যারা চায় বাংলার সর্বনাশ, তাদের আমরা করব বিনাশ : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সকাল সকাল ডেস্ক দক্ষিণ দিনাজপুর : দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের হাজারিপাড়ার জনসভা সেরে শুক্রবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে জনসভা করেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের জনসভা থেকে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। মমতা বলেন, আমরা বলি না। আমরা করে দেখাই। লক্ষ্মীর ভান্ডার শুরু হয়েছিল ৫০০ টাকা দিয়ে। এখন ১৫০০ এবং ১৭০০ টাকা। যুবসাথী নতুন করে করেছি। মমতা আরও বলেন, বিজেপির সরকার, অত্যাচারী সরকার, লোককে অনাহারে মারার সরকার, স্বৈরাচারী সরকার। বাংলাকে করেছে বঞ্চনা, লাঞ্ছনা। এক কোটি ২০ লক্ষ কাঁচা বাড়ি পাকা করেছি। আগামী দিন আরও করব। মমতা বলেন, যারা চায় বাংলার সর্বনাশ, তাদের আমরা করব বিনাশ। আপনার গণতন্ত্র কেড়ে নিচ্ছে, ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে। মাছ, ডিম খেতে দেবে না। ওদের ধর্মের নাম অধর্ম। আর আমাদের ধর্মের নাম মানবধর্ম। মমতা এদিন আরও বলেন, মালদা মামলার সঙ্গে জড়িতকে স্থানীয় পুলিশ নয়, সিআইডি ধরেছিল। সে বাগডোগরা থেকে পালাচ্ছিল এবং মুম্বই থেকে এসেছিল।
জয়পুরের মাটি থেকে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, উন্নয়নের খতিয়ান দিয়ে অর্জুন মাহাতোর পক্ষে সওয়াল
সকাল সকাল ডেস্ক শেফালী মাহাতো, কোটশিলা: পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের অন্যতম তরুণ তুর্কি তথা জেলা পরিষদ সদস্য অর্জুন মাহাতোর সমর্থনে কোটশিলার বামনিয়া ডাকবাংলো মাঠে নির্বাচনী জনসভা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জয়পুর বিধানসভা কেন্দ্রের এই জনসভা থেকে একদিকে যেমন উন্নয়নের ‘রিপোর্ট কার্ড’ পেশ করেন তিনি, তেমনই কেন্দ্রীয় বঞ্চনা ও পারিবারিক রাজনীতি নিয়ে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। এদিন ভাষণের শুরুতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী অর্জুন মাহাতোর প্রশংসা করে বলেন, “অর্জুন কোনো পারিবারিক পরিচিতি ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজের লড়াই এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তৃণমূল স্তর থেকে উঠে এসেছেন।” তিনি আরও যোগ করেন, অন্য দলের প্রার্থীরা যেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে গিয়ে নিজের ছেলের জন্য টিকিট নিয়ে আসেন, সেখানে অর্জুন মাহাতো মাটির লড়াই লড়ে আজ আপনাদের প্রতিনিধি হয়েছেন। বিজেপি সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মোদী সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কী করেছে? আমি আমার রিপোর্ট কার্ড নিয়ে এসেছি, ক্ষমতা থাকলে ওরাও রিপোর্ট কার্ড নিয়ে আসুক।” তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের ১০০ দিনের কাজের টাকা এবং আবাস যোজনার টাকা আটকে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ‘ভাতে মারার’ চেষ্টা করছে।পুরুলিয়া ও জয়পুরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি জানান, পুরুলিয়া জেলায় ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ পাকা বাড়ি পেয়েছেন। জয়পুর ব্লকেই প্রায় ৮২ হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন। পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জয়পুরে ১১০টি রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ করা হয়েছে।আগামী দিনের প্রতিশ্রুতি জনসভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেন এই প্রকল্পের সুবিধা মায়েরা আজীবন পাবেন। প্রতিটি বাড়িতে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে। ব্লক ভিত্তিক ‘দুয়ারে স্বাস্থ্য’ পরিষেবা চালু করা হবে। কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য সরকার বাংলার প্রতিটি গরিব মানুষকে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেবে।যাদের আবেদন জমা পড়েছে, তাদের প্রত্যেকের বকেয়া টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। সবশেষে জয়পুরের মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি আশ্বস্ত করেন, “যেভাবে আমি ডায়মন্ড হারবারকে আগলে রাখি, আগামী দিনে ঠিক একইভাবে জয়পুরকেও নিজের সবটুকু দিয়ে আগলে রাখবো।” এদিনের সভায় জেলা চেয়ারম্যানসহ নিবেদিতা মাহাতো, গৌরব সিং, উজ্জ্বল কুমার, মিনি বাউরী, কিরী আচারিয়া, সাদ্দাম আনসারী ও শক্তিপদ মাহাতোর মতো জেলা ও ব্লক স্তরের একাধিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
মণিপুরে গ্ৰেফতার জঙ্গি ক্যাডার, ভারত-মায়ানমার সীমান্তে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও আইইডি
সকাল সকাল ডেস্ক ইমফল : মণিপুরের ইমফল পশ্চিমে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে জঙ্গি সংগঠন ‘কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (পিপলস ওয়ার গ্রুপ)’, সংক্ষেপে কেসিপি (পিডব্লিউজি)-এর সক্রিয় ক্যাডার। আজ সোমবার রাজ্য পুলিশের সদর দফতরের আধিকারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার ইমফল পশ্চিম জেলার অন্তর্গত সিঙ্গজামেই থানাধীন সাঙ্গাইপ্রউ মামাং লেইকাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে কেসিপি (পিডব্লিউজি)-র সক্ৰিয় ক্যাডার মৈবাম পিংকু সিং (৪২)-কে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। পিংকু সিং চিংগামাথাক পিশুম লেইরাক এলাকার বাসিন্দা। গ্রেফতারের সময় ধৃতের হেফাজত থেকে একটি মোবাইল ফোন এবং একটি ভোটার পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে, জানিয়েছে সূত্রটি। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এর আগের দিন শনিবার (২৮ মার্চ) পরিচালিত পৃথক অভিযানে তেংনৌপাল জেলার ভারত-মায়ানমার সীমান্তবৰ্তী মোরে থানাধীন ইয়াংগৌবুং গ্রামে সীমান্ত পিলার-৭৩-এর কাছে বিপুল পরিমাণের আগ্নেয়াস্ত্র, ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) এবং যোগাযোগ সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে ছয়টি ৯ এমএম পিস্তল, ছয়টি ৯ এমএম ম্যাগাজিন, একটি সিঙ্গল-ব্যারেল রাইফেল, ১৫টি আইইডি এবং দুটি ট্যাকটিক্যাল রেডিও সেট রয়েছে। আধিকারিক সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা বিধি মেনে ঘটনাস্থলেই আইইডিগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণ : দুর্ঘটনাস্থলে মুখ্যসচিব, শোকস্তব্ধ টলিপাড়া
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলার বিনোদন জগতে। সোমবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা। রবিবার সন্ধ্যায় দিঘার সমুদ্রে নেমে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হয় অভিনেতার। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে রাহুলের মরদেহের ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা ছিল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল যে, সোমবার সকাল ৮টা নাগাদ ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে প্রশাসনিক কিছু জটিলতায় সকাল ৯টার পরেও সেই প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হয়ে প্রয়াত অভিনেতার মরদেহ দিঘা থেকে কলকাতার বিজয়গড়ে তাঁর বাসভবনে নিয়ে আসার দায়িত্ব নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এদিন সকালেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যসচিব। অভিনেতার অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ তিনি লিখেছেন যে, এই ঘটনায় তিনি অত্যন্ত মর্মাহত এবং রাহুলের মতো একজন প্রিয় অভিনেতা ও ভালো মানুষের চলে যাওয়া বিশ্বাস করা কঠিন। মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত অভিনেতার পরিবার, পরিজন এবং অগণিত অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলা সিনেমা ও ধারাবাহিক জগতে রাহুলের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁর প্রয়াণ অভিনয় জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। রাহুলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরেই তাঁর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার বিজয়গড়ে রাহুলের মায়ের কাছে পৌঁছন। সেখানে কিছুক্ষণ থাকার পর তিনি ছেলে সহজের কাছে যান এবং গভীর রাতে পুনরায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ফিরে আসেন। সোমবার দুপুর থেকে বিজয়গড় এলাকায় উপচে পড়ছে ভিড়। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ময়নাতদন্তের পর সোমবার দুপুরের মধ্যেই অভিনেতার পার্থিব শরীর তাঁর বাসভবনে আনা হতে পারে। সেখানে শেষবারের মতো প্রিয় অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে সাধারণ মানুষ ও চলচ্চিত্র জগতের ব্যক্তিত্বদের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দিল্লিতে গ্যাস সিলিন্ডারের কালোবাজারি, গ্রেফতার চার
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সাম্প্রতিক উত্তেজনার আবহে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস সরবরাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে অনেকের মনে। এর মধ্যেই দিল্লিতে সিলিন্ডার কালোবাজারি চক্রের হদিস পেল পুলিশ। বুধবার সঙ্গম বিহার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮৩টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত ও রিফিলিংয়ের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। সহকারী পুলিশ কমিশনার সতেন্দ্র মোহনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ আধিকারিক মহিপাল সিংয়ের নেতৃত্বে তিনটি আলাদা জায়গায় হানা দিয়ে শের সিং, সুরজ পরিহার, রঘু রাজ সিং এবং জিতেন্দ্র শর্মাকে হাতেনাতে ধরা হয়। উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের মধ্যে ১৫৪টি ভর্তি এবং ২৯টি খালি। পাশাপাশি লোহার পাইপ, ইলেকট্রনিক ওজন মাপার যন্ত্র–সহ নানা সরঞ্জামও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ইন্ডেন গ্যাস এজেন্সির নিবন্ধিত ডেলিভারি এজেন্ট। গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করার বদলে তারা সিলিন্ডার গুদামে মজুত রাখত এবং সেখান থেকে গ্যাস বের করে অন্য সিলিন্ডারে ভরে বেশি দামে বিক্রি করত। পুলিশ জানিয়েছে, এই ধরনের বেআইনি কাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
পুরুলিয়ায় ভোটার সচেতনতায় ‘ওয়াকাথন ২০২৬’: জনমানসে ব্যাপক সাড়া
সকাল সকাল ডেস্ক শেফালী মাহাতো, পুরুলিয়াগণতন্ত্রের উৎসবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ পুরুলিয়ায় এক বিশাল ‘ওয়াকাথন’ (Walkathon 2026) অনুষ্ঠিত হলো। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং SVEEP (Systematic Voters’ Education and Electoral Participation) কর্মসূচির অধীনে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। আজ সকাল ৭টা নাগাদ পুরুলিয়া জেলা শাসক (DM) অফিসের সামনে থেকে এই পদযাত্রা শুরু হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী তরুণ-তরুণী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট এবং টুপি, যাতে ‘SVEEP Purulia’-র লোগো অঙ্কিত ছিল। পুরুলিয়ার আদিম লোকসংস্কৃতিকেও এই সচেতনতা প্রচারের অংশ করে নেওয়া হয়েছিল। পদযাত্রার অগ্রভাগে ধামসা-মাদল হাতে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে শিল্পীদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ‘ভোট দেওয়া আমাদের অধিকার ও কর্তব্য’—এই বার্তাই পৌঁছে দেওয়া হয় শহরবাসীর কাছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন ভোটারদের উৎসাহিত করা এবং ভোটের হার বৃদ্ধি করাই ছিল এই ওয়াকাথনের মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম যাতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে, সেই বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই সচেতনতা মিছিলটি। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসনের এই অভিনব প্রচার আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার কলকাতায় এলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : ভোটের আগে রাজ্যে এলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। মঙ্গলবার সকালেই তিনি কলকাতায় এসে পৌঁছন। কলকাতা পৌঁছনোর পর সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে সেই বিষয়ে জানিয়েছেন তিনি| বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন সমাজ মাধ্যমে এ দিন লেখেন, “কলকাতায় পৌঁছানোর পর আমাদের কমিটির লোকজন আর একনিষ্ঠ কর্মীদের কাছ থেকে কী দারুণ অভ্যর্থনা পেলাম। পুরো পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের একটা জোরালো হাওয়া বইছে, আর এবার বিজেপিই সরকার গড়তে চলেছে।”
জনগণ জবাব দেবে, রায়দিঘিতে বিজেপি কর্মীর “হত্যা” প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : ভোটের আগেই রহস্যজনক মৃত্যু এক বিজেপি কর্মীর। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির দিঘিরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৬ নম্বর বুথের মেনা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম কিশোর মাঝি। মেনা এলাকারই বাসিন্দা তিনি। ২১৬ নম্বর বুথের বিজেপির সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি। বিজেপির অভিযোগ, এটি খুনের ঘটনা, এর নেপথ্যে তৃণমূলের হাত রয়েছে। তাঁর “হত্যা” প্রসঙ্গে এন্টালি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল বলেন, এর জবাব ২৯ তারিখে পাবেন। ওরা (তৃণমূল) বলেছিল ‘খেলা হবে’ এবং ২ মে তা করেও দেখিয়েছিল; কিন্তু এবার খেলাটা খেলবে সাধারণ মানুষই। ৪ তারিখে জনগণই এর জবাব দেবে। আমি দেখতে চাই, ওরা তখন কোথায় পালাবে আর কোথায় লুকোবে। বিজেপি কর্মীদের মধ্যে যারা যারা নিহত হয়েছেন— ৪ তারিখে তার জবাব দিতেই হবে।
আগ্রায় গাছে গাড়ির ধাক্কায় ৫ জনের মৃত্যু, সমবেদনা মুখ্যমন্ত্রী যোগীর
সকাল সকাল ডেস্ক আগ্রা : আগ্রায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলো একই পরিবারের চার সদস্য-সহ মোট ৫ জনের। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও ৪ জন। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই দুর্ঘটনায় নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন আহতদের সহায়তার জন্য| মুখ্যমন্ত্রীর দফতর সূত্রে এই বিষয়ে জানা গেছে| পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এটাওয়ার বাসিন্দা একই পরিবারের ৯ জন বোলেরো গাড়িতে চেপে বুধবার রাজস্থানের একটি মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার সময়ে বৃহস্পতিবার রাতে আগ্রার চিত্রাহাট থানা এলাকায় পাই গ্রামের কাছে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারের একটি গাছে ধাক্কা মারেন। ঘটনাস্থলেই এক বৃদ্ধ, বৃদ্ধের ছেলে, বউমা, নাতনি ও গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর বিকট শব্দ শুনে গ্রামের লোকজন ঘটনাস্থলে যান| রাতেই উদ্ধার কাজে হাত লাগান তাঁরা। গাড়ির জানলা ভেঙে সবাইকে বের করা হয়। খবর পেয়ে চিত্রাহাট থানার পুলিশও পৌঁছয়। তারা আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা জখম ৪ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির চালক ঘুমিয়ে পড়ায় দুর্ঘটনা ঘটে। আগ্রার ডিসিপি (পূর্ব) অভিষেক আগরওয়াল বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ খবর পায়, চিত্রাহাট থানা এলাকায় একটি গাড়ির গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এই দুর্ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪ জন আহত হয়েছেন; আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে| মৃতদেহগুলি ময়না তদন্তে পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরজি করে লিফটে আটকে একজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু, ক্ষোভ অন্যান্য রোগীর পরিজনদের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : আরজি কর হাসপাতালের লিফটে আটকে অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে| এবার সেই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিলেন হাসপাতালে আসা অন্যান্য রোগীর আত্মীয়েরা। তাঁদের অভিযোগ, হাসপাতালের কোনও ভবনেই লিফটম্যান ঠিকঠাক থাকেন না। তাঁরা বলেন, এই ঘটনার পরে আতঙ্কে রয়েছি। আমাদের দাবি, হাসপাতালের প্রতিটি লিফটে অপারেটর চাই। তাঁদের এও অভিযোগ, সিঁড়ি দিয়েও ওঠা যায় না। কুকুর-বেড়ালে ভর্তি। উল্লেখ্য, আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে মৃত্যু হয় অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ওই ব্যক্তির। শুক্রবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে| প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি দমদমের বাসিন্দা। ভোর ৫টা নাগাদ তিনি হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের লিফটে চেপে পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন। লিফটে আটকে মৃত্যু হয় তাঁর। চার বছরের ছেলে ও স্ত্রীয়ের সঙ্গে আরজি কর হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। তাঁর ছেলের হাত ভাঙা থাকায় হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের কথা ছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এ দিন ভোরে ছেলের অস্ত্রোপচারের জন্য ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের পাঁচ তলায় লিফটে করে যাচ্ছিলেন অরূপ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও ছেলে। কিন্তু পাঁচ তলায় ওঠার বদলে লিফটটি হঠাৎ নীচে নামতে থাকে। সেটি বেসমেন্টে চলে যায়। সেখানেই আটকে পড়েন শিশু-সহ তিন জন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময়ে লিফটে কোনও অপারেটর ছিলেন না। আটকে পড়া মানুষদের চিৎকার শুনে সাহায্যের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু অভিযোগ, প্রায় এক ঘণ্টা কেটে গেলেও লিফট থেকে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে উদ্ধারকারীরা এসে লিফটের দরজা খুলে ভিতর থেকে ওই ব্যক্তির নিথর দেহ উদ্ধার করে।