জসপ্রীত বুমরাহ: ৯৬৮ দিন পর ওয়ানডেতে ফিরেই ইতিহাস, ইংল্যান্ডে ভাঙলেন জাদেজার রেকর্ড, পূর্ণ করলেন ১৫০ উইকেট
সকাল সকাল ডেস্ক দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডেতে ফিরেই হ্যারি ব্রুককে আউট করে ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হলেন জসপ্রীত বুমরাহ। প্রত্যাবর্তনেই রেকর্ড গড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ প্রায় তিন বছর বা ৯৬৮ দিন পর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এসেই ইতিহাস গড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে হ্যারি ব্রুককে ফিরিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছেন। একই সঙ্গে জসপ্রীত বুমরাহ নিজের আন্তর্জাতিক ওয়ানডে কেরিয়ারের ১৫০তম উইকেটও পূর্ণ করেন। দীর্ঘ বিরতির পরও তাঁর ধার, গতি এবং নিখুঁত লাইন-লেন্থে কোনও ঘাটতি দেখা যায়নি। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই তিনি বুঝিয়ে দিলেন, বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে তাঁর অবস্থান এখনও অটুট। দ্বিতীয় স্পেলেই বদলে গেল ম্যাচের চিত্র টসে জিতে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের অধিনায়ক শুভমন গিল পরে জানান, সুযোগ পেলে তাঁরাও আগে বোলিংই করতেন। নতুন বলে প্রথম স্পেলে চার ওভার বল করলেও উইকেট পাননি জসপ্রীত বুমরাহ। তবে পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় স্পেলের প্রথম বলেই তিনি ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলেন। অফ স্টাম্পের বাইরে নিখুঁত লেংথে করা বলে হ্যারি ব্রুক স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন এবং রোহিত শর্মা সহজ ক্যাচটি তালুবন্দি করেন। এই উইকেটই বুমরাহর জন্য ইতিহাসের দরজা খুলে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ইংল্যান্ডের মাটিতে নতুন ভারতীয় রেকর্ড হ্যারি ব্রুকের উইকেট নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইংল্যান্ডের মাটিতে জসপ্রীত বুমরাহ-র ওয়ানডে উইকেট সংখ্যা দাঁড়ায় ৩১। এর ফলে তিনি রবীন্দ্র জাদেজাকে পিছনে ফেলে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়ে যান। ইংল্যান্ডে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ওয়ানডে উইকেট এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে বুমরাহ কতটা সফল এবং ধারাবাহিক। ১৫০ ওয়ানডে উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ হ্যারি ব্রুকের উইকেটটিই ছিল জসপ্রীত বুমরাহ-র আন্তর্জাতিক ওয়ানডে কেরিয়ারের ১৫০তম শিকার। শুধু তাই নয়, ভারতের হয়ে দ্রুততম ১৫০ ওয়ানডে উইকেট নেওয়ার তালিকায়ও উঠে এলেন তিনি। মাত্র ৪৬০৫ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বুমরাহ, যা ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয় দ্রুততম। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ভারতের হয়ে দ্রুততম ১৫০ ওয়ানডে উইকেট (বলের হিসেবে) এই পরিসংখ্যান তাঁর ধারাবাহিকতা এবং কার্যকারিতারই প্রমাণ বহন করে। ভারতের বোলিংয়ে শুরু থেকেই চাপ শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে চাপে রাখেন ভারতীয় বোলাররা। নতুন বল হাতে গুরনুর ব্রার দ্রুত ফিরিয়ে দেন বেন ডাকেট এবং জ্যাকব বেথেলকে। এরপর জসপ্রীত বুমরাহ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে আউট করে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে আরও বড় ধাক্কা দেন। ভারতের পেস আক্রমণের দুরন্ত শুরু স্বাগতিকদের শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলতে বাধ্য করে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আগামী দিনের জন্য বড় বার্তা ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামলেন জসপ্রীত বুমরাহ। দীর্ঘ বিরতির পর সাধারণত ছন্দে ফিরতে সময় লাগে, কিন্তু বুমরাহ সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নতুন রেকর্ড গড়া এবং ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করে তিনি আবারও বুঝিয়ে দিলেন, সুস্থ থাকলে বিশ্বের সেরা পেসারদের তালিকায় তাঁর নাম প্রথম সারিতেই থাকবে। ভারতের সামনে বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলি রয়েছে। সেই প্রস্তুতির আগে বুমরাহর এই দুরন্ত প্রত্যাবর্তন দলকে নিঃসন্দেহে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং ধারাবাহিকতা ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর: উন্নয়নে কেন্দ্র-রাজ্যের সমন্বয়ে নতুন গতি
বিকশিত ভারতের লক্ষ্য পূরণে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার, কৃষি, আবাসন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা সকাল সকাল ডেস্ক হাওড়ায় কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরে উন্নয়নের নতুন বার্তা সামনে এসেছে। বিকশিত ভারতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করলে কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব হবে। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরে ঘোষিত বিভিন্ন প্রকল্প সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে সমন্বয়ের বার্তা কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক অগ্রগতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন অপরিহার্য। তাঁর মতে, উন্নত, আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী ভারত গড়তে প্রতিটি রাজ্যের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন তিনি জানান, অতীতের তুলনায় বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে গতি এসেছে। আগামী দিনে এই অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে দুই সরকার একসঙ্গে কাজ করবে। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর এই সমন্বয়কে আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে বড় বরাদ্দ বৈঠকে গ্রামীণ উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ৩১ মার্চ গ্রামীণ উন্নয়নভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য ৮,৫০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন গ্রামের রাস্তা, সেচ ব্যবস্থা, জনপরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হলে স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও মজবুত করার ওপর জোর। আবাসন ও সড়ক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, আবাসন প্রকল্পের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এক লক্ষ বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে বহু উপযুক্ত পরিবার দ্রুত সরকারি আবাসনের সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের জন্য এক হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের কথাও জানানো হয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা কৃষি, ব্যবসা, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করবে বলে প্রশাসনের ধারণা। কৃষি ও জেলা ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বৈঠকে কৃষি খাতের উন্নয়ন নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা হয়। বিশেষ করে দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়া জেলায় বিশেষ কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি নির্ভর শিল্প ও স্থানীয় কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগও তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ছাড়া বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব নয়। তাই কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্র সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন মুখ্যমন্ত্রীও জানান, বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। আবাসন, গ্রামীণ সড়ক, কর্মসংস্থান এবং কৃষিভিত্তিক একাধিক প্রকল্প নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী দিনে যৌথভাবে সেগুলির বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর। আবাসন, গ্রামীণ রাস্তা, কর্মসংস্থান এবং কৃষি উন্নয়নের মতো বিষয়গুলি সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে যুক্ত। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা আরও দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাবে। শিবরাজ সিং চৌহানের পশ্চিমবঙ্গ সফর তাই শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বৈঠক নয়, বরং ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনার দিকনির্দেশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলস কনভয়ে বিস্ফোরক হামলা, শহিদ ৩ জওয়ান, জোরদার তল্লাশি অভিযান
চুমৌকেদিমা জেলায় চলন্ত সেনা কনভয়কে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ, আহত একাধিক জওয়ান; হামলার তদন্ত শুরু সকাল সকাল ডেস্ক নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলস কনভয়ে বিস্ফোরক হামলা নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলস কনভয়ে বিস্ফোরক হামলা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতে। চুমৌকেদিমা জেলার সুখোভি গ্রাম এলাকায় চলন্ত আসাম রাইফেলসের একটি কনভয়কে লক্ষ্য করে দূরনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই ঘটনায় তিনজন জওয়ান শহিদ হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। প্রতিরক্ষা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলস কনভয়ে বিস্ফোরক হামলা-র পরই এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের খোঁজে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। কীভাবে ঘটল হামলা প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার নিয়মিত টহল ও দায়িত্ব পালনের সময় চলন্ত আসাম রাইফেলসের কনভয়কে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলেই তিন জওয়ান শহিদ হন। আহত জওয়ানদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও তাঁদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত সরকারি তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি, তবে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা যাচ্ছে। এলাকাজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলস কনভয়ে বিস্ফোরক হামলা-র পরপরই আসাম রাইফেলস, ডিমাপুর পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে সুখোভি ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন হামলাকারীদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি গোটা এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়। হামলার নেপথ্যে কারা ঘটনার পর অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক ও কীর্তি চক্র সম্মানপ্রাপ্ত মেজর দিগ্বিজয় সিং রাওয়াত সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, এই হামলার পেছনে একটি সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকতে পারে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে একই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর কনভয়কে লক্ষ্য করে এটি দ্বিতীয় বিস্ফোরণ। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন তবে এই দাবির সত্যতা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। ফলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার জন্য কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করা হচ্ছে না। নাগাল্যান্ড ও উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু এলাকায় অতীতে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বিচ্ছিন্ন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেই কারণে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিয়মিত নিরাপত্তা টহল এবং নজরদারি চালানো হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন বিশেষজ্ঞদের মতে, নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলস কনভয়ে বিস্ফোরক হামলা নিরাপত্তা ব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তাই গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারি বক্তব্য ও জনসাধারণের জন্য তথ্য প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারি সূত্র থেকে প্রকাশিত তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলস কনভয়ে বিস্ফোরক হামলা-র তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
Bangkok Pub Fire: ব্যাঙ্ককের পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের মৃত্যু, বহু আহত
সকাল সকাল ডেস্ক রাতের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হল বিভীষিকায়, অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখছে থাইল্যান্ড প্রশাসন থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককের একটি পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ব্যাঙ্কক পাব ফায়ার-এর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা থাইল্যান্ডে। কীভাবে ঘটল অগ্নিকাণ্ড স্থানীয় সময় রবিবার গভীর রাত প্রায় ১টা নাগাদ ব্যাঙ্ককের ওই পানশালায় আগুন লাগার খবর পায় দমকল বাহিনী। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে পানশালার একাংশ আগুনে গ্রাস হয়ে যায়। ভিতরে আটকে পড়া বহু মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করেন। দমকল বাহিনীর দাবি, দ্রুত অভিযান চালানোর ফলে আগুন পাশের ভবনে ছড়িয়ে পড়া থেকে রোখা সম্ভব হয়েছে। প্রায় ত্রিশ মিনিটের প্রচেষ্টার পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ কয়েকজন আহতের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেকের শরীরে গুরুতর দগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দেখা দিয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। আগুন কীভাবে লাগল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না এবং পানশালায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কার্যকর ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজে তৎপর দমকল ও প্রশাসন ঘটনার পরপরই দমকল, পুলিশ এবং জরুরি পরিষেবার কর্মীরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালান। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ভিতরে আটকে থাকা মানুষদের দ্রুত বাইরে বের করে আনা হয়। আহতদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করার কাজও শুরু হয়েছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। সরকারের প্রতিক্রিয়া থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি দ্রুত তদন্ত শেষ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সাধারণ মানুষের জন্য তথ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য হাসপাতালগুলিতে বিশেষ সহায়তা কেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।
মোজতবা খামেনির হুঁশিয়ারি: ৭ বড় বার্তা, বাবার হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার ঘোষণা, বাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা
সকাল সকাল ডেস্ক আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর প্রথম বড় বার্তা নতুন সর্বোচ্চ নেতার। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে ‘প্রতিশোধ’-এর অঙ্গীকারে নতুন করে চর্চায় পশ্চিম এশিয়া। ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তাঁর বাবার হত্যার ‘প্রতিশোধ অবশ্যই নেওয়া হবে’। তাঁর দাবি, এটি শুধু ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নয়, বরং ইরানি জাতির দাবি এবং তা বাস্তবায়ন করা হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস-এ প্রকাশিত বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, “প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের জাতির দাবি এবং এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের পরিচয় ইরানের কাছে রয়েছে এবং কেউই জবাবদিহি এড়াতে পারবে না। ‘শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়া হবে’ প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতাকে উদ্দেশ করে মোজতবা খামেনি বলেন, “আমরা শপথ করছি, অপরাধীদের কাছ থেকে আপনার পবিত্র রক্ত এবং এই দুই যুদ্ধের সব শহীদের রক্তের বদলা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, এই প্রতিশোধ কোনও একক ব্যক্তির ওপর নির্ভর করছে না। তাঁর কথায়, “আমরা বেঁচে থাকি বা না থাকি, এই প্রতিজ্ঞা পূরণ করা হবে।” ট্রাম্পের মন্তব্যের পর পাল্টা বার্তা মোজতবা খামেনির এই বিবৃতি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও হত্যাচেষ্টা হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর সামরিক জবাব দেবে। ট্রাম্পের ওই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিশোধের বার্তা সামনে আসায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ট্রাম্পকে হত্যার আশঙ্কা নিয়ে বিতর্ক সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের কিছু নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত এমন কোনও নতুন বা নির্দিষ্ট ষড়যন্ত্রের নিশ্চিত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পারস্পরিক অবিশ্বাস ও উত্তেজনা বজায় রয়েছে। জনসমক্ষে আসেননি নতুন সর্বোচ্চ নেতা দায়িত্ব গ্রহণের পর এখনও পর্যন্ত মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় তিনি আহত হয়েছিলেন। তবে এই দাবির স্বাধীন বা সরকারি নিশ্চিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। এখন পর্যন্ত তিনি কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন। কোনও ভিডিও ভাষণ বা প্রকাশ্য বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। পশ্চিম এশিয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনির সাম্প্রতিক মন্তব্য ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে। যদিও বিভিন্ন দেশ কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে, তবুও পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারির জেরে পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। পটভূমি সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা, আঞ্চলিক সংঘাত এবং আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। প্রভাব সরকারি বক্তব্য ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা প্রকাশিত বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসন এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নতুন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। জনসাধারণের জন্য তথ্য আন্তর্জাতিক সংঘাত-সংক্রান্ত খবরের ক্ষেত্রে যাচাই করা সরকারি ও নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুসরণ করা উচিত। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত যাচাইবিহীন তথ্য থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ সংক্ষিপ্ত সারাংশ নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বাবার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারির পর এই বিবৃতিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
Hormuz Strait Crisis: 7 বড় প্রভাব, হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা ঘিরে বাড়ছে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা
সকাল সকাল ডেস্ক ইরানের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাপে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা; বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কেন্দ্রে। Hormuz Strait Crisis ঘিরে ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণার পর গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট। ফলে পরিস্থিতির অবনতি হলে শুধু পশ্চিম এশিয়াই নয়, বিশ্ব অর্থনীতি, তেলের বাজার এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের উপরও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পর ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিভিন্ন দেশ পরিস্থিতির দিকে নিবিড় নজর রাখছে এবং সংঘাত এড়াতে সংযমের আহ্বান জানাচ্ছে। ## হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানের অবস্থান ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। ইরানের দাবি, তাদের নির্দেশিত নৌপথ অনুসরণ না করায় একটি বিদেশি পণ্যবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গোলাবর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় জাহাজের ইঞ্জিনরুমে ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ডের খবর সামনে এসেছে। একজন নাবিক নিখোঁজ থাকার কথাও জানানো হয়েছে। ইরান স্পষ্ট করেছে যে, পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে তাদের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। একই সঙ্গে যেকোনও সামরিক বা কূটনৈতিক পদক্ষেপের জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ## পাল্টা প্রতিক্রিয়া ও সামরিক উত্তেজনা ইরানের ঘোষণার পর মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, ড্রোন ঘাঁটি, নৌ সক্ষমতা এবং সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর দাবি করেছে। মার্কিন পক্ষের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে ইরান জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। ## কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী? Hormuz Strait Crisis-এর অন্যতম কারণ এই জলপথের কৌশলগত গুরুত্ব। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্রতিদিন এই প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছায়। এই পথ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে— ## আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ পরিস্থিতির জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থাগুলিও বিকল্প রুট ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। জাতিসংঘ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানালেও এখনও পর্যন্ত ইরান ও আমেরিকার অবস্থানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত মেলেনি। ## বিশ্ব অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি Hormuz Strait Crisis দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে এর প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিশ্বজুড়ে পরিবহণ খরচ, শিল্প উৎপাদন, মূল্যস্ফীতি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থাও চাপে পড়তে পারে। তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলির অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ## Background হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত জ্বালানি পরিবহণ করিডর হিসেবে এটি বহু বছর ধরেই আন্তর্জাতিক কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। অতীতে এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে একাধিকবার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ## Impact ## Official Statement ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে কঠোর জবাব দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন পক্ষ জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তাদের সামরিক পদক্ষেপ। ## Public Information Featured Snippet (40–50 Words) Hormuz Strait Crisis ঘিরে পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, তেলের বাজার এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
NASA ISS Mission: ১৪ জুলাই মহাকাশে ইতিহাস গড়তে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিল মেনন, জানুন ১০ বড় তথ্য
সকাল সকাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আট মাসের বৈজ্ঞানিক অভিযানে যাচ্ছেন নাসার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী অনিল মেনন, ভবিষ্যতের চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসার মহাকাশচারী অনিল মেনন আগামী ১৪ জুলাই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS)-এর উদ্দেশে তাঁর প্রথম মহাকাশ অভিযানে রওনা হতে চলেছেন। NASA ISS Mission শুধু একজন মহাকাশচারীর প্রথম মহাকাশযাত্রাই নয়, বরং ভবিষ্যতের চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় আট মাসব্যাপী এই অভিযানে অনিল মেনন মানবদেহের ওপর দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকার প্রভাব, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং উন্নত প্রযুক্তি সংক্রান্ত একাধিক গবেষণায় অংশ নেবেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এই NASA ISS Mission নতুন প্রজন্মের গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার অধ্যায় হয়ে উঠতে চলেছে। NASA ISS Mission: বৈকানুর থেকে ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ নাসা জানিয়েছে, কাজাখস্তানের বৈকানুর কসমোড্রোম থেকে Soyuz MS-29 মহাকাশযানে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন অনিল মেনন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন রসকসমসের দুই অভিজ্ঞ মহাকাশচারী পিয়োত্র দুব্রোভ এবং আন্না কিকিনা। উত্তর আমেরিকার সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট এবং স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আবহাওয়া বা প্রযুক্তিগত পরিস্থিতির কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে। অনিল মেনন কে? ৪৯ বছর বয়সী অনিল মেননের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে। তাঁর বাবা ভারতীয় এবং মা ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তির প্রতি ছোটবেলা থেকেই তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। তিনি একজন এমার্জেন্সি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং একই সঙ্গে US Space Force-এর কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার। চিকিৎসা এবং সামরিক উভয় ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা তাঁকে নাসার অন্যতম দক্ষ মহাকাশচারীতে পরিণত করেছে। SpaceX থেকে NASA—উজ্জ্বল কর্মজীবন নাসায় যোগদানের আগে অনিল মেনন SpaceX-এর প্রথম Flight Surgeon হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ক্রু ড্রাগন মিশনে মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ, জরুরি চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান তিনি। এছাড়াও নাসা, মার্কিন বিমানবাহিনী এবং একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকল্পে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। ISS-এ কী কী গবেষণা করবেন? NASA ISS Mission-এ অনিল মেনন Expedition 74 এবং পরে Expedition 75-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি মূলত— বিজ্ঞানীদের মতে, এই গবেষণার ফল ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সহযাত্রী কারা? এই অভিযানে অনিল মেননের সঙ্গে থাকছেন রসকসমসের অভিজ্ঞ মহাকাশচারী পিয়োত্র দুব্রোভ এবং আন্না কিকিনা। দুব্রোভ ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে দীর্ঘ সময় কাটানোর পাশাপাশি একাধিক Spacewalk সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে আন্না কিকিনা রাশিয়ার অন্যতম অভিজ্ঞ মহিলা মহাকাশচারী। তাঁদের অভিজ্ঞতা অনিল মেননের প্রথম মহাকাশ অভিযানে বিশেষ সহায়ক হবে। আট মাস মহাকাশে অবস্থান নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই দলটি প্রায় আট মাস আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকবে এবং ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে পৃথিবীতে ফিরে আসবে। এই সময়ের মধ্যে শতাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্প পরিচালিত হবে, যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীদের গর্ব কল্পনা চাওলা এবং সুনীতা উইলিয়ামসের পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারীদের সাফল্যের ধারায় নতুন সংযোজন অনিল মেনন। তাঁর এই NASA ISS Mission শুধু ভারতীয়দের কাছেই নয়, বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানপ্রেমী তরুণদের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। লাইভ দেখবেন কীভাবে? নাসা জানিয়েছে, উৎক্ষেপণের পুরো অনুষ্ঠান NASA+, Amazon Prime এবং নাসার অফিসিয়াল YouTube চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শক এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত লাইভ দেখতে পারবেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Background আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন পৃথিবীর কক্ষপথে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম গবেষণাগার, যেখানে নাসা, রসকসমস, ESA, JAXA এবং CSA যৌথভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করে। ভবিষ্যতের চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতির জন্য ISS-এ পরিচালিত গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Impact অনিল মেননের গবেষণা ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মানব মহাকাশ অভিযানে চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত পরিকল্পনাকে আরও উন্নত করবে। একই সঙ্গে ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক সাফল্যের ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। Official Statement নাসা জানিয়েছে, অনিল মেনন Soyuz MS-29 মিশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যোগ দিয়ে Expedition 74 ও Expedition 75-এর সদস্য হিসেবে একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অংশ নেবেন। Public Information ১৪ জুলাইয়ের উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠান NASA+, Amazon Prime এবং নাসার অফিসিয়াল YouTube চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। উৎক্ষেপণের সময় আবহাওয়া বা প্রযুক্তিগত কারণে পরিবর্তন হতে পারে।
Iran US Airstrike 90: ইরানে নতুন মার্কিন হামলা, ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের দাবি
সকাল সকাল ডেস্ক হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের; পশ্চিম এশিয়ায় বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা। পশ্চিম এশিয়ায় ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। Iran US Airstrike ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্র বুধবার গভীর রাতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অভিযানে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এখনও হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা পাল্টা প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এই Iran US Airstrike-এর পর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত বৈশ্বিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। Iran US Airstrike: কেন নতুন সামরিক অভিযান চালাল যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ এবং বেসামরিক নাবিকদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের সময় ইরানের উপসাগরীয় উপকূল সংলগ্ন বন্দর আব্বাস, সিরিক, কোনারাক এবং চাবাহার এলাকার আশপাশে একাধিক বিস্ফোরণের খবর সামনে আসে। তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার পর কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতেও যেকোনও হামলার জবাব আরও শক্তিশালীভাবে দেবে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও একই নীতি বজায় থাকবে। তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধমূলক কৌশল অব্যাহত রাখতে চাইছে। সেন্টকমের দাবি: ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানায়, ৮ জুলাই পরিচালিত অভিযানে ইরানের উপকূলজুড়ে প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, অভিযানে লক্ষ্যবস্তু ছিল— ওয়াশিংটনের দাবি, এসব স্থাপনা ধ্বংসের মাধ্যমে সমুদ্রপথে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করাই ছিল অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। হরমুজ প্রণালী কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। প্রতিদিন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের অপরিশোধিত তেল এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। Background গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হরমুজ প্রণালীতে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল। যুক্তরাষ্ট্র সেই ঘটনাগুলিকে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে। এই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং সামরিক উপস্থিতি আন্তর্জাতিক উদ্বেগের অন্যতম কারণ। ইরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় বিশ্ব এই Iran US Airstrike-এর পর ইরানের পক্ষ থেকে এখনও পূর্ণাঙ্গ সরকারি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান যদি পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। Official Statement মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দাবি, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ এবং বেসামরিক নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমুদ্রপথে হামলার ক্ষেত্রে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা। Impact এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, সামুদ্রিক বাণিজ্যে ব্যাঘাত এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করছেন অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংঘাত তীব্র হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য, জ্বালানি আমদানি এবং কূটনৈতিক সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়তে পারে। Public Information আন্তর্জাতিক মহল উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে। পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত স্পর্শকাতর। পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিকে সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Featured Snippet প্রশ্ন: ইরানে নতুন মার্কিন হামলায় কী দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র? উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে পরিচালিত অভিযানে ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার, ড্রোন ঘাঁটি এবং নৌবাহিনীর অবকাঠামো।
Stock Market Crash: 7 বড় কারণে ধসে সেনসেক্স-নিফটি, যুদ্ধের আশঙ্কায় আতঙ্কে লগ্নিকারীরা
সকাল সকাল ডেস্ক পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আশঙ্কা, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলারের শক্তি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপে বড় ধাক্কা খেল ভারতের শেয়ার বাজার। ভারতের শেয়ার বাজারে বুধবার বড়সড় ধাক্কা দেখা গেল। Stock Market Crash-এর জেরে সেনসেক্স ও নিফটি দু’টিই দিনের লেনদেনে তীব্র পতনের মুখে পড়ে। পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা, অপরিশোধিত তেলের দামের উল্লম্ফন এবং বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (FII) বিক্রির চাপ মিলিয়ে বাজারে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দুপুরের পর থেকেই বিক্রির চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে সেনসেক্স ১,৬৮০ পয়েন্টেরও বেশি এবং নিফটি ৫১০ পয়েন্টেরও বেশি নেমে যায়। বাজারের এই পতনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। কেন ঘটল Stock Market Crash? বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা আন্তর্জাতিক লগ্নিকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। ফলে নিরাপদ সম্পদ যেমন স্বর্ণ, মার্কিন ট্রেজারি বন্ড এবং মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকছেন বড় বিনিয়োগকারীরা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতের শেয়ার বাজারে এবং Stock Market Crash আরও গভীর হয়েছে। সেনসেক্স ও নিফটির বড় পতন বুধবার দুপুরের পর থেকেই বাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হয়। একসময় সেনসেক্স ১,৬৮০ পয়েন্টেরও বেশি নিচে নেমে যায়। একই সময়ে নিফটি ৫১০ পয়েন্টেরও বেশি হারায়। শুধু বড় সংস্থাই নয়, মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ সূচকেও উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা দেখা যায়। প্রায় সব সেক্টরেই লাল রং দেখা যাওয়ায় বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে নতুন চাপ Stock Market Crash-এর অন্যতম কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের দ্রুত বৃদ্ধি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৬ ডলারেরও বেশি বেড়ে যায়। ভারত যেহেতু বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ, তাই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি দেশের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। এর প্রভাব পরিবহণ খরচ, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানির মূল্য এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ওপর পড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। টাকার ওপরও বাড়ল চাপ ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় টাকার বিনিময় হারেও চাপ তৈরি হয়েছে। টাকার মূল্য কমে গেলে বিদেশ থেকে তেল, গ্যাস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। এর ফলে ভবিষ্যতে শিল্প উৎপাদন এবং মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কোন কোন খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত? এই Stock Market Crash-এ সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে— অন্যদিকে ওষুধ, এফএমসিজি এবং কিছু ইউটিলিটি সংস্থার শেয়ারে তুলনামূলক কম চাপ লক্ষ্য করা গেছে। লগ্নিকারীদের কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা? বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকলেও আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি করা উচিত নয়। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের বাজারের মৌলিক ভিত্তি, সংস্থার আর্থিক অবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজার ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আগামী দিনে কী নজরে থাকবে? আগামী দিনে ভারতের শেয়ার বাজারের গতিপথ অনেকটাই নির্ভর করবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর— বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক সমাধানের পথে অগ্রগতি হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে পারে এবং Stock Market Crash-এর ধাক্কা কাটিয়ে বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। Background পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা এবং অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে শেয়ার বাজারে চাপ তৈরি করেছে। তারই প্রভাব পড়েছে ভারতীয় বাজারেও। Impact Official Statement বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে ভারতীয় বাজারেও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কৌশল বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। Public Information বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কে সিদ্ধান্ত না নিয়ে যাচাই-বাছাই করে বিনিয়োগ করার এবং আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। Featured Snippet প্রশ্ন: কেন ভারতের শেয়ার বাজারে বড় পতন হল? উত্তর: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আশঙ্কা, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলারের শক্তিশালী হওয়া এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপের কারণে সেনসেক্স ও নিফটিতে বড় পতন দেখা গেছে।
BrahMos Missile Deal: ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভারতের 7টি বড় চুক্তি, জাকার্তায় ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা সমঝোতা
সকাল সকাল ডেস্ক জাকার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর উপস্থিতিতে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ চুক্তি; প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ইস্পাত ও কৃষিক্ষেত্রেও একাধিক সমঝোতা। ভারত তার প্রতিরক্ষা রপ্তানির ইতিহাসে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল। BrahMos Missile Deal-এর মাধ্যমে এবার ইন্দোনেশিয়াকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে ভারত। মঙ্গলবার জাকার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তোর উপস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শুধু প্রতিরক্ষা নয়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ইস্পাত শিল্প, কৃষি এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতাসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই BrahMos Missile Deal শুধু ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানিকেই শক্তিশালী করবে না, বরং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত অবস্থানও আরও মজবুত করবে। ## BrahMos Missile Deal: জাকার্তায় ঐতিহাসিক চুক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দু’দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ দেশে এটি তাঁর প্রথম সফর। জাকার্তার মেরদেকা প্রাসাদে রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি ভবনে গার্ড অব অনার, জাতীয় সঙ্গীত এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের প্রতিনিধিদল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে বড় অগ্রগতি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভারত-রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে গঠিত ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো জাকার্তার মেরদেকা প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কনভয় রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছায়। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বাহিনীর ১৭ জন কর্মকর্তা এবং ১২০ সদস্যের অশ্বারোহী বাহিনী মোতায়েন ছিল। রাষ্ট্রপতি ভবনের পশ্চিম দিকের প্রবেশদ্বারে দুই নেতা করমর্দন করেন, পরস্পরকে আলিঙ্গন করেন এবং পরে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় সঙ্গীতের সময় একসঙ্গে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। যদিও চুক্তির আর্থিক মূল্য কিংবা কতগুলি ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলের মতে, এটি ভারতের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা রপ্তানি চুক্তিগুলির একটি। প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়বে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ইন্দোনেশিয়ার বেসরকারি প্রতিরক্ষা সংস্থা রিপাবলিককর্প এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেডের মধ্যে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সংক্রান্ত আরেকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন, গবেষণা এবং প্রযুক্তি বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থনীতি ও শিল্পক্ষেত্রেও একাধিক সমঝোতা প্রতিরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ইস্পাত এবং কৃষিক্ষেত্রে সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়া (সেল) এবং ইন্দোনেশিয়ার ক্রাকাতাউ স্টিল যৌথভাবে স্টেইনলেস স্টিল স্ল্যাব উৎপাদনের প্রকল্প গড়ে তুলবে। এই প্রকল্প ভবিষ্যতে দুই দেশের শিল্প সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। নেতাদের বক্তব্য ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো বলেন, ভারত এবং ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের দুই বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, গোটা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া ভারত মহাসাগর অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করবে। উন্মুক্ত ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গঠনে দুই দেশের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। Background ভারত গত কয়েক বছরে প্রতিরক্ষা রপ্তানি বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। ফিলিপিন্সের পর এবার ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের কৌশলেও এই চুক্তির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। Impact Official Statement প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া সমুদ্র নিরাপত্তা, শান্তি এবং মুক্ত নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করবে। রাষ্ট্রপতি প্রবোও সুবিয়ান্তো জানান, দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information পরবর্তী গন্তব্য: অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড স্থান: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া প্রধান চুক্তি: BrahMos Missile Deal অংশগ্রহণকারী: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো অতিরিক্ত চুক্তি: সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, ইস্পাত, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সফরের মেয়াদ: ২ দিন