উত্তর প্রদেশে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ঝলসে মৃত্যু ৩ জনের, আহত ২৪
সকাল সকাল ডেস্ক বলরামপুর : ফের যাত্রিবাহী বাসে আগুন লেগে ঝলসে মৃত্যু। রাজস্থানের পরে এ বার উত্তর প্রদেশের বলরামপুরে। মঙ্গলবার ভোররাত ২.১৫ মিনিট নাগাদ নাগাদ ফুলওয়ারিয়া বাইপাসে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বেসরকারি বাসটি সোনাউলি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। বাসের বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন নেপালের বাসিন্দা। মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি ধাক্কায় আগুন ধরে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঝলসে মারা গিয়েছেন তিন যাত্রী। জখম হয়েছেন ২৪ জন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জখমদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বলরামপুরের জেলাশাসক বিপিন কুমার এবং পুলিশ সুপার বিকাশ কুমার তাঁদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গিয়েছেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সংঘর্ষ এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, বাসটি ১০০ মিটার দূরে ছিটকে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। খুঁটিটি ভেঙে বাসের ওপর পড়ে যায়। বাসটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়, শর্টসার্কিটের পর বাসে আগুন ধরে যায়।
চেন্নাইয়ে মেট্রো বিভ্রাট; থমকে গেল সুড়ঙ্গে, দুর্ভোগে যাত্রীরা
সকাল সকাল ডেস্ক চেন্নাই : সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাট চেন্নাইয়ে। গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ঘটে গেল বিপত্তি। সাবওয়েতে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে থমকে গেল মেট্রো। যার ফলে হেঁটে হেঁটেই সাবওয়ে দিয়ে যাত্রীদের আসতে হল। মঙ্গলবার সকালে চেন্নাই মেট্রোর ব্লু লাইনে এমনই ঘটেছে বিপত্তি। চেন্নাইয়ের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উইমকো নগর ডিপো পর্যন্ত যায় ব্লু লাইন মেট্রো। চেন্নাই মেট্রোর খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট এটি। সেখানেই মঙ্গলবার সকালে ঘটে বিপত্তি। অভিযোগ, যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে সেন্ট্রাল মেট্রো ও হাইকোর্ট স্টেশনের মাঝে আটকে পড়ে একটি রেক। বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোর ভিতরের বিদ্যুৎ সংযোগ, অভিযোগ যাত্রীদের। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলতে থাকে এই পরিস্থিতি। অন্ধকূপের মধ্যে আটকে দমবন্ধকর পরিস্থিতি হয় যাত্রীদের। দশ মিনিট পর মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে একটি ঘোষণা করা হয়, সুড়ঙ্গ দিয়ে মেট্রো লাইন বরাবর ৫০০ মিটার হেঁটে নিকটবর্তী হাইকোর্ট স্টেশনে পৌঁছতে হবে। সেইমতো সাবওয়ে ধরে হাঁটতে থাকেন যাত্রীরা।
বিচারকদের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়েছে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। শনিবার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং অর্জুন রাম মেঘওয়াল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারকদের কাজের ধরণ খুবই চাপপূর্ণ। সকল বিচারকের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা এবং এটিকে অভ্যাসে পরিণত করা। প্রায় ৭৫ জন হাইকোর্টের বিচারক এখানে অংশগ্রহণ করতে এসেছেন। এটি দেখায় যে বিচারকরা তাঁদের মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা সম্পর্কে সচেতন।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, “শুধু ব্যাডমিন্টন নয়, সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের জন্য আরও এই ধরণের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের অনেক বিচারক এখানে এসেছেন, যা পরিবেশকে অত্যন্ত আনন্দিত করে তুলেছে। বহু বছর ধরে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল বলেন, “আইন ও বিচার মন্ত্রক অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের অনুমতি দিয়েছে, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই এতে সম্মতি দিয়েছেন। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। বিচারকরা সকলকে ফিটনেসের একটি ভালো বার্তা দিচ্ছেন।”
তামিলনাড়ুতে দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ; নিহত ৬, আহত অন্তত ৩০
সকালে সকালে ডেস্ক মাদুরাই : তামিলনাড়ুতে দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন ৬ জন। আহতের সংখ্যা ৩০ এর বেশি। সোমবার সকালে একটি বেসরকারি বাস মাদুরাই থেকে সেনকোট্টাই যাচ্ছিল। আরেকটি বাস আসছিল তেনকাসি থেকে কোভিলপট্টির উদ্দেশে। তেনকাসির কাছেই বেসরকারি বাসটি অন্য বাসটিকে ধাক্কা মারে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পৌঁছয় দমকলকর্মীরাও। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অনেকের হাত, পা এবং মাথা ফেটেছে। দুর্ঘটনার সময় দুটি বাসে কমপক্ষে ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন।সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে, বাস দুটিও দুমড়ে মুচড়ে যায়।
চলে গেলেন কিংবদন্তি: ৯০ ছোঁয়ার আগেই থেমে গেল ধর্মেন্দ্রর জীবনের আলো
সকালে সকালে ডেস্ক মুম্বই বলিউডে নেমে এসেছে শোকের কালো মেঘ। এবার আর অলৌকিক প্রত্যাবর্তন ঘটল না। ঠিক ১১ নভেম্বরই হঠাৎ গুজব ছড়িয়েছিল ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর, কিন্তু ভক্তদের প্রার্থনায় সেইবার মৃত্যুকে হার মানিয়ে আবার ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু সোমবার আর সেই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হল না। দুপুর গড়াতেই গোটা দেশ জেনে যায়—চলে গেলেন বলিউডের প্রিয় ‘হি-ম্যান’। থেমে গেল এক উজ্জ্বল অধ্যায়। এক জীবনে ২৪৭টি ছবি, চূড়ান্ত জনপ্রিয়তার স্বাদ, ‘জয়-ভিরু’ আইকনিক জুটি—সেইসব গল্প আজ ইতিহাস। বহুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন ধর্মেন্দ্র। শেষ সময়টা কাটছিল তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গেই। ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছিলেন বলেই পরিবার ও ভক্তদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগেই তাঁকে ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়—আপাতত রুটিন চেকআপের জন্য, এমনটাই জানা গিয়েছিল। হাসপাতালের দোরগোড়ায় লড়াই, শেষ পর্যন্ত হার মানলেন হি-ম্যান সোমবার সকালে হঠাৎ পরিস্থিতি বদলে যায়। জানা যায়, মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে; দেওয়া হয়েছে ভেন্টিলেশন। চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়, ঘণ্টায় ঘণ্টায় পর্যবেক্ষণ চলছিল। দুপুর হতেই খবর আসে—সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেছেন কিংবদন্তি। ডিসেম্বরে ৯০—ঠিক তার আগেই থেমে গেল দীপ্তিময় পথচলা ডিসেম্বরে ৯০-এ পা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। বয়স ৮৯ হলেও তিনি থামেননি একদিনও। এখনও বলিউডে সমান দাপটে কাজ করে যাচ্ছিলেন। জয়া বচ্চন ও শাবানা আজমির সঙ্গে করণ জোহরের ‘রকি ঔর রানি কি প্রেম কাহানি’-তে তাঁর অভিনয় দর্শকদের আবার সেই পুরনো ধর্মেন্দ্রকে মনে করিয়ে দিয়েছিল। সদ্য প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁর পরবর্তী ছবির প্রথম ঝলকও। কিন্তু সেই ছবি আর তাঁর জীবনে মুক্তির আলো দেখল না। শেষ দেখা দেখতে ছুটলেন হেমা মালিনী—ভারত প্রার্থনায়, তবুও রক্ষা হল না সোমবার বিকেলে হাসপাতাল চত্বরে নেমে আসে তৎপরতা। তাড়াহুড়ো করে পৌঁছন হেমা মালিনীও। দেশজুড়ে তখন প্রার্থনা একটাই—ধর্মেন্দ্র দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রার্থনা অধরাই রইল। চলে গেলেন রূপোলি পর্দার এক অদম্য নায়ক, এক অমলিন স্মৃতি। ভারতীয় চলচ্চিত্রের আকাশ থেকে খসে পড়ল এক দীপ্ত নক্ষত্র।
গাভাইয়ের উত্তরসূরি সূর্য কান্ত, শপথ নিলেন সুপ্রিম কোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি
নয়াদিল্লি : সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। বিদায়ী প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই অবসর নেওয়ার পর ৫৩-তম প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সূর্য কান্তকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর আগে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি গাভাইয়ের প্রস্তাব অনুসারে রাষ্ট্রপতিই বিচারপতি সূর্য কান্তকে পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ করেছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী গয়ালের ইসরায়েল সফর: কৃষি, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যে কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার
Commerce Minister Goyal’s visit to Israel: Strategic cooperation in agriculture, technology and trade further strengthened
বিহারে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নীতীশ, ডেপুটি হলেন সম্রাট ও বিজয়
সকাল সকাল ডেস্ক। পাটনা: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। এই নিয়ে ১০-বার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জেডিইউ প্রধান। বৃহস্পতিবার পাটনার গান্ধী ময়দানে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। এছাড়াও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় কুমার সিনহা। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ এনডিএ-র শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে জমজমাট ছিল পাটনার ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দান। বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, এনডিএ শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সবাই নীতীশ কুমারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। নীতীশ ছাড়াও মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন ২৫ জন বিধায়ক। শপথগ্রহণ করেছেন আগের মন্ত্রিসভায় নীতীশের দুই ডেপুটি, বিজেপির বিজয় সিন্হা এবং সম্রাট চৌধুরি। একটি সূত্রের দাবি, এ বারও এই দু’জনকেই উপমুখ্যমন্ত্রী করা হচ্ছে। ঐক্যবদ্ধ এনডিএ-র ছবি তুলে ধরতে শপথ গ্রহণের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু, এলজেপি (আর) নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ান, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (হাম)-র নেতা জিতনরাম মাঝি। উপস্থিত ছিলেন বিজেপিশাসিত বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও। ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা প্রমুখ। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন জেডিইউ-র বিজয়কুমার চৌধুরি, বিজেন্দ্রপ্রসাদ যাদব, শ্রোয়ান কুমার, অশোক চৌধুরি, লেসি সিং, মদন সাহনি, সুনীল কুমার এবং মহম্মদ জামা খান। বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে সম্রাট এবং বিজয় ছাড়াও শপথগ্রহণ করেন দিলীপ জয়সওয়াল, মঙ্গল পান্ডে, সঞ্জয় সিংহ টাইগার, রমা নিষাদ, অরুণশঙ্কর প্রসাদ, রামকৃপাল যাদব, নীতিন নবীন এবং সুরেন্দ্রপ্রসাদ মেহতা। জিতনরামের দল হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার তরফে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন সন্তোষ সুমন।
অন্ধ্রে রোড শো প্রধানমন্ত্রীর, বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস জনসাধারণের মধ্যে
সকাল সকাল ডেস্ক। পুট্টাপার্থি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ সফরে যান। অন্ধ্রের পুট্টাপার্থিতে ভগবান শ্রী সত্য সাই বাবার সৌধ ও মহাসমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। ভগবান শ্রী সত্য সাই বাবার শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই উপলক্ষ্যে একটি স্মারক মুদ্রা ও তাঁর জীবন, শিক্ষা তথা পরম্পরার সম্মানে একগুচ্ছ ডাকটিকিটের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন। এদিন পুট্টাপার্থিতে রোড শোও করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে একঝলক দেখার জন্য রাস্তার ধারে ছিল সাধারণ মানুষের বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিনের অনুষ্ঠানে বলেন, “১০ বছর আগে, ভারত সরকার সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা চালু করেছিল। এটি এমন কয়েকটি প্রকল্পের মধ্যে একটি যেখানে ৮.২ শতাংশ উচ্চ সুদের হার দেওয়া হয়। সুকন্যা সমৃদ্ধির অধীনে মেয়েদের জন্য চার কোটিরও বেশি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।” এই প্রকল্প মেয়েদের শিক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দিশা দেখাবে বলেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী।
কাহিলিপাড়ার বাড়িতে উন্মোচিত জুবিন গার্গের আবক্ষ মূর্তি
অসমের প্রান্তে প্রান্তে উদযাপন প্ৰয়াত বহুমুখি রত্নের ৫৩-তম জন্মদিন সকাল সকাল ডেস্ক। গুয়াহাটি : আজ ৫৩-তম জন্মদিনের দিন কাহিলিপাড়ার বাড়িতে হাজারো অনুরাগীর উপস্থিতিতে উন্মোচন করা হয়েছে বহুমুখি প্রতিভাসম্পন্ন কিংবদন্তি শিল্পী জুবিন গার্গের আবক্ষ মূর্তি। আজ ১৮ নভেম্বর, গুয়াহাটিতে হাজার হাজার ভক্তের সমাবেশে অসমের যুবপ্রজন্মের হৃদস্পন্দন অকালপ্রয়াত দুরন্ত বহুমুখী কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, চিত্রপরিচালক, প্রযোজক, অসমিয়া সংস্কৃতির উজ্জ্বল রত্ন জুবিন গার্গের ৫৩-তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছে গোটা রাজ্য। কাহিলিপাড়ায় প্রয়তের বাসভবন এবং একাধিক স্মৃতিসৌধকে ভক্তি ও স্মরণের কেন্দ্রে পরিণত করেছে আজ। গতকাল রাত থেকেই ভক্তরা তাঁর বাড়িতে সমবেত হয়ে প্রয়াত শিল্পীর সম্মানে ভক্তিমূলক এবং তাঁর রচিত মনমুগ্ধকার গান গেয়ে চলেছেন। বাড়ি-প্রাঙ্গণে তাঁর লালিত বকুল গাছের নীচে জুবিন গার্গের একটি আবক্ষ মূর্তি উন্মোচনের মাধ্যমে আবেগঘন বাতাবরণ তৈরি করে। স্বগৃহে জুবিনের আবক্ষ মূৰ্তির আবরণ উন্মোচন অনুষ্ঠানে হাজারো ভক্তকুলের সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাবা কপিল বড়ঠাকুর, স্ত্রী গরিমা গার্গ, পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ। অনুষ্ঠানে এক মর্মান্তিক মুহূর্ত ছিল যখন প্ৰয়াতের বাবা কপিল বড়ঠাকুর তাঁর স্নেহের ‘গোল্ডি’ নামের ছেলের মূর্তিটি আলতো করে স্পর্শ করেছিলেন। সে দৃশ্য দেখে অনেকে কান্নায় ব্যাকুল হয়ে পড়েছিলেন। এদিকে কাহিলিপাড়া ছাড়াও প্রাণের শিল্পী, অসমের সম্পদ জুবিন গার্গকে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে সোনাপুরের জুবিন ক্ষেত্র এবং সরুসজাই স্টেডিয়ামে। সে সব জায়গায়ও বিশাল সমাবেশ হয়েছে। সোনাপুরের জুবিন ক্ষেত্রে আয়োজকরা একটি রক্তদান শিবির, নাম-প্রসঙ্গ, ‘নাহর’ (নাগেশ্বর)-এর চারা রোপণ এবং সন্ধ্যায় পাঁচ হাজার প্রদীপ জ্বালানো সহ বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। এছাড়া প্রিয় শিল্পীর সম্মানে ৫০০টি আকাশবাতি জ্বালিয়ে রাতের আকাশকে আরও আলোকিত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে আজ ভোর থেকে দিনব্যাপী ভাওনা সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হচ্ছে কিংবদন্তি শিল্পীকে স্মরণীয় কররে রাখতে। গোটা রাজ্যের উজান থেকে নিম্ন যেমন, ডিব্রগড়, তিনসুকিয়া, শিবসাগর, যোরহাট, গোলাঘাট, শোণিতপুর, নগাঁও, হোজাই, বরাক উপত্যকা, ডিমা হাসাও জেলা, কামরূপের রঙিয়া, পলাশবাড়ি, বরপেটা, বঙাইগাঁও, ধুবড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক জনতা সংগীতশিল্পীর জন্মদিন উদযাপন করতে একত্রিত হয়েছেন। দিনটিকে ভক্তি, সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি এবং আন্তরিক স্মরণের একটি শক্তিশালী মিশ্রণে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। প্ৰাণের শিল্পী জুবিন গাৰ্গের নামে মঙ্গলদৈয়ে নামাকরণ করা হয়েছে একটি রাস্তার নাম। মঙ্গলদৈয়ের মিলনপুরের বাসিন্দা সর্বজনীন রাস্তাকে ‘জুবিন পথ’ নামে নামাকরণ করেছেন। এছাড়া প্রিয় শিল্পীর প্ৰিয় গাছ নাগেশ্বরের চারাও মঙ্গলদৈয়ের প্রায় সব গ্রামে রোপণ করেছেন সংশ্লিষ্ট গ্রামের জনতা। মিলনপুরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলদৈয়ের বিধায়ক বসন্ত দাস, মঙলদৈ উন্নয়ন অধিকরণের অধ্যক্ষ প্ৰতাপ বরদলৈ, পুরপতি নিৰ্মালী দেবী প্রমুখ গ্রামের মানুষ।