প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা : আত্মনির্ভর, শক্তিশালী, সুযোগে ভরপুর ভারত গড়ার সংকল্প
ভারত আজ সেই ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখান থেকে তার দিকনির্দেশ সরাসরি বৈশ্বিক মহাশক্তি হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে গত পঁচাত্তর বছরে দেশ নানান উত্থান-পতন দেখেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেভাবে ভারত তার অর্থনৈতিক, সামরিক, প্রযুক্তিগত ও সামাজিক সক্ষমতাকে পরিপক্ব করেছে, তা যে কোনও জাতির জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ। স্বাধীনতা দিবসের উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণাটি এই যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ কড়ি। প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা কেবল একটি নীতিগত উদ্যোগ নয়, বরং এটি সেই বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গির অংশ যার অধীনে ভারতকে আত্মনির্ভর, শক্তিশালী এবং সুযোগে পরিপূর্ণ সমাজ হিসেবে গড়ার সংকল্প নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা প্রতিফলিত করে সেই বিশ্বাস যে, ভারতের ভবিষ্যৎ নিহিত আছে তার যুবসমাজের মধ্যে। এই বিশ্বাসই আমাদের সেই লক্ষ্য পর্যন্ত নিয়ে যাবে যেখানে ভারত শুধু তার নাগরিকদের জন্য সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করবে না, বরং বিশ্বকেও শান্তি, অগ্রগতি ও মানবিক মূল্যের দিশা দেখাবে। এই যোজনা ১ লক্ষ কোটি টাকার ব্যয়ে কার্যকর করা হচ্ছে এবং এর আওতায় আগামী দুই বছরে ৩.৫ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম দর্শনে এই ঘোষণা হয়তো একটি সরকারি কর্মসূচি মনে হতে পারে, কিন্তু গভীরভাবে দেখলে বোঝা যায় যে এটি ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি, তার সামাজিক কাঠামো এবং বৈশ্বিক নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। কারণ, কোনও দেশের মহাশক্তি হওয়ার পথ তার যুবসমাজের হাত দিয়েই অতিক্রান্ত হয়। যুবকদের জন্যও এটি একটি সুযোগ, যেখানে তাদের সামাজিক নিরাপত্তার সুরক্ষা-কবচ দেওয়া হচ্ছে। তাদের শ্রম যদি যথাযথ মর্যাদা পায়, তবে কেবল তাদের ব্যক্তিগত সমৃদ্ধিই নয়, বরং জাতির সমষ্টিগত উন্নয়নও নিশ্চিত হয়। আজ ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি এবং নীতিগত পূর্বাভাস অনুযায়ী খুব শিগগিরই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠবে। এটি কেবল পরিসংখ্যানের খেলা নয়, বরং এই সত্যের প্রমাণ যে ভারতের উৎপাদন, তার রপ্তানি, তার সেবা-ক্ষমতা এবং তার অভ্যন্তরীণ বাজার অভূতপূর্ব সম্প্রসারণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এমন সময়ে যখন পশ্চিমা দেশগুলির অর্থনীতি মন্দার সঙ্গে লড়ছে, ভারতের প্রবৃদ্ধি হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানও স্বীকার করে নিয়েছে যে, বিশ্বের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ইঞ্জিন আজ ভারত। এর পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রনীতি এবং বৈশ্বিক ভাবমূর্তিও আজ এমন যে, তা আমাদের মহাশক্তি হওয়ার সম্ভাবনাকে আরও জোরদার করছে। আমেরিকা, ইউরোপ এবং জাপানের মতো উন্নত দেশ ভারতকে তাদের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখছে। ব্রিকস ও জি-২০–এর মতো মঞ্চে ভারতের নেতৃত্বদায়ক ভূমিকা স্পষ্ট। প্রতিরক্ষা উৎপাদন, মহাকাশ প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং সবুজ জ্বালানির মতো ক্ষেত্রে ভারত যে অগ্রগতি করেছে, তা আগামী বছরগুলোতে বিশ্বকে পথ দেখাবে। এমন পরিস্থিতিতে যদি দেশের অভ্যন্তরীণ কাঠামো, বিশেষ করে কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তার কাঠামো আরও শক্তিশালী হয়, তবে ভারতের জন্য বৈশ্বিক মহাশক্তি হওয়ার পথ আরও সহজ হবে। বর্তমানে যা প্রতীয়মান হচ্ছে, তার আলোকে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে প্রধানমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, তার মধ্যে এই বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা ভারতের উন্নয়নকে সমাজের আরও গভীরে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হবে। এর ‘এ’ অংশ সরাসরি সেই যুবকদের লক্ষ্য করছে, যারা প্রথমবার কর্মজীবনে প্রবেশ করছে। যারা সদ্য পড়াশোনা শেষ করে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করছে, তাদের দু’কিস্তিতে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রोत्सাহনমূলক অনুদান দেওয়া হবে। এটি শুধু তাদের আর্থিক চাপ লাঘব করবে না, বরং তাদের আর্থিক সাক্ষরতার গুরুত্ব সম্পর্কেও সচেতন করবে। এই দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমাদের দেশে অনেক যুবক চাকরি পেলেও সঞ্চয় ও বিনিয়োগের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারে না। এই অনুদানের একটি অংশ সঞ্চয়ী হিসাবে জমা রাখা বাধ্যতামূলক হবে, যাতে তাদের মধ্যে আর্থিক শৃঙ্খলার অভ্যাস গড়ে ওঠে। যোজনার দ্বিতীয় অংশটি নিয়োগকারীদের প্রণোদনা দেওয়ার জন্য। যতদিন শিল্প ও পরিষেবা খাত নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে না, ততদিন যুবকদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে না। সরকার পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, নিয়োগকারীদের ওপর চাপ কমাতে তারা প্রস্তুত। যদি কোনও কোম্পানি নতুন কর্মী নিয়োগ করে এবং তার বেতন এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়, তবে সরকার দুই বছর ধরে প্রতি কর্মীর জন্য মাসিক তিন হাজার টাকা ভর্তুকি দেবে। উৎপাদন খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই প্রণোদনা চার বছর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এটি স্পষ্ট করে যে ভারত কেবল পরিষেবা খাতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না, বরং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ অভিযানে গতি এনে উৎপাদন খাতকেও অর্থনীতির মেরুদণ্ড বানাতে চায়। আজ দেখা যাচ্ছে যে কেন্দ্র সরকারের বেশিরভাগ বড় পরিকল্পনাই তৃণমূল স্তরে পৌঁছে যাচ্ছে। জনধন যোজনা, উজ্ব্বলা, আয়ুষ্মান ভারত, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, স্টার্টআপ ইন্ডিয়া এবং উৎপাদন-সংক্রান্ত প্রণোদনা (পিএলআই) তার উদাহরণ। এই পরিকল্পনাগুলো সমাজ ও অর্থনীতিতে রূপান্তর এনেছে। তাই বিকশিত ভারত রোজগার যোজনার ক্ষেত্রেও আশা করা হচ্ছে যে এটি শুধুই ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং যুবকদের বাস্তব সুযোগ করে দেবে। তাই বলা ভুল হবে না যে এই যোজনার প্রভাব ভারতের সামাজিক কাঠামোর ওপরও পড়বে। প্রকৃতপক্ষে এটিও একটি সত্য যে আমাদের দেশে আজও অসংগঠিত খাতের অংশ অত্যন্ত বড়। বিপুল সংখ্যক মানুষ কোনও সামাজিক নিরাপত্তা ছাড়াই অস্থায়ী কাজে নিযুক্ত। কিন্তু এই যোজনা সরাসরি ইপিএফও–তে নিবন্ধিত কর্মী এবং প্যান–লিঙ্কড হিসাবযুক্ত নিয়োগকারীদের লক্ষ্য করছে। এর মানে হলো, কোটি কোটি যুবক ও লক্ষ লক্ষ প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির অংশ হবে। আর যখন কর্মশক্তি আনুষ্ঠানিক হয়, তখন তারা স্বাস্থ্যবিমা, পেনশন, ভবিষ্যৎনিধি ও অন্যান্য সুবিধা পায়। এতে সমাজে বৈষম্য কমে এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিস্তার ঘটে। ভারতের মহাশক্তি হওয়ার পথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তার জনসংখ্যা-গঠন। আজ ভারতের অর্ধেকের বেশি মানুষ ৩০ বছরের কম বয়সী। এই ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ আমাদের জন্য যেমন সুযোগ, তেমনি চ্যালেঞ্জও। যদি এই যুবকদের যথাযথ শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান দেওয়া যায়, তবে তারা শুধু ভারতের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে না, বরং বিশ্বজুড়েও ভারতীয় দক্ষতার ছাপ ফেলবে। কিন্তু যদি এই যুবকরা বেকারত্ব ও হতাশার শিকার হয়, তবে সামাজিক অস্থিরতাও তৈরি হতে পারে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা সময়োপযোগী এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ। এই যোজনা ভারতের সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তব রূপ দেয়, যেখানে প্রতিটি যুবক কেবল চাকরিই নয়, বরং মর্যাদাপূর্ণ জীবনের সুযোগ পায়।
পেপার ব্যালটে নির্বাচন করানোই ভালো, মন্তব্য অখিলেশের
(সকাল সকাল ডেস্ক) লখনউ, ১৬ আগস্ট : সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব শনিবার বলেন, ভোট গণনার ক্ষেত্রে ইভিএমের বদলে পেপার ব্যালট ব্যবহার করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রায়শই প্রশ্ন উঠছে। সুপ্রিম কোর্টকেও বিরোধীদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে হয়েছে। অখিলেশ বলেন— “আমরা যখন কমিশনকে প্রশ্ন করেছিলাম, হলফনামাসহ বিস্তারিত জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমেরিকা, জাপান, জার্মানির মতো কাগজের ব্যালটে ভোট করালেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে।”
ফুটবল মাঠে রেফারিকে লাথি, কটাক্ষ শুভেন্দুর
(সকাল সকাল ডেস্ক) কলকাতা, ১৬ আগস্ট : মেদিনীপুরে ফুটবল মাঠে রেফারিকে প্রকাশ্যে লাথি মারার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক তোলপাড়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সৌমেন খানের ভাইপো রাজা খান। ভিডিয়ো-সহ ঘটনা প্রকাশ্যে এনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স পোস্টে লেখেন— “যাকে মারধর করা হয়েছে তিনি লক্ষণ মান্ডি, যিনি খড়্গপুর সাব ডিভিশন রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও পেশায় স্কুল শিক্ষক। তিনি তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ।” তিনি আরও বলেন, পুলিশ প্রশাসনের প্রশ্রয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসব করছে। একইসঙ্গে তপশিলি জাতি ও উপজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইন, ১৯৮৯ এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানান। শুভেন্দুর কটাক্ষ— “রেফারিকে আক্রমণ করা তৃণমূলের সংস্কৃতি। ভোটের ময়দানে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ হোক বা ফুটবল মাঠে রেফারিকে লাথি মারা—সবেতেই একই মানসিকতা।”
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ: কবে এফসি গোয়া রোনাল্ডোদের আল নাসরের মুখোমুখি হবে
(সকাল সকাল ডেস্ক) কুয়ালালামপুর, ১৬ আগস্ট : এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২৫-২৬ মৌসুমে গ্রুপ ডি-তে জায়গা করে নিল ইন্ডিয়ান সুপার লিগের দল এফসি গোয়া। তারা ২২ অক্টোবর হোম ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর নেতৃত্বাধীন আল নাসরকে আতিথ্য দেবে। এরপর ৫ নভেম্বর সৌদি আরবে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে যাবে গোয়া। এছাড়াও গ্রুপে রয়েছে আল জাওরা এসসি ও এফসি ইস্তিকলোল। ২০২১ সালের পর দ্বিতীয়বার মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় খেলছে গোয়া। মে মাসে সুপার কাপ জয়ের ফলে তারা প্লে-অফ রাউন্ডে জায়গা পায়। গ্রুপ পর্বে এফসি গোয়ার সূচি: ২৪ ডিসেম্বর – এফসি গোয়া (হোম) বনাম এফসি ইস্তিকলোল
খেলা হবে দিবস উদযাপিত, মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন বার্তা
(সকাল সকাল ডেস্ক) কলকাতা, ১৬ আগস্ট : রাজ্যজুড়ে শনিবার পালিত হল ‘খেলা হবে দিবস’। এই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে সমস্ত ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়াপ্রেমী এবং মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং সহ শহর-গ্রামের সব ক্রীড়া ক্লাবকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের পর থেকে বাংলায় ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। ফুটবল, জিমন্যাস্টিক্স, যোগব্যায়াম, আর্চারি, টেবিল টেনিস সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতীয় স্তরে সাফল্য এসেছে। যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের বাজেটও ১২৬ কোটি থেকে বেড়ে ৮৪০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বর্তমান সরকারের সময়ে ৫৮টি স্টেডিয়াম, ৪২টি যুব হোস্টেল, ৭৯৫টি মিনি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, ৪ হাজারের বেশি মাল্টি-জিম, ৬টি সুইমিং পুল ও ৪২৩টি খেলার মাঠ তৈরি হয়েছে। ফুটবল, মহিলা ফুটবল, তীরন্দাজি, লন টেনিস, টেবিল টেনিস, সাঁতার, রাইফেল শ্যুটিং ও ব্যাডমিন্টনের জন্য ৮টি স্পোর্টস অ্যাকাডেমি চালু হয়েছে। ‘খেলাশ্রী’ প্রকল্পে ৩৪ হাজারেরও বেশি ক্লাবকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১,৩৫২টি কোচিং ক্যাম্প, ৩৪টি ক্রীড়া সংস্থা ও বিশিষ্ট খেলোয়াড়দের আর্থিক সহায়তাও করা হচ্ছে। সন্তোষ ট্রফি জয়ী দলের ২১ জন খেলোয়াড়কে রাজ্য পুলিশ বিভাগে চাকরি দেওয়া হয়েছে। সুন্দরবন কাপ, জঙ্গলমহল কাপ, হিমাল-তরাই-ডুয়ার্স কাপ ও রাঙামাটি কাপের মতো টুর্নামেন্টও আয়োজন করা হয়েছে। বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের ‘খেল সম্মান’, ‘বাংলার গৌরব’, ‘ক্রীড়াগুরু’, ‘জীবনকৃতি’ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া এভারেস্ট জয়ীদের জন্য ‘রাধানাথ শিকদার-তেনজিং নোরগে অ্যাডভেঞ্চার অ্যাওয়ার্ড’ ও তরুণী পর্বতারোহী ছন্দা গায়েনের স্মরণে ‘সাহসিকতা পুরস্কার’ চালু হয়েছে।
আলাস্কায় পুতিন-ট্রাম্প বৈঠক, মস্কোয় আমন্ত্রণ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সন্দেহভাজন বাংলাদেশি ধরার অভিযানে স্থগিতাদেশে ‘না’ সুপ্রিম কোর্টের
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : বাংলাদেশি সন্দেহে দেশ জুড়ে বহু সন্দেহভাজনকে আটক করা হচ্ছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ‘অতিসক্রিয়তা’র অভিযোগ তুলে আটক করা বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার এই আবেদনের ভিত্তিতে কোনও অন্তবর্তিকালীন নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছে বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। কেউ কেউ অভিযোগ তোলার চেষ্টা করছে, বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করছে পুলিশ। বাংলাদেশি সন্দেহে দিল্লিতে আটক করা হচ্ছে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের৷ এমনকি, তাঁদের পরিচয় পত্রও দেখা হচ্ছে বলে অভিযোগ৷ বিষয়টি নিয়ে বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার৷ কলকাতা পুলিশের তরফেও পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন৷ তবে আদালত এ দিন স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি এ ক্ষেত্রে কোনও অন্তবর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে বাংলাদেশ থেকে বৈধ নথি-সহ এ দেশে এসেছেন যাঁরা, তাঁদের সমস্যা হতে পারে। এই অভিযানের জেরে যাঁরা সত্যি সত্যি বেআইনি অনুপ্রবেশকারী, যাঁরা লুকিয়ে ভারতে ঢুকে সাধারণ ভারতীয়ের ভিড়ে মিশে যাচ্ছে, তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা যাবে৷ তবে পাশাপাশি, সত্যিকারের ভারতীয় পরিযায়ী শ্রমিকদের চিহ্নিত করার উপর জোর দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ অন্তবর্তী নির্দেশ না-দিলেও মামলার শুনানিতে কোনও আপত্তি জানায়নি সুপ্রিম কোর্ট। শুধু তা-ই নয়, কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে নিজেদের বক্তব্য জানাতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাহসিকতা ও সেবার জন্য পদক পাচ্ছেন বিভিন্ন সেবায় যুক্ত ১০৯০ জন
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : ২০২৫-এর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাহসিকতা ও সেবার জন্য পদক পাচ্ছেন পুলিশ, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স এবং সংশোধনাগার পরিষেবার ১০৯০ জন কর্মী। এই বিষয়ে জানিয়েছে ভারত সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)। পিআইবি-র তরফে জানানো হয়েছে, “২৩৩ জন পাচ্ছেন মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, ৯৯ জন পাচ্ছেন প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস এবং ১৫৮ জন মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস। মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি প্রাপ্ত ২৩৩ জনের মধ্যে ২২৬ জন পুলিশ কর্মী, ৬ জন দমকল কর্মী এবং একজন হোমগার্ড এবং সিভিল ডিফেন্সের। রাষ্ট্রপতি সেবা পদক প্রাপক ৯৯ জনের মধ্যে ৮৯ জন পুলিশ, ৫ জন দমকল কর্মী, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড এবং ২ জন সংশোধনাগার পরিষেবা কর্মী। উল্লেখযোগ্য সেবা কাজের জন্য ৭৫৮ জন পদক প্রাপকদের মধ্যে ৬৩৫ জন পুলিশ, ৫১ জন দমকল, ৪১ জন সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড এবং ৩১ জন সংশোধনাগার পরিষেবা কর্মী।”
ঝাড়খণ্ডে রবিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস, হলুদ সতর্কতা জারি বৃহস্পতিবার
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি : ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলায় আগামী রবিবার (১৭ আগস্ট) পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই রাজ্যের আবহাওয়া দফতরের সূত্রে জানা গেছে, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ড রাজ্যে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। বিগত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে গড়ওয়া জেলার বিষ্ণপুরে। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৫৮.৩ মিমি। ভাণ্ডারিয়ায় ৪৩ মিমি, বড়গড়ে ৪২ মিমি, মনোহরপুরে ৩৪ মিমি, গুমলা জেলার চেনপুরে ৩৩ মিমি এবং মৈথন ডিভিসিতে ২৬ মিমি বৃষ্টি হয়েছে।
বীরভূমে অবৈধ বালি খাদানের বিরুদ্ধে অভিযান জেলাশাসকের
সকাল সকাল ডেস্ক। নানুর : মঙ্গলবার গভীর রাতে বীরভূমের নানুরের পালিতপুর প্রতাপপুর চক এলাকায় অবৈধ বালি খাদানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে জেলাশাসক বিধান রায়। অভিযোগ, অজয় সেতু (লোচনদাস সেতু) সংলগ্ন নতুনহাট এলাকায় অজয় নদীর বাঁধ কেটে সাকশন পাইপ ব্যবহার করে বালি উত্তোলন করা হচ্ছিল। অভিযানে ১৫টিরও বেশি ডাম্পার, চারটি মাইনিং মেশিন এবং নৌকায় লাগানো দুটি সাকশন মেশিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অজয় নদীতে এই ধরণের অবৈধ বালি উত্তোলন সত্ত্বেও, নানুর থানা বা ব্লক প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এদিকে, মঙ্গলবার গভীর রাতে জেলাশাসক নিজেই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে অবহেলার জন্য বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক আধিকারিককে তিরস্কার করেছেন জেলাশাসক।