত হলে তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারের এই অবস্থান তদন্তকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর দাবি, কোনো নির্মাণ প্রকল্পের নকশায় চূড়ান্ত কারিগরি অনুমোদন দেওয়ার দায়িত্ব মেয়রের নয়। সেই দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত বিভাগের ওপর বর্তায়। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর নাম জড়ানো হচ্ছে। তদন্তে সত্য সামনে এলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তারাতলা গোডাউন ধসের ঘটনায় নিহতদের পরিবার এখনও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং বিভিন্ন নথি ও অনুমোদন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করতে নির্মাণ সংক্রান্ত নিয়মকানুন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে Taratala Collapse Case-এর তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে এই বহুচর্চিত মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশ।