দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ভারতের হার, চার উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড
সকাল সকাল ডেস্ক কার্ডিফ : কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতকে চার উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়ে আনল ইংল্যান্ড। বৃহস্পতিবার ২৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৪৪.১ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ৪৪ ওভারে ২৩৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে বিরাট কোহলি ৬৫ এবং শ্রেয়স আইয়ার ৬৬ রান করলেও মধ্যক্রমের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি। ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে জোফ্রা আর্চার এবং গাস অ্যাটকিনসন তিনটি করে উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের ইনিংসকে চাপে ফেলে দেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তবে অভিজ্ঞ জো রুট অপরাজিত ৯৯ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেন। ভারতের হয়ে গুরনুর ব্রার দুটি উইকেট নেন। এছাড়া জসপ্রীত বুমরাহ, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল এবং শিবম দুবে একটি করে উইকেট শিকার করেন। তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের তৃতীয় ও শেষ তথা নির্ণায়ক ম্যাচ আগামী ১৯ জুলাই লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে।
পুরীর রথযাত্রার সময় মৃত্যু এক ভক্তের, আহত বহু; শোকপ্রকাশ নবীন পট্টনায়েকের
সকাল সকাল ডেস্ক ভুবনেশ্বর : বৃহস্পতিবার পুরীতে রথযাত্রার সময় পদপিষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ব্যাপক ভিড়ের চাপে কার্যত পিষে যান বহু পুণ্যার্থী। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ওড়িশা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নবীন পট্টনায়েক। তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলেছেন এবং মৃতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এদিন নবীন পট্টনায়ক বলেন, রথযাত্রায় একজন ভক্তের মৃত্যুর খবরে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং দুর্ঘটনায় আহত পুণ্যার্থীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তিনি এও জানিয়েছেন, এই শোকের সময়ে বিজু জনতা দলের কর্মীরা প্রয়োজনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবেন। তিনি আহতদের এবং তাঁদের পরিজনদের সাহায্য করার জন্য দলের কর্মীদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার পুরীতে জগন্নাথ-বলরাম-শুভদ্রার রথের রশিতে টান দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যেতেই বিপত্তি ঘটে। ভক্তদের মধ্যে ঠেলাঠেলিতে হুড়মুড়িয়ে পড়ে যান অনেকে। ব্যাপক ভিড়ের চাপে কার্যত পিষে যান বহু পুণ্যার্থী। পদপিষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়। ওড়িশার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, অসুস্থ বহু পুণ্যার্থীই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বেটিং অ্যাপ কাণ্ডে টিভি সঞ্চালিকা শেফালি বাগ্গাকে জেরা ইডির
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : মহাদেব অনলাইন বেটিং অ্যাপ-সংক্রান্ত অর্থপাচার মামলার তদন্তে টিভি সঞ্চালিকা শেফালি বাগ্গাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বৃহস্পতিবার রায়পুরে ইডির আঞ্চলিক দফতরে তাঁকে তলব করে দীর্ঘক্ষণ ধরে মামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মহাদেব বেটিং নেটওয়ার্কের অন্যতম অভিযুক্ত খঞ্জন জগদীশ কুমার ঠাক্করের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন শেফালি। অভিযোগ, ভারতে অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচার ও বিস্তারে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে দুবাই ও লন্ডন থেকে পরিচালিত একাধিক বেটিং প্ল্যাটফর্মের প্রচারে তিনি যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ইডি সূত্রের খবর, তদন্তে এমন একাধিক ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ ও প্রচারমূলক সামগ্রী মিলেছে, যেখানে শেফালি বাগ্গাকে সংশ্লিষ্ট বেটিং অ্যাপের প্রচার করতে দেখা গিয়েছে। শুধু প্রচারই নয়, ব্যবহারকারীদের বেটিং-সংক্রান্ত পরামর্শ ও বিভিন্ন ধরনের টিপস দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে শেফালির তরফে এখনও কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তকারীদের দাবি, খঞ্জন ঠাক্কর মহাদেব অনলাইন বেটিং চক্রের আর্থিক লেনদেন এবং হাওলা নেটওয়ার্ক পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এই চক্রে কারা কী ভূমিকা নিয়েছেন এবং অবৈধ অর্থ কীভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও ইডির নজরে এসেছে শেফালি বাগ্গার পরিচালিত একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল। অভিযোগ, ওই চ্যানেলের মাধ্যমে অনলাইন বেটিংয়ের প্রচার এবং বিভিন্ন ধরনের বেটিং-সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শ ছড়িয়ে দেওয়া হত। সেই চ্যানেলের ডিজিটাল রেকর্ডও এখন তদন্তের আওতায় এনেছে ইডি।
বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে শুক্রবার এনডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে শুক্রবার জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের শরিক দলগুলির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশন চলাকালীন সরকারের কৌশল, আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার এবং বিরোধীদের বিভিন্ন ইস্যুর মোকাবিলা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে তাঁর সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশনে সরকারের কর্মসূচি চূড়ান্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিল সংসদে উপস্থাপন এবং সেগুলি পাস করানোর রণকৌশলও নির্ধারণ করা হবে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, আইন ও বিচার প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) অর্জুনরাম মেঘওয়াল, অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডুসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের শরিক দলগুলির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আগামী ২০ জুলাই থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সংসদের বাদল অধিবেশন চলবে। এই অধিবেশনে সরকারের আইন প্রণয়নের কর্মসূচি, সংসদের কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনা, বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে সমন্বয় এবং বিরোধীদের সম্ভাব্য কৌশলের মোকাবিলা নিয়েই মূলত শুক্রবারের বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
হাইড্রোজেন ট্রেন: দেশের প্রথম পরিবেশবান্ধব যাত্রীবাহী রেলের উদ্বোধন শুক্রবার
জিন্দ-সোনিপত রুটে শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম হাইড্রোজেনচালিত ট্রেন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহারে ভারতীয় রেলের নতুন অধ্যায়। সকাল সকাল ডেস্ক ভারতের রেল পরিবহণে শুরু হতে চলেছে এক নতুন যুগ। হাইড্রোজেন ট্রেন চালুর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক রেল পরিষেবার পথে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় রেল। শুক্রবার হরিয়ানার জিন্দ রেল স্টেশন থেকে জিন্দ-সোনিপত রুটে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই প্রকল্পকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রায় ২,৬০০ যাত্রী বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন এই হাইড্রোজেন ট্রেন নিজস্ব জ্বালানি কোষ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে চলবে। ফলে ট্রেন চলার সময় কোনও ধোঁয়া বা কার্বন নির্গমন হবে না। পরিবেশে নির্গত হবে শুধুমাত্র জলীয় বাষ্প ও তাপ, যা দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে ভারতীয় রেলের বড় পদক্ষেপ রেল মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় রেলের বিস্তৃত ব্রডগেজ নেটওয়ার্কের ৯৯ শতাংশেরও বেশি ইতিমধ্যেই বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। এবার সেই উদ্যোগকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে চালু হচ্ছে হাইড্রোজেন ট্রেন। প্রচলিত ওভারহেড বৈদ্যুতিক লাইনের পরিবর্তে এই ট্রেনে জ্বালানি কোষে হাইড্রোজেন ও বাতাসের অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন এর ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমবে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের গণপরিবহণে এই প্রযুক্তির গুরুত্ব ক্রমশ বাড়বে। আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন প্রজন্মের ট্রেন দশ কামরার এই ট্রেনে রয়েছে দুটি শক্তি ইউনিট এবং আটটি যাত্রীবাহী কোচ। প্রতিটি শক্তি ইউনিটে জ্বালানি কোষ, ব্যাটারি এবং হাইড্রোজেন সংরক্ষণ ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। ট্রেনটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার হলেও জিন্দ-সোনিপত রুটে এটি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার বেগে চলবে। যাত্রীদের আরাম, নিরাপত্তা এবং শক্তির দক্ষ ব্যবহারকে গুরুত্ব দিয়েই এই প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হাইড্রোজেনচালিত ট্রেন রেল মন্ত্রকের দাবি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাইড্রোজেনচালিত ট্রেন চালু থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলি দুই থেকে চার কামরার। সেই তুলনায় ভারতের দশ কামরার এই ট্রেন যাত্রী ধারণক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। এটি শুধু প্রযুক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং বৃহৎ পরিসরে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ চালুর ক্ষেত্রে ভারতের সক্ষমতারও পরিচয় বহন করে। নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব এই প্রকল্পে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ট্রেনে হাইড্রোজেন গ্যাসের লিকেজ, ধোঁয়া, আগুন এবং অতিরিক্ত তাপমাত্রা শনাক্ত করার জন্য অত্যাধুনিক সেন্সর বসানো হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন কোনও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি ট্রেন এবং জিন্দে নির্মিত রিফুয়েলিং কেন্দ্রে উন্নত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়। পরিচ্ছন্ন শক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্য নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় সবুজ হাইড্রোজেন মিশনের আওতায় হাইড্রোজেনভিত্তিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই হাইড্রোজেন ট্রেন প্রকল্প। জিন্দে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে হাইড্রোজেন জ্বালানি ভরার কেন্দ্রও তৈরি করা হয়েছে। সেখানে জল থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং ট্রেনে সরবরাহের সম্পূর্ণ ব্যবস্থা রয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন রেল মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রেন চালুর আগে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, ব্রেক ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং গতিসংক্রান্ত সমস্ত কারিগরি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়নও সম্পন্ন করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে গবেষণা, নকশা ও মান নির্ধারণ সংস্থা, সমন্বিত কোচ নির্মাণ কারখানা এবং দেশীয় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে রেল মন্ত্রক জানিয়েছে। শুক্রবার থেকে জিন্দ-সোনিপত রুটে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে। ভবিষ্যতে এই প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কালকা-শিমলার মতো পার্বত্য রেলপথেও হাইড্রোজেন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার, কম দূষণ, উন্নত নিরাপত্তা এবং আধুনিক অবকাঠামোর সমন্বয়ে এই উদ্যোগ ভারতীয় রেলের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশের আরও বিভিন্ন রুটে এই প্রযুক্তির সম্প্রসারণ হলে সবুজ পরিবহণ ব্যবস্থার লক্ষ্য পূরণে বড় সাফল্য মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্বকাপ ফাইনাল: ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা
শেষ মুহূর্তের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা, রবিবার স্পেনের বিরুদ্ধে মহারণ। সকাল সকাল ডেস্ক বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা দুর্দান্তভাবে বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। একসময় পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করে লিওনেল মেসির দল জয় ছিনিয়ে নেয়। ফলে এবার বিশ্বকাপ ফাইনাল-এ স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। সেমিফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াই আটলান্টার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনাল শুরু থেকেই ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। প্রথমার্ধে দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে শারীরিক লড়াইই বেশি চোখে পড়ে। মোট ১৯টি ফাউল হয়, যার মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। উভয় দলের একজন করে ফুটবলার হলুদ কার্ডও দেখেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে না পারলেও আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে। দুই দলের রক্ষণভাগও দৃঢ়তা দেখায়, ফলে বিরতির আগে গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। ইংল্যান্ডের এগিয়ে যাওয়া দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোল করে ইংল্যান্ড। ডান দিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে মর্গান রজার্সের বাড়ানো বল ধরে অ্যান্থনি গর্ডন নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান। আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও গোল রুখতে পারেননি। গোল করার পর ইংল্যান্ড রক্ষণভাগ আরও শক্তিশালী করে। ফলে দীর্ঘ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রেখেও সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হচ্ছিল আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার প্রত্যাবর্তন ম্যাচের ৮৫ মিনিটে অবশেষে সমতা ফেরায় আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নিখুঁত পাস থেকে বক্সের বাইরে দুর্দান্ত শটে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। সেই গোল ম্যাচে নতুন প্রাণ ফেরায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সমতা ফেরানোর পর আক্রমণের গতি আরও বাড়িয়ে দেয় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে আবারও মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। এরপর ইংল্যান্ড মরিয়া চেষ্টা করলেও আর সমতা ফিরিয়ে আনতে পারেনি। এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপ ফাইনাল-এ ওঠার স্বপ্ন পূরণ করে আর্জেন্টিনা। পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনার আধিপত্য পুরো ম্যাচে বলের দখলে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল আর্জেন্টিনার। তারা প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। গোলের উদ্দেশে মোট ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড পাঁচটি শট নিলেও মাত্র দুটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। পরিসংখ্যান বলছে, আক্রমণ, বলের দখল এবং সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা অনেকটাই এগিয়ে ছিল। সেই ধারাবাহিক চাপই শেষ পর্যন্ত জয়ের পথ তৈরি করে দেয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন ইংল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে আবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল। ১৯৬৬ সালের পর আর শিরোপা জিততে পারেনি তারা। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক সাফল্যের পথে থাকা আর্জেন্টিনা এবারও শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে খেলছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেল। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো দল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আত্মবিশ্বাস ধরে রেখেছিল। খেলোয়াড়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং পরিকল্পিত আক্রমণের ফলেই এই গুরুত্বপূর্ণ জয় এসেছে। দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসিও সতীর্থদের লড়াইয়ের মানসিকতার প্রশংসা করেছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন রবিবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ ফাইনাল। সেখানে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এটি বছরের অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে। একইসঙ্গে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে ফ্রান্স। ফুটবলবিশ্ব এখন তাকিয়ে রয়েছে বিশ্বকাপ ফাইনাল-এর দিকে। শিরোপা ধরে রাখতে পারবে কি আর্জেন্টিনা, নাকি নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইতিহাস গড়বে স্পেন—তার উত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে। সেই লড়াই ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সড়ক, রেল, অর্ধপরিবাহী শিল্প, মোবাইল উৎপাদন এবং ইউরিয়া উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্পে ছাড়পত্র। সকাল সকাল ডেস্ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের পরিকাঠামো, শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বৈঠক-পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সড়ক নির্মাণ, অর্ধপরিবাহী শিল্প, মোবাইল উৎপাদন, রেল অবকাঠামো এবং ইউরিয়া উৎপাদন সংক্রান্ত বড় প্রকল্পগুলিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বারাণসীতে নতুন উড়াল সড়ক নির্মাণে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত-এর মধ্যে অন্যতম হলো উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে জাতীয় সড়ক-উনিশ এবং বারাণসী ঘিরে নির্মিত সড়কপথের মধ্যে ছয় লেনের একটি নতুন উড়াল সড়ক নির্মাণ। ছেচল্লিশ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় হবে চৌদ্দ হাজার চারশো কোটিরও বেশি টাকা। সরকারের আশা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বারাণসীর যানজট অনেকটাই কমবে এবং যাতায়াতের সময় প্রায় এক ঘণ্টা থেকে কমে প্রায় কুড়ি মিনিটে নেমে আসবে। একই সঙ্গে ধর্মীয়, শিক্ষামূলক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন এছাড়া বরুণা নদীর পাশ দিয়ে জাতীয় সড়ক-একত্রিশ এবং বারাণসী ঘিরে নির্মিত সড়কপথকে যুক্ত করতে আরও একটি উড়াল সড়ক নির্মাণেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তেতাল্লিশ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে দশ হাজার নয়শো আটানব্বই কোটিরও বেশি টাকা। অর্ধপরিবাহী শিল্পে নতুন বিনিয়োগ দেশে অর্ধপরিবাহী শিল্পকে শক্তিশালী করতে এক লক্ষ সাতাশ হাজার পাঁচশো কোটি টাকার নতুন কর্মসূচিতে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারের লক্ষ্য, দেশকে বৈশ্বিক অর্ধপরিবাহী উৎপাদন ও নকশা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সরকারের মতে, এই বিনিয়োগের ফলে উন্নত প্রযুক্তি, নতুন শিল্প স্থাপন, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ আরও বাড়বে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত-এর মধ্যে এটিকে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি খাতের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মোবাইল উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে জোর বৈঠকে দেশে মোবাইল উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বাষট্টি হাজার পাঁচশো কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্পেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে বাস্তবায়িত হতে চলা এই প্রকল্পে উৎপাদনের ভিত্তিতে আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকবে। সরকারের আশা, এর মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বৈদেশিক বাজারে ভারতীয় উৎপাদনের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। রেল অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের চারটি জেলাকে যুক্ত করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পেও অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এর আওতায় পারাদ্বীপ–হরিদাসপুর দ্বৈত রেলপথ এবং রাজখারসাওয়ান–ডাঙ্গোয়াপোসি চতুর্থ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন প্রায় তিন হাজার নয়শো সাত কোটি টাকার এই প্রকল্পগুলির কাজ দুই হাজার ত্রিশ-একত্রিশ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পণ্য পরিবহণের গতি বাড়বে এবং শিল্পাঞ্চলের যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। আত্মনির্ভর উৎপাদন, দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে বড় প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত সেই নীতিরই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, প্রযুক্তি শিল্প, উৎপাদন ক্ষেত্র এবং কৃষি অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি ইউরিয়া উৎপাদনে স্বনির্ভরতা বাড়াতে নতুন বিনিয়োগ নীতিও অনুমোদন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্যাসভিত্তিক ইউরিয়া কারখানায় বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সড়ক ও রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যাতায়াত সহজ হবে, পণ্য পরিবহণের সময় কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে। অর্ধপরিবাহী ও মোবাইল উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ইউরিয়া উৎপাদন বৃদ্ধি কৃষকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক বড় সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিধায়ী গৌরব যাত্রা: সুশাসন নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বললেন ওম বিড়লা
রাজস্থান বিধানসভার পঁচাত্তরতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনমুখী শাসনব্যবস্থার ওপর জোর লোকসভার অধ্যক্ষের। সকাল সকাল ডেস্ক জয়পুরে রাজস্থান বিধানসভার পঁচাত্তরতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিধায়ী গৌরব যাত্রা-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিধায়ী গৌরব যাত্রা-র মঞ্চ থেকে তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে নাগরিকদের প্রত্যাশা বদলেছে। মানুষ এখন শুধু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিই নয়, বরং সংবেদনশীল, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রত্যাশা করেন। তাঁর মতে, গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে আইনসভাগুলিকে জনগণের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। আইনসভাই গণতন্ত্রের শক্তিশালী ভিত্তি ওম বিড়লা বলেন, বিধানসভা এমন একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যেখানে সাধারণ মানুষের সমস্যা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, উন্নয়নের প্রয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয় সরকারের সামনে তুলে ধরা হয়। এই আলোচনা ও মতবিনিময় প্রশাসনকে আরও কার্যকর, দায়িত্বশীল এবং জনমুখী করে তুলতে সহায়তা করে। তিনি জানান, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনসভা শুধু আইন প্রণয়নের স্থান নয়, বরং জনগণের মতামত প্রতিফলিত করার অন্যতম প্রধান মঞ্চ। বিধায়ী গৌরব যাত্রা সেই গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও দায়িত্বের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্ব লোকসভার অধ্যক্ষের মতে, বর্তমান সময়ে সুশাসনের অন্যতম ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে আইনসভাগুলিকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের সিদ্ধান্ত, আলোচনা এবং কার্যকলাপ মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে পৌঁছানো উচিত। এতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হবে এবং প্রশাসনের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পাবে। গণতন্ত্রের শিক্ষাঙ্গন হিসেবে বিধানসভা ওম বিড়লা বিধানসভাকে গণতন্ত্রের প্রকৃত শিক্ষাঙ্গন বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এখান থেকেই দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে। তিনি জনপ্রতিনিধিদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁর মতে, কার্যকর আলোচনা, গঠনমূলক বিতর্ক এবং যুক্তিনির্ভর মতবিনিময়ের মাধ্যমেই উন্নত নীতি ও আইন প্রণয়ন সম্ভব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন রাজস্থান বিধানসভার পঁচাত্তরতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই বিধায়ী গৌরব যাত্রা-র সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজন গণতন্ত্রের ঐতিহ্য এবং আইনসভাগুলির ভূমিকা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন ওম বিড়লা বলেন, সংসদ এবং রাজ্য বিধানসভায় অনুষ্ঠিত আলোচনা, বিতর্ক ও বিচার-বিবেচনা শুধু তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, ভবিষ্যতের জন্যও তা গণতান্ত্রিক ইতিহাসের মূল্যবান দলিল হয়ে থাকে। তিনি বলেন, এই আলোচনাগুলি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী আইনসভা মানেই আরও কার্যকর শাসনব্যবস্থা। জনগণের সমস্যা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা, স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নও দ্রুত হয়। ওম বিড়লার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু সরকার নয়, আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকেও সমানভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বিধায়ী গৌরব যাত্রা সেই দায়িত্ববোধ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনকল্যাণমূলক শাসনব্যবস্থার গুরুত্ব আরও একবার তুলে ধরেছে।
সৌশ্রুতম ২০২৬: সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে আয়ুর্বেদের সমন্বয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর মতে, গবেষণা, নথিভুক্তিকরণ, ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে আয়ুর্বেদের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে। সকাল সকাল ডেস্ক সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে সৌশ্রুতম ২০২৬-এর মঞ্চ থেকে আয়ুর্বেদের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নয়াদিল্লিতে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী সৌশ্রুতম ২০২৬-এর উদ্বোধন করে তিনি বলেন, উন্নত প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং মানসম্মত স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে আয়ুর্বেদের সংযোগ ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে। তাঁর বক্তব্যে প্রাচীন চিকিৎসা জ্ঞানের সঙ্গে আধুনিক বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির সমন্বয়ের গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে। আয়ুর্বেদের বিকাশে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের প্রাচীন চিকিৎসা ঐতিহ্যকে বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে হবে। আয়ুর্বেদ কেবল একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, বরং সুস্থ জীবনযাপনের একটি সামগ্রিক দর্শন। আধুনিক প্রযুক্তি, তথ্যভিত্তিক গবেষণা এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার সহায়তায় এই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব। তাঁর মতে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবন এবং আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার আয়ুর্বেদের কার্যকারিতা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও বেশি আস্থা তৈরি করবে। সৌশ্রুতম ২০২৬ এই লক্ষ্য পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ওপর জোর রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আয়ুর্বেদের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি ও শল্যচিকিৎসা সম্পর্কে আরও বিস্তৃত বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। মানসম্মত নথিভুক্তিকরণ, নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষণ এবং আধুনিক গবেষণা পদ্ধতির মাধ্যমে এই চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন তিনি মনে করেন, গবেষণার ফলাফল আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী উপস্থাপন করা গেলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও গবেষকদের কাছে আয়ুর্বেদের গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব রাষ্ট্রপতি জানান, আয়ুর্বেদের বৈশ্বিক প্রসারে কেন্দ্রীয় সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এই লক্ষ্য পূরণে আয়ুষ মন্ত্রক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়লে জ্ঞান বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির বিকাশ আরও সহজ হবে। সৌশ্রুতম ২০২৬-এর মতো আন্তর্জাতিক আলোচনা সভা বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন ভারতীয় চিকিৎসা ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ আয়ুর্বেদ। হাজার বছরের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই চিকিৎসা পদ্ধতি বর্তমানে বিশ্বের বহু দেশে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গবেষণা, প্রযুক্তি এবং তথ্যভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারের ফলে আয়ুর্বেদের আধুনিকীকরণে নতুন গতি এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে সৌশ্রুতম ২০২৬ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং চিকিৎসকদের মধ্যে মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার নতুন উদ্যমে আয়ুর্বেদ ও যোগচর্চার আন্তর্জাতিক প্রসারে কাজ করছে। প্রাচীন শল্যচিকিৎসা পদ্ধতিকে আধুনিক বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য ধারাবাহিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নত নথিভুক্তিকরণ, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্তি এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা আরও নির্ভুল, নিরাপদ এবং সহজলভ্য হতে পারে। উন্নত গবেষণা ও মানসম্মত পরিষেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আরও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে চিকিৎসা পরিষেবা সম্প্রসারণের ফলে দেশের স্বাস্থ্যখাতও আরও শক্তিশালী হবে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, সৌশ্রুতম ২০২৬-এর আলোচনা থেকে নতুন গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এর মাধ্যমে আয়ুর্বেদিক শল্যচিকিৎসা ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সোনম ওয়াংচুকের অনশন ঘিরে উদ্বেগ, অনশন ভাঙার আবেদন উদ্ধব ঠাকরে ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের
যন্তর মন্তরে টানা ১৭ দিনের অনশনে অনড় সোনম ওয়াংচুক, আলোচনায় বসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ১৭ দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার আবেদন জানিয়েছেন শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী)-র প্রধান উদ্ধব ঠাকরে এবং আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকে সোনম ওয়াংচুক স্পষ্ট জানিয়েছেন, দাবি পূরণে সরকারের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ না হলে তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন না। অনশন ভাঙার আবেদন দুই বিরোধী নেতার আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এবং তাঁর দাবিগুলিকে তাঁরা সমর্থন করেন। তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও তোলেন। পাশাপাশি জানান, বৃহস্পতিবার তিনি যন্তর মন্তরে গিয়ে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং ব্যক্তিগতভাবে অনশন ভাঙার অনুরোধ জানাবেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন অন্যদিকে, উদ্ধব ঠাকরেও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সোনম ওয়াংচুককে স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনা করে অনশন প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহারের আবেদন প্রসঙ্গে সোনম ওয়াংচুক বলেন, তাঁকে অনশন ভাঙতে বলার পরিবর্তে সরকারের কাছে জানতে চাওয়া উচিত কেন তারা আলোচনার টেবিলে বসছে না। তাঁর বক্তব্য, দাবি পূরণের বিষয়ে ইতিবাচক উদ্যোগ না দেখা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সোনম ওয়াংচুকের অনশন এখন শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রতিবাদ নয়, বরং বৃহত্তর গণআন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছে বলে আন্দোলনকারীদের দাবি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন যন্তর মন্তর থেকে সংসদ পর্যন্ত আয়োজিত শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় সমর্থন জানিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। আন্দোলনকারীরা দেশবাসীর কাছে সামাজিক মাধ্যমে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় নেমে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সোনম ওয়াংচুক। সেই দাবিগুলি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার দাবি জানিয়েই তিনি অনশন শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই আন্দোলন জাতীয় স্তরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সাধারণ মানুষের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ অনশনের ফলে সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তিনি এখনও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। রাজনৈতিক মহলের আবেদন, সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের পথ খুঁজে বের করা হোক। অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।