রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে সম্মানিত কারগিল যুদ্ধের সৈনিক তপন কুমার ঘোষ, গর্বে আবেগাপ্লুত বসিরহাট
সকাল সকাল ডেস্ক বসিরহাট : দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা এক বাঙালি সৈনিকের অসামান্য কর্মজীবনের স্বীকৃতি মিলল রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়ার বাসিন্দা, কারগিল যুদ্ধের সৈনিক তপন কুমার ঘোষ রাষ্ট্রপতি বিশেষ সম্মানে ভূষিত হলেন। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস তাঁর হাতে এই সম্মান তুলে দেন।তপন কুমার ঘোষের বাবা সন্তোষ ঘোষ ছিলেন এক ক্ষুদ্র কাঠের দোকানের মালিক। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও ছোটবেলা থেকেই দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখতেন তপনবাবু। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ১৯৮৫ সালে তিনি বিএসএফে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ ৩৯ বছরের কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে তিনি ইন্সপেক্টর পদে উন্নীত হন। কাশ্মীরের এলওসি, পাঞ্জাব সহ দেশের একাধিক সীমান্তে দায়িত্ব পালন করেছেন। সামনে থেকে কারগিল যুদ্ধে অংশ নিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দেন।নতুন প্রজন্মের বিএসএফ জওয়ানদের প্রশিক্ষণ দিয়েও তিনি দেশরক্ষার আদর্শ তুলে ধরেছেন। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি অবসর নিলেও তখন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার নেওয়া সম্ভব হয়নি। এবার সেই সম্মান হাতে পেয়ে গোটা ঘোষ পরিবার ও গ্রামবাসীরা গর্বিত। তপনবাবু জানান, সততা ও দেশপ্রেম নিয়েই সবাইকে দেশের সেবায় এগিয়ে আসতে হবে।
খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি ও ঢাকা : বুধবার সকালেই খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে অংশ নিতে বিশেষ বিমানে ঢাকায় পৌঁছছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ঢাকায় পৌঁছে বিএনপি-র শীর্ষ নেতা তথা খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন জয়শঙ্কর। সেই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে একটি পত্রও তারেকের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, এ দিন দুপুরে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল ৬টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০। অশীতিপর বিএনপি নেত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি গত কয়েক দিন ধরেই সঙ্কটজনক ছিল। হাসপাতালে সিসিইউ-তে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
চামোলিতে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৬০ জন
সকাল সকাল ডেস্ক চামোলি : ফের ট্রেন দুর্ঘটনা। এ বার দু’টি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে। আধিকারিক এবং কর্মীদের নিয়ে যাওয়া একটি লোকো ট্রেনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় একটি পণ্যবাহী ট্রেনের। ৬০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার বিষ্ণুগড়-পিপলকোটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের পিপলকোটি টানেলের ভেতরে ওই ঘটনা ঘটে। জানা যাচ্ছে, ওই দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন প্রায় ৬০ জন। চামোলির জেলাশাসক গৌরব কুমার জানিয়েছেন, শ্রমিক ও আধিকারিকদের নিয়ে যাওয়া একটি লোকো ট্রেনের সঙ্গে একটি পণ্যবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনে ১০৯ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৬০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। চামোলির মহকুমা শাসক জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে ১০ জনকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে গোপেশ্বরের জেলা হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, ওই টানেলে বিষ্ণুগড়-পিপলকোটি জলবিদ্যুৎ-এর কাজ হচ্ছিল। এই কাজের জন্য একটি ট্রেনে করে যাচ্ছিলেন আধিকারিক ও শ্রমিকরা। সেখানে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছিল ট্রেনটি। চামোলি জেলার হেলাং এবং পিপালকোটির মধ্যে অলকানন্দা নদীর ওপর নির্মিত হচ্ছে এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।
তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত: কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন অমিত শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত| কলকাতায় এসে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন অমিত শাহ| তিনি এদিন বলেন, ভয় দুর্নীতি আর অনুপ্রবেশের জায়গায় বিকাশ এবং গরীব কল্যাণের জন্য সরকার বানানোর সংকল্প দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের মধ্যে। তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। আমরা বিজেপির সব কার্যকর্তা আশ্বাস দিচ্ছি বাংলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠনের পর এখানে দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে এবং গরীব কল্যাণ হবে। এর পাশাপাশি মজবুত প্রশাসন তৈরি হবে যা অনুপ্রবেশ রুখে দেবে। মানুষ তো দূর একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না। শুধু অনুপ্রবেশ বন্ধই করব না, সব অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বের করে। তৃণমূলের নেতৃত্বে আজ বাংলার বিকাশ থেমে গেছে। পুরো দেশে যে বিকাশ হচ্ছে সেটা এই রাজ্যে কাটমানির কারণে বন্ধ হয়ে আছে। আমাদের সংকল্প ১৫ এপ্রিল ২০২৬ এর পর যখন বিজেপি সরকার হবে তখন পশ্চিমবঙ্গের হৃত গৌরব আমরা পুনরুদ্ধার করব। বাংলার মনিষীদের স্বপ্নের বাংলা আমরা তৈরি করব। বিজেপির বীজ বপন হয়েছিল জনসংঘ থেকে। জনসংঘ স্থাপন করেছিলেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অমিত শাহ বলেন, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৭% ভোট এবং ২ টি সিট আমরা পেয়েছি। ২০১৬ তে ১০% ভোট এবং ৩ টি বিধায়ক ২০১৯ ৪১% ভোট এবং ২০২১ নির্বাচনে ৭৭ টি সিট পেয়েছিলাম। এর ফলে কংগ্রেস পার্টিও এই রাজ্যে শূন্য হয়ে গেছে। বামেরাও কোনও ভোট পায়নি আর আমরা প্রধান বিরোধী দল হয়েছি। ২০২৪ নির্বাচনে ৩৯% ভোট পেয়েছি ও ১২ টি আসন পেয়েছি। ২০২৬ এও আমরা বিপুল আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসব।
আলমোড়ায় খাদে বাস পড়ে মৃত ৭, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
7 dead as bus falls into ditch in Almora, PM expresses condolences
আরাবল্লী নিয়ে আগের রায়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের, বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের প্রস্তাব
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : আরাবল্লী পাহাড় ও পর্বতমালার অভিন্ন সংজ্ঞা গ্রহণ করে গত ২০ নভেম্বর যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সোমবার সুপ্রিম কোর্ট নিজেই তা স্থগিত করেছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জে কে মাহেশ্বরী ও বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহর অবকাশকালীন বেঞ্চ বিষয়টির পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সামগ্রিক পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানিতে এ কথা জানানো হয়েছে। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, কিছু বিষয় আরও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালত এই মামলায় কেন্দ্র এবং অন্যান্যদের নোটিশ জারি করেছে। পরবর্তী শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিনটি ধার্য করা হয়েছে। গত ২০ নভেম্বর শীর্ষ আদালত আরাবল্লী পাহাড় এবং পর্বতশ্রেণীর একটি অভিন্ন সংজ্ঞা গ্রহণ করেছিল এবং বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং গুজরাট জুড়ে বিস্তৃত অঞ্চলে নতুন খনির ইজারা দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। একে স্বাগত জানিয়ে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ জানান, মোদী সরকারের আরাবল্লীর নতুন সংজ্ঞার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশকে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস স্বাগত জানায়। বিষয়টি এখন আরও বিস্তারিত ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। এ কথা মনে রাখা দরকার, বন সর্বেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টের কেন্দ্রীয় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি এবং খোদ আদালতবন্ধুই এই নতুন সংজ্ঞার বিরোধিতা করেছেন।
১২৯-তম ‘মন কি বাত’–এ মণিপুরের নারী উদ্যোক্তাদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
সকাল সকাল ডেস্ক ইমফল : আজ রবিবার তাঁর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ১২৯-তম ‘মন কি বাত’-এ মণিপুরের অনুপ্রেরণাদায়ক নারী উদ্যোক্তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদী বলেন, আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানকে যুক্ত করা গেলে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক পরিবর্তন সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘মন কি বাত’ এমন এক মঞ্চ, যেখানে নিষ্ঠা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সম্প্রদায়কে ক্ষমতায়িতকারীদের তুলে ধরা হয়। এই প্রেক্ষাপটে তিনি চূড়াচাঁদপুর জেলার মার্গারেট রামথারসিয়েমের উদ্যোগকে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রদানমন্ত্রী বলেন, রামথারসিয়েম তাঁর যাত্রা শুরু করেছিলেন একজন হস্তশিল্প শিল্পী হিসেবে। কিন্তু তিনি মণিপুরের ঐতিহ্যবাহী পণ্য-হস্তশিল্প সহ বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি সামগ্রী নিয়ে আরও বৃহত্তর ভূমিকার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বিস্তৃত এই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়েই তিনি তাঁর সমাজে পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। আজ তাঁর হস্তশিল্প ইউনিটে ৫০ জনেরও বেশি স্থানীয় কারিগর কাজ করছে। বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি তাঁর হস্তশিল্পের পণ্য সামগ্ৰী এখন দিল্লি সহ একাধিক রাজ্যে তাঁ সফল বাজার পেয়েছে। মোদী সেনাপতি জেলার চোকোনে ক্রিচেনার গল্পও শুনিয়েছেন। ঐতিহ্যবাহী কৃষিকাজে গভীরভাবে যুক্ত একটি পরিবার থেকে ওঠে এসে ক্রিচেনা ফুলচাষে বৈচিত্র্য এনেছেন। তিনি তাঁর আগ্রহকে একটি টেকসই জীবিকাভিত্তিক উদ্যোগে রূপান্তরিত করেছেন, যা স্থানীয় উৎপাদনকে বৃহত্তর বাজারের সঙ্গে যুক্ত করছে এবং অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে ক্ষমতায়িত করছে। এই উদাহরণগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির সহায়তায় ঐতিহ্যবাহী দক্ষতা ও জ্ঞান শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত হতে পারে। তিনি নাগরিকদের তাঁদের আশপাশের এমন আরও সাফল্যের গল্প ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ স্বীকৃতি ও ব্যাপক প্রচারের যোগ্য।
ঝাড়খণ্ড সফরে রাষ্ট্রপতি, তিনদিন নির্দিষ্ট এলাকায় নো-ফ্লাই জোন
President on Jharkhand visit, no-fly zone in certain areas for three days
ছাপড়ায় ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক সারান : বিহারের ছাপড়া শহরের ভগবান বাজার থানা এলাকার অম্বিকা কলোনিতে শুক্রবার রাতে আগুনের ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশু ও তাদের ঠাকুমা রয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় আরও তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে পরিবারের সদস্যরা একটি বন্ধ ঘরে আগুন জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলেন। দীর্ঘক্ষণ ঘর বন্ধ থাকায় অক্সিজেনের ঘাটতি ও কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস জমে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে পরিবারের এক সদস্য জেগে ওঠার পর বিষয়টি নজরে আসে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন তেজশ (৩), আধ্যায় (৪), সাত মাসের গুড়িয়া এবং কমলাবতী দেবী (৭০)। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন অমিত কুমার, আমিশা ও আরও একজন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছয়। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
কিছুটা উন্নতি, তবে ‘খারাপ’ পর্যায়েই দিল্লির বাতাস
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : সপ্তাহের শুরুতে খুব খারাপ থাকলেও শেষের দিকে কিছুটা উন্নত হলো দিল্লির বাতাসের গুণগত মান। শুক্রবার সকালে দিল্লির বাতাসের বাতাসের গড় গুণগত মান বা এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স (একিউআই) পৌঁছল ২৯২-তে। বেশ কিছু মনিটরিং স্টেশনের একিউআই ২০০-র তলায় নেমেছে। এদিন সকালে একিউআই এর মান: আয়া নগর – ২১২, মথুরা রোড – ২৬৫, ডাঃ কারনি সিং শুটিং রেঞ্জ – ২৯০, দ্বারকা সেক্টর ৮ – ২৩৮, আইআইটি – ২৩১, জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম – ২৫৩, আনন্দ বিহার – ৩৭৭, বাওয়ানা – ৩৫৩, জাহাঙ্গিরপুরি – ৩৭২, নারেলা – ৩৪৫, নেহরু নগর – ৩৪৬, বিবেক বিহার – ৩৬১ ছিল| উল্লেখ্য, বাতাসের গুণগত মান বা এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স (একিউআই) এর সূচক ০-৫০ এর মধ্যে থাকলে ‘ভালো’, ৫১-১০০ একিউআই-কে ‘সন্তোষজনক’ হিসেবে গণ্য করা হয়, ১০১-২০০ একিউআই-কে ‘মাঝারি’ গুণমান হিসেবে ধার্য করা হয়, ২০১-৩০০ একিউআই-কে ‘খারাপ’ বলা হয়ে থাকে, ৩০১-৪০০ একিউআই-কে ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ভুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং ৪০১-৫০০ কে ‘গুরুতর’ বলে বিবেচনা করা হয়।