আশীর্বাদ নিয়ে ধর্মমাতার বিরুদ্ধেই নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ পাতানো পুত্র
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি : জলপাইগুড়ির ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী লড়াই এবার সম্পর্কের আঙিনায় এক নতুন রাজনৈতিক রঙ লাগিয়ে দিয়েছে। এখানে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) টিকিটে নির্বাচনী ময়দানে নেমেছেন তাঁরই পাতানো ছেলে রঞ্জন শীল শর্মা। এই লড়াই কেবল দুই প্রার্থীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি আদর্শ, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রজন্মের ব্যবধানের এক প্রতীকে পরিণত হয়েছে। উল্লেখ্য, রঞ্জন শীল শর্মার রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি শিখা চট্টোপাধ্যায়ের মার্গদর্শনে হয়েছিল। এক সময় তিনি তাঁর ছায়াসঙ্গী হিসেবে থেকে রাজনীতির সূক্ষ্ম বিষয়গুলি রপ্ত করেছিলেন। কিন্তু এখন সেই মাতৃসম নেত্রীর বিরুদ্ধেই তাঁকে ভোটের লড়াইয়ে নামতে দেখা যাচ্ছে। এই রাজনৈতিক লড়াইয়ের আবহে বৃহস্পতিবার সকালে এক অত্যন্ত আবেগপূর্ণ দৃশ্য সামনে আসে। রঞ্জন শীল শর্মা ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শিখা চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছান। সেখানে তিনি শিখা দেবীর পা স্পর্শ করে আশীর্বাদ নেন এবং তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এরপরই তিনি নিজের নির্বাচনী প্রচারের জন্য রওনা হয়ে যান। বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায় তাঁকে আশীর্বাদ করে বলেন যে, তিনি যেন দেশ ও সমাজের সুরক্ষার জন্য কাজ করেন এবং সঠিক পথে চলেন। তবে ব্যক্তিগত আশীর্বাদ দিলেও তিনি এই নির্বাচনী লড়াইকে ‘ধর্ম ও অধর্মের লড়াই’ বলে অভিহিত করে একে এক আদর্শগত সংগ্রামের রূপ দিয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রঞ্জন শীল শর্মা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিজের জায়গায় থাকলেও রাজনীতিতে আদর্শই শেষ কথা। তাঁর মতে, গণতন্ত্রে প্রত্যেকেরই নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও নীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে এবং সেই কারণেই তিনি ভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে ভোটে লড়ছেন। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির এই লড়াই এখন কেবল রাজ্য নয়, জাতীয় স্তরেও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই নির্বাচন ভারতীয় গণতন্ত্রের সেই বিচিত্র ও জটিল প্রতিযোগিতার উদাহরণ হয়ে রইল, যেখানে ধর্মমাতা ও পাতানো পুত্র ভিন্ন ভিন্ন আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে একে অপরের মুখোমুখি হতে চলেছেন।
পাঁচ ডিআইজি পদে বদল নির্বাচন কমিশনের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : আরও পাঁচ পুলিশ কর্তাকে বদলি করল নির্বাচন কমিশন। বুধবার সকালে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি এবং জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি পদে বদল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার মধ্যে নতুন সকলকে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে। ভোটের আবহে লাগাতার রাজ্য পুলিশে রদবদল। ফের রাজ্য পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সরাল নির্বাচন কমিশন। এ বার একসঙ্গে রাজ্যের পাঁচ জায়গায় ডিআইজি বদল। রাঠৌর অমিতকুমার ভারতকে আনা হলো রায়গঞ্জ রেঞ্জের ডিআইজি করে, অজিত সিং যাদব হলেন মুর্শিদাবাদের ডিআইজি, শ্রীহরি পাণ্ডে ডিআইজি বর্ধমান হলেন, ডিআইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ করা হলো কঙ্কর প্রসাদ বারুইকে, ডিআইজি জলপাইগুড়ি হয়েছেন অঞ্জলি সিং। নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টার মধ্যে এই পাঁচ জনকে নতুন দায়িত্ব নিতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার একাধিক জেলার পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
বিমানযাত্রা সহজ করতে নতুন নির্দেশিকা, অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই ৬০ শতাংশ আসন
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : বিমানযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করতে নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বিমানে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ আসন অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। বুধবার সরকার জানিয়েছে, এর ফলে সব যাত্রী সমান সুযোগ পাবেন এবং বিমান সংস্থাগুলির পরিষেবা আরও স্বচ্ছ হবে। একই সঙ্গে এক পিএনআর-এ (প্যাসেঞ্জার নেম রেকর্ড) বুকিং করা যাত্রীদের একসঙ্গে বা কাছাকাছি আসনে বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে পরিবার বা দলগত ভ্রমণে সুবিধা হয়। এই নির্দেশিকা মূলত অভ্যন্তরীণ উড়ানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সাম্প্রতিক সময়ে আসন বাছাই–সহ বিভিন্ন পরিষেবায় অতিরিক্ত চার্জ নেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গেছে। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ)-কেও এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিটি বিমানে নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া রাখা হয়। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডু জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধা বাড়াতে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশিকায় খেলাধুলোর সরঞ্জাম, বাদ্যযন্ত্র ও পোষ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট নিয়ম রাখা হয়েছে। এছাড়া, বিমান দেরি বা বাতিলের ক্ষেত্রে যাত্রী অধিকার আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলিকে তাদের ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও বিমানবন্দরের কাউন্টারে যাত্রী অধিকার স্পষ্টভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষাতেও তথ্য দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
ছাব্বিশে ২২৬-র বেশি আসনের দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর, বিজেপিকে ‘শূন্য’ করার হুঙ্কার
নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ, প্রশাসনিক বদলি নিয়ে প্রশ্ন; দার্জিলিংয়ের ৩ আসনে জোটসঙ্গীকে ছেড়ে লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস-এর সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা – ছাব্বিশের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই বড়সড় দাবি করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার প্রার্থীতালিকা ঘোষণার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো জানালেন, এবারের নির্বাচনে ২২৬টিরও বেশি আসন পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর দাবি, ভোটের পর রাজ্যে বিজেপিকে খুঁজে পাওয়াই কঠিন হবে। কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি বলেন, “এবার বাংলার মা-মাটি-মানুষের জয় হবেই।” একইসঙ্গে নাম না করে তিনি আক্রমণ শানান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-কে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক একাধিক প্রশাসনিক বদলির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “যিনি মেঘের আড়াল থেকে খেলছেন, তিনি সামনে এসে বিজেপির প্রার্থী হয়ে যান।” এক নজরে দেখে নিন কাকে কোথায় তৃণমূল প্রার্থী করল মেখলিগঞ্জ (এসসি), কোচবিহার — পরেশ চন্দ্র অধিকারী মাথাভাঙা (এসসি), কোচবিহার — সাবলু বর্মন কোচবিহার উত্তর (এসসি), কোচবিহার — পার্থ প্রতিম রায় কোচবিহার দক্ষিণ, কোচবিহার — অভিজিৎ দে ভৌমিক (হিপ্পি) শীতলকুচি (এসসি), কোচবিহার — হরিহর দাস সিতাই (এসসি), কোচবিহার — সঙ্গীতা রায় বসুনিয়া দিনহাটা, কোচবিহার — উদয়ন গুহ নাটাবাড়ি, কোচবিহার — শৈলেন বর্মা তুফানগঞ্জ, কোচবিহার — শিব শঙ্কর পাল কুমারগ্রাম (এসটি), আলিপুরদুয়ার — রাজীব তিরকি কালচিনি (এসটি), আলিপুরদুয়ার — বীরেন্দ্র বারা আলিপুরদুয়ার, আলিপুরদুয়ার — সুমন কাঞ্জিলাল ফালাকাটা (এসসি), আলিপুরদুয়ার — সুভাষ চন্দ্র রায় মাদারিহাট (এসটি), আলিপুরদুয়ার — জয়প্রকাশ টপ্পো ধূপগুড়ি (এসসি), জলপাইগুড়ি — ডা. নির্মল চন্দ্র রায় ময়নাগুড়ি (এসসি), জলপাইগুড়ি — রাম মোহন রায় জলপাইগুড়ি (এসসি), জলপাইগুড়ি — কৃষ্ণ দাস রাজগঞ্জ (এসসি), জলপাইগুড়ি — স্বপ্না বর্মন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, জলপাইগুড়ি — রঞ্জন শীল শর্মা মাল (এসটি), জলপাইগুড়ি — বুলু চিক বারাইক নাগরাকাটা (এসটি), জলপাইগুড়ি — সঞ্জয় কুজুর কালিম্পং, কালিম্পং — *** দার্জিলিং, দার্জিলিং — *** কার্সিয়াং, দার্জিলিং — *** মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি (এসসি), দার্জিলিং — শঙ্কর মালাকার শিলিগুড়ি, দার্জিলিং — গৌতম দেব ফাঁসিদেওয়া (এসটি), দার্জিলিং — রীনা টপ্পো এক্কা চোপড়া, উত্তর দিনাজপুর — হামিদুল রহমান ইসলামপুর, উত্তর দিনাজপুর — কানাইয়া লাল আগরওয়াল গোলপোখর, উত্তর দিনাজপুর — মো. গুলাম রাব্বানি চাকুলিয়া, উত্তর দিনাজপুর — মিনহাজুল আরফিন আজাদ করণদিঘি, উত্তর দিনাজপুর — গৌতম পাল হেমতাবাদ (এসসি), উত্তর দিনাজপুর — সত্যজিৎ বর্মন কালিয়াগঞ্জ (এসসি), উত্তর দিনাজপুর — নিতাই বৈশ্য রায়গঞ্জ, উত্তর দিনাজপুর — কৃষ্ণ কল্যাণী ইটাহার, উত্তর দিনাজপুর — মোশারফ হোসেন কুশমন্ডি (এসসি), দক্ষিণ দিনাজপুর — রেখা রায় কুমারগঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুর — তোরাফ হোসেন মণ্ডল বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর — অর্পিতা ঘোষ তপন (এসটি), দক্ষিণ দিনাজপুর — চিন্তামণি বিহা গঙ্গারামপুর (এসসি), দক্ষিণ দিনাজপুর — গৌতম দাস হরিরামপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর — বিপ্লব মিত্র হবিবপুর (এসটি), মালদা — অমল কিস্কু গাজোল (এসসি), মালদা — প্রসেনজিৎ দাস চাঁঁচল, মালদা — প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় হরিশ্চন্দ্রপুর, মালদহ — মো. মাতেবুর রহমান মালতিপুর, মালদহ — আবদুর রহিম বক্সী রতুয়া, মালদহ — সমর মুখার্জি মানিকচক, মালদহ — কবিতা মণ্ডল মালদহ (এসসি), মালদহ — লিপিকা বর্মন ঘোষ ইংলিশ বাজার, মালদহ — আশিস কুণ্ডু মোথাবাড়ি, মালদহ — মো. নজরুল ইসলাম সুজাপুর, মালদহ — সাবিনা ইয়াসমিন বৈষ্ণবনগর, মালদহ — চন্দনা সরকার ফারাক্কা, মুর্শিদাবাদ — আমিরুল ইসলাম সামসেরগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ — নুর আলম সুতি, মুর্শিদাবাদ — ইমানি বিশ্বাস জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ — জাকির হোসেন রঘুনাথগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ — জনাব আখরুজ্জামান সাগরদিঘি, মুর্শিদাবাদ — বায়রন বিশ্বাস লালগোলা, মুর্শিদাবাদ — ডা. আবদুল আজিজ ভগবানগোলা, মুর্শিদাবাদ — রেয়াত হোসেন সরকার রানিনগর, মুর্শিদাবাদ — সৌমিক হোসেন মুর্শিদাবাদ — শাওনি সিংহ রায় নবগ্রাম (এসসি), মুর্শিদাবাদ — প্রণব চন্দ্র দাস খড়গ্রাম (এসসি), মুর্শিদাবাদ — আশিস মার্জিত বড়ঞা (এসসি), মুর্শিদাবাদ — প্রতিমা রজক কান্দি, মুর্শিদাবাদ — অপূর্ব সরকার (ডেভিড) ভারতপুর, মুর্শিদাবাদ — মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) রেজিনগর, মুর্শিদাবাদ — আতাউর রহমান বেলডাঙা, মুর্শিদাবাদ — রাবিউল আলম চৌধুরী বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ — নাড়ু গোপাল মুখার্জি হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ — নিয়ামত শেখ নওদা, মুর্শিদাবাদ — শাহিনা মুমতাজ ডোমকল, মুর্শিদাবাদ — হুমায়ুন কবির (প্রাক্তন আইপিএস) জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ — বাবর আলি করিমপুর, নদিয়া — সোহম চক্রবর্তী তেহট্ট, নদিয়া — দিলীপ পোদ্দার পলাশীপাড়া, নদিয়া — রুকবানুর রহমান কালীগঞ্জ, নদিয়া — আলিফা আহমেদ নাকাশিপাড়া, নদিয়া — কল্লোল খাঁ চাপড়া, নদিয়া — জেবের শেখ কৃষ্ণনগর উত্তর, নদিয়া — অবিনাভ ভট্টাচার্য নবদ্বীপ, নদিয়া — পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, নদিয়া — উজ্জ্বল বিশ্বাস শান্তিপুর, নদিয়া — ব্রজকিশোর গোস্বামী রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, নদিয়া — তাপস ঘোষ কৃষ্ণগঞ্জ (এসসি), নদিয়া — সমীর কুমার পোদ্দার রানাঘাট উত্তর পূর্ব (এসসি), নদিয়া — বর্ণালী দে রায় রানাঘাট দক্ষিণ (এসসি), নদিয়া — ডা. সৌগত কুমার বর্মন চাকদহ, নদিয়া — শুভঙ্কর সিংহ (জিশু) কল্যাণী (এসসি), নদিয়া — ডা. অতীন্দ্র নাথ মণ্ডল হরিণঘাটা (এসসি), নদিয়া — ডা. রাজীব বিশ্বাস বাগদা (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — মধুপর্ণা ঠাকুর বনগাঁ উত্তর (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — বিশ্বজিৎ দাস বনগাঁ দক্ষিণ (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — ঋতুপর্ণা আঢ্য গাইঘাটা (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — নরোত্তম বিশ্বাস স্বরূপনগর (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — বীণা মণ্ডল বাদুড়িয়া, উত্তর ২৪ পরগনা — বুরহানুল মোকাদ্দিন (লিটন) হাবড়া, উত্তর ২৪ পরগনা — জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু) অশোকনগর, উত্তর ২৪ পরগনা — নারায়ণ গোস্বামী আমডাঙা, উত্তর ২৪ পরগনা — পীরজাদা কাসেম সিদ্দিকি বিজপুর, উত্তর ২৪ পরগনা — সুবোধ অধিকারী নৈহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা — সনৎ দে ভাটপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনা — অমিত গুপ্ত জগদ্দল, উত্তর ২৪ পরগনা — সোমনাথ শ্যাম ইচিনি নোয়াপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনা — তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ব্যারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগনা — রাজু চক্রবর্তী (রাজ) খড়দহ, উত্তর ২৪ পরগনা — দেবদীপ পুরোহিত দমদম উত্তর, উত্তর ২৪ পরগনা — চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পানিহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা — তীর্থঙ্কর ঘোষ (পুচি) কামারহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা — মদন মিত্র বরানগর, উত্তর ২৪ পরগনা — সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় দমদম, উত্তর ২৪ পরগনা — ব্রাত্য বসু রাজারহাট নিউটাউন, উত্তর ২৪ পরগনা — তাপস চ্যাটার্জি বিধাননগর, উত্তর ২৪ পরগনা — সুজিত বসু রাজারহাট গোপালপুর, উত্তর ২৪ পরগনা — অদিতি মুন্সী মধ্যমগ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা — রথীন ঘোষ বারাসত, উত্তর ২৪ পরগনা — সব্যসাচী দত্ত দেগঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগনা — আনিসুর রহমান (বিদেশ) হাড়োয়া, উত্তর ২৪ পরগনা — মো. মুফতি আবদুল মতিন মিনাখাঁ (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — উষারানি মণ্ডল সন্দেশখালি (এসটি), উত্তর ২৪ পরগনা — ঝর্ণা সর্দার বসিরহাট দক্ষিণ, উত্তর ২৪ পরগনা — সুরজিৎ মিত্র (বাদল) বসিরহাট উত্তর, উত্তর ২৪ পরগনা — মো. তৌসিফ রহমান হিঙ্গলগঞ্জ (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — আনন্দ সরকার গোসাবা (এসসি), দক্ষিণ ২৪ পরগনা — সুব্রত মণ্ডল বসন্তী (এসসি), দক্ষিণ ২৪ পরগনা — নীলিমা বিশাল মিস্ত্রি কুলতলি (এসসি), দক্ষিণ ২৪ পরগনা — গণেশ চন্দ্র মণ্ডল পাথরপ্রতিমা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — সমীর কুমার জানা কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — মন্তুরাম পাখিরা সাগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা কুলপি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — বর্ণালী ধারা রায়দিঘি, দক্ষিণ ২৪
শক্তির রাজনীতি ও রাষ্ট্রসঙ্ঘের নীরবতা : বিশ্বব্যবস্থার এক গভীর সংকট
একবিংশ শতাব্দীর পৃথিবীকে আমরা প্রায়ই সভ্যতার এক উন্নত পর্যায় বলে মনে করি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের জাগরণ— সব মিলিয়ে মনে হয় মানবজাতি যেন বহু অন্ধকার যুগ অতিক্রম করে এক নতুন নৈতিক উচ্চতায় পৌঁছেছে। কিন্তু বাস্তবের বিশ্বরাজনীতি অনেক সময় সেই আশাবাদকে ভেঙে দেয়। সভ্যতার ঝকঝকে মুখোশের আড়ালে এখনও শক্তির উন্মত্ততা, ক্ষমতার অহংকার এবং যুদ্ধের ভয়াবহ সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে।
ভারতীয় রেল সামগ্রিকভাবে ৭৭ শতাংশ সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে : অশ্বিনী বৈষ্ণব
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : ভারতীয় রেল সামগ্রিকভাবে ৭৭ শতাংশ সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে, এমনটাই জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ২৪টি রেল বিভাগ ৯০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের উত্তরে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ট্রেন আসার শতাংশের মাধ্যমে সময়ানুবর্তিতা পরিমাপ করা হয় এবং তিনি উল্লেখ করেছেন, রেলওয়ে বিশাল নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য একাধিক কৌশল গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ট্রেনের সময়সূচীতে কাঠামোগত সমস্যাগুলি খুঁজে বের করা এবং সমাধানের জন্য আইটি-ভিত্তিক সিস্টেম, এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ সহ উন্নত প্রযুক্তিগত সরঞ্জামেরে সাহায্য নেওয়া হয়েছে। বিভাগ-ভিত্তিক কর্মক্ষমতা বিবরণ প্রদান করে বৈষ্ণব বলেন, ৪৩টি বিভাগ ৮০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে, যেখানে একটি বিভাগ ৯৫ শতাংশ অতিক্রম করেছে। তিনি মাদুরাই, যোধপুর, হুগলি, ভাবনগর, কোটা, ইজ্জতনগর, রতলাম এবং আজমিরের নাম উল্লেখ করেছেন, এই বিভাগগুলি খুব উচ্চ সময়ানুবর্তিতা প্রদর্শন করে।
পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি শপথ নিলেন
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আর এন রবি। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার লোকভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে কলকাতার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল তাঁকে রাজ্যপাল হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অন্যান্য উর্ধ্বতন সরকারি ও সাংবিধানিক কর্মকর্তা। রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং রাজ্য প্রশাসন ও চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা করেন। এর আগে, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডঃ সি ভি আনন্দ বোস পদ থেকে ইস্তফা দেন। তাঁর ইস্তফার পর কেন্দ্রীয় সরকার আর এন রবিকে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে মনোনীত করে। বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছান আর এন রবি এবং বৃহস্পতিবার সকালের অনুষ্ঠানেই রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসনের চলমান কাজ এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি সরল ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে আবদ্ধ হলেন।
ইউনিফর্ম সিভিল কোড নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্যের প্রভাব
সকাল সকাল ডেস্ক ড. ময়ঙ্ক চতুর্বেদী ভারত একটি বহু-ধর্মীয়, বহু-সাংস্কৃতিক এবং বৈচিত্র্যে ভরা জাতি। এখানে বিভিন্ন ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সামাজিক ব্যবস্থার কারণে ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত অনেক আইন বিভিন্ন রূপে প্রয়োগ করা হয়েছে। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং পরিবার সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়ে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, পার্সি এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা ব্যক্তিগত আইন প্রচলিত আছে। কিন্তু একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক জাতি হিসেবে এই প্রশ্নটি দীর্ঘকাল ধরে উত্থাপিত হচ্ছে যে, একই দেশে নাগরিকদের জন্য আলাদা নাগরিক আইন কি উপযুক্ত? এই প্রেক্ষাপটে, ইউনিফর্ম সিভিল কোডের ধারণাটি সময়ে সময়ে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের একটি মন্তব্য এই বিতর্কে নতুন গতি দিয়েছে। আদালত বলেছে যে, দেশে ইউনিফর্ম সিভিল কোড কার্যকর করার বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার সময় এসেছে, যদিও এই সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের নয়, বরং সংসদের বিষয়। আদালত শরিয়ত আইন 1937-এর কিছু ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানি করছিল, যেখানে মুসলিম মহিলাদের প্রতি কথিত বৈষম্যের প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। শুনানির সময় আদালত ইঙ্গিত দিয়েছে যে, যদি এই বিধানগুলি বাতিল করা হয়, তবে আইনে এক ধরণের শূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং এর স্থায়ী সমাধান ইউনিফর্ম সিভিল কোডের মাধ্যমেই সম্ভব। আসলে, ইউনিফর্ম সিভিল কোডের প্রশ্নটি কেবল একটি আইনি ব্যবস্থার বিষয় নয়, এটি সংবিধানে নিহিত সমতা, ন্যায়বিচার এবং ধর্মনিরপেক্ষতার মূল্যবোধের সাথেও জড়িত। তাই এই বিষয়টি কেবল আদালত বা সরকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজ, রাজনীতি এবং সাংবিধানিক আদর্শের মধ্যে ভারসাম্য স্থাপনের একটি চ্যালেঞ্জও। সংবিধানে নিহিত ধারণা ইউনিফর্ম সিভিল কোডের ধারণা ভারতীয় সংবিধানে শুরু থেকেই বিদ্যমান। সংবিধানের 44 অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র সারা দেশে নাগরিকদের জন্য একটি অভিন্ন নাগরিক সংহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। এই বিধানটি রাষ্ট্রের নীতি নির্দেশক নীতিগুলির অধীনে রাখা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য হল সরকারকে সামাজিক সংস্কারের দিকে নির্দেশনা দেওয়া। সংবিধান সভায় এই বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সংবিধান প্রণেতা ভীমরাও রামজি আম্বেদকর বিশ্বাস করতেন যে, আধুনিক রাষ্ট্রে নাগরিকদের অধিকার ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা হওয়া উচিত নয়। যদিও সেই সময়ে দেশের সামাজিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আশঙ্কা বিবেচনা করে, এটিকে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার পরিবর্তে নীতি নির্দেশক নীতিগুলিতে রাখা হয়েছিল। এই ব্যবস্থা এই উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল যে, সময়ের সাথে সাথে সামাজিক সম্মতি তৈরি হলে এটি কার্যকর করা যেতে পারে। ব্যক্তিগত আইনের ঐতিহাসিক পটভূমি ভারতে আলাদা ব্যক্তিগত আইনের ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক আমলের অবদান বলে মনে করা হয়। ব্রিটিশ শাসনের সময় বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য বিবেচনা করে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে আলাদা আলাদা আইন প্রয়োগ করা হয়েছিল। স্বাধীনতার পরেও এই ব্যবস্থা অব্যাহত ছিল, যদিও সময়ে সময়ে এতে সংস্কার করা হয়েছে। আজও হিন্দুদের জন্য হিন্দু বিবাহ আইন, হিন্দু উত্তরাধিকার আইন এবং অন্যান্য সম্পর্কিত আইন কার্যকর আছে, যখন মুসলমানদের ব্যক্তিগত বিষয়ে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্ট 1937 কার্যকর হয়। একইভাবে খ্রিস্টান এবং পার্সি সম্প্রদায়ের জন্যও আলাদা আলাদা আইন বিদ্যমান। এই বৈচিত্র্য ভারতের সামাজিক কাঠামোর অংশ অবশ্যই,”””কিন্তু অনেক সময় এই ব্যবস্থা সংবিধানে প্রদত্ত সমতা ও ন্যায়বিচারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে হয়। বিশেষ করে নারীর অধিকারের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। বিচার বিভাগের দৃষ্টিভঙ্গি ভারতীয় বিচার বিভাগ সময়ে সময়ে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালত মন্তব্য করেছে যে, বিভিন্ন ব্যক্তিগত আইনের কারণে নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হতে পারে। আদালতের আরও মত ছিল যে, যখন ব্যক্তিগত আইনের কারণে নারীর অধিকার প্রভাবিত হয়, তখন সংবিধানে নিহিত সমতার নীতিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। সাম্প্রতিক শুনানিতেও সুপ্রিম কোর্ট ইঙ্গিত দিয়েছে যে, যদি ব্যক্তিগত আইনের কিছু বিধান বাতিল করা হয়, তবে তার পরিবর্তে একটি ব্যাপক ও অভিন্ন দেওয়ানি আইনের প্রয়োজন হবে। নারীর অধিকারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব অভিন্ন দেওয়ানি বিধির আলোচনা প্রায়শই নারীর অধিকারের প্রসঙ্গে বেশি হয়। ভারতে অনেক ব্যক্তিগত আইনে নারীর অধিকার পুরুষের তুলনায় সীমিত ছিল। কিছু সম্প্রদায়ে বহুবিবাহের অনুমতি, বিবাহবিচ্ছেদের অসম প্রক্রিয়া এবং উত্তরাধিকার সূত্রে কম অংশ পাওয়ার মতো বিষয়গুলি দীর্ঘকাল ধরে বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নারীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য হল এই বৈষম্যগুলি দূর করে এমন একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা, যেখানে সকল নাগরিক সমান অধিকার লাভ করবে এবং আইন ধর্মের পরিবর্তে নাগরিকত্বের ভিত্তিতে প্রয়োগ হবে। জাতীয় ঐক্য ও ধর্মনিরপেক্ষতা ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হল রাষ্ট্র সকল ধর্মের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি রাখবে। যদি নাগরিক আইন ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন ভিন্ন হয়, তবে এই নীতি বাস্তবে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য ধর্মীয় ঐতিহ্যকে বিলুপ্ত করা নয়, বরং নাগরিক অধিকারকে ধর্ম থেকে আলাদা করা। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকারের মতো বিষয়গুলি মূলত নাগরিক অধিকারের সঙ্গে জড়িত, তাই এগুলির ওপর অভিন্ন আইন থাকা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। উত্তরাখণ্ডে প্রাথমিক পরীক্ষা ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার দিকে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ উত্তরাখণ্ডে নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার এটি কার্যকর করে বিবাহের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, সম্পত্তিতে ছেলে-মেয়ের সমান অধিকার এবং বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ সম্পর্কিত অভিন্ন নিয়মের ব্যবস্থা করেছে। এটিকে দেশে একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদি এই ব্যবস্থা সফল হয়, তবে ভবিষ্যতে জাতীয় স্তরে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মডেল হতে পারে। রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। সংবিধান সভা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই বিষয়টি সময়ে সময়ে আলোচনায় এসেছে। অনেকে এটিকে সামাজিক সংস্কার এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে মনে করেন, যখন কিছু সম্প্রদায়ের আশঙ্কা যে, এর ফলে তাদের ধর্মীয় ঐতিহ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে, তাই এই বিষয়টি কেবল আইন প্রণয়নের প্রশ্ন নয়, বরং ব্যাপক সামাজিক সংলাপ এবং বিশ্বাস গঠনেরও প্রয়োজন রয়েছে। সব মিলিয়ে বলা যায় যে, সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক মন্তব্য স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার সময় এসেছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদকেই নিতে হবে। যদি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংবিধানের চেতনা, সামাজিক সম্মতি এবং সকল সম্প্রদায়ের অধিকারকে মাথায় রেখে কার্যকর করা হয়, তবে এটি আরও ন্যায়পূর্ণ, আধুনিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বৈশ্বিক সংঘাতের মধ্যে ভারতীয় অর্থনীতি: এটি সংকট নয়, সতর্কতা এবং সুযোগের সময়
সকাল সকাল ডেস্ক -ডা. ময়ঙ্ক চতুর্বেদী পশ্চিম এশিয়ার উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সবচেয়ে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েল, ইরান এবং আমেরিকার সাথে জড়িত সামরিক ঘাঁটিগুলির আশেপাশে যুদ্ধসদৃশ পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজার, জ্বালানি সরবরাহ এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। প্রতিবারই দেখা গেছে যে যখনই উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত বাড়ে, তার সরাসরি প্রভাব বৈশ্বিক তেল বাজার, মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই, ভারতের মতো একটি বড় আমদানিকারক দেশ নিয়েও নানা ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে, কিন্তু এই আশঙ্কাগুলির মধ্যে একটি শক্তিশালী এবং আশ্বস্ত করার মতো সত্যও সামনে আসছে যে ভারতের অর্থনীতি আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, সুষম এবং প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। যদি উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ীও হয়, তাহলেও ভারতের উপর তার প্রভাব সীমিত থাকবে। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো ভারতের অর্থনৈতিক নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং বাজারের দৃঢ়তা এখন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছে। সতর্কতা, প্রস্তুতি এবং নীতিনির্ধারকদের সক্রিয়তা উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা দেখে ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছেন। এসবিআই রিসার্চের রিপোর্টে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক আর্থিক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। আরবিআই সরকারি বন্ড অর্থাৎ জি-সেকের ইল্ডকে সুষম রাখতে বাজারে হস্তক্ষেপ করেছে, যাতে আর্থিক ব্যবস্থায় আতঙ্ক সৃষ্টি না হয়। এর পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে হস্তক্ষেপ করে রুপির অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং এটিকে 92-এর নিচে ধরে রাখতে সফল হয়েছে। বস্তুত, এই পদক্ষেপটি দেখাচ্ছে যে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা বৈশ্বিক সংকটগুলি বুঝতে পেরে সময়মতো প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম। আজ ভারতের কাছে প্রায় 600 বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে, যা যেকোনো বাহ্যিক অর্থনৈতিক ধাক্কা সহ্য করার ক্ষমতা প্রদান করে। এছাড়াও, সোনার রিজার্ভও ক্রমাগত বাড়ানো হচ্ছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে এর অংশ প্রায় 17.6 শতাংশে পৌঁছেছে। এটিও এক ধরনের অর্থনৈতিক সুরক্ষা ঢাল। তেল সংকটের চ্যালেঞ্জ এবং ভারতের কৌশল উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে বড় গুরুত্ব বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের সাথে জড়িত। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় 20 শতাংশ অপরিশোধিত তেলের বাণিজ্য হয়। যদি এখানে কোনো বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক। বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট ক্রুড প্রায় 91 ডলার প্রতি ব্যারেল এবং ডব্লিউটিআই প্রায় 89 ডলার প্রতি ব্যারেল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এসবিআই রিসার্চের মতে, যদি তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে 10 ডলার বৃদ্ধি পায়, তাহলে ভারতের চলতি হিসাবের ঘাটতির উপর কিছুটা চাপ পড়তে পারে, কিন্তু এখানে এটি বোঝাও জরুরি যে ভারত গত কয়েক বছরে তার জ্বালানি কৌশলকে যথেষ্ট বৈচিত্র্যপূর্ণ করেছে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল ক্রয়, দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহ চুক্তি এবং কৌশলগত তেল রিজার্ভের মতো ব্যবস্থাগুলি ভারতকে হঠাৎ আসা সংকট থেকে অনেকটাই রক্ষা করে। বৈশ্বিক উন্নয়নের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠছে ভারত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাম্প্রতিক রিপোর্ট এই কথার প্রমাণ যে বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎ এশিয়া, বিশেষ করে ভারত এবং চীনের হাতে। আইএমএফের মতে, 2026 সালে বৈশ্বিক প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধিতে ভারতের অবদান প্রায় 17 শতাংশ থাকার আশা করা হচ্ছে। এই পরিসংখ্যানটি সেই অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত যা গত এক দশকে ভারতে ঘটেছে। আজ ভারত বিশ্বের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান বৃহৎ অর্থনীতি হয়ে উঠেছে। আইএমএফ 2025 সালের জন্য ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার 7.3 শতাংশে উন্নীত করেছে, যখন পরবর্তী অর্থবছরের জন্যও 6.4 শতাংশের শক্তিশালী বৃদ্ধির হার অনুমান করা হয়েছে। এর বিপরীতে, আমেরিকার অবদান প্রায় 9.9 শতাংশ থাকার আশা করা হচ্ছে, যখন অনেক ইউরোপীয় অর্থনীতি ধীর বৃদ্ধি নিয়ে সংগ্রাম করছে। এটি স্পষ্ট ইঙ্গিত যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ভারতের গুরুত্ব ক্রমাগত বাড়ছে। জনসংখ্যার চাপ নয়, উন্নয়নের সুযোগ ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করার সময় প্রায়শই জনসংখ্যাকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এটি সত্য যে ভারতের জনসংখ্যা অনেক বড়, কিন্তু এটিও ততটাই সত্য যে এই জনসংখ্যাই ভারতের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তিও। আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম তরুণ কর্মীবাহিনী ধারণকারী দেশ। এই তরুণ জনসংখ্যা উৎপাদন,ব্যবহার এবং উদ্ভাবন এই তিনটি ক্ষেত্রে নতুন শক্তি যোগান দিচ্ছে। ভারতে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। স্টার্ট-আপ সংস্কৃতি, ডিজিটাল অর্থনীতি, উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ এবং পরিষেবা খাতের দ্রুত বর্ধনশীল কার্যকলাপ কর্মসংস্থান সৃষ্টির নতুন পথ খুলে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী সংস্থাগুলিও চীনের পর এখন ভারতকে তাদের নতুন উৎপাদন কেন্দ্র হিসাবে দেখছে। “চীন প্লাস ওয়ান” কৌশলের অধীনে অনেক বহুজাতিক সংস্থা ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারে ভারতের স্থিতিশীল ভাবমূর্তি। বৈশ্বিক সংকটের সময়ে বিনিয়োগকারীরা সর্বদা এমন দেশগুলির সন্ধান করেন যেখানে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রয়েছে। ভারত এই মুহূর্তে সেই শ্রেণীতে দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে হয়। বিশ্বের অনেক রেটিং এজেন্সি এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ক্রমাগত এই বিষয়টি নিশ্চিত করছে যে ভারতের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত। পরিকাঠামোতে দ্রুত বিনিয়োগ, ডিজিটাল অর্থনীতির বিস্তার, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং কর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত করেছে। এই কারণেই বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বিদেশী বিনিয়োগ ভারতের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে এটি বলাও ভুল হবে যে উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত ভারতকে একেবারেই প্রভাবিত করবে না। তেলের দাম বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং আর্থিক বাজারে অস্থিরতার মতো চ্যালেঞ্জ সামনে আসতে পারে, কিন্তু ভারতের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলি এই চ্যালেঞ্জগুলি বুঝে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। আরবিআই-এর সতর্ক নীতি, সরকারের শক্তি কৌশল এবং শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ভারতকে এই পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি সেই পরিপক্কতা যা একটি অর্থনীতিকে বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও স্থিতিশীল রাখে। আজ উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংঘাত নিঃসন্দেহে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের বিষয়। তেল বাজারের অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্বের অনেক দেশের জন্য অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করছে। কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। শক্তিশালী নীতি, সক্রিয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বৈচিত্র্যময় শক্তির উৎস, বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার এবং তরুণ কর্মীবাহিনী – এই সমস্ত কারণ ভারতকে বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়। তাই এটি আতঙ্কিত হওয়ার সময় নয়, বরং সতর্কতা এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যাওয়ার সময়।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটই লক্ষ্য, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না : জ্ঞানেশ কুমার
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটই লক্ষ্য, জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। একইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ (ফুল) বেঞ্চের তিন দিনের রাজ্য সফর শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার। এদিন দুপুরে কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করেন জ্ঞানেশ কুমার। জ্ঞানেশ জানালেন, বুথ বা ভোটকেন্দ্রের বাইরে নির্দিষ্ট জায়গায় মোবাইল রেখে ভিতরে ঢুকতে পারবেন ভোটাররা। কোনও বুথে ১২০০-র উপর ভোটার থাকবে না বলে জানালেন জ্ঞানেশ কুমার। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানালেন জ্ঞানেশ কুমার।পশ্চিমবঙ্গে কত দফায় ভোট হবে, তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন, জানালেন জ্ঞানেশ।