Gold Loan India 2026: 3 বছরে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছল গোল্ড লোন, কেন বাড়ছে সোনা বন্ধক রেখে ঋণের চাহিদা?
সকাল সকাল ডেস্ক সোনার দাম বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতে রেকর্ড হারে বাড়ছে Gold Loan। তিন বছরে বাজার প্রায় তিনগুণ, নতুন ঋণ বিতরণে ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি। ভারতে দ্রুত বদলে যাচ্ছে ব্যক্তিগত ঋণের চিত্র। Gold Loan India 2026-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, সোনার গয়না বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা নজিরবিহীন হারে বেড়েছে। চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষিকাজ, ছোট ব্যবসা কিংবা জরুরি পারিবারিক খরচ—প্রায় সব ক্ষেত্রেই এখন সাধারণ মানুষ ব্যক্তিগত ঋণের বদলে গোল্ড লোনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নতুন গোল্ড লোন বিতরণ আগের বছরের তুলনায় ৮৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে দেশের মোট গোল্ড লোন পোর্টফোলিও তিন বছরে প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। Gold Loan India 2026: তিন বছরে কতটা বেড়েছে বাজার? পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ভারতে মোট গোল্ড লোনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬.৩ লক্ষ কোটি টাকা। মাত্র তিন বছরের মধ্যে, ২০২৬ সালের মার্চে সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গোল্ড লোনের বাজার প্রায় তিনগুণ বড় হয়েছে। সোনার দাম বৃদ্ধিই সবচেয়ে বড় কারণ ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞদের মতে, গোল্ড লোন বৃদ্ধির প্রধান কারণ সোনার বাজারদর। গত কয়েক বছরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে Gold Price Index প্রায় ১৪৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে একই পরিমাণ সোনা বন্ধক রেখে গ্রাহকরা আগের তুলনায় অনেক বেশি ঋণ পাচ্ছেন। এর ফলে গোল্ড লোনের অনুমোদিত ঋণের পরিমাণও ২০০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে প্রতিটি ঋণের গড় মূল্য শুধু ঋণের সংখ্যা নয়, প্রতিটি ঋণের গড় অঙ্কও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সোনার মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রাহকদের আস্থাও বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শুধু দক্ষিণ ভারত নয়, বাড়ছে সারা দেশে এক সময় গোল্ড লোন মূলত দক্ষিণ ভারতের বাজারে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিম ভারতেও দ্রুত বাড়ছে এই ঋণের জনপ্রিয়তা। রাজ্যভিত্তিক বৃদ্ধির হার— এই তথ্য দেখাচ্ছে, মফস্বল, ছোট শহর এবং গ্রামীণ এলাকাতেও গোল্ড লোনের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। কেন এত জনপ্রিয় হচ্ছে Gold Loan? বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক কারণে মানুষ এখন গোল্ড লোনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। প্রধান কারণগুলি হল— এই সুবিধার কারণে চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষিকাজ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মতো ক্ষেত্রে গোল্ড লোনের ব্যবহার বাড়ছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতেও বড় ভূমিকা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে মোট গোল্ড লোনের প্রায় ২৩ শতাংশ ছিল Priority Sector Gold Loan (PSGL)। এই ধরনের ঋণ মূলত কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, স্বনিযুক্ত ব্যক্তি এবং গ্রামীণ এলাকার মানুষের জন্য। ফলে বহু মানুষ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আসছেন। একই গ্রাহক বারবার নিচ্ছেন গোল্ড লোন ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের চতুর্থ ত্রৈমাসিকের তথ্য অনুযায়ী, নতুন গোল্ড লোন নেওয়া গ্রাহকদের প্রায় ৭৫ শতাংশ আগেও অন্তত একবার গোল্ড লোন নিয়েছিলেন। অর্থাৎ এখন এটি শুধু জরুরি ঋণ নয়; বরং অনেকের নিয়মিত আর্থিক পরিকল্পনার অংশ হয়ে উঠেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ঋণ নেওয়ার আগে কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন? বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গোল্ড লোন নেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিত— সময়মতো ঋণ শোধ না করলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধক রাখা সোনা নিলামে বিক্রি করতে পারে। Background ভারতে ঐতিহ্যগতভাবে সোনা শুধু অলংকার নয়, আর্থিক সম্পদ হিসেবেও বিবেচিত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সোনার দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল ঋণ পরিষেবা সহজ হওয়ায় গোল্ড লোনের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। Impact Official Statement সাম্প্রতিক আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নতুন গোল্ড লোন বিতরণ ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মোট গোল্ড লোন পোর্টফোলিও বেড়ে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। Public Information পুনরায় ঋণ নেওয়া গ্রাহক: ৭৫% মোট গোল্ড লোন (মার্চ ২০২৬): ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকা মার্চ ২০২৩: ৬.৩ লক্ষ কোটি টাকা নতুন ঋণ বিতরণ বৃদ্ধি: ৮৪% Gold Price Index বৃদ্ধি: ১৪৪% গড় ঋণ: ১.৯৬ লক্ষ টাকা PSGL অংশ: ২৩%
Peru Election Result 2026: ডানপন্থী কেইকো ফুজিমোরির জয়, মাত্র ৫০ হাজার ভোটে হারালেন রবার্তো সানচেজ
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘ ভোটগণনা ও বিতর্কের পর পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা। অল্প ব্যবধানে জয়ী কেইকো ফুজিমোরি, জুলাইয়ের শেষে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে বহুল আলোচিত Peru Election Result 2026 অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ ভোটগণনা ও রাজনৈতিক বিতর্কের পর দেশটির নির্বাচন কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ডানপন্থী নেতা কেইকো ফুজিমোরিকে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে তিনি বামপন্থী প্রার্থী ও কংগ্রেস সদস্য রবার্তো সানচেজকে মাত্র ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। শুক্রবার পেরুর ন্যাশনাল জুরি অব ইলেকশনস (JNE) আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করে। এর মধ্য দিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। Peru Election Result 2026: কত ভোটে জিতলেন কেইকো ফুজিমোরি? আনুষ্ঠানিক ফল অনুযায়ী, কেইকো ফুজিমোরি পেয়েছেন ৯২ লাখ ২৩ হাজার ভোট। অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রবার্তো সানচেজ পেয়েছেন ৯১ লাখ ৭৩ হাজার ভোট। ফলে মাত্র ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন ফুজিমোরি। নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৭ জুন। তবে ভোটগণনা ও বিভিন্ন অভিযোগের কারণে চূড়ান্ত ফল প্রকাশে প্রায় এক মাস সময় লেগেছে। জয়ের পর কী বললেন ফুজিমোরি? আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান কেইকো ফুজিমোরি। তিনি লেখেন, “একটি নতুন অধ্যায়ের শুরু হলো।” তিনি আরও বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব, বিনয় এবং জনগণের প্রতি কর্তব্যবোধ নিয়ে কাজ করবে। রূপান্তরের প্রতিটি ধাপে জনগণের কথা শোনা এবং সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। কে এই কেইকো ফুজিমোরি? ৫১ বছর বয়সী কেইকো ফুজিমোরি পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির মেয়ে। আলবার্তো ফুজিমোরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দীর্ঘ ১৬ বছর কারাভোগ করেছিলেন। সেই রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবেই কেইকোর এই জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচন কেন এত বিতর্কিত ছিল? এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শুরু থেকেই নানা বিতর্কে ঘেরা ছিল। প্রথম দফার ভোটে মোট ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু কেউই ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় নির্বাচন গড়ায় রান-অফে। এপ্রিলের ভোটে ব্যালট বিতরণে বিলম্ব, ভোটগণনায় দীর্ঘ সময় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক অভিযোগ ওঠে। রবার্তো সানচেজ ভোট কারচুপির অভিযোগ তুললেও তার পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাও জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ভোট জালিয়াতির কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যদিও এপ্রিলের নির্বাচনে ব্যালট বিতরণে বিলম্ব ও উভয় দফার ভোটের পর দীর্ঘ সময় ধরে গণনা পেরুর এবারের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল কারচুপির অভিযোগও তুলেছে। গ্রামীণ ও আদিবাসী ভোটারদের মধ্যে সানচেজের শক্তিশালী সমর্থন ছিল। তিনি ভোট গণনায় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন। যদিও এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। সানচেজ নির্বাচনের প্রাক্কালে একটি নিয়ম বদলের সমালোচনা করেন। দেশটির নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রবাসী ভোটারদের দেওয়া ভোট ডিজিটালি গণনার নিয়ম রয়েছে। এবারের নির্বাচনের আগে এ নিয়ম মানার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়। প্রবাসী ভোটেই বদলে গেল ফলাফল বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর ছিল প্রবাসী ভোট। রবার্তো সানচেজ দেশের ভেতরে তুলনামূলক বেশি সমর্থন পেলেও বিদেশে বসবাসকারী পেরুভিয়ান ভোটারদের বড় অংশ কেইকো ফুজিমোরির পক্ষে ভোট দেন। ফলে শেষ পর্যন্ত সামান্য ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় ডানপন্থী প্রার্থীর। সামনে কী চ্যালেঞ্জ? নির্বাচনের পর কেইকো ফুজিমোরি জানিয়েছেন, বিভক্ত পেরুকে আবার ঐক্যবদ্ধ করাই হবে তাঁর প্রথম লক্ষ্য। তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আগামী জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে, পেরুর স্বাধীনতা দিবসে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। Background পেরু গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন, দুর্নীতির অভিযোগ এবং অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। এবারের নির্বাচন সেই অস্থিরতার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়। কেইকো ফুজিমোরির জয়ের মাধ্যমে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের আবারও ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন ঘটছে। Impact Official Statement নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের পর কেইকো ফুজিমোরি বলেছেন, নতুন সরকার জনগণের কথা শুনে দায়িত্বশীলভাবে দেশ পরিচালনা করবে এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information
AI Intelligence 2026: এখনো অতটা বুদ্ধিমান নয় AI, বিস্ফোরক দাবি এআই-বিজ্ঞানী ইয়ান লেকুনের
সকাল সকাল ডেস্ক ChatGPT, Claude বা Gemini এখনও বাস্তব পৃথিবী বোঝে না। নতুন প্রজন্মের AI তৈরির পথে হাঁটছে ইয়ান লেকুনের গবেষণা সংস্থা, লক্ষ্য আরও উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বিশ্বজুড়ে যখন AI Intelligence 2026 নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন মত প্রকাশ করলেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ AI গবেষক ইয়ান লেকুন। তাঁর মতে, বর্তমানে ব্যবহৃত ChatGPT, Claude কিংবা Gemini-এর মতো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) যতই উন্নত মনে হোক না কেন, বাস্তব পৃথিবী বোঝার ক্ষেত্রে তারা এখনও অনেক পিছিয়ে। এমনকি বাস্তব জগতকে বোঝার ক্ষমতায় একটি সাধারণ ইঁদুরও বর্তমান AI-এর চেয়ে এগিয়ে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ফ্রান্সের প্রযুক্তি সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে লেকুন বলেন, বর্তমান AI মূলত তথ্য বিশ্লেষণ ও ভাষা তৈরিতে দক্ষ হলেও বাস্তব পরিবেশে সিদ্ধান্ত নেওয়া, কারণ-ফলাফল বোঝা কিংবা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলানোর মতো সক্ষমতা এখনও অর্জন করতে পারেনি। AI Intelligence 2026: কেন বর্তমান AI যথেষ্ট নয়? ইয়ান লেকুন দীর্ঘদিন মেটার প্রধান AI বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন Advanced Machine Intelligence Labs (AMI Labs), যেখানে ChatGPT-এর পথ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের AI প্রযুক্তি তৈরির কাজ চলছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান LLM-গুলো মূলত বিপুল তথ্য মুখস্থ করে এবং সম্ভাব্য উত্তর তৈরি করে। কিন্তু বাস্তব জগতের নিয়ম, পদার্থবিদ্যা কিংবা পরিবেশগত পরিবর্তন তারা সত্যিকার অর্থে বোঝে না। কলমের উদাহরণে AI-এর সীমাবদ্ধতা নিজের বক্তব্য বোঝাতে লেকুন একটি সাধারণ উদাহরণ দেন। তিনি একটি কলম সোজা করে দাঁড় করিয়ে প্রশ্ন করেন—এটি ছেড়ে দিলে কী হবে? যেকোনো শিশুই জানে কলমটি পড়ে যাবে। কিন্তু কোন দিকে পড়বে, তা আগে থেকে নির্ভুলভাবে বলা যায় না। লেকুনের মতে, বর্তমান LLM পরিসংখ্যানগত তথ্যের ভিত্তিতে একটি সম্ভাব্য উত্তর অনুমান করবে। কিন্তু বাস্তব পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম বোঝার ক্ষমতা তার নেই। তাই বাস্তব বিশ্বের সমস্যায় এই প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে যায়। নতুন প্রজন্মের AI তৈরি করছে AMI Labs বর্তমান AI-এর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে AMI Labs তৈরি করছে Joint Embedding Predictive Architecture (JEPA) নামে একটি নতুন প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি বাস্তব পৃথিবীর একটি বিমূর্ত (Abstract) মডেল তৈরি করে সম্ভাব্য ফলাফল বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে। অর্থাৎ AI শুধুমাত্র তথ্য মুখস্থ করবে না; বরং বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে শিখবে। রোবোটিকসেই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন লেকুনের মতে, ভবিষ্যতের AI-এর সবচেয়ে বড় ব্যবহার হবে রোবোটিকসে। বর্তমান AI দিয়ে ঘরের সাধারণ কাজ—যেমন কাপড় ইস্ত্রি করা, বাসন ধোয়া কিংবা জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা—এখনও অত্যন্ত কঠিন ও ব্যয়বহুল। নতুন প্রজন্মের AI এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে পারবে বলে আশা করছেন তিনি। World Model AI নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা শুধু ইয়ান লেকুন নন, বিশ্বের বহু গবেষক এখন World Model AI নিয়ে কাজ করছেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইঙ্গমার পোসনারের মতে, ভবিষ্যতের AI শুধু উত্তর দেবে না, বরং ব্যাখ্যাও করবে—কেন একটি ঘটনা ঘটছে এবং ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিলে কী হতে পারে। Google-এর DeepMind তাদের Genie Model নিয়ে কাজ করছে। এছাড়া Wave-এর Gaia System এবং ফেই-ফেই লি প্রতিষ্ঠিত World Labs-ও একই ধরনের প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিনিয়োগকারীদের বড় আস্থা AMI Labs ইতিমধ্যেই এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ সংগ্রহের ঘোষণা দিয়েছে। এই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছে— বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপের AI স্টার্টআপ ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় বিনিয়োগ। ভবিষ্যতে মানুষের ভূমিকা কী? AI আরও শক্তিশালী হলেও মানুষের কাজ শেষ হয়ে যাবে—এমন ধারণার সঙ্গে একমত নন ইয়ান লেকুন। তাঁর মতে, মানুষই সিদ্ধান্ত নেবে কী তৈরি করতে হবে, কোন সমস্যা সমাধান করতে হবে এবং কোন প্রশ্ন করা উচিত। AI হবে মানুষের সহকারী, বিকল্প নয়। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের AI মানুষের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান হলেও সেটি মানুষের নির্দেশনা মেনেই কাজ করবে। Background গত কয়েক বছরে ChatGPT, Claude, Gemini-এর মতো Generative AI বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। তবে AI-এর পরবর্তী ধাপ হিসেবে গবেষকরা এখন এমন প্রযুক্তি তৈরির চেষ্টা করছেন, যা বাস্তব পৃথিবী বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। ইয়ান লেকুনের JEPA এবং World Model AI সেই দিকেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। Impact Official Statement ইয়ান লেকুন বলেছেন, বর্তমান LLM প্রযুক্তি বাস্তব বিশ্বের জটিলতা বোঝার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর সংস্থা AMI Labs আগামী বছরে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য নতুন AI মডেল আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। Public Information
Iran Funeral 2026: খামেনেইর সঙ্গেই ১৪ মাসের নাতনির শেষকৃত্য, ছোট কফিনের দৃশ্যে আবেগে ভাসল তেহরান
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘ পাঁচ মাসের অপেক্ষার পর অবশেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শুরু হয়েছে Iran Funeral 2026-এর সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায়। ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর শেষকৃত্য উপলক্ষে শনিবার রাজধানী তেহরানে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামে। তবে গোটা অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত হয়ে ওঠে তাঁর মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনির ছোট্ট কফিন, যা খামেনেইর কফিনের পাশেই রাখা হয়েছিল। শিশুটির ছবিও উপস্থিত মানুষের চোখে জল এনে দেয়। Iran Funeral 2026-এ আবেগঘন পরিবেশ শনিবার সকালে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে জাতীয় পতাকায় মোড়া খামেনেইর কফিন আনা হলে গোটা প্রাঙ্গণে নেমে আসে নীরবতা। কফিনের ওপর রাখা ছিল তাঁর পরিচিত কালো পাগড়ি, যা ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রতীক। কিন্তু সবার নজর কাড়ে পাশাপাশি রাখা পরিবারের সদস্যদের কফিন। বিশেষ করে ১৪ মাস বয়সী নাতনির ছোট্ট কফিন এবং তার পাশে রাখা শিশুর ছবি উপস্থিত হাজার হাজার মানুষকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। অনেকেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। লাখো মানুষের শেষ শ্রদ্ধা ইরানের সরকারি সূত্র অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে খামেনেইর মরদেহ রাজধানী তেহরানে আনা হয়। শনিবার সকাল থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য শেষ শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হয়। ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়া কফিনের উপরে রাখা ছিল তাঁর পরিচিত কালো পাগড়ি, যা তাঁর ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু সেই দৃশ্যের মধ্যেই সবার নজর কাড়ে পাশাপাশি রাখা পরিবারের অন্য সদস্যদের কফিন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট কফিনটি ছিল তাঁর ১৪ মাস বয়সী নাতনির। কফিনের পাশে রাখা শিশুটির একটি ছবিও উপস্থিত মানুষকে গভীরভাবে আবেগাপ্লুত করে। অনেকেই কান্না চেপে রাখতে পারেননি, আবার কেউ কেউ প্রার্থনায় মাথা নত করেন। ইরানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে খামেনেইর মরদেহ তেহরানে আনা হয়। এরপর শনিবার সকাল থেকে সাধারণ মানুষের জন্য শেষ শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হয়। রাজধানী ছাড়াও ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে মোট ছয় দিন ধরে চলবে এই রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। প্রশাসনের অনুমান, শুধু তেহরানেই আগামী তিন দিনে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হতে পারেন। প্রশাসনের অনুমান, শুধুমাত্র তেহরানেই আগামী কয়েক দিনে দেড় থেকে দুই কোটিরও বেশি মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসতে পারেন। এছাড়াও ইরান ও ইরাকের একাধিক শহরে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি চলবে। শুক্রবার রাত থেকেই হাজার হাজার সমর্থক গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের বাইরে অবস্থান করেন। শনিবার দরজা খুলতেই মুহূর্তের মধ্যে বিশাল এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শোকের মধ্যেও রাজনৈতিক বার্তা অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনতার হাতে দেখা যায় লাল পতাকা ও বিভিন্ন ব্যানার। সমবেত মানুষ বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগানের পাশাপাশি প্রতিশোধের দাবিতেও সরব হন। অনেকেই খামেনেইকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। উপস্থিত এক যুবক বলেন, তিনি শুধু তাঁর প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতেই সেখানে এসেছেন। শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি Iran Funeral 2026-এ উপস্থিত ছিলেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার, সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি। পার্লামেন্ট স্পিকার প্রকাশ্যেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)-এর নতুন প্রধানও। পাশাপাশি একাধিক বিদেশি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ভারতের পক্ষ থেকেও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উপস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বকেও তুলে ধরেছে। শেষকৃত্যের পূর্ণ সূচি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত মরদেহ তেহরানেই রাখা হবে যাতে সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন। এরপর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ইরানের পবিত্র শহর কোমে। পরে ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ শিয়া ধর্মীয় শহরগুলোতেও বিশেষ কর্মসূচি হবে। সবশেষে খামেনেইর জন্মস্থান মাশহাদে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নানা কারণে তাঁর রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য কয়েক মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে পরিস্থিতি অনুকূল হওয়ায় শুরু হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। Impact Official Statement ইরানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী কয়েক দিন ধরে তেহরান, কোম, ইরাকের বিভিন্ন ধর্মীয় শহর এবং শেষপর্যায়ে মাশহাদে শেষকৃত্যের বিভিন্ন পর্ব সম্পন্ন হবে। সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও করা হয়েছে। Public Information
China Taiwan Tension 2026: তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে নতুন কোস্ট গার্ড টহল শুরু চীনের, বাড়ল ইন্দো-প্যাসিফিক উত্তেজনা
সকাল সকাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনা ও উদ্বেগ উপেক্ষা করেই তাইওয়ানের পূর্ব উপকূল সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় নতুন করে কোস্ট গার্ড টহল অভিযান শুরু করেছে চীন। China Taiwan Tension 2026-এর নতুন অধ্যায় হিসেবে এই পদক্ষেপকে দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। বেইজিং জানিয়েছে, নতুন টাস্ক ফোর্সের মূল লক্ষ্য হবে আইন প্রয়োগ, সামুদ্রিক নজরদারি বৃদ্ধি এবং চীনের দাবি করা জলসীমায় নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা। এই ঘোষণার পরই তাইওয়ানও পাল্টা নজরদারি বাড়িয়েছে। দুই পক্ষের টহল জাহাজ মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় China Taiwan Tension 2026 আরও জটিল আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি ও ব্রিটেনসহ একাধিক পশ্চিমী দেশ পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে। China Taiwan Tension 2026: কী ঘোষণা করল চীন? চীনের কোস্ট গার্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নতুন টহলদারি বাহিনীর দায়িত্ব হবে দেশের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব, সামুদ্রিক অধিকার এবং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা। বেইজিংয়ের দাবি, যেখানে নতুন টহল শুরু হয়েছে, সেই সমুদ্র এলাকা চীনের প্রশাসনিক ও আইনি অধিক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত। তাই ওই অঞ্চলে নিয়মিত আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর উপস্থিতি বজায় রাখা হবে। পাল্টা নজরদারিতে তাইওয়ান চীনের পদক্ষেপের পর তাইওয়ানের কোস্ট গার্ডও দুটি টহল জাহাজ মোতায়েন করেছে। তাইপেই জানিয়েছে, হুয়ালিয়েন উপকূল থেকে প্রায় ৫৪ নটিক্যাল মাইল দূরে চীনের দুটি কোস্ট গার্ড জাহাজকে শনাক্ত করা হয়েছে। যদিও জাহাজ দুটি তাইওয়ানের নিষিদ্ধ সামুদ্রিক সীমার বাইরে অবস্থান করছিল, তবুও পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। চীনা জাহাজ প্রবেশ করলে কড়া ব্যবস্থা তাইওয়ানের প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনও চীনা জাহাজ যদি তাদের নিয়ন্ত্রিত সমুদ্রসীমায় প্রবেশ করে বা হস্তক্ষেপের চেষ্টা করে, তাহলে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কয়েকদিন আগেই তাইওয়ান তাদের সরকারি ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে নির্দেশ দিয়েছিল, চীনের কোস্ট গার্ড যদি তল্লাশি বা জাহাজে ওঠার চেষ্টা করে, তাহলে সেই নির্দেশ মানা যাবে না। পরিস্থিতি জটিল হলে তাইওয়ানের কোস্ট গার্ড সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন বাড়ছে উত্তেজনা? গত এক মাসে এটি দ্বিতীয়বার, যখন চীন তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকায় কোস্ট গার্ড জাহাজ পাঠিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি কোস্ট গার্ড ব্যবহার করে বেইজিং এখন ধীরে ধীরে নিজেদের সামুদ্রিক দাবি আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠার কৌশল নিয়েছে। এতে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি না বাড়িয়েও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা সম্ভব হয়। আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি ও ব্রিটেনসহ একাধিক পশ্চিমী দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, China Taiwan Tension 2026 শুধু তাইওয়ান প্রণালীর সমস্যা নয়; এটি গোটা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। জাপান-ফিলিপাইন ইস্যুর সঙ্গে যোগসূত্র চীনের দাবি, জুন মাসে পরিচালিত প্রথম কোস্ট গার্ড অভিযান ছিল জাপান ও ফিলিপাইনের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ সংক্রান্ত আলোচনার প্রতিক্রিয়া। বেইজিংয়ের অভিযোগ, ওই আলোচনায় এমন কিছু সামুদ্রিক এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যেগুলিকে চীন নিজেদের অধিকারের অংশ বলে মনে করে। সেই কারণেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে কোস্ট গার্ড অভিযান চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে চীন। তাইওয়ানের অবস্থান কী? তাইওয়ান আবারও জানিয়েছে, চীনের এই দ্বীপ কিংবা তার আশপাশের সমুদ্রসীমার ওপর কোনও আইনি বা সার্বভৌম অধিকার নেই। তাইপেইর অভিযোগ, বেইজিংয়ের একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী। বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে তাইওয়ান প্রণালী শুধু চীন ও তাইওয়ানের দ্বিপাক্ষিক বিরোধ নয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলির উপস্থিতির কারণে এই অঞ্চল এখন বৈশ্বিক ভূরাজনীতির অন্যতম স্পর্শকাতর কেন্দ্র। ফলে China Taiwan Tension 2026 ভবিষ্যতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। Background Impact Official Statement চীনের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নতুন টহল বাহিনীর উদ্দেশ্য দেশের সামুদ্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। অন্যদিকে তাইওয়ান জানিয়েছে, তাদের নিয়ন্ত্রিত সমুদ্রসীমায় কোনও ধরনের অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে কোস্ট গার্ড সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে। Public Information
Indonesia Earthquake 2026: পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামির আশঙ্কা নেই, বড় ক্ষয়ক্ষতির খবরও মিলল না
সকাল সকাল ডেস্ক পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার নর্থ মালুকু প্রদেশে শুক্রবার সকালে অনুভূত শক্তিশালী Indonesia Earthquake 2026-এর জেরে কয়েক মুহূর্তের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.২। কম্পনের তীব্রতা যথেষ্ট হলেও স্বস্তির খবর, এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-ভৌত সংস্থা (বিএমকেজি) স্পষ্ট জানিয়েছে, এই Indonesia Earthquake 2026-এর পর সুনামির কোনও আশঙ্কা নেই। বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত ইন্দোনেশিয়ায় মাঝেমধ্যেই শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে এবারের কম্পনের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের অনেক গভীরে থাকায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম ছিল বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। Indonesia Earthquake 2026: কোথায় এবং কখন আঘাত হানে? মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩১ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল নর্থ মালুকু প্রদেশের টোবেলো শহর থেকে প্রায় ৫৮ কিলোমিটার পশ্চিমে। উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১২০ কিলোমিটার গভীরে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এত গভীরে উৎপন্ন Indonesia Earthquake 2026 সাধারণত বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হলেও স্থলভাগে ধ্বংসাত্মক প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম পড়ে। আতঙ্ক ছড়ালেও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই ভূমিকম্পের কম্পন কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হলেও নর্থ মালুকু, টারনেট এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। বহু মানুষ বাড়ি, অফিস, দোকান এবং অন্যান্য ভবন থেকে বেরিয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, কোনও গুরুত্বপূর্ণ সেতু, সড়ক, সরকারি ভবন বা জনপরিকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল, পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী বাহিনীকে সতর্ক রাখা হলেও এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের উদ্ধার অভিযানের প্রয়োজন পড়েনি। সুনামির আশঙ্কা উড়িয়ে দিল বিএমকেজি ভূমিকম্পের পরপরই ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-ভৌত সংস্থা (বিএমকেজি) পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জানায়, ভূমিকম্পের উৎস সমুদ্রের নিচে হলেও কেন্দ্র অনেক গভীরে থাকায় সুনামি সৃষ্টির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ফলে উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে এবং প্রয়োজনে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতা ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত টারনেট শহরের এক বাসিন্দা জানান, তিনি একটি কফির দোকানে বসে ছিলেন। আচমকা চেয়ার-টেবিল কাঁপতে শুরু করলে প্রথমে কিছু বুঝতে পারেননি। পরে ভূমিকম্পের বিষয়টি উপলব্ধি করে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। এমন অভিজ্ঞতার কথা আরও বহু বাসিন্দা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। অতীতের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি থাকায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কেন তুলনামূলক কম ক্ষতি হল? ভূকম্পবিদদের মতে, ১২০ কিলোমিটার গভীরে উৎপন্ন ভূমিকম্প সাধারণত অগভীর ভূমিকম্পের তুলনায় কম ধ্বংসাত্মক হয়। যদিও কম্পন অনেক দূর পর্যন্ত অনুভূত হয়, তবে ভবন, রাস্তা এবং অন্যান্য অবকাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাতের সম্ভাবনা কম থাকে। এবারের Indonesia Earthquake 2026-ও সেই বৈশিষ্ট্যেরই উদাহরণ। ইন্দোনেশিয়া কেন এত ভূমিকম্পপ্রবণ? ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর অন্তর্গত। এই অঞ্চলে ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান, ইউরেশীয়, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এবং ফিলিপাইন সাগরীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল রয়েছে। এই প্লেটগুলির ক্রমাগত সংঘর্ষ ও সঞ্চালনের কারণে নিয়মিত ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। বিশ্বের সক্রিয় আগ্নেয়গিরির বড় অংশও এই অঞ্চলে অবস্থিত। অতীতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় ভূমিকম্প ও সুনামিতে আচেহ প্রদেশে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০১৮ সালের পালু ভূমিকম্প ও সুনামিও ব্যাপক প্রাণহানি ঘটিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া দুর্যোগ মোকাবিলা ব্যবস্থাকে অনেক বেশি আধুনিক করেছে। দ্রুত সতর্কবার্তা, ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন এবং উদ্ধার ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ প্রশাসনের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ভূমিকম্পের পর আফটারশক বা পরাঘাত অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক। তাই বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হয়ে সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুরনো কিংবা দুর্বল ভবনে প্রবেশের আগে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রশাসনের পরবর্তী নির্দেশ অনুসরণ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। Background Impact Official Statement ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-ভৌত সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র গভীরে হওয়ায় সুনামির কোনও সম্ভাবনা নেই। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে। Public Information
Stock Market Today: টানা তৃতীয় দিনের উত্থানে শেয়ার বাজার, একদিনেই বিনিয়োগকারীদের সম্পদ বাড়ল ৯৪ হাজার কোটি টাকা
সকাল সকাল ডেস্ক দেশীয় Stock Market Today ফের ইতিবাচক বার্তা দিল বিনিয়োগকারীদের। টানা তৃতীয় দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে লেনদেন শেষ করেছে ভারতের শেয়ার বাজার। আন্তর্জাতিক বাজারের ইতিবাচক ইঙ্গিত, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), রিয়েল এস্টেট এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতের শক্তিশালী কেনাকাটার জেরে সপ্তাহের শেষ ট্রেডিং সেশনেও সেনসেক্স ও নিফটি সবুজ চিহ্নে বন্ধ হয়েছে। যদিও দিনের দ্বিতীয়ার্ধে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত বাজার সেই চাপ সামলে ইতিবাচক অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। শুক্রবারের এই উত্থানের ফলে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট বাজার মূলধন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একদিনের লেনদেনেই বিনিয়োগকারীদের সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা, যা বাজারে আস্থার ইঙ্গিত বহন করছে। Stock Market Today: কীভাবে শুরু হল দিনের লেনদেন? শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ইতিবাচক সংকেত পাওয়ার পর দেশীয় শেয়ার বাজার শক্তিশালী সূচনা করে। বাজার খোলার পর থেকেই আইটি, রিয়েলটি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের শেয়ারে জোরালো কেনাকাটা শুরু হয়। এর জেরে সেনসেক্স ও নিফটি দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়ার পর দেশীয় শেয়ার বাজারে শক্তিশালী সূচনা হয়। বাজার খোলার পর থেকেই তথ্যপ্রযুক্তি, রিয়েল এস্টেট এবং ওষুধ সংস্থার শেয়ারে জোরালো কেনাকাটা শুরু হয়। এর জেরে সেনসেক্স ও নিফটি দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে দুপুরের পর বিনিয়োগকারীদের একাংশ লাভ তুলে নেওয়া শুরু করলে বাজারে কিছুটা চাপ তৈরি হয় এবং দুই সূচকেরই গতি কিছুটা কমে আসে। তবুও শেষ পর্যন্ত সূচক দুটি সবুজ চিহ্নেই লেনদেন শেষ করতে সক্ষম হয়। তবে দুপুরের পর কিছু বিনিয়োগকারী লাভ তুলে নেওয়ার (প্রফিট বুকিং) পথে হাঁটায় সূচক দুটির গতি কিছুটা কমে যায়। শেষ ঘণ্টায় ফের কেনাকাটা বাড়ায় উভয় সূচকই সবুজ চিহ্নে লেনদেন শেষ করে। কোন খাত সবচেয়ে বেশি লাভ করল? দিনভর লেনদেনে সবচেয়ে শক্তিশালী পারফরম্যান্স করেছে— অন্যদিকে চাপের মুখে ছিল— বৃহত্তর বাজারে কেমন ছিল চিত্র? Stock Market Today-এর বড় মূলধনী শেয়ার ভালো পারফর্ম করলেও বৃহত্তর বাজারে ছিল মিশ্র প্রবণতা। এতে বোঝা যায়, মাঝারি ও ক্ষুদ্র মূলধনী শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা এখনও কিছুটা সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছেন। বাজার মূলধনে ৯৪ হাজার কোটি টাকার বৃদ্ধি শুক্রবারের লেনদেন শেষে বিএসই-তে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮০.২০ লক্ষ কোটি টাকা। আগের দিন এই পরিমাণ ছিল ৪৭৯.২৬ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র একদিনের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীদের সম্পদ প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বাজারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক দিক। সূচকের শেষ অবস্থা দিন শেষে— কোন শেয়ার সবচেয়ে বেশি লাভ করল? দিনের শীর্ষ লাভকারী সংস্থাগুলির মধ্যে ছিল— অন্যদিকে ক্ষতির মুখে ছিল— Background গত কয়েকটি সেশনে আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা, বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (FII) আগ্রহ এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতের শক্তিশালী পারফরম্যান্স ভারতীয় শেয়ার বাজারকে সমর্থন করেছে। ফলে Stock Market Today টানা তৃতীয় দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। Impact Official Statement বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের ইতিবাচক পরিবেশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এবং প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণেই বাজার টানা তৃতীয় দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে বৈশ্বিক সুদের হার, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক তথ্য এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অবস্থান বাজারের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি বাজারের উত্থান দেখে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা, আর্থিক লক্ষ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বিবেচনা করে বিনিয়োগ করা উচিত।
Papua Attack: পাপুয়ায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় নিহত মার্কিন পাইলট, উড়োজাহাজে আগুন, নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ
সকাল সকাল ডেস্ক ইন্দোনেশিয়ার অশান্ত পূর্বাঞ্চলীয় Papua Attack ফের আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে। সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের হামলায় এক মার্কিন পাইলট নিহত হওয়ার ঘটনায় পাপুয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলার পর তাঁর পরিচালিত উড়োজাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এলাকাজুড়ে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। এর আগে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছিল, উড়োজাহাজটিতে মোট সাতজন যাত্রী ছিলেন এবং তাঁরা সবাই পাপুয়ার স্থানীয় বাসিন্দা। তাঁদের অবস্থা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। কেউ নিহত, আহত নাকি নিরাপদে পালাতে সক্ষম হয়েছেন, সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। জাকার্তায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এই ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে কূটনৈতিক সূত্রের মতে, ইন্দোনেশিয়া সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিহত মার্কিন নাগরিকের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহত পাইলটের নাম নিকোলাস এফ. গোসেলিন। তিনি বেসরকারি বিমান সংস্থা পিটি এএমএ-র একটি বিমান পরিচালনা করছিলেন। হাইল্যান্ড পাপুয়ার দুর্গম ইয়াহুকিমো এলাকায় অবতরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই সশস্ত্র বিদ্রোহীরা অতর্কিত হামলা চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। Papua Attack: ত্রাণবাহী উড়োজাহাজে হামলার অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বিমানটি নিয়মিতভাবে দুর্গম এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হতো। হামলার পর বিমানটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় সেটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সামরিক সূত্রের দাবি। এই ঘটনায় Papua Attack আরও গুরুত্ব পেয়েছে কারণ হামলার দায় স্বীকার করেছে ওয়েস্ট পাপুয়া ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিপিএনপিবি)। সংগঠনের মুখপাত্র সেবি সামবম দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজটি সেনাবাহিনীর সদস্য ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল। একাধিকবার সতর্ক করার পরও তা বন্ধ না হওয়ায় হামলা চালানো হয়েছে বলে তাদের দাবি। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হুঁশিয়ারি বিদ্রোহী সংগঠনটি জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও যদি বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বেসামরিক বিমানের মাধ্যমে সেনা বা সামরিক রসদ পরিবহন অব্যাহত থাকে, তাহলে একই ধরনের হামলা চালানো হবে। এই হুঁশিয়ারির জেরে Papua Attack-এর প্রভাব শুধু নিরাপত্তা নয়, বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রেও বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে। উদ্ধার অভিযানে চ্যালেঞ্জ পাপুয়ার সামরিক মুখপাত্র উইরিয়া আরতাদিগুনা জানিয়েছেন, হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। একই সঙ্গে বিমানে থাকা অন্য যাত্রীদের খোঁজেও উদ্ধার অভিযান চলছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজে নানা বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বিমানে মোট সাতজন স্থানীয় যাত্রী ছিলেন। তাঁদের অবস্থা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন দূতাবাসের প্রতিক্রিয়া জাকার্তায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, ইন্দোনেশিয়া সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং নিহত মার্কিন নাগরিককে ঘিরে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। সেখানে অস্ত্রধারী বিদ্রোহীদের স্বাধীনতার প্রতীক ‘মর্নিং স্টার’ পতাকা উত্তোলন করে হামলার দায় স্বীকার করতে দেখা যায়। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। Background পাপুয়া বহু দশক ধরেই ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম অশান্ত অঞ্চল। স্বাধীনতার দাবিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং ইন্দোনেশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে নিয়মিত সংঘর্ষ ঘটে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশি পাইলট ও বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলিও এই সংঘাতের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের পাইলট ফিলিপ মের্টেনসকে অপহরণ করা হয়েছিল। তিনি প্রায় দেড় বছর বিদ্রোহীদের হাতে বন্দি থাকার পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পান। সর্বশেষ Papua Attack সেই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিল। Impact Official Statement Public Information স্থানীয় প্রশাসন সাধারণ মানুষ ও বিমান পরিষেবা সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের অবস্থা এবং হামলার পূর্ণাঙ্গ কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্যের জন্য সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
Russia Ukraine War: কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ রকেট-ড্রোন হামলা, নিহত ২৭ বেসামরিক
সকাল সকাল ডেস্ক টানা সাত ঘণ্টার হামলায় কিয়েভে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। জেলেনস্কির আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আর্জি, রাশিয়ার দাবি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতেই হামলা। Russia Ukraine War: কিয়েভে রাশিয়ার রকেট-ড্রোন হামলা, নিহত ২৭ বেসামরিক কিয়েভ : Russia Ukraine War নতুন করে ভয়াবহ মোড় নিল। বুধবার গভীর রাতে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ব্যাপক রকেট ও ড্রোন হামলায় অন্তত ২৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৯ জন। হামলায় রাজধানীর একাধিক আবাসিক ভবন, খাদ্য গুদাম, বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেন সরকারের দাবি, এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় হামলা। এই হামলার পর প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আরও কঠোর পদক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, Russia Ukraine War-এর উত্তেজনা আবারও নতুন মাত্রা পেল। হামলার আগে সতর্ক করেছিলেন জেলেনস্কি হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্ভাব্য রুশ হামলার বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবুও গভীর রাতে শুরু হওয়া রকেট ও ড্রোন হামলায় বহু মানুষ হতাহত হন। হামলার পর জাতির উদ্দেশে ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া আবারও প্রমাণ করেছে যে তারা বেসামরিক মানুষের জীবনকে গুরুত্ব দেয় না। তিনি জানান, ইউক্রেন এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেবে এবং দেশের প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হবে। আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আবেদন জেলেনস্কি পশ্চিমা দেশগুলির কাছে আহ্বান জানিয়েছেন— তাঁর অভিযোগ, রাশিয়ার লক্ষ্য শুধু সামরিক স্থাপনা নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক পরিকাঠামো অচল করে দেওয়া। রাশিয়ার দাবি কী? রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক দাবি করেছে, কিয়েভে পরিচালিত হামলার লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের সামরিক ঘাঁটি, অস্ত্রভাণ্ডার এবং কমান্ড সেন্টার। মস্কোর বক্তব্য, সাম্প্রতিক ইউক্রেনীয় হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। রাশিয়া বেসামরিক এলাকায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আবাসিক এলাকায় ব্যাপক ধ্বংস ইউক্রেনের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তৈমুর তকাচেনকো জানিয়েছেন, হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আবাসিক এলাকা। তিনি জানান— তাঁর অভিযোগ, এই হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও যুদ্ধবিধির লঙ্ঘন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সাত ঘণ্টা ধরে চলল হামলা কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে ধারাবাহিকভাবে রকেট ও ড্রোন হামলা চলে। এই সময় হাজার হাজার মানুষ নিরাপত্তার জন্য— তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে এটি অন্যতম দীর্ঘ ও পরিকল্পিত হামলা। খাদ্য ও স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন সংকট হামলায় রাজধানীর একটি বড় খাদ্য গুদাম ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী নষ্ট হয়েছে। ফলে— অন্যদিকে হাসপাতালগুলিতেও সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে— উদ্ধার অভিযান চলছে হামলার পর জরুরি পরিষেবা, দমকল বাহিনী এবং উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি শুরু করেছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা এবং বিভিন্ন ভবনে আগুন জ্বলতে থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া সাম্প্রতিক হামলার পর পশ্চিমা দেশগুলির মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। ইউক্রেন আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলি দ্রুত নতুন সামরিক সহায়তা, উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং মানবিক সহায়তার ঘোষণা করবে। Background ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ একাধিকবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা আরও বাড়িয়েছে। Impact Official Statement ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অন্যদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র সামরিক স্থাপনা। Public Information কিয়েভ প্রশাসন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে, বিমান হামলার সাইরেন বাজলে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার এবং সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
Hormuz Strait Crisis: দোহায় শেষ মার্কিন-ইরান বৈঠক, ৫ বড় ইস্যুতে অচলাবস্থা অব্যাহত
সকাল সকাল ডেস্ক দোহায় দুই দিনের পরোক্ষ বৈঠকেও হরমুজ প্রণালী, ইরানের সম্পদ ফেরত, লেবানন যুদ্ধবিরতি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারল না যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। Hormuz Strait Crisis: দোহায় শেষ মার্কিন-ইরান বৈঠক, অচলাবস্থা কাটল না দোহা : Hormuz Strait Crisis ঘিরে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ আরও বাড়ল। কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা দুই দিনের পরোক্ষ বৈঠক শেষ হলেও দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনও অগ্রগতি হয়নি। হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ফেরত এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতি—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেই দুই দেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের মতে, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই দেশ আগ্রহী হলেও বাস্তব সমাধানের পথ এখনও কঠিন। বিশেষ করে Hormuz Strait Crisis-এর ভবিষ্যৎ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দোহার বৈঠকে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হল? মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের প্রতিনিধিরা মূলত দুই সপ্তাহ আগে স্বাক্ষরিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়— বৈঠকের পরিবেশ ইতিবাচক থাকলেও কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। কেন গুরুত্বপূর্ণ Hormuz Strait Crisis? বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবাহিত হয়। ফলে এই প্রণালীতে উত্তেজনা তৈরি হলে তার প্রভাব পড়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, শিপিং খাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইরানকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে টোল আদায়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা কেবল আঞ্চলিক উত্তেজনাই বাড়াবে না, বরং মার্কিন-ইরান সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাও নষ্ট করবে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে তেল ও গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে ইরান যে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারে, তা সম্ভাব্য টোল আদায়ের তুলনায় অনেক বেশি হবে। ইরানের অবস্থান কী? তেহরান অবশ্য নিজেদের অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। ইরানের দাবি— ইরানের যুক্তি, প্রণালীর একটি বড় অংশ তাদের জলসীমার মধ্যে হওয়ায় প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত অধিকার তেহরানেরই থাকা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি ওয়াশিংটনের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্কিন প্রশাসনের মতে, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। তাই এর ভবিষ্যৎ পরিচালনা সংক্রান্ত যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলির মতামত জরুরি। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, বাহরিন, কাতার ও ওমানের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং ধীরে ধীরে একটি অভিন্ন অবস্থান তৈরি হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে? সাম্প্রতিক সময়ে ওমান উপকূল সংলগ্ন বিকল্প নৌপথ চালুর পর একাধিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করলেও তেহরান অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ফলে Hormuz Strait Crisis এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যুতেও পরিণত হয়েছে। ইরানের সম্পদ ও লেবানন ইস্যুতেও সমাধান হয়নি দোহার আলোচনায় বিদেশে আটকে থাকা ইরানের কয়েকশো কোটি ডলারের সম্পদ ফেরত দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া লেবাননের সংঘাত এবং সেখানে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির বিষয়েও মতবিনিময় হয়। তবে কোনও ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি বলে কূটনৈতিক সূত্রের খবর। পরবর্তী বৈঠক কবে? কাতারের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, আলোচনার দরজা এখনও খোলা রয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ৯ জুলাইয়ের পরে নতুন করে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক কর্মসূচি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক রাজনীতিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ। কাতারের মধ্যস্থতায় সাম্প্রতিক এই সংলাপ নতুন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ। Impact Official Statement কাতারের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমান বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যেতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। ভবিষ্যতেও কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে। Public Information বিশেষজ্ঞদের মতে, সংলাপ অব্যাহত থাকা ইতিবাচক হলেও Hormuz Strait Crisis, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বাস্তব অগ্রগতি না হলে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সহজ হবে না।