Indus Water Treaty Crisis: 7 বড় কারণে ফের বাড়ল ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা, কড়া বার্তা পাক সেনাবাহিনীর
সকাল সকাল ডেস্ক Indus Water Treaty Crisis ঘিরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কড়া অবস্থান, জল অধিকার রক্ষায় ‘সব ধরনের পদক্ষেপ’-এর ঘোষণা; অনড় ভারতও। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে Indus Water Treaty Crisis নতুন করে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে দুই দেশের অবস্থান ক্রমশ কঠোর হওয়ায় সীমান্তের বাইরে জল-রাজনীতি এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর ইসলামাবাদ জানিয়েছে, দেশের ন্যায্য জলপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে, ভারতও স্পষ্ট করেছে যে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কড়া বার্তা ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনিরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ২৭৬তম কর্পস কমান্ডার্স সম্মেলনে Indus Water Treaty Crisis-কে কেন্দ্র করে বিস্তৃত আলোচনা হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দেশের জনগণের প্রত্যাশা এবং সরকারের নির্দেশনার ভিত্তিতে জল অধিকার রক্ষায় সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। অন্যদিকে ভারত নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। সম্প্রতি বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ স্থায়ী ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতই থাকবে। ভারতের মতে, সন্ত্রাসবাদ এবং স্বাভাবিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একইসঙ্গে চলতে পারে না। ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সিন্ধু জলচুক্তি অনুযায়ী, রাভি, বেয়াস এবং শতদ্রু নদীর জল ব্যবহারের অধিকার ভারতের, আর সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব নদীর জল ব্যবহারের মূল অধিকার পাকিস্তানের। চুক্তি কার্যকর থাকাকালীন বর্ষাকালে বন্যার পূর্বাভাস এবং জলপ্রবাহ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারত নিয়মিত পাকিস্তানকে জানাত। তবে চুক্তি স্থগিত হওয়ার পর সেই বাধ্যবাধকতা বর্তমানে কার্যকর নয়। বিবৃতিতে ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সিদ্ধান্তও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল, ভারত যদি সিন্ধু নদী ব্যবস্থার জলপ্রবাহে হস্তক্ষেপ করে, তবে তা পাকিস্তানের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে গুরুতর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত ভারত অবশ্য নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসেনি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সম্প্রতি জানিয়েছেন, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ স্থায়ীভাবে বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত Indus Water Treaty Crisis-এর প্রেক্ষিতে সিন্ধু জলচুক্তি কার্যকর করা হবে না। ভারতের বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদ এবং স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক একইসঙ্গে চলতে পারে না। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে জলচুক্তি পুনরায় চালু করার কোনও পরিকল্পনা নেই। আফগানিস্তান ও কাশ্মীর ইস্যুও বৈঠকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বৈঠকে শুধু জলচুক্তিই নয়, আফগানিস্তান সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আলোচনায় উঠে আসে। পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে জঙ্গি সংগঠনগুলি হামলা চালাচ্ছে। এ কারণে ‘অপারেশন গাজাব-উল-হক’-এর আওতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সিন্ধু জলচুক্তির গুরুত্ব কী? ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু জলচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী রাভি, বেয়াস এবং শতদ্রু নদীর জল ব্যবহারের অধিকার ভারতের হাতে রয়েছে। অন্যদিকে সিন্ধু, ঝিলম এবং চেনাব নদীর জল ব্যবহারের মূল অধিকার পাকিস্তানের। চুক্তি কার্যকর থাকাকালীন ভারত নিয়মিতভাবে বন্যার পূর্বাভাস এবং জলপ্রবাহ সংক্রান্ত তথ্য পাকিস্তানকে সরবরাহ করত। তবে বর্তমানে চুক্তি স্থগিত থাকায় সেই বাধ্যবাধকতা কার্যকর নয়। জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ভারত ইতিমধ্যেই সিন্ধু অববাহিকায় একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সাওয়ালকোট, রাতলে, বুরসার, পাকাল দুল, কুয়ার, কিরু এবং কিরথাই-১ ও কিরথাই-২ প্রকল্প নিয়ে পাকিস্তানের উদ্বেগ বাড়ছে। ইসলামাবাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে এসব প্রকল্পের ফলে জলপ্রবাহে প্রভাব পড়তে পারে। Background বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের কৃষি উৎপাদনের প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই সিন্ধু নদী ব্যবস্থার জলের ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি টারবেলা ও মাঙ্গলা জলাধারের মতো প্রধান জলাধারগুলিতে জলস্তর কমে যাওয়ায় দেশটির জল নিরাপত্তা আরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। Impact সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ফলে ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে জল নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপরও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। Official Statement পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশের জল অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতই থাকবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information
BrahMos Missile Deal: ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভারতের 7টি বড় চুক্তি, জাকার্তায় ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা সমঝোতা
সকাল সকাল ডেস্ক জাকার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর উপস্থিতিতে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ চুক্তি; প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ইস্পাত ও কৃষিক্ষেত্রেও একাধিক সমঝোতা। ভারত তার প্রতিরক্ষা রপ্তানির ইতিহাসে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল। BrahMos Missile Deal-এর মাধ্যমে এবার ইন্দোনেশিয়াকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে ভারত। মঙ্গলবার জাকার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তোর উপস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শুধু প্রতিরক্ষা নয়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ইস্পাত শিল্প, কৃষি এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতাসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই BrahMos Missile Deal শুধু ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানিকেই শক্তিশালী করবে না, বরং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত অবস্থানও আরও মজবুত করবে। ## BrahMos Missile Deal: জাকার্তায় ঐতিহাসিক চুক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দু’দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ দেশে এটি তাঁর প্রথম সফর। জাকার্তার মেরদেকা প্রাসাদে রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি ভবনে গার্ড অব অনার, জাতীয় সঙ্গীত এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের প্রতিনিধিদল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে বড় অগ্রগতি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভারত-রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে গঠিত ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো জাকার্তার মেরদেকা প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কনভয় রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছায়। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বাহিনীর ১৭ জন কর্মকর্তা এবং ১২০ সদস্যের অশ্বারোহী বাহিনী মোতায়েন ছিল। রাষ্ট্রপতি ভবনের পশ্চিম দিকের প্রবেশদ্বারে দুই নেতা করমর্দন করেন, পরস্পরকে আলিঙ্গন করেন এবং পরে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় সঙ্গীতের সময় একসঙ্গে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। যদিও চুক্তির আর্থিক মূল্য কিংবা কতগুলি ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলের মতে, এটি ভারতের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা রপ্তানি চুক্তিগুলির একটি। প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়বে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ইন্দোনেশিয়ার বেসরকারি প্রতিরক্ষা সংস্থা রিপাবলিককর্প এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেডের মধ্যে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সংক্রান্ত আরেকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন, গবেষণা এবং প্রযুক্তি বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থনীতি ও শিল্পক্ষেত্রেও একাধিক সমঝোতা প্রতিরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ইস্পাত এবং কৃষিক্ষেত্রে সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়া (সেল) এবং ইন্দোনেশিয়ার ক্রাকাতাউ স্টিল যৌথভাবে স্টেইনলেস স্টিল স্ল্যাব উৎপাদনের প্রকল্প গড়ে তুলবে। এই প্রকল্প ভবিষ্যতে দুই দেশের শিল্প সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। নেতাদের বক্তব্য ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো বলেন, ভারত এবং ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের দুই বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, গোটা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া ভারত মহাসাগর অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করবে। উন্মুক্ত ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গঠনে দুই দেশের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। Background ভারত গত কয়েক বছরে প্রতিরক্ষা রপ্তানি বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। ফিলিপিন্সের পর এবার ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের কৌশলেও এই চুক্তির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। Impact Official Statement প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া সমুদ্র নিরাপত্তা, শান্তি এবং মুক্ত নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করবে। রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো জানান, দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information পরবর্তী গন্তব্য: অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড স্থান: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া প্রধান চুক্তি: BrahMos Missile Deal অংশগ্রহণকারী: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো অতিরিক্ত চুক্তি: সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, ইস্পাত, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সফরের মেয়াদ: ২ দিন
Pakistan Terror Attack: 9 পুলিশ নিহত, অভিযানে খতম 15 জঙ্গি; রক্তাক্ত বেলুচিস্তানে ফের বড় হামলা
সকাল সকাল ডেস্ক জিয়ারতের পুলিশ চৌকিতে গভীর রাতে সশস্ত্র হামলা, অপহৃত ৫ পুলিশ সদস্য; পাল্টা অভিযানে ১৫ জঙ্গি নিহত বলে দাবি প্রশাসনের। পাকিস্তানের অশান্ত বেলুচিস্তান প্রদেশে ফের বড়সড় Pakistan Terror Attack-এর ঘটনা সামনে এসেছে। জিয়ারত জেলার কাচ মানগি ফেজ-৩ এলাকায় গভীর রাতে একটি পুলিশ চৌকিকে লক্ষ্য করে সশস্ত্র জঙ্গিরা হামলা চালায়। এই হামলায় দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএইচও) সহ মোট ৯ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। হামলার পর পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী যৌথ অভিযান শুরু করে। সরকারি দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে চলা অভিযানে অন্তত ১৫ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে অপহৃত পুলিশ সদস্যদের এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক Pakistan Terror Attack আবারও বেলুচিস্তানের নাজুক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে সামনে এনে দিয়েছে। Pakistan Terror Attack: কীভাবে ঘটল হামলা? জিয়ারতের পুলিশ সুপার আবদুল কুদ্দুস জানান, সোমবার গভীর রাতে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গিরা কাচ মানগি ফেজ-৩ এলাকার পুলিশ চৌকিতে অতর্কিতে হামলা চালায়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা সংখ্যায় ও অস্ত্রে এগিয়ে থাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে মানগি থানার এসএইচও মোহাম্মদ হুসাইন এবং কোওয়াস থানার এসএইচও সোহবত খান রয়েছেন। এছাড়া আরও সাতজন পুলিশ সদস্য কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারান। যৌথ অভিযানে ১৫ জঙ্গি নিহত হামলার পরপরই ফ্রন্টিয়ার কর্পস, বেলুচিস্তান পুলিশ, কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি), স্পেশাল অপারেশনস উইং এবং অ্যান্টি-টেররিজম ফোর্স যৌথ অভিযান শুরু করে। বেলুচিস্তান সরকারের তথ্য উপদেষ্টা শাহিদ রিন্দ জানান, অভিযানে অন্তত ১৫ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসবাদ দমনে ভবিষ্যতেও কঠোর অভিযান চালিয়ে যাবে বলেও তিনি জানান। সরকারের প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নিহত পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদীদের এই হামলার মাধ্যমে দেশের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা সফল হবে না। নিরাপত্তা বাহিনীর মনোবল অটুট রয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তার জন্য আত্মত্যাগকারী পুলিশ সদস্যদের অবদান কখনও ভুলে যাওয়া হবে না। বিক্ষোভে উত্তপ্ত জিয়ারত এই হামলার পর জিয়ারত জেলায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নিহতদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় উপজাতীয় নেতা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নেমে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান। বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা শাহিদ রিন্দ জানান, জিয়ারত জেলার মানগি এলাকায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যৌথ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই অভিযানে মোট ১৫ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। অভিযানে অংশ নেয় ফ্রন্টিয়ার কর্পস, বেলুচিস্তান পুলিশ, কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি), স্পেশাল অপারেশনস উইং এবং অ্যান্টি-টেররিজম ফোর্স। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ দমনে নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোরতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাপুরুষোচিত হামলার মাধ্যমে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার চেষ্টা কখনও সফল হবে না। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত অপহৃত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে উদ্ধারের দাবি জানান। একই সঙ্গে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অভিযান চালানোর আহ্বান জানান। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনকারীরা বেলুচিস্তানকে পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়ার সঙ্গে সংযুক্তকারী গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ করেন। ফলে শত শত যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন। Background পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদ, জঙ্গি তৎপরতা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের জন্য পরিচিত। এখানে প্রায়ই পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। ফলে অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগজনক। Impact Official Statement বেলুচিস্তান সরকারের তথ্য উপদেষ্টা শাহিদ রিন্দ জানিয়েছেন, যৌথ নিরাপত্তা অভিযানে ১৫ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি বলেছেন, সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার আপসহীন অবস্থানে রয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information
Russia Ukraine War: 2200 ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে কিয়েভে রাতভর হামলা! ন্যাটো সম্মেলনের আগে বাড়ল উত্তেজনা
সকাল সকাল ডেস্ক রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন হামলায় কেঁপে উঠল কিয়েভ। এক সপ্তাহে ২,২০০ ড্রোন হামলার দাবি জেলেনস্কির, ন্যাটো সম্মেলনের আগে উদ্বেগ আন্তর্জাতিক মহলে। Russia Ukraine War-এর আবহে আবারও বড় ধরনের হামলার মুখে পড়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। রবিবার গভীর রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ মিসাইল এবং বিস্ফোরকবাহী ড্রোন দিয়ে একাধিক দফায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। হামলায় রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগে এই হামলা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলেও নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। Russia Ukraine War-এ কিয়েভে কী ঘটেছে? ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গভীর রাত থেকেই কিয়েভজুড়ে বিমান হামলার সতর্কবার্তা বাজতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। রাতভর চলা হামলায় বহু মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশন ও বাঙ্কারে আশ্রয় নেন। জরুরি পরিষেবা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটস্কো জানান, অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। পোডিলস্কি জেলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ডার্নিতস্কি জেলার একাধিক ভবনেও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আগুন লাগে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। রাজধানীর বাইরে কোথায় হামলা? কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো জানান, একটি বহুতল ভবনের সপ্তম থেকে নবম তলার মাঝের অংশ আংশিক ধসে পড়েছে। রাজধানীর বাইরে কিয়েভ ওব্লাস্টের বুচা এলাকাতেও হামলার খবর মিলেছে। আঞ্চলিক গভর্নর মাইকোলা কালাশনিক জানান, সেখানে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন এবং একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলেনস্কির বড় দাবি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দাবি করেছেন, গত এক সপ্তাহে Russia Ukraine War চলাকালীন রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ২,২০০টি ড্রোন, ১,৭৩০টির বেশি গাইডেড এয়ারিয়াল বোমা এবং ১০৬টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। তিনি আরও বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ইউক্রেনের সক্ষমতা এখনও সীমিত। তাই উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়া এখন অত্যন্ত জরুরি। ন্যাটো সম্মেলনের আগে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই হামলা? আগামী ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগে এই হামলাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। একদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, অন্যদিকে Russia Ukraine War-এর যুদ্ধক্ষেত্রে হামলার মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পোল্যান্ডও বাড়াল সতর্কতা ইউক্রেন সীমান্তবর্তী পরিস্থিতির জেরে পোল্যান্ড নিজেদের আকাশসীমার নিরাপত্তা জোরদার করেছে। দেশটির বিমানবাহিনী জানিয়েছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। Background ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রায় শুরু হওয়া Russia Ukraine War এখনও অব্যাহত। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনও রাশিয়ার তেল শোধনাগার, বন্দর ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। Official Statement ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ন্যাটো সম্মেলনের আগে পরিকল্পিতভাবে হামলার মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। Impact Public Information বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষই কৌশলগত অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়াচ্ছে। ফলে সংঘাত এখন শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়, বরং জ্বালানি, পরিবহন ও বেসামরিক অবকাঠামোও বড় ঝুঁকির মুখে পড়ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ উপসংহার Russia Ukraine War-এর সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ দেখাচ্ছে, কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চললেও যুদ্ধক্ষেত্রে সংঘাতের তীব্রতা কমেনি। ন্যাটো সম্মেলনের আগে কিয়েভে এই হামলা শুধু সামরিক নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এখন বিশ্ববাসীর নজর সম্মেলনের সিদ্ধান্ত এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপথের দিকে।
Patriot Missile Row: 8 বড় প্রশ্নে তোলপাড় পোল্যান্ড! ইউক্রেনকে গোপন ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে রাজনৈতিক ঝড়
সকাল সকাল ডেস্ক ইউক্রেনকে গোপনে Patriot Missile পাঠানোর অভিযোগ ঘিরে পোল্যান্ডে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। সংসদের অনুমোদন ছাড়া অস্ত্র পাঠানো নিয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি। ইউক্রেনকে মার্কিন নির্মিত Patriot Missile প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গোপনে সরবরাহ করা হয়েছে—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে পোল্যান্ডে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূচনা হয়েছে। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, সংসদকে না জানিয়েই যদি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তবে তা দেশের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া—উভয়ের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে দেয়। যদিও সরকার এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার বা অস্বীকার করেনি, তবুও বিষয়টি ঘিরে ওয়ারশর রাজনৈতিক অঙ্গনে চাপ ক্রমশ বাড়ছে। Patriot Missile বিতর্কের সূত্রপাত কীভাবে? রাশিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম এবং পোল্যান্ডের কয়েকটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে কোনও প্রকাশ্য ঘোষণা বা সংসদীয় আলোচনা ছাড়াই পোল্যান্ড ইউক্রেনের হাতে মার্কিন নির্মিত পিএসি-৩ (PAC-3) Patriot Missile ইন্টারসেপ্টরের একটি চালান তুলে দেয়। রাশিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম এবং পোল্যান্ডের কয়েকটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে কোনও প্রকাশ্য ঘোষণা বা সংসদীয় আলোচনা ছাড়াই পোল্যান্ড সরকার মার্কিন নির্মিত পিএসি-৩ (PAC-3) প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের একটি চালান ইউক্রেনের হাতে তুলে দেয়। তবে এই তথ্যের সত্যতা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং বিরোধীরা সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সরকারিভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করা না হলেও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি বিষয়টির পূর্ণ তদন্ত এবং সরকারের ব্যাখ্যা দাবি করেছে। সংসদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার দাবি পোল্যান্ডের সংসদের ডেপুটি স্পিকার ক্রিজিস্তোফ বোসাক বলেন, Patriot Missile শুধু একটি সামরিক অস্ত্র নয়, বরং দেশের আকাশ প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। তাঁর মতে, কালিনিনগ্রাদে মোতায়েন রুশ ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে বিদেশে কোনও অস্ত্র পাঠানোর আগে সংসদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার জন্য আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রশ্ন পোল্যান্ডের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মারিয়ুস ব্লাশচাকও সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তিনি জানতে চান, যদি সত্যিই Patriot Missile ইউক্রেনে পাঠানো হয়ে থাকে, তবে এতে পোল্যান্ডের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ওপর কী প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভবিষ্যতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহে কোনও সমস্যা তৈরি হবে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। কেন বাড়ছে Patriot Missile-এর চাহিদা? প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে Patriot Missile ব্যবস্থার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে যেমন এই ব্যবস্থা ব্যবহার হচ্ছে, তেমনই মধ্যপ্রাচ্যেও মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্ররা একই প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে। ফলে উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন মজুত নিয়েও উদ্বেগ সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর এক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষদিকে তেহরানে হামলার পর থেকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন তাদের Patriot Missile ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেক মজুত ব্যবহার করেছে। এর ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি মিত্র দেশের জন্য নির্ধারিত নতুন চালান বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। Background রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পোল্যান্ড কিয়েভের অন্যতম প্রধান সমর্থক। মানবিক সহায়তা, সামরিক সহযোগিতা এবং শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়ারশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে সম্প্রতি ইউক্রেনের একটি সামরিক ইউনিটের নাম ইউক্রেনিয়ান ইনসার্জেন্ট আর্মি (ইউপিএ)-র নামে রাখাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। Official Statement সরকার এখনও পর্যন্ত Patriot Missile সরবরাহের অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে ডেপুটি স্পিকার ক্রিজিস্তোফ বোসাক সংসদের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে অস্ত্র পাঠানো বন্ধে নতুন আইন তৈরির দাবি জানিয়েছেন। Impact Public Information বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারিভাবে নিশ্চিত হয়নি। তবে বিষয়টি ইতিমধ্যেই পোল্যান্ডে সামরিক স্বচ্ছতা, সংসদের ভূমিকা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ উপসংহার Patriot Missile বিতর্ক এখন শুধু একটি সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের অভিযোগে সীমাবদ্ধ নেই। এটি পোল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার নীতি এবং ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। আগামী দিনে সরকারের অবস্থান এবং সংসদীয় বিতর্ক এই ইস্যুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
Iran Funeral: 9 বড় বার্তা! খামেনির জানাজায় প্রতিরোধের আহ্বান, ট্রাম্পবিরোধী বক্তব্যে নতুন বিতর্ক
সকাল সকাল ডেস্ক তেহরানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় জানাজা, রাজনৈতিক বার্তা ও প্রতিরোধের আহ্বান ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর আলোচনা। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানী তেহরানে একদিকে যেমন লাখো মানুষের সমাগম দেখা গেল, অন্যদিকে রাজনৈতিক বার্তা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। Iran Funeral-কে ঘিরে শোকের আবহের পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং বিদেশি চাপ মোকাবিলার বার্তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে দেওয়া কিছু ট্রাম্পবিরোধী বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। Iran Funeral-এ কী ঘটল? গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা, খামেনির প্রতিকৃতি এবং প্রতীকী লাল পতাকা। প্রশাসনের দাবি, আগের দিনের তুলনায় এদিন জনসমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। জানাজা শুরুর আগে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবি মোহাম্মদ রাসুলি কবিতা পাঠের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে কড়া ভাষায় বক্তব্য রাখেন। তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম উস্কানিমূলক বলে উল্লেখ করেছে। উপস্থিত জনতার একাংশ করতালি দিয়ে তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন জানায়। যদিও ইরানের সরকারি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করেনি, তবু এই ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শোকানুষ্ঠানের মতো একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এমন রাজনৈতিক বার্তা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। শোকানুষ্ঠানজুড়ে নিহত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বানও উঠে আসে। ট্রাম্পবিরোধী বক্তব্য কেন বিতর্ক তৈরি করল? জানাজার আগে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবি মোহাম্মদ রাসুলি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে কড়া ভাষায় বক্তব্য দেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একাংশ ওই বক্তব্যকে উস্কানিমূলক হিসেবে বর্ণনা করেছে। উপস্থিত জনতার একাংশ করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানালেও ইরানের সরকারি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। বিশ্লেষকদের মতে, Iran Funeral-এর মতো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা আর্মেনিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত খলিল শিরঘোলামি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, একজন মানুষকে হত্যা করা গেলেও তাঁর আদর্শকে ধ্বংস করা যায় না। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলকাদর বলেন, জনগণ দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং নিহত নেতাদের স্মৃতি অম্লান রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। আবেগঘন মুহূর্তে নজর কাড়ল পরিবারের সদস্যদের জানাজা মূল জানাজার নামাজে ইমামতি করেন কোম শহরের প্রবীণ আলেম আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি। একই অনুষ্ঠানে খামেনির পরিবারের আরও তিন সদস্যের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং ১৪ মাস বয়সি নাতনি জাহরা মোহাম্মদী গোলপায়গানি। শিশুটির কফিন দেখে উপস্থিত বহু মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এটি পুরো অনুষ্ঠানের অন্যতম হৃদয়স্পর্শী মুহূর্ত হয়ে ওঠে। মোজতবা খামেনির অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা জানাজায় ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও বিচার বিভাগের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকলেও নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক হামলায় আহত হলেও তাঁর স্থায়ী শারীরিক ক্ষতি হয়নি এবং তিনি নিরাপদে রয়েছেন। Background ইরানের দাবি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। নিরাপত্তাজনিত কারণে দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় দাফন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও জানাজার আয়োজন করা হয়। Impact Official Statement ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলকাদর বলেন, জনগণ দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং নিহত নেতাদের স্মৃতিকে সম্মান জানানোর বার্তা দিয়েছেন। ইরানি কর্তৃপক্ষ ট্রাম্পবিরোধী বক্তব্য নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। Public Information বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানটি শুধু ধর্মীয় আচার ছিল না; বরং ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান, জাতীয় সংহতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বার্তাও এতে প্রতিফলিত হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ উপসংহার Iran Funeral শুধু একটি রাষ্ট্রীয় জানাজা নয়, বরং ইরানের অভ্যন্তরীণ ঐক্য, রাজনৈতিক অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবেও সামনে এসেছে। শোক, প্রতিরোধের বার্তা এবং বিতর্ক—সব মিলিয়ে এই অনুষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকল।
Russia-Ukraine War: 7 বড় কূটনৈতিক বার্তা! ট্রাম্পের পৃথক ফোনে পুতিন-জেলেনস্কি, যুদ্ধবিরতির নতুন জল্পনা
সকাল সকাল ডেস্ক চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা Russia-Ukraine War বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভূ-রাজনৈতিক সংকটগুলির একটি। লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি, কোটি মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে তার প্রভাব এখনও অব্যাহত। এই পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পৃথকভাবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগে এই যোগাযোগকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। Russia-Ukraine War ঘিরে কী আলোচনা হল ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপে? রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে প্রায় ৯০ মিনিটের ফোনালাপ হয়। রুশ প্রেসিডেন্টের সহকারী ইউরি উশাকভ জানান, আলোচনায় Russia-Ukraine War-এর বর্তমান পরিস্থিতি, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি, রাজনৈতিক সমাধানের পথ এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে। উশাকভ আরও জানান, পুরো ফোনালাপটি ছিল অত্যন্ত গঠনমূলক এবং খোলামেলা। তাঁর মতে, বর্তমান মার্কিন প্রশাসন ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে আগ্রহী। সেই লক্ষ্যেই মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ভবিষ্যতেও মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। প্রয়োজন হলে তাঁরা আবারও মস্কো সফরে যেতে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। শুধু ইউক্রেন ইস্যুই নয়, ফোনালাপে ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। উশাকভের দাবি, পুতিন ইরান সংকট মোকাবিলায় মার্কিন কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করে একটি গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন। জবাবে পুতিন জানান, রাশিয়া তার জাতীয় নিরাপত্তা ও মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে আপস করবে না। তবে সেই অবস্থান বজায় রেখেই রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রয়েছে। জেলেনস্কির সঙ্গে কী কথা বললেন ট্রাম্প? ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর আলোচনা ছিল ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ। দুই নেতা প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ যুদ্ধফ্রন্টের বর্তমান অবস্থা, ইউক্রেনের নিরাপত্তা, পশ্চিমা দেশগুলির সামরিক সহায়তা এবং সম্ভাব্য শান্তি উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। জেলেনস্কির মতে, Russia-Ukraine War শেষ করার বাস্তব সুযোগ এখনও রয়েছে। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ন্যাটো সম্মেলনের আগে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনা? আগামী ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধই অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, সম্মেলনের সময় ট্রাম্পের সঙ্গে আবারও বৈঠকের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। ফলে Russia-Ukraine War নিয়ে ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক রূপরেখা অনেকটাই এই সম্মেলনের ওপর নির্ভর করতে পারে। Background ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রায় শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখনও অব্যাহত। সংঘাতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। রাশিয়ার দখলে থাকা অঞ্চল, ইউক্রেনের নিরাপত্তা, ন্যাটো সদস্যপদ এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা—এই সব ইস্যু এখনও দুই পক্ষের মধ্যে বড় মতপার্থক্যের কারণ হয়ে রয়েছে। Official Statement রুশ প্রেসিডেন্টের সহকারী ইউরি উশাকভ জানান, ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে মত দিয়েছেন এবং আলোচনাকে তিনি “গঠনমূলক” বলে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, যুদ্ধের অবসানের একটি বাস্তব সুযোগ এখনও রয়েছে এবং স্থায়ী শান্তির জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Impact Public Information বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ফোনালাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়। তবে ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ ভবিষ্যতে শান্তি আলোচনার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। ন্যাটো সম্মেলনের পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলির দিকে এখন গোটা বিশ্বের নজর। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ উপসংহার Russia-Ukraine War নিয়ে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। যদিও যুদ্ধবিরতির পথ এখনও জটিল, তবুও ট্রাম্প, পুতিন এবং জেলেনস্কির এই ধারাবাহিক যোগাযোগ প্রমাণ করছে যে আলোচনার দরজা এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। এখন দেখার বিষয়, ন্যাটো সম্মেলনের পর এই উদ্যোগ বাস্তব শান্তি প্রক্রিয়ায় কতটা রূপ নিতে পারে। Featured Snippet মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পৃথকভাবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন। ন্যাটো সম্মেলনের আগে এই কূটনৈতিক তৎপরতা Russia-Ukraine War-এ সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
Gold Price Today 2026: 10 শহরে কমল সোনার দাম, Silver Price-ও নরম, জানুন আজকের নতুন রেট
সকাল সকাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে সপ্তাহের শুরুতেই সোনা ও রুপোর দামে সামান্য সংশোধন। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই-সহ দেশের অধিকাংশ শহরে কমেছে ২২ ও ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম। Gold Price Today: আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে নরম সোনা ও রুপোর বাজার সপ্তাহের শুরুতে দেশের সারাফা বাজারে দেখা গেল স্বস্তির খবর। Gold Price Today-এর হিসাবে সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, ডলারের ওঠানামা এবং দেশীয় বাজারে তুলনামূলক দুর্বল চাহিদার কারণে সোনা ও রুপোর দামে সামান্য সংশোধন হয়েছে। ফলে দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ দেশের অধিকাংশ শহরে ২২ ও ২৪ ক্যারেট সোনার দাম কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে রুপোর দামেও প্রতীকী পতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির পর এই সংশোধন স্বাভাবিক। ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে ২২ ও ২৪ ক্যারেট সোনা? সোমবার দেশের বিভিন্ন সারাফা বাজারে ২৪ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৬,৭২০ টাকা থেকে ১,৪৯,৪৫০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩৪,৪৯০ টাকা থেকে ১,৩৬,৯৯০ টাকা দরে লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে দিল্লির বাজারে রুপোর দাম প্রতি কিলোগ্রামে ২,৪৯,৯০০ টাকা রয়েছে। দেশের প্রধান শহরগুলিতে আজকের Gold Price বিভিন্ন শহরে সোমবারের স্বর্ণের দাম— শহর ২৪ ক্যারেট (১০ গ্রাম) ২২ ক্যারেট (১০ গ্রাম) নয়াদিল্লি ₹১,৪৬,৮৭০ ₹১,৩৪,৬৪০ মুম্বই ₹১,৪৬,৭২০ ₹১,৩৪,৪৯০ কলকাতা ₹১,৪৬,৭২০ ₹১,৩৪,৪৯০ চেন্নাই ₹১,৪৯,৪৫০ ₹১,৩৬,৯৯০ আমদাবাদ ₹১,৪৬,৭৭০ ₹১,৩৪,৫৪০ ভোপাল ₹১,৪৬,৭৭০ ₹১,৩৪,৫৪০ জয়পুর ₹১,৪৬,৮৭০ ₹১,৩৪,৬৪০ পাটনা ₹১,৪৬,৭৭০ ₹১,৩৪,৫৪০ লখনউ ₹১,৪৬,৮৭০ ₹১,৩৪,৬৪০ বেঙ্গালুরু/হায়দরাবাদ/ভুবনেশ্বর ₹১,৪৬,৭২০ ₹১,৩৪,৪৯০ চেন্নাইয়ে এখনও দেশের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে। কেন কমল সোনার দাম? Gold Price Today-এর এই পরিবর্তনের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সব কারণ মিলিয়েই আপাতত বাজারে কিছুটা নরম প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য কী বার্তা? বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য বর্তমান দামের সংশোধন একটি ইতিবাচক সুযোগ হতে পারে। তবে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার, ডলারের গতিপ্রকৃতি এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা জরুরি। আগামী কয়েক সপ্তাহে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করেই সোনা ও রুপোর বাজারের পরবর্তী দিক নির্ধারিত হতে পারে। সামনে কী হতে পারে? অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বিশ্ববাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা আগামী দিনে সোনার দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বাজারে মূল্য ওঠানামার প্রবণতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। Background গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সেই বৃদ্ধির পর বর্তমানে বাজারে স্বাভাবিক সংশোধন দেখা যাচ্ছে। দেশীয় বাজারে উৎসবের মরসুম এখনও শুরু না হওয়ায় খুচরো চাহিদাও তুলনামূলকভাবে সীমিত রয়েছে। Impact Official Statement বাজার সূত্র এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার এবং দেশীয় চাহিদার প্রভাবে বর্তমানে সোনা ও রুপোর দামে স্বাভাবিক সংশোধন দেখা যাচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information
Jharkhand Rain Alert 2026: 13 জেলায় Yellow Alert, টানা বৃষ্টিতে রাঁচি-সহ রাজ্যজুড়ে জলমগ্ন জনজীবন
সকাল সকাল ডেস্ক ৭ ও ৮ জুলাই ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। রাঁচি-সহ একাধিক জেলায় জলজমায় দুর্ভোগ, প্রশাসনের সতর্কবার্তা। Heavy Rain in Jharkhand: রাঁচি-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত জনজীবন টানা দু’দিনের ভারী বর্ষণে কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ঝাড়খণ্ডের স্বাভাবিক জনজীবন। Jharkhand Rain Alert-এর মধ্যে রাজধানী রাঁচি-সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। শহর ও গ্রামীণ এলাকার বহু নিচু অংশে জল জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের আবহাওয়া দফতর ৭ ও ৮ জুলাই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করেছে। সোমবার ভোর থেকেই রাঁচিতে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। দুপুরের পর কিছুটা রোদ উঠলেও শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল নামতে দীর্ঘ সময় লাগে। নিকাশি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে বহু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাঁচির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলজমা, বাড়ল ভোগান্তি Jharkhand Rain Alert-এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে রাজধানী রাঁচিতে। আপার বাজারের সেবা সদন রোড, গাড়িখানা, হারমু রোড, আর্গোড়া, পান্ডরা রোড-সহ একাধিক এলাকায় জল জমে যান চলাচল কার্যত ধীর হয়ে যায়। রাঁচির আপার বাজার এলাকার সেবা সদন রোড, গাড়িখানা, হারমু রোড, আর্গোড়া, পান্ডরা রোড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলজমার ছবি দেখা গেছে। অনেক জায়গায় নর্দমার জল রাস্তায় উঠে আসায় যানবাহনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। মোটরগাড়ি চালকদের পাশাপাশি পথচারীরাও চরম সমস্যার মুখে পড়েন। বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে দীর্ঘক্ষণ যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেক জায়গায় নর্দমার জল রাস্তায় উঠে আসায় মোটরগাড়ি চালক ও পথচারীদের ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়। অফিস টাইমে বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং নিত্যদিনের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। কোথায় কত বৃষ্টি হয়েছে? আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাঁচিতে ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে— ৭ ও ৮ জুলাই ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সতর্কতা আবহাওয়া বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বিচ্ছিন্নভাবে বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, বড় গাছ কিংবা বৈদ্যুতিক খুঁটির কাছাকাছি না যাওয়ারও আবেদন জানানো হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ তাপমাত্রা কমলেও বাড়ছে জলাবদ্ধতার সমস্যা টানা বৃষ্টির কারণে রাজ্যের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সোমবার বিভিন্ন শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল— তাপমাত্রা কমলেও লাগাতার বর্ষণের ফলে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। আগামী কয়েক দিনও সক্রিয় থাকবে মৌসুমি বায়ু আবহাওয়া দফতরের মতে, ঝাড়খণ্ডের ওপর মৌসুমি বায়ু এখনও সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা, বজ্রপাত, ঝোড়ো হাওয়া এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি পরিষেবাগুলিকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। Background দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় গত কয়েক দিন ধরে ঝাড়খণ্ডের অধিকাংশ জেলায় ধারাবাহিক বৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে নদী-নালা ও ড্রেনের জলস্তর বেড়েছে এবং শহরাঞ্চলে জলনিকাশি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। Impact Official Statement আবহাওয়া বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, ৭ ও ৮ জুলাই ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্য প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সব দফতরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সরকারি আবহাওয়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। Public Information জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন। অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ির বাইরে বের হবেন না। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ পাকা ভবনে আশ্রয় নিন। জলমগ্ন রাস্তা পার হওয়ার সময় সতর্ক থাকুন। আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস নিয়মিত অনুসরণ করুন।
Russia Ukraine War Update 2026: ন্যাটো সম্মেলনের আগে কিয়েভে 3 দফা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কেঁপে উঠল রাজধানী
সকাল সকাল ডেস্ক রাতভর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বহুতল। আহত অন্তত সাতজন। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে নতুন করে বেড়েছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগে আবারও যুদ্ধের তীব্রতা বাড়াল রাশিয়া। Russia Ukraine War Update-এর নতুন অধ্যায়ে রবিবার গভীর রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একাধিক দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ মিসাইল এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা শহর। এয়ার রেইড সাইরেন বাজতেই হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনে ছুটে যান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১টা ৪০ মিনিট নাগাদ প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এরপর রাত ২টা ১০ মিনিট এবং ৩টা ১৫ মিনিট নাগাদ আরও দুটি বড় দফায় হামলা চালানো হয়। হামলার আগে গোটা কিয়েভজুড়ে এয়ার রেইড সাইরেন বাজতে শুরু করে। সতর্কবার্তা পেয়েই হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে যান। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় একাধিক বহুতল আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আগুন লাগে এবং অন্তত সাতজন আহত হন। উদ্ধারকারী দল রাতভর ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যায়। একাধিক বহুতল ভবনে ক্ষয়ক্ষতি, চলেছে উদ্ধার অভিযান কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, রাশিয়া এই হামলায় ড্রোন, ক্রুজ মিসাইলের পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে। রাজধানীর পোদিলস্কি জেলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের ভেতরে কয়েকজন আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান টিমুর তাকাচেঙ্কো জানান, একটি ভবনের সপ্তম থেকে নবম তলার মাঝের অংশ আংশিক ধসে পড়েছে। দারনিতস্কি জেলার আরও কয়েকটি আবাসিক ভবনেও হামলার প্রভাব পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে জরুরি পরিষেবা কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজধানীর বাইরেও হামলার প্রভাব Russia Ukraine War Update-এর এই হামলার প্রভাব শুধু রাজধানীতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কিয়েভ ওব্লাস্টের বুচা এলাকাতেও বিস্ফোরণের অভিঘাত পড়েছে। আঞ্চলিক প্রশাসনের দাবি, অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। ন্যাটো সম্মেলনের আগে বাড়ল সামরিক উত্তেজনা হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করেছিলেন যে গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী রাশিয়া বড় ধরনের নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই আশঙ্কাই বাস্তবে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে চলা ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে এই হামলার বিশেষ কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। সম্মেলনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে। ফলে Russia Ukraine War Update আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। যুদ্ধ থামার লক্ষণ নেই রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে প্রায় ৯০ মিনিট ফোনে আলোচনা হয়েছে। সেখানে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কথাবার্তা হলেও যুদ্ধবিরতি সম্পর্কে কোনও ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত মেলেনি। অন্যদিকে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা আরও বাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে। জেলেনস্কির দাবি, বাড়ছে রুশ হামলার মাত্রা জেলেনস্কি সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ জানান, গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনের ওপর প্রায় ২,২০০টি ড্রোন, ১,৭৩০টিরও বেশি গাইডেড এরিয়াল বোমা এবং ১০৬টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া। তিনি বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে পশ্চিমা দেশগুলির উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। Background ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাত ক্রমশ আরও জটিল হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। ন্যাটো সম্মেলনের আগে কিয়েভে এই নতুন হামলা যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। Impact Official Statement Public Information স্থানীয় প্রশাসন নাগরিকদের এয়ার রেইড সতর্কতা জারি হলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উদ্ধারকারী সংস্থাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ