NASA ISS Mission: ১৪ জুলাই মহাকাশে ইতিহাস গড়তে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিল মেনন, জানুন ১০ বড় তথ্য
সকাল সকাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আট মাসের বৈজ্ঞানিক অভিযানে যাচ্ছেন নাসার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী অনিল মেনন, ভবিষ্যতের চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসার মহাকাশচারী অনিল মেনন আগামী ১৪ জুলাই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS)-এর উদ্দেশে তাঁর প্রথম মহাকাশ অভিযানে রওনা হতে চলেছেন। NASA ISS Mission শুধু একজন মহাকাশচারীর প্রথম মহাকাশযাত্রাই নয়, বরং ভবিষ্যতের চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় আট মাসব্যাপী এই অভিযানে অনিল মেনন মানবদেহের ওপর দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকার প্রভাব, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং উন্নত প্রযুক্তি সংক্রান্ত একাধিক গবেষণায় অংশ নেবেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এই NASA ISS Mission নতুন প্রজন্মের গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার অধ্যায় হয়ে উঠতে চলেছে। NASA ISS Mission: বৈকানুর থেকে ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ নাসা জানিয়েছে, কাজাখস্তানের বৈকানুর কসমোড্রোম থেকে Soyuz MS-29 মহাকাশযানে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন অনিল মেনন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন রসকসমসের দুই অভিজ্ঞ মহাকাশচারী পিয়োত্র দুব্রোভ এবং আন্না কিকিনা। উত্তর আমেরিকার সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট এবং স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আবহাওয়া বা প্রযুক্তিগত পরিস্থিতির কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে। অনিল মেনন কে? ৪৯ বছর বয়সী অনিল মেননের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে। তাঁর বাবা ভারতীয় এবং মা ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তির প্রতি ছোটবেলা থেকেই তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। তিনি একজন এমার্জেন্সি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং একই সঙ্গে US Space Force-এর কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার। চিকিৎসা এবং সামরিক উভয় ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা তাঁকে নাসার অন্যতম দক্ষ মহাকাশচারীতে পরিণত করেছে। SpaceX থেকে NASA—উজ্জ্বল কর্মজীবন নাসায় যোগদানের আগে অনিল মেনন SpaceX-এর প্রথম Flight Surgeon হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ক্রু ড্রাগন মিশনে মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ, জরুরি চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান তিনি। এছাড়াও নাসা, মার্কিন বিমানবাহিনী এবং একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকল্পে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। ISS-এ কী কী গবেষণা করবেন? NASA ISS Mission-এ অনিল মেনন Expedition 74 এবং পরে Expedition 75-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি মূলত— বিজ্ঞানীদের মতে, এই গবেষণার ফল ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সহযাত্রী কারা? এই অভিযানে অনিল মেননের সঙ্গে থাকছেন রসকসমসের অভিজ্ঞ মহাকাশচারী পিয়োত্র দুব্রোভ এবং আন্না কিকিনা। দুব্রোভ ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে দীর্ঘ সময় কাটানোর পাশাপাশি একাধিক Spacewalk সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে আন্না কিকিনা রাশিয়ার অন্যতম অভিজ্ঞ মহিলা মহাকাশচারী। তাঁদের অভিজ্ঞতা অনিল মেননের প্রথম মহাকাশ অভিযানে বিশেষ সহায়ক হবে। আট মাস মহাকাশে অবস্থান নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই দলটি প্রায় আট মাস আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকবে এবং ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে পৃথিবীতে ফিরে আসবে। এই সময়ের মধ্যে শতাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্প পরিচালিত হবে, যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীদের গর্ব কল্পনা চাওলা এবং সুনীতা উইলিয়ামসের পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারীদের সাফল্যের ধারায় নতুন সংযোজন অনিল মেনন। তাঁর এই NASA ISS Mission শুধু ভারতীয়দের কাছেই নয়, বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানপ্রেমী তরুণদের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। লাইভ দেখবেন কীভাবে? নাসা জানিয়েছে, উৎক্ষেপণের পুরো অনুষ্ঠান NASA+, Amazon Prime এবং নাসার অফিসিয়াল YouTube চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শক এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত লাইভ দেখতে পারবেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন পৃথিবীর কক্ষপথে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম গবেষণাগার, যেখানে নাসা, রসকসমস, ESA, JAXA এবং CSA যৌথভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করে। ভবিষ্যতের চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতির জন্য ISS-এ পরিচালিত গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Impact অনিল মেননের গবেষণা ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মানব মহাকাশ অভিযানে চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত পরিকল্পনাকে আরও উন্নত করবে। একই সঙ্গে ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক সাফল্যের ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। Official Statement নাসা জানিয়েছে, অনিল মেনন Soyuz MS-29 মিশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যোগ দিয়ে Expedition 74 ও Expedition 75-এর সদস্য হিসেবে একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অংশ নেবেন। Public Information ১৪ জুলাইয়ের উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠান NASA+, Amazon Prime এবং নাসার অফিসিয়াল YouTube চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। উৎক্ষেপণের সময় আবহাওয়া বা প্রযুক্তিগত কারণে পরিবর্তন হতে পারে।
H-1B Visa Fraud Probe: ট্রাম্প প্রশাসনের বড় তদন্ত, নজরে ভারতীয় আইটি সংস্থা Cognizant
সকাল সকাল ডেস্ক H-1B ও PERM ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক তদন্ত শুরু; হুইসেলব্লোয়ারের তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক সংস্থা তদন্তের আওতায়। যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানভিত্তিক H-1B Visa Fraud Probe ঘিরে বড় পদক্ষেপ নিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। H-1B এবং PERM কর্মভিসা কর্মসূচিতে সম্ভাব্য জালিয়াতি, শ্রম শোষণ এবং অনিয়মের অভিযোগে ব্যাপক তদন্ত শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, বিদেশি শ্রমিক সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় তদন্ত। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই একাধিক সমন জারি করা হয়েছে। মার্কিন শ্রম দফতরের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, তদন্তে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা Cognizant-এর নামও উঠে এসেছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সংস্থার নাম তদন্তে উঠে আসা মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন নয়। তদন্ত এখনও চলমান এবং কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। H-1B Visa Fraud Probe: কী নিয়ে তদন্ত? মার্কিন শ্রম দফতরের ইনস্পেক্টর জেনারেল অ্যান্থনি ডি’এসপোসিটো জানিয়েছেন, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ভিসা জালিয়াতি, শ্রম পাচার, বেতন সংক্রান্ত অনিয়ম এবং কর্মী শোষণের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হুইসেলব্লোয়ারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক বড় সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। Cognizant-এর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, তদন্তকারীরা প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে যাচাই করবেন এবং কোনও সূত্রকেই উপেক্ষা করা হবে না। H-1B ও PERM ভিসা কী? H-1B ভিসা হল যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ-অভিবাসী কর্মভিসা, যার মাধ্যমে মার্কিন সংস্থাগুলি বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি পেশাদারদের নিয়োগ করতে পারে। প্রতি বছর হাজার হাজার ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা, গবেষণা এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞ পেশায় এই ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পান। অন্যদিকে, PERM (Program Electronic Review Management) হল এমন একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনও বিদেশি কর্মী নিয়োগের আগে যাচাই করা হয় যে সংশ্লিষ্ট পদে উপযুক্ত মার্কিন কর্মী পাওয়া যাচ্ছে কি না। কী ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে? মার্কিন শ্রম দফতরের দাবি, তদন্তে এমন কিছু চক্রের সন্ধান মিলেছে যেখানে নিয়োগকারী সংস্থা ও শ্রম সরবরাহকারী এজেন্টরা ভুয়ো আবেদন জমা দিয়ে বিদেশি কর্মীদের শোষণ করেছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে— প্রশাসনের মতে, এই ধরনের অনিয়ম বিদেশি শ্রমিক কর্মসূচির উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং মার্কিন শ্রমবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। Background H-1B ভিসা কর্মসূচি দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। একদিকে প্রযুক্তি সংস্থাগুলি দক্ষ কর্মীর প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও, অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি—এই ব্যবস্থার অপব্যবহারের ফলে অনেক ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন অতীতেও H-1B ভিসা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপ এবং অপব্যবহার রোধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। মানব পাচার ও সংগঠিত অপরাধের অভিযোগ অ্যান্থনি ডি’এসপোসিটোর দাবি, কিছু ক্ষেত্রে এই ধরনের ভিসা জালিয়াতির সঙ্গে মানব পাচার, আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র এবং সংগঠিত অপরাধের যোগসূত্রও থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, এই অনিয়ম শুধু কারখানা বা শ্রমঘন শিল্পেই সীমাবদ্ধ নয়; হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং চিকিৎসকদের চেম্বারেও এই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে রোগীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Official Statement মার্কিন শ্রম দফতর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের জালিয়াতি দমন টাস্ক ফোর্সের সঙ্গে যৌথভাবে এই তদন্ত পরিচালিত হবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার বন্ধ করা এবং নিশ্চিত করা যে বিদেশি কর্মী নিয়োগের নামে কোনও সংস্থা বেআইনিভাবে মার্কিন শ্রমিকদের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে না পারে। Impact এই H-1B Visa Fraud Probe ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বা H-1B ভিসার অপেক্ষায় থাকা বহু ভারতীয় পেশাদার এই তদন্তের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে H-1B এবং PERM ভিসা সংক্রান্ত নিয়ম আরও কঠোর হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সংস্থা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগকে প্রমাণিত হিসেবে ধরা উচিত নয়। Public Information যাঁরা H-1B বা PERM ভিসার জন্য আবেদন করতে চান, তাঁদের কেবল অনুমোদিত নিয়োগকারী সংস্থা ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইনি পরামর্শদাতার মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনও ভিসা প্রক্রিয়ায় বেআইনি অর্থ দাবি করা হলে বা প্রতারণার সন্দেহ হলে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো উচিত। Featured Snippet প্রশ্ন: H-1B Visa Fraud Probe কী? উত্তর: H-1B Visa Fraud Probe হল যুক্তরাষ্ট্রে H-1B এবং PERM কর্মভিসা কর্মসূচিতে সম্ভাব্য জালিয়াতি, শ্রম শোষণ ও অনিয়মের অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনের শুরু করা তদন্ত। তদন্তে একাধিক সংস্থার নাম উঠে এসেছে, যার মধ্যে ভারতীয় আইটি সংস্থা Cognizant-এর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং কোনও অভিযোগ এখনও চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।
Balochistan Attack 11: রকেট হামলায় ১১ পাক সেনার মৃত্যু, দায় স্বীকার বিএলএ-র
সকাল সকাল ডেস্ক বালোচিস্তানের বেলা এলাকায় পাকিস্তান সেনার কনভয়ে রকেট ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে হামলার দাবি বিএলএ-র; পাল্টা অভিযানে ১৪ বিদ্রোহী নিহতের দাবি ইসলামাবাদের। পাকিস্তানের অশান্ত বালোচিস্তান প্রদেশে ফের বড়সড় Balochistan Attack-এর ঘটনা সামনে এসেছে। বুধবার বেলা এলাকার ওয়ালপাটের কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি কনভয়ের ওপর রকেট ও স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় এক জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (জেসিও)-সহ অন্তত ১১ জন সেনাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। তবে হামলার বিভিন্ন দাবি ও পাল্টা দাবির স্বাধীন যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। Balochistan Attack: কীভাবে ঘটল হামলা? পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সেনার কনভয়টি কোয়েটা-করাচি জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা হামলাকারীরা রকেট এবং স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। অন্যদিকে আইএসপিআরের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত বহু জঙ্গি আফগানিস্তানের নাগরিক। করাচিতে গত জুন মাসে রেঞ্জার্স ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় চার হামলাকারীর মধ্যে তিনজনই আফগান নাগরিক ছিল বলে দাবি করেছে পাকিস্তান। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে আফগানিস্তানের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আচমকা হামলায় সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই এক জেসিও-সহ ১১ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে পাকিস্তানের দাবি। আহত সেনাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অস্ত্র লুটের দাবি, তবে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত নয় স্থানীয় সূত্রের দাবি, হামলার পর বিদ্রোহীরা নিহত সেনাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে চলে যায়। তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ফলে এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পাল্টা অভিযানে ১৪ বিএলএ সদস্য নিহতের দাবি আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এক সাংবাদিক বৈঠকে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হামলার পর সেনাবাহিনী পাল্টা অভিযান চালিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই অভিযানে ১৪ জন বিএলএ সদস্য নিহত হয়েছে। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি এবং স্বাধীন সূত্র থেকেও তা নিশ্চিত করা যায়নি। নিহত সেনাদের পরিচয় প্রকাশের দাবি স্থানীয় সূত্রে নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সুবেদার ওয়াহিদ, নায়েক সাকিব, নায়েক জাহির, সিপাহী সাজ্জাদ, ওয়াসিম আখতার, শাকুর, ওয়াকার নুর, উসমান, ল্যান্স নায়েক কুরবান এবং আরও দু’জন সেনা বশারত ও বিলাল। তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করেনি। Background বিগত কয়েক বছরে বালোচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিএলএ দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনী, সরকারি অবকাঠামো এবং কৌশলগত প্রকল্পগুলিকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বারবার ঘটছে। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহেই বালোচিস্তানে বিভিন্ন হামলায় সেনা ও পুলিশ মিলিয়ে ৪২ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। Official Statement পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বলেছেন, দেশের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনও ষড়যন্ত্র কঠোর হাতে দমন করা হবে। তাঁর অভিযোগ, সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া হচ্ছে এবং পাকিস্তানের স্থিতিশীলতা নষ্টের চেষ্টা চলছে। এদিকে আইএসপিআর দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলায় জড়িত বহু হামলাকারী আফগান নাগরিক। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে আফগানিস্তান এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Impact বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক Balochistan Attack পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতাবাদী হামলা শুধু নিরাপত্তা নয়, অর্থনীতি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বালোচিস্তান অঞ্চলে চলমান বিভিন্ন কৌশলগত ও অর্থনৈতিক প্রকল্পের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। Public Information বর্তমানে বালোচিস্তানের একাধিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত টহল চালাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্দেশ মেনে চলার এবং গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। Featured Snippet প্রশ্ন: বালোচিস্তানে সাম্প্রতিক হামলায় কী ঘটেছে? উত্তর: পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, বালোচিস্তানের বেলা এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি কনভয়ের ওপর রকেট ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে হামলায় এক জেসিও-সহ ১১ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে বিএলএ। পরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী পাল্টা অভিযানে ১৪ বিএলএ সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে, যদিও এই দাবিগুলির স্বাধীন যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি।
Iran US Airstrike 90: ইরানে নতুন মার্কিন হামলা, ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের দাবি
সকাল সকাল ডেস্ক হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের; পশ্চিম এশিয়ায় বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা। পশ্চিম এশিয়ায় ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। Iran US Airstrike ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্র বুধবার গভীর রাতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অভিযানে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এখনও হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা পাল্টা প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এই Iran US Airstrike-এর পর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত বৈশ্বিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। Iran US Airstrike: কেন নতুন সামরিক অভিযান চালাল যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ এবং বেসামরিক নাবিকদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের সময় ইরানের উপসাগরীয় উপকূল সংলগ্ন বন্দর আব্বাস, সিরিক, কোনারাক এবং চাবাহার এলাকার আশপাশে একাধিক বিস্ফোরণের খবর সামনে আসে। তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার পর কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতেও যেকোনও হামলার জবাব আরও শক্তিশালীভাবে দেবে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও একই নীতি বজায় থাকবে। তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধমূলক কৌশল অব্যাহত রাখতে চাইছে। সেন্টকমের দাবি: ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানায়, ৮ জুলাই পরিচালিত অভিযানে ইরানের উপকূলজুড়ে প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, অভিযানে লক্ষ্যবস্তু ছিল— ওয়াশিংটনের দাবি, এসব স্থাপনা ধ্বংসের মাধ্যমে সমুদ্রপথে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করাই ছিল অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। হরমুজ প্রণালী কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। প্রতিদিন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের অপরিশোধিত তেল এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। Background গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হরমুজ প্রণালীতে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল। যুক্তরাষ্ট্র সেই ঘটনাগুলিকে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে। এই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং সামরিক উপস্থিতি আন্তর্জাতিক উদ্বেগের অন্যতম কারণ। ইরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় বিশ্ব এই Iran US Airstrike-এর পর ইরানের পক্ষ থেকে এখনও পূর্ণাঙ্গ সরকারি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান যদি পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। Official Statement মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দাবি, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ এবং বেসামরিক নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমুদ্রপথে হামলার ক্ষেত্রে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা। Impact এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, সামুদ্রিক বাণিজ্যে ব্যাঘাত এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করছেন অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংঘাত তীব্র হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য, জ্বালানি আমদানি এবং কূটনৈতিক সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়তে পারে। Public Information আন্তর্জাতিক মহল উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে। পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত স্পর্শকাতর। পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিকে সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Featured Snippet প্রশ্ন: ইরানে নতুন মার্কিন হামলায় কী দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র? উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে পরিচালিত অভিযানে ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার, ড্রোন ঘাঁটি এবং নৌবাহিনীর অবকাঠামো।
Bangladesh Landslide Tragedy 8: রোহিঙ্গা শিবিরের মাদ্রাসায় পাহাড়ধসে ৮ জনের মৃত্যু, কক্সবাজার-চট্টগ্রামে বিপর্যয়
সকাল সকাল ডেস্ক টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে পাহাড়ধস, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় জনজীবন বিপর্যস্ত; রোহিঙ্গা শিবিরে মাদ্রাসা ধসে নিহত ৮, আহত একাধিক। দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের কক্সবাজারে টানা ভারী বর্ষণের জেরে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক Bangladesh Landslide দুর্ঘটনা। উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের একটি কন্যাদের মাদ্রাসার ওপর পাহাড় ধসে পড়ায় অন্তত আট জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাত জন ছাত্রী এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। একই সময়ে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস, বন্যা এবং জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রশাসন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে এবং আরও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। Bangladesh Landslide: উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বুধবার দুপুরে উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির-৫-এর এ-৩ ব্লকের একটি কন্যাদের মাদ্রাসায় পাঠদান চলাকালীন আচমকা পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। মাটি ও পাথরের চাপে মাদ্রাসার একটি দেওয়াল ভেঙে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে শ্রেণিকক্ষ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। দুর্ঘটনার সময় কক্ষে প্রায় ৪০ জন ছাত্রী উপস্থিত ছিল। প্রবল আতঙ্কের মধ্যে প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে দমকল বাহিনী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রশাসনের উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে অভিযান চালায়। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানে উদ্ধার ১৩ জন ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মোট ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে আট জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত পাঁচ জনকে দ্রুত কুতুপালং ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, চার জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চার জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের দুই বোন থাকায় শোকের আবহ আরও গভীর হয়েছে। নিহত ও আহতদের পরিচয় প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে চার জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। তারা হলেন রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২) এবং উমাইসা বিবি (১৩)। আহতদের মধ্যে অসরা বেগম (৯), বেগম জান (১৫) এবং ফারেসা বিবি (১২)-এর চিকিৎসা চলছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ জন ছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কক্সবাজারজুড়ে বন্যা ও পাহাড়ধসে বাড়ছে বিপর্যয় টানা বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন নদীর জলস্তর বেড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বহু নিচু এলাকায় জল ঢুকে পড়ায় অসংখ্য পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। বিভিন্ন সড়ক জলমগ্ন হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত দু’দিনে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উদ্ধারকারী দল এখনও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রামেও একের পর এক প্রাণহানি ভারী বর্ষণের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম জেলাতেও। রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ধসে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। পাঁচলাইশ থানার রহমাননগরে দেওয়াল চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক যুবক। এছাড়া সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় মাটি চাপা পড়ে ১০ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাঁচলাইশের চশমা হিল এলাকায় পাহাড়ধসে প্রাণ হারিয়েছে ১২ বছরের এক কিশোরী। ফলে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। Background বাংলাদেশের কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে বর্ষাকালে পাহাড়ধস একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং অতিবৃষ্টির কারণে প্রতি বছরই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলিতে অস্থায়ী বসতি এবং পাহাড়ি ঢালে বসবাসের কারণে ঝুঁকি আরও বেশি। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে হাজারো পরিবারের বসবাস চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শহরে মোট ২৬টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় রয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি সরকারি এবং ১০টি বেসরকারি মালিকানাধীন। এসব পাহাড়ের ঢালে সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি পরিবার বসবাস করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পুনর্বাসন এবং পাহাড় কাটা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতেও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে। Official Statement চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকাগুলিকে পাঁচটি নজরদারি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং প্রায় ১৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। Impact এই Bangladesh Landslide দুর্ঘটনার ফলে রোহিঙ্গা শিবিরে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। বহু পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তরিত হয়েছে। কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথেও ফেরি পরিষেবা স্থগিত রয়েছে। Public Information আবহাওয়া দফতর আগামী কয়েক দিন আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ি ঢাল, নদীতীর এবং নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা পরিবারগুলির জন্য অস্থায়ী ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে এবং খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Featured Snippet প্রশ্ন: বাংলাদেশে পাহাড়ধসে কোথায় সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে? উত্তর: কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের একটি কন্যাদের মাদ্রাসায় পাহাড়ধসে অন্তত আট জনের মৃত্যু হয়েছে। টানা ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা, পাহাড়ধস এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
UNESCO World Heritage: 5 প্রাচীন দুর্গ রক্ষায় ইউনেস্কোর দ্বারস্থ লেবানন, সংঘাতে ঐতিহ্য নিয়ে উদ্বেগ
সকাল সকাল ডেস্ক ইজরায়েল-লেবানন সংঘাতের মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের পাঁচটি ঐতিহাসিক দুর্গকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন। আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আশা বৈরুতের। ইজরায়েল-লেবানন সংঘাতের আবহে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রশ্নে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আবেদন জানিয়েছে লেবানন। UNESCO World Heritage তালিকায় দক্ষিণাঞ্চলের পাঁচটি প্রাচীন দুর্গ ও ঐতিহাসিক স্থাপনাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য রাষ্ট্রসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)-র কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে বৈরুত। লেবাননের দাবি, চলমান সংঘাতে বহু মূল্যবান প্রত্নস্থল ও ঐতিহাসিক নিদর্শন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত আন্তর্জাতিক সুরক্ষা না মিললে শতাব্দীপ্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। UNESCO World Heritage তালিকাভুক্তির আবেদন কেন? লেবাননের সংস্কৃতিমন্ত্রী ঘাসান সালামে জানিয়েছেন, আগামী ১৭ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির বৈঠকে দক্ষিণ লেবাননের ‘জাবাল আমেল’ অঞ্চলের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্গ ও ঐতিহাসিক স্থাপনাকে UNESCO World Heritage তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। সরকারের আশা, ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলির সুরক্ষা আরও জোরদার হবে এবং সংঘাতের সময় এগুলিকে রক্ষায় আন্তর্জাতিক চাপও বাড়বে। সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ঐতিহাসিক নিদর্শন লেবাননের দাবি অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শামা সমাধিক্ষেত্র। চারটি গম্বুজের মধ্যে তিনটি ইতিমধ্যেই ধসে পড়েছে এবং অবশিষ্ট গম্বুজটিও ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া মধ্যযুগীয় বিউফোর্ট দুর্গ নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছিল, দুর্গটির নিচে সামরিক সুড়ঙ্গ রয়েছে। তবে লেবানন সরকার সেই দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সুড়ঙ্গ দুর্গ থেকে প্রায় ৭০০ মিটার দূরে অবস্থিত। এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচারও চালানো হয়েছে। টাইর ও নাবাতিয়াহর ঐতিহ্যও ক্ষতির মুখে লেবাননের সংস্কৃতিমন্ত্রীর দাবি, ইউনেস্কো স্বীকৃত প্রাচীন টাইর শহরের ঐতিহাসিক রোমান স্তম্ভের উপরের অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া নাবাতিয়াহ শহরের মামলুক যুগের ঐতিহাসিক বাজারও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সীমান্তবর্তী বহু শতাব্দীপ্রাচীন গ্রাম, ঐতিহ্যবাহী বসতি এবং ধর্মীয় স্থাপনাও সংঘাতে ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে সরকার। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনও সম্ভব নয় সংস্কৃতিমন্ত্রী ঘাসান সালামে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকায় এখনও ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রবেশ করে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বহু ঐতিহাসিক গ্রাম, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, ধর্মীয় স্থাপনা এবং বিউফোর্ট দুর্গের প্রকৃত অবস্থা এখনও স্পষ্ট নয়। ‘সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য শুধু ধ্বংসাবশেষ নয়’ ঘাসান সালামের বক্তব্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কেবল রোমান বা ফিনিশীয় সভ্যতার নিদর্শনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর অন্তর্ভুক্ত— তাঁর মতে, এই স্থাপনাগুলি ধ্বংস হলে তা শুধু লেবাননের নয়, সমগ্র বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। ইজরায়েলের পাল্টা অবস্থান লেবাননের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, বেসামরিক অবকাঠামো বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস করা তাদের উদ্দেশ্য নয়। শুধুমাত্র সামরিক প্রয়োজনে অভিযান চালানো হয় এবং সংবেদনশীল ঐতিহাসিক স্থানের ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমোদন ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। ইউনেস্কোর আগের উদ্বেগ এর আগেও ইউনেস্কো দক্ষিণ লেবাননের ঐতিহাসিক স্থাপনা, বিশেষ করে টাইর শহরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সংস্থার মতে, যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংঘাতের সময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক নীতির পরিপন্থী। তাই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, UNESCO World Heritage তালিকায় এই পাঁচটি দুর্গ অন্তর্ভুক্ত হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সেগুলির সুরক্ষায় নতুন কূটনৈতিক ও আইনি উদ্যোগের পথ খুলে যেতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background ইজরায়েল-লেবানন সংঘাতের সময় দক্ষিণ লেবাননের বহু ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই প্রেক্ষাপটেই আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় পাঁচটি দুর্গ অন্তর্ভুক্তির আবেদন জানিয়েছে লেবানন। Impact Official Statement লেবাননের সংস্কৃতিমন্ত্রী ঘাসান সালামে জানিয়েছেন, ‘জাবাল আমেল’ অঞ্চলের পাঁচটি দুর্গকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করা হয়েছে। অন্যদিকে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনও সাংস্কৃতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অভিযান চালায় না। Public Information বিশেষজ্ঞদের মতে, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য শুধু একটি দেশের সম্পদ নয়, এটি বিশ্ব মানবসভ্যতার ঐতিহ্য। তাই সংঘাতের সময় আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Featured Snippet প্রশ্ন: লেবানন কেন ইউনেস্কোর কাছে পাঁচটি প্রাচীন দুর্গকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেছে? উত্তর: ইজরায়েল-লেবানন সংঘাতের জেরে দক্ষিণ লেবাননের বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ভবিষ্যৎ ক্ষতি রোধের লক্ষ্যে লেবানন ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় পাঁচটি প্রাচীন দুর্গ অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেছে।
Iran US Conflict: 7 বড় বার্তা, যুদ্ধবিরতি উড়িয়ে ইরানকে ‘ক্যান্সার’ বললেন ট্রাম্প, নতুন মার্কিন হামলা
সকাল সকাল ডেস্ক যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর নয় বলে দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। ইরানকে ‘ক্যান্সার’ আখ্যা দিয়ে নতুন সামরিক অভিযানের ঘোষণা, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। Iran US Conflict-এ নতুন মোড় এনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও যুদ্ধবিরতি চুক্তি বর্তমানে কার্যকর নেই। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে ‘ক্যান্সার’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, “যত দ্রুত সেটিকে ছেঁটে ফেলা যায়, ততই বিশ্বের জন্য ভালো।” ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং নতুন সামরিক অভিযানের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়ে যেতে পারে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে অবস্থান বদল ট্রাম্পের মাত্র কয়েকদিন আগেও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যানুষ্ঠান চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র কোনও সামরিক হামলা চালাবে না। কিন্তু সেই অবস্থান থেকে সরে এসে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনও চুক্তি আর বহাল নেই। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোভুক্ত দেশগুলির শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “যুদ্ধবিরতি চুক্তির আর কোনও অস্তিত্ব নেই। আমার মতে, বিষয়টি শেষ।” এই মন্তব্যের পর Iran US Conflict নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। ইরানকে ‘ক্যান্সার’ বলে কড়া বার্তা সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখতে চান না। তাঁর ভাষায়, “ইরান একটি ক্যান্সারের মতো। যত দ্রুত সেটিকে অপসারণ করা যায়, ততই বিশ্বের জন্য মঙ্গল।” এছাড়া তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে এবং ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ ব্যক্তিদের টার্গেট করা হয়েছে। খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের মাঝেই পাল্টা হামলার অভিযোগ ট্রাম্পের দাবি, খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সামরিক অভিযান স্থগিত রেখেছিল। কিন্তু সেই সময়েই ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলির বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তিনি বলেন, “আমরা অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু তারা জাহাজ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় রকেট হামলা শুরু করে। তাই আমরা কঠোর জবাব দিয়েছি।” মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এর পরই ভারতীয় সময় বুধবার ভোর থেকে ইরানের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা Iran US Conflict-এর নতুন পর্যায়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব পড়তে পারে— বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক আলোচনার পরিবর্তে সামরিক পদক্ষেপ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। ইরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে তেহরান আগেই জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপের ‘উপযুক্ত জবাব’ দেওয়া হবে। বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহল এখন দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আগামী দিনে কী নজরে থাকবে? পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর— বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না হলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। Background হরমুজ প্রণালী ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও বেড়েছে। এর মধ্যেই যুদ্ধবিরতি নিয়ে নিজের আগের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন সামরিক অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। Impact Official Statement মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি আর কার্যকর নয় এবং যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে। অন্যদিকে, ইরান এর আগে জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যে কোনও সামরিক পদক্ষেপের জবাব দেওয়া হবে। Public Information মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং আর্থিক বাজারে পড়তে পারে। তাই নির্ভরযোগ্য সরকারি ও আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে তথ্য অনুসরণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। Featured Snippet প্রশ্ন: ট্রাম্প কেন বললেন যুদ্ধবিরতি চুক্তি নেই? উত্তর: ট্রাম্পের দাবি, ইরান যুদ্ধবিরতির সময়ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলির স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তাই তিনি ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি আর কার্যকর নয় এবং যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে।
Pakistan Cargo Plane Missing: 7 বড় তথ্য, করাচিগামী বোয়িং ৭৩৭-৪০০ নিখোঁজ, আরব সাগরে তল্লাশি জোরদার
সকাল সকাল ডেস্ক শারজাহ থেকে করাচিগামী বোয়িং ৭৩৭-৪০০ কার্গো বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। আরব সাগরে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিমানবাহিনীর যৌথ উদ্ধার অভিযান, রহস্য ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। পাকিস্তানে ফের বিমান নিখোঁজের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। Pakistan Cargo Plane Missing ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজাহ থেকে করাচির উদ্দেশে রওনা হওয়া একটি বোয়িং ৭৩৭-৪০০ কার্গো বিমানের সঙ্গে রহস্যজনকভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপরই পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটি (পিএএ), পাকিস্তান সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, নৌবাহিনী এবং উপকূলরক্ষী বাহিনী যৌথভাবে আরব সাগরে ব্যাপক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত বিমানটির অবস্থান, ক্রুদের অবস্থা কিংবা নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে কী ঘটেছিল? পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৯টা ১৮ মিনিট (পাকিস্তান সময়) করাচির আকাশসীমায় প্রবেশের আগে বিমানটির নেভিগেশন ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়। পাইলট এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানান। নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে সমস্ত রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় বিমানটি করাচি থেকে প্রায় ১৫৫ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার) পশ্চিমে আরব সাগরের আকাশে অবস্থান করছিল। ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য বাড়াল রহস্য Pakistan Cargo Plane Missing ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য। তথ্য অনুযায়ী— বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞদের মতে, এত দ্রুত উচ্চতা হারানো সাধারণ উড়ানের অংশ নয়। এটি গুরুতর প্রযুক্তিগত ত্রুটি, কাঠামোগত ক্ষতি, ইঞ্জিন বিকল হওয়া অথবা অন্য কোনও জরুরি পরিস্থিতির ইঙ্গিত হতে পারে। আরব সাগরে জোরদার তল্লাশি অভিযান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই পাকিস্তান প্রশাসন জরুরি অনুসন্ধান শুরু করে। বর্তমানে তল্লাশিতে অংশ নিচ্ছে— রাডার তথ্য, আবহাওয়ার রিপোর্ট, যোগাযোগের রেকর্ড এবং সম্ভাব্য ফ্লাইট ডেটা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক বিমান দুর্ঘটনা তদন্তকারী সংস্থার সহায়তাও নেওয়া হতে পারে। কে-টু এয়ারওয়েজ কী জানাল? নিখোঁজ বিমানটির মালিক সংস্থা কে-টু এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান সিভিল এভিয়েশন অথরিটি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে। সংস্থার বিবৃতিতে বলা হয়েছে— “আমাদের সহকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করছি। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সফল হোক, এটাই আমাদের একমাত্র কামনা।” তবে বিমানটিতে কতজন ক্রু ছিলেন কিংবা কী ধরনের মালামাল বহন করা হচ্ছিল, তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। দীর্ঘ পরিষেবা ইতিহাস রয়েছে বিমানটির নিখোঁজ উড়োজাহাজটি ছিল বোয়িং ৭৩৭-৪০০ ক্লাসিক সিরিজের একটি মালবাহী বিমান। বিমানটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য— তদন্তে কোন বিষয়গুলিতে জোর? তদন্তকারীরা বর্তমানে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখছেন— বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানটির ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা গেলে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। আগামী দিনে কী হতে পারে? এখনও পর্যন্ত আরব সাগর থেকে কোনও ধ্বংসাবশেষ, লাইফ র্যাফ্ট কিংবা জরুরি সংকেত উদ্ধার হয়নি। ফলে Pakistan Cargo Plane Missing ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে। পাকিস্তান প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং নতুন তথ্য পাওয়া গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। Background শারজাহ থেকে করাচিগামী বোয়িং ৭৩৭-৪০০ কার্গো বিমানটি করাচির আকাশসীমায় প্রবেশের আগে নেভিগেশন সমস্যার কথা জানায়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং আরব সাগরে ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়। Impact Official Statement পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটি জানিয়েছে, বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই জরুরি অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। কে-টু এয়ারওয়েজও জানিয়েছে, তারা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং ক্রুদের নিরাপদ উদ্ধারের আশা করছে। Public Information বিমানটির অবস্থান বা ক্রুদের বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তাই গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের তথ্য অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Featured Snippet প্রশ্ন: পাকিস্তানের নিখোঁজ কার্গো বিমানটি কোথায় হারিয়ে যায়? উত্তর: শারজাহ থেকে করাচিগামী বোয়িং ৭৩৭-৪০০ কার্গো বিমানটি করাচি থেকে প্রায় ১৫৫ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ২৮৭ কিমি) পশ্চিমে আরব সাগরের আকাশে নেভিগেশন সমস্যার পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর পাকিস্তান নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে অনুসন্ধান শুরু করে।
Iran US Conflict: 5 বড় বার্তা, মার্কিন হামলার পর ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি—‘চাপের কাছে কখনও নত হব না’
সকাল সকাল ডেস্ক মার্কিন হামলার পর ইরানের সংসদের স্পিকারের কড়া বার্তা। সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সরব তেহরান, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে Iran US Conflict। ইরানের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক হামলার পর এবার কড়া বার্তা দিলেন ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভয় দেখিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে ইরানকে কখনও নত করা যাবে না। তাঁর দাবি, যেকোনও পরিস্থিতিতেই তেহরান নিজের নীতি ও অবস্থান থেকে সরে আসবে না। এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন হামলার পর ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া রাশিয়ার সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্ট করে গালিবাফ বলেন, “ভয় দেখানো ও জোরজবরদস্তির যুগ শেষ হয়েছে। এসব কৌশলে কোনও ফল মিলবে না। আমরা কখনও মাথা নত করব না।” র আগে বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক হামলা চালায়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর দাবি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। গালিবাফ আরও অভিযোগ করেন, ১৮ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের একাধিক শর্ত যুক্তরাষ্ট্র লঙ্ঘন করেছে। তাঁর অভিযোগের মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত সমঝোতা ভঙ্গ, নতুন সামরিক হামলার হুমকি, ইরানি তেলের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ, দক্ষিণ ইরানে হামলা এবং লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক পদক্ষেপে মার্কিন সমর্থন। তাঁর এই মন্তব্যকে মার্কিন হামলার সরাসরি রাজনৈতিক জবাব হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। Iran US Conflict-এর আবহে ইরানের এই অবস্থান ভবিষ্যতের কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। কেন বাড়ল Iran US Conflict? মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর দাবি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের জবাব হিসেবেই ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের মতে, আন্তর্জাতিক জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। যদিও ইরান এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী বলে অভিযোগ করেছে। সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ গালিবাফ অভিযোগ করেন, ১৮ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের একাধিক শর্ত যুক্তরাষ্ট্র নিজেই ভঙ্গ করেছে। তাঁর অভিযোগের মধ্যে রয়েছে— H2: ইরানের প্রধান অভিযোগ ইরানের দাবি, এসব পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও দুর্বল করে তুলছে এবং শান্তি আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া মেলেনি এই অভিযোগগুলির বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, Iran US Conflict যদি আরও তীব্র হয়, তাহলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং আর্থিক বাজারেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ কূটনৈতিক মহলের মতে, বর্তমান উত্তেজনা দ্রুত প্রশমিত না হলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হওয়ায় সেখানে অস্থিরতা বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। Background হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করে। এরপরই ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক মহল থেকে একের পর এক কঠোর প্রতিক্রিয়া সামনে আসছে। Impact Official Statement ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ভয় দেখিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে ইরানকে কখনও নত করা যাবে না। অন্যদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। Public Information মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, শেয়ার বাজার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পড়তে পারে। তাই বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের সরকারি ঘোষণা এবং নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক তথ্যের ওপর নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Featured Snippet প্রশ্ন: মার্কিন হামলার পর ইরান কী বলেছে? উত্তর: ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ভয় দেখানো বা চাপ সৃষ্টি করে ইরানকে কখনও নত করা যাবে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছেন।
Iran US Conflict: 80+ স্থানে মার্কিন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা আরও তীব্র
সকাল সকাল ডেস্ক হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানের ৮০টিরও বেশি স্থানে মার্কিন সামরিক অভিযান। নতুন নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা হুঁশিয়ারিতে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা। মধ্যপ্রাচ্যে ফের উত্তেজনা চরমে। Iran US Conflict নতুন মোড় নেওয়ার পর ইরানের ৮০টিরও বেশি স্থানে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজে সাম্প্রতিক হামলার জবাব হিসেবে মার্কিন বাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন। এর জেরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। Iran US Conflict কেন নতুন করে তীব্র হল? মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ৭ জুলাই (স্থানীয় সময়) অত্যন্ত নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড ও কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার কেন্দ্র এবং জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর একযোগে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর মতে, আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। সেন্টকম আরও জানিয়েছে, ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর ৬০টিরও বেশি দ্রুতগামী নৌযান ধ্বংস বা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৮০টিরও বেশি স্থানে হামলার দাবি মার্কিন প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে ইরানের ৮০টিরও বেশি সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। দক্ষিণ ইরানের সিরিক, কেশম এবং বান্দার আব্বাসের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের খবর সামনে এসেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, সিরিক বন্দরের বাণিজ্যিক ও মৎস্যজাহাজের ঘাটেও ক্ষেপণাস্ত্র বা রকেট আঘাত হেনেছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ সরকারি হিসাব এখনও প্রকাশ করা হয়নি। নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা Iran US Conflict আরও জটিল করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপও নিয়েছে। ১৭ জুনের অন্তর্বর্তী শান্তি সমঝোতার আওতায় তেল বিক্রির জন্য দেওয়া বিশেষ ছাড় অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া ইরানি তেল রপ্তানির ওপর আবারও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। ওয়াশিংটনের দাবি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাব হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরানের বিদেশ মন্ত্রক মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে হওয়া সমঝোতার পরিপন্থী এবং এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। হামলার সময় ইরানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা সাইয়্যেদ আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। এর আগে তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছিল, শোকপালনের সময় কোনও সামরিক পদক্ষেপকে তারা উস্কানি হিসেবে বিবেচনা করবে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের জরুরি প্রত্যাবর্তন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ইরাকের নাজাফে গিয়েছিলেন। কিন্তু মার্কিন হামলার খবর পাওয়ার পর তিনি নির্ধারিত সফর সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত তেহরানে ফিরে আসেন। ইরাক সরকার ও জনগণকে শেষকৃত্যের আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ইরান ও ইরাকের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বিশ্লেষকদের মতে, Iran US Conflict দীর্ঘায়িত হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, গোটা বিশ্বের অর্থনীতি তার প্রভাব অনুভব করবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হওয়ায় সেখানে অস্থিরতা বাড়লে অপরিশোধিত তেলের দাম, বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং আর্থিক বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কূটনৈতিক মহলের মতে, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। আগামী দিনে কী নজরে থাকবে? পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ হবে— বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক সমাধানের পথ না খুললে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তার প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপর পড়তে পারে। Background হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে সাম্প্রতিক হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই মার্কিন বাহিনী ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে। Impact Official Statement মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের বিদেশ মন্ত্রক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। Public Information মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, শেয়ার বাজার এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে পড়তে পারে। তাই আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও সরকারি ঘোষণার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। Featured Snippet প্রশ্ন: কেন ইরানের ৮০টিরও বেশি স্থানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র? উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাব হিসেবে ইরানের ৮০টিরও বেশি সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে অভিযান চালানো হয়েছে।