পানীয় জলের দাবি কারখানা গেটের সামনে শ্রমিক পরিবারের মহিলাদের বিক্ষোভ
সোমনাথ গুপ্ত, দুর্গাপুর : রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থা দুর্গাপুর কেমিকেলস কারখানা ২০১৯ সালে বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু কারখানার রক্ষনাবেক্ষণের জন্য প্রায় দুশো জন অস্থায়ী শ্রমিক কাজ করে চলেছেন আজও। টানা ছ মাস ধরে জল যন্ত্রনায় জেরবার এই অস্থায়ী শ্রমিকদের পরিবার পরিজন, ২২ দিন হলো পরিস্তিতি আরো ভয়ঙ্কর হয়েছে। বারবার বলার পর কর্তৃপক্ষ গা না করাতে বৃহস্পতিবার মহিলারা চলে আসেন কারখানার গেটের সামনে, শুরু করেন গেটের সামনে বিক্ষোভ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ। যতক্ষণ দাবী না মিটছে ততক্ষন আন্দোলন জারি রাখার হুশিয়ারী দেন শ্রমিক পরিবারের সদস্যরা। জলের জন্য টাকা নেওয়ার পরও কেন জল দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ? এই প্রশ্ন তুলে সরব হয় আন্দোলনকারীরা। শেষে ঘন্টা খানেক আন্দোলন চলার পর পুলিশের মধ্যস্ততায় শেষে কর্তৃপক্ষ কথা দেয় খুব তাড়াতাড়ি সমস্যা মিটবে। এইদিকে এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে দুর্গাপুর নগর নিগম থেকে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা হবে, তবে বিরোধীরা যেন এই সমস্যায় ইন্ধন না দেয় প্রতিক্রিয়া তৃণমূল নেতা উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়ের। শাসক দলকে পাল্টা কটাক্ষ জেলা বিজেপি নেতৃত্বের। সব মিলিয়ে গোটা ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে নিমেষে উতেজনা ছড়িয়ে পড়ে দুর্গাপুরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে দুর্গাপুর কেমিকেলস কারখানার সামনে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার তারাতলায় হানা ইডির
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার তারাতলায় হানা দেয় ইডি। আর সেখানের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে উদ্ধার বিপুল অর্থ। সূত্র মারফৎ জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তবে সেই সংখ্যা বাড়তে পারে, কারণ টাকা গোনা এখনও চলছে। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় লেক টাউন ও তারাতলায় দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে নগদ টাকা ও গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রের দাবি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল থেকে বেলেঘাটার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইডি। ওই মামলার সূত্রেই, মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ভোর লেক টাউন ও তারাতলায় তল্লাশি অভিযান চালু রেখেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের দাবি, বুধবার ওই ব্যবসায়ীদের ফ্ল্যাট ও অফিসে তল্লাশি অভিযানে বহু সম্পত্তির দলিল, নগদ টাকা ও গয়না উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি এই সব ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। টাকা ও গয়নার উৎসের এখনও পর্যন্ত কোনও বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি তাঁরা। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই ব্যবসায়ীদের আমদানি-রফতানি-সহ নানা ব্যবসা রয়েছে। ইডির এক কর্তা বলেন, ‘‘নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা প্রভাবশালীরা তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছিলেন। ওই সূত্রেই দু’জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।
“হিন্দু বিরোধী মমতা প্রশাসন ধিক্কার” — দীপাবলির রাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : “যে দিনটিতে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার দিন, সেই দিনেও সৃষ্টি হচ্ছে নানা রকম বাধা ও নিয়ন্ত্রণ। এটা শুধু উৎসবের আনন্দে নয় হিন্দুদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অধিকারে সরাসরি হস্তক্ষেপ।” এই মন্তব্য করে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভিডিয়ো যুক্ত করে বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডলে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, “দীপাবলি আলোর জয় আর অন্ধকারের পরাজয়ের পবিত্র প্রতীক। কিন্তু আজ এই পবিত্র উৎসবে হিন্দুরা তাদের মতো করে আনন্দ ও উৎসব পালন করতে পারছে না। বুধবার রাতে কলকাতার অভিজাত সাউথ সিটি আবাসনের আবাসিকরা তাদের পরিবারের সাথে দীপাবলির আনন্দে মেতেছিলেন। সরকারি নির্দেশাবলি মেনেই বাজি পোড়াচ্ছিলেন আবাসিকরা, কিন্তু হিন্দু বিরোধী মমতা পুলিশ আবাসনে পৌঁছে ধমক, গ্রেফতার থেকে নিরীহ হিন্দু আবাসিকদের মারধর পর্যন্ত করেছে, যা ভিডিওতে দৃশ্যমান। একটি স্বাধীন দেশে নিজের ধর্মীয় উৎসব আনন্দের সঙ্গে পালন করা প্রত্যেকের অধিকার। কিন্তু হিন্দু বিরোধী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই হিন্দু সমাজ আজ সেই অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। আমি এই ঘৃণ্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং আমি আশা করি আগামী দীপাবলি আপনাদের সুখকর হবে। এই তৎপরতা ও অতিসক্রিয়তা শুধুমাত্র হিন্দুদের উৎসব উদযাপনের সময় দেখা যায়।”
অসুস্থ খগেন মুর্মু এখনও হাসপাতালে, দেখতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী
সকাল সকাল ডেস্ক। শিলিগুড়ি : উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলির সময় বেশ কিছু দিন আগে দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আহত হন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অসুস্থ খগেন মুর্মু শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বৃহস্পতিবার খগেন মুর্মুকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। খগেন মুর্মুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন শুভেন্দু। বন্যা বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ির ডুয়ার্স অঞ্চলে ত্রাণ বিলির সময় এমাসের প্রথমদিকে আক্রান্ত হন খগেন মুর্মু। দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। রক্তাক্ত হন খগেন, ওই দিন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার খগেনকে দেখতে শিলিগুড়ির হাসপাতালে যান শুভেন্দু, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
দুর্গাপুর ‘গণধর্ষণ’ কাণ্ডের জল গড়াল হাই কোর্টে
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা দুর্গাপুর ‘গণধর্ষণ’ কাণ্ডের জের গড়াল আদালতের দোরগোড়ায়। এনিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলল। বিচারপতি শম্পা দত্ত পাল মঙ্গলবার এই অনুমতি দিয়েছেন বলে খবর। আগামী ১৬ তারিখ এনিয়ে শুনানির সম্ভাবনা। জানা যাচ্ছে, দুর্গাপুরের ওই বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ ঘটনার জেরে সেখানে যে আন্দোলন দানা বেঁধে উঠছে, তার বিরোধিতায় মামলা দায়ের করেছে। আর একটি আবেদন জানাতে চলেছে বিজেপি। পুলিশি তদন্তের অগ্রগতি, রাজ্য পুলিশে ভরসা না থাকায় সিবিআই তদন্ত চাওয়া হয়েছে। এদিকে, এই ঘটনায় তদন্তও এগোচ্ছে। ধৃত অভিযুক্তদের নিয়ে মঙ্গলবার ঘটনার পুনর্নির্মাণের তোড়জোড় চলছে।
দীপাবলির আগে মাটির প্রদীপের চাহিদা, ন্যায্য দামে হতাশ মৃৎশিল্পীরা
সকাল সকাল ডেস্ক।আগরতলা : দীপাবলি উৎসবের আগে আগরতলার বাজারে মাটির প্রদীপের চাহিদা এখন তুঙ্গে। তবে সেই চাহিদার সুফল পুরোপুরি পাচ্ছেন না শহরের মৃৎশিল্পীরা। বিশেষ করে নন্দননগর এলাকার কারিগরদের অভিযোগ, সারা বছর প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করলেও, উৎসবের মরশুমে তাঁদের তৈরি প্রদীপের ন্যায্য দাম মিলছে না। নন্দননগর দীর্ঘদিন ধরেই মৃৎশিল্পের জন্য পরিচিত। এখানকার শতাধিক পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মাটির বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। দীপাবলির আগমনে তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়েন প্রদীপ তৈরির কাজে। হালকা থেকে শুরু করে নকশাযুক্ত জটিল কারুকার্যের প্রদীপ—সবই তৈরি করেন তাঁরা, যেগুলির চাহিদা শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন বাজারে প্রচুর। এক স্থানীয় মৃৎশিল্পী জানান, “গত এক মাস ধরে দিন-রাত খেটে প্রায় ৫,০০০ প্রদীপ বানিয়েছি। বাজারে ভালো চাহিদা থাকলেও পাইকাররা অল্প দামেই কিনে নিচ্ছেন। আগে কিছুটা ভালো দাম পাওয়া যেত, কিন্তু এখন সস্তা। বিদেশি টুনি বাল্ব ও এলইডি লাইটের কারণে মাটির প্রদীপের মূল্য অনেক কমে গেছে।” আধুনিকতা ও বিশ্বায়নের প্রভাবে ঐতিহ্যবাহী এই কুটির শিল্প এখন চরম সঙ্কটে। পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ও কাঁচা মালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবুও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই শিল্পীরা। তাঁদের আশা, সরকার ও প্রশাসন যদি ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়, তাহলে আগরতলার এই প্রাচীন মৃৎশিল্প আবারও আগের জৌলুস ফিরে পেতে পারে।
উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টের প্রেক্ষিতে জবাব মমতার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা “উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও রাজনীতি করতে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী।” নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় সোমবার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের হামলার নিন্দা করে সোমবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে বাংলা এবং ইংরেজিতে পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুষেছিলেন রাজ্য সরকার এবং শাসকদল তৃণমূলকে। প্রধানমন্ত্রীর সেই অভিযোগের ‘জবাব’ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘এটি দুর্ভাগ্যজনক এবং গভীর ভাবে উদ্বেগজনক যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাযথ তদন্তের অপেক্ষা না করেই একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের রাজনীতিকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিশেষ করে যখন উত্তরবঙ্গের মানুষ ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করছেন।’’ ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চলাকালীন বিজেপির নেতারা স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে কিছু না জানিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ বিশাল কনভয় নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই বিজেপি নেতার উপর হামলার জন্য রাজ্য ও শাসকদলের নাম জড়ানোর নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, ‘‘প্রধানমন্ত্রী কোনও যাচাই করা প্রমাণ, আইনি তদন্ত বা প্রশাসনিক প্রতিবেদন ছাড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরাসরি দোষারোপ করেছেন। এটি কেবল নিম্নমানের রাজনীতির উদাহরণ নয়, এটি প্রধানমন্ত্রী যে সাংবিধানিক নীতি বজায় রাখার শপথ নিয়েছেন তার লঙ্ঘন। যে কোনও গণতন্ত্রে আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হয়। কেবলমাত্র আইনি প্রক্রিয়াই দোষী চিহ্নিত করতে পারে। কোনও রাজনৈতিক টুইট নয়।’’
দিনহাটার সাহেবগঞ্জে একাধিক জায়গায় বোমাবাজির ঘটনায় চাঞ্চল্য
সকাল সকাল ডেস্ক।সাহেবগঞ্জ, ২৪ সেপ্টেম্বর: কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ এলাকার একাধিক জায়গায় বোমাবাজির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বুধবার সকালে এনিয়ে এলাকায় ব্যপক চাঞ্ল্য ছড়িয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের দিনহাটা-২ ব্লক সভাপতি তথা প্রাক্তন প্রধানের স্বামী মোজাফফর রহমান মিন্টুর বাড়িতে মঙ্গলবার রাত আড়াইটে নাগাদ বোমাবাজি হয়। পাশাপাশি সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সভাপতি তথা দিনহাটা-২ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সদস্য অতুলচন্দ্র সরকারের বাড়ির সামনে নতুনবাজার এলাকায় ও প্রাক্তন তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা ময়নাল হকের শ্বশুরবাড়ির সামনের রাস্তায় বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস । এদিকে এই ঘটনার পরে বুধবার সকালে সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানের বাড়িতে পৌঁছে যান দিনহাটা-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপককুমার ভট্টাচার্য। এদিন তিনি এই ঘটনায় সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিজেপি এধরনের বোমাবাজির ঘটনা ঘটিয়েছে। শান্ত সাহেবগঞ্জকে অশান্ত করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনকে ইতিমধ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা যাতে দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে সেই দাবি করেন তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
কলকাতার কোথাও আর জল জমে নেই, দাবি ফিরহাদ হাকিমের
সকাল সকাল ডেস্ক।কলকাতা, ২৪ সেপ্টেম্বর : কলকাতার কোথাও আর জল জমে নেই, বুধবার এমনই দাবি করলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, এখন কোথাও জল জমে নেই। নীচু এলাকাতে কিছুটা জল রয়েছে, তবে সেখানেও জল কমতে চলেছে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, “লড়াই করে (ক্ষমতায়) আসুন। বাংলার জনগণই ঠিক করবে, মমতার সরকার হবে কি হবে না। জনগণ তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার হৃদয়ে বাস করেন।” উল্লেখ্য, বুধবার সকালেও উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় জল জমে ছিল। আবার কোথাও কোথাও জল নেমেছে। আপাতত ছন্দে ফেরার চেষ্টায় কল্লোলিনী কলকাতা। ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে, স্বাভাবিক হয়েছে মেট্রো পরিষেবাও।
“সরকারি অনুদান রাজ্যের জনগনের করের টাকা”, ফের সতর্কতা শুভেন্দুর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা “মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোয় ক্লাবগুলির সরকারি অনুদান দিচ্ছেন, এই টাকা রাজ্যের জনগনের করের টাকা। কিন্তু নন্দকুমারের বিধায়ক সুকুমার দে যেভাবে ক্লাবগুলিকে ধমকাচ্ছেন মনে হচ্ছে অনুদানের টাকা যেন ওনাদের পৈতৃক সম্পত্তি”। ওই ধমকানোর ভিডিয়ো-সহ এই মন্তব্য করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার তিনি এক্সবার্তায় লিখেছেন, “বিধায়ক সুকুমার দে’র বক্তব্য যেহেতু অনুদানের টাকা সরকার দিচ্ছে, সেহেতু ক্লাবগুলিকে পুজোর মণ্ডপে মণ্ডপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগাতেই হবে বাধ্যতা মূলকভাবে, এবং তিনি তার বিধানসভার অধীনস্ত সরকারি অনুদান প্রাপ্ত ক্লাবগুলির পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখবেন, এবং তার কথামতো যদি কোনো মণ্ডপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি না থাকে তাহলে সেই ক্লাব যাতে আগামী বছর অনুদান না পায় সেই ব্যবস্থা তিনি করবেন। নন্দকুমারে বিধায়ককে আমি আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই সরকার অনুদানের যে টাকা ক্লাবগুলিকে দিচ্ছে সেই টা পশ্চিমবঙ্গের জনগনের ট্যাক্সের টাকা আপনার দলের টাকা নয়, তৃণমূলের কোনো নেতার পৈতৃক টাকা নয়। আর আগামী বছরের ব্যাপার আগামী বছর দেখা যাবে, আপনার দল সরকার ক্ষমতায় আসবেনা, আগামী বছর আপনিও এক্স এমএলএ হবেন আর আর আপনার মালিক ও এক্স হবেন তাই ক্ষমতার দম্ভে হুমকি, আস্ফালন দেখানোর আগে ভালো করে ভেবেচিন্তে কথা বলুন!”