রবীন্দ্র সরোবরে প্রবীণদের স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনা করার আবেদন প্রাতঃভ্রমণকারী সংগঠনের
লেক দর্শনার্থীদের কাছে প্রবীণ এবং অতি-বয়স্ক প্রাতঃভ্রমণকারীদের স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনা করার আবেদন করল প্রাতঃভ্রমণকারীদের সংগঠন। সেই সঙ্গে সংগঠনের তরফে এ ব্যাপারে আবেদন করা হয়েছে কেএমডিএ-র কাছেও।
পরিবেশবিদ সোমেন্দ্র মোহন ঘোষ এবং রবীন্দ্র সরোবরের ‘মর্নিং ওয়াকারস গিল্ড’-এর আহ্বায়ক রবীন্দ্র সরোবর চত্বরে প্রবীন নাগরিকদের জন্য চিহ্নিত সংরক্ষিত আসনে বসার আসনের জন্য কেএমডিএ-র কাছে আবেদন করছেন।
ওবিসি কাঁটা, জয়েন্টের ফলপ্রকাশ করতে পারবে না রাজ্য, জানাল হাই কোর্ট
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা জয়েন্টের ফলপ্রকাশ করতে পারবে না রাজ্য, নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। লিখিত পরীক্ষার ফলপ্রকাশে আপত্তি জানিয়েছে আদালত। ওবিসি এ ও বি অনুযায়ী মেধাতালিকা তৈরি করেছে রাজ্য, যা প্রকাশ করা যাবে না বলেই জানান বিচারপতি কৌশিক চন্দ। গত ২২ মে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী ওবিসি তালিকা (৬৬ শতাংশ সংরক্ষণ) মেনে মেধাতালিকা তৈরি করে প্রকাশের নির্দেশ বিচারপতি কৌশিক চন্দের। বিচারপতি বৃহস্পতিবার প্রশ্ন করেন, “শীর্ষ আদালত একটি নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানতে চায় রাজ্য কী করছে? শীর্ষ আদালতের রায়ের প্রভাব কী পড়বে?” রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আজই জয়েন্টের ফলপ্রকাশ করব। ২০২৫-এর ভর্তি পরে হোক অসুবিধা নেই। শীর্ষ আদালতের সে নির্দেশ আছে এক্ষেত্রে।” বিচারপতির প্রশ্ন, “সেক্ষেত্রে ওবিসি এ ও বি কী যুক্ত হবে?” উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী জানান, “হ্যাঁ, হবে। যাদের সার্টিফিকেট বাতিল হয়েছিল তারা পোর্টালে আবেদন করবেন ফিনান্সিয়াল স্ট্যাটাস জমা দিতে হবে।” বিচারপতি বলেন, “পেন্ডিং অ্যাডমিশনে কীভাবে এই নোটিফিকেশন কাজে লাগাতে পারেন? দুই ক্যটেগরি যুক্ত করলে ফলপ্রকাশ করতে দেব না। কারণ, শীর্ষ আদালত হাই কোর্টের রায় খারিজ করে দেননি। পুরনো ভর্তির ক্ষেত্রে ৭% সংরক্ষণ মানতে হবে। আমার নির্দেশ শীর্ষ আদালতে খারিজ হয়নি সেটা রাজ্য পালন করেনি। সচিবরা তা শুনতে অভ্যস্ত। আদালতের কথা শোনে না।” রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি আরও বলেন, “আপনারা ১ হাজার ১৫১টি সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। ১ আগস্ট থেকে এখনও পর্যন্ত ৯৯৯ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। সব হয়ে গেল? খতিয়ে দেখলেন একজন আবেদন করল আর সাত দিনেই হাতে দিয়ে দিলেন? খুব অ্যাকটিভ তো?” সওয়াল জবাব শোনার পর জয়েন্টের ফলপ্রকাশ করা যাবে না বলেই জানান বিচারপতি।
অন্যের জন্য বেঁচে থাকাই প্রকৃত জীবন : শিবরাজ চৌহান
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি অন্যের জন্য বেঁচে থাকায় প্রকৃত জীবন। এমনটাই অভিমত কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের। তাঁর কথায়, “সবাই নিজের জন্য বাঁচে, এমনকি পোকামাকড় এবং প্রাণীরাও। কিন্তু কেবল নিজের জন্য বাঁচতে হলে, এমন জীবনের অর্থ কী? প্রকৃত জীবন তখনই হয়, যখন আপনি অন্যদের জন্য, সমাজের জন্য, দেশের জন্য, বিশ্বের জন্য বাঁচেন। প্রয়াত ডঃ এম. এস. স্বামীনাথনের ব্যক্তিত্বও এমনই ছিল।” প্রধানমন্ত্রী মোদী বৃহস্পতিবার সকালে নতুন দিল্লিতে এম.এস. স্বামীনাথন শতবর্ষ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও। অনুষ্ঠানে শিবরাজ বলেছেন, “১৯৪২-৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের সময়, যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারের দ্বারপ্রান্তে ছিল, তখন তাঁর হৃদয় গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। তখনই তিনি কৃষিকাজ, কৃষকদের সেবা এবং ক্ষুধা দূরীকরণের লক্ষ্যে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।” শিবরাজ সিং চৌহান আরও বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী আজ আমাদের মাঝে আছেন এবং তাঁর প্রতিটি কথা আমাদের কাছে মন্ত্রের মতো। তাঁর কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে, কেবল একটি নয়, বরং বেশ কিছু উদ্যোগ চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল কৃষি চৌপাল এবং বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান। এর অংশ হিসেবে, বিজ্ঞানীদের ২,১৭০টি দল ৬৪,০০০-এরও বেশি গ্রামে পৌঁছেছেন এবং এক কোটিরও বেশি কৃষকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছেন।” শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে। আমরা সয়াবিন, চিনাবাদাম, তিল, সরিষা, ছানা, কালো মসুর ডাল, লাল মসুর ডাল, অড়হরের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা ন্যাশনাল মিশন অন ন্যাচারাল ফার্মিংয়ের জন্য দ্রুত কাজ করছি এবং আমরা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে যাব, যাতে জমি আগামী প্রজন্মের জন্যও উর্বর থাকে।”
কৃষকদের শক্তিকে দেশের অগ্রগতির ভীত বিবেচনা করে আমাদের সরকার : প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি কৃষকদের শক্তিকে দেশের অগ্রগতির ভীত হিসেবে বিবেচনা করে আমাদের সরকার। জোর দিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “আমাদের কাছে, আমাদের কৃষকদের কল্যাণই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ভারত কখনও কৃষক, পশুপালক ও মৎস্যজীবীদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করবে না।” প্রধানমন্ত্রী মোদী বৃহস্পতিবার সকালে নতুন দিল্লিতে এম.এস. স্বামীনাথন শতবর্ষ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “কিছু ব্যক্তিত্ব আছেন যাদের অবদান কোনও একটি নির্দিষ্ট সময়কাল অথবা কোনও একটি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। অধ্যাপক এম.এস. স্বামীনাথন ছিলেন এমনই একজন মহান বিজ্ঞানী, ভারতমাতার সন্তান। তিনি বিজ্ঞানকে জনসেবার মাধ্যম করে তুলেছিলেন। তিনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে নিজের জীবনের লক্ষ্য করে তুলেছিলেন। তিনি সেই চেতনা জাগ্রত করেছিলেন যা আগামী শতাব্দী ধরে ভারতের নীতি এবং অগ্রাধিকারগুলিকে পরিচালিত করবে।” প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “এখন ভারত বিশ্বের এক নম্বর দুধ, ডাল এবং পাট উৎপাদনকারী দেশ। চাল, গম এবং তুলা উৎপাদনেও ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী দেশ। গত বছর, ভারত সর্বোচ্চ খাদ্যশস্য উৎপাদন রেকর্ড করেছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “আমরা কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, কৃষিকাজে ব্যয় হ্রাস এবং আয়ের নতুন উৎস তৈরির লক্ষ্যে ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকার কৃষকদের শক্তিকে দেশের অগ্রগতির ভীত হিসেবে বিবেচনা করেছে। সেই কারণেই বিগত বছরগুলিতে প্রণীত নীতিগুলি কেবল সাহায্যের জন্য ছিল না, বরং কৃষকদের আস্থা বৃদ্ধির প্রচেষ্টাও ছিল।”
দিশোম গুরু শিবু সোরেনের বিদায় — এক সংগ্রামী অধ্যায়ের অবসান
সকাল সকাল ডেস্ক। উজ্জ্বল কুমার দত্ত(শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক)কুমারডুবি, ঝাড়খন্ড। তাঁর পুত্র হেমন্ত সোরেন বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। শিবু সোরেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার হিসেবে হেমন্ত তাঁর বাবার আদর্শকে সামনে রেখে রাজ্য পরিচালনার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দিশোম গুরু শিবু সোরেনের মতো ব্যক্তিত্বের বিকল্প কোনোদিনই হয় না। শিবু সোরেন ছিলেন এক চলমান প্রতীক, যিনি শুধুমাত্র মাটি, খনিজ সম্পদ কিংবা ভোটের রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তিনি আদিবাসী সমাজের আত্মবিশ্বাসের প্রেরণা ছিলেন। এখন প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক যে তাঁর মৃত্যু কি শুধুই এক ব্যক্তির মৃত্যু, নাকি একটি আদিবাসী জাতিসত্তার রাজনীতির এক অধ্যায়ের সমাপ্তি? উত্তর হয়তো সময় দেবে। তবে এটুকু নিশ্চিত বলা যায়—শিবু সোরেন ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন; মাটির ঘ্রাণে, লড়াইয়ের গর্জনে, আর এক জাতির অস্তিত্বের মূলমন্ত্রে।
প্রয়াত ‘দিশোম গুরু’ শিবু সোরেন, ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক ইতিহাসে পড়ল এক বিশাল শূন্যতা
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি/নয়াদিল্লি:প্রয়াত হলেন ঝাড়খণ্ড রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রতিষ্ঠাতা শিবু সোরেন। সোমবার রাতে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। বেশ কিছুদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে এক আবেগঘন বার্তায় ছেলে ও ঝাড়খণ্ডের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ লেখেন, “সম্মানীয় দিশোম গুরু আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আজ আমি একেবারে শূন্য হয়ে গেলাম।” এই বার্তাই যেন প্রমাণ করে দেয়—শুধু রাজনৈতিক নেতা নয়, শিবু সোরেন ছিলেন এক পরিবারের স্তম্ভ, রাজ্যের এক প্রেরণা এবং আদিবাসী রাজনীতির এক অবিসংবাদী পথপ্রদর্শক। শেষ লড়াই: গত জুন মাসে কিডনির জটিলতা এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয় দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। মেডিক্যাল বোর্ডের পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা চললেও শেষপর্যন্ত সোমবার রাতে থেমে যায় এই প্রবীণ রাজনীতিকের প্রাণপ্রবাহ। প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা: শিবু সোরেনের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স-এ দেওয়া বার্তায় তিনি লেখেন, “শ্রী শিবু সোরেন জি ছিলেন এক প্রকৃত তৃণমূল নেতা। তিনি আজীবন দরিদ্র, নিপীড়িত এবং বিশেষ করে উপজাতি সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর পরিবার ও অনুগামীদের প্রতি রইল আমার সমবেদনা। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জি’র সঙ্গে কথা বলেছি এবং এই দুঃসময়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি।” সংগ্রামের শিকড়ে জন্ম: ১৯৪৪ সালের ১১ জানুয়ারি বর্তমান ঝাড়খণ্ডের নেমরা গ্রামে এক সাঁওতাল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শিবু সোরেন। সেই সময় এটি বিহারের অন্তর্গত ছিল। শৈশবে জমিদারদের হাতে বাবাকে হারানোই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন গ্রামীণ আন্দোলনের মাধ্যমে। ভূমির অধিকারের দাবি, আদিবাসীদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়েই জন্ম নেয় ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। রাজনৈতিক পথচলা: ১৯৭২ সালে এ কে রায় এবং বিনোদ বিহারী মাহাতোর সঙ্গে মিলিত হয়ে শিবু সোরেন গড়ে তোলেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। সংগঠন থেকেই দ্রুত উঠে আসেন রাজ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী আদিবাসী নেতা হিসেবে। তিনবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদ অলংকৃত করেছেন তিনি। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের কয়লা মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের অন্যতম কান্ডারি: ঝাড়খণ্ড রাজ্যের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরেই লালন করেছিলেন শিবু সোরেন। সেই আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকেই ২০০০ সালে আলাদা রাজ্য গঠনের সময় মুখ্য ভূমিকা নেন তিনি। তাঁর এই অবদানের কারণে আদিবাসী সমাজ তাঁকে ‘দিশোম গুরু’ উপাধিতে সম্মানিত করে। শেষ যাত্রায় শোকস্তব্ধ রাজনীতি: শিবু সোরেনের প্রয়াণে শুধু ঝাড়খণ্ড নয়, গোটা দেশের রাজনীতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী নেতারা এই বর্ষীয়ান নেতার মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন করেছেন। তাঁর সংগ্রামী জীবনের জন্য আজও তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন দেশের কোটি কোটি মানুষ, বিশেষ করে আদিবাসী সমাজ। ইতিহাসে অমর: জমিদারদের বিরুদ্ধে লড়াই থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে উত্তরণ—শিবু সোরেনের জীবন এক অবিরাম সংগ্রামের নাম। তিনি ছিলেন ভূমিপুত্রদের স্বপ্নের প্রতিনিধি, যিনি শুধু রাজ্য গঠনেই থেমে থাকেননি, বরং আদিবাসীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ও জমির অধিকারকে রাষ্ট্রের মূলস্রোতে আনতে আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর প্রয়াণে শেষ হল এক যুগের। তবে ‘দিশোম গুরু’-র আদর্শ ও আদিবাসী অধিকার রক্ষার সংগ্রাম চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। ঝাড়খণ্ডের মাটি তাঁকে আজও ধন্যবাদ জানায়—নিজেকে নিঃশেষ করে যে নেতাটি তাঁর জাতিকে দিয়েছেন আত্মপরিচয়ের সম্মান।
ইয়েমেনের কাছে সমুদ্রে উল্টে গেল নৌকা, মৃত্যু অন্তত ৬৮ জনের
সকাল সকাল ডেস্ক সানা: ইয়েমেন উপকূলের কাছে সমুদ্রে উল্টে গেল পরিযায়ী শ্রমিকদের নৌকা। এই ঘটনায় অন্তত ৬৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। নিখোঁজ ৭৪ জন। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে মাত্র ১২ জনকে। ইয়েমেনের হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। রবিবার ১৫৪ জন পরিযায়ীকে নিয়ে ইয়েমেনের দিকে যাচ্ছিল নৌকাটি। সে দেশের আবিয়ান প্রদেশের কাছে এডেন উপসাগরে উল্টে যায় নৌকাটি। সেই সময় নৌকায় ছিলেন ১৫৪ জন। তাঁদের প্রত্যেকেই ইথিওপিয়ার বাসিন্দা। নৌকা উল্টে যাওয়ার পরেই এডেন উপসাগরে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। নৌকাডুবিতে এখনও পর্যন্ত ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাশিয়ায় ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ, মৃত এক, আহত ১১
সকাল সকাল ডেস্ক মস্কো : মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ যাত্রিবাহী বাসের। সোমবার সকালে রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ এলাকার এই ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ১১। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। সংঘর্ষের জেরে বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। জানা গেছে, ট্রেন আসা সত্ত্বেও বাসের চালকই ভুল করে লাইনের উপরে বাসটি নিয়ে চলে আসেন। ট্রেনচালক ইমার্জেন্সি ব্রেক কষলেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি। হতাহতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
পাকিস্তানে ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, হতাহতের খবর নেই
শনিবার রাতে ইসলামাবাদের কাছে ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
জম্মু ও কাশ্মীরে স্করপিওতে পড়ল বোল্ডার, এসডিএম-সহ মৃত ২
জম্মু: জম্মু ও কাশ্মীরে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। জম্মুর রিয়াসি জেলায় শুক্রবার সন্ধেয় পাহাড় থেকে বিশাল আকারের বোল্ডার ধসে পড়ে স্করপিও গাড়ির উপরে। গাড়িতে ছিলেন উধমপুর জেলার রামনগরের এসডিএম ও তাঁর পরিবারের লোকজন। ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছেন এসডিএম রাজেন্দ্র সিং এবং তাঁর ৬ বছরের ছেলে। গুরুতর জখম হয়েছেন রাজেন্দ্রর স্ত্রী ও তাঁর আত্মীয়রা। আহত চালকও। তাঁদের রিয়াসি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।