CM Vijay Karur Visit: কারুর সফরে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, জনসভা থেকে ১,৭০০ কোটি টাকার শিল্পপ্রকল্প
CM Vijay Karur Visit উপলক্ষে জনসভা, নিয়োগপত্র বিতরণ ও জুতো উৎপাদন কারখানার শিলান্যাস; প্রশাসনের নজরে নিরাপত্তা ও জনসমাগম। সকাল সকাল ডেস্ক তামিলনাড়ুর কারুর জেলায় শুক্রবার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। CM Vijay Karur Visit ঘিরে ইতিমধ্যেই গোটা জেলায় জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম কারুর সফর। গত বছরের পদপিষ্ট হয়ে বহু মানুষের মৃত্যুর ঘটনার পর এই প্রথম তিনি জেলায় যাচ্ছেন, ফলে সফরটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক—উভয় দিক থেকেই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, CM Vijay Karur Visit-এর সময় জনসভা, সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং শিল্পপ্রকল্পের শিলান্যাসসহ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনা থাকায় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। জনসভাকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, কারুর-সেলম সড়কের ধারে একটি বেসরকারি কলেজের অ্যাটলাস ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। সভাস্থল ঘিরে প্রায় ১০ ফুট উঁচু অস্থায়ী টিনের বেড়া, ব্যারিকেড এবং নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুধুমাত্র কিউআর কোড-সংবলিত পরিচয়পত্রধারীদের সভাস্থলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। দর্শনার্থীদের নিরাপদ প্রবেশ ও প্রস্থান নিশ্চিত করতে পৃথক রুটও নির্ধারণ করা হয়েছে। CM Vijay Karur Visit-এর সময় নিরাপত্তা বাহিনী, ট্রাফিক পুলিশ এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন থাকবেন। শহরজুড়ে রোড শো ও বিশেষ ব্যবস্থা জনসভা শেষ হওয়ার পর দুপুর ৩টার দিকে কারুর-সেলম বাইপাস, কোয়েম্বাটুর রোড, পুরনো বাসস্ট্যান্ড মোড়, উঝভার সান্ধাই (কৃষক বাজার), তিরুমানিলাইয়ুর, টোল প্লাজা এবং থানাথোন্দ্রিমালাই হয়ে জেলা শাসকের দফতরে পৌঁছবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই রুটে সাধারণ মানুষের বিপুল উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার দু’ধারে অস্থায়ী ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিকল্প যান চলাচলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা কম হয়। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে নিয়োগপত্র CM Vijay Karur Visit-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হল গত বছরের পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান। জেলা শাসকের দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৩২ জন পরিবারের সদস্যের হাতে বিভিন্ন সরকারি দফতরে সহানুভূতিমূলক ভিত্তিতে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন প্রশাসনের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারগুলির দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় এই অনুষ্ঠানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ১,৭০০ কোটি টাকার শিল্পপ্রকল্পের শিলান্যাস সফরের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হল কৃষ্ণরায়পুরম পঞ্চায়েত ইউনিয়নের মানাভাসি পঞ্চায়েতে প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য একটি আধুনিক জুতো উৎপাদন কারখানার শিলান্যাস। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন প্রশাসনের আশা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কারুর এবং আশপাশের এলাকায় হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, পরিবহন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। CM Vijay Karur Visit-এর এই শিল্প বিনিয়োগকে জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত বছরের পদপিষ্টের ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু কারুর জেলাকে নাড়া দিয়েছিল। সেই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর প্রশাসনের বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিস্তৃত নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন একই সঙ্গে তামিলনাড়ু সরকার শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পে জোর দিচ্ছে। কারুর সফরের কর্মসূচিগুলিও সেই নীতিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রশাসন সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত ট্রাফিক নির্দেশিকা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে। জনসভায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কিউআর কোড-সংবলিত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট প্রবেশ ও প্রস্থান পথ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, CM Vijay Karur Visit শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক সফর নয়; এটি প্রশাসনিক উদ্যোগ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং শিল্পোন্নয়নের বার্তা বহন করছে। জনসভা, নিয়োগপত্র বিতরণ এবং বৃহৎ শিল্পপ্রকল্পের শিলান্যাস—এই তিনটি কর্মসূচিই কারুর জেলার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
Karnataka Road Accident: উত্তর কন্নড়ে গাড়ি-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৬, আহত ৩
Karnataka Road Accident-এ অতিরিক্ত গতির জেরে দুর্ঘটনার প্রাথমিক অনুমান পুলিশের, তদন্ত শুরু উত্তর কন্নড়ে। সকাল সকাল ডেস্ক, কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলায় ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক Karnataka Road Accident। বৃহস্পতিবার ভোররাতে ইয়েল্লাপুর তালুকের আরাবাইল ঘাট এলাকার বালাগড় মোড়ে ৫২ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি এমইউভি (MUV) গাড়ি এবং একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬ জন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে মোট ৯ জন যাত্রী ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে অতিরিক্ত গতিকেই এই Karnataka Road Accident-এর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে ইয়েল্লাপুর তালুকের আরাবাইল ঘাটের বালাগড় মোড়ে জাতীয় সড়ক ৫২ ধরে যাওয়ার সময় এমইউভি গাড়িটির সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র ছিল যে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন স্থানীয় বাসিন্দারা বিকট শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও জরুরি পরিষেবার কর্মীরা এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়, বাকিরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। নিহতদের পরিচয় এই মর্মান্তিক Karnataka Road Accident-এ নিহত ছয়জনই কর্ণাটকের ধারওয়াড় জেলার বাসিন্দা। তাঁরা ধর্মস্থল-সহ একাধিক ধর্মীয় স্থানে দর্শনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— এই দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ইয়েল্লাপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে অতিরিক্ত গতির কারণে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের মতে, বাঁকযুক্ত পাহাড়ি রাস্তা এবং দ্রুতগতির কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খেতে পারে। তবে Karnataka Road Accident-এর প্রকৃত কারণ জানতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং গাড়ির প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-সহ একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। পটভূমি উত্তর কন্নড় জেলার আরাবাইল ঘাট এলাকা পাহাড়ি রাস্তা ও একাধিক তীক্ষ্ণ বাঁকের জন্য পরিচিত। বর্ষাকালে এই অঞ্চলে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ে এবং দৃশ্যমানতাও কমে যায়। ফলে এই রুটে যানবাহন চালানোর সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে থাকে প্রশাসন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, পাহাড়ি এলাকায় নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা এবং ক্লান্ত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ গাড়ি না চালানো অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক সময়ে কর্ণাটকের বিভিন্ন জাতীয় সড়কে অতিরিক্ত গতির কারণে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রভাব এই Karnataka Road Accident শুধু ছয়টি পরিবারের ওপর গভীর শোকের ছায়া ফেলেনি, বরং আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ, উন্নত ট্রাফিক নজরদারি এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন ধর্মীয় ভ্রমণে বেরিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রার সময় চালকদের বিশ্রাম, গতিসীমা মেনে চলা এবং নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের গুরুত্ব আরও একবার সামনে এসেছে। সরকারি ও পুলিশের বক্তব্য ইয়েল্লাপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণের জন্য সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছে। আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতির ওপরও প্রশাসন নজর রাখছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দীর্ঘ যাত্রার আগে গাড়ির প্রযুক্তিগত অবস্থা পরীক্ষা করা, সিটবেল্ট ব্যবহার করা, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা এবং পাহাড়ি রাস্তায় অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানো উচিত। সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এই Karnataka Road Accident আবারও মনে করিয়ে দিল যে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ নয়, চালক ও যাত্রী—সবার সচেতনতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
Modi Albanese Meeting: মেলবোর্নে মোদী-অ্যালবানিজ বৈঠকে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক আরও শক্তিশালী
Modi Albanese Meeting-এ প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়ে নতুন সহযোগিতার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা। সকাল সকাল ডেস্ক অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত Modi Albanese Meeting ভারত-অস্ট্রেলিয়া কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। বৈঠকে প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদসহ একাধিক কৌশলগত বিষয়ে মতবিনিময় হয়। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, Modi Albanese Meeting ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায় মেলবোর্ন সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিক্টোরিয়ার গভর্নর মার্গারেট গার্ডনার এসি-র সরকারি বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত Modi Albanese Meeting, যেখানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে কোন কোন বিষয় গুরুত্ব পেল Modi Albanese Meeting-এ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যৌথ গবেষণা, উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা দুই দেশের কাছেই একটি বড় অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পরিষ্কার জ্বালানি ও সবুজ প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক মত প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বক্তব্য যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, মেলবোর্নে তাঁকে এবং ভারতীয় প্রতিনিধিদলকে যে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে, তার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে অ্যালবানিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেন, দুই দেশের সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের ছয় বছর পূর্তির এই সময়ে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তিনি জানান, ভবিষ্যতে আরও নতুন চুক্তির মাধ্যমে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে। পটভূমি ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে। বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী করা এবং Quad-এর মতো বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া উভয়েই একটি স্থিতিশীল এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে Modi Albanese Meeting দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সম্ভাব্য প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকের ফলে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এছাড়া ভারতীয় শিক্ষার্থী, গবেষক এবং দক্ষ পেশাজীবীদের জন্যও ভবিষ্যতে আরও সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, সাপ্লাই চেইন এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতের শিল্প উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সাধারণ মানুষের জন্য কী তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বাড়লে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, গবেষণা এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় যেতে আগ্রহী ভারতীয় শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য এই অংশীদারিত্ব আরও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে পারে। সামগ্রিকভাবে, Modi Albanese Meeting শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতে এই বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলির বাস্তবায়ন দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করে তুলবে বলেই কূটনৈতিক মহলের আশা।
India-Australia Summit: ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে অস্ট্রেলিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদী
India-Australia Summit-এ অংশ নিতে অস্ট্রেলিয়ার পথে নরেন্দ্র মোদী; বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৌশলগত সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। সকাল সকাল ডেস্ক, ইন্দোনেশিয়া সফর সফলভাবে শেষ করে India-Australia Summit-এ অংশ নিতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিন দেশের সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে তৃতীয় ভারত-অস্ট্রেলিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, India-Australia Summit দুই দেশের সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। India-Australia Summit-এ কী কী বিষয় গুরুত্ব পাবে সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। এই অনুষ্ঠানে দুই দেশের শীর্ষ শিল্পপতি, বিনিয়োগকারী এবং বাণিজ্যিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে বক্তব্য রাখবেন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন বিশেষজ্ঞদের মতে, India-Australia Summit-এর অন্যতম লক্ষ্য হবে সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, নবায়নযোগ্য শক্তি, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো। ইন্দোনেশিয়া সফরে সাংস্কৃতিক বার্তা অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ইন্দোনেশিয়ার যোগ্যাকার্তায় অবস্থিত ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী প্রাম্বানান মন্দির পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সফর শেষে তিনি এই অভিজ্ঞতাকে গভীরভাবে আধ্যাত্মিক এবং স্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন দ্বাদশ শতকের ঐতিহাসিক এই মন্দিরের সংরক্ষণে ইন্দোনেশিয়ার জনগণের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের সহযোগিতায় পরিচালিত সংরক্ষণ প্রকল্প দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের পটভূমি গত কয়েক বছরে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে গভীর হয়েছে। প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি—প্রায় সব ক্ষেত্রেই দুই দেশ সহযোগিতা বাড়িয়েছে। পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও উভয় দেশের সমন্বয় আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্ব পেয়েছে। India-Australia Summit-এর মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও সুসংহত করার লক্ষ্য নিয়েই দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসছেন বলে কূটনৈতিক মহলের ধারণা। সরকারি বক্তব্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো ভারত-অস্ট্রেলিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন দিক উন্মোচন করা। একইসঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতেও মতবিনিময় হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ দেখুন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব এবং ভবিষ্যৎ যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হলে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সুযোগের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ভারতীয় শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা এবং রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে এই সহযোগিতা। বর্তমানে India-Australia Summit-কে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলের নজর রয়েছে। সফর শেষে দুই দেশের মধ্যে নতুন চুক্তি, যৌথ ঘোষণা বা সহযোগিতামূলক উদ্যোগ সামনে আসতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলের আশা।
Wayanad Landslide: উদ্ধার অভিযান জোরদার, এখনও নিখোঁজ একাধিক; মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকার সহায়তা
Wayanad Landslide-এর পর কেরলে উদ্ধারকাজ অব্যাহত, এনডিআরএফের তল্লাশি জারি; মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা রাজ্য সরকারের। সকাল সকাল ডেস্ক কেরলের Wayanad Landslide-এর পর পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। প্রবল ভূমিধসের জেরে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং উদ্ধারকারী দল দিনরাত এক করে নিখোঁজদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনও অন্তত নয়জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), পুলিশ, দমকল এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। Wayanad Landslide-এ জোরকদমে উদ্ধার অভিযান মঙ্গলবার ভোর থেকেই উদ্ধারকাজ আরও দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনাস্থলকে চারটি পৃথক সেক্টরে ভাগ করে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে, যাতে প্রতিটি এলাকা বিস্তারিতভাবে তল্লাশি করা যায়। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সম্ভাব্য সব জায়গায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ জেলা পুলিশ সুপার এস. দেবা মনোহর জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হল যত দ্রুত সম্ভব নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়া। তিনি জানান, সোমবার তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও একাধিক ব্যক্তির কোনও খোঁজ মেলেনি। দুর্ঘটনাস্থলের রাস্তা পরিষ্কার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। ভূমিধসের পটভূমি বর্ষাকালে কেরলের পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায়ই ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষ করে ওয়ানাড জেলা ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় অতিবৃষ্টির সময় বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এবারের Wayanad Landslide সেই আশঙ্কাকেই বাস্তবে পরিণত করেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি মাটির দুর্বলতা এবং ঢালের অস্থিতিশীলতা মিলিয়ে এমন দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ে। ফলে বর্ষার সময় এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা আরও একবার সামনে এসেছে। মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছে কেরল সরকার। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সহায়তার উদ্দেশ্য হল দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রাথমিক আর্থিক সুরাহা দেওয়া। একইসঙ্গে প্রশাসন জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অন্যান্য পুনর্বাসনমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। সরকারি বক্তব্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে উদ্ধার ও তদন্তের কাজ সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ পুনরায় শুরু করা হবে না। প্রশাসনের মতে, বর্তমানে মানুষের জীবন রক্ষা এবং নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়াই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ঘটনাস্থলে এনডিআরএফের দুটি বিশেষ দল মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ, দমকল এবং জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা সমন্বিতভাবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। উদ্ধারকাজে প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জামও ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভিড় না করার আবেদন জানানো হয়েছে। উদ্ধারকাজে যাতে কোনও বাধা না আসে, সেজন্য নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। বর্ষাকালে পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, প্রশাসনের নির্দেশিকা এবং সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বর্তমানে Wayanad Landslide-কে কেন্দ্র করে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন আশা করছে, দ্রুত নিখোঁজদের সন্ধান মিলবে এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে। একইসঙ্গে রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে এবং উদ্ধার ও পুনর্বাসনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজের জন্য ভারতীয় দল ঘোষনা: বিরাট কোহলি অন্তর্ভুক্ত
সকাল সকাল ডেস্ক, মুম্বই : ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজের জন্য ভারতীয় দল রবিবার বিসিসিআই কর্তৃক ঘোষণা করা হয়েছে। বিরাট কোহলিকে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তবে তার অংশগ্রহণ ফিটনেস ছাড়পত্রের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে মোহাম্মদ সিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের পর জসপ্রিত বুমরাহও তার প্রথম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় রয়েছেন। বিসিসিআই জানিয়েছে যে, আইপিএল ২০২৬-এ পাওয়া পায়ের চোট থেকে সেরে ওঠার শেষ পর্যায়ে রয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী, এবং একারণে তিনি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারবেন না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের ওডিআই স্কোয়াড: শুভমান গিল (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি*, শ্রেয়াস আইয়ার (সহ-অধিনায়ক), কেএল রাহুল (উইকেট কিপার), ইশান কিষাণ (উইকেট কিপার), ওয়াশিংটন সুন্দর, অক্ষর প্যাটেল, নীতীশ কুমার রেড্ডি, কুলদীপ যাদব, জাসপ্রিত বুমরাহ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, হর্ষিত রানা, আরশ সিংহ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের সংশোধিত টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: শ্রেয়াস আইয়ার (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেট কিপার), ইশান কিশান (উইকেট কিপার), শিবম দুবে, তিলক ভার্মা (সহ-অধিনায়ক), নীতীশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর প্যাটেল।
মানবজাতিকে শান্তি, সম্প্রীতির দিকে পরিচালিত করতে পারে যোগ : রাষ্ট্রপতি
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : দ্বাদশতম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রবিবার যোগ চর্চা করেন। তিনি দেশবাসীকেও নিয়মিত যোগাভ্যাস করার আহ্বান জানান। এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি জানান, মানবজাতিকে শান্তি, সম্প্রীতির দিকে পরিচালিত করতে পারে যোগ। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে যোগ উদযাপনে অংশগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, যোগ হলো ব্যক্তিকে আত্মার সঙ্গে, সমাজকে প্রকৃতির সঙ্গে এবং মানবতাকে সুবিশাল বিশ্বচেতনার সঙ্গে সংযুক্ত করার এক শক্তিশালী মাধ্যম। এমন এক সময়ে যখন বিশ্ব অসংখ্য প্রতিকূলতার সম্মুখীন, তখন মানবতাকে শান্তি, ভারসাম্য, সম্প্রীতি এবং সম্মিলিত কল্যাণের দিকে পরিচালিত করতে যোগ এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি জনগণকে যোগকে নিজেদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তোলার আহ্বান জানান।
সুইডেনকে ৫-১ গোলে হারালো নেদারল্যান্ডস
সকাল সকাল ডেস্ক, হিউস্টন : ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বের ম্যাচে সুইডেনকে ৫-১ গোলে হারিয়ে নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে গেল। বিশ্বকাপে টানা সর্বোচ্চ ১৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ল ডাচরা। বিশ্বকাপে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত ছিল পেলের ব্রাজিল। হিউস্টনে শনিবার রাতের এই ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের পক্ষে ১৭ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করেন ব্রায়ান ব্রবি। ডাচ জাতীয় দলের জার্সিতে এটি তার তৃতীয় গোল। বিরতির পরই ব্যবধান ৩–০ করে নেদারল্যান্ডস। ৪৭ মিনিটে ডেনজেল ডামফ্রিসের পাশ থেকে তৃতীয় গোলটি করেন কোডি গাকপো। এরপর ৫৪ মিনিটে দারুণ এক শটে দলের চার ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রতিআক্রমণে সুইডেনের হয়ে একটি গোল শোধ করেন অ্যান্থনি এলাঙ্গা। তবে ৮৭ মিনিটে ডাচদের হয়ে ৫ নম্বর গোলটি করেন ক্রিসেনসিও সামারভিল। এই জয়ে এফ’ গ্রুপে ২ ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চলে গেল ডাচরা। এই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা প্রায় নিশ্চিত করল তারা। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে সুইডেন। তৃতীয় জাপানের সংগ্রহ ১ ম্যাচে ১ পয়েন্ট। সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে হারা তিউনিসিয়া কোনো পয়েন্ট না পেয়ে রয়েছে শেষে।
ওড়িশার অর্থনীতি শক্তিশালী হলে ভারত মজবুত হবে : প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক, ময়ূরভঞ্জ : রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবার ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার পাহাড়পুর গ্রাম পরিদর্শন করেন। পাহাড়পুর গ্রাম পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাঁওতালি জহের ও হো জহের (পবিত্র উপাসনা স্থল), দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র এবং পাহাড়পুর স্কুলে প্রার্থনা ও পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন। ওড়িশা সরকারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘বিকাশ রা ধারা, ওড়িশা সারা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ময়ূরভঞ্জ জেলারই রাইরংপুরে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিও। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তৃতার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী দিনে আমাদের সামনে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক রয়েছে। ২০৩৬ সালে ওড়িশা গঠনের ১০০ বছর পূর্ণ হবে এবং ২০৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্ণ হবে। অর্থাৎ, ওড়িশা এবং দেশের লক্ষ্য একই দিকে। ওড়িশার অর্থনীতি শক্তিশালী হলে ভারতও শক্তিশালী হবে। ওড়িশার সম্ভাবনার উপর আমার বিশ্বাস আছে। একসঙ্গে আমাদের ওড়িশাকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে হবে।” আদিবাসী সমাজের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা আদিবাসী তরুণ-তরুণীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করছি। এই শিশুদের পড়াশোনার জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া উচিত। আর এ কারণেই সারা দেশে প্রায় ৫০০টি ‘একলব্য মডেল স্কুল’ চালু করা হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, “আমাদের সরকার ওড়িশার সম্পদকে ওড়িশার সম্ভাবনায় রূপান্তরিত করছে। ওড়িশায় বিপুল বিনিয়োগ আসছে এবং এখানে নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠছে; এই লক্ষ্যেই ‘উৎকর্ষ ওড়িশা’-র মতো কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। এর আওতায় ইতিমধ্যেই প্রায় ২০ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেছে। পাশাপাশি, ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের অসংখ্য মেগা প্রকল্পের কাজও চলছে।”
এফআইএইচ মহিলা নেশন্স কাপ : চিলিকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল ভারত
সকাল সকাল ডেস্ক, অকল্যান্ড : শনিবার অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এফআইএইচ উইমেন্স নেশনস কাপের সেমিফাইনালে চিলিকে ছয় গোলে হারিয়ে টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়ে ভারত ফাইনালে পৌঁছেছে। যেখানে চিলি গোল করতে ব্যর্থ হয়। ভারতের হয়ে গোল করেছেন নভনীত কৌর (৬’, ১৩’), দীপিকা (১৪’, ১৮’), নেহা (৩২’) এবং রুতুজা দাদাসো পিসাল (৩৯’)। অন্যদিকে, অধিনায়ক সালিমা টেটে তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হয়েছেন। ফাইনালে ভারত যুক্তরাষ্ট্র অথবা স্বাগতিক নিউ জিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।