দেশের সমস্ত পেট্রোল পাম্প স্বাভাবিকভাবেই চলছে : সুজাতা শর্মা
All petrol pumps in the country are operating normally: Sujata Sharma
একসাথে নিয়োগের দাবিতে রাস্তায় টেট-২ উত্তীর্ণরা, আটক বহু চাকরিপ্রার্থী
সকাল সকাল ডেস্ক আগরতলা : টেট-২ উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের একসাথে নিয়োগের দাবিতে মঙ্গলবার আগরতলায় উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়ের সরকারি বাসভবনের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন শতাধিক চাকরিপ্রার্থী। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিক্ষোভকারীদের আটক করে এডিনগরস্থিত পুলিশ মাঠে নিয়ে যায়। জানা যায়, ২০২৫ সালের টেট-২ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা দীর্ঘদিন ধরেই একযোগে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। সম্প্রতি রাজ্য সরকার টেট-২ উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ১০২০ জনকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রোস্টার পদ্ধতি অনুসরণ করায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের। আন্দোলনকারীদের দাবি, সংরক্ষণ নীতিমালা মেনে নিয়োগ করা হলে বাস্তবে প্রায় ৭০০ থেকে ৭৫০টি পদ পূরণ হবে। ফলে বাকি পদগুলো শূন্য থেকে যাবে এবং মোট উত্তীর্ণদের প্রায় অর্ধেকই বঞ্চিত হবেন। অথচ মোট ১৪৮৮ জন পরীক্ষার্থী টেট-২ উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং শূন্যপদের সংখ্যা তার থেকেও বেশি বলে দাবি তাঁদের। এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে এদিন সকালে আগরতলায় সিটি সেন্টারের সামনে জড়ো হন টেট-২ উত্তীর্ণরা। সেখানে স্লোগান তুলে বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর তাঁরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়ের সরকারি বাসভবনের সামনে পৌঁছে বিক্ষোভে সামিল হয়। বিক্ষোভস্থল থেকে জনৈক চাকরিপ্রার্থী জানান, “আমরা ১৪৮৮ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু সরকার মাত্র ১০২০ জনকে নিয়োগের কথা বলছে। সংরক্ষণ নীতি মেনে চললে তারও অর্ধেকের মতো চাকরি পাবেন। তাহলে বাকিদের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমরা সবাই একসাথে নিয়োগ চাই এবং বাকি নিয়োগ কবে হবে তার স্পষ্ট সময়সীমা জানতে চাই।” এদিকে বিক্ষোভের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পশ্চিম আগরতলা থানার ওসি রানা চ্যাটার্জির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রথমে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে এলাকা ছেড়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তা মানতে অস্বীকার করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে এবং তাঁদের এডিনগরস্থিত পুলিশ মাঠে নিয়ে যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগরতলায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকদের আয় বৃদ্ধি সরকারের শীর্ষ অগ্রাধিকার : শিবরাজ সিং চৌহান
Food security and increasing farmers’ income are top priorities of the government: Shivraj Singh Chouhan
“এবার টিটিএএডিসিতে পদ্ম ফুটবেই”—বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজীবের দৃঢ় প্রত্যয়
সকাল সকাল ডেস্ক আগরতলা : বিজেপি-র প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের মধ্যেই আসন্ন টিটিএএডিসি নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশা ব্যক্ত করলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। সোমবার আগরতলায় প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “এবার টিটিএএডিসিতে ভারতীয় জনতা পার্টির পদ্ম ফুল ফুটতে চলেছে, যা ইতিহাস হয়ে থাকবে।” সোমবার সারা দেশের পাশাপাশি ত্রিপুরায়ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়। এই উপলক্ষ্যে আগরতলায় প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন রাজীব ভট্টাচার্য। এরপর কার্যালয়ের অভ্যন্তরে ভারত মাতা, জনসংঘের দুই প্রতিষ্ঠাতা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এবং পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি দলের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৮০ সালের ৬ এপ্রিল প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা হয়। এর আগে ১৯৫১ সালে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এবং পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জনসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বলেন, “জনসংঘ থেকে বিজেপি-র পথচলার ইতিহাস প্রতিটি কার্যকর্তার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” আসন্ন ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল (টিটিএএডিসি) নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজীব ভট্টাচার্য আত্মবিশ্বাসী সুরে জানান, জনগণের সমর্থন নিয়ে এবার টিটিএএডিসিতেও বিজেপি সাফল্য অর্জন করবে। তাঁর দাবি, রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং জনমুখী নীতির উপর ভর করেই এই সাফল্য আসবে। এদিকে, শুধু প্রদেশ কার্যালয়েই নয়, আগরতলায় বিভিন্ন মণ্ডল এবং বুথ এলাকায়ও দিনভর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হয়। পতাকা উত্তোলন, প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে দলীয় কর্মীরা দিনটি পালন করেন। একইভাবে রাজ্যের সব মহকুমা, জেলা এবং মণ্ডল কমিটির উদ্যোগেও যথাযথ মর্যাদায় বিজেপি-র প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত হয়েছে।
সেবাভিত্তিক রাজনীতি জনগণের ব্যাপক সমর্থন পেতে শুরু করেছে : প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : সেবাভিত্তিক রাজনীতি জনগণের ব্যাপক সমর্থন পেতে শুরু করেছে, বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে সোমবার এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিজেপির স্থাপনা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “ক্ষমতাকে প্রাধান্য দেওয়া রাজনীতির ক্রমান্বয়ে অবক্ষয় ঘটে এবং সেবামুখী রাজনীতি ক্রমান্বয়ে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে। এখন আমরা গর্বিত যে, আমাদের আচরণের মাধ্যমে আমরা ভারতীয় রাজনীতিতে একটি নতুন নীতি প্রতিষ্ঠা করেছি: দেশই সর্বোপরি নীতি।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশ অবগত, প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজেপি আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও বিজেপি এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। অতীতে ইতিবাচক ফলাফল অর্জিত হয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতেও তা অর্জিত হবে। ব্রিটিশ আমলের শত শত কঠোর আইনের বিলোপসাধন; আমাদের গণতন্ত্রের জন্য এক নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ; সাধারণ বর্গের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল অংশগুলোর জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা; আইনের মাধ্যমে ‘তিন তালাক’ প্রথা নিষিদ্ধ করা; সিএএ এবং অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ—এগুলো হলো বিজেপির আন্তরিক প্রচেষ্টার সাক্ষ্য বহনকারী অসংখ্য অর্জনের মাত্র কয়েকটি দৃষ্টান্ত। আর আমাদের এই অভিযান আজও অব্যাহত রয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, “রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সুবিশাল ও পবিত্র বটবৃক্ষের পাদদেশে আমরা বিশুদ্ধ উদ্দেশ্য ও সততা নিয়ে রাজনীতির জগতে পা রাখার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম। পরবর্তীতে, প্রথম কয়েক দশক ধরে আমরা সংগঠনের জন্য নীতি প্রণয়নে আমাদের শক্তিকে নিয়োজিত করেছিলাম। তারপর এলো সেই যুগ, যখন বিজেপি একটি শক্তিশালী, ক্যাডার-ভিত্তিক দল গঠনে অবিচল অঙ্গীকার নিয়ে নিজেকে উৎসর্গ করেছিল। আমরা কর্মীদের এক বিশাল ক্যাডার গড়ে তুলেছিলাম—এমন সব ব্যক্তি, যারা নিঃস্বার্থ সেবার চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন, দলের নীতিগুলোকে তাঁদের জীবনের পথপ্রদর্শক আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন এবং কোনও অবস্থাতেই নিজেদের মূল্যবোধের সঙ্গে আপোস করেননি।”
দেওয়াসে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩০-এর বেশি
সকাল সকাল ডেস্ক দেওয়াস : মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলায় রবিবার সকালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলেন ৩০ জনেরও বেশি যাত্রী। অষ্ট-কানৌড় সড়কের সিয়াঘাট এলাকায় একটি পর্যটক বাস ও মিনিট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মিনিট্রাকটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ ভেঙে উল্টে যায় এবং বাসটির সামনের অংশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুই গাড়ির চালকই গুরুতর আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, বাসটিতে উত্তর প্রদেশের মেরঠের যাত্রীরা ছিলেন। তাঁরা ওঙ্কারেশ্বর দর্শন করে সিহোর জেলার কুবেরেশ্বর ধামের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের ফের মেরঠে ফেরার কথা ছিল। যাত্রীদের অভিযোগ, ভোরবেলায় বাসচালকের ঝিমুনি আসার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ যাত্রী তখন ঘুমিয়ে ছিলেন, আচমকা ধাক্কায় তাঁরা আহত হন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেডিক্যাল টিম এবং আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত দুই চালককে পরে ইন্দোর-এ পাঠানো হয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি হয়নি এবং অধিকাংশ যাত্রীর আঘাত গুরুতর নয়।
কেরলমে এবার ক্ষমতায় আসবে বিজেপি-এনডিএ সরকার : নরেন্দ্র মোদী
BJP-NDA government will come to power in Kerala this time: Narendra Modi
নাসিকে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, কুয়োয় গাড়ি পড়ে গিয়ে মৃত ৯
সকাল সকাল ডেস্ক নাসিক : মহারাষ্ট্রের নাসিকে ঘটে গেল মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনা। জলভর্তি কুয়োয় গাড়ি পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। মৃতদের মধ্যে ৬টি শিশু রয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ডিন্ডোরি শহরের শিবাজী নগর এলাকায়। মৃতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। পুলিশ জানিয়েছে, একটি অনুষ্ঠান থেকে গাড়িতে বাড়ি ফিরছিলেন সবাই। মৃতরা সকলেই ডিন্ডোরি তালুকার ইন্দোর গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার রাতে ডিন্ডোরির শিবাজী নগরে তাঁদের গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি কুয়োয় পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ডিন্ডোরি পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে গিয়ে কাছেই জলভর্তি একটি কুয়োয় পড়ে যায়। প্রথমে স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে হাত লাগান, পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। মৃত হলেন সুনীল দত্তু দারগুড়ে (৩২), তাঁর স্ত্রী রেশমা, আশা অনিল দারগুড়ে (৩২) এবং পরিবারের ছয় সন্তান—যাদের মধ্যে সাত থেকে চৌদ্দ বছর বয়সী পাঁচজন মেয়ে এবং এগারো বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
অন্যের পথ সংকুচিত না করে নিজের পথ প্রশস্ত করা সাফল্যের অন্যতম বড় নীতি : প্রধানমন্ত্রী
One of the greatest principles of success is to pave one’s own path without narrowing the path of others: Prime Minister
দেশে অপরিশোধিত তেলের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে : সুজাতা শর্মা
The country has adequate crude oil reserves: Sujata Sharma