সকাল সকাল ডেস্ক
চিত্রদীপ ভট্টাচার্য
জামশেদপুর: শহরের অন্যতম বাচিক শিল্পীদের সংগঠন ‘বাচিক মঞ্জরী’-র উদ্যোগে ও তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হল বর্ষাকে কেন্দ্র করে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘বর্ষা মঙ্গল’। কবিতা আবৃত্তি, শ্রুতি নাটক এবং বর্ষার আবহে সাজানো মনোজ্ঞ পরিবেশনায় দর্শকদের মন জয় করে নেন শিল্পীরা। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় শিশুদের কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে। এরপর স্বপ্না চ্যাটার্জি ও বিটপী দাশগুপ্ত পরিবেশন করেন ‘আষাঢ়’ কবিতা। সুস্মিতা গাঙ্গুলীর আবৃত্তি ‘বানভাসি’ মাধ্যমে অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করেন। অমিত রায় ও মুনমুন রায় পরিবেশন করেন একটি শ্রুতি নাটক, যা উপস্থিত দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। মিঠু মণ্ডল আবৃত্তি করেন ‘আজ যেন খুব মেঘ করেছে’, পূরবী ঘোষ শোনান ‘বর্ষার দিনে’ এবং কেকা সরকার, সুমিতা ঘোষ তাঁদের আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেন। চন্দ্রা দেব, সরস্বতী দাস ও অনুমিত্রা রায় যৌথভাবে পরিবেশন করেন ‘বৃষ্টি নামল যখন’। শ্রাবণী মিত্র ও ইতি সেনগুপ্ত তাঁদের আবৃত্তি দিয়ে বর্ষার আবেগকে আরও গভীর করে তোলেন। অরূপ ঘোষ, সোনালী মিত্র ও দোলন ভট্টাচার্য পরিবেশন করেন ‘শ্রাবণের ধারার মতো’। মৌসুমী ঘোষ হাজরা আবৃত্তি করেন আঞ্চলিক কবিতা ‘আশা’। এরপর মিঠু মণ্ডল, রিংকু নন্দী, চম্পা ধর ও রুমা মুখার্জির পরিবেশনাও দর্শকদের মুগ্ধ করে। মলয় আচার্য আবৃত্তি করেন ‘কোলাজ’ ও ‘বৃষ্টি যখন নামে’। শ্রাবণী চৌধুরী, চৈতালি পানি ও আন্না গাঙ্গুলী পরিবেশন করেন ‘নব বর্ষা’। কমলা মুখার্জী, দেবশ্রী সেনগুপ্ত, মনীষা ঘোষ, সোমা ব্যানার্জি ও রূপা লাহিড়ী যৌথভাবে পরিবেশন করেন ‘কবিতা কোলাজ’। অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে বিশিষ্ট শিক্ষক ও আবৃত্তিকার সব্যসাচী চন্দ্র তাঁর স্বকীয় ভঙ্গিতে কবিতা আবৃত্তি করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন। বর্ষার সৌন্দর্য, প্রকৃতির আবেদন এবং বাংলা কবিতার আবেগময় পরিবেশনায় ‘বর্ষা মঙ্গল’ হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
No Comment! Be the first one.