কাশির সিরাপ কাণ্ডে ইডির তল্লাশি, চেন্নাইয়ে সাত স্থানে অভিযান
সকাল সকাল ডেস্ক। চেন্নাই : বিতর্কিত কাশির সিরাপ ‘কোল্ডরিফ’-এর মৃত্যুকাণ্ডে এবার নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার সকাল থেকেই চেন্নাই শহরের অন্তত সাতটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় এই সংস্থা। স্রেসান ফার্মাসিউটিক্যাল্স নামের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দপ্তর ও বাসভবনে এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর। ইডি সূত্রে জানা গেছে, কাশির সিরাপ তৈরির ক্ষেত্রে আর্থিক অনিয়ম ও বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, স্রেসান ফার্মাসিউটিক্যাল্স উৎপাদন সংক্রান্ত বেশ কিছু নিয়ম ভেঙে সিরাপ বাজারে এনেছিল। অভিযোগ, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কেমিক্যালের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশে ‘কোল্ডরিফ’ সিরাপ খেয়ে অন্তত ২০ জন শিশুর মৃত্যু ঘটে। এরপর পঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থানেও একই ওষুধ সেবনের পর শিশুদের অসুস্থ হওয়ার ঘটনা সামনে আসে। ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। চারদিন আগেই এই কাশির সিরাপ প্রস্তুতকারী সংস্থার মালিক জি রঙ্গনাথনকে গ্রেফতার করেছিল রাজ্য পুলিশ। তদন্তে দেখা যায়, ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামালের উৎস অস্পষ্ট এবং সংস্থার আর্থিক লেনদেনে সন্দেহজনক গড়মিল রয়েছে। এই সূত্র ধরেই এবার তদন্তে নেমেছে ইডি। ইডির ধারণা, কাশির সিরাপ উৎপাদনের আড়ালে বেআইনি অর্থ পাচার বা কর ফাঁকির মতো কর্মকাণ্ডের যোগ থাকতে পারে। এদিনের তল্লাশি থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংস্থার আর্থিক নথি খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওষুধ শিল্পে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও। সূত্রের খবর, অন্যান্য রাজ্যেও এই সিরাপের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করা যায়।
নতুন দিল্লি রেল স্টেশনের সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের
সকাল সকাল ডেস্ক।নয়াদিল্লি: আসন্ন উৎসবের মরসুমের আগে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শনিবার নতুন দিল্লি রেল স্টেশনে নবনির্মিত হোল্ডিং এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এছাড়াও স্টেশনর সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন তিনি।পরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “নতুন দিল্লি স্টেশনে সবসময় যাত্রীদের ভিড় থাকে। তা মোকাবেলার জন্য, একটি অস্থায়ী হোল্ডিং এরিয়া নিয়ে দুই বছর আগে একটি পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেই পরীক্ষাটি আগত যাত্রীদের ব্যাপকভাবে উপকৃত করেছিল। এখন একটি স্থায়ী এলাকা তৈরি করা হয়েছে, যাত্রী সুবিধা কেন্দ্র।”রেলমন্ত্রী আরও বলেন, “ভিতরে থাকা সমস্ত টিকিট কাউন্টারগুলিকে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। যাত্রীরা যখন আসবেন, তারা একটি উন্মুক্ত পরিবেশ, বসার জন্য বিশাল এলাকা এবং প্রচুর পরিমাণে টয়লেট পাবেন। এটি নতুন দিল্লি স্টেশনের জন্য একটি স্থায়ী সুবিধা। যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে ভিড় করতে হবে না তা নিশ্চিত করার জন্য সারাদেশে ৭৬টি স্টেশনে একই ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে। সিস্টেমটিকে একটি নতুন স্তরে আনার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী দিনে, ছট এবং দীপাবলির মতো বড় উৎসবগুলিতে হঠাৎ ভিড় হবে৷ এই পুরো সিস্টেমটি এই ভিড়ের সময় পরীক্ষা করা হবে এবং এর থেকে শিক্ষাগুলি ভবিষ্যতে অন্যান্য স্টেশনগুলিতে অনুরূপ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহার করা হবে।”
কৃষি ও কৃষক সবসময়ই ভারতের উন্নয়ন যাত্রার একটি অংশ : প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক।নয়াদিল্লি: কৃষি ও কৃষক সবসময়ই ভারতের উন্নয়ন যাত্রার একটি অংশ। জোর দিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “কৃষি ও কৃষক সবসময়ই ভারতের উন্নয়ন যাত্রার একটি অংশ। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চাষবাস ও কৃষিতে সরকারী সহায়তা অব্যাহত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।” ইউপিএ সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, পূর্ববর্তী সরকারগুলি কৃষি ও কৃষিকাজকে নিজস্ব অবস্থায় ছেড়ে দিয়েছিল। ফলস্বরূপ, ভারতের কৃষি ব্যবস্থা ক্রমাগত দুর্বল হয়ে পড়ে। একবিংশ শতকের ভারত দ্রুত উন্নয়ন অর্জনের জন্য, কৃষি ব্যবস্থার সংস্কার করা প্রয়োজন ছিল এবং এটি ২০১৪ সালে শুরু হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, “আজ এই ঐতিহাসিক দিনে, দেশের স্বনির্ভরতা এবং কৃষকদের কল্যাণে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। প্রথমত প্রধানমন্ত্রী ধন ধান্য কৃষি যোজনা এবং দ্বিতীয়, ডাল স্বনির্ভর মিশন।এই দুটি প্রকল্প ভারতের লক্ষ লক্ষ কৃষকের ভাগ্য বদলে দেবে। ভারত সরকার এই প্রকল্পগুলিতে ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করার পরিকল্পনা করছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে ত্রিপুরায় বিশেষ অনুষ্ঠান
সকাল সকাল ডেস্ক।আগরতলা : দেশের কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে শনিবার শুরু হয়েছে একাধিক কৃষি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়ন। রাজধানী আগরতলার এডি নগরস্থিত স্টেট এগ্রিকালচার রিসার্চ সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা, কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ, কৃষি দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও নির্বাচিত কৃষকরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা এবং ডালে আত্মনির্ভরতা মিশন প্রকল্প উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ১,১০০-এরও বেশি কৃষি পরিকাঠামো ফান্ড, প্রাণীসম্পদ, মৎস্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংক্রান্ত প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা বলেন, “আজকের দিনটি দেশের কৃষকদের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। পূর্ববর্তী সরকারগুলি কৃষকদের নিয়ে ভাবলেও, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সফল হতে পারেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃষকদের কল্যাণে যে সব প্রকল্প গ্রহণ করেছেন, তা তাঁদের উন্নয়নের নতুন দিশা দেখাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন—২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত নির্মাণ। সেই লক্ষ্য অর্জনে দেশের কৃষকরাই অন্যতম কারিগর।” মুখ্যমন্ত্রী জিএসটি সংস্কারের কথাও উল্লেখ করে বলেন, এর ফলে কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই উপকৃত হচ্ছেন।এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিরা নির্বাচিত কৃষকদের হাতে উন্নতমানের কৃষিবীজ ও সার তুলে দেন। রাজ্যের কৃষক সমাজের উন্নয়নে রাজ্য সরকার যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত নীতিগুলি দ্রুত বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ, তা স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা।
দীপাবলির আগে মাটির প্রদীপের চাহিদা, ন্যায্য দামে হতাশ মৃৎশিল্পীরা
সকাল সকাল ডেস্ক।আগরতলা : দীপাবলি উৎসবের আগে আগরতলার বাজারে মাটির প্রদীপের চাহিদা এখন তুঙ্গে। তবে সেই চাহিদার সুফল পুরোপুরি পাচ্ছেন না শহরের মৃৎশিল্পীরা। বিশেষ করে নন্দননগর এলাকার কারিগরদের অভিযোগ, সারা বছর প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করলেও, উৎসবের মরশুমে তাঁদের তৈরি প্রদীপের ন্যায্য দাম মিলছে না। নন্দননগর দীর্ঘদিন ধরেই মৃৎশিল্পের জন্য পরিচিত। এখানকার শতাধিক পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মাটির বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। দীপাবলির আগমনে তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়েন প্রদীপ তৈরির কাজে। হালকা থেকে শুরু করে নকশাযুক্ত জটিল কারুকার্যের প্রদীপ—সবই তৈরি করেন তাঁরা, যেগুলির চাহিদা শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন বাজারে প্রচুর। এক স্থানীয় মৃৎশিল্পী জানান, “গত এক মাস ধরে দিন-রাত খেটে প্রায় ৫,০০০ প্রদীপ বানিয়েছি। বাজারে ভালো চাহিদা থাকলেও পাইকাররা অল্প দামেই কিনে নিচ্ছেন। আগে কিছুটা ভালো দাম পাওয়া যেত, কিন্তু এখন সস্তা। বিদেশি টুনি বাল্ব ও এলইডি লাইটের কারণে মাটির প্রদীপের মূল্য অনেক কমে গেছে।” আধুনিকতা ও বিশ্বায়নের প্রভাবে ঐতিহ্যবাহী এই কুটির শিল্প এখন চরম সঙ্কটে। পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ও কাঁচা মালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবুও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই শিল্পীরা। তাঁদের আশা, সরকার ও প্রশাসন যদি ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়, তাহলে আগরতলার এই প্রাচীন মৃৎশিল্প আবারও আগের জৌলুস ফিরে পেতে পারে।
ডিজিটাল কানেক্টিভিটি প্রত্যেক ভারতীয়র জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ : প্রধানমন্ত্রী
Digital connectivity is an integral part of every Indian’s life: PM
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
PM Modi’s special message welcoming British Prime Minister to India
জম্মু ও কাশ্মীরে পাহাড়ে তুষারপাত, শীতের আমেজ শ্রীনগরে
সকাল সকাল ডেস্ক। শ্রীনগর জম্মু ও কাশ্মীরে সোমবারই এই মরশুমের প্রথম তুষারপাত হয়েছে, যার ফলে উপত্যকাজুড়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেছে। সোমবারের পর মঙ্গলবার তুষারপাত হয়েছে ভূস্বর্গে। এর ফলে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেছে, শ্রীনগরে দিনের তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। জম্মু বিভাগে বানিহালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে জম্মুতে ২১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পীর কি গালি, রাজদান টপ, সাধনা পাস, সিন্থন টপ, ডাকসুম, কংদোরি গুলমার্গ, মিনিমার্গ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্যান্য অংশে নতুন করে তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শ্রীনগর-সহ সমতল অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া দফতর হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে, কৃষকদের সমস্ত কৃষিকাজ স্থগিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা আত্মনির্ভরতা এখন অ্যাকশন মোডে : রাজনাথ সিং
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি ভারতের প্রতিরক্ষা আত্মনির্ভরতা এখন অ্যাকশন মোডে রয়েছে। জোর দিয়ে বললেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের আত্মনির্ভরতা নীতি এবং ঘোষণার বাইরেও এগিয়ে গিয়েছে, কর্ম, প্রভাব এবং ব্যাপক স্বীকৃতির পর্যায়ে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার নতুন দিল্লিতে রক্ষা নবচর সংবাদে বক্তব্য রাখার সময় রাজনাথ সিং বলেন, সরকার আধুনিক যুদ্ধের পরিবর্তনশীল গতিশীলতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন, কারণ এখন যুদ্ধগুলি প্রযুক্তি দ্বারা ক্রমবর্ধমানভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, গত দশ বছরে, সরকার দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দেশীয় নকশা, উন্নয়ন এবং উৎপাদনকে উৎসাহিত করার জন্য আত্মনির্ভর ভারতের অধীনে বেশ কয়েকটি নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের অভ্যন্তরীণ মূলধন অধিগ্রহণ ২০২১-২২ সালে ৭৪ হাজার কোটি টাকা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৪-২৫ সালের শেষ নাগাদ এক লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। রাজনাথ সিং উল্লেখ করেন, ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্প এক লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার উৎপাদন অর্জন করেছে, যেখানে প্রতিরক্ষা রফতানি ২৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টের প্রেক্ষিতে জবাব মমতার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা “উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও রাজনীতি করতে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী।” নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় সোমবার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের হামলার নিন্দা করে সোমবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে বাংলা এবং ইংরেজিতে পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুষেছিলেন রাজ্য সরকার এবং শাসকদল তৃণমূলকে। প্রধানমন্ত্রীর সেই অভিযোগের ‘জবাব’ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘এটি দুর্ভাগ্যজনক এবং গভীর ভাবে উদ্বেগজনক যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাযথ তদন্তের অপেক্ষা না করেই একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের রাজনীতিকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিশেষ করে যখন উত্তরবঙ্গের মানুষ ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করছেন।’’ ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চলাকালীন বিজেপির নেতারা স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে কিছু না জানিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ বিশাল কনভয় নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই বিজেপি নেতার উপর হামলার জন্য রাজ্য ও শাসকদলের নাম জড়ানোর নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, ‘‘প্রধানমন্ত্রী কোনও যাচাই করা প্রমাণ, আইনি তদন্ত বা প্রশাসনিক প্রতিবেদন ছাড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরাসরি দোষারোপ করেছেন। এটি কেবল নিম্নমানের রাজনীতির উদাহরণ নয়, এটি প্রধানমন্ত্রী যে সাংবিধানিক নীতি বজায় রাখার শপথ নিয়েছেন তার লঙ্ঘন। যে কোনও গণতন্ত্রে আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হয়। কেবলমাত্র আইনি প্রক্রিয়াই দোষী চিহ্নিত করতে পারে। কোনও রাজনৈতিক টুইট নয়।’’